Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Mrs.Anjuara Khanom

Pages: [1] 2 3 ... 13
1
ঘরে ও বাইরে এখন প্রচণ্ড গরম। বৈশাখ মাস হলেও খুব একটা বৃষ্টির দেখা নেই। গরম থেকে বাঁচতে রাত-দিন ফ্যান চালাচ্ছেন, একটু সামর্থ্যবান হলে কিনে নিচ্ছেন এসি। তবে সমস্যা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল প্রতি মাসে বেড়েই চলেছে।।

এছাড়া বাতি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, ব্লেন্ডার, আয়রন মেশিনসহ আরো অনেক কাজে বিদ্যুৎ খরচ তো হয়ই।

তবে এখন প্রশ্ন হলো এই গরমে বিদ্যুৎ বিল তো প্রতিমাসেই বাড়ছে। তবে আপনি জানেন কি? কিছু কৌশল মেনে চললে বিদ্যুৎ বিল কমে যাবে বা অতিরিক্ত বিল আপনাকে দিতে হবে না।

আসুন জেনে নেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৯ কৌশল।

১. অহেতুক অপচয় করার মানসিকতা বাদ দিতে হবে। বাড়িতে অনেকগুলো ঘর থাকলে যে ঘরে কেউ থাকছে না সে ঘরের বাতি ও ফ্যান বন্ধ রাখুন।

২. ঘর থেকে বাইরে গেলে বাতি, ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রের সুইচ বন্ধ করে বের হন।

৩. কিছুদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে গেলে মেইন সুইচ বন্ধ করতে ভুলবেন না।

৪. প্রাকৃতিক আলো-হাওয়ায় ভরসা রাখতে হবে। ঘরের দেয়াল, ছাদ, পর্দা ও আসবাবপত্র সমূহে সাদা রঙের ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। ঘর ঠাণ্ডা থাকে।

৫. ফ্রিজে গরম খাবার রাখবেন না। গরম খাবার রাখলে মাসে এক দিন ফ্রিজ খালি করুন। ফ্রিজ পরিষ্কার করুন ও অপ্রয়োজনে ফ্রিজ চালাবেন না।

৬. এসি চালানোর ব্যাপারে সতর্ক হন। সারারাত এসি চালাবেন না। তিন ঘন্টা এসি চালানোর পর ফ্যান চালিয়ে দিন।

৭. একবারে অনেকগুলো কাপড় একসঙ্গে ইস্ত্রি করুন। ততে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচবে।

৮. এলইডি আলো প্রচুর বিদ্যুৎ বাঁচায়। বাড়িতে এলইডি লাইট ব্যবহার করুন।

৯. ল্যাপটপ, মোবাইল এবং ডিজিটাল ক্যামেরাসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরজ্ঞাম চার্জ দেওয়ার পর চার্জার খুলে রাখুন।

সূত্র : জি নিউজ

2
 উত্তর : কবুল রোজা একমাত্র আল্লাহর জন্য, এর বদলা আল্লাহ নিজ হাতে দেবেন। এ ছাড়াও পরকালীন ফল সম্পর্কে রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসের রোজা ঈমান ও সওয়াব লাভের চেতনা সহকারে আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী গোনাফ মাফ হয়ে যাবে।’ মোটকথা, রোজা রাখতে হবে ঈমান সহকারে যে, তা আল্লাহপাক ফরজ করেছন। তা অবশ্যই পালন করতে হবে। রোজা রাখার ফলেই আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রেজামন্দি অর্জন করা সহজতর হয়। তা ছাড়া রোজা রাখতে হবে এহতেছাব বা দৃঢ়সঙ্কল্প সহকারে। কেননা, মাকবুল রোজার বিনিময় আল্লাহপাক কতখানি প্রদান করবেন, তা কেবল তিনিই জানেন। তাই রোজা পালনের অফুরন্ত বিনিময় লাভের প্রত্যাশাকে দৃঢ় হতে দৃঢ়তর করে তুলতে হবে।


Source:https://www.dailyinqilab.com/article/204811/

3
উত্তর : এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমাদের নিকট রমজান মাস সমুপস্থিত। তা অত্যন্ত বরকতময় মাস। আল্লাহ তায়ালা এই মাসের রোজা তোমাদের প্রতি ফরজ করেছেন। এই মাসে আকাশের দুয়ারসমূহ উন্মুক্ত হয়ে যায়। এই মাসে জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং এই মাসে বড় বড় ও সেরা শয়তানগুলো আটক করে রাখা হয়। আল্লাহরই জন্য এই মাসে একটি রাত আছে, যা হাজার মাস অপেক্ষাও অনেক উত্তম। যে লোক এই রাত্রির মহাকল্যাণ লাভ হতে বঞ্চিত থাকল সে প্রকৃতই বঞ্চিত ব্যক্তি।


Source:https://www.dailyinqilab.com/article/203150/

4
আমাদের শরীরের একটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গের নাম অ্যাপেন্ডিক্স। আর এই অ্যাপেন্ডিক্সে কোনো কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে যে সমস্যার সৃষ্টি হয় সেটি অ্যাপেনডিসাইটিস নামে পরিচিত। বিশ্বের প্রায় ৫ শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রে অ্যাপেনডিসাইটিস প্রাণ সংশয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বৃহদান্ত্র এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের সংযোগস্থলে বৃহদান্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছোট্ট একটি থলির মতো এই অঙ্গটিতে কোনো ভাবে খাদ্য বা ময়লা ঢুকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে সময় মতো সময় মতো অস্ত্রোপচার করা না গেলে বা সমস্যা ধরা না পড়লে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!
অ্যাপেন্ডিক্সের সংক্রমণে পেটে ব্যথা হয়, এ কথা আমরা অনেকেই জানি। তবে ঠিক কোন ধরনের ব্যথা বা কী কী উপসর্গ দেখে বুঝবেন পেটে ব্যথার কারণ  অ্যাপেনডিসাইটিসের সংক্রমণ? আসুন আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে তা জেনে নেওয়া যাক-

উপসর্গ ও লক্ষণসমূহ:

১) পেটে যন্ত্রণা হওয়া। সাধারণত নাভির কাছ থেকে শুরু করে পেটের ডান দিকের নিচে এই ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে।

২) পেটে যন্ত্রণার সঙ্গে বমি বমি ভাব।

৩) বমি হওয়া।

৪) খিদে না পাওয়া।,

৫) কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার সমস্যা।

৬) পেটের যন্ত্রণায় জ্বর আসা। তবে এ ক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি হয় না।

‌‌

বিডি-প্রতিদিন/

5
দৈনন্দিন জীবনে মাঝে মাঝে কষ্টে পড়তে হয়। এটা জীবনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই কষ্টের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক বেশ দৃঢ়। অবশ্য কারো কারো জীবনে কষ্টটা বিলাসিতার মতো। আবার কারো ক্ষেত্রে অসহনীয়। তবে আল্লাহ কাউকে সাধ্যতীত বোঝা চাপিয়ে দেন না।

পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা কখনো দেন না। প্রত্যেকেই যা ভালো করেছে তার পুরস্কার পায়, যা খারাপ করেছে তার পরিণাম ভোগ করে।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৮৬)

মানুষের জীবনে কষ্ট নানান বেশে আসে। প্রতিটা কষ্টে মানুষ কিছু না কিছু হারায়। কেউ কেউ হয়তো ভাবেন, মহান স্রষ্টা আল্লাহ তাআলাকে এতো মেনে চললাম তাও কষ্ট দিলেন, চাকরিটা কেড়ে নিলেন, ফসল নষ্ট করে দিলেন কিংবা প্রিয়জন কেড়ে নিলেন!? স্রষ্টার প্রতি হয়তো বিশাল অভিমান, কী অপরাধে স্রষ্টা এত কষ্ট দিচ্ছেন? অথচ একবারের জন্য হলেও ভাবা উচিত- ‘তিনিই সেই সত্তা, যিনি মানুষকে হাসান এবং কাঁদান। তিনিই তো মৃত্যু দেন, জীবন দেন।’ (সুরা নাজম, আয়াত: ৪৩)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা, সম্পত্তি, জীবন এবং ফসল হারানো দিয়ে পরীক্ষা করবই। জীবনে কোনো বিপদ আসলে যারা ধৈর্যের সাথে চেষ্টা করে এবং বিপদে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে বলে, “আমরা তো আল্লাহরই সম্পত্তি। আল্লাহরই কাছে আমরা শেষ পর্যন্ত ফিরে যাবো” — তাদেরকে সুসংবাদ দাও! ওদের উপর তাদের প্রভুর কাছ থেকে আছে বিশেষ অনুগ্রহ এবং শান্তি। এধরনের মানুষরাই সঠিক পথে আছে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫৫-১৫৭)

অন্য দিকে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তারা কি লক্ষ্য করে দেখে না যে, প্রতিবছর তাদের উপর দুই-একবার বিপদ আসছে? এরপরও ওরা তওবা করে না, উপলব্ধি করার চেষ্টা করে না।’ (সুরা আত-তাওবা, আয়াত:১২৬)

প্রিয়নবী (সা.) হাদিসে বলেন, ‘আল্লাহ যার ভালো চান তাকে দুঃখ কষ্টে ফেলেন।’ (বুখারি, হাদিস নং: ৫৬৪৫)

হাদিসে রাসুল (সা.) আরো বলেন, ‘যদি কারো উপর কোনো কষ্ট আসে, আল্লাহ তাআলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন; যেমনভাবে গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়ে।’  (বুখারি, হাদিস নং: ৫৬৮৪)

মানুষের প্রতিটা কষ্টের সঙ্গে সুখ মিশে আছে। ধৈর্যশীল মানুষ সেই সুখের অপেক্ষা করেন। তারা জানেন, জীবনে যত ঘোর আসুক না কেন, এক সময় তা কেটে যাবে। কষ্টের এ সময়গুলোতে ধৈর্য্যের সঙ্গে অবিচল থাকাই মুমিনের গুণ।

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘প্রতিটি কষ্টের সঙ্গে অবশ্যই কোনো না কোনো দিক থেকে স্বস্তি রয়েছে। কোনো সন্দেহ নেই, অবশ্যই প্রতিটি কষ্টের সঙ্গে অন্য দিকে স্বস্তি আছেই।’ (সুরা আল-ইনশিরাহ, আয়াত: ৫-৬)

বলাবাহুল্য, মানুষের প্রতিটি কষ্টই ক্ষণস্থায়ী। আর কষ্টের বিনিময়ে মানুষকে সর্বোত্তম বিনিময় দেওয়া হবে। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ প্রতিজ্ঞা করে বলেছেন। অথচ আল্লাহ তাআলা প্রতিজ্ঞা না করলেও কোনো অসুবিধা নেই। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

সূত্রঃhttps://www.banglanews24.com/islam/news/bd/713235.details

6
আপাত দৃষ্টিতে রক্তশূন্যতাকে খুব বড় কোনো রোগ বলে মনে না হলেও, যে কোনো বড় অসুখের শুরু হতে পারে এই রক্তশূন্যতা থেকেই। পুষ্টিবিদদের মতে, রক্তশূন্যতা বিশ্বের সবেচেয়ে বড় অপুষ্টিজনিত সমস্যা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক নড়ি জন্য রক্তে হিমোগ্লোবিন ১২.১ থেকে ১৫.১ গ্রাম/ডেসিলিটার, পুরুষের রক্তে ১৩.৮ থেকে ১৭.২ গ্রাম/ডেসিলিটার, শিশুদের রক্তে ১১ থেকে ১৬ গ্রাম/ডেসিলিটার থাকা স্বাভাবিক। রক্তে হিমোগ্লোবিন এর চেয়ে কমে গেলে তাকে ‘রক্তশূন্যতা’ বলেই ধরে নেন চিকিৎসকরা। আসুন এবার চীনে নেওয়া যাক রক্তশূন্যতা'ড় লক্ষণগুলি-
রক্তশূন্যতা লক্ষণ-

১) রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত ব্যক্তি অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠেন। সামান্য কাজ করলেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

২) অনেক সময় রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অংশের ত্বক ফ্যাকাশে হতে শুরু করে।

৩) আয়রনের অভাবে রক্তশূন্যতা হতে পারে। রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত ব্যক্তির আয়রনের অভাবে অতিরিক্ত চুল ঝরে যেতে শুরু করে।

৪) রক্তাল্পতায় আক্রান্তকে বিষণ্ণতায় ভুগতে দেখা যায়। সর্বক্ষণ দুর্বলতা আর মাথাব্যথা হওয়ার কারণে রোগীকে ক্রমশ বিষণ্ণতা গ্রাস করে।

৫) রক্তাল্পতার আর একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হল, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। রক্তশূন্যতার কারণে হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত শরীরে সঞ্চালনের জন্য পাম্প করতে পারে না। ফলে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেড়ে যায়।

এবার রক্তশূন্যতাড় কারণগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

১) পুষ্টিহীনতা আর শরীরে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি হলে।

২) দীর্ঘদিন ধরে ব্যথার ওষুধ সেবনের ফলে রক্তাল্পতার সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

৩) থ্যালাসেমিয়াসহ কিছু জন্মগত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা রক্তাল্পতায় ভোগেন।

৪) পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্ষত বা আলসারের কারণে ক্রমাগত বমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্তক্ষরণ হওয়া, অন্ত্রে কৃমির সংক্রমণ বা অর্শরোগে (পাইলস) রোগীর অতিরিক্ত রক্তপাতের কারণেও রক্তাল্পতার সমস্যা দেখা দিতে পারে।


বিডি-প্রতিদিন/

7
এলাচ এমন একটি মসলা যা ঠাণ্ডা, গলাব্যথা-সহ নানান অসুখ দূর করতে সাহায্য করে। এলাচ উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। কালো এলাচ ঠাণ্ডা ও কফজনিত সমস্যা দূর করে। এর অ্যান্টিসেপ্টিক সমৃদ্ধ বীজ থেকে পাওয়া তেল যা গলাব্যথা সারাতে কার্যকর।

রান্নায় ব্যবহার করা ছাড়াও এলাচের কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। এটি প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার হিসেবেও অনেকে ব্যবহার করে থাকেন। চলুন জেনে নিই, এলাচের কিছু অবিশ্বাস্য উপকারিতার কথা।
পেটের সমস্যা দূর করে

এলাচ পেটের ফাঁপা অবস্থা হ্রাস করে, কারণ প্রাকৃতিকভাবেই এলাচ বায়ুনাশকারী হিসেবে কার্যকরী। এটি পরিপাকে সাহায্য করে এবং পিত্তরসের প্রবাহ বৃদ্ধি করে থাকে। দেহের ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ দূর করতেও এলাচের বিকল্প পাওয়া কঠিন।

দুর্গন্ধ দূর করতে

মাউথ ফ্রেশনার হিসেবে এলাচ কাজ করতে সক্ষম। এলাচ মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে, ফলে মুখে দুর্গন্ধ থাকে না। তাই মুখে দুর্গন্ধ হলে একটি এলাচ চুষে খান। দেখবেন, দুর্গন্ধ একেবারে দূর হয়ে গেছে।

শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যায়

এলাচ শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারদর্শী। হুপিংকাশি, ফুসফুস সংক্রমণ, অ্যাজমার মতো নানা সমস্যায় এলাচ খুব কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

রক্ত জমাট বাধার সমস্যায়

এলাচে বিদ্যমান ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হ্রাস করে। মূলত দেহের বাড়তি ফ্লুইড বের করে এলাচ এই কাজটি করে থাকে। এছাড়া এলাচের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যা দূর করা। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব স্বাভাবিক থাকে।

কিডনির সমস্যা দূর করে

কিডনির সমস্যার দূর করতে এলাচ খুব ভালো কাজ করে। এলাচ মূত্রত্যাগের বিষয়টি উদ্দীপ্ত করে এবং রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। কিডনিতে জমতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ইউরিয়া দূর করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত এলাচ গ্রহণ করলে বিভিন্ন ধরণের কিডনির সমস্যা, মূত্র থলির সমস্যা, কিডনি পাথর, নেফ্রাইটিস, মূত্র ত্যাগের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা করা ও ঘন ঘন মূত্র ত্যাগের সমস্যা নিরাময়ে কাজ করে।

বিডি-প্রতিদিন/

8
চলছে গ্রীষ্মকাল। তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। ভয়ঙ্কর গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে এখন এসি চাই ৷ কিন্তু ইলেকট্রিক বিল? সেটার কী হবে? এসি বা বিলের চিন্তা মাথা থেকে নামিয়ে নিন। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, আপনার ঘর এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা রাখতে পারবেন এই ৫ উপায়ে-

১। ঘরে যদি কাচের জানলা থাকে, তাহলে মোটা পর্দা দিন। পর্দাটা যেন গাঢ় রঙের হয়। গরম কালে হালকা রঙের পর্দা একদম নয়।
২। বাজার থেকে খসের পর্দা কিনে নিয়ে আসুন। জানলায় লাগিয়ে দিন। মাঝে মধ্যেই পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিন।

৩। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের আলো জ্বালাবেন না। ঘরে বাল্বের বদলে টিউব লাইট ব্যবহার করুন।

৪। ঘর মোছার সময়, পানির মধ্যে কিছুটা পরিমাণ লবণ ঢেলে দিন। লবণ পানিতে ঘরের তাপমাত্রা সঠিক থাকবে।

৫। ঘরের মধ্যে গাছ রাখুন।

 

বিডি-প্রতিদিন/

9
Fruit / কলা মানেই ম্যাজিক!
« on: April 24, 2019, 02:11:18 PM »
অনেকেই খাদ্য তালিকায় যা রাখেন তাতে আখেরে লাভ তো কিছুই হয় না, উল্টে দিনের পর দিন সমস্যা বাড়তেই থাকে। কাজে লাগে না সকালের ব্যায়ামও। তাই আপনি কী খাবেন মেনু ভেবে চিন্তে ঠিক করুন। আর গরম হলে তো কথায় নেই। কিন্তু সারা বছর যেটি আপনি আপনার খাবার মেনুতে রাখতে পারেন তাহলো একটি করে কলা। কেন জানেন?

১) কলা শুধু ফিট থাকতেই সাহায্য করে না, এই কলাতে রয়েছে ভিটামিন-সি এবং ই। ক্যান্সার প্রতিরোধেও কলার ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হয়।
২) কলাতে রয়েছে মিনারেল, শর্করা, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম। এই সবই শরীরে বাড়তি এনার্জি এনে দেয়।
৩) কলা কিন্তু বেশ কাজের। একটি কলা খেলে তা পেট ভরিয়ে দয় নিমেষেই৷

৪) কলা কিন্তু ওজন কমাতেও সাহায্য করে বলে মনে করেন অনেকে। কলা থেকে তৈরি কেক বা চিপস্ অথবা বানানাশেক অনেকের প্রিয়।

৫) কলা যেমন পেট এবং স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী, তেমনই আপনার ত্বকের জেল্লা ফেরাতেও সক্ষম। তাই এলার্জি সংক্রান্ত বা চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে, একটা কলা নাস্তার টেবিলে রাখার কথা ভাবতে পারেন।


বিডি প্রতিদিন/

10
সব বডিস্প্রের সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী হয় না। যাদের অত্যাধিক ঘাম হয়, তাদের শরীরে কোনও বডি স্প্রের সুগন্ধই দীর্ঘস্থায়ী হয় না। বডি স্প্রের সুগন্ধ দীর্ঘস্থায়ী করতে ৫টি কৌশল:

১) বডি স্প্রের গন্ধ দীর্ঘস্থায়ী করতে শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্যবহার করতে পারেন। বগলে বডি স্প্রে ব্যবহারের পর ঘামের গন্ধে তা অল্প সময়ের মধ্যেই ফিকে হয়ে যায়। এ জন্য শরীরের যে অংশগুলি ঘামে না বা অপেক্ষাকৃত কম ঘামে যেমন, কানের পেছনে, গলায় ইত্যাদি জায়গায় বডি স্প্রে ব্যবহার করলে তার গন্ধ দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হবে।
২) বডি স্প্রের সুগন্ধি শরীরে স্প্রে করার সঙ্গে সঙ্গেই গায়ে জামা পরে ফেলবেন না। বডি স্প্রের সুগন্ধি সারা গায়ে ছড়িয়ে পড়া পর্যন্ত কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন, তারপর জামা পরুন। এর ফলে ডিওড্রেন্টের গন্ধ দীর্ঘক্ষণ স্থায়ী হবে।

৩) অনেকেই বডি স্প্রে বা ডিওড্রেন্ট কাপড়ে ব্যবহার করেন এবং স্প্রে করার পরে জায়গাটি ভাল করে ঘষে নেন। এই কাজটি একেবারেই করবেন না। এতে সুগন্ধি আরও তাড়াতাড়ি ফিকে হয়ে যায়।

৪) যে ব্র্যান্ডের বডি স্প্রে ব্যবহার করছেন, ওই একই ব্র্যান্ডের এবং একই সুগন্ধযুক্ত অন্য প্রসাধনীও ব্যবহার করুন। এতে বডি স্প্রে বা ডিওড্রেন্টের গন্ধ দিনের শেষে ফিকে হয়ে গেলেও অন্য প্রসাধনের সুগন্ধি আপনাকে সতেজ রাখবে।

৫) বডি স্প্রেটি যদি একেবারেই অল্পসময় স্থায়ী হয়, তাহলে সেটিকে সব সময় অপনার সঙ্গেই রাখুন এবং কিছুক্ষণ পর পর ব্যবহার করুন।
সূত্র: জি ২৪ ঘণ্টা

বিডি প্রতিদিন/

11
মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে ঝকঝকে সাদা দাঁত অন্যতম। আর সুন্দর দাঁত মানেই আত্মবিশ্বাস। সামান্য একটু মুক্তা ঝরা হাসিতে যেমন কারও মন কেড়ে নেয়া নিমিষে, তেমনি হলদে দাঁতের হাসি বিরূপ ধারণা তৈরি করে এক মূহূর্তেই। তাই একটু আলাদা করেই যেন নিতে হয় দাঁতের যত্ন।

তবে ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে হলে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে–এই ধারণাটা ঠিক নয়। ঘরোয়া কিছু উপাদান ব্যবহার করে আপনি নিজেই আপনার দাঁতকে করতে পারেন মুক্তার মত সুন্দর আর উজ্জ্বল। তাই এখনই জেনে নিন দাঁতকে ঝকঝকে সাদা করার কিছু ঘরোয়া উপায়।
লেবুর ব্যবহার : প্রতিদিন দুই বেলা দাঁত ব্রাশ করার পর পরিষ্কার দাঁতে এক টুকরো লেবু নিয়ে ঘষতে থাকুন । এভাবে ৫/৬ মিনিট ধরে ঘষতে থাকলে ৭ দিনের মধ্যে উত্তম রেজাল্ট পাবেন। এতে শুধু আপনার দাঁত পরিষ্কার হবে তা নয় বরং দাতেঁর রংও ফিরবে।

লবনের ব্যবহার: আপনি প্রতি রাতে যখন দাঁত ব্রাশ করেন। এরপর লেবুর ব্যবহার করতে হবে। লেবুর ব্যবহার শেষ করে হাতে লবন নিন। লবন আঙ্গুলের মাথায় নিয়ে ৫/৭ মিনিট ঘষুন তারপর কুলি করে ফেলুন। এভাবে এটিও ৭ দিন নিয়মিত করেন। এতে দাঁতের গোড়া হবে শক্ত ও মজবুদ। এখন অনেক টুথপেস্টেও লবনের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়।

কলার খোসার ব্যবহার : কলা খাওয়ার পর খোসাটি না ফেলে সেটি একাকী দাতেঁ ঘষতে থাকুন। প্রতিদিন এভাবে দুটি কলা খান এবং খোসাটি ঘসুন ৫ মিনিট ধরে । ৭ দিন হওয়ার আগেই এর ফলাফল পাবেন। ঝকঝকে সাদা দাঁত। এছাড়া কলার খোসা দিয়ে আপনার রুপ চর্চাও করতে পারেন।

বেকিং সোডা : বেকিং সোডার সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে দাঁতে লাগিয়ে ১ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ব্রাশ দিয়ে দাঁত ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।

কমলার খোসা কিংবা কলার খোসা : কমলা এবং কলার খোসায় আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাসিয়াম যা দাঁত সাদা করতে সহায়তা করে। এই ফলগুলো খেয়ে খোসা ফেলে না দিয়ে দাঁতে ঘষে নিন। তাই সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন। ব্যবহারের কিছুক্ষণ পর দাঁত ব্রাশ করে ফেলুন।

আপেল, গাজর এবং দুধ : ঝকঝকে সাদা দাঁত পেতে হলে খাবার তালিকায় নিয়মিত গাজর, আপেল এবং দুধ রাখতে হবে। এই খাবারগুলো দাঁতের এনামেলকে ঠিক রাখে।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার : আঙ্গুলের ডগায় অ্যাপেল সিডার ভিনেগার লাগিয়ে কিছুক্ষণ দাঁতে ঘষে নিন। এভাবে প্রতিদিন ব্যবহারে দাঁতের হলদে ভাব কমে যাবে।

সঠিক নিয়মে ব্রাশ করা : আমরা বেশির ভাগ মানুষই সঠিক নিয়মে দাঁত ব্রাশ করি না। চিকিৎসকদের মতে, দিনে অন্তত দুইবার দুই মিনিট সময় নিয়ে দাঁত ব্রাশ করা উচিত। দাঁত ব্রাশের সময়ে অবশ্যই নরম ব্রাশ ব্যবহার করা উচিত। শক্ত ব্রাশ ব্যবহার করলে মাড়ি এবং দাঁতের এনামেলের ক্ষতি হয়। এছাড়াও নিয়মিত ফ্লসিং করতে হবে।

বিডি প্রতিদিন/


12
ঘরে-বাইরে সর্বত্র আজ বিনয়ের অভাব। দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে মানবিকতা। আমরা অনেক কিছু শিখছি, কিন্তু মানুষ হওয়ার দীক্ষা নিচ্ছি না। সত্য মেনে নেওয়াকে আজ পরাজয় মনে করা হয়।
যার গলা যত উঁচু, তাকেই বড় বীর ভাবে মানুষ। আমরা এটা ভুলে গেছি যে, মুসলমান হিসেবে এসব আমাদের আচরণ হতে পারে না। স্বার্থবিহীন উদার ও লৌকিকতামুক্ত অকৃত্রিম বিনয় এবং সবার সঙ্গে মার্জিত ব্যবহার করা ইসলামের প্রথম শিক্ষা। কারণ এমন গুণাবলি দিয়েই আল্লাহ সর্বপ্রথম নবীদের সুশোভিত করেছেন। তারপর দায়িত্ব দিয়েছেন নবুয়তের। মানুষকে কাছে টানার জন্য নবীদের হতে বলেছেন বিনয়ী ও কোমল ব্যক্তিত্বের অধিকারী। আল্লাহ বলেন, ‘আপনি আপনার অনুসারী মুমিনদের জন্য নিজেকে কোমল রাখুন। ’ সূরা শুয়ারা, আয়াত ২১৫। আরেক আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘আপনি যদি কঠোর হতেন তবে মানুষ আপনার কাছ থেকে দূরে সরে যেত। আপনি তাদের ক্ষমা করুন এবং তাদের জন্য আমার কাছে ক্ষমা চান। আর তাদের সঙ্গে পরামর্শ করুন। ’ সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৫৯। বিনয়ের অর্থ হচ্ছে সত্যকে দ্বিধাহীন চিত্তে মেনে নেওয়া। এর আরেকটি অর্থ নিজেকে অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে না করা। হজরত হাসান বসরি (রহ.) বলেছেন, ‘নিজের ঘর থেকে বের হওয়ার পর যে কারও সঙ্গে সাক্ষাৎ হলে তাকে নিজের চেয়ে ভালো মনে করার নামই হলো বিনয়। ’ ইয়াজ (রা.) বর্ণনা করেছেন, একদিন রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বললেন, ‘আল্লাহ আমার কাছে নির্দেশনা পাঠিয়েছেন যাতে তোমরা বিনয়ী হও। একে অন্যের ওপর গর্ব না কর এবং রাগও না কর। ’ মুসলিম। হজরত ঈসা আলাইহিস সালাম বলতেন, এ পৃথিবীতে যারা বিনয়ীর জীবনযাপন করবে, কিয়ামতের মাঠে তাদের জন্য কতই না আনন্দ অপেক্ষা করছে। তারা সেদিন আসনে বসে থাকবে। যারা আজ মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ভুলিয়ে তাদের মিলিয়ে দেয়, তারাই তো সর্বোচ্চ জান্নাত ফিরদাউসের প্রকৃত মালিক হবে। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘আল্লাহর জন্য যে যত বেশি  নিচু হবে, নিজেকে বিনয়ী করবে, আল্লাহ তাকে তত বেশি বড় করবেন। অর্থাৎ মানুষের কাছে সম্মানিত করবেন। ’ আহমদ। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘দানসদকায় কখনো সম্পদ কমে না, এতে আল্লাহ দাতার সম্মান বাড়িয়ে দেন। আর যে আল্লাহর জন্য বিনয়ী হবে, তার সম্মান আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। ’ মুসলিম। এমন লোকদের প্রশংসা করে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘আর পরম দয়াময়ের বান্দারা তো নম্র হয়ে হাঁটাচলা করে এবং কোনো মূর্খের সঙ্গে দেখা হলে সালাম দিয়ে চলে যায়। ’ সূরা ফুরকান, আয়াত ৬৩। এখানে ওখানে বাগ্বিতণ্ডা কিংবা কারও সঙ্গে রেগে যাওয়া তাদের স্বভাব নয়। আল্লাহ অন্যত্র বলেছেন, ‘এই জান্নাত তো তাদের জন্য তৈরি করে রেখেছি যারা পৃথিবীতে অনেক সম্মান ও বড়ত্বের জন্য লোলুপ ছিল না। ছিল বিনয়ী এবং কোমল। তারা সেখানে হাঙ্গামা করত না। শুভ পরিণাম তো মুত্তাকিদের জন্যই। ’ সূরা কাসাস, আয়াত ৮৩। ইবনে মাজাহ থেকে বর্ণিত হাদিসে জানা যায়, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে দাঁড়িয়ে ঠকঠক করে কাঁপছিল এক গ্রাম্য বেদুইন। সে ভাবছিল, কত প্রতাপশালী শাসক না জানি আবদুল্লাহর ছেলে মুহাম্মদ। প্রিয় নবী তাকে অভয় দিয়ে বললেন, ‘তুমি শান্ত হও। আমি কোরাইশ বংশের এক সাধারণ মহিলার সন্তান, যে মহিলা রোদে শুকানো মাংসের টুকরা খেয়ে দিন কাটাতেন। ’

লেখক : বিশিষ্ট মুফাসসিরে কোরআন ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। চেয়ারম্যান : বাংলাদেশ মুফাসসির সোসাইটি।

13
রাতে ছয় ঘণ্টার কম ঘুমানোর অভ্যাস হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। নতুন একটি গবেষণায় এ বিষয়ে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।গবেষকদের মতে, ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান এ ব্যক্তিদের চেয়ে যাদের ছয় ঘণ্টার কম ঘুমানোর অভ্যাস (চোখ বন্ধ থাকা) তাদের কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৩৫ ভাগ বেশি।

কম ঘুমানোর অভ্যাস অথেরোস্ক্লেরোসিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় যা ধমনীকে সরু ও কঠিন করে দেয়। এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছে স্প্যানিশ ন্যাশনাল সেন্টার ফর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ।আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজি জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।
স্পেনের ৪,০০০ ব্যাংক কর্মীর ওপর এ গবেষণা করা হয়েছে। গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের বয়স ছিল গড়ে ৪৬ এবং তাদের হৃদরোগের আক্রান্ত হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।  গবেষণার ফলাফলে দেখানো হয়েছে, ওষুধের চেয়ে ঘুমের অভ্যাস পরিবর্তন করে দ্রুত ও সহজেই  হৃদরোগের প্রতিকার সম্ভব। সূত্র: ডেইলি মেইল

বিডি প্রতিদিন/

14
Heart / হার্টব্লকের উপসর্গ
« on: November 17, 2018, 11:48:26 AM »
হার্টের নিজস্ব ব্যবহারের জন্য কী পরিমাণ রক্ত সরবরাহের প্রয়োজন তা খুব সহজে নির্ণয় করা যায় না। একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের প্রতি মিনিটে সারা শরীরে ৫ লিটারের মতো রক্ত সরবরাহের প্রয়োজন, সেমতে এ সময়ে হার্ট প্রতি মিনিটে ৫ লিটার রক্ত পাম্প করবে। একজন মানুষ যখন যুদ্ধক্ষেত্রে থাকে অথবা প্রতিযোগিতামূলক কোনো খেলায় অংশগ্রহণ করে অথবা কখন কোনরূপ দুর্ঘটনায় পতিত হয় তখন শারীরিক রক্ত সরবরাহের প্রয়োজন বৃদ্ধি পায় এবং হার্ট তার পাম্পিং দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ৫ লিটারের পরিবর্তে মিনিটে ১০০ লিটার পর্যন্ত রক্ত পাম্প করতে পারে। এবার ধরুন ৫ লিটার রক্ত পাম্প করা আর ১০০ লিটার রক্ত পাম্প করার মধ্যে শক্তি খরচের মাত্রা অনেকগুণ বৃদ্ধি পায় ফলশ্রুতিতে ওই সময়ে হার্টে জ্বালানি ও অক্সিজেনের চাহিদা ১০ থেকে ৫০ গুণ বৃদ্ধি পায়। তার মানে দাঁড়ালো হার্টের নিজস্ব রক্ত সরবরাহের প্রয়োজন শারীরিক কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করে অনেক কমবেশি হয়ে থাকে। এখান থেকে আরও একটি ব্যাপার নির্ণয় করা যায় যে, প্রয়োজনের সময় অত বেশি পরিমাণ রক্ত সরবরাহের জন্য হার্টে পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্তনালি বিদ্যমান থাকে। বিশ্রামকালীন সময়ে খুবই অল্প পরিমাণ রক্তনালি খোলা থাকলেই চলে তাই অল্প কিছু রক্তনালি খোলা থাকে এবং বাকিগুলো চুপসানো অবস্থায় থাকে এবং চুপসানো নালিগুলো প্রয়োজনে আবারও রক্ত সরবরাহ করতে সক্ষম হয়। রক্তনালির ভিতর দিকে চর্বিজাতীয় পদার্থ খুব ধীরে ধীরে জমা হতে হতে রক্তপ্রবাহের পথ আটকে ব্লকের সৃষ্টি করে। ব্লক সৃষ্টির প্রাথমিক পর্যায়ে বিশ্রামকালীন এবং স্বাভাবিক পরিশ্রম যেমন পথ হাঁটা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা ইত্যাদি কাজে, ব্লক থাকা সত্ত্বেও রক্ত সরবরাহ পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকায় রোগী ব্লকের কোনো উপসর্গে আক্রান্ত হয় না। তবে দ্রুত দৌড় দেওয়া অথবা প্রতিযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড সম্পাদনের সময় রোগী হাঁপিয়ে উঠা, বুক ধড়ফড় করা, বুকে চাপ, ব্যথা জ্বালা করার মতো উপসর্গে আক্রান্ত হয়। এই সমস্যাগুলোকে একত্রে এনজিনা নামে অবিহিত করা হয়, মানে এসব কাজের সময় রোগী এনজিনায় আক্রান্ত হয়। কাজ শেষে খুব দ্রুত এনজিনা কমে গিয়ে ব্যক্তি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। ব্লকের তীব্রতা ও সংখ্যা  বৃদ্ধি পেলে দ্রুত হাঁটতে গেলে এবং সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে গেলে এনজিনায় আক্রান্ত হন এবং কাজ শেষে খুব এনজিনা কমে যায়। ব্লকের তীব্রতা ও সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেলে রোগী সামান্য কাজ করতে গেলে এনজিনা আক্রান্ত হয়। এ ধরনের রোগীদের ব্লকের তীব্রতার জন্য হার্ট শারীরিক চাহিদা মতো রক্তপাম্প করতে না পারায় রোগীর হার্ট ফেইলুর দেখা দেয়। যার ফলে রোগীর শরীরে পানি জমা হতে থাকে কাজেই বিছানায় শুতে গেলে শুকনো কাশির উদ্রেগ হয়, পেটে বদহজম ও অত্যধিক গ্যাসের সৃষ্টি হয়, সব সময় পেটে ভরা ভরা ভাব অনুভূত হয়। ব্লকের পরিমাণ এবং হার্ট ফেইলুরের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে রোগী বিশ্রামকালীন যেমন শুয়ে বসে থাকাকালীন এনজিনায় আক্রান্ত হয় এবং হার্ট ফেইলুরের উপসর্গ বৃদ্ধি পায়। এত কিছু বিবেচনা করে চিকিৎসক এনজিওগ্রামের আগেই রোগীর ব্লকের তীব্রতা অনুমান করেন এবং অনুমান শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রেই প্রায় সঠিক হয়ে থাকে।

ডা. এম শমশের আলী (কার্ডিওলজিস্ট)

সিনিয়র কনসালটেন্ট (প্রা.), ঢাকা মেডিকেল

কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।

15
Diabetics / ডায়াবেটিস কী? কেন হয়?
« on: November 14, 2018, 11:24:23 AM »
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ডায়াবেটিস এখন একটি মহামারি রোগ। ছবি: এএফপিবিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ডায়াবেটিস এখন একটি মহামারি রোগ। ছবি: এএফপিডায়াবেটিস শব্দটি আমাদের সবার কাছেই বেশ পরিচিত। এমন কোনো পরিবার খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে কোনো ডায়াবেটিসের রোগী নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ডায়াবেটিস এখন একটি মহামারি রোগ। এই রোগের অত্যধিক বিস্তারের কারণেই সম্প্রতি এমন ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

প্রশ্ন আসতেই পারে, ডায়াবেটিস কী? আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশন বলছে, ডায়াবেটিস এমনই একটি রোগ, যা কখনো সারে না। কিন্তু এই রোগকে সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

আইরিশ ইনডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়েছে, যখন আমরা কার্বোহাইড্রেট বা সাধারণ শর্করাজাতীয় খাবার খাই, তখন তা ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয়। ইনসুলিন হচ্ছে একধরনের হরমোন। এর কাজ হলো এই গ্লুকোজকে মানুষের দেহের কোষগুলোয় পৌঁছে দেওয়া। এরপর সেই গ্লুকোজ ব্যবহার করে শরীরের কোষগুলো শক্তি উৎপাদন করে। সেই শক্তি দিয়েই রোজকারের কাজকর্ম করে মানুষ। সুতরাং যখন এই গ্লুকোজ শরীরের কোষে পৌঁছাবে না, তখন স্বাভাবিকভাবেই মানুষের দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হবে।

যখন কারও ডায়াবেটিস হয়, তখন ওই মানুষের শরীরে ইনসুলিন হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়। ফলে দেহের কোষে গ্লুকোজ পৌঁছাতে পারে না। এতে করে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়। সাধারণত প্রস্রাবের মাধ্যমে অতিরিক্ত গ্লুকোজ শরীর থেকে বের হয়ে যায়। এই কারণে ডায়াবেটিস রোগীর ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। যখন প্রস্রাব বেশি হয়, তখন ডায়াবেটিসে ভোগা রোগী তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়েন।

অন্যদিকে, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়ার রোগীর শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণ গ্লুকোজ বের হয়ে যায়। এতে করে প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করতে পারে না দেহের কোষগুলো। ফলে রোগী দুর্বলতা অনুভব করেন। রোগী যদি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন, তবে তার রক্তনালি, স্নায়ু, কিডনি, চোখ ও হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যাসহ নানা ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো
ডায়াবেটিস রোগের সাধারণ কিছু লক্ষণ রয়েছে। আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখলে সহজেই চিহ্নিত করা যায় ডায়াবেটিস। আর যত আগে ডায়াবেটিস চিহ্নিত করা যাবে, তখনই নিতে হবে নিয়ন্ত্রণমূলক পদক্ষেপ। ডায়াবেটিসের লক্ষণগুলো হলো:

১. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া
২. তেষ্টা পাওয়া
৩. নিয়মিত খাওয়ার পরও ঘন ঘন খিদে
৪. প্রচণ্ড পরিশ্রান্ত অনুভব করা
৫. চোখে ঝাপসা দেখা
৬. শরীরের বিভিন্ন অংশের কাটাছেঁড়া সহজে সারে না
৭. খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া
৮. হাতে-পায়ে ব্যথা বা মাঝে মাঝে অবশ হয়ে যাওয়া

 Source:https://www.prothomalo.com

Pages: [1] 2 3 ... 13