Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - shyful

Pages: [1] 2 3 ... 8
1
একজন মহুয়া মৈত্র
২৫ জুন বিজেপির তিন শতাধিক এমপিকে বাক্‌রুদ্ধ করে দিয়েছিলেন। লেখিকা শোভা দে এই বক্তৃতার পর টুইটারে লিখেছেন, ‘আ পলিটিক্যাল স্টার হ্যাজ অ্যারাইভড’। নতুন ভারতীয় লোকসভা প্রায় প্রতিদিন গেরুয়া উল্লাসে মুখর থাকে। বিজেপির তুমুল সংখ্যাগরিষ্ঠতার এই লোকসভা কার্যত ভারাক্রান্ত। কিন্তু ২৫ জুন তা দেখেছে ভিন্নমত কত শক্তিশালী হতে পারে। শুধু একটি কণ্ঠ কত তীব্র, কত প্রাণস্পর্শী হতে পারে। নিয়মতান্ত্রিক পথে একজন রাজনীতিবিদ কতটা আলোড়িত করতে পারেন একটি দেশকে, তার নজির মহুয়া মৈত্র।
সেই ভাষণের পর ইতিমধ্যে কয়েক দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু সমগ্র ভারতে এখনো হাজার হাজার মানুষ সেই ভাষণ দেখে চলেছে ইউটিউবে। ভারতের প্রায় সব প্রচারমাধ্যমের সার্বক্ষণিক নজরদারিতে আছেন তিনি। তাঁর বক্তৃতা নিয়ে শত শত প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। নিশ্চিতভাবেই আরও হবে।
বলা হচ্ছে, বহু বহুদিন পর ভারতীয় পার্লামেন্ট একটি সাহসী কণ্ঠস্বর খুঁজে পেল। ক্রমে দমবন্ধ হয়ে আসা দক্ষিণ এশিয়ায় মহুয়া যেন কিছু অক্সিজেন নিয়ে এলেন।
করপোরেট জীবন ছেড়ে রাজনীতিতে
ভারতে হিন্দুত্ববাদের আক্রমণাত্মক উত্থানে বাংলাদেশ ও বহির্বিশ্বে উদ্বেগ আছে। ভারত থেকে প্রায় প্রতিদিন ভিন্নমত দলনের খবর আসছে। সেখানে পাল্টা একটা সমাবেশ শক্তিও যে তৈরি হচ্ছে, সে খবর প্রায় আসেই না। বাস্তবে বহু ভারতীয় তরুণ-তরুণী রাজনৈতিক দুঃসময়ে প্রতিরোধ গড়তে কাজে নেমে পড়েছেন। মহুয়া মৈত্রকেও সে কাতারে ফেলা যায়। শৈশবে কলকাতা ও পরে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে গণিত ও অর্থনীতিতে পড়েছেন। নিউইয়র্ক ও লন্ডনে জেপি মরগ্যানের হয়ে ব্যাংকিং পেশায় ছিলেন। ২০০৯-এ সেসব ছেড়ে স্বদেশে ফিরে যোগ দেন রাজনীতিতে। তখন বয়স ৩৪। কিছুদিন কংগ্রেসের যুব শাখায় কাজ করেছেন। মহুয়া ছিলেন কার্যত রাহুল গান্ধীর আবিষ্কার। কিন্তু কাজ করতে গিয়ে কংগ্রেস পছন্দ হয়নি। অল্প দিন পরই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। রাজনীতিতে হাটে-মাঠে-ঘাটে ঘুরতে পছন্দ করেন। যেখানে রাজনীতিবিদেরা যান না, সেখানেই ঘোরেন। ২০১৬ সালে বিধানসভায় জেতেন করিমপুর থেকে। এবারের লোকসভায় জিতলেন কৃষ্ণনগর থেকে, ৬৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে। ২৫ জুন প্রথম লোকসভায় ভাষণ দিতে দাঁড়িয়েছিলেন রাষ্ট্রপতির ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর। সেই ভাষণের পর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরই পশ্চিমবঙ্গের প্রধান আলোচিত রাজনীতিবিদ মহুয়া। এমনকি আসামেও বাংলাভাষীদের মধ্যে তাঁকে সাহসের প্রতীক বলা হচ্ছে।
ফ্যাসিবাদের সংজ্ঞায়ন
১০ মিনিটের পিনপতন নীরবতার মধ্যে ২৫ জুন মহুয়া যা করলেন, তা হলো মোদি সরকারকে আয়নায় নিজের মুখ দেখানো। তিনি ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করছিলেন নিজ দেশে ফ্যাসিবাদের আসন্ন স্বরূপ। বিজেপির সাংসদেরা বারবার তাঁকে থামিয়ে দিতে চাইছিলেন। বেপরোয়া মহুয়া ‘চোখ খুলে’ তাঁদের দেখতে বলছিলেন কীভাবে ফ্যাসিবাদ আসে একটি দেশে। কীভাবে একটি সমাজে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়। তাঁর বর্ণনাগুলো এত আঞ্চলিক, বৈশ্বিক ও সামগ্রিকতায় ভরা ছিল যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাতেও তিনি মনোযোগ আকর্ষণ করে ফেলেছেন।
মহুয়া কোনো তত্ত্বকথা শোনান না। তিনি দেখান ফ্যাসিবাদ বা কর্তৃত্ববাদের লক্ষণগুলো কীভাবে সমাজদেহে সংক্রমিত হয় ধর্ম, জাতিগত শ্রেষ্ঠত্ব কিংবা কিছু ব্যক্তির নামকীর্তনের আড়ালে। তিনি একে একে কর্তৃত্ববাদের সাতটি লক্ষণের বিবরণ দেন। তিনি শোনান কৃত্রিম জাতীয়তাবাদের কথা, যা ‘অপর’ ধর্ম ও ভাষাভাষীর মানুষকে হেয় করে, যা মূলত বর্ণবাদী। এরূপ পরিস্থিতি যে অনিবার্যভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন বাড়িয়ে তোলে, সেটাও তথ্য-উপাত্ত দিয়ে তুলে ধরেন তিনি।
ফ্যাসিবাদের তৃতীয় ও চতুর্থ লক্ষণ হিসেবে প্রচারমাধ্যমের গলা টিপে রাখা এবং সরকারব্যবস্থার সঙ্গে কোনো বিশেষ ধর্ম ও বিশেষ ভাষাকে গুলিয়ে ফেলার দৃষ্টান্তও তুলে ধরেন তিনি। এরপর ফ্যাসিবাদের আরও চারটি লক্ষণের বিবরণ দেন, যার মধ্যে ‘ভয়ের সংস্কৃতি’ ছড়ানো ও ভিন্নমতাবলম্বীদের দলনকে নিকৃষ্টতম হিসেবে উল্লেখ করেন।
মহুয়া মৈত্র ইংরেজি, হিন্দি এবং কখনো কখনো উর্দুতে বলছিলেন। এই ভাষণ চূড়ান্ত এক উত্তেজক মুহূর্তে পৌঁছায়, যখন তিনি আসামের নাগরিক পঞ্জিতে লাখ লাখ মানুষের বেনাগরিক হওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন। বিজেপির সাংসদেরা তখন তুমুল হইচই করে ওঠেন। মহুয়া ওই সাংসদদের উদ্দেশে উর্দু কবি রাহাত ইন্দোরির কবিতা উদ্ধৃত করে বলে ওঠেন:
‘সভি কা খুন হ্যায় শামিল য়াহাঁ কি মিট্টি মে—
কিসি কা বাপ কা হিন্দোস্তান থোড়ি হ্যায়।’
[সবার রক্ত মিশে আছে এখানকার মাটিতে—
এ তো কারও বাপের হিন্দুস্তান নয়।]
কবিতার এই দুই চরণ দিয়েই শেষ হয় তাঁর বক্তৃতা। মহুয়ার এরূপ জ্বলে ওঠায় প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের এমপিরাও লজ্জায় কুঁকড়ে যান। কারণ, গত পাঁচ বছর ভারতীয় পার্লামেন্টে এত তীব্রতায় বিরোধী দলের কোনো এমপি সরকারি জুলুমের বিরুদ্ধে দাঁড়াননি। বহুত্ববাদী ভারতের আত্মার এত আন্তরিক আকুতি এত বলিষ্ঠ ভাষায় সমকালীন ভারতে খুব কম উচ্চারিত হয়েছে। বিষয়বস্তুর মতোই মহুয়া মৈত্রের ভঙ্গিও ছিল আপসহীন। অকুতোভয়। দর্শনীয়।
মহুয়ার বক্তব্যের বৈশ্বিক তাৎপর্য
মহুয়ার আলোচ্য ভাষণ ভারতের বাইরেও বিপুল মনোযোগ কেড়েছে। ইংরেজিতে দেওয়া এই ভাষণের বৈশ্বিক তাৎপর্যও অসামান্য। অনেকেই তাতে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ট্রাম্পবিরোধী রাজনীতিবিদ আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিয়া-কর্টেজের ছায়া দেখেছেন। কর্টেজ যে ভঙ্গি ও যে ভাষায় যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণপন্থার বিপক্ষে নিয়মিত বলে যাচ্ছেন, মহুয়ার ভঙ্গিও ছিল সে রকম। উভয়ে নবীন। উভয়ে কর্তৃত্ববাদকে চিহ্নিত করার ব্যাপারে চূড়ান্তভাবে স্বচ্ছ। উভয়ে বহুজনবাদী এক সমাজের লড়াইয়ে ডাকছেন সবাইকে এবং তাতে নিজেদের সঁপে দিয়েছেন। ট্রাম্পের আমেরিকায় রিপাবলিকানদের মদদ পাওয়া দক্ষিণপন্থী সংবাদমাধ্যম ওকাসিয়া-কর্টেজের বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধে লিপ্ত। তাঁকে অনেক সময় তারা ‘ডাইনি’ সম্বোধন করছে।
মহুয়ার রাজনৈতিক বন্ধুদেরও শঙ্কা, বিজেপি পার্লামেন্টে তাদের হেনস্তার প্রতিশোধ নেবে। ইতিমধ্যে শত শত কর্মীকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নামানো হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
তবে মহুয়া এবং ওকাসিয়ারা এই অর্থে ভাগ্যবান, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ভারতে হয়তো তাঁদের গুম বা হত্যা করা হবে না। জেলে আটকের আশঙ্কাও কম। কিন্তু বিশ্বের বহু দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসকেরা এসব অস্ত্রই ব্যবহার করে যাচ্ছেন ভিন্নমতাবলম্বীদের বিপক্ষে। সর্বত্র তাই মহুয়া মৈত্র হওয়া সহজ নয়। কিন্তু কেউ না কেউ মহুয়ার মতো সাহস নিয়ে ঠিক ঠিক দাঁড়িয়ে যায় সবখানে।
আলতাফ পারভেজ দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস বিষয়ে গবেষক
Source : https://www.prothomalo.com/amp/opinion/article/1602650/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9C%E0%A6%A8-%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A7%81%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0?fbclid=IwAR2ixCddwMbMie0ya4LCqP6BpGes9BF12NIKavJOmbH-DldYWjLrTIbcWrM

2
১৪ এপ্রিল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিংয়ের ইংরেজি-বাংলা মেশানো বক্তৃতার কিছু অংশ হুবহু তুলে দেওয়া হলো:

“আই হ্যাভ লার্ন্ট ইন মাই লাইফ দ্যাট- আপনারা যদি কিছু শিখতে চান, সেটা পড়ে শেখা যাবে না, (সেটা নিয়ে) ডিসকাস করতে হবে। দ্য বেস্ট ওয়ে টু লার্ন ইজ থ্রু ডিসকাশন, নট থ্রু লেকচারস। দ্যাটস হোয়াই আই এম নট গিভিং লেকচারস। প্লিজ ডোন্ট লিসেন টু মাই লেকচারস।”

“আমার সাল বা ডেট ঠিক মনে নাই। আমি ফোরথ ইয়ারের ছিলাম। সেই ইভিনিং-এ আমার পেটে ব্যথা করছিলো। অ্যারাউন্ড ৯টার দিকে আমি একবার বমিও করেছি। আমার ওয়ান ইয়ার সিনিয়র ডা. সেলভা রাজা ফ্রম মালয়েশিয়া। আমার একদম ক্লোজ ফ্রেন্ড ছিলেন। যাহোক, আমি উনাকে ডেকে নিলাম। প্রায় মিড নাইট, লিটল পাসড মিডনাইটে আই ওয়েন্ট ওভার টু সেলভাস রুম অ্যান্ড সেইড সেলভা আই এম নট ফিলিং ওয়েল টুডে। দেন হি ক্যাম আপ টু মাই রুম, রুম নাম্বার টুয়েন্টি। হি স্পেন্ট দ্য নাইট উইথ মি। আই কুডন্ট স্লিপ দ্য হোল নাইট। আই ভোমিটেড ফিউ মোর টাইমস। এবং প্রথমবারেই, অ্যাট ফার্স্ট আওয়ার অব দ্য নেকস্ট মর্নিং হি টুক মি টু দ্য হসপিটাল। তখন আউট ডোরে- আমরা তখন আরপি বলতাম, এখন কী বলে জানি না। আরপি কী আমার জানা নাই। আমি উনার কাছে একবারও যাই নাই। অ্যাজ অ্যা স্টুডেন্ট যাইতে হয় নাই। অ্যাজ অ্যা রোগী অবশ্যই যাইতে হয় নাই। সেজন্যে উনার দরজার বাইরে আমরা দুই জন এক ঘণ্টার মতো দাঁড়িয়েছিলাম। উনি ব্যস্ত নিশ্চয়।”

“তারপর এক ঘণ্টা পর আমি ভেতরে ঢুকে সিম্পটমসগুলো বলতে চাইছিলাম। কিন্তু, সরাসরি উনি আমাকে… অ্যাজ হি ওয়াজ রিভিলিং মাই হিস্ট্রি, আই সেইড আই অ্যাম অন রেনিটেডিন, ওমিপ্রাজল… অ্যাজ আই রিকোয়ার। উইদাউট মাচ ডিলে হি গেভ মি ওমিপ্রাজল। অ্যান্ড হি সেইড- গো অ্যান্ড রেস্ট। ওইটা নিয়ে আমি আবার ২০ নম্বর রুমে গেলাম। রেস্ট করলাম। ইভিনিং এ ঠিক হইতেছে না। রেনিটেডিন খাওয়া, ওমিপ্রাজল খাওয়া কিছুই কাজ করতেছে না। অ্যাগেইন নেকস্ট মর্নিং উই ওয়েন্ট টু দ্য সেম আরপি। অ্যান্ড আরপি সেইড, যাক, মনে হয় ইউ ডন্ট ওয়ান্ট এইটটিন ক্লাসেস। রেস্ট নিতে চাইলে আপনি স্টুডেন্ট কেবিনে ভর্তি হয়ে যান। ভর্তি হইলাম স্টুডেন্টস কেবিনে। তারপর ওখানেই ছিলাম, যেহেতু ইন্টারনাল মেডিসিন থেকে দেখতেছে, রাউন্ডে আসতেছে, প্রফেসররা আসতেছে, আমি ঠিক হচ্ছি না। দিনের পর দিন আমার কন্ডিশন খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো।”

“তারপর একদিন, আই ডোন্ট নো হাওমেনি ডেজ লেটার, সাম ডিফরেন্ট গ্রুপ অব ডক্টরস কেম। অ্যান্ড ইট হেপেন্ড টু দ্য সার্জিক্যাল টিম। দ্যাট মর্নিং দ্য সার্জিক্যাল টিম টুক রাউন্ডস। অ্যান্ড ইভিনিং এ সামবডি কেম। অ্যাকচুয়ালি আই ডিডন্ট নো। অ্যান্ড দিজ জেন্টেলম্যান ওয়াজ সিন। আরে এই ছেলেটা, এটাতো অ্যাপেন্ডিসাইটিস ভাই। এটাতো বার্স্ট হচ্ছে এখন।… কী এটার কোনো মানে হলো। আমাদেরকে (সঙ্গে) ডিসকাস করলেও হইতো। ইউ শুড হ্যাভ কনসালটেড আস। দেন হি টানর্ড টু মি অ্যান্ড সেইড- প্লিজ ডোন্ড ওরি। ইউ নিড ইমিডিয়েট সার্জারি। আই উইল অপারেট। দেয়ার উইল নট বি অ্যানি প্রবলেম। ইউর পেরেন্টস আর ফার অ্যাওয়ে। ইয়েট, আই হ্যাব ডান হান্ড্রেডস অ্যান্ড থাউজেন্ডস অব দিজ কেসেস। প্লিজ, বি অ্যাসিওর্ড- ইউ উইল হ্যাব নো প্রবলেম। দ্যাট সেম নাইট, অ্যারাউন্ড নাইন অর টেন পিএম, আই ওয়াজ ইন অপারেশন থিয়েটার। মাই অ্যাপেন্ডিস কেম আউট। দেন আই ওয়াজ সিক ফর অ্যাবাউট টু উইকস। আই টুক অ্যা শর্ট ব্রেক, ওয়েন্ট হোম। কেম ব্যাক। স্টার্টেড মাই নরমাল রুটিন থিংস। সবার মতো আমি আবার ক্লাস শুরু করি। লেখাপড়া শুরু করলাম। তখন আমার কী মনে হয়েছিলো- ফিউ ইভেন্টস- রোগী দেখতে হলে ভালোই (করে) দেখতে হবে। স্ট্যান্ডিং এ একটা প্রেসক্রিপশন দিলে ডায়াগনোসিস মিস হয়ে যায়। সেটা আমরা সবসময়ই করি। সেদিন আমার নিজের ওপরে হইছে বলেই আমার মনে আছে এখনো। যার ফলে আমরা আমাদের কাজটা একটু লাইটলি নিলে আরেকজনের জীবন (বিপন্ন) করতে (হতে) পারবেন।”

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে বাংলা বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে সহপাঠীদের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। ছবি: স্টার
“আমরা যেহেতু, উই ডিল উইথ পেশেন্টস অল দ্য টাইম। ফ্রম মর্নিং টিল নাইট। উই ডিল উইথ পেশেন্টস। সে জন্যে উই গেট কমপ্লিশেন্ট। আমরা মানিয়ে নেই- এটাতো আমাদেরই কাজ।”

“আই অলওয়েজ গিভ ওয়ান মেসেজ- ইউ শুড টার্গেট টু বি অ্যা গুড সার্জন। সেই গুড সার্জনটা কোথা থেকে আসতেছে। নট ফ্রম টেক্ট বুক। টু বি অ্যা গুড সার্জন- ক্রাইটেরিয়া নাম্বার ওয়ান- ভালো মানুষ হইতে হবে, বাই। হি হ্যাজ টু বি অ্যা গুড হিউম্যান বিং ফার্স্ট। সো আই অ্যাম সিওর দিজ হল ইজ ফিল্ড উইথ হিউম্যান বিংস হেয়ার। গুড হিউম্যান বিংস।”

“আই জয়েন্ড পলিটিক্স বিকজ অব মাই প্যাশন ফর হেলথ। আমি আমার প্রফেশনটা ছেড়ে দিয়ে পলিটিকসে ঢুকি নাই। বিকজ অফ মাই লাভ, বিকজ অফ মাই প্যাশন ফর মেডিকেল প্রফেশন আই জয়েন্ড পলিটিকস। লাইক অ্যানিহোয়ায়ার এলস ইন দ্য ওয়ার্ল্ড ভুটান অলসো হ্যাজ লটস অব পলিসি ইস্যুজ। ডুস অ্যান্ড ডোন্টস। যেটা আমরা একটু ভালোভাবে করতে পারি আর কী। নিয়ম-কানুনগুলো কী রকম হইলে মানুষের জন্যে ভালো হইবে। সেই রকম নিয়ম-কানুন যদি (করা যায়) হইতে পারলে- একটা ইউজফুল হয় আর কী। সেই হিসেবে আমার বন্ধু আপনারা শুনেছেন (ভুটানের) এখনকার ফরেন মিনিস্টার ড. তানদি দর্জি এবং আমি ২০ নম্বর রুমে ছিলাম আমরা। তখন থেকেই আমরা উই ওয়ার ভেরি গুড ফ্রেন্ডস। যদিও উনি এম টুয়েন্টিফোর, আমি এম টুয়েনটিএইট। আমার বড় ভাই ছিলেন। আমরা এক সঙ্গে তখন থেকে নাইনটিন নাইন্টিওয়ান থেকে রুমমেট হিসেবে কাজ করছি। তারপর ভুটানে এক হসপিটালে কাজ করছি। সবসময়ই আমরা দেখা করতাম। সবসময় খেলাধুলা করতাম। ক্যান্টিনে চা-পানি একসঙ্গে খাইতাম। এখন পর্যন্ত আমরা একবারও আরগু করি নাই। একবারও আমরা (আমাদের) মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয় নাই। সেই কারণটা হইলো- বিকজ উই অল মাস্ট আন্ডারস্ট্যান্ড দ্যাট- ইটস নেভার অ্যাবাউট রাইট অর রং। ইটস অলওয়েজ অ্যাবাউট ডিফ্রেন্সেস ইন অপিনিয়ন। উই অল হ্যাভ দ্য রাইট টু এক্সপ্রেস অপিনিয়ন। এটা রাইট অর রং এর কথা নয়। এটা হলো ডিফ্রেন্সেস অব অপিনিয়ন। তাহলে অসুবিধাটা কী হলো? উনি বলবেন এটা সাদা। ঠিক আছে। আমি বলছি এটা অফ হোয়াইট। এখানে ঝগড়া করার কিছু নাইতো, বাই (ভাই)। সো, আমি সবসময় বলি যে উনি অফ হোয়াইট বললে আরে থাকেন (থাকুক) না উনার জন্যে এটা অফ হোয়াইট। কিন্তু, আমার জন্যে এটা হোয়াইট। তো কী অসুবিধা আছে? সেই হিসেবে চলতে থাকলে আমার জীবনে অসুবিধা হবে বলে কখনো মনে করি না আমি। সে জন্যে উনি আমার পার্টি যেটা এখনকার পার্টি আমরা ডিএনটি বলি- ২০১২/১৩ তে উনি ফাউন্ড করেছেন।”

“তারপর ওই পার্টিতে জয়েন করার পর ২০১৩ টা ভালো যায়নি আসলে। আমরা সব কিকড আউট। তবে অসুবিধা নাই। আমরাতো জেতার জন্যে (পার্টি) করি নাই। আমরা প্যাশন হয়ে (নিয়ে) করছি। যদি কিছু করতে পারলে (পারি) আমরা করবো এক সঙ্গে। হাত ধরে ধরে করবো বলে আমরা একবার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু হয় নাই। না হইলেও অসুবিধা নাই। এটা ছোটখাট কাজ না। এটা দেশের জন্য, ভবিষ্যতের জন্য। আমাদের জন্য না এটা। একবার না হোক অসুবিধা নাই বলে আমরা আবার শুরু করেছি। ২০১৩ তে আমরা হারার পরে পরে আবার এক সঙ্গে বসে ২০১৮ র জন্য কাজ করেছি।”

“আমাদেরকে এবার (২০১৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতায় যাওয়ার) সুযোগটা দেওয়ার কারণ হলো আমাদের মেনিফেস্টোতে হেলথ মেনিফেস্টো ইজ ভেরি স্ট্রং। আমাদেরকে ভোট করার (দেওয়ার) জন্যে আমি বলি নাই ওদেরকে (জনগণকে)। ভোট কখনোই আমি মাঙ্গি নাই। আই নেভার আসক ফর ভোট। আমি দেশব্যাপী ঘুরছি। ওনাদেরকে (জনগণকে) বলেছি- তোমাদের অসুবিধা যদি এই হয় আমি এইভাবে ঠিক করে দিবো। সেই হিসাবে আই হ্যাভ ট্যুরড দ্য কান্ট্রি টু টাইমস। অ্যান্ড প্রাইমারি রাউন্ডে পার্টি ফার্স্ট হয়েছে এবং সেকেন্ড রাউন্ডে পার্টি ফার্স্ট হয়েছে বলেই এখন আমরা সরকারেতে আছি।”
Link: https://www.thedailystar.net/bangla/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7-%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A6%B0/%E0%A6%89%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%85%E0%A6%AB-%E0%A6%B9%E0%A7%8B%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%9D%E0%A6%97%E0%A7%9C%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%9B%E0%A7%81-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87-109276?fbclid=IwAR09hQXzoQNuIjEnlrhWeTKiRnxTDyqRldMjSU56Dn3XpGoTYGBQZLhRQxs

3
চুক্তি ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছেদ (ব্রেক্সিট) এড়াতে চান ব্রিটিশ এমপিরা। এমপিরা চান, প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়ার সময় বাড়ানোর জন্য ইইউর কাছে আবেদন করুক। এ জন্যই ভোট দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে বাধ্য করার পক্ষে মত দিয়েছেন তাঁরা।

লেবার পার্টির পার্লামেন্ট সদস্য ইভেন্ট কুপারের নেতৃত্বে নিম্ন কক্ষ হাউস অব কমন্সে এই সিদ্ধান্ত ৩১৩ ভোটে পাস হয়। বিপক্ষে মাত্র এক ভোট কম পড়ে, ৩১২ ভোট।

আজ বৃহস্পতিবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এবার আইন হতে হাউস অব লর্ডসে পাস হতে হবে এটি। এরপর ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া বিলম্বিত করা হবে কি না, তা নির্ভর করবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্মতির ওপর।

সাবেক শ্রমমন্ত্রী ইভেন্ট কুপারের এই খসড়া আইনে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীকে চাপ দেওয়া হবে ইইউর কাছে সময় চাওয়ার জন্য। এবং এই বিলম্বের দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করার ক্ষমতা পাবেন সাংসদরা। গত ২৯ মার্চ বিচ্ছেদ কার্যকরের কথা ছিল। ব্রিটিশ রাজনীতিকদের অনৈক্যের কারণে তা হয়নি। দিনটি পিছিয়ে এখন ১২ এপ্রিল নির্ধারিত রয়েছে।

সরকারের এক মুখপাত্র জানান, এমপিদের এই বিলে সমর্থন হতাশাজনক।

Eprothom Aloএই ভোটাভুটির আগে ব্রেক্সিটের অচলাবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই সাক্ষাতে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে বলে জানান তাঁরা। আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত আলোচনা চলবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার ব্রেক্সিট নিয়ে করণীয় ঠিক করতে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী মে। সাত ঘণ্টাব্যাপী চলে সেই বৈঠক। কিন্তু অন্তঃকলহের কারণে তা ছিল ফলশূন্য। ওই বৈঠক শেষে আকস্মিক বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী মে বিরোধীদলীয় নেতা জেরেমি করবিনের সাহায্য কামনা করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ১২ এপ্রিল নির্ধারিত বিচ্ছেদের দিনক্ষণ সম্ভাব্য স্বল্পতম সময়ের জন্য পেছাতে হবে। তার আগে লেবার নেতা জেরেমি করবিনের সঙ্গে আলোচনা করে তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্ক বিষয়ে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে চান, যাতে চুক্তিটি সংসদে পাস হয়। মে বলেন, ভবিষ্যৎ সম্পর্ক বিষয়ে যে ভিন্নমত, সেটি বিচ্ছেদ চুক্তি (উইথড্রোয়াল অ্যাগ্রিমেন্ট) থেকে আলাদা। ইইউ বিচ্ছেদ চুক্তির পরিবর্তন করবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। তাই ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সম্পাদিত বিচ্ছেদ চুক্তির বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, করবিনের সঙ্গে সমঝোতা না হলেও বিচ্ছেদের দিনক্ষণ পেছানোর আবেদন করা হবে। সে ক্ষেত্রে ব্রেক্সিট নিয়ে করণীয় ঠিক করতে পার্লামেন্টে বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে ভোটাভুটির আয়োজন করবে সরকার।

অর্থমন্ত্রী ফিলিপ হ্যামন্ড বলেন, তিনি আশা করছেন, ব্রাসেলসকে ব্রেক্সিট দীর্ঘ বিলম্বের করার জন্য জোর করা হবে। তিনি মনে করেন কোনও চূড়ান্ত চুক্তিতে জনসমর্থন থাকলে তা ‘পুরোপুরি নির্ভরযোগ্য প্রস্তাব’ হিসাবে অনুমোদন হবে।

ইইউর সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে বিচ্ছেদ কার্যকরে দীর্ঘ ১৮ মাসের চেষ্টায় একটি চুক্তি সম্পাদন করেন প্রধানমন্ত্রী মে। কিন্তু তিনবার চেষ্টা করেও তিনি সেই চুক্তি সংসদে পাস করাতে পারেননি। গত ২৯ মার্চ বিচ্ছেদ কার্যকরের কথা ছিল। ব্রিটিশ রাজনীতিকদের অনৈক্যের কারণে তা হয়নি। অন্যদিকে, সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত যাচাইয়ে পার্লামেন্টে বিভিন্ন বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়। কিন্তু দুই দফা ভোটাভুটির পরও বিকল্প কোনো প্রস্তাবে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামত পায়নি। যুক্তরাজ্য আবেদন জানালে এবং ইইউ তাতে সম্মতি দিলে বিচ্ছেদের দিনক্ষণ আবারও পেছাবে। অন্যথায় চুক্তি ছাড়াই ১২ এপ্রিল বিচ্ছেদ ঘটবে।
Link: https://www.prothomalo.com/international/article/1586961/%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8

4
Life Science / High insulin affects brain in newborns
« on: April 04, 2019, 01:45:46 PM »
HomeLifestyle
Type Keywords

High insulin affects brain in newborns
IANS . London | Update: 10:31, Apr 03, 2019
0Like
     
Babies born with abnormally high levels of insulin are at the risk of suffering permanent brain damage and life-long disability, finds a study that showed it's possible to predict when and how the condition may affect the child in the long-term.

The generally rare condition, called congenital hyperinsulinism, can also be as common as cystic fibrosis in children born into communities where cousins marry.

So far, scientists understood that there were two main subtypes of the disease known as diffuse -- affects the entire pancreas -- and focal -- affects just one area of the organ.

The new study, led by a team from the University of Manchester in the UK, showed that focal CHI can be further categorised into two types -- spreading focal lesions and isolated focal lesions.

Spreading focal lesions are generally larger and spread outwards into areas of healthy cells, while isolated focal lesions, have a capsule around them that keeps the diseased cells separate from healthy cells.

For the study, published in the Frontiers in Endocrinology journal, the team investigated the cases of 25 infants with focal CHI to see how the two types of lesions influenced their long-term outcomes.

They found babies with spreading focal lesions suffered more severely from the disease and were diagnosed earlier. These infants were more likely to suffer brain damage, which permanently affected their development, learning and behaviour.

In contrast, in infants with isolated lesions, the disease was diagnosed later and surgery to remove the lesion was less complicated.

These data help to explain why newborn babies diagnosed with the same disease may go on to have very different outcomes and could influence the way clinicians choose to manage each new case of CHI.

"One of the problems facing clinicians is that it's really difficult to predict which babies will have problems after surgical treatment," said Karen Cosgrove, from the varsity.

"Our data gives some important clues that will help clinicians to know how much extra care each baby is likely to need," Cosgrove said.

Source: https://en.prothomalo.com/lifestyle/news/193489/High-insulin-in-newborns-affects-brain

5
Gone are the days in Denmark when parents could get a divorce with a simple online click -- now they have to complete a course before their marriage can be dissolved.

As part of a new divorce law that entered into force on 1 April, parents with children under the age of 18 who want to end their marriage must take a 30-minute online course designed to help them and their children adapt as smoothly as possible to their new situation.

There is also a new three-month reflection period before a divorce is finalised.

With almost half of all marriages ending in divorce in Denmark, the course has been designed as an aid to improve communication and avoid some of the most common pitfalls that can arise when a family breaks up.

"The digital course answers some of the most fundamental questions that you are left with during a divorce," Denmark's Ministry of Children and Social Security told AFP in an email.

If parents fail to complete the course -- which is available online or on a mobile phone app -- within the three-month waiting period, the couple will remain married.

Set up by researchers at the University of Copenhagen, the programme has 17 modules offering concrete solutions to potential conflict areas, ranging from how to handle birthday parties to how to talk to your children when they're upset.

Experts say the course is a good first step, but they would like to see divorcing parents offered even more counselling.

"It's a good start," Trine Schaldemose, the deputy head of family help association Moedrehjaelpen, told AFP, saying an online course was an "easy and cheap decision".

But, she noted, it's only helpful "if the conflict level between parents is not too high".

Joint custody rising
In 2018, the Scandinavian country registered 15,000 divorces, or 46.5 per cent of marriages recorded last year, according to Statistics Denmark.

The country has long been a champion of children's and family rights, offering year-long parental leaves and universal public daycare.

Last year, around 70 per cent of children lived together with both their parents, compared to 85 per cent in 1980.

Joint custody is increasingly common in the event of divorce, with many experts considering it best for children to live every other week with each parent to maintain close relations.

In less than 10 years, joint custody has risen from 16 per cent of children in 2009 to more than 30 per cent in 2018, according to the Danish Centre for Social Science Research (VIVE).

Until now, Danes seeking a mutually consensual divorce have been able to do so by submitting a form online, requiring no judge nor waiting period.

The simplicity of proceedings is not controversial in Denmark.

"We think that people are mature enough to know if they want to divorce or not," said VIVE researcher Mai Heide Ottosen.

Now, once a couple has submitted the online papers, they are sent a personalised link to the course.

When Henriette Fuchs divorced three years ago, she jumped at the chance to take the course offered to her during its test phase.

"It's a good way to remind parents that there are things they really need to think about," said the mother of two children aged 7 and 10.

"In situations where you're not very rational, it forces you to reflect on how you feel and how to handle a particular situation," she added.

'Staggering' health benefits
The "Cooperation After Divorce" modules were tested on 2,500 volunteers between 2015 and 2018, and the results were "staggering", said Martin Hald, a psychologist and associate professor at the University of Copenhagen who helped create the course.

"In 12 of 14 cases we could see that the programme had a moderate to strong positive effect on mental and physical health," he said, improving levels of stress, depression, anxiety, physical or mental suffering, and leading to fewer work absences.

Fuchs recognises that the course can't work miracles, but says she found it to be a useful tool.

"It's like they put everything that they thought could help make my life easier into one app," she says.

The initiative has been broadly welcomed by both the public and politicians, with the exception of the small Liberal Alliance party which doesn't like the state stepping into the fray.

There has meanwhile been little discussion about the fact that more than half of children in Denmark -- 54 per cent -- are born out of wedlock, and for those parents who separate there is no mandatory course.

They can, however, take the course if they want.

Reference: https://en.prothomalo.com/lifestyle/news/193530/Mandatory-course-for-divorce-seeking-Danish

6
Law / Media multitasking may cause obesity
« on: April 04, 2019, 01:39:25 PM »
The study showed that mindless switching between digital devices could be associated with increased susceptibility to food temptations and lack of self-control, which may cause weight gain.

"Increased exposure to phones, tablets and other portable devices has been one of the most significant changes to our environments in the past few decades, and this occurred during a period in which obesity rates also climbed in many places," said lead author Richard Lopez, postdoctoral candidate from Rice University in the US.

The research, published in the journal Brain Imaging and Behaviour, included 132 participants aged 18-23 years.

The team measured proactive behaviours of compulsive or inappropriate phone use (like feeling the urge to check phone for messages, while talking to someone) as well as passive behaviours like media-related distractions that interfere with your work.

The findings showed those with higher scores were associated with higher body mass index (BMI) and greater body fat percentage.

The participants underwent an fMRI scan during which researchers measured brain activity, while people were shown a series of appetising but fattening foods' images.

When media multitaskers saw pictures of food, the part of the brain dealing with food temptation became more active, said researchers.

Lopez said it was important to establish such links given the rising obesity and prevalence of multimedia use.
reference: https://en.prothomalo.com/lifestyle/news/193523/Media-multitasking-may-cause-obesity

7
Women / Ensure justice in rape incidents
« on: April 04, 2019, 01:37:06 PM »
Local government elections are being held regularly in the country for long. This practice is supposed to have some positive impact on the society especially by creating an environment of mutual respect and tolerance among the activists of rival political groups. But our society lacks that environment. In our country, the concept of political rivalry has been confined mainly between two leading parties. This trend is losing relevance nowadays. Rather, internal democratic and political practice of ruling party is becoming more important. Any election is inviting internal conflict of the ruling party with an increasing number of rebel candidates.

Violence in the ongoing upazila elections has reflected this trend. We are worried about the recent incidents of gang rape. We wonder whether gang rape is being used as new means of election related violence. We cannot but worry as more than one such incident occurred in Noakhali in the recent past. Political parties and administration must pay attention to those incidents. Unfortunately, a culture of intolerance and inequity is prevailing in our country. The respect and status of women is not strong in our society.

Two incidents of election-related gang rape took place in Subarnachar upazila of Noakhali. In Kabirhat upazila of the same district, a BNP leader’s wife was allegedly gang raped on 28 January after he was sent to jail. An absconding local Juba League leader was charge-sheeted in the case. The husband of the victim claimed the incident to be linked with politics. A similar incident took place in Subarnachar on 31 March. Necessary steps should be preventing the scourge at the outset.

A spokesperson of Noakhali police said that although it was widely circulated in the media that the victim was raped for voting BNP in eleventh parliamentary election, this was not mentioned in the deposition or the charge sheet. He claimed that the victim mentioned ‘prior enmity’ as the reason of the rape. While we do not deny the claim of the policeman, we demand responsible investigation and prompt action. All the suspicion would end if they can ensure justice.

We certainly do not want to reach any conclusion based on the claim of the accused. But we cannot rule out the suspicion given the newspaper reports and reaction of local people. Subarnachar upazila Awami League immediately expelled its leader following the allegation of his involvement with 30 December gang rape incident. They did not wait for the result of government investigation. In the same upazila on Sunday, a woman was raped allegedly for voting for the electoral symbol ‘spectacles’ instead of ‘lock’. Both of the candidates were Awami League backed.
We hope the authorities will stop denying the problem and act responsibly by giving due consideration to the sensitivity of the allegations.
Soure for further reading:
https://en.prothomalo.com/opinion/news/193520/Ensure-justice-in-rape-incidents

8
ব্যস্ততা, দুশ্চিন্তা, হতাশা, আক্ষেপসহ নানা কারণে আমাদের মনের জোর কমে যায়। মনকে কি আর সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) অধ্যাপক রিদওয়ানুল হক জানান, ‘মনের জোরে চলতে পারি বলেই আমরা মানুষ। যেকোনো সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে ইতিবাচক জীবনযাপনে মনের বিকাশ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার আর্থিক ক্ষমতা কিংবা জোর যা–ই থাকুক না কেন, সতেজ মন থাকলে আপনার জীবন সব সময় রঙিন।’ প্রাত্যহিক জীবনে মনের জোর বাড়ানোর জন্য রিদওয়ানুল হক ১০টি নিয়ম অনুসরণ করার পরামর্শ দেন

এখনই কাজ করা আপনার বসকে পদোন্নতির কথা বলেও বলতে পারছেন না? এখনই বলে ফেলুন। কিংবা আপনার প্রতিষ্ঠানের কোনো গ্রাহককে আপনার না বলতে হবে, আপনি না বলা নিয়ে দ্বিধায় আছেন। বলে ফেলুন। আপনার যখন কিছুর প্রয়োজন হবে, তার গুরুত্ব বুঝে করে ফেলুন।

মোকাবিলা করতে শিখুন

আপনি যা এড়িয়ে চলবেন, তা আপনাকে বেশি বিপদে ফেলতে পারে। যেকোনো বিপদ বা সমস্যা সরাসরি মোকাবিলা করতে শিখুন। আপনি যদি কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে ভয় পান, তাহলে সেই ভয় আপনাকে পরাজিত করবে।

ভুল স্বীকার করুন

জীবনে চলার পথে ব্যক্তিজীবন কিংবা কর্মক্ষেত্রে কোনো ভুল করলে তা স্বীকার করুন। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যান।

বিনয়ী হোন

আপনার যখন সুসময়, তখন অবশ্যই বিনয়ী থাকবেন। সাধারণ মানুষ উদ্ধত ও অহংকারীদের পছন্দ করে না। আপনার সুসময় কিংবা দুঃসময় সব সমই বিনয়ী হয়ে চলুন। নিজের ইগো ও ব্যক্তিত্বের ইতিবাচক বিকাশে মনোযোগী হোন।

বেশি বেশি শুনুন

সাধারণ মানুষ হিসেবে আমরা কথা বলতেই বেশি পছন্দ করি। নিজের দৃঢ় মনন প্রতিষ্ঠার জন্য মনোযোগী হয়ে শোনার অভ্যাস করুন। সবার কথা শুনুন। প্রয়োজনীয় মতামত দিন।

শিখতে সময় দিন

আপনার দুর্বলতা থাকতেই পারে। সে ক্ষেত্রে দুর্বলতা কাটিয়ে তোলার জন্য শিখুন। শিখতে নিজেকে সময় দিন।

কঠিন বাস্তবতা সম্পর্কে জানুন

কর্মক্ষেত্রে আপনার ভুলের কারণে প্রতিষ্ঠানের কোটি কোটি টাকা ক্ষতি হতে পারে, আবার আপনার চাকরি চলে যেতে পারে। সব সময়ই কঠিন বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা রাখুন, এতে আপনার দায়িত্বশীলতা বাড়বে।

অন্যকে সম্মান করতে শিখুন

আপনার চেয়ে বয়সে কিংবা পদবিতে ছোট-বড় সবাইকে সম্মান দিন। তুই-তুকারি করে সম্বোধন সব সময়ই এড়িয়ে চলবেন। অন্যকে সম্মান দিলে ইতিবাচক মননের প্রভাব প্রকাশিত হয়।

কৌতূহলী হোন

স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যে সব শিখে এসেছেন, তা ভাববেন না। কিংবা নিজে সব জানেন ও পারেন, এমনটা কখনোই মনে করবেন না। কৌতূহলী মন তৈরি করুন।

নিজের দুর্বলতা জয় করুন

দুর্বলতা কাটিয়ে সামনে চলা আর দুর্বলতা ছাপিয়ে সামনে চলা ভিন্ন বিষয়। আপনার দুর্বলতা কাটানোর দিকে মনোযোগ দিন।
link: https://www.prothomalo.com/life-style/article/1586779/%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%8B%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8

9
An apple a day may keep a doctor away. But what should I eat to make awesome teachers like you always come my way?

Teachers appreciate being appreciated, for teacher appreciation is their highest award.
collected from: https://www.greetingcardpoet.com/thank-you-note-to-teacher/

10


১৯৭৩ সাল থেকে অনুষ্ঠিত দশটি সংসদ নির্বাচনের ভোটার তালিকার পাশাপাশি আদমশুমারির তথ্য বিশ্লেষণ করেছে প্রথম আলো। তাতে নির্বাচনে ভোটের ধারা, সংখ্যালঘু ভোটারের সংখ্যা ও প্রকৃতি এবং নারী ভোটারদের গত ৪৫ বছরের চিত্র উঠে এসেছে। আজ থাকছে ভোটে জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অবস্থা

সংখ্যালঘু জনসংখ্যার হার

Eprothom Aloহিসাব শতাংশে

১৯৬১         ১৯.৬

১৯৭৪         ১৪.৬

১৯৮১         ১৩.৩

১৯৯১         ১১.৭

২০০১         ১০.৪

২০১১         ৯.৬

সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি—পার্বত্য এই তিন জেলায় জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সেখানকার মোট জনসংখ্যার অর্ধেক। সে হিসাবে অনুমান করা হয়, এই তিনটি আসনে সংখ্যালঘু ভোটারও মোট ভোটারের অর্ধেক। দেশের বাকি ২৯৩টি আসনে সংখ্যালঘু ভোটারদের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। তবে আদমশুমারির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, সংখ্যালঘু ভোটারদের অনুমিত সংখ্যা এক কোটির কিছু কম।

ভোটার তালিকায় সংখ্যালঘুদের পৃথকভাবে দেখানো হয় না। তবে নির্বাচনের সময় সংখ্যালঘুদের বিষয়টি বিশেষভাবে আলোচিত হয়। কারণ অনেক আসনে সংখ্যালঘু ভোটাররা জয়-পরাজয়ে ভূমিকা রাখেন বলে ধারণা আছে।

অতীতে বিভিন্ন সময় ভোটার তালিকা থেকে সংখ্যালঘুদের বাদ দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছিল। নির্বাচনের দিন তাঁরা যেন ভোটকেন্দ্রে না যান, সে জন্য নানাভাবে চাপ দেওয়া হয়। নির্বাচনের পর অনেক আসনে সহিংসতার মুখে পড়েন সংখ্যালঘু ভোটার ও তাঁদের পরিবার। ২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ। দেশের বেশ কিছু এলাকায় বেছে বেছে সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছিল, আগুন দেওয়া হয়েছিল। ধর্ষণেরও অনেক অভিযোগ উঠেছিল তখন।

২০০৯ সালে সরকার ‘২০০১ সালের নির্বাচন-পরবর্তী সহিংস ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন’ গঠন করে। কমিশনের কাছে খুন, ধর্ষণসহ ৩ হাজার ৬২৫টি অভিযোগ জমা পড়ে।

হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত দাবি করেছেন, প্রায় ১০০টি আসনে সংখ্যালঘু ভোটাররা প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রভাব রাখতে পারেন। এসব আসনে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সংখ্যালঘু ভোটার আছেন। কোনো আসনে ২০ শতাংশ, কোনোটিতে ৫০ শতাংশ ভোটার সংখ্যালঘু।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সারা দেশে গণনা করে মোট জনসংখ্যার সঙ্গে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের একটি পরিসংখ্যান দেয় প্রতি ১০ বছর পর। তা থেকে মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ সংখ্যালঘু মানুষ, তা জানা যায়। ধারণা করা হয়, ভোটার তালিকায় সেই অনুপাতে সংখ্যালঘু ভোটার আছেন।

দেশে প্রথম আদমশুমারি হয়েছিল ১৯৭৪ সালে। তখন জনসংখ্যার ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর। এরপর আরও চারটি আদমশুমারি হয়। প্রতিবার সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর হার কমতে দেখা গেছে। ১৯৮১ সালের আদমশুমারিতে সংখ্যালঘু ছিল ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ। ১৯৯১ ও ২০০১ সালের শুমারিতে ছিল যথাক্রমে ১১ দশমিক ৭ ও ১০ দশমিক ৪ শতাংশ। সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে সংখ্যালঘু ছিল ৯ দশমিক ৬ শতাংশ।

সংখ্যালঘু কমে যাওয়ার এই প্রবণতা এখনো অব্যাহত আছে। ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা ৯ শতাংশ হতে পারে। ভোটারের হারও তা-ই হওয়ার কথা। দেশে মোট ভোটার ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০। সেই হিসাবে দেশে সংখ্যালঘু ভোটারের অনুমিত সংখ্যা প্রায় ৯৪ লাখ।

রানা দাশগুপ্ত মনে করেন, দেশে সংখ্যালঘু মানুষ কমছে, ভোটারও কমছে। কিন্তু সংখ্যালঘুর প্রকৃত পরিসংখ্যান ভোটার তালিকায় বা আদমশুমারির প্রতিবেদন, কোনোটিতেই পাওয়া যায় না।
source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1570072/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%98%E0%A7%81-%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF

11
সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশের ১০ ধাপ অবনতি হয়েছে। ১৫৬টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ বছর ১২৫ তম। গত বছর ছিল ১১৫ তম।

গতকাল বুধবার বিশ্বের সুখী দেশের এই তালিকা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউসন্স নেটওয়ার্ক। গতকাল ছিল বিশ্ব সুখ দিবস। ২০১৩ সাল থেকে জাতিসংঘ দিবসটি পালন করে আসছে।
মাথাপিছু আয়, সামাজিক সহযোগিতা, গড় আয়, সামাজিক স্বাধীনতা, উদারতা এবং সমাজে দুর্নীতির হার কত কম, তার ওপর ভিত্তি করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

Eprothom Aloতালিকা অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড। এ নিয়ে টানা দুই বছর দেশটি সুখী দেশের তালিকার শীর্ষে থাকল। তাদের পরে আছে যথাক্রমে ডেনমার্ক, নরওয়ে, আইসল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, নিউজিল্যান্ড, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া।

আর সবচেয়ে কম সুখের দেশ দক্ষিণ সুদান (১৫৬ তম)। তাদের আগে আছে যথাক্রমে দক্ষিণ আফ্রিকা রিপাবলিক (১৫৫), আফগানিস্তান (১৫৪), তানজানিয়া (১৫৩) ও রুয়ান্ডা (১৫২)।

দক্ষিণ এশিয়ায় প্রতিবেশীদের মধ্যে বাংলাদেশের চেয়ে সুখ কম শ্রীলঙ্কা (১৩০) ও ভারতের (১৪০)। আর বাংলাদেশিদের চেয়ে সুখী পাকিস্তান (৬৩), ভুটান (৯৫) এবং নেপালের (১০০) মানুষ।
for details:
https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1584525/%E0%A7%A7%E0%A7%AB%E0%A7%AC-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A7%A8%E0%A7%AB-%E0%A6%A4%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6

12
জেনারেল ইকোনমিক ডিভিশনের সদস্য সিনিয়র সচিব শামসুল আলম অন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি এই ছোট্ট বিষয় নিয়েও মন্তব্য করেন। এগুলো বন্ধ করার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

Eprothom Aloএটা ঠিক যে আমরা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বেশ কয়েকটি অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণে কাজ করছি। কয়েকটি ক্ষেত্রে বিশ্বে, বিশেষভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে আছি। ২০৩০ সালের মধ্যে বেশ কিছু অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিচ্ছি। কিন্তু আরও অনেক কিছু না করলে যে পিছিয়ে পড়ব, সেদিকেও আমাদের লক্ষ রাখতে হবে।

যেমন, আমরা দেশের প্রতিটি গ্রামে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারের ব্যবস্থা করেছি। কিছু দুর্গম এলাকায় হয়তো অগ্রগতি কম। সেখানে চেষ্টা চলছে। আমরা এ ক্ষেত্রে এমনকি ভারতের চেয়েও এগিয়ে। নিরাপদ পানির ব্যবস্থাও গ্রামে গ্রামে রয়েছে। কিন্তু যেখানে পানিতে আর্সেনিক, সেখানে নিরাপদ খাওয়ার পানি সহজে পাওয়ার সমস্যা রয়েছে।

আগে গ্রামে খোলা স্থানে মানুষ বর্জ্য ত্যাগ করত। এখন গ্রামের প্রায় সব বাড়িতেই পাকা টয়লেটের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু টয়লেট–সংলগ্ন যে কুয়ায় বর্জ্য সংরক্ষণ করা হয়, নির্দিষ্ট সময় পর তা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে অপসারণের সুব্যবস্থা এখন করতে হবে। না হলে পরিবেশদূষণ বন্ধ করা যাবে না।

এখন বলা হচ্ছে, শুধু পাকা টয়লেট থাকাই যথেষ্ট নয়। সেই টয়লেট গড়ে কতজন ব্যবহার করছে, সে হিসাবও করতে হবে। সবাই স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহার করার সুযোগ গ্রহণ করছে কি না, সেটাও আমাদের হিসাবে আনতে হবে। আসলে এটা ঠিক যে সংখ্যা নয়, বাস্তব ব্যবহার আমাদের নিশ্চিত করতে হবে। এটা লাইফ স্টাইল বা জীবনাচারের প্রশ্ন। জীবনাচারে স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেট ব্যবহারের অভ্যাস গড়ে না উঠলে সমস্যা থেকে যাবে। কিন্তু এখন আমরা বলতে পারি, সেটা এসে গেছে। পাকা টয়লেট ব্যবহারের বিষয়ে মানুষ বেশ সচেতন হয়েছে।

নিরাপদ পানির ক্ষেত্রে দেশে একটা বড় ধরনের বিপ্লব ঘটে গেছে। এমনকি অনেক গ্রামে মানুষ পরিশোধিত পানি পানের সুযোগ পাচ্ছে। পানির ফিল্টারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। গ্রামের মানুষও এখন নিরাপদ পানি কিনে পান করে। এ বিষয়ে মানুষ এখন অনেক সচেতন।

কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কথা আমাদের মনে রাখা দরকার। সে জন্য শামসুল আলম সাহেব চমৎকার একটি সুপারিশ করেছেন। প্রতিটি গ্রামে একটি করে পুকুর সংরক্ষণ করতে হবে। সেই পুকুরে কেউ মাছ চাষ করবে না, কেউ ময়লা ফেলবে না। সেটা হবে শুধু খাওয়ার পানির জন্য। বৃষ্টির পানি সেখানে জমা হবে। এর গুরুত্ব খুব বেশি। কারণ, উপকূলীয় অঞ্চলে পানির লবণাক্ততা বাড়ছে। তাই সংরক্ষিত পুকুরের পানি বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে ফিল্টার করে আমরা নিরাপদে পান করতে পারি।

এ ধরনের উদ্যোগ কিন্তু আমাদের দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বেশ আগে থেকেই প্রচলিত। মনে পড়ে, ১০-১২ বছর আগে উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানলে আমরা প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সাতক্ষীরার একেবারে উপকূলীয় অঞ্চলে ত্রাণ বিতরণের কাজে যাই। তখন গ্রামবাসী অনুরোধ করে, খাওয়ার পানির জন্য একটি সংরক্ষিত পুকুর সংস্কারে যেন আমরা সহায়তা দিই। সেখানে একটি সংরক্ষিত পুকুর আগে থেকেই ছিল। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের লবণাক্ত পানি সেই পুকুর ভাসিয়ে দেয়। তাই মানুষ নিরাপদ পানি পাচ্ছিল না।

আমরা সেই পুকুর সংস্কারে সহায়তা সেদিন দিই। পুকুরের সব পানি সেচে ফেলে দিয়ে আবার সুপেয় পানিতে ভরে তোলার ব্যবস্থা করা হয়। এখনো সেই পুকুরের পানি এলাকার মানুষ নিয়মিত ব্যবহার করে।

তাই সব গ্রামে একটি করে পুকুর সংরক্ষণের উদ্যোগ নিলে আমরা নিরাপদ পানির সুব্যবস্থা সহজে করতে পারব। এ রকম উদ্যোগ সফল হোক।

আব্দুল কাইয়ুম: প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক
quayum@gmail.com
https://www.prothomalo.com/opinion/article/1586814/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BF%E0%A6%A4-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0

13
Practicum / মঙ্গলে যেতে আর ১৪ বছর!
« on: April 04, 2019, 12:47:03 PM »
২০৩৩ সাল, অর্থাৎ আগামী ১৪ বছরের মধ্যে মঙ্গলে মানুষ পাঠাতে চাইছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। এর আগে ২০২৪ সালের মধ্যে চাঁদে আরেকবার মার্কিন নভোচারী পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে তারা।

মার্কিন কংগ্রেসে গত মঙ্গলবার এক শুনানিতে এসব পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন নাসার প্রশাসক জিম ব্রাইডেনস্টাইন। ব্রাইডেনস্টাইন বলেন, ‘চাঁদে আরেকবার নভোচারী পাঠানোর মাধ্যমে মঙ্গলে নভোচারী পাঠানোর পথে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। আর দুই অভিযানের সময়ই এগিয়ে আনতে চাই আমরা। মঙ্গলে ২০৩৩ সালেই আমরা প্রথম মানুষের পদার্পণ ঘটাতে পারব বলে আশা করছি। এ জন্য চাঁদে নভোচারী পাঠানোর সময়সীমা চার বছর এগিয়ে এনে ২০২৪ সাল করা হয়েছে।’

মঙ্গলে যেকোনো অভিযান শুরু করে শেষ করতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে। দুই গ্রহের বিশাল দূরত্ব একবার পাড়ি দিতেই লাগবে শুধু ছয় মাস। যেখানে চাঁদে যেতে লাগে মাত্র তিন দিন। তাও যখন-তখন মঙ্গলের উদ্দেশে যাত্রা করতে পারবে না নাসা। পৃথিবী ও মঙ্গল যখন সূর্যের একই পাশে চলে আসে, তখন দূরত্ব কমে যায়। আর দুই গ্রহ সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে আসে ২৬ মাস পরপর। এ রকম একটা সময় মঙ্গল অভিযানের জন্য আদর্শ। সেটা মাথায় রেখেই এগোচ্ছে নাসা। সে অনুযায়ী নাসার পরিকল্পনা ২০৩৩ সাল ঘিরে।
Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1586943/%E0%A6%AE%E0%A6%99%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%B0-%E0%A7%A7%E0%A7%AA-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0

14
প্রচলিত আইন গত প্রতিকার চাডাও যে কেউ চাইলেই  কমপ্লইন করতে পারেন ,পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ‘আইজিপি’স কমপ্লেইন সেল’ এখন থেকে সার্বক্ষণিক অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টাই চালু থাকবে।
জনসাধারণ এখন থেকে পুলিশ সদস্যের যেকোনো অপেশাদার ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরাসরি, কুরিয়ার সার্ভিস ও ডাকযোগে অথবা ০১৭৬৯৬৯৩৫৩৫, ০১৭৬৯৬৯৩৫৩৬ মোবাইল নম্বরে এবং complain@police.gov.bd ই-মেইলে এ সেলে অভিযোগ করতে পারবেন।

15
   
At least 1,00,000 of the displaced Rohingya people, now living in Bangladesh, will be shifted to Bhasanchar Island in Noakhali soon for giving them shelter there until their repatriation. The Bangladesh Premier said this when UN Under-Secretary-General and Executive Director of the United Nations Population Fund (UNFPA) Dr Natalia Kanem met her at her office. On the other hand, the newly appointed UN Secretary-General's special envoy to Myanmar Christine Schraner Burgener thanked the Bangladesh government as well as the people of the country for giving shelter to a huge number of Rohingyas. In a related development, a major canal dredging and renovation project worth $20,000 is underway to protect local residents and Rohingyas in Cox's Bazar from impending monsoon floods.
Source: The Bangladesh Insight.

Pages: [1] 2 3 ... 8