Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: [1] 2 3 ... 40
1
স্মার্টফোনের সবচেয়ে ঝামেলার কাজ হল সফটওয়্যার আপডেট। আজ আপনাকে জানাবো অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের ভার্সন আপডেট করার পদ্ধতি -
আপনাদের ফোন যদি স্যামসাং, ওয়ানপ্লাস, শাওমি, নোকিয়া হয় তাহলে এই পদ্ধতি গুলো কাজ করবে।

১. আপনার ফোনের settings অপশনে যান ।
২. বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সেটিংস খোলার পর উপরে সার্চ অপশন থাকে। ওখানে গিয়ে টাইপ করুন update. এখানেই ফোনের সিস্টেম আপডেট সম্পর্কে তথ্য পাবেন।
৩. ওই system update অপশনে ক্লিক করুন।
৪. এরপর ক্লিক করুন check now বা check for updates অপশনে।
৫. এখানে আপনার ডিভাইসের আপডেট থাকলে নোটিফিকেশন দেওয়া থাকবে। যদি থেকে থাকে তাহলে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করুন। এমনিতেই সেটি ইন্সটল হতে থাকবে। আপডেট হয়ে যাওয়ার পর আপনাদের ডিভাইসটি অনেকবার রিস্টার্ট নিতে পারে। এতে ভয়ের কোনো কারণ নেই।

যদি স্টেপ ৪ এরপর হ্যান্ডসেটটিতে কোনো পরিবর্তন না হয় তাহলে মনে করবেন ডিভাইসটি ম্যানুফ্যাকচারের মাধ্যমে আপডেটেড হয়ে লেটেস্ট ভার্সন এ রয়েছে।

2
প্রচুর ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠের আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে বজ্রপাত ও বৃষ্টি। গত বছরের তুলনায় এ বছর বজ্রপাত বেশি হচ্ছে। বজ্রপাতে মারা যাচ্ছে অনেক মানুষ। বাংলাদেশে গত কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে বজ্রপাতে বহু মানুষ মারা যাচ্ছে। বছরের এ সময়টিতে বৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বজ্রপাতও হচ্ছে ব্যাপকভাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক তাওহিদা রশিদ বলছেন, বজ্রপাত বেড়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির একটি সম্পর্ক আছে।

বজ্রপাত বাড়ার কারণ কী?

অধ্যাপক তাওহিদা রশিদ বলছেন, বিজ্ঞানীরা অনেকে মনে করেন বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য এটি বেশি হচ্ছে। তবে অনেক বিজ্ঞানীই আবার এ মতের সঙ্গে একমত নন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে আমরাও ভাবছি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই তাপমাত্রা বেড়েছে এবং এর কিছুটা হলেও প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশে দশমিক ৭৪ শতাংশ তাপমাত্রা বেড়েছে। বজ্রপাতে মৃত্যুর পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিশ্বের বজ্রপাতে মৃত্যুর এক-চতুর্থাংশ ঘটে বাংলাদেশে। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইটনিং সেফটি ইনস্টিটিউটের ২০১০ সালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হয়েছে।

আসুন জেনে নেই বজ্রপাতের সময় কী করবেন?

১. ভয় পাবেন না। মাথা ঠাণ্ডা রাখুন।
২. আশপাশে উঁচু কোনো গাছ থাকলে দূরে সরে যান।
৩. ওপরে ছাদ আছে এমন জায়গায় চলে যান।
৪. সম্ভব হলে টিনের ছাদ এড়িয়ে চলুন।
৫. গাড়ির ভেতরেও নিরাপদ,গাড়ির ধাতব বডির সাথে শরীরের সংযোগ থেকে দূরে থাকুন।
৬. বিদ্যুতের খুঁটি, টাওয়ার – এসব থেকে দূরে থাকুন।
৭. ঘনঘন বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, কর্ডলেস ফোন, ল্যান্ডফোন ব্যবহার না করাই ভালো।

3
You need to know / এস-৪০০ কী?
« on: April 12, 2019, 03:43:37 PM »
বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকরি ও আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হচ্ছে এস-৪০০। রাশিয়ার উৎপাদিত এ প্রযুক্তি পেতে আগ্রহী অনেক দেশ। মূলত দেশটির আগেরকার এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে এস-৪০০ তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে রাশিয়ার এস-৪০০ কিনতে আগ্রহী বহু দেশ। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, চীন, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভারত, কাতার। এসব দেশের প্রায় সবাই এস-৪০০ কেনার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছে।

তবে রাশিয়া থেকে শুধু প্রযুক্তিগত কারণে এসব দেশ এস-৪০০ কিনতে আগ্রহী এমনটি নয়। মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, রাশিয়া থেকে এসব প্রযুক্তি কেনা মানে দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী এবং দীর্ঘমেয়াদি করা। এস-৪০০তে সর্বাধুনিক আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করা রয়েছে, যা ইতিপূর্বে পশ্চিমা বিশ্ব কোনো দেশ দিতে পারেনি। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্স ইন্সটিটিউটের (এসআইপিআরআই) সিনিয়র রিসার্চার সাইমন ওয়েজেমন বলেন, এস-৪০০'র রাডার, সেন্সর এবং মিসাইল একটি বিরাট এরিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতে পারে। এর রাডারে ক্ষমতা প্রায় ৬০০ কিলোমিটার আর মিসাইলের ক্ষমতা ৪০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। ওই গবেষক বলেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় একত্রে একাধিক লক্ষ্যে নজর রাখতে পারে। এছাড়া এটি এক মিনিটের মধ্যেই স্থান পরিবর্তন করতে পারে।কাউন্সিল অন ফরেইন রিলেশনের সামরিক বিশ্লেষক কেভিন ব্রান্ড বলেন, এটা এমনটি একটি সিস্টেম যা একের মধ্যে সব রয়েছে। এটি একত্রে দূরবর্তী, মধ্যবর্তী বা নিকটবর্তী লক্ষ্য নির্ধারণ করতে পারে। এটি নির্ভর করে এর ব্যবহারের ওপর।

তিনি বলেন, এস-৪০০ যে কোনো দেশের জন্য উপযোগী। এই সিস্টেমটি স্থানান্তর বা চলাচলের জন্য যেমন কোনো জটিলতা নেই। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় একটি যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ পোস্ট, তিনটি সমন্বয়কারী জ্যাম-প্রতিরোধী পর্যায়ক্রমিক অ্যারে রাডার, বিমানের লক্ষ্যমাত্রা শনাক্ত করা, ছয়-আটটি বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র কমপ্লেক্স (১২টি ট্রান্সপোর্টার-লঞ্চার, একটি বহু-কার্যকরী চার আলোকসজ্জা ও শনাক্তকরণ রাডার) যুক্ত রয়েছে। এছাড়া এটি একটি প্রযুক্তিগত সহায়তা ব্যবস্থা, একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরিবহন যানবাহন ও একই সঙ্গে এটি প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। এস-৪০০তে রয়েছে অতিরিক্ত শনাক্তকারী রাডার, টাওয়ার ও এন্টোনা পোস্ট যা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেয়া যায়। এস-৪০০ একই সময়ে ৩৬টি লক্ষবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এমনকি একই সময়ে ৭২টি মিসাইল ছুঁড়তে সক্ষম।

4
ব্যক্তিগত আর্থিক অবস্থা যা-ই হোক না কেন, ফিন্যান্স ও অর্থনীতির জটিল বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর চেয়ে অতি ধনীদের খবরাখবর রাখা নিঃসন্দেহেই অনেক বেশি আকর্ষণীয়, হোক তা শ্রদ্ধা, ঈর্ষা বা ক্ষোভ থেকে। আরো নিশ্চিত করে বলা যায়, ধনী পরিবারগুলোর প্রতি আকর্ষণ আসলে একটি সংস্কৃতির প্রতিফলন, যেখানে সম্পদের মোহ রয়েছে এবং ধনীরা যেখানে তারকাখ্যাতি পান। শীর্ষ ব্যবসায়ীরা তারকাই বটে। হয়তো এটা ভেবে সাধারণ ব্যক্তিরা সান্ত্বনা পান যে প্রতিটি দৈত্যাকার করপোরেশনের পেছনে একজন জীবন্ত মানুষই রয়েছে, যেমন অ্যামাজন মানে বেজোস, ফেসবুক মানে জাকারবার্গ, ওয়ালমার্ট মানে দ্য ওয়ালটনস। অন্যদিকে সফল পারিবারিক ব্যবসার রয়েছে সর্বজনীন আবেদন। আমাদের মধ্যে অল্প কয়েকজন হয়তো বিলিয়নেয়ার হতে পারি, কিন্তু আমাদের সবারই পরিবার রয়েছে। পারিবারিক ব্যবসা বলতেই আমরা অকৃত্রিমতা, ঐতিহ্য, বংশপরম্পরা, উত্তরাধিকার ও গুণগত মান বুঝি। আর সম্পদশালী পরিবার মানে এর সঙ্গে আরো রয়েছে আভিজাত্য, বিশেষ করে যদি সে সম্পদ বংশানুক্রমিক হয়ে থাকে। আজকের আয়োজনে থাকছে পাঁচ পরিবারের তথ্য—
ওয়ালটন পরিবার (ওয়ালমার্ট ইনকরপোরেশন)
সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ ১৫ হাজার ১৫০ থেকে ১৭ হাজার ৪৫০ কোটি ডলার
দ্য কোচ ব্রাদার্স (কোচ ইন্ডাস্ট্রিজ)
সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ ৯ হাজার ৯০০ থেকে ১২ হাজার কোটি ডলার
মার্স পরিবার (মার্স)
সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ ৮ হাজার ৭০০ থেকে ৯ হাজার কোটি ডলার
বেহনা আহনু ও পরিবার (এলভিএমএইচ)
সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ ৭ হাজার ২২০ থেকে ৮ হাজার ৩১০ কোটি ডলার
কার্লোস স্লিম হেলু ও পরিবার
সম্পদের আনুমানিক পরিমাণ ৬ হাজার ৪০০ থেকে ৬ হাজার ৭০০ কোটি ডলার

5
দাঁতের যথাযথ যত্ন ও সুরক্ষার অভাবে অনেক সময় দেখা দেয় দাঁতের সমস্যা। আর তখনই শুরু হয় ব্যথা। আবার দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন ধরণের সমস্যার কারণেও হতে পারে এ দাঁত ব্যথা। যেমন- ক্যাভিটি, মাড়ির সমস্যা, দাঁতে ইনফেকশন, দাঁত দিয়ে রক্ত পরা, দাঁতের গোঁড়া আলগা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি। যেকোনো ব্যক্তির যেকোনো সময় দেখা দিতে পারে এ সমস্যা। তবে এতে চিন্তার কিছু নেই। কারণ ঘরোয়া উপায়ে সহজেই দাঁত ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। আসুন জেনে নেই সেই উপায়গুলো সম্পর্কে।

পেঁয়াজ :
পেঁয়াজের অ্যান্টিসেপ্টিক উপাদান দাঁতের জীবাণু নষ্ট করে দাঁতের ব্যথা উপসম করে। প্রথমে দাঁতের ব্যথার জায়গাটা খুঁজে বের করুন। এবার একটি পেঁয়াজ আক্রান্ত জায়গার কাছাকাছি নিয়ে চাবান। আর যদি চিবোতে না পারেন এক টুকরা পেঁয়াজ কেটে নিয়ে আক্রান্ত জায়গায় রাখুন, দেখবেন ব্যথা কমে যাবে।

পেয়ারা পাতা : দাঁতের ব্যথায় আরাম পেতে পেয়ারা পাতা আরো একটি উপকারী উপাদানের নাম। দুই থেকে তিনটা কচি পেয়ারা পাতা মুখে নিয়ে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে চিবোতে থাকুন যতক্ষণ না সেটি দাঁতের ব্যথায় কাজ শুরু না করে। আবার কয়েকটা পেয়ারা পাতা নিয়ে খানিকটা পানি দিয়ে তা সিদ্ধ করুন। এরপর পানি ঠাণ্ডা করে ওই পানি দিয়ে কুলকুঁচি করুন।

রসুন : রসুনের এন্টিবায়োটিক উপাদান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকরি উপাদান দাঁতের সংক্রমণ জনিত ব্যথায় দারুন কাজে দেয়। একটি রসুন ভেঙ্গে তাতে কিছুটা লবণ মাখিয়ে আপনার আক্রান্ত দাঁতের গোঁড়ায় লাগিয়ে দেখুন দাঁতের ব্যথায় আরাম পাবেন।

উষ্ণ লবণ পানি : একগ্লাস বেশ গরম পানিতে খানিকটা লবণ মিশিয়ে কুলকুচি করুন। দেখবেন দাঁতের শিরশির ভাব ও ব্যথা কমে যাবে। কেননা গরম পানি আর লবণের কার্যকারিতায় দাঁতের টিস্যুগুলো সচল হয়ে উঠে আর সব জীবাণু তাদের কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

মরিচ ও লবণ : দাঁতে যখন খুব বেশী স্পর্শকাতরতা আর টনটনে ব্যথা হয় তখন লবন আর মরিচ আপনাকে আরাম প্রদান করতে পারে। সমপরিমাণ লবণ আর মরিচ নিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা পানি দিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এই পেস্ট আপনার দাঁতে সরাসরি লাগান। পরপর কয়েকদিন এভাবে লাগালে দাঁতের ব্যথা কমে যাবে।

6
হোটেল বা রেস্টুরেন্টে ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য আমরা পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করি। কিন্তু সতর্ক না হলে পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহারের সময় খুব সহজেই আপনার কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড হ্যাক হতে পারে। একটি পাসওয়ার্ড হ্যাক করলে একে একে সব পাসওয়ার্ড ছিনিয়ে নেওয়া সম্ভব। তাই পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখতে ওপেন ওয়াইফাই থেকে দূরে থাকাই ভাল। তবে আগে থেকে ব্যবস্থা নিলে ওপেন ওয়াইফাই নেটওয়ার্কেও নিজের পাসওয়ার্ড সুরক্ষিত রাখা যায়। সাঙ্ঘাই জাইও টং বিশ্ববিদ্যালয়, বস্টনের মেসাচুসেট বিশ্ববিদ্যালয় আর দক্ষিণ ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা একসাথে সমীক্ষা চালিয়ে জানিয়েছেন, পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহারে খুব সহজেই পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়ে পারে। আপনি ও হ্যাকার দুজনেই পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে কানেকটেড থাকলে সহজেই এই হ্যাক করা সম্ভব। ৮১.৭ শতাংশ ক্ষেত্রে এক বারে পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পেরেছেন হ্যাকাররা। উইন্ডটেকার পদ্ধতি ব্যবহার করে এই কাজ করেছে হ্যাকাররা। এর জন্য কোন বিশেষ সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয় না। দুই ব্যক্তি একই নেটওয়ার্কে কানেকটেড থাকলেই এই কাজ করা যায়।

কীভাবে হ্যাক হয় পাসওয়ার্ড?
শুরুতেই কোন ব্যাক্তি নিজের কম্পিউটারে কী টাইপ করছে তা স্ক্যান করতে শুরু করে হ্যাকার। দুইজনে একই নেটওয়ার্কে কানেকটেড থাকার পরে এই কাজ শুরু হয়। এর পরে আপনার কম্পিউটারে কী টাইপ করছেন সব হ্যাকারের ঝুলিতে চলে যায়।

কীভাবে এই সস্যার হাত থেকে মুক্তি পাবেন?
১। পাবলিক নেটওয়ার্কে ভিপিএন ব্যবহার করুন।
২। ঘন ঘন পাসওয়ার্ড বদল করুন।
৩। খুব প্রয়োজন না পরলে পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার থেকে দূরে থাকুন।
৪। ফায়ারওয়ারল ও অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন।
৫। পাসওয়ার্ড স্ক্রিনে ভার্চুয়াল কি-বোর্ড থেকে টাইপ করুন।

7
আমাদের জীবনযাপনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে মোবাইল ফোন। প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগের সবচেয়ে সহজ মাধ্যম হলো এই মোবাইল ফোন। এছাড়া অন্যান্য জরুরি কাজ ও বিনোদনের বিষয়টি তো রয়েছেই। জীবনযাপনের অংশ হওয়াতে চাইলেও মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকা সম্ভব নয়। ঘুমের সময় বালিশের পাশেই, বাইরে বের হলে ব্যাগে কিংবা পকেটে রাখা হয়। বিশেষ করে ছেলে শার্টের বুক পকেটে বা প্যান্টের পকেটে রাখেন। কিন্তু এর ফলেই শরীরে দেখা দিতে পারে মারাত্মক সব সমস্যা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওয়ারলেস নেটওয়ার্কে কানেক্টেড মোবাইল বুক পকেটে রাখলে আমাদের শরীরে বেশি রেডিয়েশন প্রবেশ করে। যদি ব্যাগে মোবাইল রাখার অভ্যাস করেন, তাহলে রেডিয়েশনের পরিমাণ অন্তত দুই থেকে সাত শতাংশ কম হয়। সেলফোন থেকে প্রাপ্ত রেডিয়েশন আর টিউমার গ্রোথের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে বলেও জানিয়েছেন গবেষকরা। এই ধরনের রেডিয়েশনের ফলে বদলাতে পারে আপনার ডিএনএ স্ট্রাকচার, আসতে পারে বন্ধ্যাত্ব ও হৃদয়ঘটিত নানা সমস্যাও। প্যান্টের পকেটে ফোন রাখার অভ্যেস আছে আপনার? তা হলে জেনে রাখুন, এর ফলে পেলভিক বোনের গঠনে সমস্যা আসতে পারে, কমতে পারে হাড়ের ঘনত্ব। পকেটে ফোন রাখার কারণে পিঠের দিকে রেডিয়েশন যাওয়ায় পিঠে ব্যথা হতে পারে। পিছনের পকেটে ফোন রাখলেও নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই ফোন রাখুন নিরাপদ দূরত্বে, সুস্থ থাকুন।

8
ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ শুরু হতে দুই মাসও নেই। ফলে স্কোয়াড নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তাই টাইগারদের স্কোয়াড নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদিন নান্নু বলেছেন, অভিজ্ঞদের পাশাপাশি আসন্ন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ঠাই হবে সাম্প্রতিক সময়ে ভালো পারফর্ম করা ক্রিকেটারদের।

এছাড়াও ডিপিএলে যারা ভালো করছে, বোর্ডের নজর তাদের দিকেও আছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচক প্যানেলের প্রধান। তবে দল নির্বাচনে তাড়াহুড়ো নয়। আরও কিছুটা সময় নিয়ে স্কোয়াড সাজাতে চান নান্নু।

বিসিবি প্রধান নির্বাচক বলেন, ডিপিএলে ও প্রিমিয়ার লিগে কিছু খেলোয়াড় ভাল করছে। সেভাবে আমরা কাজ করছি। আশা করি, আগামী সাত দিনের মধ্যে আমরা টিমটা প্রস্তুত করতে পারবো। বিশ্বকাপে অভিজ্ঞ প্লেয়ারদের মূল্যায়নটা বেশি হবে। কেননা ইংল্যান্ডের কন্ডিশন পুরোটা আলাদা। সেক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা কাজে লাগে। সে চিন্তাভাবনা করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি।

9
প্রথম দল হিসেবে আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে নিউজিল্যাল্ড। ইংল্যান্ড-ওয়েলসের মাটিতে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বীতার কথা মাথায় রেখে অভিজ্ঞ স্কোয়াডই ঘোষণা গতবারের রানার্সআপ দলটি। স্কোয়াডে চমক বলতে একমাত্র উইকেটরক্ষক টম ল্যাথামের ব্যাক-আপ হিসেবে টম ব্লান্ডেলের অন্তর্ভুক্তি। বিশ্বক্রিকেটের সেরা মঞ্চে ৬ বারের সেমিফাইনালিস্ট নিউজিল্যান্ডের সামনে ২০১৫ সালে বিশ্বকাপ জয়ের সুবর্ন সুযোগ ছিল। চারবছর আগে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্বে ছিল তারা। আয়োজক দেশ হিসেবে প্রথমবারের জন্য ফাইনালে পৌঁছেও ট্রফি জয়ের স্বাদ পাওয়া হয়নি কেন উইলিয়ামসনের দলের।
 
তবে গতবারের পারফরম্যান্স বজায় রেখে ইংল্যান্ড-ওয়েলসের মাটিতেও দলের ভালো পারফরম্যান্সের বিষয়ে আশাবাদী কোচ গ্যারি স্টিড। বিশ্বকাপের দল নিয়ে বলতে গিয়ে জানান, ‘আসন্ন বিশ্বকাপে আমাদের ট্রফি জয়ের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী টুর্নামেন্টে নিজেদের মেলে ধরতে পারলে দেশবাসীকে গর্বিত করতে পারব আমরা।’ ঘরোয়া ক্রিকেটে আঙুলে চোট পাওয়া টিম সেফার্টের পরিবর্ত হিসেবে বিশ্বকাপগামী দলে সুযোগ পেলেন একটিও ওয়ান ডে না খেলা ব্লান্ডেল। প্রত্যাশামতো ঘোষিত স্কোয়াডে দ্বিতীয় কোনো চমক নেই। পেস বিভাগে কিউয়িদের চার অস্ত্র টিম সাউদি, ট্রেন্ট বোল্ট, লকি ফার্গুসন ও ম্যাট হেনরি। অল-রাউন্ডার হিসেবে বোলিং বিভাগে জিমি নিশম ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোমেরও সাহায্য পাবে কিউয়িরা। স্পিন বিভাগে মিচেল স্যান্টনারের সঙ্গে রয়েছেন ইশ সোধি। মারকুটে ওপেনার কলিন মুনরো রয়েছেন স্কোয়াডে। তবে বিশ্বকাপের ম্যাচগুলোতে অভিজ্ঞ মার্টিন গাপতিলের সঙ্গে ওপেন করবেন হেনরি নিকোলাস। মিডল অর্ডারে অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন ও রস টেলরের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করে তুলবে কিউয়ি ব্যাটিং বিভাগকে। এই নিয়ে চতুর্থ বিশ্বকাপে দেশের জার্সিতে মাঠে নামতে চলেছেন এই দুই ব্যাটসম্যান। আগামী ১ জুন কার্ডিফে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামবে কিউয়িরা।

একনজরে নিউজিল্যান্ডের ঘোষিত স্কোয়াড

কেন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক), টম ব্লান্ডেল, ট্রেন্ট বোল্ট, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, লকি ফার্গুসন, মার্টিন গাপতিল, ম্যাট হেনরি, টম ল্যাথাম, কলিন মুনরো, জিমি নিশম, হেনরি নিকোলস, মিচেল স্যান্টনার, ইশ সোধি, টিম সাউদি ও রস টেলর।

10
বাংলাদেশের ক্রিকেটের সঙ্গে 'অঘটন' শব্দটা বহুদিন ধরে শোনা যায় না। কারণ বাংলাদেশ এখন ওয়ানডেতে শক্তিশালী দল। বিশ্বের যেকোনো দলকে হারিয়ে দিতে পারে। আসন্ন ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে টাইগারদের নিয়ে অনেক আশা। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের উত্থানলগ্নের কোচ গর্ডন গ্রিনিজ বহুদিন পর 'অঘটন' শব্দটা ব্যবহার করলেন। ৯৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে পথ দেখানো এই কোচের মতে, আসন্ন বিশ্বকাপে টাইগাররা ভালো খেলে বড় দলের বিপক্ষে 'অঘটন' ঘটিয়ে দিতে পারে।

ইংল্যান্ডের মাটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে দুটি বিশ্বকাপজয়ী এই কোচ এখন বাংলাদেশে। তার দেখা বাংলাদেশ দলটি অনেক বদলে গেছে। সেই খবর যে পুরোপুরি তিনি রাখেন না, সেটা স্বীকার করতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। বলেছেন, 'এবার বিশ্বকাপ খেলতে কোন দলটা যাচ্ছে, সেটা জানি না। তাদের সঙ্গে আমি যেহেতু কাজ করি না। আমার পক্ষে দল সম্পর্কে কিছু বলা কঠিন। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ভীষণ পরিশ্রম করেছিলাম আমরা। এখনকার দল সম্পর্কে পুরোপুরি ধারণা নেই। আমার কাছে অনেকে নতুন, যাদের ঠিক চিনি না। আশা করি, তারা ভালো করবে। ভালো করতে ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে খেলোয়াড়েরা উন্মুখ। তাদের জন্য শুভকামনা থাকবে।'

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়েই তিনি বলেন, 'আশা করি, বাংলাদেশ ভালো করবে। বাংলাদেশ ভালো খেললে অনেক বড় দলের বিপক্ষে অঘটন ঘটিয়ে দিতে পারে। বাংলাদেশ অনেকটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ-পাকিস্তানের মতো (আনপ্রেডিক্টেবল)। একদিন হয়তো তারা ভীষণ ভালো খেলে; আবার পরের দিনই মোটেও ভালো ক্রিকেট খেলে না। আশা করি, এই টুর্নামেন্টে তারা ধারাবাহিক ভালো খেলবে। অন্যবারের তুলনায় এবার টুর্নামেন্টের ফরম্যাট ভিন্ন। অনেক খেলা হবে এবার। এই দলটা অবশ্য আগের চেয়ে অনেক স্থিতিশীল, অনেক ধারাবাহিক। আশা করি ভালো করবে।'

'অঘটন' শব্দটি সাংবাদিকদের কাছে ধাক্কার মতো লাগায় গ্রিনিজকে ব্যখ্যা করতে হয়। তিনি বলেন, 'এই মুহূর্তে বাংলাদেশ অনেক ভালো করছে। তবে তাদের ধারাবাহিকতার সমস্যা আছে। আসলে এখন আপনি বলতে পারবেন না, অমুক দলটা ক্রিকেট বিশ্বে রাজত্ব করে যাচ্ছে। বেশির ভাগ দল এক-দুই বছর শীর্ষে থাকছে আবার নিচে নেমে যাচ্ছে। পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিটি দলই শেষ চারে যেতে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। একজন দর্শক হিসেবে চাইব, প্রতিটি ম্যাচই যাতে উপভোগ্য হয়। হ্যাঁ, অবশ্যই দেখতে চাইব বাংলাদেশ ভালো করুক।'

11
অসুস্থ হয়ে পড়ায় ফুটবল কিংবদন্তি পেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে তাঁকে প্যারিসের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে প্যারিসে গিয়েছিলেন তিনি। ৭৮ বছর বয়সী পেলে মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণে ভুগছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আশঙ্কামুক্ত আছেন পেলে। পেলের বন্ধু পেপিতো ফরনস হাসপাতালে তাঁর সঙ্গেই আছেন। তিনি জানিয়েছেন, শঙ্কার কোনো কারণ নেই। পেলে ঠিক হয়ে যাবেন। ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন পেলে। এরপরই তিনি অসুস্থ হয়ে যান। ওই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে টুইট করেছিলেন পেলে। সেখানে তিনি বলেন, ‘কিলিয়ান এমবাপ্পে আর তাঁর মা-বাবার সঙ্গে দেখা হয়েছে গত রাতে একটি অনুষ্ঠানে। আমরা খেলা নিয়ে, বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলেছি। ’এর আগে এমবাপ্পে টুইট করে বলেছেন, ‘কিংবদন্তির সঙ্গে একটি সন্ধ্যা কাটানোর সুযোগ হয়েছে।’

তিনটি বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা আছে পেলের। মাত্র ১৭ বছর বয়সে স্বাদ নিয়েছেন বিশ্বকাপের। ১৯ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। গত বছর রাশিয়া বিশ্বকাপের সময় গতি আর ছন্দের জন্য সবার নজরে আসেন ফরাসি কিলিয়ান এমবাপ্পে। তাঁর দল জিতে নেয় বিশ্বকাপ।  ওই সময় পেলে টুইট করে জানান, এমন অবস্থা চললে এমবাপ্পে ছাড়িয়ে যাবেন পেলেকে।তবে বিনয়ী এমবাপ্পে বিনয়ের সঙ্গেই পাল্টা টুইট করেছেন, ‘রাজা রাজাই থাকেন।’

12
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ জেমি ডে দায়িত্ব নিয়েই জানিয়েছিলেন তার প্রাথমিক লক্ষ্য ফিফা র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ দলকে ১৫০'র ভেতরে নিয়ে আসা। সে লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে সফলই বলা চলে জেমি ডে'কে। কেননা তার অধীনেই দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ দল ছাড়া পেয়েছে ১৯০'র বৃত্ত থেকে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা কর্তৃক ঘোষিত সবশেষ আপডেটে ৪ ধাপ উন্নতি ঘটেছে বাংলাদেশ ফুটবল দলের।

সবশেষ ৭ ফেব্রুয়ারির র‍্যাংকিং অনুযায়ী বাংলাদেশ দলের অবস্থান ছিলো ১৯২তম। আজ (৪ এপ্রিল) প্রকাশিত র‍্যাংকিংয়ে ৪ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের নতুন অবস্থান ১৮৮তম। কম্বোডিয়ার বিপক্ষে পাওয়া জয়ে ২ রেটিং যোগ হওয়ায় বাংলাদেশের বর্তমান রেটিং এখন ৯০৯। এদিকে বরাবরের মতো র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষ দলগুলোর তেমন কোনো ওলটপালট হয়নি। রাশিয়া বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া বেলজিয়াম ধরে রেখেছে নিজেদের শীর্ষস্থান। দুইয়ে রয়েছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফ্রান্স। নিজেদের তৃতীয় স্থান অক্ষুণ্ণ রেখেছে ব্রাজিল। তবে এক ধাপ এগিয়ে চারে উঠে এসেছে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে এক ধাপ পিছিয়ে পাঁচে নেমেছে ক্রোয়েশিয়া। এছাড়া শীর্ষ দশের বাকি পাঁচ দল হলো যথাক্রমে উরুগুয়ে, পর্তুগাল, সুইজারল্যান্ড, স্পেন এবং ডেনমার্ক। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি তিন ধাপ এগিয়ে উঠেছে ১৩ নম্বরে। আর্জেন্টিনা অবস্থান করছে ১১তেই। নেদারল্যান্ডস ১৬ এবং ইতালির অবস্থান ১৭।

13
বাড়িতে ওয়াই-ফাই থাকলেও ইন্টারনেটের স্পিড নিয়ে সন্তুষ্ট নন? স্পিড কম হচ্ছে বলে ইন্টারনেট সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠানকে জানিয়েছে বহুবার। তবু পরিবর্তন হয়নি। এমন কি বাধ্য হয়ে অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে সেবা নিয়েছেন কিন্তু সেটাও কিছুদিন ভাল সেবা দেয়ার পর সমস্যা করছে। ভাবছেন কী করবেন? আপনার ওয়াই-ফাইয়ের হার্ডওয়্যারে সামান্য কিছু পরিবর্তন করলেই সমাধান হবে আপনার সমস্যার। আসুন, জেনে নিন কীভাবে বাড়াবেন আপনার ইন্টারনেটের স্পিড-

উপায় ১: কখনো আপনার কাছে থাকা রাউটারটিকে অবহেলা করবেন না। বরং সবসময় আপনার ওয়াই-ফাই রাউটারে লেটেস্ট ফার্মওয়ার আপডেট করুন।

উপায় ২: আপনার ডুয়েল ব্যান্ড রাউটারের ফ্রিকোয়েন্সি় ২,৪ জিএইচজেড বদলে ৫ জিএইচজেড-তে বদলে নিন। এর ফলে যখন তখন নেট চলে যাওয়ার সমস্যা যেমন কমবে, তেমনি বাড়বে স্পিডও।

উপায় ৩: সর্বাধিক কভারেজ এবং স্পিডের জন্য ইন্টারনেটের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক আপগ্রেড করুন।

উপায় ৪: কখনোই দেয়ালের কাছে রাউটার রাখবেন না। ঘরের কোন জায়গায় সেটি রাখছেন তার উপরে স্পিড কমা-বাড়া করে। তাই সবসময় ঘরের মাঝে সেটিকে রাখতে চেষ্টা করুন। রাউটারটি কখনোই দেয়ালে ঝুলিয়ে বা খোলা জায়গায় রাখবেন না। বড় বাড়ির ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ওয়াই-ফাই অ্যান্টেনা লাগালে স্পিড ও কভারেজ আরো ভাল পাওয়া যাবে।

14
চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ এবং সৌর জগতের পঞ্চম বৃহত্তম উপগ্রহ। পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪,৩৯৯ কিলোমিটার (প্রায় ২৩৮,৮৫৫ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের প্রায় ৩০ গুণ। প্রতি ২৯.৫ দিন পরপর চন্দ্র কলা ফিরে আসে অর্থাৎ একই কার্যক্রিয় আবার ঘটে। পৃথিবী-চাঁদ-সূর্য তন্ত্রের জ্যামিতিতে পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের কারণেই চন্দ্র কলার এই পর্যানুক্রমিক আবর্তন ঘটে থাকে। সূর্য (রবি নামেও ডাকা হয়) সৌরজগতের কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত তারাটির নাম। প্রায় আদর্শ গোলক আকৃতির এই তারা প্রধানত প্লাজমা তথা আয়নিত পদার্থ দিয়ে গঠিত যার মধ্যে জড়িয়ে আছে চৌম্বক ক্ষেত্র। তারা প্লাজমা দশাস্থিত অতি উজ্জ্বল এবং সুবৃহৎ গোলাকার বস্তুপিণ্ড। উচ্চ তাপে তারা নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে ক্রমাগত নিজের জ্বালানী উৎপন্ন করে। নিউক্লীয় সংযোজন থেকে উদ্ভূত তাপ ও চাপ মহাকর্ষীয় সঙ্কোচনকে ঠেকিয়ে রাখে।

চাঁদ: চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে চাঁদের কেন্দ্রের গড় দূরত্ব হচ্ছে ৩৮৪,৩৯৯ কিলোমিটার। চাঁদের ব্যাস ৩,৪৭৪.২০৬ কিলোমিটার (২,১৫৯ মাইল) যা পৃথিবীর ব্যাসের এক-চতুর্থাংশের চেয়ে সামান্য বেশি। চাঁদ পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করতে ২৭ দিন, ৭ ঘন্টা, ৪৩ মিনিট এবং ১১ সেকেন্ড সময় নেয় কিন্তু সমসাময়িক আবর্তনের ফলে পৃথিবীর পর্যবেক্ষকরা প্রায় ২৯.৫ দিন হিসেবে গণনা করে।জোয়ার ভাঁটার জন্যে চাঁদকে দায়ী করা হয়।

সূর্য: সূর্য সৌরজগতের কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত তারটির নাম। সূর্যের ব্যাস প্রায় ১৩ লক্ষ ৯২ হাজার কিলোমিটার। পৃথিবী থেকে সূর্যের গড় দূরত্ব আনুমানিক ১৪.৯৬ কোটি কিলোমিটার। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলো থেকে খাদ্য উৎপাদন করে এবং প্রাণীরা খাদ্যের জন্য এসব উদ্ভিদ বা অন্য প্রাণীর উপর নির্ভর করে। সূর্য জলবায়ু ও আবহাওয়াও নিয়ন্ত্রণ করে।

তাঁরা: তারা প্লাজমা দশাস্থিত অতি উজ্জ্বল এবং সুবৃহৎ গোলাকার বস্তুপিণ্ড। অধিকাংশ তারার বয়স ১০০ কোটি থেকে ১০০০ কোটির মধ্যে। কিছু তারার বয়স ১৩,৭০ কোটির কাছাকাছি। তারা জ্বলজ্বল করার কারণ হচ্ছে, এর কেন্দ্রে নিউক্লীয় সংযোজন বিক্রিয়ার মাধ্যমে যে শক্তি উৎপন্ন হয় তা তারার পুরো অভ্যন্তরভাগ পার হয়ে বহিঃপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত হয়। বিভিন্ন ধরণের তারকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে মেইন সিকুয়েন্স সিকুয়েন্স তারকাদের। মহাবিশ্বে তারকাদের ৮০ ভাগই এই শ্রেণির তারকা।

15
ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বিতর্কিত কপিরাইট আইন পাসের পক্ষে ভোট দিয়েছে; সমালোচকরা বলছেন এই আইন ইন্টারনেট ব্যবহারের ধারা সম্পূর্ণ পাল্টে দিতে পারে। নতুন নীতিমালায় (বিতর্কিত অনুচ্ছেদ ১৩ সহ) অনুমতি ছাড়া কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে কোনো কিছু ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হলে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তার দায়ভার নেবে। তবে মিম এবং জিআইএফ শেয়ার করা এই নতুন আইনের অন্তর্ভূক্ত হবে না।
অনেক সঙ্গীতশিল্পী, চিত্র ও কারুশিল্পী মনে করেন এই নিয়ম বাস্তবায়ন হলে শিল্পীদের আর্থিক মূল্যায়ণ সঠিকভাবে হবে - কিন্তু অন্য অনেকেই মনে করে এর ফলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের তৈরি করা কাজ, যেগুলোকে ইউজার-জেনারেটেড কন্টেন্ট বলা হয়, ধ্বংসের মুখে পড়বে।

কপিরাইট হলো একজন ব্যক্তির আইনি অধিকার, যা ঐ ব্যক্তির তৈরি করা কোনো কাজ কোথায় এবং কীভাবে ব্যবহার হবে তার সুরক্ষা নিশ্চিত করে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, বর্তমান আইনের অধীনে শিল্পীদের ন্যায্য সম্মানীই দেয়া হচ্ছে। গুগল বলেছে, এই আইন 'ইউরোপের ডিজিটাল ও সৃজনশীল শিল্পকে ক্ষতিগ্রস্ত' করবে। এই বিতর্কিত আইনটি পাস করার পক্ষে ভোট দিয়েছেন ইউরোপিয়ান সংসদের ৩৪৮ জন সাংসদ, আর এর বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন ২৭৮ জন।

বিতর্ক তৈরি হচ্ছে কী নিয়ে?
আইনের যে দু'টি ধারা নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিতর্ক তৈরি হচ্ছে, সেগুলো অনুচ্ছেদ ১১ ও অনুচ্ছেদ ১৩ হিসেবে পরিচিত।

অনুচ্ছেদ ১১ অনুযায়ী, যে কোনো নিউজ ওয়েবসাইটের লিঙ্ক ব্যবহার করতে সার্চ ইঞ্জিন এবং নিউজ অ্যাগ্রিগেট প্ল্যাটফর্মগুলোকে অর্থ দিতে হবে।
অনুচ্ছেদ ১৩ অনুযায়ী, কপিরাইট লাইসেন্স ছাড়া যে কোনো কিছু পোস্ট করলে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোকে দায়বদ্ধ করা হবে। কপিরাইট করা কাজ ব্যবহার করার ক্ষেত্রেও আরোপিত হবে কড়াকড়ি। এরই মধ্যে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো কপিরাইট সহ পোস্ট করা গান এবং ভিডিও সরিয়ে নিয়েছে।

বাংলাদেশের ইউটিউবাররা ক্ষতির মুখে পড়বেন?

নতুন এই নীতিমালা বিভিন্ন মহলে বিতর্ক তৈরি করলেও তথ্য-প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জাকারিয়া স্বপন মনে করেন এটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।
মি. স্বপন বলেন, "আমি মনে করি এতদিন ইন্টারনেটে যতগুলো ভালো কাজ হয়েছে এটি তার মধ্যে একটি।"

মি. স্বপন বলেন, "আমরা অনেক সময়ই আরেকজনের তৈরি করা গান বা ভিডিও শেয়ার না করে ডাউনলোড করে আপলোড করে দেই। এই আইন বলবৎ করা হলে সেই অরাজকতা থামবে এবং একইসাথে সৃজনশীল কাজ করা শিল্পীরা এই আইনের মাধ্যমে তাদের মেধাস্বত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারবেন।"

তবে যেই ওয়েবসাইটগুলো ৩ বছরের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে, যাদের বার্ষিক আয় ১০ মিলিয়ন ইউরোর নিচে এবং মাসিক ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ নতুন ব্যবহারকারী নেই - সেসব ওয়েবসাইট এই আইনের আওতাধীন হবে না বলে জানান মি. স্বপন।
কিন্তু এই আইন কার্যকর করার মাধ্যমে ইন্টারনেট ভিত্তিক মুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্য কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে?

"এই আইনের সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করেছে গুগল এবং ইউটিউব। কারণ তারাই পৃথিবীতে ওপেন ইন্টারনেটের নামে কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করছে - যেটি তাদের ব্যবসার মডেলের মধ্যেই পড়ে।"
মি. স্বপন বলেন, "এখানে বলে রাখা ভাল যে উইকিপিডিয়াকে এই আইনের আওতায় রাখা হয়নি।"

এই আইনের সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা করছে ইউটিউব। মি. স্বপন মনে করেন নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থেই এই আইনের বিরোধিতা করছে তারা।
"যে ব্যক্তি নিজে কিছু তৈরি করছে, তার কন্টেন্ট তো বাধা দেয়া হচ্ছে না। যারা ঐ একই কন্টেন্ট নিয়ে আবারো পোস্ট করছে তাদের বাধা দেয়ার জন্য এই আইন।"

তবে এই আইন কার্যকর হলে বাংলাদেশের অনেকেই ইউটিউব চ্যানেলে কন্টেন্ট তৈরি করে আয় করার ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়বেন বলে মনে করেন মি. স্বপন।
"বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে এমন অনেক ইউটিউব চ্যানেল আছে যেখানে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির কন্টেন্টকে সামান্য পরিবর্তন করে আবারো আপলোড দেয়া হয় এবং সেসব ভিডিও থেকে অনেকেই অর্থ উপার্জনও করছেন।"

"নতুন আইন বলবৎ হলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তখন অরিজিনাল ভিডিওই শেয়ার করতে হবে।"
বাংলাদেশের মত যেসব দেশ সদ্যই ডিজিটাল পথে হাঁটতে শুরু করেছে সেসব দেশে এই আইনের প্রভাব পড়তে পারে বলেও মনে করেন মি. স্বপন।

"যেহেতু আমাদের নিজেদের কোনো প্ল্যাটফর্ম নেই এবং আমরা বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর নির্ভরশীল, তাই আমাদের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিশাল একটা অংশ কপিরাইট করা কন্টেন্টের ওপরই নির্ভরশীল।"
এই ব্যবহারকারীদের এখন নতুন নীতিমালার অধীনে আসতে হবে এবং কপিরাইট সংক্রান্ত আইনকে সম্মান করে চৌর্যবৃত্তির প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে বলে মন্তব্য করেন মি. স্বপন।

Pages: [1] 2 3 ... 40