Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - Naznin.Tania

Pages: [1] 2 3 ... 7
Rich in Nutrients
Parsley contains several important nutrients, such as vitamins A, K, and C. It’s also a good source of the minerals calcium, iron, magnesium, and potassium.

Calories: 2
Vitamin A: 12% of the Reference Daily Intake (RDI)
Vitamin C: 16% of the RDI
Vitamin K: 154% of the RDI

May Improve Blood Sugar
Elevated blood sugar levels can increase your risk of conditions like diabetes or metabolic syndrome. Some rat studies found parsley to effectively reduce blood sugar levels.

Can Benefit Heart Health
Heart conditions like heart attacks and strokes are the leading cause of death worldwide. An unhealthy diet, lack of exercise, smoking, and high alcohol intake can all contribute to heart disease. Parsley contains carotenoid antioxidants and vitamin C — both of which have been shown to benefit heart health.

May Aid Kidney Health
Parsley may help keep your kidneys healthy by fighting inflammation and reducing high blood pressure and your risk of kidney stones.

Other Potential Benefits
Parsley may improve your health in the following ways as well:

Antibacterial properties. Parsley contains essential oils, including apiol and myristicin, which have antibacterial effects and fight potentially harmful bacteria, such as Staphylococcus aureus.
May benefit bone health. Parsley is rich in vitamin K, potassium, magnesium, and calcium — all of which are essential to bone health.
May boost immunity. Research shows that apigenin — an antioxidant in parsley — regulates immune function by reducing inflammation and preventing cellular damage.
May enhance liver health. Studies in rats with diabetes found that parsley extract may prevent liver damage, enhance liver function, and boost antioxidant levels.


1. Reduces Appetite and Hunger Levels
A high-protein diet reduces hunger, helping you eat fewer calories. This is caused by the improved function of weight-regulating hormones.
If you need to lose weight or belly fat, consider replacing some of your carbs and fats with protein. It can be as simple as making your potato or rice serving smaller while adding a few extra bites of meat or fish.

2. Increases Muscle Mass and Strength
Protein is the building block of your muscles.Muscle is made primarily of protein. High protein intake can help you gain muscle mass and strength while reducing muscle loss during weight loss.

3. Good for Your Bones
People who eat more protein tend to have better bone health and a much lower risk of osteoporosis and fractures as they get older.

4. Reduces Cravings and Desire for Late-Night Snacking
Eating more protein may reduce cravings and desire for late-night snacking. Merely having a high-protein breakfast may have a powerful effect.

5. Boosts Metabolism and Increases Fat Burning
High protein intake may boost your metabolism significantly, helping you burn more calories throughout the day.

6. Lowers Your Blood Pressure
Several studies note that higher protein intake can lower blood pressure. Some studies also demonstrate improvements in other risk factors for heart disease.

7. Helps Maintain Weight Loss
Upping your protein intake can not only help you lose weight but keep it off in the long term.

8. Does Not Harm Healthy Kidneys
While protein can cause harm to people with kidney problems, it doesn’t affect those with healthy kidneys.

9. Helps Your Body Repair Itself After Injury
Protein can help your body repair after it has been injured. This makes perfect sense, as it forms the main building blocks of your tissues and organs.

10. Helps You Stay Fit as You Age
One of the consequences of aging is that your muscles gradually weaken. Eating plenty of protein can help reduce the muscle loss associated with aging.


What is bone marrow?
Bone marrow is a type of spongy tissue in the center of bones. It’s most concentrated in the spine, hip, and thigh bones.

It contains stem cells that develop into red blood cells, white blood cells, or platelets, which are involved in oxygen transportation, immune function, and blood clotting.

The bone marrow of animals like cows, lambs, caribou, and moose is commonly consumed in many types of cuisine.

It has a rich, slightly sweet flavor with a smooth texture and is often served alongside toast or used as a base for soup.

Bone marrow can also be used to make bone broth or spread over bread, roasted vegetables, or meat dishes.

Bone marrow nutrition facts
Bone marrow contains a good amount of calories and fat, as well as small amounts of nutrients like protein and vitamin B12.

For example, one tablespoon (14 grams) of raw caribou bone marrow provides:

Calories: 110
Total fat: 12 grams
Protein: 1 gram
Vitamin B12: 7% of the Reference Daily Intake (RDI)
Riboflavin: 6% of the RDI
Iron: 4% of the RDI
Vitamin E: 2% of the RDI
Phosphorus: 1% of the RDI
Thiamine: 1% of the RDI
Vitamin A: 1% of the RDI

Health benefits of bone marrow
Though no studies directly evaluate the effects of consuming bone marrow, plenty of research on the health benefits of its components is available.

In particular, collagen, glycine, glucosamine, and conjugated linoleic acid have been studied extensively for their potential effects on health.

1. Supports joint function
2. Decreases inflammation
3. Promotes skin health

Though research is limited on the health effects of bone marrow itself, studies show that many of its components could support joint function, decrease inflammation, and promote skin health.


Inspiring Quotes / Quotes of Success
« on: March 24, 2019, 02:55:21 PM »
  “Anyone whose goal is 'something higher' must expect someday to suffer vertigo. What is vertigo? Fear of falling? No, Vertigo is something other than fear of falling. It is the voice of the emptiness below us which tempts and lures us, it is the desire to fall, against which, terrified, we defend ourselves.”
― Milan Kundera, The Unbearable Lightness of Being


Inspiring Quotes / Inspirational Quotes
« on: March 24, 2019, 02:01:22 PM »
  “You've gotta dance like there's nobody watching,
Love like you'll never be hurt,
Sing like there's nobody listening,
And live like it's heaven on earth.”
― William W. Purkey


Inspiring Quotes / Quotes of Strength
« on: March 24, 2019, 01:01:19 PM »
You gain strength, courage, and confidence by every experience in which you really stop to look fear in the face. You are able to say to yourself, 'I lived through this horror. I can take the next thing that comes along.'
-Eleanor Roosevelt


Inspiring Quotes / Philosophy Quotes
« on: March 24, 2019, 11:44:54 AM »
        “A human being is a part of the whole called by us universe, a part limited in time and space. He experiences himself, his thoughts and feeling as something separated from the rest, a kind of optical delusion of his consciousness. This delusion is a kind of prison for us, restricting us to our personal desires and to affection for a few persons nearest to us. Our task must be to free ourselves from this prison by widening our circle of compassion to embrace all living creatures and the whole of nature in its beauty.”
― Albert Einstein



এই গরমই তো ফল খাওয়ার আসল সময়। বিশেষ করে আম, কাঁঠাল, জাম, লিচুর গন্ধে এখন চারদিক যেন ম ম করছে। সবাই যে ফল পছন্দ করে, এটাও ঠিক নয়। বিশেষ করে কাঁঠাল। অনেকে কাঁঠালের গন্ধটাই পছন্দ করে না, অনেকে ভাবেন যে কাঁঠাল খেলে পেটে গোলমাল হতে পারে। কিন্তু কাঁঠাল খেলে যে কতো উপকার তা জেনে নিন এবার

ত্বকের জেল্লা বাড়ায়

মানসিক চাপ আর দূষণে সৌন্দর্য যদি হারিয়ে যেতে থাকে, মুখে বলিরেখা ফুটতে থাকে তাহলে দেখে মনে হয় বয়স বেড়ে যাচ্ছে হু হু করে। এ থেকে বাঁচতে হলে কাঁঠাল খেতে হবে বেশি করে। ত্বক সুন্দর হবে, উজ্জ্বলতা বাড়বে। আবার কাঁঠালের বীজকেও কাজে লাগানো যায়। এই বীজ কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখার পর সেটি গুঁড়ো করে মুখে লাগালে বলিরেখা কমবে, ত্বকের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য ফিরে আসবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়

আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসায় বলা হয়, নিয়মিত কাঁঠালের বীজ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে যায়। কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যেটি শরীরে বর্জ্যের পরিমাণের ভারসাম্য বজায় রেখে কোষ্ঠকাঠিন্য কমিয়ে দেয়।

প্রোটিনের ঘাটতি কমায়

শরীরকে সচল রাখতে পানির পরেই প্রয়োজন প্রোটিনের। তাই কাঁঠাল খাওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকেরাও দিয়ে থাকেন। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে, যা শরীরের প্রোটিনের ঘাটতি মেটায়। পাশাপাশি শরীরের গঠনেও সাহায্য করে।

ভিটামিন এ-এর ঘাটতি পূরণ করে

ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি এবং কোষ গঠনে ভিটামিন এ বিশেষ জরুরি। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে এই ভিটামিন রয়েছে। তিই চোখ, চুল, চোখকে বাঁচাতে হলে কাঁঠাল খেতে শুরু করে দিন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে কে না চায়। তাহলে খাবার অভ্যাস বদলান। এজন্য বেশি করে কাঁঠাল খেতে পারেন। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই উপাদান দুটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

কাঁঠালে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট এবং ফ্লবোনয়েড রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে শরীরকে ভিতর থেকে শক্তিশালী করে। ফলে ক্যানসার কোষ খুব কমই জন্মাতে পারে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ডি এন এ-কে সুরক্ষিত করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

কাঁঠালে থাকা পটাশিয়াম শরীরের সোডিয়াম লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। ফলে রক্তচাপ কমতে থাকে। অনেক সময়ে চিকিৎসকেরাও ব্লাড প্রেসারে আক্রান্ত রোগীদের প্রতিদিনের ডায়েটে দুইকোয়া করে কাঁঠাল খাওয়ার পরামর্শ দেন। শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ বাড়লে ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্সও ঠিক থাকে। ফলে রক্তচাপ কমে, সঙ্গে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও কমে যায়।

হজম ক্ষমতা ভালো রাখে

গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যা কমবেশি তো সবারই থাকে। প্রাকৃতিকভাবে এই গ্যাসের সমস্যা কমাতে কাঁঠাল খেতে পারেন। কাঁঠালে থাকা ডায়াটারি ফাইবার পাকস্থলির কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ফলে হজমের গোলমাল কমে। পেটের রোগবালাইও কমে যায়।


পুষ্টিকর খাবার গুলোর মধ্যে অন্যতম একটি হলো ডিম। নিয়মিত ডিম খেলে বহু রোগ-ব্যাধি দূরে রাখা সম্ভব। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, ফসফরাস ও সেলেনিয়াম জাতীয় উপাদান। অনেকেই ডিমে প্রচুর কোলেস্টেরল আছে মনে করে ডিম খেতে অবহেলা করে থাকেন। আসুন আজ জেনে নিই ডিমের অসাধারণ কিছু কার্যকারিতা সম্পর্কে:

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: ডিমে কোলেস্টেরল আছে, তাই ডিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়বে – এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারনা। ডিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে না বরং কমে। নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায় যা দেহকে রোগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে।

দৃষ্টিশক্তির ক্ষমতা বাড়ায়: ডিমের আরো কিছু উপকারী উপাদান হলো লুথিন, জিয়েক্সসেনথিন ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা দৃষ্টিশক্তির ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি চোখের ছানি পড়াও রোধ করে।

ওজন কমাতে সাহায্য করে: এক গবেষণায় দেখা গেছে, ডিম খেলে ওজন কমে না বরং এটি ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে সাহায্য করে। সকালের নাস্তায় ডিম খেলে ক্ষিদে কম অনুভূত হয় যা ওজন কমানোর সহায়ক।

মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়: ডিমে থাকা পুষ্টিকর উপাদান মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। প্রতিদিন একটি ডিম খেয়েই দেখুন না আপনার মেধাশক্তি তো বাড়বেই, সাথে বাড়বে বুদ্ধি ও।

প্রোটিনের চাহিদা মেটায়:
নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে প্রয়োজনীয় প্র্রোটিনের ঘাটতি পূরণ হয়। যা দেহকে কর্মক্ষম করে সচল রাখতে সাহায্য করে।

প্রতিদিন শরীরে যে ৩০০ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল প্রয়োজন, তাঁর ১৮৭ মিলিগ্রাম চাহিদা পূরণ করতে পারে একটি ডিমে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে প্রতিদিন নাস্তায় ডিম খাওয়ার অভ্যাস করুন।

গাজরের রস: গাজরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। আর ক্যালরির পরিমাণ থাকে খুব অল্প। সকালে এক গ্লাস গাজরের রস খেলে তা অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরা অনুভূত হতে সাহায্য করে। এ জন্য ক্ষিদেও অনেক কম লাগে। আর কম খাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই ওজন কমতে শুরু করে। গাজর এমনিতে চিবিয়ে অথবা রস করে খাওয়া যেতে পারে। তবে গাজরের সঙ্গে অল্প পরিমাণে আপেল,কমলা লেবু এবং আদার কুচি দিয়ে রস বানিয়ে খেলে ওজন কমানোর ক্ষেত্রে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।
করলার রস: অনেকে তিতকুটে স্বাদের জন্য করলা খেতে চান না। কিন্তু এর রয়েছে দারুন সব পুষ্টি গুণ। যারা ওজন কমাতে চান তাদের কাছে করলার রস দারুন উপকারী। কারণ এই রস লিভার থেকে বাইল রস নিঃসৃত হতে সাহায্য করে। ফলে অতিরিক্ত মেদ উৎপাদনকারী উপাদানগুলি আমাদের শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে ৷

শশার রস: যে সব ফলে পানির পরিমাণ বেশি,সেগুলিতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম থাকে। শসা তেমনি একটি ফল। এই ফলে আরও বেশ কিছু কার্যকরী উপাদান,যেমন- ফাইবার এবং পানি থাকে। এই দুটি উপাদান অনেকক্ষণ পেট যেমন ভরিয়ে রাখে, তেমনি চর্বি গলাতেও সাহায্য করে। শসার সঙ্গে পুদিনা পাতা এবং লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।

আমলকীর রস: যদি খালি পেটে আমলকীর রস খাওয়া যায় তাহলে হজমশক্তি যেমন বাড়বে,তেমনি মেদও ঝরাতে এটি ভূমিকা রাখবে। আর আমলকীর রসে কয়েক ফোঁটা মধুও মিশিয়ে নিলে সেটি ওজন কমাতে আরো কার্যকর হবে।

শরীরের বাড়তি মেদ বা ওজন কমানোর প্রচেষ্টায় অনেকেই শরীরচর্চা করে থাকেন। পাশাপাশি প্রধান বেলার খাবার খাওয়াও বাদ দিয়ে দেন! আর এটা এমন একটি বড় ভুল যা কাউকেই ওজন কমাতে সহায়তা করবে না। খাবার খাওয়া বাদ দিলে বরং ওজন আরো বাড়বে! তবে প্রতিদিনের খাবার সম্পর্কে একটু সচেতন থাকলেই শরীরে বাড়তি মেদ জমবে না। দ্রুত শরীরের ওজন কমাতে ফলের বিকল্প নেই। নিচে ওজন কমাতে সহায়ক ৭টি ফল নিয়ে আলোচনা করা হলো :

১.আপেল : আপেলের পেকটিন ফাইবার পেট ভরানোর পাশাপাশি দেহে মেদের পরিমাণও কমাবে। ভারী খাবার খাওয়ার আগে আপেল খাওয়া তাই উপকারী।

২.তরমুজ : তরমুজ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ওজন ঝরাতে সাহায্য করে। দিনে একটা তরমুজ খিদে কমিয়ে দেওয়ার সঙ্গে মেদ জমতেও দেবে না।

৩.লেবু : লেবুতে আছে ভিটামিন সি ও সাইট্রিক অ্যাসিড। যা ওবেসিটির পরিমাণ কমায়।

৪.নারকেল : নারকেল যকৃতের বিপাক হার বাড়িয়ে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে প্রকারান্তরে নিয়ন্ত্রণে থাকে ওজন।

৫.বেদানা : বেদানা দেহে লো ডেনসিটি লাইপোপ্রোটিনের হার কমায়। খিদের হার কমায়।

৬.পেঁপে : পেঁপে রক্তে শর্করার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। রক্তে শর্করা ওবেসিটির লক্ষণ।

৭.কমলালেবু : কমলালেবুতে প্রচুর পরিমাণে পানি, ভিটামিন ও ফাইবার থাকে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ফলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে।


প্রকৃতি তার নিজের খেয়ালে কোখন কি করে সেটা বুঝা আমাদের জন্য খুবই কঠিন। প্রকৃতি কখনো দেখায় তার রাগ, খোব, ভালোবাসা। আবার কখনো দেখায় তার শীল্পকর্ম। প্রাকৃতির তেমনই একটি শীল্পকর্ম হচ্ছে মেঘালয়ের পূর্ব খাসি হিলস এবং জয়ন্তিয়া হিলস জেলায় ‘লিভিং রুটস ব্রিজ’।

এই গ্রামে এটা এখন একটা কমন ব্যাপার। স্নোংপেডাং, নংবারেহ্, খোংলা, কুদেং রিম অত্যাদি গ্রামে ছড়িয়ে থাকা জঙ্গলগুলোতে কবে থেকে গছেরা তাদের শিকড় দিয়ে সেতু তৈরির কাজ শুরু করেছিল কেউই বলতে পারেন না। ১৮৪৪ সালে লেফটেন্যান্ট এইচ ইউল ‘জার্নাল অফ এশিয়াটিক সোসাইটি’-তে প্রথম এই অরণ্যের কথা সবিস্তারে লেখেন। ছোট-খাটো সেতুর বাইরেও এই অরণ্যে রয়েছে ৫০ মিটার দীর্ঘ একটি ‘রুট ব্রিজ’। খাসি পাহাড়ের পাইনুর্সলা নামের একটি ছোট শহরের কাছে এই সেতুটি একটি দ্রষ্টব্য বিষয়। এটি ছাড়াও রয়েছে একটি ‘দোতলা’ এবং একটি ‘তিন তলা’ সেতু।

যে গাছগুলো এই সেতু তৈরি করে তারা ডুমুর জাতীয় গাছ। সেতু তৈরিতে গাছেরা অনেক সময়েই পাথর, ধুলোবালি ইত্যাদি কাজে লাগায়। স্থানীয় মানুষ জানান, সাধারণত একটা সেতু তৈরিতে ১৫ বছর সময় লাগে। তাদের জীবনে এই সেতুগুলোর প্রভাবও যথেষ্ট। এগুলো তারা নিয়মিত ব্যবহার করেন।

প্রাকৃতিক এই সেতুর দেখা পেতে আপনাকে মেঘালয়ের শিলং যেতে হবে। ‘লিভিং রুট ব্রিজ’ নামে পরিচিত সেতুটি দেখার জন্য ছবির মতো সাজানো গোছানো ‘রিওয়াই’ গ্রামের রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে হবে। গ্রামের পাহাড়ি নদী ‘থাইলং’ এর উপরে শেকড় তৈরি সাঁকোটি দেখতে প্রতিদিনই ভিড় জমান অসংখ্য পর্যটক।

শিলং থেকে প্রায় ৯০ কিলোমিটার দূরে রিওয়াই গ্রাম। গ্রামের সৌন্দর্য দেখতে দেখতে রাস্তা ধরে হাঁটলেই পেয়ে যাবেন সাইনবোর্ডে লেখা নির্দেশনা। সেই অনুযায়ী হেঁটে যেতে যেতে পাহাড়ি সিঁড়ি খুঁজে পাবেন। সেই সিঁড়ি ধরে বেশ কিছু দূর নামার পরই চোখ আঁটকে যাবে আশ্চর্য এই সেতুতে।

ছোটবড় শেকড় সুতার মতো নিপুণ বুননে তৈরি করেছে চওড়া সেতু। প্রায় ৫০০ বছর বয়স এই প্রাকৃতিক সেতুর। প্রতিনিয়ত বাড়ছে জ্যান্ত এই শেকড়। একারণেই ব্রিজের নাম ‘লিভিং রুট ব্রিজ।’

প্রায় ৫০ মিটার লম্বা এই সেতু একসঙ্গে ৫০০ জন মানুষকে জায়গা দিতে পারবে। তবে ব্রিজে উপর দাঁড়াতে দেওয়া হয় না এটি যথাযথ সংরক্ষণের খাতিরে। সেতুর নিচ দিয়ে কুলকুল শব্দে বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদী। ব্রিজের উপর দাঁড়াতে না পারলেও নদীর পাড়ে বসে কিংবা পাহাড়ের উপর থেকে এর সৌন্দর্য দেখতে পারবেন ইচ্ছে মতো।

যেভাবে যাবেন: সোনাংপেডাং গ্রাম থেকে একটা গাড়ী রিজার্ভ করলে ওই গাড়ী আপনাকে লিভিং রুট ব্রিজ নিয়ে যাবে।

এছাড়া আপনি যদি চান তাহলে সোনাংপেডাং গ্রাম ১রাত থেকে পরের দিন সকালে সোনাংপেডাং গ্রাম থেকে একটা গাড়ী রিজার্ভ করলে ওই গাড়ী আপনাকে মাওলিনং গ্রাম,লিভিং রুট ব্রিজ দেখিয়ে আবার ডাউকি বর্ডারে নামিয়ে দেবে।ভাড়া পড়বে ১৮০০-২০০০ রুপি।

১) ছুটি: ছুটি রিসোর্টে রয়েছে নৌভ্রমণের ব্যবস্থা, বিরল প্রজাতির সংরক্ষিত বৃক্ষের বনে রয়েছে টানানো তাঁবু। ছনের ঘর, রেগুলার কটেজ, বার্ড হাউস, মাছ ধরার ব্যবস্থা, হার্বাল গার্ডেন, বিষমুক্ত ফসল, দেশীয় ফল, সবজি, ফুলের বাগান, বিশাল দুটি খেলার মাঠ, আধুনিক রেস্টুরেন্ট, দুটি পিকনিক স্পট, গ্রামীণ পিঠা ঘর, বাচ্চাদের জন্য কিডস জোনসহ সারা দিন পাখির কলরব, সন্ধ্যায় শিয়ালের হাঁক, বিরল প্রজাতির বাঁদুড়, জোনাকি পোকার মিছিল ও আতশবাজি, ঝিঁঝিঁ পোকার হৈচৈ। আর ভরা পূর্ণিমা হলে তো কথাই নেই।

২)ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান গাজীপুর: সরকারি পিকনিক স্পটগুলোর মধ্যে অন্যতম গাজীপুরের এ ভাওয়াল উদ্যান। চত্ত্বর গাজীপুর সদর ও শ্রীপুর থানা জুড়ে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান। খেলাধুলার জন্য রয়েছে বড় একটি মাঠ। তাছাড়া রয়েছে এখানে একটি চিড়িয়াখানা। পৃথিবীর অন্যান্য জাতীয় উদ্যানের আদলে ৬,৪৭৭ হেক্টর জমিতে ১৯৭৩ সালে এ উদ্যান সরকারিভাবে গড়ে তোলা হয়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। এছাড়াও নানারকম গাছ-গাছালিতে পরিপূর্ণ এ উদ্যান। জাতীয় উদ্যানের ভেতরে বেশকয়েকটি বনভোজন কেন্দ্র, ১৩টি কটেজ ও ৬টি রেস্ট হাউস রয়েছে। উদ্যানে প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৬ টাকা। এছাড়া পিকনিক স্পট ব্যবহার করতে হলে, বন বিভাগের মহাখালী কার্যালয় (০২-৮৮১৪৭০০) থেকে আগাম বুকিং দিয়ে আসতে হবে।

৩) সফিপুর আনসার একাডেমি, গাজীপুর: জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় অবস্থিত আনসার-ভিডিপি একাডেমির বিশাল চত্বর বেড়ানোর জন্য একটি উপযুক্ত যায়গা। অনুমতি সাপেক্ষে বনভোজন করারও ব্যবস্থা আছে এখানে । ফোনঃ০২-৭২১৪৯৫১-৯

৪) পদ্ম রিসোর্ট: ছুটির দিন কিংবা ঈদের বন্ধ ছাড়া বুকিং না করে গেলেও সাধারণত কটেজ খালি পাওয়া যায়। বুকিংয়ের জন্য পদ্মা রিসোর্টের নিজস্ব ওয়েবসাইটে সব তথ্য পাওয়া যাবে। রিসোর্ট যদি শুধু দিনের বেলা ভাড়া করতে চান, তাহলে সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত থাকতে পারবেন এবং সেক্ষেত্রে ভাড়া লাগবে ২৩০০ টাকা। আর যদি দিনসহ রাতও কাটাতে চান, তাহলে ভাড়া লাগবে ৩৪০০ টাকা। মোট ১৬টি কটেজ। এই কটেজগুলোই মূল আকর্ষণের জায়গা। নদীর পাড় ঘেঁষে গড়ে ওঠা কটেজগুলোতে বেশ আরামদায়ক এবং নিরিবিলি সময় কাটাতে পারবেন।

কটেজগুলোর নামকরণও করা হয়েছে বেশ সুন্দরভাবে। ১২টি কটেজের নাম রাখা হয়েছে বাংলা বছরের ১২টি মাসের নামানুসারে। আর বাকি চারটির নাম নেওয়া হয়েছে চারটি ঋতু থেকে। যদি ভরা বর্ষায় আসেন তাহলে কটেজগুলোর সামনে পানি টলটল করবে। এর ওপর কাঠের তৈরি রাস্তা দিয়ে হাঁটাচলা করতে হয়। মনে হয় কটেজগুলো যেন ভেসে আছে পানিতে। ফোনঃ০১৭১২১৭০৩৩০

৫) নক্ষত্রবাড়ী: গাজীপুরে অবস্থিত বেসরকারি রিসোর্টগুলোর মধ্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত ‘নক্ষত্রবাড়ী’। নক্ষত্রবাড়ী প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছেও অতি জনপ্রিয় নাম। প্রকৃতিপ্রেমীদের সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ঢাকার খুব কাছে একটি রিসোর্ট বানানোর কথা চিন্তা করে অভিনেতা তৌকীর আহমেদ ও বিপাশা হায়াত দম্পতি ১৪ বিঘা জমির ওপর ‘নক্ষত্রবাড়ী’ নির্মাণ করেন। ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় নক্ষত্রবাড়ীর ।

৬) নুহাশপলস্নী: জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের বাগানবাড়ি ও শুটিং স্পট। প্রায় ৯০ বিঘা জায়গা নিয়ে এই নন্দন কাননে আছে একটি ছোট আকারের চিড়িয়াখানা, শান বাঁধানো ঘাটসহ একটি বিশাল পুকুর, দৃষ্টিনন্দন কটেজ, ট্রি হাউস বা গাছবাড়িসহ আরো অনেক আয়োজন। নুহাশ পলস্নীর ভেতরের বিশেষ আকর্ষণ হলো_এর ঔষধি গাছের বাগান। এত সমৃদ্ধ ঔষধি বাগান এদেশে বিরল। সবমিলিয়ে নুহাশপলস্নী একটি ছবির মতো সাজানো-গোছানো এক প্রান্তর, যেখানে গেলে ভালো লাগবে সবার। ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই তিনমাস বনভোজনের অনুমতি মেলে নুহাশপলস্নীতে। যোগাযোগ :০১৭১২০৬০৯৭১

৭)রাজেন্দ্র ইকো রিসোর্ট: গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের বিপরীত দিকের বড় সড়ক থেকে ডানের গলিপথ ধরে সবুজের অরণ্যে হঠাটি হারিয়ে জাবেন আপনি। ভবানীপুর বাজার পেরিয়ে চিকন রাস্তা ধরে আরও কিছুটা দূর…। পথের দুধারে ঘন শালবন। যতদূর চোখ যায়, শুধুই গাছ আর গাছ। পুকুরপাড়ের গাছটিতে মাছরাঙা পাখি শিকারের আশায় বসে। পুকুরের তীর ঘেঁষে বকের হাঁটাহাঁটি। হরেক রকম পাখি দেখে মনে হতে পারে, হয়তো কোনো গহীন জঙ্গলে এসে পড়েছেন। সত্যিই গহীন অরণ্য। রাস্তার দুধারে দূরের শালবন ছাড়াও খেজুরগাছ, বটগাছ। রাস্তার পাশে আদিবাসীদের কিছু বাড়িঘর।
ফোনঃ ৫৮০৭০৮৪০,০১৯১৯৩১৮০০৯

৮)রাঙ্গামাটি ওয়াটার ফ্রন্ট রিসোর্ট গাজীপুর: গাজীপুরের চন্দ্রায় অবস্থিত আরেকটি রিসোর্ট ও বনভোজন কেন্দ্র রাঙ্গামাটি। এখানে আছে বনভোজন কেন্দ্র, লেকে মাছ ধরা ও বেড়ানোর ব্যবস্থা এবং কটেজে অবকাশ যাপনের ব্যবস্থা। ফোনঃ০১৮১১৪১৪০৭৪,০১৯১৯৩১৮০০৯

৯) আফরিন পার্ক রিসোর্ট গাজীপুর: জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে প্রায় দশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর-ময়মনসিংহ সড়কের পাশেই আফরিন পার্ক রিসোর্ট। নানান গাছ-গাছালিতে ঘেরা এ পার্কে আছে বিশাল শান বাঁধানো পুকুর, লেকে নৌকায় বেড়ানোর ব্যবস্থাসহ অবকাশ যাপনের জন্য রিসোর্ট ফোনঃ০১৮১৯২৫৩৩৩৯।

১০) উৎসব পিকনিক স্পট গাজীপুর: ঢাকা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের হোতাপাড়ার কাছেই এ বনভোজন কেন্দ্রটি। উৎসব পিকনিক স্পটে আছে খোলা চত্বর, কয়েকটি কটেজ ও ট্রি হাউজ। ঢাকার ফুলবাড়িয়া থেকে শ্রাবণ পরিবহনে এসে নামতে হবে হোতাপাড়া বাসস্ট্যান্ডে। ভাড়া ৩৫ টাকা। সেখান থেকে রিকশায় দশ টাকা ভাড়া উৎসব পিকনিক স্পট পর্যন্ত। যোগাযোগ :০১৭১৩০৪৪৫৯১, ৮৬২৬৩৭৬।

১১) পুষ্পদাম পিকনিক স্পট গাজীপুর: ঢাকা থেকে ৫৫ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলার বাঘের বাজারে পুষ্পদাম অবস্থিত। এখানে বিশাল পরিসরে রয়েছে দেশি-বিদেশি বাহারি গাছের সমাহার। প্রবেশপথেই রয়েছে বিশাল দেবদারু গাছের সারি। এ পথ পেরিয়ে একটু ভেতরে ঢুকলেই রয়েছে ফুলে ফুলে ঘেরা কয়েকটি কটেজ। এখানে রয়েছে বিশাল খেলার মাঠ, কৃত্রিম লেক, ঝরনা ও সুইমিংপুল। পর্যাপ্ত রান্নাঘর, টয়লেট ছাড়াও এখানে আছে একই সাথে এক হাজার লোকের খাবারের জায়গা। যোগাযোগ :০১৮১৯২১৬১৫৭।

১২) হ্যাপি ডে ইনন: গাজীপুর: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ঠিক বিপরীত দিকে রয়েছে বেসরকারি এ পিকনিক স্পট। উন্নতমানের হলরুম, আবাসিক রুমসহ দেশীয়, থাই, চায়নিজ খাদ্যের ব্যবস্থা রয়েছে পিকনিকের জন্য। পিকনিকের আয়োজন করে গাজীপুরের এই সবুজ বনে হারিয়ে যেতে কে না চায়। ফোনঃ০১৯৩৯-০৪৭৫৮৬-৮।

১৩) অঙ্গনা: গাজীপুর: গাজীপুরের সুর্য্যনারায়নপুর, কাপাসিয়া থানায় অবস্থিত অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি হওয়ায় এই রিসোর্টের নামকরণ করা হয়েছে ‘অঙ্গনা’। গ্রামীণ সৌন্দর্যের বেসরকারি রিসোর্টস অঙ্গনার মালিক উপমহাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার ভাই সৈয়দ আলী মুরাদ ২০০৪ সালে ১৮ বিঘা জমির ওপর এটি নির্মাণ করেন। যার অবস্থান গাজীপুরের কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে। নগর জীবনে একাধারে চলতে চলতে ক্লান্তি এসে যায় মনে। আর এই ক্লান্তি দূর করতে রাজধানীর অদূরে কাপাসিয়ার সূর্যনারায়ণপুর গ্রামে গড়ে তোলা হয়েছে বেসরকারি এই রিসোর্ট ‘অঙ্গনা’ বাকী জানতে ওয়েবসাইট ভিসিট করুন

১৪) ফ্যান্টাসি কিংডম আশুলিয়া: আশুলিয়ার জামগড়ায় গড়ে উঠেছে বিশ্বের আধুনিক সব রাইড নিয়ে বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম। পাশেই হেরিটেজ পার্কে আছে ঐতিহ্যের পরিপূর্ণ ভাণ্ডার। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর অনেকগুলোই চোখে পড়বে এখানে। এগুলো মূল স্থাপনার অবিকল আদলেই তৈরি করা হয়েছে হেরিটেজ পার্কে। এ জায়গা দুটিতে বনভোজন করার জন্য রয়েছে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা।
ফোনঃ ৭৭০১৯৪৪-৪৯।

১৫) রিসোর্ট আটলান্টি , আশুলিয়া: ওয়াটার কিংডমের ভিতরে অবিস্থিত রিসোর্ট আটলান্টিস ,মোহাম্মদী গার্ডেন মহিশাষী, ধামরাই এ অবস্থিত। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে ধামরাইয়ের মহিষাশী। এখানেই এই গার্ডেন অবস্থিত। নিজে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না এটা একটা স্বপ্নপুরী নাকি স্বর্গভূমি। বিনোদনের জন্য গার্ডেনের ভিতরে রয়েছে পুকুর। সেই পুকুরে ভেসে বেড়াচ্ছে নৌকা, কাঠের রাজহাঁস, মাটির শাপলা। ফোনঃ ০১৭১৭৩৭৪৯০৪, ০১১৯০২৩৭০৬২।

১৬) হাসনাহেনা, গাজীপুর: ঢাকার পাশেই গাজীপুর জেলার পুবাইল কলেজগেটে অবস্থিত তেমনি একটি বেসরকারি বিনোদন পর্যটন কেন্দ্র “হাসনাহেনা”। টঙ্গী থেকে এর দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। পরিবারের সবাইকে নিয়ে কিংবা অফিস বা সংগঠনের দিনব্যাপী পিকনিক বা বনভোজনে এখানে আসা যেতে পারে অনায়াসে। যোগাযোগ :হাসনাহেনা, হাড়িবাড়ীর টেক, পুবাইল কলেজগেট, পুবাইল গাজীপুর। ফোনঃ০১১৯৯৮৭৫৫৭৬, ০১৯১১৪৯৫১২৩, ০১৭১৪০০৩১০৩, ০১৭৩৬৬৭২৪০৮।

১৭) সোহাগপল্লী: ১১ একর উঁচু-নিচু জমিতে সবুজে ঘেরা এই রিসোর্টের অন্যতম আকর্ষণ হলো জলাশয়ের ওপর নির্মিত অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত ঝুলন্ত সাঁকো আর এর পিলার ও বেলকনিতে খোঁদাই করা বিভিন্ন কারুকাজ- যা আগত দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করে। বিশাল এক জলাশয়ের মাঝখানে ঝুলন্ত সাঁকো থাকায় দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে বেশি। জলাশয়ের পূর্ব পাশে রয়েছে একটি দ্বিতল রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটির নাম রাখা হয়েছে মেজবান। শুধু তাই নয়, কৃত্রিমভাবে একটি লেক নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে বর্ষা বা শুষ্ক সবসময়ই পানি থাকে। আর এই লেকের পানিতে বিভিন্ন জাতের মাছের বিচরণ দেখা যায়। ফোনঃ ০১৭১২০৪৯৯০৩-০৪,০১৬১২০৪৯৯০।

১৮) আনন্দ রিসোর্ট: গাজীপুরের কালিয়াকৈরের পরিচিত রিসোর্ট হলো ‘আনন্দ’। আনন্দ রিসোর্টটি নামের সঙ্গে বেশ আবেগের মিল রেখেছে। আনন্দদানের সব উপকরণই এখানে জোগাড় করার চেষ্টা করা হয়েছে। শুধু চোখে দেখে নয়, বরং বিভিন্ন খেলার রাইডে চড়ে আনন্দের দেখা মিলবে এখানে। বিলঘেঁষা এই আনন্দ রিসোর্টের বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে সরাসরি বিল থেকে মাছ শিকারের ব্যবস্থা রয়েছে। মাছ শিকারিদের জন্য এই সুযোগ অবশ্যই বাড়তি পাওনা।ছিপ ফেলে মাছের জন্য অপেক্ষায় কাটবে সময়। এ ছাড়া রয়েছে ছোটদের খেলার নানা উপকরণ। একটি সুইমিং রয়েছে। ৪২ বিঘা উঁচু-নিচু টিলা ভূমিতে গড়ে তোলা হয় আনন্দ রিসোর্ট। কালিয়াকৈরের সিনাবহের তালতলি এলাকায় এর অবস্থান। বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছ ও ৬টি কটেজ রয়েছে এখানে।

ভাড়া : কটেজগুলোর প্রতিকক্ষ ২৪ ঘণ্টার ভাড়া ৩ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা। পিকনিক বা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য ভাড়া পড়বে ৭০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা।

যেভাবে যাবেন : নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে করে গাজীপুরের চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে উঠতে হবে। এই মহাসড়ক ধরে সফিপুর বাজার যেতে হবে। সেখান থেকে ২ কিলোমিটার উত্তরে সিনাবহ বাজারের পাশে এই রিসোর্টের অবস্থান। ফোনঃ০২-৯১২৫৭৭৮,০১৯১৯৩১৮০০৯, ০১৬৭০২৭৫৮৬৪।

১৯) জল জঙ্গলের কাব্য, পূবাইল: ঢাকার অদূরে পূবাইলে ৯০ বিঘা জমির উপর গড়ে উঠেছে একটুকরো গ্রাম।বাঁশ আর পাটখড়ির বেড়া ,উপরে ছনের ছাউনি, সামনে দিগন্ত বিস্তৃত জলের নাচন। এটা তেমন আধুনিক জায়গা নয় কিন্তু পরিচ্ছন্ন এবং গ্রাম-বাংলার একটা ছোয়া আছে এর আদলে। অবশ্যই ভাল লাগবে ঘুরে আসুন। ফোনঃ০১৯১৯৭৮২২৪৫, ০১৭১৯৫২৩০১৬

২০) আরশিনগর হলিডে রিসোর্ট: ঢাকা থেকে মাত্র ত্রিশ কিলোমিটার দূরে গাজীপুরের ভাওয়ালে অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত হলিডে রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট। ভাওয়ালের গ্রাম ও শালবনের মাঝে অসাধারণ প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় আধুনিক সব সুযোগ সুবিধা নিয়ে সাজানো আরশিনগর।
রিসোর্ট অফিস। পাজৃলিয়া, জয়দেবপুর, গাজীপুর। ফোন :০১৭৩২৩৫৪০০৭,০১৯২৩১১৭০৫৬

২১) ড্রিম স্কয়ার: গাজীপুরের মাওনার অজহিরচালা গ্রামে ‘ড্রিম স্কয়ার’ নামে বিশালাকৃতির বেসরকারি রিসোর্ট রয়েছে। ১২০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে ড্রিম স্কয়ার রিসোর্ট। এর প্রধান আকর্ষণ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজের সমারোহ। ড্রিম স্কয়ারের আকর্ষণীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে তেলের ঘানি, ডেইরি ফার্ম, মৎস্য হ্যাচারি, কম্পোস্ট সার প্লান্ট, বায়োগ্যাস প্লান্ট। ড্রিম স্কয়ারের আলাদা বৈশিষ্ট্য হলো রেস্টুরেন্টের খাবারের সবজি এর ভেতরেই চাষাবাদকৃত, যা সম্পূর্ণ সার ও কীটনাশকমুক্ত।

রয়েছে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা বিশালাকৃতির কয়েকটি লেক। রয়েছে ১৬টি ছোট-বড় পুকুর। ভেতরে সবুজে বেষ্টিত বাগানের মাঝখানে রয়েছে জাতীয় মাছ ইলিশের দুটি প্রতিকৃতি। আর বিভিন্ন গাছে রয়েছে বানরের প্রতিকৃতি।

এখানে নানান প্রজাতির পাখির অভয়াশ্রম রয়েছে। ড্রিম স্কয়ারে প্রতি বছর শীতের সময় অতিথি পাখির মেলা বসে। আছে একটি রেস্টুরেন্ট, রয়েছে ওয়াই-ফাই সুবিধা। এখানে সবচেয়ে বেশি বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা। ফোনঃ৮৮০-০২-৯৩৩৪১৪৯, ৯৩৪২২০৩, ০১৭৫৫৬৩০৩৩১১

২২) গ্রীনটেক রিসোর্ট: ২০১০ সালে গাজীপুর জেলার ভবানীপুরে প্রায় ৬ একর জায়গা নিয়ে অবস্থিত গ্রীনটেক রিসোর্ট। এখানে রয়েছে ৭৩টি রুম, একটি অডিটেরিয়াম, দুটি কনফরেন্স রুম, একটি সুমিং পুল, দুটি ডায়নিং হল, আর দুটি পুকুর। সম্পূর্ণ শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত এখানে রয়েছে ইনডোর, আউটডোর গেমের সকল সুবিধা। পুরো রিসোর্টটি রয়েছে ওয়াই ফাই সংযোগ। এখানে সর্বনিম্ন তিন হাজার থেকে সর্বচ্চো দশ হাজার টাকা পর্যন্ত রুম ভাড়া পাওয়া যায়।

যোগাযোগ:হোটেল রেডিয়াল প্যালেস,রোড-৮, ব্লক-সি,বনানী, ঢাকা।ফোন: ০১৭১৫১০৫৭৭০,০১৯১৯৩১৮০০৯

দেশে বজ্রপাত আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে। বজ্রপাতের কারণে অনেকের কম্পিউটার, টিভিসহ নানা প্রযুক্তিপণ্যের ক্ষতি হচ্ছে। তবে কিছু কৌশল জানলে এবং সতর্ক থাকলে বজ্রপাতের কবল থেকে প্রযুক্তিপণ্যকে রক্ষা করা যায়।

১. বজ্রপাতের আভাস পেলেই কম্পিউটার, রাউটার, টেলিভিশন, ফ্রিজসহ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির সুইচ অফ রাখতে হবে। বাসার বাইরে থাকার সময়ও বজ্রপাত হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাইরে যাওয়ার আগেই কম্পিউটার, রাউটারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের সুইচ অফ করে দিলে বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি এড়ানো যাবে।

২. বজ্রপাতের কারণে বেশি নষ্ট হয় টেলিভিশন। কেননা টেলিভিশনের সঙ্গে ডিশের লাইনের সংযুক্ত থাকে। ফলে কোনো এলাকায় বজ্রপাত হলে ডিশের লাইনের মাধ্যমে সহজেই টিভির ক্ষতি করে। অনেকেই কম্পিউটারে টিভি কার্ড ব্যবহার করেন। ফলে বজ্রপাতের সময় ডিশ লাইন সংযোগ থাকায় কম্পিউটারেরও ক্ষতি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে বজ্রপাতের সময় ডিশের সংযোগটি খুলে রাখুন। এতে প্রযুক্তিপণ্যগুলো নিরাপদ থাকবে।

৩. বজ্রপাতের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় রাউটার ডিভাইসগুলোর। বজ্রপাতের আভাস পেলে শুধু রাউটারের লাইন বন্ধ করলেই চলবে না, রাউটার থেকে ইন্টারনেট সংযোগের ল্যান কেবলটিও খুলে রাখতে হবে। তবে যদি আপনার ইন্টারনেট সংযোগে অপটিক্যাল ফাইবার কেবল ব্যবহার করা হয়, তাহলে বজ্রপাতের ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকে। কেননা এসব কেবলে ধাতব তারের ব্যবহার হয় না।

৪. ভালোমানের মাল্টিপ্লাগ ব্যবহার করতে হবে। যে মাল্টিপ্লাগগুলো সেলফ কন্ট্রোল অটোমেটিক সিস্টেমে বিদ্যুত্প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে, সেগুলো ব্যবহার করাই ভালো। ফলে হাই ভোল্টেজ বা বজ্রপাতের সময়ও মাল্টিপ্লাগের সঙ্গে সংযুক্ত থাকা ডিভাইসে প্রভাব পড়বে না। বাজারে এমন নানা ব্র্যান্ডের মাল্টিপ্লাগ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘হান্টকি ব্র্যান্ড’। দেশের বাজারে ব্র্যান্ডটির মাল্টিপ্লাগ মডেলভেদে দাম ৫০০ থেকে তিন হাজার টাকা।

৫. বজ্রপাত থেকে বাসাবাড়ি ও যন্ত্রাংশ রক্ষা করতে আর্থিং করতে হবে। বাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ নেওয়ার সময় একটা মেইন লাইন থাকে এবং অন্যটি থাকে নিউট্রাল লাইন। এই নিউট্রাল লাইনটা রড বা তার দিয়ে মাটিতে পুঁতে দেওয়া হয়, যাকে বলে আর্থিং। এটি বজ্রপাতের পর বিদ্যুেক নিরাপদে মাটিতে নিয়ে যেতে ব্যবহৃত হয়। বজ্রপাতের কারণে অতিরিক্ত ভোল্টেজ বা কারেন্ট প্রবাহিত হলে আর্থিংয়ের মাধ্যমে তা নিরাপদ পথে মাটিতে নেমে আসে। ফলে বহু মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যাওয়ার হাত থেকে বেঁচে যায়।

মোটা থেকে শুকিয়ে গেলে, বাড়তি ওজনের কারণে শরীরে স্ট্রেচ বা ফাটা দাগ দেখা যায়। শরীরের আয়তন যখন বেড়ে যায়, ত্বক তখন স্ট্রেচ করে বাড়তি আয়তনকে ঢাকতে। ফলে তৈরি হয় এই দাগ। আবার গর্ভধারণ পরবর্তী সময়ে নারীদের তলপেটে চামড়ার টানজনিত কারণে এই ধরনের দাগ হয়ে থাকে। শারীরিক ধকল এবং শরীরে পানি ঘাটতির কারণেও হতে পারে এ ধরনের সমস্যা। ঘটনা যাই হোক, এই দাগ দেখতে খুবই বাজে লাগে। চিকিৎসা করেও অনেক সময় এই দাগ যায় না। তাই আসুন আজ আমরা জেনে নেই কীভাবে ঘরোয়া উপায়ে এই দাগ দূর করা যায়।

১. ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরনের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে।

২. চিনি, লেবুর রস ও অলিভ অয়েল মিশিয়ে স্ক্রাব বানিয়ে তা ফাটা দাগের উপর প্রতিদিন ৫-১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন।

৩. শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে লেবুর একটি টুকরা নিয়ে দাগের উপর ১৫ মিনিট ধরে ম্যাসেজ করুন। এতে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

৪. ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার করুন। দিনে ৩ বার ফাটা দাগের উপর ম্যাসেজ করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ক্রিম না পেলে সাপ্লিমেন্টও নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সাপ্লিমেন্টটি দিনে ৩ বার খেতে হবে।

৫. গ্লাইকলিক অ্যাসিডযুক্ত বিভিন্ন বিউটি পণ্য যেমন টোনার, ক্লিনজার ও ময়শ্চারাইজার ইত্যাদি ব্যবহার করুন। এই অ্যাসিড ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

৬. ফাটা দাগ নির্মূলে বিভিন্ন ধরনের তেল মিশিয়ে দাগের উপর প্রতিদিন ১০ মিনিট ম্যাসেজ করুন। উপকার পাওয়া যাবে।

৭. ঘৃতকুমারির পাতা নিয়ে এর ভেতর থেকে জেলি সদৃশ অংশটি বের করে দাগের উপরে লাগিয়ে ২ ঘণ্টা অপেক্ষা করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৮. এর জন্য আরেকটি প্রসেজ এ্যাপ্লাই করতে পারেন। এটি হলো একটি আলু নিয়ে তা মোটা করে ২ টুকরা করে ফাটা দাগের উপরে কিছুক্ষণ ম্যাসেজ করুন। এর রস ভালো মত লাগলে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলুন স্থানটি।

৯. এপ্রিকট ফলের বিঁচি ফেলে দিয়ে পেস্ট বানিয়ে দাগের উপর ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন প্রতিদিন ২ বার।

১০. প্রতিদিন ৩ বার ফাটা স্থানের উপর ডিমের সাদা অংশ ৫-১০ মিনিটের জন্য ম্যাসেজ করুন। যতদিন দাগটি নির্মূল না হয় ততদিন এই পদ্ধতিটি শরীরে এ্যাপ্লাই করে যাবেন

১১. ফাটা দাগ দূর করার জন্য অলিভ অয়েলের তুলনা হয় না। কোনো ঝামেলা ছাড়াই অল্প সময়ে দূর করা যাবে এই দাগ। প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে দাগের ওপর অলিভ অয়েল লাগিয়ে শুয়ে পরুন এবং সকালে গোসল করে ফেলুন। এতে ত্বক থাকবে মসৃণ। দেখবেন কিছুদিন পর দাগ হালকা হওয়া শুরু হয়েছে।

১২. প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণে প্রোটিন জাতীয় খাবার যেমন মাছ, ডিমের সাদা অংশ, দই, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ, তরমুজের বীজ খাবেন। এগুলো আপনার ত্বককে জলযোয়িত রাখবে। শরীরের ফাটা দাগ নির্মূলে সহায়তা করবে।


গর্ভধারণের চার মাস থেকেই নিয়ম করে পেটে অলিভ ওয়েল, ভ্যাসলিন বা বায়ো ওয়েল টাইপ তেল ক্রিম ব্যবহার শুরু করলে তাহলে আর স্ট্রেচ মার্ক পড়বে না।

Pages: [1] 2 3 ... 7