Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Jannatul Ferdous

Pages: [1] 2 3 ... 7
1
BCS Cadre / BCS preparation
« on: April 10, 2019, 11:54:02 AM »
প্রশ্ন :হ্যামলেট নাটকটির রচয়িতা.?
উত্তর : শেক্সপিয়ার
প্রশ্ন :দুধে কোন ধরনের এসিড থাকে?
উত্তর :ল্যাক্টিক।
প্রশ্ন :দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন কে?
উত্তর : আব্রাহাম লিংকন।
প্রশ্ন :ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার নাম কী?
উত্তর :মোসাদ।
প্রশ্ন :বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি কে?
উত্তর : চন্দ্রাবতী।
প্রশ্ন :আটত্রিশতম উত্তর অক্ষরেখা কোন
দুটি দেশকে চিহ্নিত করে?
উত্তর :উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রশ্ন : জাতীয় জন্মনিবন্ধন দিবস কবে পালিত হয়?
উত্তর : ৩ জুলাই।
প্রশ্ন : 'বীরবল' কোন লেখকের ছদ্মনাম?
উত্তর :প্রমথ চৌধুরী।
প্রশ্ন : বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্ন ব্যবহারের কৃতিত্ব কার?
উত্তর :বিদ্যাসাগরের।
প্রশ্ন : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোনকাব্যকে অনুবিশ্ব বলা হয়?
উত্তর :মানসী।
প্রশ্ন : বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় রাষ্ট্রদূত কে?
উত্তর : শরদিন্দু শেখর চাকমা।
প্রশ্ন : মারি বার্গাস কোন দেশের লেখক?
উত্তর :স্প্যানিশ।
প্রশ্ন : ওয়েবসাইট 'উইকিলিস'-এর
প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ কোন দেশের নাগরিক?
উত্তর : অস্ট্রেলিয়ার।
প্রশ্ন : নেলসন ম্যান্ডেলার পুরো নাম কী?
উত্তর : নেলসন রোলিহলাহা ম্যান্ডেলা।
প্রশ্ন : রাজা শশাঙ্কের রাজধানী ছিল.?
উত্তর :কর্নসুবর্ণ।
প্রশ্ন :'গুলিস্তা' নামের মাসিক পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন কে?
উত্তর:এস. ওযাজেদ আলী
প্রশ্ন :ইরানের পুরনো নাম কী?
উত্তর : পারস্য।
প্রশ্ন : কোন দেশের প্রেসিডেন্ট পদটি প্রতীকী?
উত্তর:ফিলিস্তিন।
প্রশ্ন : ফিফার প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটার কোন দেশের নাগরিক?
উত্তর :সুইজারল্যান্ড।
প্রশ্ন : অস্ট্রেলিয়ার আইনসভার নাম কী?
উত্তর :পার্লামেন্ট অব দ্য কমনওয়েলথ।
প্রশ্ন : লিটল বাংলাদেশ কোথায় অবস্থিত?
উত্তর :যুক্তরাষ্ট্রের লস
অ্যাঞ্জেলেসে।
প্রশ্ন : আফগানিস্তানের আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম কী?
উত্তর : ওলেসি জিরগা।
প্রশ্ন :বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বিভাগের সর্বাধিনায়ক কে?
উত্তর :রাষ্ট্রপতি।
প্রশ্ন : ওমান ও পারস্য উপসাগরের মধ্যে অবস্থিত.?
উত্তর :হরমুজ প্রণালী।
প্রশ্ন :বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা কতটি?
উত্তর :১০টি।
প্রশ্ন :'চলিষ্ণু অভিধান' বলে পরিচিত ছিলেন.?
উত্তর :ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ।
প্রশ্ন :হাড় ও দাঁত শক্ত করে.?
উত্তর :ক্যালসিয়াম।
প্রশ্ন :'সারপ্লাস ভ্যালু অব লেবার' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উত্তর :কার্ল মাকর্স।
প্রশ্ন :জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন.?
উত্তর :ট্রিগভ্যালি

2

রক্তশূন্যতা কীভাবে বুঝবেন
রক্তের প্রধান দুটি উপাদান হলো রক্তকোষ ও রক্তরস। লোহিত রক্তকণিকায় থাকে হিমোগ্লোবিন নামের রঞ্জক পদার্থ, যা দেহের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে। তাই হিমোগ্লোবিন কমে গেলে সারা শরীরে দেখা দেয় বিরূপ প্রতিক্রিয়া। আর রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার নাম হলো অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা।

কেন হয় অ্যানিমিয়া?

RFL Gas Stoveনানা কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে। রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির কাঁচামাল আয়রন কমে গেলে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা হতে পারে। এ ছাড়া ভিটামিন বি ও ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি, দীর্ঘমেয়াদি রোগ (যেমন কিডনি বিকল), দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ (যেমন যক্ষ্মা), ক্যানসার, থাইরয়েডের সমস্যা, অস্থিমজ্জায় সমস্যা, সময়ের আগে রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়া, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হতে পারে রক্তশূন্যতার কারণ। তবে সব ধরনের কারণের মধ্যে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে এর হার বেশি। এতে বিরূপ প্রভাব পড়ে শিশুর ওপর, মাতৃমৃত্যুর হারও যায় বেড়ে।

কেন আয়রনের ঘাটতি?

প্রধান কারণ অপুষ্টি। খাদ্যে পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের আয়রনের ঘাটতি হয়। আরেকটি কারণ নারীদের অতিরিক্ত মাসিকে রক্তক্ষরণ। অন্য কোনো কারণে দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণ থাকতে পারে, যেমন পেপটিক আলসার, কৃমি, পাইলস, অন্ত্রে বা পাকস্থলীতে ক্যানসার, দীর্ঘদিন ব্যথানাশক সেবন ইত্যাদি।

কীভাবে বুঝবেন?

চোখ-মুখ ফ্যাকাশে মনে হওয়া, দুর্বলতা, ক্লান্তি, অবসাদ, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, মুখে-ঠোঁটে ঘা ইত্যাদি রক্তশূন্যতার সাধারণ লক্ষণ। রক্তশূন্যতার মাত্রা তীব্র হলে শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ লাগা এমনকি হার্ট ফেইলিউরও হতে পারে। রক্তশূন্যতা সন্দেহ করা হলে রক্তের একটি কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট করা জরুরি। এটি দেখে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ও লোহিত কণিকার পরিমাণ, আকার, রঞ্জক পদার্থের ঘনত্ব ও মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক আরবিসি ইনডেক্স দেখে রক্তশূন্যতার কারণ অনুমান করতে পারেন। তবে প্রকৃত কারণ শনাক্ত করার জন্য পরে অন্যান্য পরীক্ষারও প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসা কী?

রক্তশূন্যতা হলে আয়রন বড়ি কিনে খেলেই হলো—এ ধারণা ঠিক নয়। রক্তশূন্যতার চিকিৎসার মূল বিষয় কারণটি খুঁজে বের করা। যেমন পেপটিক আলসার, পাইলস বা ক্যানসার শনাক্ত করা বা কেন মাসিকে বেশি রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তা খোঁজা। রোগীকে আয়রনের ঘাটতি পূরণে মুখে বড়ি দেওয়া হবে, না শিরাপথে আয়রন দেওয়া হবে, তা রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন।

আগামীকাল পড়ুন: অপরিণত শিশুর জন্ম

প্রশ্ন-উত্তর

প্রশ্ন: মাসিক অনিয়মিত, শুরু হতেও বিলম্ব হয়। আবার একবার শুরু হলে একটানা এক-দুই মাস পর্যন্ত চলতে থাকে। সমাধান দিলে উপকৃত হব।

উত্তর: নানা কারণে মাসিকের সমস্যা হতে পারে। থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনের সমস্যা, জরায়ু বা ডিম্বাশয়ে কোনো টিউমার, ফাইব্রয়েড বা সিস্ট থাকতে পারে। আপনি একজন গাইনি বিশেষজ্ঞর পরামর্শে হরমোন পরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রাম করে নিশ্চিত হয়ে নিন।

ডা. শামিমা ইয়াসমিন, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ

3
হাঁচি–কাশি সারছেই না, শ্বাসকষ্ট, অল্পতেই খুক খুক করা, ত্বকে চুলকানি, র‌্যাশ—অ্যালার্জির সমস্যা কখনো কখনো খুবই কষ্ট দেয়। অ্যালার্জির সমস্যা এড়াতে একটি বড় সমাধান হলো, যে বস্তুতে অ্যালার্জি হয় বা অ্যালার্জেনগুলো এড়িয়ে চলা। অ্যালার্জি কিছুতেই যখন সারছে না, তখন একটু ভাবুন, আশপাশেই কি লুকিয়ে আছে আপনার শত্রু?

বাড়িতে অ্যালার্জির গোপন শত্রু
হাঁচি–কাশি সারছেই না, শ্বাসকষ্ট, অল্পতেই খুক খুক করা, ত্বকে চুলকানি, র‌্যাশ—অ্যালার্জির সমস্যা কখনো কখনো খুবই কষ্ট দেয়। অ্যালার্জির সমস্যা এড়াতে একটি বড় সমাধান হলো, যে বস্তুতে অ্যালার্জি হয় বা অ্যালার্জেনগুলো এড়িয়ে চলা। অ্যালার্জি কিছুতেই যখন সারছে না, তখন একটু ভাবুন, আশপাশেই কি লুকিয়ে আছে আপনার শত্রু?

বিছানাপত্র: বিছানার চাদর, বালিশের কভার, বালিশ, লেপ, তোশক, মেট্রেস, কাঁথা-কম্বল—এগুলোতে থাকে ধুলাবালু ও ডাস্ট মাইট (এক জাতের খুব ছোট পোকা)। বিছানার ধুলাবালি আর ডাস্ট মাইট থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বিছানার চাদর, বালিশের কভার, লেপের কভার ধুয়ে দিতে হবে। মাঝেমধ্যে লেপ, কাঁথা, কম্বল রোদে দিতে হবে। তোশক, মেট্রেসও রোদে দেওয়া উচিত। রোদের অতিবেগুনি রশ্মিতে ডাস্ট মাইট দূর হয়।

RFL Gas Stoveআসবাব: চেয়ার, টেবিল, সোফা, খাট, আলমারি, ওয়ার্ডরোব ইত্যাদির ওপরে ও ফাঁকে ফাঁকে ধুলাবালু ও ডাস্ট মাইট থাকে। আর্দ্র জায়গা হলে ছত্রাকও জন্মায়। এগুলো প্রতিদিনই ঝাড়া–মোছা করতে হবে। বদ্ধ বা ভ্যাপসা ঘর হলে মাঝেমধ্যে এগুলো বাইরে বা ছাদে রোদে দেওয়া ভালো।

কার্পেট, ম্যাট: ঘরের মেঝেতে বিছানো কার্পেট ও ম্যাট প্রচুর ধুলা ও ডাস্ট মাইট জমা হওয়ার উৎকৃষ্ট স্থান। নিয়মিত ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদের বাড়িতে বরং কার্পেট না থাকাই ভালো। মেঝেতে কার্পেট বা ম্যাটা না থাকলে প্রতিদিনই ঘর ঝাড়ু দিয়ে ঘরের মেঝে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিতে হবে।

দরজা–জানালা: দরজা, জানালা ও দরজা-জানালার পর্দায় জমে থাকে ধুলাবালু, মাকড়সার জাল, ডাস্ট মাইট নিয়মিত ঝেড়ে, মুছে, ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।

রান্নাঘর: আর্দ্র রান্নাঘরে বাসা বাঁধতে পারে ছত্রাক। কাজ শেষে রান্নাঘর ঝেড়ে মুছে পরিষ্কার করে শুকনো রাখতে হবে। রান্নাঘরের ধোঁয়া বাইরে বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যথেষ্ট আলো–বাতাস থাকা চাই রান্নাঘরে।

বই–পুস্তক: টেবিলে, বইয়ের তাকে বা আলমারিতে রাখা বই দীর্ঘদিন নাড়াচাড়া না করলে এগুলোতে ধুলা জমে, ডাস্ট মাইট বাসা বাঁধে। বই যত্ন করে শুধু তুলে না রেখে নিয়মিত নাড়াচাড়া করতে হবে, পড়তে হবে। তাহলে পরিষ্কার থাকবে।

শিশুর খেলনা: শিশুর নরম খেলনা, যেগুলোর ওপরে কাপড়ের আবরণ বা প্রাণীর লোমের মতো থাকে, সেগুলোতে ধুলা ও ডাস্ট মাইট জমে থাকে। ধোয়া যায়, এমন খেলনাগুলো পানি দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। অন্যগুলো ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করে দিতে হবে।

পোষা প্রাণী: বিড়াল, কুকুর, খরগোশ ইত্যাদি প্রাণীর লোম থেকে অ্যালার্জি হয়। পাখি বা প্রাণীর মলমূত্রও হতে পারে অ্যালার্জির কারণ। পশুপাখি পুষলে তাকে নিয়মিত গোসল করানো, তার থাকার জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার করা ও মলমূত্র সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কার করা উচিত।

অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগ, কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।

 আগামীকাল পড়ুন: বয়ঃসন্ধিতে কিশোরীর খাবার

প্রশ্ন-উত্তর

প্রশ্ন: বয়স ৩৯। মাঝেমধ্যে ঠোঁটে জ্বরঠোসা ওঠে, জিব জ্বলে ও মুখ তেতো থাকে। কী করণীয়?

উত্তর: ভাইরাস আক্রমণে জ্বরঠোসা উঠতে পারে। সাধারণত রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে এমনটা হয়। দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগ বা সংক্রমণ আছে কি না, পরীক্ষা করুন। রক্তশূন্যতা ও ভিটামিনের অভাবও হতে পারে।

ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

4
সব ধরনের চাকরি শুরু করার প্রথম ধাপ সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করা। শুরুর এই ধাপে আপনি যত ভালো করবেন, চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা আপনার ততই বেড়ে যাবে। সাক্ষাৎকার দেওয়ার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম না থাকলেও কিছু অলিখিত বিষয় রয়েছে, যেগুলো আপনাকে অতিক্রম করতে হবে ভালোভাবে। বিভিন্ন অফিসে সাক্ষাৎকারের সময় আপনাকে বিভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে। কাজেই আপনার এক পরিস্থিতির অভিজ্ঞতাকে সবকিছু ভাববেন না। যাঁরা একেবারে নতুন তাঁরাই বেশি সমস্যায় পড়বেন সাক্ষাৎকারে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে। তাই সব পরিস্থিতিতে ১২টি সাধারণ নিয়ম মেনে চলুন।

১.     প্রথমেই প্রয়োজন আত্মবিশ্বাস। এটিই আপনাকে সফলতা অর্জনে অনেক এগিয়ে দেবে। নির্ধারিত দিনে নির্ধারিত অফিসে ঠিক সময়মতো উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করুন। রাস্তায় জ্যাম থাকবেই, তাই হাতে সময় নিয়ে একটু আগেই পৌঁছে যান।

RFL Gas Stove২.     যে প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন করেছেন, সে প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা নিন।

৩.    পোশাক হওয়া চাই মার্জিত। অফিশিয়াল পোশাক পরে সাক্ষাৎকার দিতে যান। পোশাক আপনার ব্যক্তিত্ব এবং কাজ করার ক্ষমতাকে কিছুটা হলেও প্রকাশ করে।

৪.    আপনার মুঠোফোনটি সাক্ষাৎকারকক্ষে ঢোকার আগে সাইলেন্ট অথবা বন্ধ করে নিন। প্রশ্নের উত্তর যথাসম্ভব সহজ, সরল ও সংক্ষিপ্তভাবে দিন।

৫.    কোনো প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে সরাসরি বলুন যে উত্তরটি আপনি জানেন না। জানি জানি ভাব করে সময় নষ্ট করবেন না।

৬.    সাক্ষাৎকারের সময় যেমন নার্ভাস হওয়া যাবে না, তেমনি ওভার স্মার্টনেস দেখানোও ঠিক হবে না। আপনাকে বাংলায় প্রশ্ন করা হলে ইংরেজিতে উত্তর দেওয়ার প্রয়োজন নেই। উপযুক্ত ভাষায় কথা বলুন।

৭.     সাক্ষাৎকারের সময় আপনাকে পেশাগত ভাষায় কথা বলতে হবে। খেয়াল রাখবেন, আপনার অনুপযুক্ত শব্দ চয়ন যেন প্রশ্নকর্তাদের বিব্রত না করে। তাহলে তাৎক্ষণিকভাবেই আপনার সাক্ষাৎকার শেষ হয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে আপনার স্বপ্ন।

৮.    সাক্ষাৎকারের শুরু থেকেই প্রশ্নকর্তা আপনাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বেশ কিছু তথ্য দিতে পারেন। যদি সেগুলো আপনি না শোনেন, তাহলে বড় কোনো সুযোগ হারাতে পারেন।

৯.    প্রশ্নকর্তা যখন জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনার কোনো প্রশ্ন আছে কিনা?’ তখন বেশির ভাগ প্রার্থী উত্তর দেন, ‘না’। এটি না করে আপনার মনে কোনো প্রশ্ন এলে পরিস্থিতি বুঝে তা করে ফেলুন। এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন, কোম্পানিটি আপনার জন্য সঠিক জায়গা হবে কি না।

১০.  চাকরিটি আপনার খুব জরুরি হতে পারে। কিন্তু সাক্ষাৎকারের সময় ‘প্লিজ আমাকে চাকরিটা দিন’ ধরনের মরিয়া ভাব দেখাবেন না। এটা আপনার আত্মবিশ্বাসকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

১১.   সাক্ষাৎকারের সময় ধীরস্থির ও দৃঢ়সংকল্প থাকুন। আপনি জানেন চাকরিটা পাওয়ার যোগ্যতা আপনার আছে, প্রশ্নকর্তাকেও সেটা বুঝতে দিন।

১২.   কাজটা কি আপনি পারবেন? এ ধরনের প্রশ্ন করা হলে ‘আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব’ এ ধরনের জবাব দেওয়াই উত্তম। সাক্ষাৎ শেষে বাইরে আসার সময় উপযুক্ত সম্ভাষণ করে কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসুন।

—লিংকডিন ও বিভিন্ন ক্যারিয়ার–বিষয়ক ওয়েবসাইট অবলম্বনে

5
Body Fitness / রোজ তিনটা করে খেজুর
« on: March 28, 2019, 12:59:21 PM »
রোজ তিনটা করে খেজুর খান। চালিয়ে যান এক সপ্তাহ। তারপর আরও কয়েকটা দিন। অভ্যাস হয়ে গেল তো? এটা আর ছাড়বেন না। ফলটা কী?

আপনি যদি দিনে তিনটা করে খেজুর এক সপ্তাহ খান, তাহলে সাত দিনে আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হারিয়ে যাবে। রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বাড়বে। খাবারের রুচি বাড়বে। আর বাড়াবে আপনার হজমক্ষমতাও। শরীর অবশকারী যেকোনো ধরনের রোগে খেজুর হলো মোক্ষম দাওয়াই।

এ ছাড়া অন্ত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিশ্বস্ত ও সেরা সৈনিকের নাম খেজুর। খেজুর কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়। খাদ্য ও পুষ্টি বিভাগের এক গবেষণায় জানা যায়, নিয়মিত খেজুর খেলে কোলন স্বাস্থ্য ভালো থাকে। খেজুর উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো কোলন ক্যানসারের জন্য দায়ী কোষগুলোকে মেরে ফেলে। সূত্র: এনডিটিভি অবলম্বনে

6
যক্ষ্মা এখনো বড় একটি স্বাস্থ্য সমস্যা। যক্ষ্মা যে কারোরই হতে পারে। যক্ষ্মারোগীর কাছাকাছি থাকেন, এমন ব্যক্তি, যেমন পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক, নার্স বা সেবা-শুশ্রূষাকারীর আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি। ধূমপান, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, মাদকাসক্তি, বার্ধক্য, অপুষ্টি ইত্যাদি যক্ষ্মার ঝুঁকি বাড়ায়। যাদের রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা কম, যেমন এইডস রোগী, দীর্ঘ মেয়াদে স্টেরয়েড বা ইমিউনোথেরাপি ওষুধসেবীরাও যক্ষ্মার ঝুঁকিতে আছেন।

শতকরা ৮৫ ভাগ যক্ষ্মা ফুসফুসে হয়ে থাকে। ফুসফুসের আবরণী, লসিকাগ্রন্থি, মস্তিষ্ক ও এর আবরণী, অন্ত্র, হাড় বা ত্বকেও হতে পারে যক্ষ্মা।
চারপাশের পরিবেশে, বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে যক্ষ্মার জীবাণু। শ্বাসপ্রশ্বাসের সঙ্গে ছড়ায় বলে আমরা যক্ষ্মার জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকি। অনেক সময় জীবাণু সুপ্ত অবস্থায় থাকে, এর উপসর্গ বোঝা যায় না এবং রোগ ছড়ায় না। কোনো একসময় পরে সুপ্ত যক্ষ্মা সক্রিয় যক্ষ্মায় রূপ নিতে পারে।

কখন সন্দেহ করবেন

তিন সপ্তাহের অধিক সময় ধরে কাশি (শুকনো/ কফযুক্ত), কাশির সঙ্গে রক্ত, বুকে ব্যথা, ওজন হ্রাস, অবসাদ, অরুচি, সন্ধ্যায় হালকা কাঁপুনি দিয়ে জ্বর (৯৯-১০১ ডিগ্রি), রাতে ঘাম হলে অবশ্যই যক্ষ্মা সন্দেহ করে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা উচিত। লসিকাগ্রন্থির স্ফীতি, মলত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন, পেটব্যথা, বুকে বা পেটে পানি জমা, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে পড়া ইত্যাদিও যক্ষ্মার ভিন্ন উপসর্গ।

যক্ষ্মা হলে রক্ষা আছে

চিকিৎসায় যক্ষ্মা সম্পূর্ণরূপে ভালো হয়। দুই ধরনের চিকিৎসা আছে। এক, ছয় মাস ধরে ওষুধ খাওয়া। দুই, আট–নয় মাস ধরে ওষুধ খাওয়া। যক্ষ্মা প্রতিরোধে জন্মের পরপর প্রত্যেক শিশুকে বিসিজি টিকা দেওয়া হয়। হাঁচি, কাশি ও কফের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। তাই রাস্তাঘাটে হাঁচি-কাশির বেগ এলে মুখে রুমাল চাপা দেওয়া উচিত। যত্রতত্র কফ ফেলা উচিত নয়।

  ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন, মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

7
শাক, ডাল কিংবা উপাদেয় ঝোল দিয়ে গরম ভাত খাচ্ছেন, একটুখানি লেবুর রস দিন, স্বাদটা বহু গুণ বেড়ে যাবে। শরীর চাঙা করতে লেবুর শরবতের জুড়ি নেই। লেবুর রসের নানা গুণ। এর মধ্যে আছে জীবাণু ও রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। লেবুর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে সাইট্রিক অ্যাসিড, ভিটামিন সি, ম্যাগনেশিয়াম ও ক্যালসিয়াম আছে। লেবুর রস শুধু রসনা মেটাতেই কাজ দেয় না; দৈনন্দিন জীবনে লেবুর রস লাগে নানা কাজে:

থালাবাসন পরিষ্কারে
তেলচিটচিটে বাসনপত্র পরিষ্কারে যাঁরা গলদঘর্ম হন, লেবুর রস তাঁদের জন্য বেশ উপকারী। বাসন চকচকে রাখতে পারে লেবু। তামার বাসন চকচকে করতে লেবু দারুণ কার্যকর। বাসনে রাতে লেবুর রস মাখিয়ে রেখে দিতে হবে। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেললেই বাসনপত্র চকচক করবে।

চপিং বোর্ড পরিষ্কারে
শাকসবজি কাটার পর কাটার বোর্ড বা চপিং বোর্ড সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা জরুরি। বোর্ডের ওপরে লেবুর রস ছড়িয়ে একটা কাপড় দিয়ে কিছুক্ষণ ঘষে বোর্ডে লেগে থাকা দাগ যতটা সম্ভব তুলে ফেলুন। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এতে চপিং বোর্ড থাকবে জীবাণুমুক্ত।

ভাত ঝরঝরে করতে
চাল সেদ্ধ হওয়ার আগে ফুটন্ত জলে এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে দিলে ভাত হবে ঝরঝরে।
ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে
ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে কয়েক টুকরো লেবু ফ্রিজের ভেতরে রেখে দিন। এতে ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর হবে।

হাতের দুর্গন্ধ দূর করতে
পেঁয়াজ, রসুন কিংবা মাছ কাটার পর হাতে দুর্গন্ধ হয়। এই গন্ধ সহজে যেতে চায় না। এই দুর্গন্ধ সহজেই কাটাতে পারে লেবু। পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে তা দিয়ে হাত ধুয়ে ফেললে দুর্গন্ধ থাকবে না।

মাইক্রোওয়েভ ওভেন পরিষ্কারে
মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরের চটচটে ভাব কাটাতে ব্যবহার করা যায় লেবু। দুই কাপ পানিতে দুই থেকে তিন চামচ লেবুর রস মেশিয়ে একটি পাত্রে করে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরে রেখে তা কিছুক্ষণ চালাতে পারেন। পরে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরের দেয়াল একটা পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

পোশাকের দাগ দূর করতে
পোশাকে কখনো জটিল কোনো দাগ পড়লে লেবুর রস তা মুছে ফেলতে কাজ দেয়।

8
Skin / মেকআপ তুলতে...
« on: July 07, 2018, 04:09:41 PM »
যতই ক্লান্তি থাকুক না কেন, মেকআপ তুলে ঘুমাতে যাই। ঘুমের আগে মেকআপ তুলতে ভুলি না। প্রয়োজন ছাড়া ত্বকে মেকআপ দিই না। ঢালিউড, বলিউড, হলিউডের নায়িকারা যে যেভাবেই বলুন না কেন—অর্থ একটাই। ত্বক ভালো রাখতে কী করা দরকার? প্রশ্ন থাকে এটা। মেকআপ করতে অনেকেই ভালোবাসেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা মেকআপ করতেও ক্লান্ত হন না। কিন্তু তোলার সময় ‘ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু’ মনে চলে এলেই তৈরি হয়ে যাবে সমস্যা। মেকআপ ভারী হোক বা হালকা, ত্বককে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে মেকআপ তোলাটা আবশ্যক। ত্বকের ধরন অনুযায়ী মেকআপ তোলার নিয়মেও রয়েছে ভিন্নতা।

ত্বক বুঝে মেকআপ রিমুভার
যাদের ত্বক শুষ্ক, নারকেল তেলের চেয়ে ভালো মেকআপ রিমুভার আর কিছু নেই বলে মনে করেন প্রিভে স্যালন অ্যান্ড স্পা লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী নাহিলা হিদায়াত। যাদের ত্বক তৈলাক্ত ও ব্রণ হওয়ার প্রবণতা আছে, তাদের ক্ষেত্রে জেল বা ক্রিম-জাতীয় মেকআপ রিমুভার বা মেকআপ রিমুভিং ওয়াইপ ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। বাজারে তেল-জাতীয় বাম পাওয়া যায়। মেকআপের প্রায় সবটুকু তুলতে সাহায্য করে এগুলো। শুষ্ক ত্বকে মেকআপ রিমুভার হিসেবেও বেশ ভালো কাজ করে।

ত্বকের সংবেদনশীল অংশের মেকআপ তুলতে
ঠোঁট ও চোখের অংশের ত্বক সংবেদনশীল হওয়ায় সেই অংশে মেকআপ তোলার সময় অতিরিক্ত ঘষাঘষি বা টানাটানি না করাই ভালো বলে জানালেন গালা মেকওভার স্টুডিও অ্যান্ড স্যালনের স্বত্বাধিকারী নাভিন আহমেদ। তাঁর মতে, তুলায় অল্প একটু ক্লিঞ্জার নিয়ে চোখের পাতা পা-ঠোঁটে কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখলেই মেকআপ তুলে ফেলা সম্ভব। এখন বাজারে চোখের জন্য বিশেষ ধরনের মেকআপ রিমুভার পাওয়া যায়। এ ছাড়া চোখ ও ঠোঁটের মতো সংবেদনশীল অংশের মেকআপ তোলার ক্ষেত্রেও নারকেল তেল বেশ কার্যকরী। ঠোঁটের মেকআপ পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে তুললে যেকোনো লিপস্টিক এমনকি ম্যাট লিপস্টিকও যেমন সহজে তোলা যায়, তেমনি ঠোঁটের আর্দ্রতাও ঠিক বজায় থাকে।

স্বাভাবিক, কুসুম গরম নাকি ঠান্ডা পানি
ত্বক মাত্রাতিরিক্ত শুষ্ক থাকলে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধোয়া এড়িয়ে চলাই ভালো বলে মনে করেন নাহিলা হিদায়াত। কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে শুষ্ক ত্বকের টান টান ভাবটা থাকে না। যদি লোমকূপ বড় হয়ে যায়, ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ পরিষ্কার করলে লোমকূপগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। এ ছাড়া পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার পর না মুছে সেভাবেই রেখে দিলে ত্বক নমনীয় থাকে। অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারেও ত্বকের আর্দ্রতা হারিয়ে যায়।

 ভুল কিছু পদ্ধতি
মেকআপ তোলায় সরাসরি সাবান বা সাবান-জাতীয় ক্লিঞ্জার দিয়ে মুখ না ধোওয়াই ভালো। টোনার দিয়েও মেকআপ তোলা একেবারেই উচিত নয়। মেকআপ রিমুভার দিয়ে ঘষাঘষি করে মেকআপ তোলা উচিত নয়। কটন প্যাড বা কটন বলে মেকআপ রিমুভার লাগিয়ে আলতো করে তুলে নিলেই যথেষ্ট। বডি লোশন দিয়েও অনেকে মেকআপ তুলে থাকেন, যা ত্বকে জ্বালাপোড়া ভাবের কারণ হতে পারে।

তৈলাক্ত ত্বকে তেল দিয়ে মেকআপ একেবারেই তোলা উচিত নয়। এতে লোমকূপে তেল জমে ব্রণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শুষ্ক ত্বকে জেল-জাতীয় কোনো পণ্য ব্যবহার না কারাটাই শ্রেয়।



কোন মাধ্যমে যাবেন
মেকআপ রিমুভিং ওয়াইপ দিয়ে মেকআপ তোলা সবচেয়ে সহজ। তেল ব্যবহার করলে কটন প্যাড ব্যবহার করুন। জেল বা ক্রিম-জাতীয় মেকআপ রিমুভার ব্যবহারের ক্ষেত্রে কটন বল দিয়ে মুছে নিলে ভালো। কারণ কটন বল ত্বকের জন্য বেশ নমনীয়। এ ছাড়া বাজারে কিছু ময়েশ্চারাইজড মেকআপ ওয়াইপ পাওয়া যায়, যা অত্যন্ত কার্যকরী।

যা করবেন
চোখের চারপাশের অপেক্ষাকৃত কম পরিমাণে মেকআপ রিমুভার ব্যবহার করুন।

মেকআপ রিমুভার ব্যবহারের পর অবশ্যই মুখ ধুয়ে পরিষ্কার করুন।

সঠিকভাবে মেকআপ তোলার পর অবশ্যই ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

মেকআপ রিমুভার ব্যবহারের পর জ্বালাপোড়া বা চুলকানি ভাব হলে তৎক্ষণাৎ তা ব্যবহার পরিহার করুন।

মেকআপ রিমুভার দিয়ে মেকআপ তুলে, মুখ ক্লিঞ্জার দিয়ে ধোয়ার পর টোনার, ময়েশ্চারাইজার ও আই ক্রিম ব্যবহার করুন।

ত্বকের ধরন বুঝে মেকআপ রিমুভার বাছাই করতে হবে।

যা করবেন না
চোখের চারপাশে বেশি ঘষাঘষি করবেন না।

চোখে আলগা পাপড়ি ওঠানোর পরও যদি আঠা লেগে থাকে, কটন প্যাডে ক্লিঞ্জার ভিজিয়ে কিছুক্ষণ সে জায়গায় ধরে রাখুন।

মেকআপ রিমুভার শুধু আপনার মেকআপ তোলার কাজে ব্যবহার করা যাবে।

সাবান, স্ক্রাব, টোনার বা ফেসওয়াশ দিয়ে কখনোই সরাসরি মেকআপ তুলবেন না।

তাড়াহুড়ো না করে ধীরস্থিরভাবে মেকআপ তুলুন।

9
অতিরিক্ত চা-কফি পান করেন? আপনার ঠোঁটে কালো দাগ পড়া স্বাভাবিক। যাঁরা বেশি বেশি রোদে যান বা ঠোঁটের যত্ন কম নেন, তাঁদের জন্যও ঠোঁটের কালচে দাগ সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। বাজারে অবশ্য ঠোঁটের দাগ দূর করার নানা ওষুধ স্ক্রাব পাওয়া যায়। কিন্তু তা অনেক সময় কার্যকর নয়। কিন্তু প্রাকৃতিক কিছু উপায় আছে, যাতে ঠোঁটের কালো দাগ দূর করা যায়। এ রকম কয়েকটি উপায় সম্পর্কে জেনে নিন:

গোলাপজল: তুলার বল তৈরি করে তাতে গোলাপজল মিশিয়ে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে লাগান। এতে ঠোঁটে রক্ত চলাচল বাড়বে এবং ঠোঁট বাড়তি যত্ন পাবে। ঠোঁটের দাগও দূর হবে।

শসার জুস: অর্ধেক শসা ব্লেন্ড করে জুস তৈরি করুন। তুলার বল দিয়ে এই জুস ঠোঁটে লাগাতে পারেন। ২০-৩০ মিনিট পর তা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। শসার জুস আর্দ্র রাখার পাশাপাশি ঠোঁটে সতেজ ভাব এনে দিতে পারে।

বিট: এক টুকরো নিয়ে ঠোঁটে ভালো করে ঘষতে থাকুন। ১৫-২০ মিনিট পর ভালো করে তা ধুয়ে ফেলুন। বিটের রস ঠোঁটের পোড়া ও কালচে ভাব দূর করবে। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকে সতেজতা এনে দিতে পারে এবং ত্বক সুস্থ রাখে।

বেকিং সোডা: বেকিং সোডার সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। চক্রাকারে ২-৩ মিনিট ঠোঁটে মাখুন। এরপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। ভেজা ভাব শুকিয়ে গেলে ঠোঁটের কোনো জেল ব্যবহার করুন।

অ্যাপল সিডার ভিনেগার: এক চা-চামচ পানিতে এক চা-চামচ অ্যাপল সিডার ভিনেগার নিয়ে তুলা দিয়ে ঠোঁটে লাগান। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দানকারী উপাদান হিসেবে কাজ করবে এটি।

ঘৃতকুমারী: ঘৃতকুমারীর রয়েছে তাক লাগানো গুণ। ঘৃতকুমারীর জলীয় অংশ ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন। এরপর হালকা গরম পানিতে তা ধুয়ে ফেলুন। এতে ঠোঁটের কালচে ভাব দূর হবে।

গ্লিসারিন: তুলা দিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে ঠোঁটে একটু গ্লিসারিন মাখিয়ে রাখুন। এতে ঠোঁট আর্দ্র থাকবে। শুষ্কতা দেখা যাবে না।

লেবু-মধু: অনেকক্ষণ যাঁদের রোদে থাকতে হয়, তাঁরা লেবুর সঙ্গে মধু মিশিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করে নিতে পারেন। এ মিশ্রণ কিছুক্ষণ ঠোঁটে রাখুন। এরপর ভেজা নরম কাপড় দিয়ে তা মুছে ফেলুন।

নারকেল তেল: আঙুলের মাথায় একটু নারকেল তেল নিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে রাখুন। এতে যে প্রয়োজনীয় ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, তা ঠোঁট আর্দ্র ও সবল রাখে।
তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

10
এখন ৫০ থেকে ৬০ লাখ মানুষ ঘুরতে যায়

  পাঁচ বছর আগে এ সংখ্যা ছিল ২৫ থেকে ৩০ লাখ।
 ২০০০ সালের দিকে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ থেকে ৫ লাখ।
ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের হিসাব অনুযায়ী, দেশে পর্যটন খাতে সরাসরি কর্মরত আছেন ১৫ লাখ মানুষ।
তরুণদের হাত ধরে শুরু হয়েছে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম। দল বেঁধে দুর্গম পাহাড়ে ঘোরা, সমুদ্রে ডুব লাগানো—এসব এখন বাংলাদেশেই হচ্ছে।

অনেকের কাছে দেশের ভেতরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া মানে কক্সবাজারে সমুদ্রসৈকত দেখা, সুন্দরবন অথবা সিলেটের চা-বাগান ভ্রমণ। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের তরুণেরা শুধু এতটুকু ভ্রমণে এখন আর সন্তুষ্ট নন। তাঁরা এখন দুর্গম পাহাড়ের বুনো সৌন্দর্য অথবা সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের সঙ্গে সার্ফিংয়ের রোমাঞ্চ পেতে চান। চান সমুদ্রের তলদেশের বিস্ময়কর জগৎ দেখতে, সাঁতরে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিতে কিংবা সিলেটের সবুজ চা-বাগানের উঁচু-নিচু টিলায় সাইকেল চালাতে।

সুখবর হলো, এ ধরনের রোমাঞ্চে ঠাসা পর্যটনের অভিজ্ঞতা এখন দেশেই পাওয়া যাচ্ছে। ইংরেজিতে এ ধারার পর্যটনকে বলা হয় অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম। এমন পর্যটনের স্বাদ নিতে বান্দরবান, খাগড়াছড়ির দুর্গম পাহাড়ে এখন দল বেঁধে ভ্রমণে যাচ্ছেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। কক্সবাজারে তৈরি হয়েছে ঢেউয়ের সঙ্গে সার্ফিং করার সুযোগ। সিলেটের সবচেয়ে বড় ও পুরোনো চা-বাগান মালনিছড়ার উঁচু-নিচু টিলায় সাইকেল চালানোর সুযোগ এখন পাওয়া যাচ্ছে।

ভ্রমণপিপাসু কিছু তরুণের হাত ধরে অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের যাত্রা শুরু হলেও এখন সরকারিভাবেই এ ধরনের পর্যটন প্রসারে কাজ হচ্ছে। বেসরকারি খাতের সঙ্গে এ খাতে এখন কাজ করছে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড। পর্যটনসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সুষ্ঠু পরিকল্পনা গ্রহণ করলে বাংলাদেশে অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজম সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে গড়ে ‍উঠবে। বাংলাদেশে চালু হওয়া বিভিন্ন ধরনের অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরিজমের সংক্ষিপ্ত পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো:

ট্রেকিং

উঁচু-নিচু দুর্গম পাহাড়ে দল বেঁধে ঘুরে বেড়ানোকে বলা হয় ট্রেকিং। পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে ৩ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতার পাহাড় রয়েছে ১২টি। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বান্দরবানের সাকা হাফং, মোদক মুয়াল, কেওক্রাডং প্রভৃতি। এসব পাহাড়ের কয়েকটিকে ঘিরে এখন দল বেঁধে ট্রেকিংয়ের আয়োজন করা হয়। এসব দলের আকার হয় সাধারণত ৫ থেকে ১০ জন। এসব দলকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করার জন্য একজন পাহাড়ি গাইড বা পথপ্রদর্শক থাকেন। পাহাড়ে রাতে থাকার ব্যবস্থা বা ক্যাম্প করা, খাবার ও নিরাপত্তার বিষয়গুলো আয়োজক গ্রুপের মাধ্যমে করা হয়। দিনের বেলা বুনো পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি পাহাড়ে রাতের আকাশের তারা দেখার মতো রোমাঞ্চ উপভোগ করা যায় এমন ভ্রমণে।

জিপলাইনিং ও রাফটিং

জিপলাইনিং হলো উঁচু পাহাড়ের চূড়া থেকে তার বা দড়ি বেয়ে ভূমিতে দ্রুতগতিতে নেমে আসা। আর পাহাড়ের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা জোরালো ঢেউয়ের ঝরনা বা নদী দিয়ে নৌকায় করে বয়ে চলাকে বলা হয় রাফটিং। বান্দরবানের মুনলাইপাড়া নামক স্থানে পর্যটন করপোরেশনের সহযোগিতায় এখন জিপলাইনিংয়ের সুযোগ রয়েছে। আর রাফটিংয়ের উত্তেজনা পেতে হলে যেতে হবে বান্দরবানের নাফাখুমে।

সার্ফিং ও প্যারাগ্লাইডিং

উত্তাল সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে ভারসাম্য রেখে ভেসে চলাই হলো সার্ফিং। প্যারাসুটের মাধ্যমে ওপরে ভেসে থাকাকে বলা হয় প্যারাগ্লাইডিং। কক্সবাজারে লাবণী সমুদ্রসৈকত পয়েন্টে সার্ফিং করার জন্য এখন প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সার্ফিংকে খেলা হিসেবে প্রসারের জন্য বাংলাদেশ সার্ফিং ফেডারেশন নামের একটি সংগঠন রয়েছে। বাংলাদেশে সার্ফিংকে উৎসাহিত করতে বিশ্বখ্যাত সার্ফার টম বাওয়ার পর্যটন করপোরেশনের আমন্ত্রণে ইতিমধ্যে কয়েকবার কক্সবাজারে ঘুরে গেছেন। আর কক্সবাজারের হিমছড়ি ও দরিয়ানগর সমুদ্রসৈকত পয়েন্টে প্যারাগ্লাইডিংয়ের সুবিধা রয়েছে। আকাশে ভেসে বেড়ানোর এই ক্রীড়াশৈলীর মাধ্যমে ১২ থেকে ১৫ মিনিট উড়তে উড়তে বঙ্গোপসাগর দেখা যায়।

নদীভিত্তিক পর্যটন

নদীমাতৃক বাংলাদেশে নৌকা বা ছোট আকারের জাহাজে করে ঘুরে বেড়ানোও এখন বেশ জনপ্রিয়। রাজধানীর উপকণ্ঠে পূর্বাচলে শিমুলিয়া ঘাট থেকে বালু নদ আর শীতলক্ষ্যা ধরে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঘোড়াশালে সারা দিন ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সহায়তায় বেসরকারি সংস্থা ঢাকা ডাইনার ক্রুজ জাহাজে ঘুরে বেড়ানোর এ ব্যবস্থা চালু করে সম্প্রতি। এসব ভ্রমণে বড় নৌকার সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে ছোটখাটো জাহাজও। বেসরকারি উদ্যোগে সারা দেশের বিভিন্ন নদী ও হাওর ভ্রমণের এমন অনেক উদ্যোগ এখন নেওয়া হচ্ছে।

বাংলা চ্যানেল পাড়ি

কক্সবাজারে শাহ পরীর দ্বীপ থেকে সেন্ট মার্টিন পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরের ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ পথটি বাংলা চ্যানেল নামে পরিচিত। বাংলা চ্যানেলের আবিষ্কারক প্রয়াত আলোকচিত্রী কাজী হামিদুল হক। পর্যটন করপোরেশন ও বেসরকারি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে এখন বাংলা চ্যানেল সাঁতরে পাড়ি দেওয়ার আয়োজন করা হয়। এমন সাঁতারের আয়োজনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা ও প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার বিষয়ে আগ্রহী পর্যটকদের সহায়তা করে পর্যটন করপোরেশন।

স্কুবাডাইভিং

সেন্ট মার্টিন দ্বীপে সমুদ্রের তলদেশ দেখার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে স্কুবাডাইভিংয়ের মাধ্যমে। সেন্ট মার্টিনের স্বচ্ছ সমুদ্রের নিচে দেখা মিলবে বিচিত্র কোরাল ও নানা বর্ণের জলজ উদ্ভিদের। ঢাকা ডাইভার্স ক্লাব নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পর্যটকদের জন্য সেন্ট মার্টিন দ্বীপে স্কুবাডাইভিংয়ের আয়োজন করে।

বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘পর্যটকেরা সব সময় বৈচিত্র্য, ঐতিহ্য আর অ্যাডভেঞ্চার খোঁজেন। আমাদের দেশে যেমন বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্য আছে, তেমনি অ্যাডভেঞ্চার নিয়ে কাজ করার সুযোগ আছে। পাহাড়, পর্বত ও বন সবই আছে। বেসরকারি উদ্যোগে এখন বিভিন্ন অ্যাডভেঞ্চারের আয়োজন হচ্ছে, আমরা তাদের সহায়তা করছি।’ তিনি মনে করেন, সঠিকভাবে প্রচার চালানো হলে রোমাঞ্চের খোঁজে বিদেশি পর্যটকেরা বাংলাদেশে আসবেন। ফলে সামগ্রিকভাবে পর্যটন খাতে আয় বাড়বে। বৈদেশিক মুদ্রাও বেশি আয় হবে।

পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) হিসাব অনুযায়ী, বছরে এখন ৫০ থেকে ৬০ লাখ মানুষ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে যায়। বছর পাঁচেক আগেও এ সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ লাখ ছিল। আর ২০০০ সালের দিকে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ থেকে ৫ লাখ। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে সরাসরি কর্মরত আছেন ১৫ লাখ মানুষ। আর পরোক্ষভাবে আরও ২৩ লাখ লোক এ খাতের সঙ্গে যুক্ত আছেন। সব মিলিয়ে এ খাতে প্রায় ৪০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। আর্থিক মূল্যে দেশীয় পর্যটন খাতের আকার দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ৪ হাজার কোটি টাকার।

11
Food Habit / রোজায় সুস্থ থাকুন
« on: May 10, 2018, 01:19:59 PM »
আর কয়েক দিন পর রোজা শুরু। সারা বছরের খাদ্যাভ্যাস বদলে যাবে এই এক মাসে। প্রথম দিকে মানিয়ে নিতেও হবে বেশ অসুবিধা। কিন্তু কিছুটা নিয়ম মেনে চললেই ডায়াবেটিস, অ্যাসিডিটি, কিডনিজনিত নানা সমস্যার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যাবে সহজেই।

রোজার ডায়েট সম্পর্কে ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান ও প্রধান পুষ্টি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার নাহিদ জানালেন, রোজায় অনেকে সাহ্‌রিতে খান না বা ইফতারের পর রাতে না খেয়ে শুয়ে পড়েন। আসলে রোজায় কিন্তু কোনোভাবেই সাহ্‌রি খাওয়া বাদ দেওয়া যাবে না; বরং সাহ্‌রিতে খেতে হবে সব থেকে বেশি খাবার। সাধারণত আমরা দুপুরে বেশি খাই। সাহ্‌রিতে খেতে হবে সেই পরিমাণ। আর ইফতারে খেতে হবে সাহ্‌রির থেকে কম কিন্তু রাতের খাবারের থেকে বেশি পরিমাণ খাবার।

ইফতারে যেকোনো এক ধরনের শরবত কিন্তু থাকতেই হবে। সেই সঙ্গে কারও ডায়াবেটিস বা এ ধরনের সমস্যা নেই এমন প্রত্যেক মানুষের কিন্তু যেকোনো ধরনের মিষ্টি খাওয়া দরকার। সঙ্গে চিড়া, মুড়ি, খিচুড়ি বা এজাতীয় অন্য কোনো শর্করাজাতীয় খাবারও খেতে হবে। রোজায় সারা দিন না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে যেসব ঘাটতি তৈরি হয়, সেসব পূরণে যেকোনো একটি প্রোটিন খাওয়া জরুরি। সে ক্ষেত্রে ছোলা, চিকেন, হালিম, কাবাব বা ডিমের তৈরি খাবার খেতে হবে। আর যাঁরা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাঁরা শরবত খাবেন চিনি ছাড়া। আর কিডনি রোগে আক্রান্ত সবাইকে কিন্তু ছোলা, বেসন—এসব বাদ দিতে হবে। বেসন ছাড়া বানানো আলুর চপ, শাকসবজি দিয়ে বানানো পাকোড়া—এসব খাওয়া ভালো বলেও জানান শামসুন্নাহার নাহিদ।

রোজায় সুস্থ থাকতে কোনোভাবেই বাইরের ভাজা–পোড়া খাবার খাওয়া যাবে না। সাহ্‌রি বা ইফতারে যেকোনো ধরনের খাবার খেতে হবে ঘরে বানানো। বাইরে বাসি বা পোড়া তেলের পাশাপাশি একই ধরনের তেলে ঝাল আর মিষ্টি খাবার ভাজার জন্য অ্যাসিডিটি বাড়বে। রোজায় প্রচুর পানি পানের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমও খুব জরুরি। এর সঙ্গে খেতে হবে সহজপাচ্য খাবার। জুস কিনে আনার চেয়ে দেশি ফল দিয়ে নিজেই ঘরে তৈরি করে নিতে পারেন। পাশাপাশি বাজারের হালিম বা জিলাপির বিকল্প হতে পারে ঘরে তৈরি হালিম আর বাসায় তৈরি পায়েস বা মিষ্টি। খেয়াল রাখতে হবে রোজায় কোনোভাবেই ইফতারি, রাতের খাবার আর সাহ্‌রি—কোনোটাই বাদ দেওয়া যাবে না। রোজায় সুস্থ থাকতে খুব বেশি কষ্ট নয়, মানতে হবে নিয়ম।


12
Travel / Visit / Tour / নাফাকুম
« on: May 08, 2018, 11:18:23 AM »

নাফাকুম জলপ্রপাত
বান্দরবান জেলার থানচী উপজেলায় অবস্থিত এই প্রাকৃতিক জলপ্রপাত টি।.২৫-৩০ ফুট এই জলপ্রপাত টি রেমাক্রী হয়ে সাঙ্গু নদীতে মিলেছে যেখানে মিলনস্থলে প্রাকৃতিক ভাবেই কয়েকধাপ সিঁড়ির মত করে হেলে দুলে নৃত্যের ছন্দে সাঙ্গু তে মিশে গেছে। আর এই নৃত্যের দলে এখানে সৃষ্টি হয়েছে আরেকটি ফলস যার নাম রেমাক্রী খুম।

কখন যাবেন
বর্ষার সময় এই জলপ্রপাত টি ভয়াবহ রুপ ধারন করে আর তখন যাতায়াত খুব ই রিস্কি। তাছাড়া বর্ষায় সাঙ্গুর স্রোত অনেক বেশী থাকে ফলে রিস্ক অনেকটা বেড়ে যায়। তাই বর্ষার শেষ দিকে শীতের শুরুতে অথবা শীতের শেষ দিকে বর্ষার শুরুতে যাওয়াই ভালো। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর অথবা মে-জুলাই মাসে যাওয়া যেতে পারে।


কিভাবে যাবেন
ঢাকা থেকে বান্দরবান যাবেন এসি নন এসি অনেক বাস আছে ভাড়া নন এসি- ৬৫০ আর এসি ৮৫০ টাকা নিবে। বান্দরবান এর থানচী বাসস্ট্যান্ড থেকে লোকাল বাসে থানচী বাজার যেতে হবে, ভাড়া নিবে জনপ্রতি ২০০ টাকা। এছাড়া বান্দরবান শহর থেকে থানচী রিসার্ভ চান্দের গাড়ি নিয়েও যেতে পারেন ভাড়া নিবে ৪০০০-৫০০০ টাকা। থানচী বাজার এর গাইড সমিতি থেকে এবার আপনাকে গাইড ঠিক করতে হবে এবং সাথে রিসার্ভ ট্রলার নিতে হবে। এখানে ট্রলার আর গাইডের এক ধরনের সিন্ডিক্যাট চলে যেখানে তাদের হাতে পর্যটক রা জিম্মি। নাফাকুম পর্যন্ত মোট দুইজন গাইড লাগে যার একজন থানচী বাজার থেকে নিবেন অন্যজন রেমাক্রী বাজার থেকে (এটা নিয়ম সেখানের)। গাইড এখন প্যাকেজ আকারে নিতে হয় থানচী থেকে নাফাকুম পর্যন্ত যাওয়া আসা ২০০০ টাকা এবং রেমাক্রী থেকে যে গাইড নিবেন তাকে দিতে হবে ১০০০ টাকা। আর ট্রলার ভাড়া করবেন ৪০০০-৫০০০/- টাকা দিয়ে। যেদিন যাবেন সেদিন ও পরদিন নিয়ে আসা পর্যন্ত এই কন্টাক্ট। এক বোটে ৬-৭ জনের বেশি যেতে পারবেন না, বলতে গেলে এটাও এক ধরনের সিন্ডিকেট। তবে লোকাল ট্রলার ও আছে যদি ভাগ্য ভালো হয় মিলে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে খরচ অনেক কম পড়বে । থানচী বাজার থেকে রেমাক্রী বাজার পর্যন্ত ভাড়া ১৫০-১৮০ টাকা জনপ্রতি। রেমাক্রী বাজার থেকে প্রায় ২-৩ ঘন্টা ঝিরি পথ পায়ে হেটে পাড়ি দিলেই পেয়ে যাবেন এই অপূর্ব সুন্দর জলপ্রপাত টি। এই দুই থেকে তিন ঘন্টার ঝিরি পথের প্রথমেই ছোট দুটি পাহাড় পাড়ি দিয়ে নেমে যেতে হবে ঝিরি পথে। এর পর পুরোটাই ঝিরি পথ কোথাও পাথুরে কোথাও মাটির কোঠাও কাদা কোথাও পানির। দু তিন জায়গায় হয়ত হাটু অথবা কোমর পানি পাড়ি দিতে হবে এই পথে এ পাড় থেকে ওপাড় যেতে। তাই সাথে দড়ি নিয়ে যেতে পারেন চলার সুবিদারথে। থানচী বাজারে গাইড ঠিক করার পর সবার নাম একটা কাগজে লিপিবদ্ধ করে থানচী থানা ও আর্মি ক্যাম্পে জমা দিয়ে আসতে হবে আপনাকে।


কোথায় থাকবেন
থানচী বাজারে কিছু গেস্ট হাউজ আছে সেখানে রাত্রী যাপন করা যাবে ভাড়া জনপ্রতি ১৫০-২০০ টাকার মত। এছাড়া রেমাক্রী বাজারে আদিবাসীদের বাসায় থাকার ব্যবস্থা আছে জনপ্রতি ১২০-১৫০ টাকা করে রাত্রী যাপন করতে পারবেন। এছাড়াও যারা ক্যাম্পিং করতে চান তারা বাজারের আশেপাশে কোথাও ক্যাম্প করতে পারবেন তবে তেমন ভালো মনপুত জায়গা নেই ক্যাম্পিং এর জন্য। শীতকাল হলে বাজারের ঘাটে শুকনা জায়গায় ক্যাম্প করতে পারেন।


কোথায় খাবেন
যদি থানচী বাজারে থাকেন তাহলে থানচী বাজারেই খাওয়া দাওয়া করার জন্য বেশ কিছু হোটেল পাবেন মোটামুটি মানের খাবার। রেমাক্রী বাজারে থাকলে খাবারের কথা আগেই বলে দিতে হবে তাহলে তারা খাবার রান্না করে রাখবে।পাহাড়ি মুরগি খেতে চাইলে গাইড কে বললে সে ব্যবস্থা করে দিবে, তবে দাম একটু বেশি হবে এবং দামাদামি অবশ্যই করে নিবেন। সবচেয়ে ভালো হয় নিরামিষ খেলে, এতে খরচ অনেক কমে যাবে। কারন সেখানে মুরগির দাম অনেক বেশি।


নাফাকুম জলপ্রপাতের উপরের দৃশ্য
কি কি দেখবেন
বান্দরবানের এমন কোন স্থান নাই যা আসলে না দেখার মত। বান্দরবান শহর থেকে থানচী যেতে পথে পড়বে শৈল্প্রপাত, চিম্বুক পাহাড়, পিক৬৯, নীলগিরি সহ আরো অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা। থানচী থেকে ট্রালারে করে যেতে হবে পাহাড়ি খরস্রোতা সাঙ্গু নদীর উপড় দিয়ে স্রোতের বিপরীতে। এই বিপরীতে চলতে পথে দেখবেন কোথাও শান্ত সৃষ্ট ভদ্র সাঙ্গু আবার কোথাও দেখবেন বিকট ভয়ংকর খরস্রোতা সাঙ্গুর রূপ। যেতে পথে পড়বে রাজা পাথর এলাকা। এই রাজাপাথর এলাকায় দেখবেন বিশাল আকৃতির বহু পাথর যা আদিবাসীদের কাছে দেবতা এবং তাদের কাছে পূজনীয়। ছোট এক বাজার দেখবেন রাজা পাথর এলাকা পাড় হয়ে নাম তার তিন্দু। এরপর ই চোখে পড়বে নাফাকুম জলপ্রপাত এর বয়ে চলা জল আর সাঙ্গুর মিলনস্থল রেমাক্রীকুম। এছাড়া আশেপাশের বিশাল বিশাল পাহাড়, পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা মেঘ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ তো আছেই।


ভ্রমন পরিকল্পনা
রাতের বাসে ঢাকা থেকে বান্দরবান। সেখান থেকে লোকাল বাসে করে থানচী যাওয়া। রিসার্ভ নৌকা সম্ভব হলে লোকাল নৌকা করে রেমাক্রী বাজার যেয়ে সে রাতে রেমাক্রী থাকা। পরদিন সকালে রওয়ানা হয়ে নাফাকুম ঘুরে দুপুরের মাঝে রেমাক্রী বাজারে ফেরত আসা। দুপুরে রওয়ানা দিয়ে থানচী বাজার সেখান থেকে বিকালের বাসে বান্দরবান শহর। রাতের বাসে ঢাকা। এভাবে পরিকল্পনা করলে কম খরচ এবং কম সময় নাফাকুম ঘুরে আসা সম্ভব।


টিপস ও পরামর্শ
গ্রুপ করে যাওয়া ভালো, এতে করে খরচ কমে যাবে।
আদিবাসী সভ্যতা, সংস্কৃতি নিয়ে ব্যাঙ্গ করা থেকে বিরত থাকুন ও তাদের সাথে ভালো ব্যবহার করুন।
অতিরিক্ত নিরাপত্তার স্বার্থে সাঙ্গু নদী পাড়ি দেওয়ার সময় ও নাফাকুম এ যাওয়ার সময় লাইফ জ্যাকেট সাথে রাখুন।
সাঙ্গু নদী একটি খরস্রোতা পাহাড়ি নদী, তাই অতিরিক্ত সতর্কতা নিয়ে নদীতে নামুন। পাহাড়ের খাদ গুলো ভালো করে লক্ষ করে পা ফেলুন নদীতে।
ভারী জামা কাপড় না নেওয়াই ভালো।
ময়লা আবর্জনা যেখানে সেখানে না ফেলে যথাস্থানে ফেলুন, প্রকৃতি কে আপন অবস্থায় ছেড়ে দিন। প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ থেকে বিরত থাকুন।
চিপস, চানাচুর, বিস্কুটের প্যাকেট পথে না ফেলে ব্যাগে ভরে নিয়ে আসুন ও যথাস্থানে ফেলুন।
চলার সময় নিরবতার সাথে পথ চলুন। হৈ হুল্লুর থেকে বিরত থাকুন।
ছোট বাচ্চা নিয়ে এই ট্রেইলে না যাওয়াই ভালো। তবে মহিলা/মেয়েরা অনায়াসে এই ট্রেইলে যেতে পারেন কোন সমস্যা নাই, ভয়ের ও কিছু নাই। তেমন কঠিন কোন ট্রেইল নয় এটা।
নৌকা নেওয়ার সময় দামাদামি করে নিবেন, ওরা অনেক বেশি ভাড়া চেয়ে বসবে, তাই দর কষাকষি করে যতটুকু কমানো যায়।
ঝিরি পথে হাটার সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন যেন পা পিছলে পাথরে পরে কি কোন দুর্ঘটনা না ঘটে।
নাফাকুমের জলপ্রপাতে সাতার না জানলে ঝাপ দিবেন না। পাথর ও খাদে আটকে গেলে মারাত্নক বিপদে পড়বেন।
একা একা কোথাও যাবেন না দল ছেড়ে, পাহাড়ে হারিয়ে গেলে রাস্তা খুজে পাওয়া দুস্কর, তাছাড়া আপনার একার জন্য দলের বাকী সদস্যরা বিপদে পড়বেন।
ব্যাকপ্যাক নিবেন সাথে, হাতের কোন ব্যাগ নিবেন না, পানির বোতল ও শুকনা খাবার রাখুন ট্রেইলে হাটার সময়।
মশার কামোড় থেকে বাচতে অডোমস ক্রীম রাখুন সাথে, এছাড়া প্রাইমারী ওষুধ সাথে রাখুন।
থানচীর পর তেমন মোবাইল নেটওয়ার্ক পাবেন না। রেমাক্রী বাজারে একটি মাত্র ফোনের দোকান পাবেন যেখানে ৫ টাকা মিনিট কথা বলা যাবে।
থানচীর পর বিদ্যুত নেই তাই সাথে এক্সট্রা পাওয়ার ব্যাংক রাখুন।
রেমাক্রী থেকে নাফাকুম যেতে ঝিরিপথে দু তিন জায়গায় হাটু অথবা কোমর পানি পাড়ি দিতে হতে পারে, নিরাপত্তার জন্য দড়ি রাখতে পারেন সাথে।
জলপ্রপাত এর মুখে বসে ছবি উঠানোর সময় অতিরিকত সাবধানতা অবলবন করুন যেন পা পিছলে পড়ে না যান।
ট্রেকিং এর সময় সাথে লাঠি,পুল বা বাঁশ জাতীয় কিছু রাখুন, যার সাহায্য নিয়ে পথ চলতে সুবিধা হবে।


13
Travel / Visit / Tour / শুভলং
« on: May 08, 2018, 11:14:43 AM »
শুভলং ঝর্ণা রাঙ্গামাটি জেলার বরকল উপজেলার মধ্যে পড়েছে। এই ঝর্ণার নির্মল জলধারা পর্যটকদের হৃদয়ে এক ভিন্ন অনুভূতির কাঁপন তোলে। ভরা বর্ষা মৌসুমে শুভলং ঝর্ণার (Shuvolong Waterfall) জলধারা প্রায় ৩০০ ফুট উঁচু থেকে নিচে আছড়ে পড়ে এবং অপূর্ব সুরের মূর্ছনায় পর্যটকদের সযতনে মুগ্ধ করে। বর্তমানে এ এলাকায় উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক কিছু স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি সদর হতে শুভলং এর দুরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার।

জলপথে পাহাড়ের বুক চিরে আঁকা-বাঁকা চলার পথে যাওয়ার সময় রাঙ্গামাটির অপার সৌন্দর্য চোখে পড়বে। এখানকার লেক, ঝরনা, বিস্তির্ন নীল আকাশ, পাহাড় সর্বপরি আদিবাসি মানুষের সাধারন সহজ-সরল জীবন আপনাকে বিমহিত করবে। এখানে যেদিকে তাকাবেন নজরে পড়বে কেবল পাহাড় আর কাপ্তাই লেকের পানি। বিশাল কাপ্তাই লেকের পুরোটাই যেন অপার মমতায় দুহাত দিয়ে ধরে রেখেছে পাহাড়গুলি। আকাশের মেঘ আর তার নীলাভ আভা খেলা করে লেকের জলে, দূরে পাহাড়ের আড়ালে হারিয়ে যায়, আবার যেন উকি দিয়ে দেখে নেয়, কেমন আছে লেক। হলফ করে বলা যায়, এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের টান আপনাকে টানবেই।

শুভলং যাবার পথে


রাঙামাটি কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকা সায়েদাবাদ, কলাবাগান, ফকিরাপুল অথবা গাবতলি থেকে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক, এস আলম এবং বিআরটিসি বাসে করে যেতে পারবেন রাঙামাটি। তবে সব থেকে ভালো হবে সায়েদাবাদ থেকে টিকিট করলে। নন এসি বাস ৬২০ টাকা । এসি বাস আছে শ্যামলী এবং বিআরটিসির ভাড়া ৯০০-১০০০ টাকা।

সাধারণত সকাল ৮ টা, ৯ টা এবং ১০ টায় প্রতিটি কোম্পানির ২ টা করে বাস ছাড়ে। আবার রাতে ৮ টা থেকে ১০ টার মধ্যে প্রতি কোম্পানির দুইটা করে বাস ছাড়ে।

রাতে (১০-১১ টা) রওনা হলে আপনি খুব ভোরে (৬-৭ টা) পৌছে যাবেন রাঙ্গামাটি।

শুভলং যাবার পথে


শুভলং ঝর্ণায় কীভাবে যাবেন?
শহর থেকে শুভলং ঝর্ণায় যেতে হলে নৌ পথে যেতে হয়। ইঞ্জিন চালিত ট্রলার রিজার্ভ করাই সবচেয়ে ভালো উপায়। শুভলং ঝর্ণা রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলার মধ্যে পড়েছে। রাঙামাটি রিজার্ভ বাজার এলাকা থেকে অথবা পর্যটন এলাকা থেকে ট্রলার রিজার্ভ করা যায়। এগুলোর ভাড়া আকার অনুযায়ী বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। তবে ভাড়া সাধারণত ১২০০-৩০০০ টাকার মধ্যে। মূল শহর থেকে শুভলং যেতে সময় লাগবে দেড় ঘণ্টার মত। শুভলং যেতে হয় কাপ্তাই লেকের উপর দিয়ে।



কোথায় থাকা যায়?
কোথায় থাকবেনঃ

বাস থেকে নেমে এবার থাকার পালা। রাঙ্গামাটিতে পুরাতন বাস স্ট্যন্ড ও রিজার্ভ বাজার এলাকায় বেশকিছু হোটেল আছে। তবে হোটেলে ওঠার আগে যদি একটু বিবেচনা করে নিবেন, যেমন হোটেলটি কাপ্তাই লেকের পাশে কিনা? তাহলে আপনি হোটেল থেকে লেকের মনোরম পরিবেশ ও বাতাস উপভোগ করতে পারবেন। থাকার জন্য রাঙ্গামাটিতে সরকারী বেসরকারী অনেকগুলো হোটেল ও গেষ্ট হাউজ রয়েছে। তাছাড়া আরো কিছু বোডিং পাওয়া যায় থাকার জন্য। বোডিংগুলোতে খরচ কিছুটা কম তবে থাকার জন্য খুব একটা সুবিধার নয়। নিন্মে কয়েকটি হোটেল এর বর্ননা দেয়া হলোঃ

(১) পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স

১২ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ১৭২৫ টাকা ৭টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৮০৫ টাকা যোগযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৬৩১২৬ (অফিস)

(২) হোটেল সুফিয়া

২৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ৯০০ টাকা (একক), ১২৫০ (দ্বৈত) ৩৫টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৬০০ টাকা যোগাযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৬২১৪৫, ৬১১৭৪, ০১৫৫৩৪০৯১৪৯

(৩) হোটেল গ্রীন ক্যাসেল

৭ টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত রুম রয়েছ। প্রতিটির ভাড়াঃ ১১৫০ হতে ১৬০০ টাকা পর্যন্ত ১৬টি শীতাতপ নিয়ন্ত্রনহীন রুম রয়েছে প্রতিটির ভাড়াঃ ৭৫০ হতে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত যোগাযোগ/ফোনঃ ০৩৫১-৭১২১৪, ৬১২০০, ০১৭২৬-৫১১৫৩২, ০১৮১৫-৪৫৯১৪৬

এছাড়াও রয়েছে আরো বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য হোটেল রয়েছে। যেমনঃ হোটেল জজ , হোটেল আল মোবা, হোটেল মাউন্টেন ভিউ, হোটেল ডিগনিটি, হোটেল সাফিয়া, হোটেল ড্রিমল্যান্ড ইত্যাদি।


14
Psychological Disorder / মা বেশি বোঝে?
« on: June 10, 2017, 01:22:08 PM »
সালেহা বেগম (ছদ্মনাম) মেয়েকে নিয়ে মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে এলেন। মেয়ের সম্পর্কে একরাশ অভিযোগ নিয়ে। চিকিৎসক ইতিহাস নিয়ে দেখলেন, মেয়ে লিমার ((ছদ্মনাম) জেদ, অবাধ্য, খিটিমিটি লেগে যাওয়া শুধু মায়ের সঙ্গেই ঘটছে, আত্মীয়স্বজন বা বন্ধু মহলে যথেষ্ট জনপ্রিয় সে। মায়ের সঙ্গে ক্রমশ সম্পর্কের অবনতির মূলে রয়েছে সালেহা বেগমের অতিরিক্ত কর্তৃত্বপরায়ণ মনোভাব এবং নিজের ইচ্ছা জোর করে সন্তানের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা। সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার মনোভাব।

সালেহা বেগমের মতো ব্যক্তিত্বের ধরন (চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য) অনেকের থাকতে পারে। কোনো বিষয়ে নানা দিক দিয়ে বিবেচনা করা বা পরিস্থিতি অনুযায়ী সহজেই নিজের অবস্থান থেকে সরে আসা বা নিজের মতামতের বাইরে অন্যের ভিন্ন মতবাদকে গ্রহণ করা বা সহজে যেকোনো বিষয়ের সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে এদের মধ্যে অপারগতা দেখা যায়। অনেকে নিয়ম, রীতিনীতি, গোছানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ইত্যাদির ব্যাপারে অতিরিক্ত খুঁতখুঁতে থাকে। অন্যদের চোখে এরা জেদি, খুঁতখুঁতে মানুষ হিসেবে পরিচিত।

সালেহা বেগমের মতো ব্যক্তিরা মনে করেন, তিনি যেভাবে সব দেখছেন বা ভাবছেন, সেটাই একমাত্র ঠিক এবং এর বাইরে আর অন্য কিছু নেই। ফলে তাঁদের মনের বাইরে কিছু ঘটলেই তাঁরা সেটা গ্রহণ করতে পারেন না। একরকম উদ্বিগ্নতা থেকেই উত্তেজনা বা রাগ প্রকাশ করেন।

এ ধরনের বৈশিষ্ট্যের সমস্যা কী?

কখনোই নিজের ভুল দেখতে না পারার কারণে যেকোনো বিষয়ে সব সময় অন্যের দোষই এদের চোখে পড়ে। প্রতিটি জিনিসে ভুল ধরা বা সমালোচনা করা, সামান্য ত্রুটিতে তুলকালাম আচরণ, নিজের মতামত জোর করে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কারণে এসব ব্যক্তির সঙ্গে অন্যদের সব সময় তটস্থ থাকতে হয়। ফলে, এদের সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে নেওয়া বা জীবনযাপনের স্বাভাবিক আরাম অথবা স্বতঃস্ফূর্ততা—দুই-ই বিঘ্নিত হয়। মূল সমস্যা হয় আশপাশের মানুষের বিশেষত পরিবারের সদস্যদের। তবে এ ধরনের আচরণের মূল ভুক্তভোগী হয় মূলত সন্তানেরা।

অনেক ভালো গুণ যেমন দৃঢ়তা, গভীর মূল্যবোধ, চমৎকার আবেগ, যেকোনো কাজে নিপুণতা বা পারদর্শিতা থাকা সত্ত্বেও বেশির ভাগ মানুষের কাছে এদের জনপ্রিয়তা যেমন কম থাকে, তেমনি শুধু যারা এদের মতামত প্রশ্নহীনভাবে মেনে নেয়, তাদের সঙ্গেই এরা সম্পর্ক ভালো রাখতে পারে।

শুধু তা-ই নয়, কোনো কিছু নিজের মতো হয় না বলে বা সহজে কোনো কিছু মানিয়ে না নিতে পারার কারণে ব্যক্তি নিজেও যথেষ্ট কষ্ট পান। অতৃপ্তিতে ভোগেন। কাছের মানুষদের সঙ্গে দূরত্বও তাঁদের একা করে দেয়।

পরিবারের মানুষের করণীয়

* মানুষের ব্যক্তিত্বের মূল বৈশিষ্ট্য সাধারণত খুব একটা পরিবর্তন হয় না বলে উল্টো তর্ক করা বা আচরণ পরিবর্তন করতে না চাওয়াই ভালো। এতে সম্পর্ক আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

* চাপানো মতামত নিয়ে তর্ক করার বদলে নিজের অবস্থানে দৃঢ় থাকুন এবং মতামতের কোনো অংশ গ্রহণ করার সুযোগ থাকলে সেটা গ্রহণ করুন।

* মায়ের অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ বা জেদ যথাসম্ভব উপেক্ষা করুন। মনে আঘাত দিয়ে কথা বলা, চিৎকার-চেঁচামেচি ইত্যাদিতে যতটা সম্ভব পাল্টা উত্তর না দেওয়া, প্রয়োজনে সাময়িকভাবে কথা বলা বা আন্তরিকতা কমিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া যেতে পারে, আপনার কাছে এ রকম আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। ভালো মুডে থাকাকালীন মাকে বলা যেতে পারে, তার এ ধরনের আচরণে আপনি কষ্ট পাচ্ছেন।

* নিজের মতামত প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে আগে নিজেকে স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে মনোযোগী হন। পড়ালেখার মাধ্যমে ভিত্তি শক্তিশালী করা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ উপায়। আর্থিক বা সামাজিক স্বাবলম্বন আপনার পথচলা অনেক সহজ করে দেবে।

* মায়ের সঙ্গে জেদ করে দ্রুত কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেবেন না (যেমন হুট করে বিয়ে করে ফেলা, বাসা থেকে চলে যাওয়া, পড়ালেখা ছেড়ে দেওয়া)। মনে রাখবেন, আপনার সিদ্ধান্তের খেসারত শুধু আপনাকেই দিতে হবে।

* বড় ধরনের সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দিতে চাইলে (জোর করে বিয়ে দেওয়া) রাগারাগি না করে দৃঢ়ভাবে আপনার মতামত জানান। এ ক্ষেত্রে পরিবারের অন্যদের সঙ্গে প্রয়োজনে কথা বলুন।

* বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে মেলামেশা বাড়ান।

* মায়ের মানসিক কর্তৃত্বপরায়ণতা সীমাবদ্ধতা হিসেবে মেনে নিয়ে নিজের মনের যত্ন নিন। আপনার ভালো লাগার বিষয়গুলো চর্চা করুন, মানুষের সঙ্গে মিশুন, প্রকৃতির কাছে যান, বই পড়ুন, নিজেকে সমৃদ্ধ করুন। মনে রাখবেন, আপনার আত্মবিশ্বাস যেকোনো সমস্যা মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে।

মেখলা সরকার

সহকারী অধ্যাপক (মনোচিকিৎসা)

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা।

15
Food Habit / Some harmful things you shouldn’t do after Seheri
« on: May 29, 2017, 12:40:26 PM »





Has been sehuri? Then what to do? Indeed, after the worship of worship, they will make preparations to sleep. Someone will eat a lot of water, someone will eat cigarettes, someone will sit down to watch TV or facebook. Think of it, are you doing something that is harmful for your health in Sehore? Come on, do not know anything about the work.

1) Most people fall asleep with sehuriya. This work is very harmful for health. And play a big role in increasing weight and causing problems in digestion. Because our metabolism rate decreases as we fall asleep. This causes problems in food digestion. Read the prayer after the sehari, recite the Quran if you practice. If you do not lie immediately, go to bed after half an hour.

2) Why only after saheri, smoking is always harmful for you. Ramadan may be the ideal time to quit smoking. If you smoke after saheri, you will suffer a lot of thirst for the day.

3) Do not drink a lot of water together, do not think that water will be eaten all day. It will not help you in any way. Rather, there will be discomfort in the stomach and there will be problems sleeping.

4) Many people sit in TV watching after Facebook or Facebook. If you do not have to go somewhere in the morning, then exclude this task too. Rest after the prayer. It will be useful to fast during the day.

5) Many people bath after Saheri. Fajr prayers only after the bath. Do not do this. After bathing, digestion problems arise. Take a bath before saheeri take rest.

6) Do not brush teeth right after sehari. Toothbrushing teeth are right to eat. Keeping the time in hand, sehari Sarin. After a while break the tooth brush. Make a nice coolie.

7) Many people drink tea / coffee while eating seafood, because tea tea will not be consumed all day. Do not do this thing at all. Caffeine makes the body dry. As a result, it will be hard to keep the fast throughout the day. At the same time your sleeping will be twelve and the problem of digestion.

8) Those who have morning walk practice, they will be able to walk after the wait and wait after Sehari. In the morning of the day of roast, there will be health losses, pressure on the body will be too much. Walking Practice Give It Some Afternoon or Evening

Pages: [1] 2 3 ... 7