Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sourov777

Pages: [1]
1
ফোন হারিয়ে যাওয়া বা চুরি যাওয়া কোনও ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়। পথে ঘাটে অনেক সময়ই পকেট থেকে ফোন উধাও। হতে পারে পকেটমারের ঘটনা। কিংবা পকেট থেকে অনেক সময় পড়ে গিয়েও হারিয়ে যেতে পারে ফোন।

কোনও সহৃদয় ব্যক্তি সেই ফোন পেলে ফেরত পাওয়া যায় সহজেই। তবে তেমন ঘটনা খুবই কম ঘটে। ফোন একবার গেলে তা ফেরত পাওয়া কঠিন। উপায় আছে। তবে সবসময় সেসব উপায়ে কাজ নাও হতে পারে।

থানায় জিডি করলে অনেক সময় পুলিশের তৎপরতায় ফোন ফিরে পাওয়া যেতে পারে। তবে তা অনেক সময় সাপেক্ষ। নিজের চেষ্টায়ে ফোন ফিরে পেতে গুগল ম্যাপ ব্যবহার করা যেতে পারে। তাতে ফোনের অবস্থানটা কোথায়, সেটা জানা যাবে।
ফোন খুঁজে না পেলে অন্য কোনও স্মার্টফোন বা কম্পিউটার থেকে গুগল আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে হবে।

১. প্রথমে www.google.com/maps ওয়েব অ্যাড্রেসটি খুলতে হবে।

২. হারিয়ে যাওয়া স্মার্টফোন যে গুগল আইডির সঙ্গে যুক্ত সেই আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে হবে।

৩. এবার বাঁদিকে তিনটি লাইন দেওয়া যে আইকন আছে, সেখানে ক্লিক করতে হবে।

৪. Your Timeline অপশনে ক্লিক করতে হবে।

৫. ঠিক কোন সময়ে ফোনের অবস্থানটা আপনি জানতে চাইছেন, সেই মাস, বছর, সময় দিতে হবে।

৬. এখানেই দেখা যাবে ওই সময়ে আপনার ফোনটি ঠিক কোথায় অবস্থান করছিল।

2
IT Forum / What’s so special about 5G?
« on: March 25, 2019, 06:17:56 PM »
'The 5G network will realize networks capable of providing zero-distance connectivity between people and connected machines. It will enhance all aspects of people’s life that are already influenced by the use of digital technology'

Mobile telecom operators say 5G will revolutionize the way in which we use the internet. 5G will play a vital role in automatic driving, Artificial Intelligence (AI), Virtual Reality, big data, Internet of Things (IoT), and smart cities.

“The 5G network will realize networks capable of providing zero-distance connectivity between people and connected machines. It will enhance all aspects of people’s life that are already influenced by the use of digital technology,” said Robi’s Managing Director and CEO, Mahtab Uddin Ahmed.

“Education, commerce, governance, health services, transportation, banking, and all sorts of communications in general will undergo a massive change. 5G will be an enabler of disruption, as expected by experts and researchers,” he added.

According to him, 5G radio access will be built upon both new radio access technologies (RAT) and evolved existing wireless technologies (LTE, HSPA, GSM and WiFi).

The deployment of this advanced network will emerge between 2020 and 2030 and Bangladesh wants to join the global line-up.

3
অনলাইনে থাকার জন্য ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের পাশাপাশি এখন অনেকেই হরেক রকম মোবাইল ডিভাইস ব্যবহার করেন। ওয়াইফাই সবাই ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারেন। নিচে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার কয়েকটি উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো :
রাউটার আপগ্রেড  :
পুরনো অনেক রাউটারই ধীরগতিতে ইন্টারনেট সরবরাহ করে। আর এ সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য প্রয়োজন দ্রুতগতির রাউটার। এক্ষেত্রে আপনার রাউটারের গতি দেখে নিন। এটি যদি আপনার ইন্টারনেটের লাইনের তুলনায় কম গতির হয় তাহলে রাউটার পরিবর্তন করার প্রয়োজন হতে পারে।
রাউটারের অবস্থান : 
ডিজিটাল ডিভাইসগুলোর সবচেয়ে কাছাকাছি স্থানে কোনো বাধা ছাড়া রাউটার রাখার চেষ্টা করুন। বাড়িতে বহু ভারি ফার্নিচার থাকলে সেগুলোর আড়ালে নয় বরং সেগুলোর উপরে রাউটার বসান। এতে বাধামুক্তভাবে রাউটার আপনার ডিভাইসগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারবে। এছাড়া বাড়ির এক প্রান্তে না রেখে তা বাড়ির মাঝামাঝি স্থানে বসানোই যুক্তিসঙ্গত।
চ্যানেল পরিবর্তন :
আপনার রাউটারের ফ্রিকোয়েন্সি অন্য যন্ত্রপাতির ফ্রিকোয়েন্সির সঙ্গে কনফ্লিক্ট করছে কি না, তা জেনে রাখুন। আপনার রাউটার যদি ২.৪ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে তাহলে তা কর্ডলেস ফোন, মাইক্রোওয়েভ, ব্লুটুথ, সিসিটিভি ইত্যাদির সঙ্গে কনফ্লিক্টের সম্ভাবনা থাকে। এক্ষেত্রে ৫ গিগাহার্জ কিংবা ভিন্ন কোনো ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।
বাধা এড়ান :
রাউটারের সঙ্গে আপনার ডিভাইসের মাঝে দ্রুত যোগাযোগের পথে বহু জিনিসই বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এসব বাধার মধ্যে রয়েছে ধাতব দরজা, অ্যালুমিনিয়াম কাঠামো, ওয়াল ইনসুলেশন, পানির ট্যাংক বা অ্যাকুরিয়াম, আয়না, হ্যালোজেন লাইট, গ্লাস ও কংক্রিট। এ ধরনের বাধাগুলো যেখানে সবচেয়ে কম সেখানেই প্রয়োজনীয় যন্ত্র বা রাউটার স্থাপন করুন।
সফটওয়্যার আপডেট :
রাউটার ও ইন্টারনেট সরবরাহের কাজে নিয়োজিত বিভিন্ন সফটওয়্যার নিয়মিত আপগ্রেড হয়। একটু খেয়াল রেখে রাউটার ও মোবাইল ডিভাইস বা পিসির সফটওয়্যার আপডেট করে নিলে ইন্টারনেটের ভালো গতি পাওয়া যেতে পারে।
এক্সটেন্ডার :
নেটওয়ার্ক বাড়ানোর জন্য এক্সটেন্ডার পাওয়া যায়। আপনার ওয়াইফাই রাউটার থেকে দূরে কোথাও ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রয়োজন হলে এক্সটেন্ডার ব্যবহার করতে পারেন।
নিরাপত্তা বাড়ান :
ওয়াইফাই ইন্টারনেটের জন্য WEP বাদ দিয়ে কিছুটা নিরাপদ WPA/WPA2 ব্যবহার করুন। এটি ইন্টারনেট ব্যবহারে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। এছাড়া নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তনও প্রয়োজনীয়।
গোপন রাখুন :
ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে আপনার নাম ও ডিভাইসের বিস্তারিত তথ্য দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তার বদলে সাংকেতিক নাম ও অত্যন্ত গোপনীয় পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।


4
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তথ্য হাতানোর অভিযোগে চীনের স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে দেশটিতে তদন্ত হচ্ছে। বাজে পরিস্থিতি হলে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার ছেড়ে দিতে হতে পারে তাদের। হুয়াওয়ের হাতে বিকল্প রয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম টেলিকমিউনিকেশন নির্মাতা হিসেবেও পরিচিত হুয়াওয়ে।

চীনা স্মার্টফোন নির্মাতা হুয়াওয়ে টেকনোলজিসের বিরুদ্ধে ২০১২ সাল থেকে তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরিতে কাজ শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের অভিযোগে হুয়াওয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে দেশটিতে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ছেড়ে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমে চলে পারে হুয়াওয়ে—এমন গুঞ্জন উঠতে শুরু করেছে। সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে হুয়াওয়ে ও আরেক চীনা প্রতিষ্ঠান জেডটিইর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে তদন্ত শুরু হলে নিজস্ব সফটওয়্যার তৈরি শুরু করে হুয়াওয়ে। বর্তমানে ট্যাব ও পিসির জন্য নিজস্ব সফটওয়্যার আছে প্রতিষ্ঠানটির।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ও অ্যাপলের আইওএস মিলে স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেমের ৯৯ দশমিক ৯০ শতাংশ দখল করেছে।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, হুয়াওয়ের প্রতিষ্ঠাতা রেন জেংফেইয়ের অধীনে নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরি শুরু করেছিল হুয়াওয়ে। তারা এটিকে পরিকল্পনাগত বিনিয়োগ হিসেবে নিয়েছে, যা বাজে পরিস্থিতিতে কাজে লাগানো যাবে। নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম তৈরির উদ্যোগ থেকে কখনো সরে আসেনি তারা।

অবশ্য হুয়াওয়ের ওই অপারেটিং সিস্টেম কখনো উন্মুক্ত করা হয়নি। কারণ, এটি অ্যান্ড্রয়েডের মতো মানসম্পন্ন অবস্থায় পৌঁছায়নি বা এতে উল্লেখযোগ্য অ্যাপ নেই।


5
২০০০ সালে ৬৪ গিগাবাইট ডেটা ধারণক্ষমতার মেমোরি কার্ড তৈরির ঘোষণা দিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিল স্যানডিস্কের মূল প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল। ১৬ বছর পর এবার এক টেরাবাইটের মেমোরি কার্ড তৈরির ঘোষণা দিয়ে আবার চমকে দিল প্রতিষ্ঠানটি। আকারে কিন্তু একটুও পরিবর্তন আসেনি।
জার্মানির কোলন শহরে ২০ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে ফটোকিনা ২০১৬ ক্যামেরা পণ্য প্রদর্শনী। সেখানেই সোমবার স্যানডিস্কের নতুন এই মেমোরি কার্ডের পরীক্ষামূলক সংস্করণ (প্রোটোটাইপ) দেখানো হয়।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওয়েস্টার্ন ডিজিটালের ভাইস প্রেসিডেন্ট (পণ্য ব্যবস্থাপনা) দীনেশ বাহাল উল্লেখ করেন, ছবি তোলার সর্বাধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা আমাদের জন্য খুবই রোমাঞ্চকর।২০১৪ সালে এই ফটোকিনা প্রদর্শনীতেই ৫১২ গিগাবাইটের এক মেমোরি কার্ড দেখিয়েছিল ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল। দ্বিগুণ ক্ষমতার মেমোরি কার্ডটি বর্তমানে উচ্চমানের বিষয়বস্তু সংরক্ষণের মাইলফলক বলে উল্লেখ করেন দীনেশ বাহাল।
সেই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ ছিল, ‘বছর কয়েক আগেই এক টেরাবাইট মেমোরি কার্ডের ধারণা অসম্ভব বলে মনে হতো। আমরা এখন এমন এক পর্যায়ে আছি, যা এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে।আমেরিকান সোসাইটি অব সিনেমাটোগ্রাফার্সের সদস্য ও স্টারগেট স্টুডিওসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্যাম নিকলসন বলেন, এক টেরাবাইটের মতো উচ্চক্ষমতার মেমোরি কার্ডের সাহায্যে ক্যামেরায় শুধু যে বেশি ছবি ধারণ করা যাবে তা-ই নয়, মেমোরি কার্ড না বদলিয়েই কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়া একটানা ছবি তোলা যাবে।
পরীক্ষামূলক সংস্করণ হওয়ায় মূল্য সম্পর্কে এখনো কিছু উল্লেখ করা হয়নি। তবে ৫১২ গিগাবাইটের এসডি কার্ডটি বিক্রি শুরু হয়েছিল ৮০০ ডলার থেকে। আর তাই ধরেই নেওয়া যায় দ্বিগুণ ক্ষমতার এই মেমোরি কার্ড কিনতে আরও বেশি ডলার খরচ করতে হবে।

6
‘হেলিও’ ব্র্যান্ডটিকে জনপ্রিয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এডিসন গ্রুপ। এই ব্র্যান্ডটির দ্বিতীয় প্রজন্মের স্মার্টফোন সেট হিসেবে এ মাসের শুরুতে ‘হেলিও এস ২’ উন্মুক্ত করে প্রতিষ্ঠানটি। এর আগে প্রথম প্রজন্মের হেলিও এস ১ ও এস ২০ বাজারে এনে ব্র্যান্ডটিকে পরিচিত করার চেষ্টা করে প্রতিষ্ঠানটি। এবার বেশ কিছু উন্নত ফিচার আর নান্দনিক নকশায় দ্বিতীয় প্রজন্মের ফোনটিকে আরও উন্নত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

হেলিও এস ২ স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে মেটালিক ইউনিবডি। এর ৮ দশমিক ১৫ মিলিমিটার বডির থিকনেসের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ২ দশমিক ৫ডি ওয়াটার ড্রপ গ্লাস। এতে ফোনের গ্রিপ, টাচস্ক্রিন রেসপন্স সবকিছুই হয়েছে আরও আধুনিক।

এর আগে হেলিও এস ১ সংস্করণে ৬ দশমিক ৯৫ মিলিমিটার পুরু স্মার্টফোনটির দুই পাশেই ব্যবহার করা হয়েছিল গরিলা গ্লাস ৩। এতে ৫ ইঞ্চির ১২৮০ বাই ৭২০ পিক্সেলের এইচডি ডিসপ্লে ছিল। হেলিও এস ২ তে ব্যবহার করা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে। ডিসপ্লের সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে থার্ড জেনারেশন গরিলা গ্লাস।

হেলিও এস২-এর অন্যতম শক্তিশালী দিক হলো এর ক্যামেরা। এর পেছনের ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয়েছে সনি আইএমএক্স ২৫৮ ক্যামেরা সেন্সর। যা ১৩ মেগাপিক্সেল এফ/ ২.০ অ্যাপারচারে ছবি তুলতে সক্ষম। রিয়ার ক্যামেরাতে রয়েছে ১৪টি ফিচার যার মধ্যে অত্যাধুনিক এলইডি ফ্ল্যাশ, আনন্দদায়ক জিআইএফ, মুড ফটো অন্যতম। এই স্মার্টফোনটির ফ্রন্ট ক্যামেরাতে রয়েছে ট্রু টোন ফ্রন্ট ফ্ল্যাশ। আট মেগাপিক্সেলের এই ক্যামেরায় রয়েছে এফ/ ২.২ অ্যাপারচার।

হেলিও এস ২ স্মার্টফোনে রয়েছে ৬৪-বিটের ১ দশমিক ৩ গিগাহার্জের অক্টার-কোর প্রসেসর, যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মালি-টি ৭২০ এমপিথ্রি জিপিইউ। আরও আছে ৩ জিবি ডিডিআর ৩ র‍্যাম ও ৩২ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ। মাইক্রোএসডি মেমোরি কার্ড ব্যবহার করে ১২৮ জিবি পর্যন্ত মেমোরি বাড়িয়ে নেওয়া যাবে।

ফোনটির অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ৬.০. ১ মার্শম্যালো। কানেক্টিভিটির জন্য ফোনটিতে রয়েছে ফোরজি/এলটিই, ওয়াই-ফাই, পাওয়ার সেভিং ব্লুটুথ ৪.০, নিউ জেনারেশন জিপিএস। ওটিজি সুবিধাসহ মাইক্রোইউএসবি রয়েছে যার মাধ্যমে পেনড্রাইভে সরাসরি ফোনে ডাটা ট্রান্সফার করা যায়।

ফোনটিতে রয়েছে ডুয়াল সিম, ডুয়াল স্ট্যান্ডবাই টেকনোলোজি। ব্যাটারি রয়েছে ৩১৫০ এমএএইচের। বিশেষ ফিচার হিসেবে থাকছে নিউ জেনারেশন ফাস্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর। এতে ফোন যে খুব দ্রুত আনলক করা যাবে, শুধু তাই নয়, ব্যবহার করা যাবে ফিঙ্গার প্রিন্ট সেলফি শাটার খুব সহজেই।

হেলিও এস ২ ফোনটি ব্যবহারের সুবিধাজনক দিক হচ্ছে এটি সহজে ধরে রাখা বা বহন করা যায়। এর অত্যাধুনিক নকশার কারণে এটি দেখতে সুন্দর। ফোনটির সঙ্গে বক্সে রয়েছে হেডফোন, ওটিজি কেবল ও চার্জার। এতে দ্রুত চার্জ দেওয়া যায়।

গেম খেলা, মল্টিমিডিয়ার ব্যবহারসহ এই ফোনটির পারফরম্যান্স তুলনামূলকভাবে ভালো। তবে যেসব অ্যাপ দ্রুত চার্জ শেষ করে, যেমন-ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ক্যান্ডি ক্রাশ প্রভৃতি ব্যবহারে এই ফোনে দ্রুত চার্জ শেষ হয়।

ফোনটির দাম ১৫ হাজার ৯৯০ টাকা। বাজারে ১৫ হাজার টাকা থেকে ১৬ হাজার টাকা সীমার মধ্যে যেসব ফোন পাওয়া যায় তার সঙ্গে অনায়াসে হেলিও এস ২ সেলফে জায়গা করে নিতে পারে। তবে নকশা, পারফরম্যান্স ও প্রয়োজন বিবেচনা করেই মিডরেঞ্জের ফোন দেখা উচিত।

এডিসন গ্রুপ কর্তৃপক্ষ বলছে, ইতিমধ্যে বাজারে হেলিওর নতুন ফোনটি বেশ সাড়া ফেলেছে। দ্বিতীয় প্রজন্মের এই ফোনটির উন্নত ফিচার সবার নজর কাড়ছে।

Pages: [1]