Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Mrs.Anjuara Khanom

Pages: [1] 2 3 ... 14
1
দ্বিতীয় দশক শেষ হতে আর একদিন বাকি। রমজান রাব্বুল আলামিনের ক্ষমা লাভের সর্বোত্তম সময়। দয়াময় আল্লাহকে ডাকলে তিনি সাড়া দেন। ক্ষমা চাইলে ক্ষমা করে দেন। ক্ষমার দুয়ার সব সময় খোলা থাকে। তা সত্ত্বেও রমজানের মধ্যম দশক বিশেষ ক্ষমার সুযোগ এনে দেয়। এ সময়ে প্রতিটি মুমিন যারা সামান্যতম ইমান রাখেন আল্লাহ তাদের নিজের দয়া ও করুণা গুণে ক্ষমা করে দেবেন।

ক্ষমা একটি মহৎ গুণ। আল্লাহ যেমন ক্ষমাশীল, মানুষকেও ক্ষমাগুণে গুণান্বিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি ক্ষমাশীল ব্যক্তিকে ভালোবাসেন। তাই মাহে রমজানে আল্লাহ পাকের ক্ষমা লাভ করতে হলে বান্দাকে ক্ষমা গুণেরও অধিকারী হতে হবে। কেননা ক্ষমার মাধ্যমে জান্নাত নিকটবর্তী হয়।

পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে- তোমরা তোমাদের রবের ক্ষমা লাভের জন্য প্রতিযোগিতা কর, আর প্রতিযোগিতা কর সেই জান্নাতের জন্য যার বিশালতা আসমান-জমিনের বিশালতার সমান, যা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে মুত্তাকিদের জন্য। যারা সচ্ছল কি অসচ্ছল সর্বাবস্থায় নিজেদের সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেন আর যারা নিজেদের ক্রোধ সংবরণ করেন এবং মানুষের অপরাধগুলো ক্ষমা করে দেন। আর সৎ মানুষকে সবসময় আল্লাহ ভালোবাসেন। (সূরা-আল-ইমরান, আয়াত-১৩৩-১৩৪)।

রাসুল (সা.) বলেছেন, আল্লাহর রাস্তায় দান করলে সম্পদ বাড়ে আর ক্ষমার মাধ্যমে আল্লাহ বান্দার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। যে আল্লাহর উদ্দেশে বিনয় অবলম্বন করে আল্লাহ তাকে সম্মানিত করেন। (মুসলিম শরিফ)।

হজরত আলী (রা.) এর জীবনে ক্ষমার উৎকৃষ্ট নিদর্শন দেখতে পাই। ইসলামের চরম শত্রুর বুকে চেপে ছুরিকাঘাত করার সময় শত্রু তার মুখে থুথু দেয়ায় তিনি প্রচণ্ডভাবে ক্ষুব্ধ হন, কিন্তু শত্রুকে ছেড়ে দেন। তিনি বললেন, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য যুদ্ধ করি, ব্যক্তিগত প্রতিহিংসায় শত্রুকে আঘাত করার বিধান নেই। রমজানের ১৯ তারিখে হজরত আলী (রা.) কুফার মসজিদে নামাজ পড়া অবস্থায় ইবনে মুলজামের তরবারির আঘাতে মারাত্মকভাবে আহত হন এবং ২১ রমজান ইন্তেকাল করেন।

তিনি যখন মৃত্যুশয্যায় তখন বন্দি আততায়ীকে তার সামনে হাজির করা হয়। বন্দিকে শক্ত করে রশি দিয়ে বাঁধা হয়েছিল। তিনি নির্দেশ দেন, বন্ধন যেন হালকা করে দেয়া হয়। যাতে বন্দি কষ্ট না পায়। এটিই হল নবীর শিক্ষা, সাহাবাগণের শিক্ষা, ইসলামের শিক্ষা, রমজানের শিক্ষা।

এসব গুণাবলি প্রশিক্ষণের নিয়মতান্ত্রিক সুযোগ হচ্ছে রমজান, যা থেকে পরিপূর্ণ ফায়দা হাসিল করার দায়িত্ব আমাদের। এ মাসে আমরা যতটুকু অর্জন করতে সমর্থ হব, তা নিজ গুণে আল্লাহপাক বাড়িয়ে দেবেন।

তাকওয়া বা আত্মশুদ্ধি অর্জনই রমজানের মূল লক্ষ্য। এক মাসের যতটুকু অর্জন, তা জীবনভর রক্ষা করতে হবে। জীবন ধারণে তাকওয়ার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। ভোগবিলাস ত্যাগ করা, সৎ পথে চলা, হালাল খাওয়া, পরোপকার করা, দান করা ও আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগির মাধ্যমে জীবন কাটাতে ১ মাসের সেহরি খাওয়া, ইফতার করা, তারাবি পড়া সবই তখন কবুল হবে। হজরত আলী (রা.) বলেছেন, তাকওয়া থাকলে কোনো আমলই কম হয় না।

লেখক : ইসলামী চিন্তাবিদ

2
কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। পাশাপাশি হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের মতো কার্ডিওভাস্কুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। তবে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে কিছু খাবার।

১. কমলার জুস
টকমিষ্টি স্বাদের কমলার রস কোলেস্টেরল কমানোর অত্যন্ত উপকারী। গবেষকেরা জানিয়েছেন, কমলার রস হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া রক্তের লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি ঘটায়। এর কারণ হচ্ছে কমলার রসে ভিটামিন সি, ফোলেট এবং হেসপিরিডিন এর মত ফ্লেভনয়েড থাকে।
২. গ্রিনটি
প্রতিদিন কয়েক কাপ গ্রিনটি পান করা সার্বিক কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর একটি সহজ উপায়। গ্রিনটি এর বিভিন্ন উপাদান পরিপাক নালীতে কোলেস্টেরলের শোষণ প্রতিহত করে এবং রেচনে সাহায্য করে। এছাড়াও গ্রিনটি ধমনীতে প্লাক জমা প্রতিহত করে এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

৩. ওটমিল
সকালের নাস্তায় ওটমিল খাওয়া কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ওটমিলের দ্রবণীয় ফাইবার কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্তস্রোতে কোলেস্টেরলের শোষণ কমায়। এছাড়াও নিয়মিত ওটমিল খেলে কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে। 

৪. কাঠবাদাম
হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট, পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার থাকে কাঠবাদামে, যা ভালো কোলেস্টেরল এইচ ডি এল এর মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

২০১১ সালে নিউট্রিশন রিভিউতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা  হয় যে, কাঠবাদামের মত গাছের বাদাম খাওয়া এল ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে। এর ফলে করোনারী ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি ৩ থেকে ৯ শতাংশ কমে।

সূত্র: টপ টেন হোম রেমেডিস


3

আমাদের স্বরযন্ত্রের দুই পাশে থাকা গ্রন্থির নাম থাইরয়েড। থাইরয়েড হরমোনের উৎপাদন করাই হল এর কাজ। থাইরয়েড হরমোন আমাদের শরীরের পক্ষে অত্যাবশ্যকীয় হরমোন। আমাদের শরীরের জন্য এই হরমোনের একটি নির্দিষ্ট মাত্রা আছে। ওই নির্দিষ্ট মাত্রার থেকে কম বা বেশি থাইরয়েড হরমোন উৎপাদিত হলেই শরীরে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়।

সাধারণত মেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা একটু বেশিই লক্ষ করা যায়। তবে কয়েকটি নিয়ম মানতে পারলে থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। আসুন সেগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-
১) থাইরয়েড নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য খুব জরুরি একটি উপাদান হল প্রোটিন। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার-দাবার রাখা জরুরি। পনির, চিজ, ডিম, মুরগির মাংস ইত্যাদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার পরিমিত পরিমাণে খেতে পারলে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড ঠিক মতো কাজ করতে পারবে।

২) আয়োডিন যুক্ত খাবার থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী। আয়োডিন যুক্ত লবণ ব্যবহার করে রান্না করা যেতে পারে। এছাড়া গাজর, কলা, দুধ, সামুদ্রিক মাছ, স্ট্রবেরি, শাকপাতা আর মৌসুমি সবজিতে প্রচুর পরিমাণে আয়োডিন রয়েছে। তাই পাতে রাখুন এই খাবারগুলি।

৩) থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে সঠিক ডায়েটের সঙ্গেই নিয়মিত শরীরচর্চার প্রয়োজন। সাঁতার বা সাইকেল চালানো থাইরয়েডের সমস্যা কমাতে অত্যন্ত কার্যকরী হতে পারে।

৪) থাইরয়েড গ্রন্থির ভাল ভাবে কাজ করার জন্য রাতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই কাজের চাপে রাতে জেগে থেকে দিনে বা ভোরের দিকে ঘুমোতে যান। যদি দিনের বেলাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম হয়, সে ক্ষেত্রে কোনো ক্ষতি নেই। তবে থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার।


বিডি-প্রতিদিন/

4
দাঁত ব্যাথা এবং মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া এ ব্যাপারগুলো অনেক অসহ্যকর। আর এ সমস্যা সমাধানে আমরা কত কিছুইনা করি কিন্তু কোন লাভ হয়না, স্বল্প সময়ের জন্য তা কমলেও আবার তা শুরু হয়ে যায়।

এছাড়াও দাঁত ব্রাশ করার সময় মাড়ি থেকে অল্প অল্প রক্ত পড়ে আর তাতেই আমাদের অনেক অসহ্য লাগে, এই ব্যাপারটা যখন মারাত্মক পর্যায়ে চলে যায় তখন শক্ত খাবার খাওয়ার সময়ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে
আর এরকম অবস্থা হলেই ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেয়া উচিত। কিন্তু ঘরোয়া কিছু সহজ উপায় আছে যার মাধ্যমে সাময়িকভাবে দাঁতের মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক মাড়ি থেকে রক্ত পড়া রোধ করার কিছু প্রাকৃতিক উপায়-
১। লবণ পানি:
মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধের জন্য ঘরোয়া পদ্ধতি হিসেবে প্রথমত কিছু গরম পানি নিন, এর সঙ্গে অল্প কিছু লবণ মিশান। এবার এই লবণ পানি দিয়ে দিনে তিনবার কুলি করুন। পদ্ধতিটি খুব সহজ এবং কার্যকরী এতে সাময়িক ভাবে অনেকটা স্বস্তি পাবেন।

২। অ্যালোভেরা জেল:
মাড়ি থেকে রক্ত পড়ার ক্ষেত্রে অ্যালোভেরা জেল অনেক উপকারী একটি পন্থা। মাড়িতে প্রতিরাতে অ্যালোভেরা জেল ম্যাসাজ করে লাগান। এতে মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করবে।

৩। গ্রিন টি:
মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করতে গ্রিণ টি বেশ কার্যকর। গ্রিন টি দিয়ে কিছুক্ষণ কুলি করুন। এটি মাড়ির জীবাণু ধ্বংস করে এবং দ্রুত রক্ত পড়া বন্ধ করে দেয়।

৪। লবঙ্গের তেল:
লবঙ্গের তেল এর অনেক উপকারিতা রয়েছে যা আমাদের অজানা। লবঙ্গের তেল মাড়ির ইনফ্লামেশন রোধ করে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে। একটুখানি লবঙ্গের তেল নিয়ে মাড়িতে ঘষুন। অথবা এক বা দুটি লবঙ্গ চিবাতে পারেন। এটি আপনার মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করে দিবে।

৫। শাক-সবজি ও ভিটামিন:
এছাড়াও এক্ষেত্রে সবচেয়ে উপকারী হলো আপনাকে নিয়মিত কাঁচা সবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। কারন ফল এবং শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল এবং ক্যালোরি থাকে কম। এটা রক্ত চলাচল সচল রেখে মাড়ির রক্ত পড়া বন্ধ করে দেয়।

বিডি প্রতিদিন/

5

বাজারে গেলে নানা ধরণেন শাক সবজি কেনার তালিকার সঙ্গে থাকে ধনেপাতা। আর এখন তো প্রায় ১২ মাসই বাজারে ধনেপাতা পাওয়া যায়। ধনেপাতায় আছে ১৫টির অধিক অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন ও খনিজ লবণ। তাই নিত্য খাদ্যতালিকায় এই ধনেপাতা রাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে তাহলে জেনে নেওয়া যাক ধনে পাতার কার্যকারিতা-
১) ধনে পাতা শরীরের ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলকে কমিয়ে উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

২) ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের জন্য ধনে পাতা অত্যন্ত উপকারী। ইনসুলিনের ভারসাম্য বজায় রাখে, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে ধনেপাতা।

৩) দাঁত মজবুত করতে ও মাড়ির সুস্থতাতেও কাজে আসে এই পাতা।

৪) ধনে পাতার মধ্যে আয়রন থাকে। তাই রক্তস্বল্পতা রোধে সাহায্য করে।

৫) ধনে পাতায় রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান, যা বাত ব্যথাসহ হাড় ও জয়েন্টের ব্যথা উপশমে কাজ করে। এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে, যা হাড় মজবুত করে ও সুস্থ রাখে।

৬) স্মৃতিশক্তি প্রখর এবং মস্তিষ্কের নার্ভ সচল রাখতে সাহায্য করে ধনে পাতা।

 

বিডি-প্রতিদিন/

6
Fruit / বেগুনের অনন্য ৩ গুণ
« on: Today at 12:57:35 PM »
এশিয়া মহাদেশ জুড়েই সারা বছর বেগুন পাওয়া যায়। বেগুনের প্রচুর পুষ্টিমূল্য রয়েছে। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে বেগুনের অনন্য ৩ উপকারের কথা তুলে ধরা হলো-

১। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে-
 
আমাদের চারপাশে অনেকেরই ডায়াবেটিস আছে। নানা কারণেই তখন রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যায়। তখন যদি প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় বেগুন রাখা যায় তাহলে ভালো ফল পাওয়া যায়।
২। হজমে সাহায্য করে-
 
এই সময় অনেকেই কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগেন। এছাড়াও হজম ঠিক করে হয় না। বেগুনের মধ্যে ডায়েটারি ফাইবার থাকে। যা হজমে সাহায্য করে ও সেই সঙ্গে পুষ্টি দেয়।

৩। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়-
 
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে ও নানা রকম রোগ জীবানুর প্রকোপ থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখে, হার্টের যে কোনও রকম রোগ থেকে দূরে রাখে।


বিডি-প্রতিদিন/

7
ঘরে ও বাইরে এখন প্রচণ্ড গরম। বৈশাখ মাস হলেও খুব একটা বৃষ্টির দেখা নেই। গরম থেকে বাঁচতে রাত-দিন ফ্যান চালাচ্ছেন, একটু সামর্থ্যবান হলে কিনে নিচ্ছেন এসি। তবে সমস্যা হচ্ছে বিদ্যুৎ বিল প্রতি মাসে বেড়েই চলেছে।।

এছাড়া বাতি, ফ্রিজ, কম্পিউটার, ওয়াশিং মেশিন, ওভেন, ব্লেন্ডার, আয়রন মেশিনসহ আরো অনেক কাজে বিদ্যুৎ খরচ তো হয়ই।

তবে এখন প্রশ্ন হলো এই গরমে বিদ্যুৎ বিল তো প্রতিমাসেই বাড়ছে। তবে আপনি জানেন কি? কিছু কৌশল মেনে চললে বিদ্যুৎ বিল কমে যাবে বা অতিরিক্ত বিল আপনাকে দিতে হবে না।

আসুন জেনে নেই গরমে বিদ্যুৎ বিল কমানোর ৯ কৌশল।

১. অহেতুক অপচয় করার মানসিকতা বাদ দিতে হবে। বাড়িতে অনেকগুলো ঘর থাকলে যে ঘরে কেউ থাকছে না সে ঘরের বাতি ও ফ্যান বন্ধ রাখুন।

২. ঘর থেকে বাইরে গেলে বাতি, ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রের সুইচ বন্ধ করে বের হন।

৩. কিছুদিনের জন্য কোথাও বেড়াতে গেলে মেইন সুইচ বন্ধ করতে ভুলবেন না।

৪. প্রাকৃতিক আলো-হাওয়ায় ভরসা রাখতে হবে। ঘরের দেয়াল, ছাদ, পর্দা ও আসবাবপত্র সমূহে সাদা রঙের ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। ঘর ঠাণ্ডা থাকে।

৫. ফ্রিজে গরম খাবার রাখবেন না। গরম খাবার রাখলে মাসে এক দিন ফ্রিজ খালি করুন। ফ্রিজ পরিষ্কার করুন ও অপ্রয়োজনে ফ্রিজ চালাবেন না।

৬. এসি চালানোর ব্যাপারে সতর্ক হন। সারারাত এসি চালাবেন না। তিন ঘন্টা এসি চালানোর পর ফ্যান চালিয়ে দিন।

৭. একবারে অনেকগুলো কাপড় একসঙ্গে ইস্ত্রি করুন। ততে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচবে।

৮. এলইডি আলো প্রচুর বিদ্যুৎ বাঁচায়। বাড়িতে এলইডি লাইট ব্যবহার করুন।

৯. ল্যাপটপ, মোবাইল এবং ডিজিটাল ক্যামেরাসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরজ্ঞাম চার্জ দেওয়ার পর চার্জার খুলে রাখুন।

সূত্র : জি নিউজ

8
 উত্তর : কবুল রোজা একমাত্র আল্লাহর জন্য, এর বদলা আল্লাহ নিজ হাতে দেবেন। এ ছাড়াও পরকালীন ফল সম্পর্কে রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি রমজান মাসের রোজা ঈমান ও সওয়াব লাভের চেতনা সহকারে আদায় করবে, তার পূর্ববর্তী ও পরবর্তী গোনাফ মাফ হয়ে যাবে।’ মোটকথা, রোজা রাখতে হবে ঈমান সহকারে যে, তা আল্লাহপাক ফরজ করেছন। তা অবশ্যই পালন করতে হবে। রোজা রাখার ফলেই আল্লাহর সন্তুষ্টি ও রেজামন্দি অর্জন করা সহজতর হয়। তা ছাড়া রোজা রাখতে হবে এহতেছাব বা দৃঢ়সঙ্কল্প সহকারে। কেননা, মাকবুল রোজার বিনিময় আল্লাহপাক কতখানি প্রদান করবেন, তা কেবল তিনিই জানেন। তাই রোজা পালনের অফুরন্ত বিনিময় লাভের প্রত্যাশাকে দৃঢ় হতে দৃঢ়তর করে তুলতে হবে।


Source:https://www.dailyinqilab.com/article/204811/

9
উত্তর : এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তোমাদের নিকট রমজান মাস সমুপস্থিত। তা অত্যন্ত বরকতময় মাস। আল্লাহ তায়ালা এই মাসের রোজা তোমাদের প্রতি ফরজ করেছেন। এই মাসে আকাশের দুয়ারসমূহ উন্মুক্ত হয়ে যায়। এই মাসে জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয় এবং এই মাসে বড় বড় ও সেরা শয়তানগুলো আটক করে রাখা হয়। আল্লাহরই জন্য এই মাসে একটি রাত আছে, যা হাজার মাস অপেক্ষাও অনেক উত্তম। যে লোক এই রাত্রির মহাকল্যাণ লাভ হতে বঞ্চিত থাকল সে প্রকৃতই বঞ্চিত ব্যক্তি।


Source:https://www.dailyinqilab.com/article/203150/

10
আমাদের শরীরের একটি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গের নাম অ্যাপেন্ডিক্স। আর এই অ্যাপেন্ডিক্সে কোনো কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে যে সমস্যার সৃষ্টি হয় সেটি অ্যাপেনডিসাইটিস নামে পরিচিত। বিশ্বের প্রায় ৫ শতাংশ মানুষের ক্ষেত্রে অ্যাপেনডিসাইটিস প্রাণ সংশয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

বৃহদান্ত্র এবং ক্ষুদ্রান্ত্রের সংযোগস্থলে বৃহদান্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছোট্ট একটি থলির মতো এই অঙ্গটিতে কোনো ভাবে খাদ্য বা ময়লা ঢুকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে সময় মতো সময় মতো অস্ত্রোপচার করা না গেলে বা সমস্যা ধরা না পড়লে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে!
অ্যাপেন্ডিক্সের সংক্রমণে পেটে ব্যথা হয়, এ কথা আমরা অনেকেই জানি। তবে ঠিক কোন ধরনের ব্যথা বা কী কী উপসর্গ দেখে বুঝবেন পেটে ব্যথার কারণ  অ্যাপেনডিসাইটিসের সংক্রমণ? আসুন আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে তা জেনে নেওয়া যাক-

উপসর্গ ও লক্ষণসমূহ:

১) পেটে যন্ত্রণা হওয়া। সাধারণত নাভির কাছ থেকে শুরু করে পেটের ডান দিকের নিচে এই ব্যথা ছড়িয়ে পড়ে।

২) পেটে যন্ত্রণার সঙ্গে বমি বমি ভাব।

৩) বমি হওয়া।

৪) খিদে না পাওয়া।,

৫) কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়ার সমস্যা।

৬) পেটের যন্ত্রণায় জ্বর আসা। তবে এ ক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি হয় না।

‌‌

বিডি-প্রতিদিন/

11
দৈনন্দিন জীবনে মাঝে মাঝে কষ্টে পড়তে হয়। এটা জীবনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই কষ্টের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক বেশ দৃঢ়। অবশ্য কারো কারো জীবনে কষ্টটা বিলাসিতার মতো। আবার কারো ক্ষেত্রে অসহনীয়। তবে আল্লাহ কাউকে সাধ্যতীত বোঝা চাপিয়ে দেন না।

পবিত্র কোরআনে এসেছে, ‘আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা কখনো দেন না। প্রত্যেকেই যা ভালো করেছে তার পুরস্কার পায়, যা খারাপ করেছে তার পরিণাম ভোগ করে।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত: ২৮৬)

মানুষের জীবনে কষ্ট নানান বেশে আসে। প্রতিটা কষ্টে মানুষ কিছু না কিছু হারায়। কেউ কেউ হয়তো ভাবেন, মহান স্রষ্টা আল্লাহ তাআলাকে এতো মেনে চললাম তাও কষ্ট দিলেন, চাকরিটা কেড়ে নিলেন, ফসল নষ্ট করে দিলেন কিংবা প্রিয়জন কেড়ে নিলেন!? স্রষ্টার প্রতি হয়তো বিশাল অভিমান, কী অপরাধে স্রষ্টা এত কষ্ট দিচ্ছেন? অথচ একবারের জন্য হলেও ভাবা উচিত- ‘তিনিই সেই সত্তা, যিনি মানুষকে হাসান এবং কাঁদান। তিনিই তো মৃত্যু দেন, জীবন দেন।’ (সুরা নাজম, আয়াত: ৪৩)

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘আমি তোমাদেরকে ভয়, ক্ষুধা, সম্পত্তি, জীবন এবং ফসল হারানো দিয়ে পরীক্ষা করবই। জীবনে কোনো বিপদ আসলে যারা ধৈর্যের সাথে চেষ্টা করে এবং বিপদে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে বলে, “আমরা তো আল্লাহরই সম্পত্তি। আল্লাহরই কাছে আমরা শেষ পর্যন্ত ফিরে যাবো” — তাদেরকে সুসংবাদ দাও! ওদের উপর তাদের প্রভুর কাছ থেকে আছে বিশেষ অনুগ্রহ এবং শান্তি। এধরনের মানুষরাই সঠিক পথে আছে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫৫-১৫৭)

অন্য দিকে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তারা কি লক্ষ্য করে দেখে না যে, প্রতিবছর তাদের উপর দুই-একবার বিপদ আসছে? এরপরও ওরা তওবা করে না, উপলব্ধি করার চেষ্টা করে না।’ (সুরা আত-তাওবা, আয়াত:১২৬)

প্রিয়নবী (সা.) হাদিসে বলেন, ‘আল্লাহ যার ভালো চান তাকে দুঃখ কষ্টে ফেলেন।’ (বুখারি, হাদিস নং: ৫৬৪৫)

হাদিসে রাসুল (সা.) আরো বলেন, ‘যদি কারো উপর কোনো কষ্ট আসে, আল্লাহ তাআলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন; যেমনভাবে গাছ থেকে পাতা ঝরে পড়ে।’  (বুখারি, হাদিস নং: ৫৬৮৪)

মানুষের প্রতিটা কষ্টের সঙ্গে সুখ মিশে আছে। ধৈর্যশীল মানুষ সেই সুখের অপেক্ষা করেন। তারা জানেন, জীবনে যত ঘোর আসুক না কেন, এক সময় তা কেটে যাবে। কষ্টের এ সময়গুলোতে ধৈর্য্যের সঙ্গে অবিচল থাকাই মুমিনের গুণ।

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘প্রতিটি কষ্টের সঙ্গে অবশ্যই কোনো না কোনো দিক থেকে স্বস্তি রয়েছে। কোনো সন্দেহ নেই, অবশ্যই প্রতিটি কষ্টের সঙ্গে অন্য দিকে স্বস্তি আছেই।’ (সুরা আল-ইনশিরাহ, আয়াত: ৫-৬)

বলাবাহুল্য, মানুষের প্রতিটি কষ্টই ক্ষণস্থায়ী। আর কষ্টের বিনিময়ে মানুষকে সর্বোত্তম বিনিময় দেওয়া হবে। এ বিষয়ে মহান আল্লাহ প্রতিজ্ঞা করে বলেছেন। অথচ আল্লাহ তাআলা প্রতিজ্ঞা না করলেও কোনো অসুবিধা নেই। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

সূত্রঃhttps://www.banglanews24.com/islam/news/bd/713235.details

12
আপাত দৃষ্টিতে রক্তশূন্যতাকে খুব বড় কোনো রোগ বলে মনে না হলেও, যে কোনো বড় অসুখের শুরু হতে পারে এই রক্তশূন্যতা থেকেই। পুষ্টিবিদদের মতে, রক্তশূন্যতা বিশ্বের সবেচেয়ে বড় অপুষ্টিজনিত সমস্যা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন পূর্ণবয়স্ক নড়ি জন্য রক্তে হিমোগ্লোবিন ১২.১ থেকে ১৫.১ গ্রাম/ডেসিলিটার, পুরুষের রক্তে ১৩.৮ থেকে ১৭.২ গ্রাম/ডেসিলিটার, শিশুদের রক্তে ১১ থেকে ১৬ গ্রাম/ডেসিলিটার থাকা স্বাভাবিক। রক্তে হিমোগ্লোবিন এর চেয়ে কমে গেলে তাকে ‘রক্তশূন্যতা’ বলেই ধরে নেন চিকিৎসকরা। আসুন এবার চীনে নেওয়া যাক রক্তশূন্যতা'ড় লক্ষণগুলি-
রক্তশূন্যতা লক্ষণ-

১) রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত ব্যক্তি অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠেন। সামান্য কাজ করলেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

২) অনেক সময় রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের বিভিন্ন অংশের ত্বক ফ্যাকাশে হতে শুরু করে।

৩) আয়রনের অভাবে রক্তশূন্যতা হতে পারে। রক্তশূন্যতায় আক্রান্ত ব্যক্তির আয়রনের অভাবে অতিরিক্ত চুল ঝরে যেতে শুরু করে।

৪) রক্তাল্পতায় আক্রান্তকে বিষণ্ণতায় ভুগতে দেখা যায়। সর্বক্ষণ দুর্বলতা আর মাথাব্যথা হওয়ার কারণে রোগীকে ক্রমশ বিষণ্ণতা গ্রাস করে।

৫) রক্তাল্পতার আর একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হল, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া। রক্তশূন্যতার কারণে হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত শরীরে সঞ্চালনের জন্য পাম্প করতে পারে না। ফলে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেড়ে যায়।

এবার রক্তশূন্যতাড় কারণগুলি সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক-

১) পুষ্টিহীনতা আর শরীরে আয়রন ও ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি হলে।

২) দীর্ঘদিন ধরে ব্যথার ওষুধ সেবনের ফলে রক্তাল্পতার সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

৩) থ্যালাসেমিয়াসহ কিছু জন্মগত রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা রক্তাল্পতায় ভোগেন।

৪) পাকস্থলী ও অন্ত্রের ক্ষত বা আলসারের কারণে ক্রমাগত বমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্তক্ষরণ হওয়া, অন্ত্রে কৃমির সংক্রমণ বা অর্শরোগে (পাইলস) রোগীর অতিরিক্ত রক্তপাতের কারণেও রক্তাল্পতার সমস্যা দেখা দিতে পারে।


বিডি-প্রতিদিন/

13
এলাচ এমন একটি মসলা যা ঠাণ্ডা, গলাব্যথা-সহ নানান অসুখ দূর করতে সাহায্য করে। এলাচ উচ্চ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। কালো এলাচ ঠাণ্ডা ও কফজনিত সমস্যা দূর করে। এর অ্যান্টিসেপ্টিক সমৃদ্ধ বীজ থেকে পাওয়া তেল যা গলাব্যথা সারাতে কার্যকর।

রান্নায় ব্যবহার করা ছাড়াও এলাচের কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে। এটি প্রাকৃতিক মাউথ ফ্রেশনার হিসেবেও অনেকে ব্যবহার করে থাকেন। চলুন জেনে নিই, এলাচের কিছু অবিশ্বাস্য উপকারিতার কথা।
পেটের সমস্যা দূর করে

এলাচ পেটের ফাঁপা অবস্থা হ্রাস করে, কারণ প্রাকৃতিকভাবেই এলাচ বায়ুনাশকারী হিসেবে কার্যকরী। এটি পরিপাকে সাহায্য করে এবং পিত্তরসের প্রবাহ বৃদ্ধি করে থাকে। দেহের ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ দূর করতেও এলাচের বিকল্প পাওয়া কঠিন।

দুর্গন্ধ দূর করতে

মাউথ ফ্রেশনার হিসেবে এলাচ কাজ করতে সক্ষম। এলাচ মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে, ফলে মুখে দুর্গন্ধ থাকে না। তাই মুখে দুর্গন্ধ হলে একটি এলাচ চুষে খান। দেখবেন, দুর্গন্ধ একেবারে দূর হয়ে গেছে।

শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যায়

এলাচ শ্বাসপ্রশ্বাসজনিত সমস্যার বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারদর্শী। হুপিংকাশি, ফুসফুস সংক্রমণ, অ্যাজমার মতো নানা সমস্যায় এলাচ খুব কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

রক্ত জমাট বাধার সমস্যায়

এলাচে বিদ্যমান ডিউরেটিক উপাদান উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হ্রাস করে। মূলত দেহের বাড়তি ফ্লুইড বের করে এলাচ এই কাজটি করে থাকে। এছাড়া এলাচের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে রক্তনালীতে রক্ত জমে যাওয়ার সমস্যা দূর করা। প্রতিদিন এলাচ খেলে রক্তের ঘনত্ব স্বাভাবিক থাকে।

কিডনির সমস্যা দূর করে

কিডনির সমস্যার দূর করতে এলাচ খুব ভালো কাজ করে। এলাচ মূত্রত্যাগের বিষয়টি উদ্দীপ্ত করে এবং রক্তচাপ কমাতে সহায়তা করে। কিডনিতে জমতে থাকা ক্যালসিয়াম ও ইউরিয়া দূর করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত এলাচ গ্রহণ করলে বিভিন্ন ধরণের কিডনির সমস্যা, মূত্র থলির সমস্যা, কিডনি পাথর, নেফ্রাইটিস, মূত্র ত্যাগের সময় জ্বালাপোড়া বা ব্যথা করা ও ঘন ঘন মূত্র ত্যাগের সমস্যা নিরাময়ে কাজ করে।

বিডি-প্রতিদিন/

14
চলছে গ্রীষ্মকাল। তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। ভয়ঙ্কর গরমের হাত থেকে রক্ষা পেতে এখন এসি চাই ৷ কিন্তু ইলেকট্রিক বিল? সেটার কী হবে? এসি বা বিলের চিন্তা মাথা থেকে নামিয়ে নিন। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নিন, আপনার ঘর এসি ছাড়াই ঠাণ্ডা রাখতে পারবেন এই ৫ উপায়ে-

১। ঘরে যদি কাচের জানলা থাকে, তাহলে মোটা পর্দা দিন। পর্দাটা যেন গাঢ় রঙের হয়। গরম কালে হালকা রঙের পর্দা একদম নয়।
২। বাজার থেকে খসের পর্দা কিনে নিয়ে আসুন। জানলায় লাগিয়ে দিন। মাঝে মধ্যেই পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিন।

৩। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের আলো জ্বালাবেন না। ঘরে বাল্বের বদলে টিউব লাইট ব্যবহার করুন।

৪। ঘর মোছার সময়, পানির মধ্যে কিছুটা পরিমাণ লবণ ঢেলে দিন। লবণ পানিতে ঘরের তাপমাত্রা সঠিক থাকবে।

৫। ঘরের মধ্যে গাছ রাখুন।

 

বিডি-প্রতিদিন/

15
Fruit / কলা মানেই ম্যাজিক!
« on: April 24, 2019, 02:11:18 PM »
অনেকেই খাদ্য তালিকায় যা রাখেন তাতে আখেরে লাভ তো কিছুই হয় না, উল্টে দিনের পর দিন সমস্যা বাড়তেই থাকে। কাজে লাগে না সকালের ব্যায়ামও। তাই আপনি কী খাবেন মেনু ভেবে চিন্তে ঠিক করুন। আর গরম হলে তো কথায় নেই। কিন্তু সারা বছর যেটি আপনি আপনার খাবার মেনুতে রাখতে পারেন তাহলো একটি করে কলা। কেন জানেন?

১) কলা শুধু ফিট থাকতেই সাহায্য করে না, এই কলাতে রয়েছে ভিটামিন-সি এবং ই। ক্যান্সার প্রতিরোধেও কলার ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হয়।
২) কলাতে রয়েছে মিনারেল, শর্করা, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম। এই সবই শরীরে বাড়তি এনার্জি এনে দেয়।
৩) কলা কিন্তু বেশ কাজের। একটি কলা খেলে তা পেট ভরিয়ে দয় নিমেষেই৷

৪) কলা কিন্তু ওজন কমাতেও সাহায্য করে বলে মনে করেন অনেকে। কলা থেকে তৈরি কেক বা চিপস্ অথবা বানানাশেক অনেকের প্রিয়।

৫) কলা যেমন পেট এবং স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী, তেমনই আপনার ত্বকের জেল্লা ফেরাতেও সক্ষম। তাই এলার্জি সংক্রান্ত বা চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে, একটা কলা নাস্তার টেবিলে রাখার কথা ভাবতে পারেন।


বিডি প্রতিদিন/

Pages: [1] 2 3 ... 14