Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - deanoffice-fahs

Pages: [1] 2 3 ... 10
1

ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হওয়ার আগে ওষুধ সম্পর্কে কয়েকটি প্রশ্ন করে বিস্তারিত জেনে নিন।
অনেকেরই রোগ সেরে যাওয়ার কিংবা সামান্য সুস্থ বোধ করলেই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার প্রবণতা আছে।

চিকিৎসকের পরামর্শপত্রকে টেক্কা দিয়ে ডাক্তারি না করে চিকিৎসককেই আরও কিছু প্রশ্ন করে জেনে নিতে হবে তার লিখে দেওয়া ওষুধ সম্পর্কে।

কী সেই প্রশ্ন? স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে সেই বিষয়ে জানানো হল।

কোন ওষুধের কী কাজ?

চিকিৎসকের লিখে দেওয়া ওষুধ অন্ধ-বিশ্বাসে খাওয়া হয়। তবে কী ওষুধ? কেনো খাচ্ছি? এ ব্যাপারে কৌতুহল দেখানো দোষের কিছু নয়। তাই জেনে নিন তার দেওয়া ওষুধগুলো কীভাবে সুস্থ করবে। আর কেনোই বা এই ওষুধগুলো শারীরিক সমস্যার জন্য উপকারী।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে কি?

যে ওষুধই খান না কেনো, তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে জানা দরকারী। অনেক সময় চিকিৎসকরা নিজেরাই বলে দেন এ সম্পর্কে। তবে আপনার নিজের জানার আগ্রহ থাকা বেশি জরুরি। কারণ চিকিৎসক সবসময় সঙ্গে থাকবেন না, তাই সম্ভাব্য সমস্যাগুলো আগেই জেনে নিতে হবে।

কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বিপজ্জনক?

মৃদু থেকে মারাত্বক, ওষুধের সবমাত্রার ও ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে। এক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সবাইকে তা আক্রমণও করে না। আবার প্রতিক্রিয়ার ধরনও ভিন্ন হতে পারে। তাই যে ওষুধগুলো দেওয়া হয়েছে তাদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলে কোনগুলো বিপজ্জনক সেটাই জেনে নিতে হবে। যাতে এমন কিছু দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে ফিরে যেতে পারেন।

ওষুধ খাওয়া বন্ধ করলে কী হবে?

কিছু ওষুধ রোগ মুক্তির মাঝ পথে বন্ধ করে দিলে সমস্যা হয় না, আবার কিছু ওষুধ রোগ পুরোপুরি নিরাময় হয়ে গেলেও পুরো কোর্স পূর্ণ করতে হয়। কিছু ওষুধ আবার বিশেষ সমস্যা হলেই খেতে হয়।

তাই পরামর্শপত্রের ওষুধগুলো সম্পর্কে এই বিষয়গুলো জেনে নেওয়া জরুরি। আবার কোনো রোগের উপর কোনো ওষুধের ক্ষতিকর প্রভাব আছে কিনা সেটাও জানতে হবে।

কখন খেতে হবে?

ওষুধ সেবনের নিয়ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেকসময় নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে ওষুধ ব্যবহার না করার কারণে রোগ নিরাময়ে দেরি হতে পারে, এমনকি ওষুধ পুরোপুরি বৃথাও যেতে পারে। ডাক্তাররা সবসময়ই ওষুধ খাওয়ার সময় নির্ধারণ করে দেন, তবে আপনি তো ভুলে যেতেই পারেন। তাই ওষুধের সময়ানুবর্তীতা কতটা জরুরি সে বিষয় জেনে নিতে হবে।

কীভাবে খেতে হবে?

অনেক সময় চিকিৎসকরা দুধের সঙ্গে মিশিয়ে বিশেষ কিছু ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দেন, যাতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, হজমের সমস্যা, পাকস্থলিতে অস্বস্তি বা আলসার হওয়ার ঝুঁকি কমে। এ বিষয়েও চিকিৎসককে প্রশ্ন করে নিতে হবে।

কতদিন খাওয়া লাগবে?

এটাও চিকিৎসকরা বলে দেন। তবে জানতে হবে ওষুধের প্রভাব চোখে পড়তে কতদিন সময় লাগবে। এতে রোগ নিরাময়ের ধারা নিজেই পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।


https://bangla.bdnews24.com/lifestyle/article1610939.bdnews

2
যুক্তরাজ্যে এইডস আক্রান্ত এক রোগীকে স্টেম সেল প্রতিস্থাপন করে এইচআইভি ভাইরাস মুক্ত করতে পেরেছেন চিকিৎসকরা।

খবর > স্বাস্থ্য
স্টেম সেল প্রতিস্থাপনে এক ব্রিটিশ এইচআইভি ‘মুক্ত’

  নিউজ ডেস্ক,  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published: 05 Mar 2019 10:19 PM BdST Updated: 05 Mar 2019 10:19 PM BdST

যুক্তরাজ্যে এইডস আক্রান্ত এক রোগীকে স্টেম সেল প্রতিস্থাপন করে এইচআইভি ভাইরাস মুক্ত করতে পেরেছেন চিকিৎসকরা।

বিশ্বে এ নিয়ে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা এ সাফল্য পেলেন। বিজ্ঞান বিষয়ক ন্যাচার সাময়িকীর প্রতিবেদনে একথা জানানো হয়েছে।

রোগীর নাম প্রকাশ না করে তাকে বলা হচ্ছে লন্ডন রোগী। বিবিসি জানায়, ২০০৩ সালে তার এইচআইভি সংক্রমণ ধরা পড়েছিল এবং ২০১২ সালে তার হজকিন লিম্ফোমা ক্যান্সার ধরা পড়ে।

ক্যান্সারের চিকিৎসা চলার মাঝেই চিকিৎসকরা তাকে এইচআইভি মুক্ত করলেন।কেমোথেরাপি দিয়ে ক্যান্সারের চিকিৎসা করার পাশাপাশি এইচআইভি প্রতিরোধী একজনের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে পাওয়া স্টেম সেল ওই রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

এরপর তার শরীরে ক্যান্সার এবং এইচআইভি দুয়েরই বিস্তার কমে আসে।খুঁজে পাওয়া যায়নি ভাইরাসের অস্তিত্ব। অন্তত ১৮ মাস ধরে তিনি এইচআইভি মুক্ত আছেন এবং আর এইচআইভি প্রতিরোধক ওষুধও নিচ্ছেন না।

তবে গবেষকরা বলছেন, রোগী এইচআইভি ভাইরাস মুক্ত হলেও সুস্থ হয়ে গেছেন—তা বলার সময় এখনো আসেনি।

রোগীর চিকিৎসায় জড়িত ছিলেন ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন,ইমপেরিয়াল কলেজ লন্ডন, কেমব্রিজ ও অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকরা।

তারা জানান, দ্বিতীয়বারের মত কোনো রোগীকে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং ফলস্বরূপ এইচআইভি থেকে তিনি আপাতত রেহাই পেয়েছেন।

১০ বছর আগে বার্লিনে এক রোগীকে প্রাকৃতিকভাবে এইচআইভি প্রতিরোধে সক্ষম এক দাতার কাছ থেকে বোন-ম্যারো নিয়ে তা প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল।ওই রোগী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক টিমোথি ব্রাউন; যিনি ‘দ্য বার্লিন পেশেন্ট’ নামেও পরিচিত।

বলা হয়, ব্রাউনই প্রথম ব্যক্তি যিনি এইডস’কে পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ব্রাউনের শরীরে দুইবার বোন-ম্যারো প্রতিস্থাপন করা হয় এবং লিউকোমিয়ার জন্য তার সারা শরীরে রেডিও থেরাপি দেওয়া হয়।

গবেষকদের একজন অধ্যাপক রবীন্দ্র গুপ্তা বলেন, “দ্বিতীয় রোগীকে একই চিকিৎসা দিয়ে তার রোগের উপশম করতে সক্ষম হওয়ার মধ্য দিয়ে আমরা দেখাতে পেরেছি দ্য বার্লিন পেশেন্টের ঘটনা ব্যতিক্রম ছিল না। সত্যিকার ভাবে ওই চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করে দুই ব্যক্তির শরীর থেকে এইচআইভি ভাইরাস দূর করা গেছে।”

স্টেম সেল প্রতিস্থাপন এইচআইভি ভাইরাস নির্মূলের লড়াইয়ে নতুন আশা জাগিয়ে তুলেছে বলেই মনে করেন ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক এদুয়ার্দো ওলাভারিয়া।

তবে তিনি বলেন, “এ পদ্ধতিকে এখনই এইচআইভি চিকিৎসায় মানসম্মত পদ্ধতি বলা যাবে না। কারণ, এখানে লিম্ফোমার চিকিৎসায় কেমোথেরাপির মত বিষাক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহারের প্রয়োজন পড়েছে।”

https://bangla.bdnews24.com/health/article1599535.bdnews

3
রক্তের প্রধান দুটি উপাদান হলো রক্তকোষ ও রক্তরস। লোহিত রক্তকণিকায় থাকে হিমোগ্লোবিন নামের রঞ্জক পদার্থ, যা দেহের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে। তাই হিমোগ্লোবিন কমে গেলে সারা শরীরে দেখা দেয় বিরূপ প্রতিক্রিয়া। আর রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার নাম হলো অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা।

কেন হয় অ্যানিমিয়া?

নানা কারণে রক্তশূন্যতা হতে পারে। রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরির কাঁচামাল আয়রন কমে গেলে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা হতে পারে। এ ছাড়া ভিটামিন বি ও ফলিক অ্যাসিডের ঘাটতি, দীর্ঘমেয়াদি রোগ (যেমন কিডনি বিকল), দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ (যেমন যক্ষ্মা), ক্যানসার, থাইরয়েডের সমস্যা, অস্থিমজ্জায় সমস্যা, সময়ের আগে রক্তকণিকা ভেঙে যাওয়া, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি হতে পারে রক্তশূন্যতার কারণ। তবে সব ধরনের কারণের মধ্যে আয়রন ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের মধ্যে এর হার বেশি। এতে বিরূপ প্রভাব পড়ে শিশুর ওপর, মাতৃমৃত্যুর হারও যায় বেড়ে।

কেন আয়রনের ঘাটতি?

প্রধান কারণ অপুষ্টি। খাদ্যে পর্যাপ্ত আয়রন না থাকলে বিশেষ করে অন্তঃসত্ত্বা মায়েদের আয়রনের ঘাটতি হয়। আরেকটি কারণ নারীদের অতিরিক্ত মাসিকে রক্তক্ষরণ। অন্য কোনো কারণে দীর্ঘমেয়াদি রক্তক্ষরণ থাকতে পারে, যেমন পেপটিক আলসার, কৃমি, পাইলস, অন্ত্রে বা পাকস্থলীতে ক্যানসার, দীর্ঘদিন ব্যথানাশক সেবন ইত্যাদি।

কীভাবে বুঝবেন?

চোখ-মুখ ফ্যাকাশে মনে হওয়া, দুর্বলতা, ক্লান্তি, অবসাদ, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, মুখে-ঠোঁটে ঘা ইত্যাদি রক্তশূন্যতার সাধারণ লক্ষণ। রক্তশূন্যতার মাত্রা তীব্র হলে শ্বাসকষ্ট, বুকে চাপ লাগা এমনকি হার্ট ফেইলিউরও হতে পারে। রক্তশূন্যতা সন্দেহ করা হলে রক্তের একটি কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট করা জরুরি। এটি দেখে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ও লোহিত কণিকার পরিমাণ, আকার, রঞ্জক পদার্থের ঘনত্ব ও মান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসক আরবিসি ইনডেক্স দেখে রক্তশূন্যতার কারণ অনুমান করতে পারেন। তবে প্রকৃত কারণ শনাক্ত করার জন্য পরে অন্যান্য পরীক্ষারও প্রয়োজন হয়।

চিকিৎসা কী?

রক্তশূন্যতা হলে আয়রন বড়ি কিনে খেলেই হলো—এ ধারণা ঠিক নয়। রক্তশূন্যতার চিকিৎসার মূল বিষয় কারণটি খুঁজে বের করা। যেমন পেপটিক আলসার, পাইলস বা ক্যানসার শনাক্ত করা বা কেন মাসিকে বেশি রক্তক্ষরণ হচ্ছে, তা খোঁজা। রোগীকে আয়রনের ঘাটতি পূরণে মুখে বড়ি দেওয়া হবে, না শিরাপথে আয়রন দেওয়া হবে, তা রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন।

https://www.prothomalo.com/life-style/article/1587666/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B6%E0%A7%82%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A6%BE-%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A6%9D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8

4
প্রতি বছর হৃদরোগে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। এ ছাড়া বহু মানুষ দীর্ঘ সময় ধরে এই রোগ বহন করে আছেন। একটু সতর্কতা ও নিয়ম মেনে চলা এ রোগ থেকে বাঁচতে পারেন আপনিও। হার্টকে সুস্থ রাখার জন্য ২০টি পরামর্শ দিয়েছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডা. দেবী শেঠি।

ভারতের এ সার্জন দেশটির নারায়ণা ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্সেসের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বাংলাদেশে বিশেষভাবে পরিচিত। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অসুস্থতার সময় ঢাকায় আসেন তিনি। তার পরামর্শেই ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে ডা. দেবী শেঠি হার্টের রোগীদের জন্য ২০টি পরামর্শ দিয়েছেন। সেগুলো তুলে ধরা হলো-

১. মাদক পরিহার করতে হবে।

২. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৩. রক্তচাপ ও সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

৪. শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবার কম খেতে হবে।

৫. খাবারে আমিষের পরিমাণ বাড়াতে হবে।

৬. সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন আধাঘণ্টা করে হাঁটতে হবে।

৭. শাকজাতীয় নয়, এমন খাবার খাওয়া কমাতে হবে।

৮. অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস পরিহার করতে হবে।

৯. হৃদযন্ত্রের জন্য সবচেয়ে ভালো খাবার ফল ও সবজি।

১০. হৃদযন্ত্রের জন্য যেকোনো তেলই খারাপ। এটি পরিহার করতে হবে।

১১. নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করতে হবে।

১২. সুগার ও কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

১৩. নিয়মিত রক্তচাপ পরিমাপ করতে হবে।

১৪. ত্রিশোর্ধ্ব সবার নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা উচিত।

১৫. জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করতে হবে।

১৬. জগিং করার চেয়ে হাঁটলে ভালো থাকা যায়।

১৭. জগিং করলে মানুষ দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যায় এবং জয়েন্টে ব্যথা হয়।

১৮. হার্ট অ্যাটাক হলে রোগীকে প্রথমে শুইয়ে দিতে হবে।

১৯. জিহ্বার নিচে একটি অ্যাসপিরিন ট্যাবলেট রাখতে হবে।

২০. অ্যাসপিরিনের পাশাপাশি একটি সরবিট্রেট ট্যাবলেটও রাখতে হবে।

http://www.sharenews24.com/article/15726/index.html?fbclid=IwAR2cNQRYTwJ2LTdfAx-Tyy5ZdFf934Rdtrby7eqBWjDejtlGw-5DcqQGuMM

5
ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ দূর করতে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। অ্যান্টিবায়োটিক সংক্রমণের বৃদ্ধি কমিয়ে দেয় বা বন্ধ করে দেয়। ব্যাকটেরিয়া দিয়ে সংক্রমিত হলে চিকিৎসকরা আমাদের অ্যান্টিবায়োটিক দেন। তবে কিছু প্রাকৃতিক উপাদানও রয়েছে, যেগুলো অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে। এই ভেষজ উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে এসব প্রাকৃতিক উপাদানগুলোর কথা।

১. হলুদ

হলুদের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এগুলো ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করতে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধেও কাজ করে।

২. আদা

আদা বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ  প্রতিরোধ করে। শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা প্রতিরোধে আদা খুব ভালো ঘরোয়া উপাদান।

৩. নিম

নিমের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান। এটি ব্রণ তৈরির ব্যাকটেরিয়াগুলোর সঙ্গে লড়াই করে, মুখগহ্বরের সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করে, ক্ষয় ও মাড়ির রোগ প্রতিরোধ করে।

৪. মধু

মধুও আরেকটি চমৎকার অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান। এটি ব্যাকটেরিয়া উৎপন্ন হওয়াকে ব্যাহত করে।

৫. জলপাইয়ের তেল

জলপাইয়ের তেলও ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিভাইরাল উপাদান। এগুলো ত্বকের সংক্রমণ কমায়।
https://www.ntvbd.com/health/44683/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8

6
কিডনির পাথর খুব প্রচলিত একটি সমস্যা। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পানের অভাব কিডনিতে পাথর হওয়ার অন্যতম কারণ। আরেকটি কারণ হলো, শরীরে অতিরিক্ত অক্সালেট অথবা ফসফেটের উপস্থিতি।

কিডনির পাথর প্রতিরোধে ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেক খাবার রয়েছে যেগুলো কিডনির পাথর হওয়ার প্রক্রিয়া বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই এগুলো এড়িয়ে যাওয়া বা কম খাওয়াই ভালো।

কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে, এমন কিছু খাবারের নাম জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। 

১. সোডিয়াম

কিডনি ভালো রাখতে লবণ কম খাওয়া ভালো। সোডিয়াম ক্যালসিয়াম তৈরিতে কাজ করে এবং এর আধিক্য হলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। তাই প্রক্রিয়াজাত ফাস্টফুড এড়িয়ে চলুন; খাবারে লবণ কম ব্যব্হার করুন।

২. ভিটামিন সি

ভিটামিন সি এর মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি ভিটামিন কিডনির ক্ষতি করতে পারে-কথাটি শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন? আসলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন সি গ্রহণ শরীরের জন্য ভালো।তবে অতিরিক্ত ভিটামিন সি গ্রহণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। দৈনিক ৫০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খাওয়া ভালো। তবে এর বেশি ভিটামিন গ্রহণ অক্সালেট তৈরি করতে পারে। আর এ থেকে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে।

৩. সফট ড্রিংক

ঠান্ডা ঠান্ডা সফট ড্রিংক খেতে অনেকেই পছন্দ করেন। তবে সোডার মধ্যে থাকা ফসফরিক এসিড শরীরের জন্য ক্ষতিকর। কারণ, এতে ফসফেট রয়েছে। আর এটি কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। তাই এই পানীয়টি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

৪. প্রাণীজ প্রোটিন

হ্যাঁ, অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন, যেমন, লাল মাংস( গরু, খাসি), সিফুড ইত্যাদি বেশি পরিমাণ খাওয়া কিডনির পাথর তৈরি করতে পারে। এই ধরনের প্রাণীজ প্রোটিন ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়ায় এবং সাইট্রেটের পরিমাণ কমায়। ইউরিক এসিড কিডনির পাথর তৈরি করতে পারে। তাই কিডনির পাথর প্রতিরোধে এই ধরনের খাবার কম খাওয়াই ভালো।
https://www.ntvbd.com/health/244355/%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A1%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%AE-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A8

7


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবুল হোসেনের ল্যাব-টেস্ট মোতাবেক ব্রয়লার মুরগির মাংসে ২০০০ মাইক্রোগ্রাম, কলিজায়-৬১২ মাইক্রোগ্রাম, এবং মগজে- ৪০০০ মাইক্রোগ্রাম ক্যান্সার সৃষ্টকারী বিষাক্ত ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে।

WHO-এর গাইডলাইন অনুসারে মানুষের শরীরে ক্রোমিয়ামের সহনশীয় মাত্রা ২৬-৩৫ মাইক্রোগ্রাম।

ফার্মের মুরগির ডিমেও আছে সহনীয় মাত্রার চেয়ে ৬-৭ গুণ বেশি ক্রোমিয়াম। এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে মুরগী ও মাছের ফিড তৈরিতে ক্রোমিয়াম মিশ্রিত টেনারির বর্জ্য ব্যবহার হয় যা পুরান ঢাকার টেনারিগুলো থেকে আসে। হাইকোর্টের একটি নিষেধাজ্ঞাও আছে এই ক্রোমিয়াম মেশানো নিয়ে।

চাষের মাছগুলোতে আছে উচ্চমাত্রার নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক। ক্রোমিয়াম, নাইট্রোফোরন ও আর্সেনিক ১ম সারির ক্যান্সার সৃষ্টিকারী বিষাক্ত ক্যামিক্যাল। আর্সেনিক দিয়ে তো ইঁদুর মারার বিষ বানানো হয়।

এখন বলুন, সাধারণ মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন যোগান দেবে কোন খাবারটি?

গত সপ্তাহে মলা-ঢেলা মাছ কিনলাম ৪৫০ টাকা কেজি দরে। নদী ও সামুদ্রিক মাছের দাম আকাশচুম্বী! সহজলভ্য তেলাপিয়া, পাংগাস ও অন্যান্য মাছের শরীর নাইট্রোফোরন, ক্রোমিয়াম ও আর্সেনিকে ঠাসা, কারণ এই মাছগুলো ক্ষতিকর মাত্রার আর্সেনিকযুক্ত সেচের পানিতে চাষ হয় ও চাষে টেনারির বর্জ্য দিয়ে প্রস্তুত ফিড ব্যবহার করা হয়।

কোরবানির পশুর চামড়ার পশম পুড়তে ব্যবহৃত হয় ক্রোমিয়াম ও নাইট্রোফোরনযুক্ত ক্যামিক্যাল। চামড়া প্রসেজের পর উপজাত হিসেবে প্রাপ্ত হাজার-হাজার টন বর্জ্য পোল্ট্রি ও মাছের ফিড বানাতে ব্যবহার করা হয়।

কার্বো-হাইড্রেটের পরেই শরীরের জন্য বেশি দরকার আমিষ। সাধারণ মানুষ কোথা থেকে পাবে নির্মল আমিষ?

এসব খাবার বর্জন কতটা টেকসই সমাধান হতেপারে?

কেবল বোবা কান্নায় বুকটা ভার হয়ে থাকে!

এ দেশের ঘরে ঘরে এখন ক্যান্সার ও কিডনি রোগী। হঠাৎ করেই মারা যাচ্ছে অল্প বয়সী তরুণ-তরুণী!

কেউ কি বলতে পারেন, বিশ্বের কোন দেশে অসাধু ব্যবসায়ীরা এমন ধরনের নৈরাজ্য করার সুযোগ পায়? কোন দেশের শিক্ষিত সচেতন সমাজ এ ধরনের নৈরাজ্য বছরের পর বছর সহ্য করে যায়?

কেন অসাধু ব্যবসায়ীদের শাস্তির আওতায় আনা হয় না? আমরা চাই দুষ্কৃতকারীদের শাস্তি হোক।মানুষ চাষ করা মাছ-মাংস খেতে নিশ্চিন্তে আমিষের অভাব পূরণ করার সুযোগ পাক।

https://bdview24.blog/%E0%A6%AD%E0%A7%9F%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%96%E0%A6%BE/

8
Nice to know...........

12
আমরা অনেকেই জানিনা যে, ভাত রান্নার পরে যে পানিটুকু আমরা ফেলে দেই তা খুবই পুষ্টিকর। ভাত যখন রান্না করা হয় তখন এর অধিকাংশ পুষ্টি উপাদান পানিতে চলে যায়, তাই এই মাড় ফেলে দেয়া উচিৎ নয়। ভাতের মাড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতার পাশাপাশি সৌন্দর্য চর্চায় ও প্রচুর অবদান রাখতে পারে।

জাপানিজ মহিলাদের সৌন্দর্যের গোপন রহস্যের মুল উপাদান হচ্ছে ভাতের মাড়। তাদের নিখুঁত ও উজ্জ্বল ত্বক আমাদের সকলেরই আরাধ্য। শুষ্ক, তৈলাক্ত বা স্বাভাবিক যে কোন ধরণের ত্বকেই ভাতের মাড় ব্যবহার করা যায়। আসুন আজ আমরা যেনে নেই স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যে ভাতের মাড়ের উপকারিতা ও প্রয়োগ পদ্ধতি গুলো।

স্বাস্থ্য উপকারিতা:

১। এনার্জি বৃদ্ধি করে

ভাতের মাড় এনার্জি লেভেল বাড়ায়। এতে প্রচুর কার্বোহাইড্রেট আছে যা শক্তির চমৎকার উৎস। আমাদের শরীর কার্বোহাইড্রেট ভেঙ্গে এনার্জি উৎপন্ন করতে পারে। সকালে এক গ্লাস ভাতের মাড় খেলে আপনি এনার্জি কমের কারণে দুর্বলতা বা মাথা ঘুরানো ভাব অনুভব করবেন না। ঠিক যেমন আমাদের দেশের কৃষক সারাদিন হার ভাঙ্গা পরিশ্রম করেও ক্লান্ত হন না কারণ তাঁরা সকালে ভাতের মার খেয়ে থাকেন।

২। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করে

ভাতের মাড়ে প্রচুর ফাইবার থাকে। এছাড়াও স্টার্চ পাকস্থলির উপকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে পেটের বর্জ্য নিষ্কাশনকে সহজতর করে।

৩। শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

ভাতের মাড় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব পূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গ্রীষ্মের তাপদাহ প্রতিরোধ করার জন্য ভাতের মাড় পান করার পরামর্শ দেয়া হয়।

৪। ভাইরাস ইনফেকশন প্রতিকারে

জ্বরে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে এবং বমি বন্ধ করতে ভাতের মাড় কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পুষ্টির ঘাটতি পূরণে এবং নিরাময় প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে ভাতের মাড়।
এছাড়াও ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতা দূর করে, এক্সিমা ভালো করে, ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, আলঝেইমার্স প্রতিরোধ করে। ভাতের মাড়ে ‘অরিজানল’ থাকে যা সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে। ভাতের মাড় পান করা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে ৮টি গুরুত্ব পূর্ণ অ্যামাইনো এসিড আছে যা পেশীর পুনর্গঠনে সহায়তা করে।

সৌন্দর্যচর্চায় ভাতের মাড়ের উপকারিতা:

১। নিখুঁত চেহারা

আপনার মুখ ধুয়ে একটি সুতি কাপড়ের টুকরা মাড়ে ভিজিয়ে সারা মুখে লাগান। ভাতের মাড় চমৎকার স্কিন টোনার হিসেবে কাজ করে। মাড়ে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স যাকে ‘ইনসিটল’ বলে প্রচুর পরিমাণে থাকে যা কোষের বৃদ্ধিকে প্রমোট করে, এজিং প্রসেসকে ধীর করে এবং রক্ত প্রবাহকে উদ্দীপিত করে যার ফলে ত্বক মসৃণ ও দীপ্তিময় হয়। এছাড়াও ভাতের মাড়ে ময়েশ্চারাইজিং, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও আলট্রা ভায়োলেট রে শোষণকারী উপাদান আছে। মাড় স্কিনে উৎপন্ন কপারকে আবদ্ধ করে যার ফলে মেলানিনের গঠন এবং এইজ স্পট বাঁধাপ্রাপ্ত হয়।

২। হেয়ার মাস্ক হিসেবে

লম্বা, সিল্কি ও চকচকে উজ্জ্বল চুলের জন্য ভাতের মাড় চমৎকার ভাবে কাজ করে।আপনার চুলে ও মাথার তালুতে ভালো করে মাড় লাগান, ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন তারপর শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
এছাড়া শ্যাম্পু করার পরে মাড় লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন তারপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। মাড়ের প্রোটিন চুলকে শক্তিশালী করে ও মসৃণ করে।
সতর্কতা: গরম মাড় ব্যবহার করবেন না, এতে ত্বকে র‍্যাশ হতে পারে এবং পুরে যেতে পারে।


http://www.medicaladvicebd.com/details/5801

13
২০০৪ সালে নিপা ভাইরাস থাবা বসায় বাংলাদেশে। সেবার ৩৩ জনের মৃত্যু হয় এর প্রভাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট অনুসারে, এখনও পর্যন্ত নিপার প্রভাবে ৪৭৭ জন আক্রান্ত হয়েছেন। যার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৫২ জনের।

নিপা বা নিভ প্রধানত বাদুর জাতীয় পশুর থেকেই ছড়ায়। নিপা অপেক্ষাকৃত নতুন ভাইরাস যা অতি সহজেই বাদুর জাতীয় তৃণভোজী প্রাণীর থেকে মানুষের দেহে প্রবেশ করে। শুধুমাত্র বাদুর নয়, নিপা শুয়োরের বর্জ থেকেও ছড়ায়।

১৯৯৮ সালে মালয়েশিয়ার নিপাতে প্রথম এই ভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেয়। সেখানে বাড়ির পোষ্য কুকুর, বেড়াল, ঘোড়া, ছাগলের দেহে এই ভাইরাসের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। ওই অঞ্চলে প্রতিটি বাড়িতেই শুয়োর প্রতিপালন হয়।

গবেষণার পর দেখা যায়, সেই শুয়োরদের থেকেই নিপার প্রভাব ছড়িয়েছে পোষ্যদের দেহে। এরপর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।

চিকিৎসকদের মতে, নিপা ভাইসারের আক্রমণে মৃত্যুর আশঙ্কা শতকরা ৭০ শতাংশ। সাধারণভাবে প্রথমে জ্বর এবং মাথা যন্ত্রণা ও ঝিমুনিই এই রোগের লক্ষণ। পরবর্তী পর্যায়ে জ্বর বাড়ে ও সেই সঙ্গে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেন রোগী। এরপর ধীরে ধীরে কোমাতে চলে যায় সে। আর এরপর মৃত্যু অনিবার্য।

এখনও পর্যন্ত এই রোগের চিকিৎসা বা প্রতিষেধক বাজারে আসেনি। ফলে, এর প্রকোপ সেভাবে আটকানো সম্ভব হয় না। তবে, এই নিয়ে বিস্তর গবেষণা শুরু হয়েছে বিশ্বজুড়ে।


বিডি প্রতিদিন/আব্দুল্লাহ সিফাত তাফসীর

http://www.bd-pratidin.com/health-tips/2018/05/23/332325

14
Nice to know........

Pages: [1] 2 3 ... 10