Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Raihana Zannat

Pages: [1] 2 3 ... 17
3
মাংসের লিভার (যকৃৎ) বা মেটে আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী, এ কথা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু মুরগির মাংসের মেটেও কি ততটাই উপকারী? জেনে নেওয়া যাক এ বিষয়ে পুষ্টিবিদদের মতামত।

১) মুরগির লিভারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, ক্যালশিয়াম, আয়রন, ফাইবার ছাড়াও আরও অনেক স্বাস্থ্যগুণে ভরপুর উপাদান।

২) মুরগির লিভার বা মেটেতে রয়েছে দস্তা বা জিঙ্ক যা জ্বর, সর্দি-কাশি, টনসিলাইটিস সৃষ্টিকারী জীবাণুর বিরুদ্ধে শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে।
৩) মুরগির লিভারে রয়েছে ভিটামিন-এ এবং বি যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি ও মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়ক।

৪) মুরগির লিভারে রয়েছে কোলাজেন ওইলাস্টিন নামের একটি উপাদান যা আমাদের শরীরের শিরা-উপশিরায় রক্ত প্রবাহ সহজ ও স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

৫) মুরগির লিভারে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আর ফাইবার যা শরীর ও হৃদযন্ত্রের পক্ষে খুবই উপকারী।
৬) মুরগির লিভার বা মেটেতে রয়েছে সেলেনিয়াম নামের একটি জরুরি উপাদান যা কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এই সেলেনিয়াম শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, ছোট-বড় সংক্রমণ, শরীরের গাঁটে গাঁটে ব্যথা, কৃমির সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম।

৭) শরীরের বিভিন্ন অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর করতে এবং দ্রুত ওজন বাড়াতে মুরগির লিভার বা মেটে অত্যন্ত কার্যকর!
এ ছাড়াও, ডায়বেটিসের মতো অসুখে আক্রান্তদের জন্য মুরগির লিভার বা মেটে খুবই উপকারী। পুষ্টিবিদদের মতে, মুরগির মাংসের তুলনায় মুরগির লিভারের পুষ্টিগুণ কোনও অংশে কম নয়। তবে একটা বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখবেন, যাঁদের উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের মুরগির মেটে না খাওয়াই ভাল। কারণ, মুরগির মেটে খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে। ফলে বাড়বে উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের সমস্যা।

তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

4
প্রায় সবার বাড়িতেই টিকটিকির ‘অনুপ্রবেশ’ ঘটে। ঘরের আনাচে কানাচে, প্রায় সর্বত্র এদের অবাধ বিচরণ! আপাত দৃষ্টিতে এটিকে নিরীহ গোছের মনে হলেও টিকটিকি মারাত্মক বিষাক্ত। বাড়িকে টিকটিকি-মুক্ত করতে অনেকেই বাজারে উপলব্ধ একাধিক রাসায়নিক যুক্ত দামি স্প্রে ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও বাড়ি থেকে টিকটিকির উপদ্রব চিরতরে বন্ধ করা যায় না। তাহলে কী করে টিকটিকি-মুক্ত করবেন আপনার বাড়ি? আসুন জেনে নেওয়া যাক বাড়ি টিকটিকি-মুক্ত করার অব্যর্থ কয়েকটি উপায়...

১) জানালার কোনায় কোনায় বা ঘরের ভেণ্টিলেটরে কয়েক কোয়া রসুন রেখে দিন। রসুনের গন্ধে টিকটিকি ধারে কাছেও ঘেঁষবে না।

২) গোলমরিচ বা শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো ৩-৪ কাপ জলে ঘণ্টাখানেক ভিজিয়ে রাখুন। এর পর ওই গোলমরিচ বা শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো মেশানো জল ঘরের কোনায় কোনায় স্প্রে করে দিন। টিকটিকি ওই এলাকা ছেড়ে পালাবে!

৩) ঘরের যেখানে টিকটিকির উপদ্রব বেশি, সেখানে ন্যাপথালিনের বল বা ন্যাপথালিন গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দিন। ন্যাপথালিনের গন্ধে টিকটিকি পালাবে।

৪) ঘরের যে সমস্ত জায়গায় টিকটিকির উপদ্রব বেশি, সেখানে ডিমের খোসা রেখে দিন। ওই সমস্ত জায়গায় আর টিকটিকির দেখা মিলবে না।

৫) ঘরের যে সমস্ত জায়গায় টিকটিকির উপদ্রব বেশি, সেখানে ময়ূরের পালক রেখে দিলে টিকটিকি ধারে কাছেও ঘেঁষবে না।

৬) পেঁয়াজের গন্ধ টিকটিকি মোটেই সহ্য করতে পারে না। তাই কয়েক টুকরো পেঁয়াজ ঘরের যে সমস্ত জায়গায় টিকটিকির উপদ্রব বেশি, সেখানে রেখে দিন। টিকটিকি পালাবে।
৭) খানিকটা তামাকের সঙ্গে সামান্য কফি মিশিয়ে ছোটো ছোট গুলি বা বলের মতো তৈরি করে নিন। তারপর সেগুলিকে ঘরের আনাচে কানাচে রেখে দিন। দেখবেন টিকটিকির উপদ্রব কমে যাবে।

Pages: [1] 2 3 ... 17