Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sanjida.dhaka

Pages: 1 ... 10 11 [12] 13 14 15
167
Nice post...

168
ল্যাপটপের চার্জ ধরে রাখার সহজ ৬ কৌশল


আপনার হাতে একগাদা কাজ। অথচ, ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে গেছে। কাছাকাছি কোন পাওয়ার সকেটও নেই, যেখান থেকে ল্যাপটপটি চার্জ দিয়ে নিতে পারেন। ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের এ ধরনের সমস্যায় হরহামেশাই পড়তে হয়। দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কারণ, ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত করার কিছু সহজ সমাধান রয়েছে। ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের উচিত এ বিষয়গুলোকে দৈনন্দিত অভ্যাসে পরিণত করে নেয়া। তা হলে আর অনাকাক্সিক্ষত বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। নিচে সহজ ৬টি টিপস দেয়া হলো:

*ডিসপ্লে: মোবাইলের মতো ল্যাপটপ স্ক্রিনও বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে। সে কারণে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা চোখের জন্য সহনীয় মাত্রায় যতোটা কমিয়ে ব্যবহার করা যায়, ততোটাই ভালো। যদি আপনার কিবোর্ডে ব্যাকলাইট থাকে, তবে সেটিও সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিন। এতে ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত হবে।

*এক্সটার্নাল ডিভাইস: ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে যে কোন ধরনের এক্সটার্নাল ডিভাইস চালু থাকলে, তা আপনার ল্যাপটপ থেকে অনবরত পাওয়ার টানতে থাকবে। এক্সটার্নাল ডিভাইসটির কাজ শেষ হয়ে গেলে, সেটি ইউএসবি পোর্ট থেকে খুলে ফেলার অভ্যাসই শ্রেয়।

*ওভারহিটিং বা অতিরিক্ত গরম হওয়া: ল্যাপটপ বেশি গরম হলে, ভেতরের ফ্যানগুলো আরও দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। আর তা স্বাভাবিকভাবেই বেশি ব্যাটারি খরচ করে। সে কারণে একটি ল্যাপটপ কুলার কিনে নিন। এতে আপনার ল্যাপটপটি অতিরিক্ত গরম হবে না।

*হাইবারনেশনে রাখুন: ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে হাইবারনেশনে রাখুন। এতে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে যাবে ও ব্যাটারির চার্জ অনেক বেশি সময় থাকবে। হাইবারনেশনে ল্যাপটপ বন্ধ হলেও, আপনি শেষ যেভাবে কাজগুলো সংরক্ষণ করছিলেন বা যে উইন্ডোগুলো খুলেছিলেন, ল্যাপটপটি চালু করলে ঠিক সে অবস্থাতেই সেগুলো পাবেন।

*উইন্ডোজের পাওয়ার প্ল্যান: ল্যাপটপে উইন্ডোজের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়ার প্ল্যান সেটিংসও পাচ্ছেন। তাই চিন্তার কিছু নেই। বিভিন্ন অপশন; যেমন- ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমানো, কখন ডিসপ্লে ডিম বা অনুজ্জ্বল করতে এবং বন্ধ করতে চান, হার্ড-ড্রাইভসমূহ ও ইউএসবি পাওয়ার বন্ধ করতে চান, সেগুলো সংযোজিত রয়েছে।

*ব্যাটারি কেস: এ অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাটারির সম্পূর্ণ স্ট্যাটাস দেখায়। শুধু তাই নয়। কতোটুকু ব্রাইটনেসে ব্যাটারি কতোক্ষণ চলবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সেখানে। ব্যাটারির বর্তমান কন্ডিশন কেমন, তাও জানতে পারবেন। সিপিইউ ও হার্ড-ড্রাইভ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও, সেটা প্রদর্শন করে ব্যাটারি কেস অ্যাপ্লিকেশন।

169
১৪ কারণে শসা খাবেন




সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।

*শসার হাজার গুণের মধ্যে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা।

*দেহের পানিশূন্যতা দূর করে
ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে। বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে।কারণ, শসার ৯০ শতাংশই পানি।

*দেহের ভেতর-বাইরের তাপ শোষক
কখনো কখনো আপনি শরীরের ভেতর-বাইরে প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এ অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন।এ ছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন।

*বিষাক্ততা দূর করে
শসার মধ্যে যে পানি থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খাওয়ায় কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।

*প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করে
প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে।

*ত্বকবান্ধব খনিজের সরবরাহকারী
শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।

*হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

*চোখের জ্যোতি বাড়ায়
সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।চোখের প্রদাহপ্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া ঠেকাতেও এটি কাজ করে।

*ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে
শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

*ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়, কোলস্টেরল কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

*মুখ পরিষ্কার রাখে
দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণে আক্রান্ত মাড়ির চিকিৎসায় শসা দারুণ কাজ করে। গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধা মিনিট রাখুন। শসার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে। সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস।

*চুল ও নখ সতেজ করে
শসার মধ্যে যে খনিজ সিলিকা থাকে তা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

*গেঁটেবাত থেকে মুক্তি
শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

*মাথাধরা থেকে নিষ্কৃতি
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকবে না।

*কিডনি সুস্থ রাখে
শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ঠিক রাখে শসা। এতে কিডনি থাকে সুস্থ ও সতেজ।

170
গাছে রংধনু, রংধনুর গাছ



রংধনু আমরা আকাশে দেখি। জেনেছি রংধনুর মতো অপরূপ পাহাড়ের কথাও। কিন্তু রংধনু গাছ! শুনতে একটু অবাকই লাগে। ফুল, ফল পাতায়ই সাধারণত সব সৌন্দর্য গাছের- এই ধারণা মিথ্যা প্রমাণ করবে রেইনবো ইউক্যালিটাস। ফিলিপাইনের মিন্ডানাও, নিউ হ্যাম্পশায়ার, নিউ বৃটেন, নিউ জিনিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে সাধারণ এই অপূর্ব সুন্দর গাছটি দেখা যায়।



এই বিচিত্র বর্ণের স্বতন্ত্র আকৃতির গাছটি রয়েছে মাউইয়ের ছোট একটি উদ্যানে। এই অদ্ভুত সুন্দর গাছটির সবচেয়ে পরিচিত নাম রেইনবো ইউক্যালিপটাস বা রংধনু গাছ। এর প্রকৃত আবাস প্রধানত ফিলিপাইনের দ্বীপ মিন্ডানাও। তবে গাছটি মিন্ডানাও গাম বা রংধনু গাম নামেও পরিচিত।



ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রো ফরেস্ট্রির তথ্যানুযায়ী এটি একটি চিরহরিত গাছ। রংধনু গাছ বিশ্বের দ্রুতবর্ধনশীল গাছেরও একটি। এটা বছরে আট ফুট পর্যন্ত বাড়ে। সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৯৭-২৪৬ ফুট পর্যন্ত। প্রস্থে ৭.৯ ফুট পর্যন্ত হয়।



বিশ্বব্যাপী রংধনু গাছ ব্যহার করা হয় সাদা কাগজ তৈরির মণ্ড হিসেবে। তবে এ মাত্রা ফিলিপাইনে সবচেয়ে বেশি। ফিলিপাইন এবং কোস্টারিকায় এ গাছের চাষ করা হয় মূলত কপি বাগানে। এর ছায়া কপি চাষের জন্য বিশেষ উপকারী। এর কাঠ ফার্নিচার এবং ক্যাবিনেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। হাওয়াইয়ে রংধনু গাছের কাঠ নৌকা তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়।



একই গাছের বাহারি বাকল বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। বর্ষার পর এর বাকল ধারণ করে চকচকে রং। এতে আকৃষ্ট হয়ে প্রচুর পর্যটক প্রতিবছর ভিড় জমান।



রং পরিবর্তনের সময় ভেজা বাকলের একটি রংধনু গাছ।



বছরজুড়ে প্রাকৃতিকভাবে রং পরিবর্তন করা সবচেয়ে সুন্দর গাছ রেইনবো ইউক্যালিপটাস। এটা সাধারণ সবুজ, গাঢ় সবুজ, নীল, বেগুনি, লাল, মেরুন রঙে রূপান্তরিত হয়।

171
পানি বিশুদ্ধকরণে নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন!



পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু তা যদি জীবাণুমুক্ত না হয় তবে সেই পানিই হতে পারে জীবন হরণকারী। কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড ইত্যাদি ডায়রিয়া জাতীয় রোগ কাজের সময় ও সুযোগও নষ্ট করে এবং অনেক সময় মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়। শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং পুষ্টি সঞ্চয় কম থাকে বলে এসব অসুখে তাদের মৃত্যু ঝুকি বেশি থাকে। অথচ পানিতে ডায়রিয়ার জীবাণু ধ্বংস করা খুবই সহজ একটি কাজ। সাধারণত পানি ফুটিয়ে নিলেই সব ডায়রিয়া জীবাণু মরে যায়। কিন্তু অনেক সময় জ্বালানীর অভাবে পানি ফোটানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে বন্যার সময় পানি ফোটানোর ব্যবস্থা করা প্রায় অসম্ভব। তাই কম খরচে আশেপাশের জিনিসপত্র দিয়েই সূর্যের বিকিরণ ব্যবহার করে পানি জীবাণুমক্ত করার বিশেষ প্রযুক্তি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগ বিশেষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে সাফল্য দেখিয়েছে। এ প্রযুক্তি  উদ্ভাবন করেছেন বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী ও তার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগত এ পদ্ধতিটিই স্বপ্নযাত্রায় তুলে দেওয়া হলো।

পানির বোতল ব্যবহার:-
বাজারে যে বোতলে পানি বিক্রি হয় সে বোতল ব্যবহার করেও পানি গরম করা যায়। প্রথমে স্বচ্ছ ১ লিটার বা দেড় লিটার বোতল নিতে হবে। খেয়ার রাখতে হবে যেন বোতল রঙিন না হয়। পুরানো বোতল বা কোথাও ফাটা দাগ থাকলেও ব্যবহার করা যাবে না। বোতলগুলোকে লোহার মোটা তার দিয়ে একটি খোলা শক্ত ফ্রেম তৈরি করে নিতে হবে, যেন তার উপর কয়েকটি পানিভরা বোতল শুইয়ে রাখা যায়। কিন্তু নিচে বাতাস চলতে পারে। প্রথমে তাপ নিরোধক বিছানার উপর কালো কাপড় বিছিয়ে দিতে হবে। মাঝখানে ফ্রেমটি রেখে একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট ফ্রেমের উপর ছড়িয়ে দিতে হবে। পানি ভরা বোতলগুলো সম্পূর্ণ ভরে মুখ আটকিয়ে পলিথিন শীট দিয়ে ঢাকা ফ্রেমের উপর শুইয়ে দিতে হবে। বোতলগুলোর উপর আড়াআড়ি করে কয়েকটি খড়ের নাড়া ছড়িয়ে দিয়ে তার উপর আর একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট দিয়ে পুরো বিছানা ঢেকে দিতে হবে।

বোতলে পানি গরম হবার ব্যাখ্যা:-
এ ব্যবস্থায় বাতাসকে গরম করে তার মাধ্যমে বোতলের পানিকে পরোক্ষভাবে গরম করা হচ্ছে। তবে পলিথিন শীট দিয়ে দুটি আবদ্ধ বাতাসের স্তর কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করবে। নীচের কালো কাপড় সূর্যের বিকিরণ গরম হয়ে প্রথমত: নীচের আবদ্ধ বাতাসের স্তরকে গরম করবে। হাল্কা গরম বাতাস নীচের আবদ্ধ বাতাসের স্তরের উপরে রাখা পানির বোতলের  নীচ দিয়ে প্রবাহিত হবে এবং বোতলের পানির নীচের স্তরকে গরম করবে।এ কাজ করতে গিয়ে এ বাতাস ঠাণ্ডা হয়ে মাঝখানে নেমে আসবে। কালো কাপড়ের সংস্পর্শে এসে গরম হয়ে পাশের থেকে আবার উপরে উঠে বোতলের নীচে যাবে। এভাবে নীচের আবদ্ধ বাতাসের স্তরের পরিচলন প্রক্রিয়ায় বোতলের পানির নিচের স্তর গরম হবে। আবার বোতলের মধ্যে পানির পরিচলন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গরম পানি উপরে উঠে, ও ঠাণ্ডা পানি নিচে নেমে পুরো পানিকেই গরম করে ফেলবে। উপরের আবদ্ধ বাতাসের স্তরের গরম বাতাস বোতলের উপরের পানিকে আগে গরম করবে, কিন্তু সে গরম পানি আর নীচে নামবে না। তবে পরিবহন প্রক্রিয়ায় উপরে পানির সংস্পর্শে নিচের পানি ধীরে ধীরে গরম হবে। উদ্ভাবিত দুটি বায়ু-স্তরবিশিষ্ট এ ব্যবস্থায় সূর্যের শক্তির সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হবে, এবং পুরো বোতলের পানিই ধীরে ধীরে গরম হয়ে যাবে। আর স্বচ্ছ বোতল ব্যবহার করলে সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মিও ভিতরে ঢুকে জীবাণু ধ্বংস করে দিতে সাহায্য করবে।

চূলো জ্বালাবার অবস্থা না থাকলে সূর্যের কিরণে পানি গরম করে জীবাণু ধ্বংস করা যাবে:-



 
চার ইঞ্চি পুরু খড়ের বিছানা তৈরি করে তার উপর কালো রং করা ডালা রাখতে হবে। খড় নিচের দিকে তাপ বেরিয়ে যেতে বাধা দেবে। একটি পরিস্কার স্বচ্ছ পলিথিন শিট ডালার উপর বিছিয়ে দিতে হবে। তার উপর ছেঁকে নেওয়া পানি ঢালতে হবে। পানির গভীরতা ২ সেন্টিমিটার বা আঙ্গুলের ১ কড়ের কম হতে হবে।আর একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট পানির উপর বিছিয়ে দিতে হবে। বাতাসের বুদবুদ থাকলে সরিয়ে দেওয়া  ভালো। কয়েকটি খড়ের নাড়া ছড়িয়ে দিয়ে তৃতীয় একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট বিছিয়ে দিয়ে মাঝে একটি বাতাসের স্তর তৈরি করতে হবে। যা উপরের দিকে তাপ বেরোতে দেবে না, কিন্তু সূর্যের আলো ঢুকতে দেবে। কয়েকটি খড়ের নাড়া ছড়িয়ে দিয়ে চতুর্থ একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট সবার উপর বিছিয়ে দিয়ে আর একটি তাপরোধক স্তর তৈরি করতে হবে।চারিদিকে ওজন চাপা দিয়ে শীটগুলো টানটান করে রাখতে হবে। পরিস্কার রোদে দু’ঘণ্টায় পানি জীবাণুমুক্ত হবে। উপরের তিনটি পলিথিন শীট সরিয়ে নিতে হবে। নিচেরটি গুটিয়ে নিয়ে জীবাণুমুক্ত পানি পরিস্কার পাত্রে ঢেলে পান করা যাবে।

নিচে তাপরোধক বিছানার বিকল্প:-
খড়ের অভাবে অন্য একটি ডালাকে উল্টিয়ে তার উপর একটি পলিথিন শীট বিছিয়ে আবদ্ধ বাতাসের স্তর তৈরি করে নিতে হবে।প্যাকিংয়ের কর্ক-শীট, পাটকাঠি, শুকনো পাতা বিকল্প হতে পারে। ছোট ছোট পলিথিন ব্যাগে বাতাস ভরে নিয়ে সবগুলোর মুখ আটকে একটি বড় ব্যাগে একসঙ্গে করে বিকল্প বিছানা হতে  পারে। যে ব্যবস্থায় পানি গরম করা হচ্ছে তার মূল ভিত্তি হলো- ‘গ্রীন হাউজ এফেক্ট’। উদ্ভাবিত ব্যবস্থাটি মূলত: একটি সোলার ফ্ল্যাট প্লেট কালেক্টর। তবে কম খরচে এবং দেশে সহজলভ্য জিনিসপত্র দিয়ে তৈরি করে পানিকে উচ্চ তাপমাত্রায় উঠানোটিই ছিল এ গবেষণার বড় চ্যালেঞ্জ। এ পদ্ধতিগুলো সম্পন্ন করতে প্রয়োজন ১৫০-২০০ টাকা।

পান করার জন্য নিরাপদ পানি সুস্থ জীবনের জন্য কত জরুরী সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। একসময় নদী-কুয়া-পুকুরের পানি পান করা হতো। এতে রোগ জীবাণু থাকায় রোগ ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এ জায়গাগুলোর পানি ফুটিয়ে খেলেই হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থার তেমন প্রচারণাও দেখা যায়। অন্যদিকে আমরা ব্যাপকভাবে টিউবয়েলের পানি খাওয়ার প্রচারণা করতে দেখেছি। কিন্তু এখন সে পানিতেও আর্সেনিক পাওয়া যাচ্ছে। কোটি কোটি টাকা দিয়ে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছিল। এখন সেসব অকেজো। আবার বিভিন্ন পদ্ধতি উদ্ভাবনে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সবাই জটিল সমাধানের পেছনে অর্থ খরচ করেন। অথচ সহজ সমাধানের পেছনে কেউই তেমন আগ্রহ দেখান  না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষকরা মিলে সাধারাণ মানুষের নিজের ক্ষমতার মধ্যে সমাধান দিতে পারে এমন দীর্ঘস্থায়ী পদ্ধতি আবিষ্কারের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তাদের আবিষ্কার শুধু বাংলাদেশ নয়, ছড়িয়ে পড়বে সারা বিশ্বে। এমনই স্বপ্ন বুকে নিয়ে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে এ বিভাগের প্রতিটি মানুষ। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে হলে কিংবা এ পদ্ধতিতে নিজের এলাকায় পানি বিশুদ্ধ করার কৌশল স্থাপন করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন bmpt@unidhaka.edu ঠিকানায়।


172
Sunset by Pixheaven

173
Drop

174
The Beautiful Earth

175
Electric Guitar

176
Ladder

177
Colourful Zipper

178
Toilet Paper Loudreams by Jacquet Fritz

179
Playing Chess!

180
Storybook

Pages: 1 ... 10 11 [12] 13 14 15