Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - monirulenam

Pages: 1 ... 17 18 [19]
271
History / Karl Marx's theory of communism
« on: May 07, 2014, 06:40:35 PM »
 Marx summarized his approach to history and politics in the opening line of the first chapter of The Communist Manifesto (1848): “The history of all hitherto existing society is the history of class struggles.” Marx argued that capitalism, like previous socioeconomic systems, will produce internal tensions which will lead to its destruction. Just as capitalism replaced feudalism, socialism will in its turn replace capitalism and lead to a stateless, classless society which will emerge after a transitional period, the "dictatorship of the proletariat". See, for example, Marx's comments in section one of The Communist Manifesto on feudalism, capitalism, and the role internal social contradictions play in the historical process: "We see then: the means of production and of exchange, on whose foundation the bourgeoisie built itself up, were generated in feudal society. At a certain stage in the development of these means of production and of exchange, the conditions under which feudal society produced and exchanged...the feudal relations of property became no longer compatible with the already developed productive forces; they became so many fetters. They had to be burst asunder; they were burst asunder. Into their place stepped free competition, accompanied by a social and political constitution adapted in it, and the economic and political sway of the bourgeois class. A similar movement is going on before our own eyes.... The productive forces at the disposal of society no longer tend to further the development of the conditions of bourgeois property; on the contrary, they have become too powerful for these conditions, by which they are fettered, and so soon as they overcome these fetters, they bring disorder into the whole of bourgeois society, endanger the existence of bourgeois property." Marx, K. & Engels, F. (1848),The Communist Manifesto

On the other hand, Marx argued that socio-economic change occurred through organized revolutionary action. He argued that capitalism will end through the organized actions of an international working class, led by a Communist Party: "Communism is for us not a state of affairs which is to be established, an ideal to which reality [will] have to adjust itself. We call communism the real movement which abolishes the present state of things. The conditions of this movement result from the premises now in existence." (from The German Ideology)

Source(s):
http://en.wikipedia.org/wiki/Karl_marx
The Communist Manifesto
The German Ideology

272
Football / World Cup Previous Winners list
« on: May 07, 2014, 06:31:28 PM »
Year    Host Country    Winner    Score
2014          
2010    South Africa    Spain    Spain 1-0 Netherlands
2006    Germany    Italy    Italy 1-1 (5-3) France
2002    Japan / S. Korea    Brazil    Brazil 2-0 Germany
1998    France    France    France 3-0 Brazil
1994    US    Brazil    Brazil 3-2 Italy
1990    Italy    Germany    Germany 1-0 Argentina
1986    Mexico    Argentina    Argentina 3-2 Germany
1982    Spain    Italy    Italy 3-1 Germany
1978    Argentina    Argentina    Argentina 3-1 Holland
1974    Germany    Germany    Germany 2-1 Holland
1970    Mexico    Brazil    Brazil 4-1 Italy
1966    England    England    England 4-2 Germany
1962    Chile    Brazil    Brazil 3-1 Czechoslovakia
1958    Sweden    Brazil    Brazil 5-2 Sweden
1954    Switzerland    Germany    Germany 3-2 Hungary
1950    Brazil    Uruguay    Uruguay 2-1 Brazil
1946    not held
1942    not held
1938    France    Italy    Italy 4-2 Hungary
1934    Italy    Italy    Italy 2-1 Czechoslovakia
1930    Uruguay    Uruguay    Uruguay 4-2 Argentina

273
History / হিটলারের শেষ দিন
« on: May 06, 2014, 07:10:47 PM »
অস্ট্রিয়ার ব্যাভেরিয়ার মাঝামাঝি ব্রানাউ নগরীতে ১৮৮৯ সালের ২০ এপ্রিল হিটলার এক দরিদ্র পরিবারে জš§গ্রহণ করেন। হিটলার ছিলেন তার বাবার তৃতীয় স্ত্রীর তৃতীয় সন্তান। ছোটবেলা থেকেই হিটলার ছিলেন একগুঁয়ে, জেদী ও রগচটা। সামান্য ব্যাপারেই তিনি রেগে উঠতেন এবং অকারণে শিক্ষকদের সঙ্গে তর্ক করতেন। পড়াশোনার চেয়ে তিনি ছবি আঁকতে বেশি পছন্দ করতেন। প্রথম জীবনে স্কুলে ভর্তি হলেও অর্থাভাবে শেষ পর্যন্ত তার পড়াশোনা করা হয়নি। মা মারা গেলে সংসারের সব বন্ধন ছিন্ন করে হিটলার চলে যান ভিয়েনায়। সেখানে তিনি প্রথমে মজুরের কাজ শুরু করেন। ভিয়েনায় থাকাকালীন তার মনের মধ্যে প্রথম জেগে ওঠে ইহুদিবিদ্বেষ। ১৯১২ সালে তিনি ভিয়েনা ছেড়ে চলে আসেন মিউনিখে। এখানে অনেক দুঃখ কষ্টের মধ্যে দু’বছর পার করলেন। ১৯১৪ সালে বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে হিটলার সৈনিক হিসেবে যুদ্ধে যোগ দেন। এরপর তিনি যোগ দেন লেবার পার্টিতে। এক বছরের মধ্যেই তিনি এ পার্টির প্রধান হন। পার্টির নাম পরিবর্তন করে রাখেন ন্যাশনাল সোশ্যালিস্ট জার্মান ওয়ার্কার্স পার্টি। পরবর্তী সময়ে এ দলকেই বলা হতো ন্যাৎসী পার্টি। ধীরে ধীরে এ পার্টির জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। হিটলার চেয়েছিলেন জার্মানিতে যেন আর কোনও রাজনৈতিক দল না থাকে। কিন্তু তার এ ষড়যন্ত্র ধরা পড়লে এক বছর বন্দি জীবনযাপন করেন। জেল থেকে বের হয়ে কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি পুরো জার্মানি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। এসময় তিনি জার্মানদের মধ্যে ইহুদিবিদ্বেষের বীজ রোপণ করেন। হিটলার চেয়েছিলেন এভাবে দেশ থেকে ইহুদিদের বিতাড়িত করবেন। ১৯৩৪ সালে হিটলার রাষ্ট্রপতির পরিবর্তে নিজেকে জার্মানির ফুয়েরার হিসেবে ঘোষণা করেন এবং অল্পদিনের মধ্যেই নিজেকে দেশের অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৩৫ সালে তিনি নতুন আইন চালু করলেন। আইনের মাধ্যমে তিনি দেশের নাগরিকদের দুটি ভাগে বিভক্ত করলেন। এ আইনে ইহুদিরা জার্মানিতে বসবাসের অধিকার পেলেও নাগরিকত্ব হারান। হিটলার তার সব ক্ষমতা নিয়োগ করলেন সামরিক শক্তি বৃদ্ধিতে। বিশ্বজয়ের স্বপ্নে মত্ত হয়ে ১৯৩৯ সালে ১ সেপ্টেম্বর জার্মান বাহিনী পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এদিন থেকেই শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। বিশ্বজুড়ে গণহত্যার মধ্য দিয়ে একের পর এক দেশ দখল করতে থাকলেন হিটলার। তিন বছরে হিটলার প্রায় ৬০ লাখ ইহুদিকে হত্যা করেছিলেন। ফ্রান্সের পতনের পর ১৯৪১ সালের ২২ জুন হিটলার রাশিয়া আক্রমণ করেন। প্রথমদিকে জার্মান বাহিনী সর্বত্র জয়লাভ শুরু করলেও মিত্রশক্তি যখন সম্মলিত হয়ে অগ্রসর হতে শুরু করে তখন হিটলার বাহিনী ধীরে ধীরে পিছু হটতে থাকে। নিশ্চিত পরাজয়ের কথা জেনে হিটলার ক্রমশই সঙ্গী-সাথীদের কাছ থেকে দূরে সরতে থাকেন। সবার প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন। তখন তিনি বেশিরভাগ সময় বাংকারে কাটাতেন। সেখান থেকেই তিনি প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতেন। এ সময় তার একমাত্র সঙ্গী ছিল প্রেমিকা ইভা ব্রাউন। ইভা হিটলারকে গভীরভাবে ভালবাসতেন। নিশ্চিত মৃত্যুর কথা জেনেও হিটলারের কাছ থেকে এক মুহূর্তের জন্য দূরে সরেননি। ১৯৪৫ সালের ২৯ এপ্রিল হিটলারের শেষ ভরসা স্টেইনের সৈন্যবাহিনী ধ্বংস হয়ে যায়। হিটলার তখন বুঝতে পারেন তার স্বপ্ন চিরদিনের মতোই শেষ। বার্লিনের শেষপ্রান্তে রুশ বাহিনীর কামানের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে হিটলার তার সঙ্গীনী ইভাকে বার্লিন ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। কিন্তু ইভা তা গ্রহণ করেননি। ২৯ এপ্রিল মধ্যরাতে বাঙ্কারের মধ্যেই ছোটখাটো আয়োজনের মধ্য দিয়ে হিটলার ইভাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর হিটলার তার সঙ্গীদের সঙ্গে শ্যাম্পেন পান করলেন। তারপর তিনি দুটি চিঠি লিখলেন। একটিতে সবকিছুর জন্য ইহুদিদের দায়ী করলেন এবং অন্যটিতে নিজের সব সম্পত্তি পার্টিকে দান করে দিলেন। ৩০ এপ্রিল ১৯৪৫ সাল। বার্নিলের চারদিক অবরোধ করে ফেলেছে লালফৌজ। হিটলার বুঝতে পারেন যে কোনও মুহূর্তে তিনি লালফৌজ বাহিনীর হাতে বন্দি হতে পারেন। এদিন বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি বাঙ্কার থেকে ৫০০ মিটার দূরে গিয়ে তার সহযোগীদের সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করে এলেন। এ সময় তিনি তার সহযোগীদের বললেন, তার মৃত্যুর পর যেন তার লাশ এমনভাবে পোড়ানো হয় যে তার দেহের কোনও অংশের চিহ্ন না থাকে। এর কিছুক্ষণ পরই গুলির শব্দ শোনা গেল। হিটলার নিজের পিস্তল দিয়েই আত্মহত্যা করলেন। আর এর আগেই তার সদ্য বিবাহিত বউ ইভা বিষপানে আত্মহত্যা করেন। চারদিক থেকে এসে গোলা পড়ছে। তখন হিটলারের দুই সৈন্য তার মৃতদেহ কম্বল দিয়ে মুড়িয়ে বাগানে নিয়ে এল। সেই অবস্থাতেই তাতে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়া হল। গোটা বিশ্ব ধ্বংসের খেলায় মেতে অবশেষে নিজেই ধ্বংস হলেন হিটলার।

274



বাংলাদেশ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) নামে একটি কেন্দ্রীভূত সরকারী পরিসংখ্যান সিস্টেম আছে. ডিসেম্বর 1971 সালে স্বাধীনতার পর, বাংলাদেশ একটি দুর্বল ও ভাঙ্গা এবং বিশৃঙ্খল সরকারী পরিসংখ্যান সিস্টেম মালিকানাধীন. এখন পর্যন্ত পরিসংখ্যানগত উপাত্ত উৎপাদনের, প্রচারের জড়িত অনেক সংস্থার ছিল কিন্তু তারা একে অপরের প্রায়ই অনুলিপি, অপ্রাচুর্য ফলে তাদের মধ্যে সমন্বয় একটু থাকার স্বাধীনভাবে কাজ ছিল. তাদের দ্বারা উৎপন্ন তথ্য অপর্যাপ্ত ছিল এবং অনেক এলাকায় অসম্পূর্ণ এবং যেমন, নতুন জাতির জন্য পরিকল্পনা ও নীতির তৈয়ার জন্য সন্তোষজনক ভিত্তিতে প্রদান করতে পারেনি. এর ফলে, একটি সমন্বিত জাতীয় সরকারী পরিসংখ্যান সিস্টেমের জন্য প্রয়োজন, জরুরিভাবে অনুভূত হয়. টিপে প্রয়োজন বুঝতে তারপর সরকার এই নতুন জন্ম হয় দেশে তথ্য সংগ্রহ সিস্টেম স্ট্রিমলাইন কিছু উদ্যোগ ব্যবস্থা.


সেই অনুযায়ী আগস্ট 1974 সালে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) যথা, পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি পরিসংখ্যান ব্যুরো, কৃষি শুমারি কমিশন, পূর্বকালীন প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় সরকারের চারটি অপেক্ষাকৃত বৃহত্তর পরিসংখ্যান সংস্থার মার্জ দ্বারা সরকার কর্তৃক নির্মিত হয়েছিল এবং জনসংখ্যা জনগণনা কমিশন.
একজন মহাপরিচালক এছাড়াও বিবিএস আগাইয়া সরকার দ্বারা নিযুক্ত হন এবং সরকারী পরিসংখ্যান ক্ষেত্রে একটি দক্ষ কেন্দ্রীভূত জাতীয় প্রতিষ্ঠান মধ্যে ব্যুরো reorganizing জন্য একটি ফলো আপ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে.


আমাদের সম্পর্কে একটি বছর পরে জুলাই 1975 সালে, পরিসংখ্যান বিভাগ মন্ত্রণালয় পর্যায়ে ব্যুরোর কার্যক্রম সমন্বয় সাধন ও নিরীক্ষণ, সহ - কাজ করার জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অধীন নির্মিত হয়েছিল. পরিসংখ্যান বিভাগ একযোগে এছাড়াও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর মহাপরিচালক যারা ​​ছিল একটি সচিব নেতৃত্বে ছিল.


2002 সালে, পরিসংখ্যান বিভাগ পরিকল্পনা ও বিবিএস মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা বিভাগ যে বিভাগের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে স্থাপন করা হয়েছিল সঙ্গে মিশে গিয়ে তৈরি হয়. বিবিএস প্রধান নির্বাহী যিনি মহাপরিচালক সরকার একটি অতিরিক্ত সচিব করা হয়.


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বাংলাদেশ সরকারী পরিসংখ্যান সব প্রোগ্রামের রূপায়ণকারী সংস্থা হিসেবে সব সরকারী পরিসংখ্যান প্রোগ্রাম এবং ঘটনা বিষয়ে প্রযুক্তিগত এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য দায়ী. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), সংগ্রহের কম্পাইল এবং জাতীয় স্তরে পরিকল্পক মত ব্যবহারকারী এবং অন্যান্য পণ হোল্ডার এর ডেটা চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ করতে বাংলাদেশ অর্থনীতির সব সেক্টরের পরিসংখ্যানগত তথ্য disseminating এবং দায়িত্ব শুধুমাত্র জাতীয় পরিসংখ্যানগত প্রতিষ্ঠান সরকারি অন্যান্য সংস্থার দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন জাতীয় পরিকল্পনা ও নীতি প্রণয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যান প্রদানে বিবিএস ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ.


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ঢাকায় এর প্রধান অফিস এর কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য একটি বিকেন্দ্রীভূত নেটওয়ার্ক আছে. বর্তমানে, 7 বিভাগীয় পরিসংখ্যানগত অফিস, 7 বিভাগ এবং 64 জেলা ও বাংলাদেশে 489 উপজেলা / থানা অফিসে অবস্থিত 64 জেলা পরিসংখ্যানগত অফিস আছে.

275
History / বাংলা ইতিহাস
« on: May 06, 2014, 03:49:27 PM »
ভারত বিভক্তির যখন বাংলাদেশ, প্রাচীন মধ্যযুগীয়, এবং ঔপনিবেশিক ইতিহাস, অনাদিকাল থেকে 1947 একটি মেয়াদ রয়েছে. তাই পূর্বে 1947 থেকে বাংলাদেশ ইতিহাসে বাংলাদেশ একটি অংশ, যা ছিল ভারতের একটি ইতিহাস. বস্তুত, ভারতের ইতিহাসে বড় অংশ জন্য বাংলার একটি ইতিহাস. আজ বাংলাদেশ ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যে একটি স্বাধীন জাতি, কিন্তু কম বয়সী বঙ্গ বা বাংলা অর্ধেকের হয়.

প্রাগৈতিহাসিক: ভূমিকা

বাংলাদেশের আধুনিক রাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে 1971 সালে একটি মানুষ এর মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অস্তিত্ব মধ্যে এসেছেন. বাংলাদেশে বাংলা পূর্ব অংশ. বাংলাদেশ (পূর্ব বাংলা) ও পশ্চিম বাংলা (ভারত) একই জাতি এবং একসাথে তারা একবার বাংলা (Banga বা গৌড়) প্রধান অংশ গঠিত. যে পূর্ব বা পশ্চিম বাংলা মধ্যে আর যদিও বাংলা কিছু অন্যান্য অংশ ছিল. বাংলা প্রথম 1905 সালে, ব্রিটিশ কর্তৃক পূর্ব ও পশ্চিম ভাগে ভাগ করা, কিন্তু এটি অ - জনপ্রিয় প্রমানিত এবং 1911 সালে বিপরীত ছিল ছিল. পরবর্তীতে ভারতের পার্টিশনের সময়, ইস্ট সমৃদ্ধ মুসলিম বাড়িওয়ালা বিভাগ সমর্থিত. তাই আবার 1947 সাল, বাংলা অন্তত দুই ভাগে ভাগ করা হয়. বাংলা পরিণামে এই বিভাগ দ্বারা ছারখার এবং আজকের এমনকি যারা যারা আছে ছিল
সাংস্কৃতিকভাবে এত তারা অন্যান্য বাংলা মানুষের বিদেশীদের যে মনে যে derooted হয়েছে! যে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সর্বশ্রেষ্ঠ কৃতিত্ব এক. বাংলা ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে এক ছিল এবং এখন এটি আর পশ্চিমে একটি সম্ভাব্য হুমকি একটি ছারখার জাতি. তার দীর্ঘ এবং মহান ইতিহাস আজ বিশ্বের দ্বারা এবং এছাড়াও অনেক বাঙালি ভুলে না. বাংলাদেশ একটি আধুনিক রাষ্ট্র যদিও, তার ইতিহাস সম্পর্কে 1000 বিসি ফিরে আঁকা করা যাবে. নাম বঙ্গ বা বাংলা উৎপত্তি সম্পর্কে অনেক তত্ত্ব আছে. কিছু ভাষাবিদ নামের তিব্বতি শব্দ থেকে উত্পন্ন হয় বিশ্বাস, ভেজা বা আর্দ্র ও বঙ্গ (বাংলা) এক হাজার নদী দ্বারা crisscrossed এবং monsoons এবং হিমালয় থেকে বন্যা দ্বারা ধুয়ে ওয়েট দেশ যার মানে "নিষিদ্ধ". কিছু অন্যদের নাম প্রশস্ত সমভূমি যার মানে বোডো (উত্তর পূর্ব ভারতে মূল Asamese) "ঠুং লা" থেকে সম্ভূত বিশ্বাস. এই তত্ত্ব অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য হয়. আরেকটি স্কুলের নাম প্রিন্স বঙ্গ নাম থেকে আসে প্রস্তাব দেওয়া হয়. কিংবদন্তি অনুযায়ী, প্রিন্স Banga, রাজা বালি এবং লুনার রাজবংশের রানী সুদেশনা পুত্র বাংলা উপনিবেশ স্থাপন করার জন্য প্রথম. কি সম্ভবত বাস্তব রুট বাংলা মূল জনের নাম থেকে. এই কিংবদন্তি থেকে নেওয়া হয়. অন্যদের অন্যত্র গিয়েছিলাম যখন তার মৃতু্য বাংলার সমতল প্রবেশ পর একটি দাবি অনুযায়ী সিন্ধু সভ্যতা থেকে নির্গত যারা উপজাতিদের এক. তারা Bong উপজাতি বলা হয় এবং দ্রাবিড় কথা ছিল. আমরা যে অঞ্চলের অস্তিত্ব যে বঙ্গ নামক একটি উপজাতি বহু প্রাচীন আর্য গ্রন্থে থেকে জানি.

276
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন : ১৯৭২ হতে বর্তমান
Shahbag Projonmo Square Uprising Demanding Death Penalty of the War Criminals of 1971 in Bangladesh 32.jpg
যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলন : ১৯৭২ হতে বর্তমান
অবস্থান    বাংলাদেশ
কারণ    

    ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে যুদ্ধাপরাধের সাথে জড়িত সকলের সর্ব্বোচ্চ সাজা প্রদানের দাবীতে।
    জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করা[১][২]।
    জামায়াত-শিবির সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান বয়কট করা [৩]।

প্রক্রিয়াসমূহ    

    নাগরিক প্রতিরোধ
    বিক্ষোভ
    অনলাইন কার্যক্রম

১৯৭২

১৯৭২ সালে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের নের্তৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়। বিশেষ করে জহির রায়হানের স্ত্রী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। [৪]
১৯৭৯

১৯৭৯ সালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নের্তৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়।[৫]
১৯৮৮

ডা. এম এ হাসানের নের্তৃত্বে শহীদ লেফটেন্যান্ট সেলিম মঞ্চ হতে আন্দোলন শুরু হয়।[৬]
১৯৯২

১৯৯১ সালের ২৯শে ডিসেম্বর গোলাম আযমকে জামায়াতে ইসলামী তাদের দলের আমীর ঘোষণা করলে বাংলাদেশে জনবিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। বিক্ষোভের অংশ হিসাবে ১৯৯২ সালের ১৯শে জানুয়ারি ১০১ জন সদস্যবিশিষ্টএকাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি গঠিত হয় জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে। তিনি হন এর আহ্বায়ক। এর পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী প্রতিরোধ মঞ্চ, ১৪টি ছাত্র সংগঠন, প্রধান প্রধান রাজনৈতিক জোট, শ্রমিক-কৃষক-নারী এবং সাংস্কৃতিক জোটসহ ৭০টি সংগঠনের সমন্বয়ে পরবর্তীতে ১১ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২ সালে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল জাতীয় সমন্বয় কমিটি’ গঠিত হয়। সর্বসম্মতিক্রমে এর আহ্বায়ক নির্বাচিত হন জাহানারা ইমাম। এই কমিটি ১৯৯২ সালে ২৬শে মার্চ ’গণআদালত’ এর মাধ্যমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একাত্তরের নরঘাতক গোলাম আযমের ঐতিহাসিক বিচার অনুষ্ঠান করে। গণআদালাতে গোলাম আযমের বিরুদ্ধে দশটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত হয়। ১২ জন বিচারক সমন্বয়ে গঠিত গণআদালতের চেয়ারম্যান জাহানারা ইমাম গোলাম আযমের ১০টি অপরাধ মৃত্যুদন্ডযোগ্য বলে ঘোষণা করেন।
২০০৬

২০০৬ এ আন্দোলনের ডাক দেন সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম
২০০৭
সরকারি বাঙলা কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের মানববন্ধন

২০০৭ - এ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় জরুরী অবস্থার হুমকির মধ্যেও সরকারি বাঙলা কলেজ -এর শিক্ষার্থীবৃন্দ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে ও বাঙলা কলেজ বধ্যভূমিতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবিতে আন্দোলনের সূচনা করে এবং পর্যায়ক্রমে মানববন্ধন, প্রতীকী অনশন, সমাবেশ, পথসভা, মিছিল, নিরবতা পালন, প্রতীকী বেদীতে পুষ্প অর্পণ ইত্যাদি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালন করে। [৭][৮][৯][১০][১১] সাধারন ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে, নের্তৃত্বে ও সমন্বয়ে শুরু হওয়া চলমান এই আন্দোলনে কলেজের জাতীয় অঙ্গনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক সংগঠন সুদৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করে। [১২][১৩][১৪][১৫][১৬] ২০০৭ হতে ২০১০ পর্যন্ত রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালনের পাশাপাশি ছাত্র-ছাত্রিরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল আন্দোলন সবসময়ই অব্যাহত রাখে। [১৭][১৮][১৯][২০][২১]
২০১৩
মূল নিবন্ধ: ২০১৩-র শাহবাগ আন্দোলন

২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শাহবাগে ফেব্রুয়ারির ৫ই তারিখ শুরু হয়। এই দিন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত আসামী আব্দুল কাদের মোল্লার বিচারের রায় ঘোষণা করে। কবি মেহেরুন্নেসাকে হত্যা, আলুব্দি গ্রামে ৩৪৪ জন মানুষ হত্যা সহ মোট ৬টি অপরাধের ৫টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। কিন্তু এতোগুলো হত্যা, ধর্ষণ, সর্বোপরী গণহত্যা ও মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের শাস্তি হিসেবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডকে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণ মেনে নিতে পারেনি। রায়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকার শাহবাগে জড়ো হতে শুরু করে এবং এর অনুসরণে একসময় দেশটির অনেক স্থানেই সাধারণ মানুষের বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয় ও এই আন্দোলনের মুখপাত্র ও নেতা হলেন ডা. ইমরান এইচ সরকার ও এর সহকারী ও সাহায্য দাতা হলেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল। ।[২২][২৩]

277
Wary of the growing involvement of India, the Pakistan Air Force (PAF) launched a pre-emptive strike on Indian Air Force bases on 3 December 1971. The attack was modelled on the Israeli Air Force's Operation Focus during the Six-Day War, and intended to neutralise the Indian Air Force planes on the ground. The strike was seen by India as an open act of unprovoked aggression. This marked the official start of the Indo-Pakistani War.

As a response to the attack, both India and Pakistan formally acknowledged the "existence of a state of war between the two countries", even though neither government had formally issued a declaration of war.[90]
The first shot fired by Indian armed forces when arriving into Bangladesh.

Three Indian corps were involved in the liberation of East Pakistan. They were supported by nearly three brigades of Mukti Bahini fighting alongside them, and many more fighting irregularly. This was far superior to the Pakistani army of three divisions.[91] The Indians quickly overran the country, selectively engaging or bypassing heavily defended strongholds. Pakistani forces were unable to effectively counter the Indian attack, as they had been deployed in small units around the border to counter guerrilla attacks by the Mukti Bahini.[92] Unable to defend Dhaka, the Pakistanis surrendered on 16 December 1971.
The air and naval war

The Indian Air Force carried out several sorties against Pakistan, and within a week, IAF aircraft dominated the skies of East Pakistan. It achieved near-total air supremacy by the end of the first week as the entire Pakistani air contingent in the east, PAF No.14 Squadron, was grounded because of Indian and Bangladesh airstrikes at Tejgaon, Kurmitolla, Lal Munir Hat and Shamsher Nagar. Sea Hawks from INS Vikrant also struck Chittagong, Barisal and Cox's Bazar, destroying the eastern wing of the Pakistan Navy and effectively blockading the East Pakistan ports, thereby cutting off any escape routes for the stranded Pakistani soldiers. The nascent Bangladesh Navy (comprising officers and sailors who defected from the Pakistani Navy) aided the Indians in the marine warfare, carrying out attacks, most notably Operation Jackpot.[citation needed]

278
Liberation of Bangladesh / Foreign reaction about liberation war
« on: May 05, 2014, 10:57:00 PM »
United Nations

Though the United Nations condemned the human rights violations during and following Operation Searchlight, it failed to defuse the situation politically before the start of the war.

Following Sheikh Mujibur Rahman's declaration of independence in March 1971, India undertook a world-wide campaign to drum up political, democratic and humanitarian support for the people of Bangladesh for their liberation struggle. Prime Minister Indira Gandhi toured a large number of countries in a bid to create awareness of the Pakistani atrocities against Bengalis. This effort was to prove vital later during the war, in framing the world's context of the war and to justify military action by India.[121] Also, following Pakistan's defeat, it ensured prompt recognition of the newly independent state of Bangladesh.

Following India's entry into the war, Pakistan, fearing certain defeat, made urgent appeals to the United Nations to intervene and force India to agree to a cease fire. The UN Security Council assembled on 4 December 1971 to discuss the hostilities in South Asia. After lengthy discussions on 7 December, the United States made a resolution for "immediate cease-fire and withdrawal of troops". While supported by the majority, the USSR vetoed the resolution twice. In light of the Pakistani atrocities against Bengalis, the United Kingdom and France abstained on the resolution.[90][122]

On 12 December, with Pakistan facing imminent defeat, the United States requested that the Security Council be reconvened. Pakistan's Deputy Prime Minister and Foreign Minister, Zulfikar Ali Bhutto, was rushed to New York City to make the case for a resolution on the cease fire. The council continued deliberations for four days. By the time proposals were finalised, Pakistan's forces in the East had surrendered and the war had ended, making the measures merely academic. Bhutto, frustrated by the failure of the resolution and the inaction of the United Nations, ripped up his speech and left the council.[122]

Most UN member nations were quick to recognise Bangladesh within months of its independence.[121]
Bhutan

As the Bangladesh Liberation War approached the defeat of the Pakistan Army, Bhutan became the second country in the world (after India) to recognize the newly independent state on 6 December 1971. Sheikh Mujibur Rahman, the first President of Bangladesh visited Bhutan to attend the coronation of Jigme Singye Wangchuck, the fourth King of Bhutan in June, 1974.[123]
USA and USSR
Senator Ted Kennedy led congressional support for the liberation of Bangladesh
Bob Dylan took part in the Concert for Bangladesh at Madison Square Garden in New York, August 1971
The Nixon administration was widely criticized for its close ties with the military junta led by General Yahya Khan. American diplomats in East Pakistan expressed profound dissent in the Blood telegram

The United States supported Pakistan[124] both politically and materially. US President Richard Nixon denied getting involved in the situation, saying that it was an internal matter of Pakistan, but when Pakistan's defeat seemed certain, Nixon sent the aircraft carrier USS Enterprise to the Bay of Bengal,[125] a move deemed by the Indians as a nuclear threat. Enterprise arrived on station on 11 December 1971. On 6 and 13 December, the Soviet Navy dispatched two groups of ships, armed with nuclear missiles, from Vladivostok; they trailed US Task Force 74 in the Indian Ocean from 18 December until 7 January 1972.[126] [127][128] Nixon and Henry Kissinger feared Soviet expansion into South and Southeast Asia. Pakistan was a close ally of the People's Republic of China, with whom Nixon had been negotiating a rapprochement and which he intended to visit in February 1972. Nixon feared that an Indian invasion of West Pakistan would mean total Soviet domination of the region, and that it would seriously undermine the global position of the United States and the regional position of America's new tacit ally, China. To demonstrate to China the bona fides of the United States as an ally, and in direct violation of the US Congress-imposed sanctions on Pakistan, Nixon sent military supplies to Pakistan and routed them through Jordan and Iran,[129] while also encouraging China to increase its arms supplies to Pakistan. The Nixon administration also ignored reports it received of the genocidal activities of the Pakistani Army in East Pakistan, most notably the Blood telegram.

The Soviet Union supported Bangladesh and Indian armies, as well as the Mukti Bahini during the war, recognising that the independence of Bangladesh would weaken the position of its rivals – the United States and China. It gave assurances to India that if a confrontation with the United States or China developed, the USSR would take countermeasures. This was enshrined in the Indo-Soviet friendship treaty signed in August 1971. The Soviets also sent a nuclear submarine to ward off the threat posed by USS Enterprise in the Indian Ocean.

At the end of the war, the Warsaw Pact countries were among the first to recognise Bangladesh. The Soviet Union accorded recognition to Bangladesh on 25 January 1972.[130] The United States delayed recognition for some months, before according it on 8 April 1972.[131]
China

As a long-standing ally of Pakistan, the People's Republic of China reacted with alarm to the evolving situation in East Pakistan and the prospect of India invading West Pakistan and Pakistani-controlled Kashmir. Believing that just such an Indian attack was imminent, Nixon encouraged China to mobilise its armed forces along its border with India to discourage it. The Chinese did not, however, respond to this encouragement, because unlike the 1962 Sino-Indian War when India was caught entirely unaware, this time the Indian Army was prepared and had deployed eight mountain divisions to the Sino-Indian border to guard against such an eventuality.[90] China instead threw its weight behind demands for an immediate ceasefire.

When Bangladesh applied for membership to the United Nations in 1972, China vetoed their application[132] because two United Nations resolutions regarding the repatriation of Pakistani prisoners of war and civilians had not yet been implemented.[133] China was also among the last countries to recognise independent Bangladesh, refusing to do so until 31 August 1975.[121][132]

279


ন্যাশনাল বায়োনিউট্রিশনের সেমিনারে বক্তারা
খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন ও নিয়মানুবর্তিতা ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ঝুঁকি কমায়
[/b]

স্টাফ রিপোর্টার : হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস আদৌ কোন রোগ নয়। ভুল খাদ্যাভ্যাস এবং অপ্রাকৃতিক জীবনযাপনে এ রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন, শরীর চর্চা এবং নিয়মানুবর্তিতা এ রোগের ঝুঁকি কমায়। গতকাল শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ন্যাশনাল বায়োনিউট্রিশন কোম্পানির উদ্যোগে ‘‘ওষুধ ও সার্জারি ছাড়াই ডায়াবেটিস-হৃদরোগ নিবারণ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা’’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। কোম্পানির চেয়ারম্যান উইং কমান্ডার (অব.) গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মুহাম্মদ আব্দুর রউফ। প্রধান আলোচক ছিলেন বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডীন অধ্যাপক ড. চৌধুরী মুহাম্মদ হাসান। বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আবু আহমেদ, মাওলানা আব্দুস ছোবহান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আকবর প্রমুখ। বিচারপতি আব্দুর রউফ বলেন, আল্লাহ মানুষকে প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্য করে সৃষ্টি করে পাঠিয়েছেন। প্রাকৃতিক সব সবজির মধ্যেই তেল রয়েছে। বাইরে থেকে তেল দেয়ার তেমন প্রয়োজন নেই। তাছাড়া তেল না খেলে তো মানুষ মারা যাবে না। বরং তেল না খেলে উপকার হবে। অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান বলেন, সুস্থ সবল থাকতে হলে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। যত বেশি প্রকৃতির সাথে সম্পর্ক থাকবে জীবন তত বেশি স্বাভাবিক থাকবে। বিশেষ করে মহানবী (সা.) আমাদের যে পদ্ধতি শিখিয়েছেন তার অনুসরণ করতে হবে। তিনি বলেন, যতটা সম্ভব তেল কম খাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। তবে চেষ্টা করতে হবে রোগ প্রতিরোধ করে নিয়মিত শরীর চর্চা, খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমে সুস্থ্য থাকতে।
বক্তারা বলেন, দেশে প্রায় দুই থেকে আড়াই কোটি লোক ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ আক্রান্ত। এদের অনেকেই অকাল মৃত্যুর শিকার হচ্ছে। এমন পরিস্থিতি ৩০ বছর আগে আমেরিকাতেও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু অনেক গবেষণার পর সেখানে বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন হৃদরোগ ও ডায়বেটিস আদৌ কোন রোগ নয়। বিশৃক্মখল তথা ভুল খাদ্যাভ্যাস, অপ্রাকৃতিক জীবন যাপনের ফলে হৃদপিন্ড ও প্যানক্রয়াসের নিয়মিত কর্মে হৃদরোগ বা ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। প্রচলিত জীবন শৈলী পরিবর্তন ও সুষম পুষ্টির খাদ্যাভাস গড়ে তোলার ঝুঁকিপূর্ণ হৃদরোগ (ব্লকেজ) বৃদ্ধি বন্ধ হবে।

280
প্রথমে আপনাকে hosts file এডিট করতে হবে। এজন্যে আপনার My Computer থেকে Local Dick (C:) তে যান, তারপর Windows অপশনে System32 তে যান এবং তারপর Dribers অপশনে গিয়ে etc তে ঢুকুন। (মূল ফোল্ডার লোকেশন হলঃ C:WindowsSystem32Driversetc )
where host is 500x152 আপনার IDM কে সারাজীবন চালান কোন আলাদা সফটওয়্যার ছাড়া

সেখানে দেখবেন hosts নামের একটি ফাইল আছে। নোটপ্যাড দিয়ে সেটি ওপেন করুন। তারপর নিচের লেখাগুলো copy করে নিয়ে সেই hosts ফাইলটার একদম নিচে paste করুন।
127.0.0.1 tonec.com
127.0.0.1 www.tonec.com
#27.0.0.1 registeridm.com
#27.0.0.1 www.registeridm.com
#27.0.0.1 secure.registeridm.com
127.0.0.1 internetdownloadmanager.com
#27.0.0.1 www.internetdownloadmanager.com
#27.0.0.1 secure.internetdownloadmanager.com
#27.0.0.1 mirror.internetdownloadmanager.com
#27.0.0.1 mirror2.internetdownloadmanager.com

নিচের ছবিটা দেখুন:
host edited 500x492 আপনার IDM কে সারাজীবন চালান কোন আলাদা সফটওয়্যার ছাড়া

এবার ফাইলটি সেভ করে বন্ধ করে দিন। এখন আপনার IDM ওপেন করুন। বিখ্যাত সেই ফেক সিরিয়াল কি এর কথা বলে আপনার রেজিস্ট্রেশন ডিটেইলস চাইবে সেখানে যেকোনো নাম, যেকোনো ইমেইল আইডি দিন আর সিরিয়াল কী দিন IZO7M-360FW-QY1XP-AWLPN তারপর OK দিন। একটা ম্যাসেজ আসবে সেটা Cancel দিন। ট্যাবটি চলে যাবে অথবা connection error দেখালেও বন্ধ করে দিন। এরপর IDM ওপেন করুন আর চালান সারাজীবন। (তারপরও যদি কাজ না হয় তাহলে আপনার নেট কানেকশন বন্ধ করে আবার IDM-এ সিরিয়াল কী দিন, কাজ হবেই)। এরপর কখনো IDM আপডেট দিলেও কিংবা রিডাউনলোড দিলেও একই ভাবে কাজ করতে থাকুন(host ফাইল Windows দেয়ার আগে আর Edit করা লাগবেনা)
প্রতিবার আপনার পিসি স্টার্ট দিলে এই কাজ করতে হতে পারে। তাই Desktop-এ একটি Text File-এর মধ্যে সিরিয়াল কী টা রাখুন। IDM চলার সময় মাঝে মাঝে হিজিবিজি কিছু Notifiaction আসবে। সেগুল কোন সমস্যা করবেনা। আর সেগুলোও সহজে বন্ধ করতে পারেন। সেজন্যে প্রথমে Run-এ গিয়ে লিখুন regedit । Run আপনার IDM কে সারাজীবন চালান কোন আলাদা সফটওয়্যার ছাড়া
তারপর HKEY_CURRENT_USER এ ক্লিক করুন। সেখানে Softower অপশন থেকে DownloadManager এ ক্লিক দিন। ডান পাশে কিছু জিনিস আসবে। সেখানে CheckUpdtVM এর উপর ডাবল ক্লিক করুন। দেখবেন Value data তে 10 দেয়া আছে, আপনি সেটি ০ করে দিন। regedit 500x218 আপনার IDM কে সারাজীবন চালান কোন আলাদা সফটওয়্যার ছাড়া
এরপর OK দিয়ে Registry Editor-টা বন্ধ করে দিন। আর কোন দিন IDM আপনাকে কাজের ফাকে বিরক্ত করবেনা।

Pages: 1 ... 17 18 [19]