Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Anwar Hossain

Pages: 1 ... 4 5 [6] 7
76
BCS Cadre / একজন অনন্য নূরজাহান
« on: May 29, 2016, 12:28:12 AM »
নূরজাহান। আর বেগম। এই শব্দ দু’টি ধারণ করে দীর্ঘ দিন বাংলা সাহিত্য ও সংবাদপত্রে বিচরণ করেছেন যে মানুষটি, নারীর চিন্তা-প্রকাশ আর সামাজিক-রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দিকে যার নজর ছিল প্রসারিত, তাঁর চলে যাওয়া অন্য সব বিদায়ের মতো নয়। তাঁর অন্তর্ধান মানেই একটি চলমান সমাজের গতিধারায় একটি আলোকিত অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি। পারিবারিক ঐতিহ্য, পরিজনদের সান্নিধ্য আর ব্যক্তিগত ভাবনা-বলয়  সব মিলিয়ে তিনি যে সময়-পরিসর যাপন করেছেন, তার সঙ্গে তুলনা করা চলে এমন উদাহরণ আমাদের সামনে খুব একটা নেই। বেগম রোকেয়া, কবি সুফিয়া কামাল, সামসুন্নাহারেরা যে সমাজ-রূপান্তরের চেষ্টায় জীবনের স্বর্ণালি সময় পার করেছেন, তারই উত্তরাধিকার ছিলেন নূরজাহান বেগম। পিছিয়ে-পড়া বাঙালি নারী-সমাজকে জ্ঞান-সাধনা আর অংশগ্রহণের শিক্ষা প্রদানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন তিনি। নারীর অধিকার ও মর্যাদার বিষয়াদিকে বিবেচনার অগ্রভাগে নিয়ে আসাই ছিল তাঁর কর্ম-প্রয়াসের মূল লক্ষ্য।

ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতবর্ষে শিক্ষায় নারীরা পিছিয়ে ছিল। সরকারি কাজে, সাংবাদিকতায় নারীর অংশগ্রহণ ছিল না বললেই চলে। বেগম রোকেয়া যে সাহিত্যিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন, সমকালে তা ছিল অকল্পনীয়। তিনি ভারতের নারীসমাজের চেতনায় প্রবলভাবে নাড়া দিয়েছেন। ঘুম ভাঙিয়েছেন তাদের। পরবর্তীকালে সুফিয়া কামাল কবিতা চর্চায়, সামাজিক সংগঠনে নারীদের পরিবর্তনের জন্য কাজ করেছেন। তাঁদেরই উত্তরাধিকার নূরজাহান বেগম। নারী হিসেবে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করার পাশাপাশি অন্যান্য নারীকেও জাগিয়ে তুলতে তাঁদের চিন্তা ও কর্ম-পরিকল্পনা সত্যিই অবাক করার মতো। নূরজাহান বিরল বাঙালি রমণীদের প্রতিনিধি।
ভারত-উপমহাদেশে নারী-বিষয়ক প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা বেগম সম্পাদনার জন্য তিনি সাংবাদিক-সাহিত্যিক মহলে সুপরিচিত নাম। বলা চলে, বাংলাদেশে এবং বিশেষত তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তানে নারী সাংবাদিকতার পথিকৃৎ তিনি। যখন নারীরা সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করার মতো সাহস কিংবা সুযোগ পায়নি, তখন পিতা- সওগাত পত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিনের সান্নিধ্যে এবং সুফিয়া কামালের সহযোগিতায় নূরজাহান বেগম সাংবাদিকতাকে পেশা ও নেশা হিসেবে বরণ করেন। পশ্চিমবঙ্গে সাখাওয়াৎ মেমোরিয়াল গার্লস স্কুলে লেখাপড়ার সময় তিনি নিশ্চয় বেগম রোকেয়ার চিন্তা ও দর্শন দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন। নারীর ইস্যু মিডিয়ায় প্রচারের প্রথম সুযোগ সৃষ্টি করেন কিংবদন্তি সাংবাদিক নাসিরউদ্দিন তাঁর সওগাত পত্রিকায়। প্রথম দিকে তাঁর প্রতিষ্ঠিত বেগম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন সুফিয়া কামাল। আর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন শিক্ষানবিস নূরজাহান। চার মাস পর দায়িত্ব নেন নাসিরের সুযোগ্য উত্তরাধিকারী নূরজাহান। বেগম পত্রিকা ১৯৪৭ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশ শুরু হলেও দেশ বিভাগের পর ১৯৫০ সালে এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হতে থাকে। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বেগম বাংলাদেশের নারী সাহিত্যিকদের লেখা প্রকাশ ও চিন্তার বিচরণের ক্ষেত্র হিসেবে দীর্ঘ দিন ধরে ভূমিকা রাখছে। অনেক নারী এখান থেকে লেখার হাতেখড়িও করেছেন। সম্প্রতি দেয়া এক সাক্ষাৎকারে নূরজাহান বেগম বলেছেন : ‘আমি বেগম-এর বাইরে আর কিছুই করার চেষ্টা করিনি। আমার জীবন বেগম-এর জন্য নিবেদিত।’ তাঁর এ কাজে বরাবর অকুণ্ঠ সহযোগিতা করেছেন স্বামী কচিকাঁচার আসরের কেন্দ্রীয় সভাপতি রোকনুজ্জামান খান দাদাভাই। পুরুষশাসিত এই সমাজে পিতা ও স্বামীর মতো দুই বরেণ্য পুরুষের সহযোগিতা পেয়েছিলেন নূরজাহান। এদিক থেকে তাঁর পারিবারিক আবহ সম্পূর্ণ ভিন্ন বলা চলে। এই অনুকূলতা অবশ্যই তাঁর জন্য বাড়তি পাওনা ছিল। বেগমই ছিল তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। আর সম্পাদক ও সংগঠক নূরজাহান ছিলেন বাংলাদেশের এক বাতিঘর।
সমকালে নারীর শিক্ষা ও সামাজিক-আর্থিক উন্নয়নে সাংবাদিক নূরজাহান সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করেছেন। তাঁর সম্পাদিত বেগম পত্রিকার মাধ্যমে তিনি চিন্তার সাফল্য ও সম্ভাবনার নানা পথও তৈরি করে গেছেন। বাংলাদেশের সামাজিক-অগ্রগতি-পরিকল্পনার সাথে তাঁর নাম জড়িয়ে গেছে স্বাভাবিক কারণেই। চল্লিশের দশকে পারিবারিক বেষ্টনিতে থাকা নারীদের কাছে পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্বের খবর পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত তিনি সাংবাদিকতা ও সম্পাদনার নীতি ও আদর্শের ক্ষেত্রে সমতা বজায় রেখেছেন। সওগাত পত্রিকার পারিবারিক আবহে তিনি যে আলোয় স্নাত হয়েছেন, সব বাঙালি নারীকে তিনি সেই আলোর পথে আনতে চেষ্টা করে গেছেন। নারী-জাগরণে তাঁর সাংগঠনিক সামর্থ্যও পরবর্তী প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় হয়ে থাকবে।
নূরজাহান বেগম শৈশবে কাজী নজরুল ইসলাম ও আবুল মনসুর আহমদের মতো সাহসী ও সৃজনশীল সাংবাদিকের এবং কাজী মোতাহার হোসেন, প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁর মতো মনীষীদের সান্নিধ্য পেয়েছেন। তাঁদের চিন্তা ও কর্ম-পরিসর থেকে কিছুটা অনুপ্রেরণাও পেয়েছেন নিশ্চয়। সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাহিত্য-সাধনা এবং পৃষ্ঠপোষকতাকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। সাহিত্য ক্ষেত্রে নারীদের বিচরণের বিষয়ে তাঁর আগ্রহ ছিল অফুরন্ত। ছবি আঁকতেও নারীদের বিশেষভাবে উৎসাহ দিতেন তিনি। ঘরের ভেতরের মেয়েলি আড্ডাও যে সাহিত্য-সংস্কৃতির বিচরণ ও বিকাশকে প্রসারিত করতে পারে, তা তিনি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। নারীর ব্যক্তিগত আবেগকে তিনি প্রশ্রয় দিয়েছেন- প্রসারিত করেছেন নারীর মনোজগতের পরিভ্রমণের ভুবন। সমকালীন সংস্কারাচ্ছন্ন ও পিছিয়ে থাকা নারীসমাজের কাছে তিনি এক আলোকবর্তিকা।
নূরজাহান সমকালে এবং উত্তরকালে সাহসী উদ্যোগ ও প্রেরণার এক উজ্জ্বল উদাহরণ। ক্রমে ক্রমে কাজের মধ্য দিয়ে ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিলেন এই কর্মী নারী। যুগে যুগে, কালে কালে কোনো কোনে সমাজে এমন নারীর আগমন ঘটে। নূরজাহান সত্যিই এক ক্ষণজন্মা মানুষ।
কলকাতার লেডি ব্রেবোর্ন কলেজে আইএ ক্লাসে দর্শন, ইতিহাস ও ভূগোল পড়তে গিয়ে সম্ভবত তাঁর চিন্তাভুবনে পরিবর্তন আসে। শৈশবে নূরী (নূরজাহানের ডাকনাম) সওগাত অফিসের নিয়মিত সাহিত্য মজলিশেও যোগ দিয়েছেন। সেখান থেকেও পেয়েছেন সাহিত্য-শিল্পের প্রেরণা। তাঁর সম্পাদিত বেগম পত্রিকার মূল লক্ষ্য ছিল নারী জাগরণ, নতুন লেখক সৃষ্টি, সাহিত্য ও সৃজনশীলতায় নারীকে উৎসাহী করা। বিগত ষাট বছরে বাংলাদেশে নারীর অবস্থা ও অবস্থানে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে, তাতে ব্যক্তি নূরজাহান এবং সাপ্তাহিক কাগজ বেগম-এর অবদান অনস্বীকার্য। সাংবাদিক হিসেবে অভিযাত্রার শুরু থেকে আজীবন সংগ্রামী ছিলেন এই নারী সংগঠক। বিশেষ করে বাঙালি মুসলিম নারীর সামাজিক-ধর্মীয় মর্যাদা এবং সামাজিক কাঠামো পুনর্গঠনে তিনি অনন্য নারী।
নূরজাহানের চলে যাওয়া সত্য। তাঁকে ফিরে পাওয়ার বাসনা বা কল্পনা অবাস্তব। তবে তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে তাঁকে নিশ্চয়ই আমরা খুঁজে ফিরতে পারি। কী ক্ষতি হয়েছে আমাদের, তিনি এখন মারা না গেলে আর কী কী কাজ করতে পারতেন- এসব চিন্তা না করে যদি তাঁর কর্মজ্ঞান ও কর্ম-পরিসরকে চিহ্নিত করে সেই পথে গতি সঞ্চার করতে পারি, তবেই নূরজাহানের সাধনার সাফল্য ও সম্ভাবনার ক্ষেত্র সৃষ্টি হবে। নূরজাহান বেঁচে থাকবেন তাঁর কাজের মধ্যে। আর আমরা- তাঁর উত্তর-প্রজন্ম নূরজাহানদের স্মরণ করার পাশাপাশি নির্মাণ করার চেষ্টা করব নতুন নতুন পথ ও মত।

77
BCS Cadre / বাংলা সাহিত্য
« on: April 17, 2016, 06:45:20 PM »
বাংলা সাহিত্য :  গীতিকবি, গীতিকাব্য, নাটক,প্রহসন
1. বাংলা সাহিত্যের প্রধান প্রধান সাহিত্য ধারা কি কি?
উঃ গীতিকবিতা, মহাকাব্য, উপন্যাস, গল্প, নাটক, প্রহসন, প্রবন্ধ, অভিসন্দর্ভ, সমালোচনা, পত্র সাহিত্য, জীবনী সাহিত্য ইত্যাদি।
2. মধ্যযুগের অন্যতম সাহিত্য ধারা কি কি ?
উঃ বৈঞ্চব পদাবলী, জীবনী সাহিত্য, মঙ্গল কাব্য, কবিগান, পুঁথি সাহিত্য, অনুবাদ সাহিত্য, মর্সিয়া সাহিত্য ইত্যাদি।
3. আধুনিক যুগের সাহিত্য ধারা কি কি ?
উঃ মহাকাব্য, গীতিকাব্য, উপন্যাস,নাটক, ছোটগল্প, প্রহসন,প্রবন্ধ, নিবন্ধ, অভিসন্দর্ভ, সমালোচনা, আত্মজীবনীমূলক সাহিত্য, পত্র সাহিত্য, গীতিনাট্য ইত্যাদি।
4. চর্যাপদ কোন প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় পুনরুদ্ধার করা হয়েছে?
উঃ ‘বঙ্গীয় সাহিত্যে পরিষদ’।
5. মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে?
উঃ পাঠান সুলতানগণ।
6. মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্ম প্রচারকের প্রভাব অপরিসীম?
উঃ শ্রী চৈতন্যদেব।
7. কার অনুপ্রেরণায় মহাভারতের অশ্বমেধ পর্ব অনুদিত হয়?
উঃ নাসিরউদ্দিন নসরৎ শাহের।
8. কার রাজত্বকালে বাংলার লৌকিক কাহিনী ‘মনসামঙ্গল’ রচিত হয়?
উঃ হুসেন শাহের।
9. ‘চৈতন্য ভাগবত’ কার সময় রচিত হয়?
উঃ গিয়াসুদ্দীন মাহমুদ শাহের।
10. কার পৃষ্ঠপোষকতায় কৃত্তিবাস রামায়ণের অনুবাদ করেন?
উঃ জালালুদ্দিন মুহম্মদ শাহের।
11. কবি বিদ্যাপতি ও শেখ কবির কার আদেশে বৈঞ্চবপদ কাব্য রচনা করেন?
উঃ নাসির উদ্দিন নসরৎ শাহের।
12. কবি বিজয়গুপ্ত কার আদেশে ‘মনসামঙ্গল’ কাব্য রচনা করেন?
উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহের।
13. বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বিখ্যাত শাসক?
উঃ আলাউদ্দিন হুসেন শাহ।
14. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় শাহ মুহম্মদ সগীর কোন কাব্যটি রচনা করেন?
উঃ ইউসূফ- জুলেখা।
15. ‘নসীয়তনামা’ কাব্য কার পৃষ্ঠপোষকতায় রচিত?
উঃ শ্রীসুধর্মের।
16. কার আদেশে সয়ফুল-মূলক রচিত হয়?
উঃ সৈয়দ মুসার আদেশে।
17. কার আদেশে আলাওল ‘সতীময়না’ কাব্য রচনা করেন?
উঃ ‘লস্কর উজীর’ আশরাফ খানের।
18. কবি জৈনুদ্দিন কার সভাকবি ছিলেন?
উঃ গৌড়ের সুলতান ইউসুফ শাহেব।
19. রসুল বিজয় কাব্য কার অনুপ্রেরণায় রচিত হয়?
উঃ শামসুদ্দীন ইউসূফ শাহের।
20. ‘মহা বংশাবলী’ নামক সামাজিক ইতিহাস গ্রন্থের পৃষ্ঠপোষক কে?

উঃ সুলতান জালালউদ্দিন ফতেহ-ই-শাহ।
21. বাংলায় সর্বপ্রথম ‘বিদ্যাসাগর কাহিনী’ কার আমলে রচিত হয়?
উঃ হুসেন শাহের আমলে।
22. কার পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতচন্দ্র ‘বিদ্যাসুন্দর’ রচনা করেন?
উঃ রাজা কৃষ্ণ চন্দ্র্রের।
23. কোন কবি গিয়াস উদ্দীন আযম শাহের রাজা কর্মচারী ছিলেন?
উঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
24. কবি মালাধর বসুর পৃষ্ঠপোষক কে ছিলেন?
উঃ শামসউদ্দিন ইউসুফ শাহ।
25. রাজা লক্ষন সেনের সভাকবি কে ছিলেন?
উঃ ভারতচন্দ্র ।
26. হোসেন শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় কে কাব্য চর্চা করেন?
উঃ রূপ গোস্বামী।
27. কবীন্দ্র পরমেশ্বর কার আদেশে বাংলায় মহাভারত রচনা করেন?
উঃ পরাগল খানের।
28. ছুটি খানের সভাকবি কে ছিলেন?
উঃ শ্রীকর নন্দী।
29. আলাওল ‘পদ্মাবতী’ রচনা করেন?
উঃ মাগন ঠাকুরের অনুরোধে।
30. কবি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন কোন নৃপতি?
উঃ গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ।
---------------------------------------------
31. বাংলা সাহিত্যের শেকড় সন্ধানী সাহিত্য কি?
উঃ লোকসাহিত্য।
32. লোক সাহিত্যের প্রাচীনতম সৃস্টি কি?
উঃ ছড়া ও ধাঁ ধাঁ ।
33. ‘মহুয়া পালা’ কোন কাহিনী নিয়ে রচিত?
উঃ বেদের এক অপূর্ব সুন্দরী কন্যা মহুয়ার সাথে বামনকান্দার জমিদার ব্রাহ্মন যুবক নদের চাঁদের প্রনয় কাহিনী।
34. মৈয়মনসিংহ গীতিকার অর্ন্তগত উল্লেখযোগ্য গীতিকাগুলো কি কি ?
উঃ মহুয়া, চন্দ্রাবতী, কাজল রেখা, দেওয়ানা মদিনা প্রভৃতি।
35. ‘দেওয়ানা মদিনা’ পালাটির রচয়িতা কে?
উঃ মনসুর বয়াতি।
36. বাংলাদেশ থেকে সংগৃহিত লোক গীতিকা কয়ভাগে বিভক্ত?
উঃ ৩ ভাগে। নাথ-গীতিকা, মৈয়মনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা।
37. মৈয়মনসিংহ গীতিকা বিশ্বের কয়টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে?
উঃ ২৩ টি।
38. মৈয়মনসিংহ গীতিকার রচয়িতা কে?
উঃ ড. দীনেশ চন্দ্র সেন।
39. মৈয়সনসিংহ গীতিকা কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
উঃ ১৯২৩ সালে।
40. পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়?
উঃ পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা।

---------------------------
41. বৈষ্ণব সাহিত্য কি?
উঃ বৈঞ্চব মতকে কেন্দ্র করে রচিত সাহিত্যকে।
42. বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যর সূচনা ঘটে কবে?
উঃ চর্তুদশ শতকে।
43. বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের বিকাশ কাল কখন?
উঃ ষোড়শ শতকে।
44. শাক্ত পদাবলী কোন শতকের সাহিত্য ছিল?
উঃ আঠারো শতক।
45. বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের আদি কবি কে কে?
উঃ বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাশ।
46. বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের চতুষ্টয় কে কে?
উঃ বিদ্যাপতি, চন্ডীদাস, জ্ঞানদাস ও গোবিন্দ দাস।
47. বিদ্যাপতি ও চন্ডীদাশ কোন শতকের কবি?
উঃ চর্তুদশ শতক।
48. জ্ঞানদাস ও গোবিন্দ দাস কোন শতকের কবি?
উঃ ষোড়শ শতক।
49. বিদ্যাপতি কোন ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলী রচনা করেছেন?
উঃ ব্রজবুলী ভাষায়।
50. বৈষ্ণব পদাবালী সাহিত্যের উল্লেখ্যযোগ্য কবি কে কে?
উঃ বিদ্যাপতি, চন্ডী দাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দ দাস, যশোরাজ খান, চাঁদকাজী, রামচন্দ বসু, বলরাম দাস, নরহরি দাস, বৃন্দাবন দাস, বংশীবদন, বাসুদেব, অনন্ত দাস, লোচন দাস, শেখ কবির, সৈয়দ সুলতান, হরহরি সরকার, ফতেহ পরমানন্দ, ঘনশ্যাম দাশ, গয়াস খান, আলাওল, দীন চন্ডীদাস, চন্দ্রশেখর, হরিদাস, শিবরাম, করম আলী, পীর মুহম্মদ, হীরামনি, ভবানন্দ প্রমুখ।
51. বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য মুসলিম কবি কে কে?
উঃ আলাওল, সৈয়দ সুলতান, আকবর, ফয়জুল্লাহ, ্আফজল, সালেহ বেগ, নাসির মাহমুদ, সৈয়দ আইনুদ্দীন, গয়াস খান, ফাজিল, নাসির মহম্মদ, আলীরজা, করম আলী।
52. বৈষ্ণব পদাবলীর প্রধান অবলম্বন কি কি?
উঃ রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা।
53. অধিকাংশ বৈষ্ণব পদাবলী কোন ভাষায় রচিত হয়েছে?
উঃ ব্রজবূলী ভাষায়।
54. শাক্ত পদাবলীর উল্লেখ্যযোগ্য কবি কে কে?
উঃ রামপ্রসাদ সেন, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র, আলীরজা, কমলাকান্ত, নন্দকুমার প্রমুখ।
---------------------------------------------
 55. মঙ্গলকাব্যের উপজীব্য কি ?
উঃ ধর্মবিষয়ক আখ্যান। দেবদেবীর গুনগান মঙ্গলকাব্যর উপজীব্য। স্ত্রী দেবীদের প্রধান্য এবং মনসা ও চন্ডীই এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ।
56. মঙ্গলকাব্য প্রধানত কত প্রকার ও কি কি?
উঃ মঙ্গল কাব্য প্রধানতঃ দু’প্রকার। যথা- (ক) পৌরাণিক মঙ্গলকাব্য ও (খ) লৌকিক মঙ্গলকাব্য।
57. উল্লেখ্যযোগ্য পৌরাণিক মঙ্গলকাব্য কি কি?
উঃ অন্নদামঙ্গল, কমলামঙ্গল, দূর্গামঙ্গল।
58. উল্লেখযোগ্য লৌকিক মঙ্গলকাব্য কি কি?
উঃ মনসা মঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল, কালিমঙ্গল, গৌরীমঙ্গল (বিদ্যাসুন্দরী), সারদামঙ্গল প্রভৃতি।
59. সর্বাপেক্ষা প্রাচীনতম মঙ্গলকাব্য ধারা কোনটি?
উঃ মনসামঙ্গল।
60. সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় মনসামঙ্গল কাহিনী কোনটি?
উঃ চাঁদ সাগরের বিদ্রোহ ও বেহুলার সতীত্ব কাহিনী।
61. মনসামঙ্গল কাব্য কোন দেবীর কাহিনী নিয়ে রচিত?
উঃ দেবী মনসা’র কাহিনী।
62. মনসামঙ্গলের উল্লেখযোগ্য চরিত্র কি?
উঃ মনসাদেবী, চাঁদ সুন্দর, বেহুলা, লক্ষ্মীন্দর।
63. মনসামঙ্গলের আদি কবি কে?
উঃ কানা হরিদত্ত।
64. কোন রাজার সময় মনসা মঙ্গল কাব্য রচিত হয়?
উঃ সুলতান হুসেন শাহের সময়ে।
65. মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি নারায়ন দেবের জন্মস্থান কোথায়?
উঃ বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলায়।
66. কবি নারায়ন দেবের কাব্যের নাম কি?
উঃ পদ্মপুরাণ।
67. মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি বিজয় গুপ্তের জন্ম স্থান কোথায়?
উঃ বরিশাল জেলার বর্তমান গৈলা গ্রামে এবং প্রাচীন নাম ফুলশ্রী।
68.‘মনসা বিজয়’ কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা কে?
উঃ বিপ্রদাস পিপিলাই, ১৪৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।
69. মনসামঙ্গলের সুকণ্ঠ গায়ক হিসেবে কোন কবির বিশেষ খ্যাতি ছিল?
উঃ দ্বিজ বংশীদাস।
70. দ্বিজ বংশীদাস কোথায় জন্মগ্রহন করেন?
উঃ কিশোরগঞ্জ জেলার পাতুয়ারী গ্রামে।
71. মনসামঙ্গলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ক্ষেমানন্দের উপাধি কি ছিল?
উঃ কেতকা দাস।
72. চন্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবির নাম কি?
উঃ মানিক দত্ত।
73. কোন শতকে চন্ডীমঙ্গল কাব্যর সর্বাধিক প্রসার ঘটে?
উঃ ষোড়শ শতকে।
74. চন্ডীমঙ্গল কাব্যর রচনাকাল কত সময় পর্যন্ত বি¯তৃত?
উঃ ষোড়শ থেকে আঠার শতক পর্যন্ত।
75. চন্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার সর্বশ্রেষ্ট কবি কে?
উঃ কবি কবিকঙ্কন মুকুন্দ রাম চক্রবর্তী।
76. কবি মুকুন্দ রাম কোথায় জন্মগ্রহন করেন?
উঃ বর্ধমান জেলার দামুন্যা গ্রামে।
77. কবি মুকুন্দ রাম কার সভাসদ ছিলেন?
উঃ মেদিনীপুর জেলার অড়বা গ্রামের জমিদার রঘুনাথের।
78. মুকুন্দ রামকে কে কেন ‘কবিকঙ্কন’ উপাধি দেন ?
উঃ জমিদার রঘুনাথ শ্রী শ্রী চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনার জন্য।
79. মুকুন্দ রামের চন্ডীমঙ্গল কাব্যর অন্যান্য নাম কি কি?
উঃ অভয়ামঙ্গল, অধিকামঙ্গল, গৌরিমঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল, প্রভৃতি।
80. চন্ডীমঙ্গলের উল্লেখ্যযোগ্য কবির নাম কি?
উঃ দ্বিজ রামদেব, মুক্তারাম সেন, হরিরাম, ভবানীশঙ্কর দাস, অকিঞ্চন চক্রবর্তী প্রমুখ।
81. ধর্মমঙ্গল কাব্যের কাহিনী কয়টি এবং কি কি?
উঃ দুটি। যথাঃ (ক) রাজা হরিশ্চন্দ্রের কাহিনী এবং (খ) লাউসেনের কাহিনী।
82. ধর্মমঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?
উঃ ময়ূর ভট্ট।
83. ‘হাকন্দপুরান’ কার রচিত কাব্য গ্রন্থ?
উঃ ময়ূর ভট্ট।
84. শ্যাম পন্ডিত কে ছিলেন?
উঃ ধর্মমঙ্গলের অন্যতম কবি।
85. নিরঞ্জন মঙ্গল কার কাব্য গ্রন্থের নাম?
উঃ শ্যাম পন্ডিত।
86. সা’ বারিদ খান রচিত মঙ্গল কাব্যর নাম কি?
উঃ বিদ্যাসুন্দর।
87. ‘কবিরঞ্জন’ কোন কবির উপাধি?
উঃ রাম প্রসাদ সেন।
88. রাম প্রসাদ সেনকে কে ‘কবিরঞ্জন’ উপাধি প্রদান করেন?
উঃ নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
89. রাম প্রসাদ সেনের কাব্য গ্রন্থের নাম কি?
উঃ কবিরঞ্জন।
90. অষ্টাদশ শতক বা মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে কোন কবি সুপরিচিত?
উঃ ভারতচন্দ্র রায় গুনাকর।
91. অন্নদামঙ্গল কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
উঃ ভারত চন্দ্র।
92. ভারতচন্দ্র কে কে ‘রায় গুণাকর’ উপাধি প্রদান করেন?
উঃ নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
93. ভারতচন্দ্র কার সভাকবি ছিলেন?
উঃ নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র।
94. ভারতচন্দ্রের রায় রচিত মঙ্গল কাব্যর নাম কি?
উঃ অন্নদামঙ্গল কাব্য।
95. ভারতচন্দ্র রায় গুণাকরের জন্মস্থান কোথায়?
উঃ হাওড়া জেলার পেঁড়ো (পান্তুয়া) গ্রামে।
96. কোন কবির জীবানাবসানের মাধ্যমে মধ্যযুগের অবসান হয়েছে?
উঃ কবি ভারত চন্দ্র রায় গুনাকর।
 -----------------------
97. মর্সিয়া সাহিত্য কি ?
উঃ এক ধরনের শোককাব্য।
98. মর্সিয়া কথাটি এসেছে কোন ভাষা থেকে ? এর অর্থ কি ?
উঃ আরবী ভাষা থেকে; এর অর্থ শোক প্রকাশ করা।
99. কোন মতবাদ প্রসারের ফলে মর্সিয়া সাহিত্য সৃষ্টির অনুকুল হয়েছে ?
উঃ শিয়া মতবাদ।
100. ‘কাশিমের লড়াই’ মার্সিয়া কাব্যের রচয়িতা কে?
উঃ অষ্টাদশ শতকের কবি শেরবাজ।
101. বাংলা সাহিত্যে মর্সিয়া সাহিত্য ধারার প্রথম কবি কে এবং তাঁর কাব্যের নাম কি?
উঃ শেখ ফয়জুল্লাহ, ‘জয়নবের চৌতিশা’।
102. মর্সিয়া সাহিত্য ধারার অন্যতম হিন্দু কবি কে এবং তাঁর কাব্যের নাম কি?
উঃ রাঁধাচরণ গোপ, ‘ইমামগণের কেচ্ছা’ ও ‘আফৎনামা’।
--------------------------------------------
103. মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিগণের সর্বাপেক্ষা উল্লেখ্যযোগ্য অবদান কি?
উঃ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
104. মধ্যযুগে ফারসি ভাষা থেকে অনুদিত প্রণয়োপাখ্যানগুলো কি কি?
উঃ ইউসুফ-জুলেখা, লাইলী-মজনু, গুলে বকাওয়ালী, সয়-ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল, সপ্তপয়কর ইত্যাদি।
105. মধ্যযুগে হিন্দী ভাষা থেকে অনুদিত প্রণয়োপাখ্যানগুলো কি কি?
উঃ পদ্মাবতী, সতী ময়না লোরচন্দ্রনী, মধুমালতী,
মৃগাবতী ইত্যাদি।
106. ‘গুলে বকাওয়ালী’ কে রচনা করেন?
উঃ নওয়াজিশ আলী খান।
107. ‘গুলে বকাওয়ালী’ অন্য কোন কবি রচনা করেন?
উঃ মুহাম্মদ মুকিম।
108. সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল কাব্যের কাহিনী কি?
উঃ আরবিয় উপন্যাস বা আলেফ লায়লা।
109. ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’ কে রচনা করেন?
উঃ আলাওল।
110. ‘সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামাল’ অন্য কোন কোন কবি রচনা করেন?
উঃ দেনা গাজী চৌধুরী, ইব্রাহিম ও মালে মোহম্মদ।
111. সপ্তপয়কর কে রচনা করেন?
উঃ আলাওল।
112. সপ্তপয়কর কোন কবির রচনার ভাবানুবাদ?
উঃ পারস্যর কবি নিজামী গঞ্জভীর সপ্তপয়কর কাব্যের।
113. লাইলী মজনু কে রচনা করেন?
উঃ বহরাম খান।
114. ইউসুফ-জুলেখা কে রচনা করেন?
উঃ শাহ মুহম্মদ সগীর।
115. ‘ইউসুফ-জুলেখা’ অন্য কোন কোন কবি রচনা করেন?
উঃ আব্দুল হাকিম, গরীবুল্লাহ, গোলাম সাফাতউল্লাহ, সাদেক আলী ও ফকির মুহাম্মদ।
---------------------------------------------
 116. নাথ সাহিত্য কি?
উঃ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে শিব উপাসক এক শ্রেণীর যোগী সম্প্রদায়ের নাথ ধর্মের কাহিনী অবলম্বনে রচিত কাব্য।
117. নাথ সাহিত্যের উল্লেখ্যযোগ্য কবি কে কে?
উঃ শেখ ফয়জুল্লাহ, ভীমসেন রায় ও শ্যামাদাস সেন।
118. ‘গোরক্ষ বিজয়’র রচিয়তা কে?
উঃ শেখ ফয়জুল্লাহ।
119. শেখ ফয়জুল্লাহ গোবক্ষ বিজয় মুখে শুনে পুস্তকাকারে লিপিবদ্ধ করেন?
উঃ ‘ভারত পাঁচাল’ রচয়িতা কবিন্দ্রের মুখে।
120. ময়নামতি বা গোপীচন্দ্র অবলম্বনে রচিত গান প্রথম কে সংগ্রহ করেন?
উঃ জর্জ গিয়ার্সন। ১৮৭৮ সালে রংপুর থেকে।
121. ময়নামতি গোপীচন্দ্রের গান কাব্যের উল্লেখযোগ্য রচিয়তা কে কে?
উঃ দুর্লভ মল্লিক, ভবানীদাস ও শুকুর আহমেদ।
122. গোরক্ষ বিজয় এর উপজীব্য বিষয় কি?
উঃ নাথ বিশ্বাস জাত যুগের মহিমা এবং নারী ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্রের বর্ণনা।
123. শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত গ্রন্থের সংখ্যা কয়টি ও কি কি?
উঃ ৫টি। যথা- (ক) গোরক্ষ বিজয় বা গোর্খ বিজয় (খ) গাজী বিজয় (গ) সত্যপরী (ঘ) জয়নালের চৌতিশা (ঙ) রাসানাম।
124. “মীনচেতন’’ কে রচনা করেছেন ?
উঃ শ্যামাদাস সেন।
125. “মীনচেতন’’ কে সম্পাদনা করেছেন ?
উঃ ডঃ নলীনিকান্ত ভট্টশালী।
 --------------------------
126. আরাকান রাজসভায় বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিকের নাম কি কি?
উঃ দৌলত কাজী, আলাওল, কোরেশী মাগন ঠাকুর, মরদন, আব্দুল করিম খোন্দকর।
127. আরাকানকে বাংলা সাহিত্য কি নামে উল্লেখ করা হয়েছে ?
উঃ রোসাং বা রোসাঙ্গ নামে।
128. কবি আলাওল কোথায় জন্মগ্রহন করেন ?
উঃ ফতেহাবাদের জালালপুরে।
129. মাগন ঠাকুর কে ছিলেন?
উঃ রোসাঙ্গ রাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।
130. “নসীহত নামা” কোন জাতীয় গ্রন্থ ? কে রচনা করেছেন ?
উঃ মরদন রচিত কাব্যগ্রন্থ।
131. কার আদেশে দৌলত কাজী ‘সতি ময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কাব্য রচনা করেন?
উঃ শ্রী সুধর্ম রাজার আমলে তাঁর লঙ্কর উজির আশরাফ খানের।
132. ‘সতি ময়না ও লোরচন্দ্রানী’ কোন শতকের কাব্য?
উঃ সপ্তদশ শতাব্দী।
133. সতী ময়না ও লোরচন্দ্রানী হিন্দি ভাষার কোন কাব্য অবলম্বনে রচিত?
উঃ হিন্দী কবি সাধন এর ‘মৈনাসত’।
134. “পদ্মাবতী ’’ কে রচনা করেন ?
উঃ মহাকবি আলাওল।
135. “পদ্মাবতী ’’ কোন জাতীয় রচনা?
উঃ ঐতিহাসিক প্রণয় উপাখ্যান।
136. কোন ঐতিহাসিক কাহিনী নিয়ে আলাওল পদ্মাবতী কাব্য রচনা করেন?
উঃ চিতোরের রানী পদ্মীনির কাহিনী।
137. আলাওলের অন্যান্য রচনার নাম করুন।
উঃ তোহফা, সেকান্দারনামা, সঙ্গীতন শাস্ত্র (রাগতাল নামা), বাংলা ও ব্রজবুলি ভাষায় রাধাকৃষ্ণ রূপকে রচিত পদাবলী ইত্যাদি।
 --------------------------
138. কবিগানের উৎপত্তি ও বিকাশ কোন শতক
পর্যন্ত ?
উঃ ১৮ শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকে ১৯ শতাব্দীর প্রথমার্ধে।
139. কবিগানের উল্লেখ্যযোগ্য কবিওয়ালের নাম কি কি?
উঃ গোঁজলাই গুই, ভরানী বেনে, হরু ঠাকুর, কেষ্টা মুচি, ভোলা ময়রা, এন্টনী ফিরিঙ্গি, নিতাই বৈরাগী প্রমুখ।
140. কবিগানের আদিগুরু হিসেবে পরিচিত কে ?
উঃ গোঁজলা গুঁই।
141. গোঁজলা গুই এর উল্লেখযোগ্য শিষ্য কে কে ?
উঃ লালু নন্দলাল, রঘুনন্দ, রামজীবন দাস প্রমুখ।
142. বাংলা টম্পাগানের জনক কে ছিলেন?
উঃ নিধু বাবু।
143. ‘নানা দেশের নানান ভাষা, বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা’। এটির রচয়িতা কে?
উঃ নিধু বাবু।
144. টম্পা গান থেকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কোন ধারার সুত্রপাত?
উঃ বাংলা গীতিকবিতা।
145. কবিওয়ালাদের মধ্যে সবচেয়ে খ্যাতি কে অর্জন করেছিল?
উঃ ভবানী বেনে।
146. কবিগানের কয়টি বিভাগ কি কি?
উঃ ৪টি। বন্দনা, সখী সংবাদ, বিরহ ও খেউর।
147. হরু ঠাকুরের প্রকৃত নাম কি?
উঃ হরেকৃষ্ণ দিঘাড়ী।
148. কবিয়াল কেষ্ট মুচির প্রকৃত নাম কি?
উঃ কৃষ্ণচন্দ্র চর্মকার।
149. কবিগানের বিশেষ গৌরবের যুগ কত সাল পর্যন্ত বি¯তৃত ছিল?
উঃ ১৭৩০-১৮৩০ সাল পর্যন্ত।
150. কবিওয়ালাদের মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক মানসিকতা লালন করতেন কে?
উঃ রাম বসু।
151. কবিওয়ালদের মধ্যে পর্তুগীজ খ্রিষ্টান কে ছিলেন?
উঃ এন্টনি ফিরিঙ্গি।
 --------------------------
152. শায়ের কারা?
উঃ পুঁথি সাহিত্যের রচয়িতার শায়ের বলা হয়।
153. পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক কবির রচয়িতা কে?
উঃ ফকির গরীবুল্লাহ।
154. উল্লেখযোগ্য শায়েরের নাম কি?
উঃ ফকির গরীবুল্লাহ, সৈয়দ হামজা, মালে মুহম্মদ, আয়েজুদ্দিন, মুহম্মদ মুনশী, দানেশ প্রমুখ।
155. পুঁিথ সাহিত্যে কোন কোন ভাষার সংমিশ্রন ঘটেছে?
উঃ আরবী, ফার্সি, বাংলা, হিন্দি, তুর্কি  প্রভৃতি।
156. কালুগাজী ও চন্দ্রাবতী কোন ধরনের সাহিত্য?
উঃ পুঁতি সাহিত্য।
157. পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি কে ছিলেন?
উঃ ফকির আবদুল্লাহ।
158. ফকির আবদুল্লাহর শ্রেষ্ঠ কবি প্রতিভা কোন গ্রন্থে বিধৃত?
উঃ ইউসুফ- জুলেখা।
159. প্রনোয়োপখ্যান জাতীয় উল্লেখযোগ্য পুথি সাহিত্য কি কি ?
উঃ ইউসুফ- জুলেখা, সয়ফুলমূলক- বদিউজ্জমান, লায়লী-মজনু, গুলে-বকাওলী।
160. যুদ্ধ সম্পর্র্কিত উল্লেখযোগ্য পুঁথি সাহিত্য কি কি ?
উঃ জঙ্গনামা, আমীর হামজা, সোনাভান, কারবালার যুদ্ধ ইত্যাদি।
161. পীর পাঁচালী বিষয়ক উল্লেখযোগ্য পুঁথি সাহিত্য কি কি ?
উঃ গাজী-কালু চম্পাবতী, সত্য পীরের পুঁথি ইত্যাদি।
--------------------------
162. নাটক কি?
উঃ দৃশ্যকাব্য।
163. নাটকের উৎপত্তি কোথায়?
উঃ গ্রীসে।
164. বাংলা নাটক মঞ্চায়ন, রচনায় ও অনুবাদে
কোনবিদেশীর নাম প্রথমে আসে?
উঃ হেরাসিম লেবেডফ।
165. ‘দি ডিসগাইজ’ নাটকের বাংলা আনুবাদক কে?
উঃ হেরাসিম লেবেডফ।
166.ট্রাজেডি, কমেডি ও ফার্সের মূল পার্থক্য
কোথায়?
উঃ জীবনানুভূতির গভীরতায়।
167. নাটক ও প্রহসনের মূল পার্থক্য কোথায়?
উঃ ব্যঙ্গ বিদ্রুপ।
 --------------------------
                            রচিয়তা                                 
মাইকেল মধুসুদন দত্ত-মেঘনাথ বধ কাব্য (১৮৬১)
হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যয়-বৃত্রসংহার (১৮৭৫)
নবীনচন্দ্র সেন-রৈবতক(১৮৭৫), করুক্ষেত্র (১৮৯৩), প্রভাস (১৮৯৬)
কায়কোবাদ-মহাশ্মাশান(১৯০৪)
ইসমাইল হোসেন সিরাজী-স্পেন বিজয় কাব্য(১৯১৪)
---------------------------
গীতিকবি /গীতিকাব্যের নাম/প্রকাশ-রচনাকাল
বিহারীলাল চক্রবর্তী - প্রেম প্রবাহিনী (১৮৭০), বঙ্গসুন্দরী (১৮৭০), নিসর্গ সন্দর্শন (১৮৭০), সারদা মঙ্গল (১৮৭৯)।
সুরেন্দ্রনাথ মজুমদার - মহিলাকাব্য (১৮৮০), সবিতা সুদর্শন (১৮৭০), বর্ষবর্তন (১৮৭২)।
দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর - স্বপ্নপয়ন (১৮৭৩)।
স্বর্ণকুমারী - গাথা (১৮৮০), কবিতা ও গান (১৮৯৫)।
অক্ষয়কুমার বড়াল - প্রদীপ (১৮৮৪), এষা (১৯১৯)
কামিনী রায় - আলো ও ছায়া (১৮৮৯), মাল্য ও নিমার্ল্য (১৯১৩), অশোক সঙ্গীত(১৯১৪), দীপ ও ধুপ (১৯২৯)।
গোবিন্দ চন্দ্র দাস - প্রসূন (১২৯৪), প্রেম ও ফুল (১২৯৪), কুমকুম (১২৯৮), ফুল রেণু (১৩০৩)।
মোজাম্মেল হোসেন - কুসুমাঞ্জলী (১৮৮২), প্রেমহার (১৮৯৮)।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - ভানুসিংহের পদাবলী
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় - আর্যগাথা (১৮৮২), আষাঢ়ে (১৮৯৯), ত্রিবেনী (১৯১২)।
রজনীকান্ত সেন - বাণী (১৯০২), কল্যাণী (১৯০৫), অমৃত (১৯১০), আনন্দময়ী (১৯১০)।
সৈয়দ এমদাদ আলী - ডালি (১৯১২), হাজেরা (১৯১২)।
অক্ষয়কুমার বড়াল - প্রদীপ, (১৮৮৪), এষা (১৯১৯)।
কায়কোবাদ - অশ্রুমালা (১৮৯৫)।
--------------------------
রচিয়তা - প্রহসনের নাম
অমৃতলাল বসু (১৮৫৩-১৯২৯)
বিবাহ বিভ্রাট, সম্মতি সঙ্কট, কালা পানি, বাবু, একাকার, বৌমা, গ্রাম্য বিভ্রাট, বাহবা বাতিক, খাস দখল, চোরের উপর বাটপাড়ি, ডিসমিস, চাটুয্যে ও বাড়–য্যে,তাজ্জব ব্যাপার, কৃপনের ধন।

গিরিশ চন্দ্র ঘোষ (১৮৪৪-১১২)
সপ্তমীতে বিসর্জন, বেল্লিক বাজার, বড়দিনের বকশিস, সভ্যতার পান্ডা
জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৪৯-১৯২৫)
কিঞ্চিৎ জলযোগ, (১৮৭২), এমন কর্ম আর করব না (১৮৭৭), হঠাৎ নবাব (১৮৮৪), হিতে বিপরীত (১৮৮৬), দায়ে পড়ে দারগ্রহ।
রামনারায়ন তর্করত
যেমন কর্ম তেমন ফল (১৯৭৯ বঙ্গাব্দ), উভয় সঙ্কট (১৯৬৯), চক্ষুদান (১৯৬৯)।
মাইকেল মধুসুধন দত্ত ( ১৮২৪-১৮৭৪)
একেই কি বলে সভ্যতা (১৮৬০), বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো (১৮৬০)।
মীর মোশারফ হোসেন( ১৮৪৭-১৯১২)
এর উপায় কি( ১৮৭৫), ভাই, ভাই এই তো চাই (১৮৯৯), ফাঁস কাগজ, একি (১৮৯৯)।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ( ১৮৬১-১৯৪১)
বৈকণ্ঠের খাতা (১৮৯৭), ব্যঙ্গ কৌতুক (১৯০৭), হাস্য কৌতুক ( ১৯০৭), চিরকুমার সভা (১৯২৬), শেষ রক্ষা ( ১৯২৮)।
দীনবন্ধু মিত্র( ১৮৩০-১৮৭৩)
সধবার একাদশী (১৮৬৬), বিয়ে পাগলা বুড়ো ( ১৮৬৬), জামাই বারিক ( ১৮৭২)।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
কল্কি অবতার (১৮৯৫), বিরহ ( ১৮৯৭), এ্যহস্পর্শ (১৯০০), প্রায়শ্চিত্ত ( ১৯০২)।

78
BCS Cadre / idioms and phrase
« on: April 05, 2016, 08:48:29 PM »
1) All of a sudden ➫ হঠাত্ , আকস্মিকভাব
2) All the same ➫ একই রুপ , অকই কথা
3) Above board ➫ প্রকাশ্য , সন্দেহাতীত
4) After all ➫ তত্সত্ত্বেও
5) All the while ➫ সর্বক্ষণ
6) At last ➫ অবশেষে
7) At random ➫ এলোমেলো
8) As it were ➫ যেন , বলতে গেলে
9) At a loss ➫ হতবুদ্ধি
10) At best ➫ বড়জোর
11) At times ➫ সময়-সময়
12) Avail of ➫ (কারও পক্ষে) সুযোগ গ্রহণ করা
13) Break loose ➫ ভেঙ্গে বেরিয়ে পড়া
14) Break open ➫ ভেঙ্গে খুলে ফেলা
15) By all means ➫ সকল প্রকারে
16) By the by ➫ অচিরে , কথা প্রসঙ্গে
17) Beat about the bush ➫ কাজের কথা না বলে অন্য কথা বলা
18) Be all and end all ➫ একমাত্র লক্ষ্য
19) Behind one’s back ➫ কারও অসাক্ষাতে
20) Bird’s eye view ➫ এক নজরে সমগ্রকে দেখা
21) By and large ➫ মোটামুটিভাবে

22) By chance ➫ দৈবক্রমে
23) By no means ➫ কোনোক্রমেই নয়
24) By virtue of ➫ গুণে , কারণে
25) By way of ➫ হিসাবে
26) By fits and starts ➫ খামখেয়ালিভাবে
27) By hook or by crook ➫ ছলে বলে কৌশলে
28) By turns ➫ পর্যায়ক্রমে
29) Cock and bull story ➫ আষাড়ে গল্প
30) Come to light ➫ প্রকাশিত হওয়া
31) Cut short ➫ সংক্ষেপ করা
32) Ever and anon ➫ মাঝে মাঝে
33) Each and all ➫ প্রত্যেকে
34) Every other day ➫ একদিন অন্তর একদিন
35) Far and near , far and wide ➫ চারদিকে
36) Fall flat ➫ নিষ্ফল হওয়া
37) Far an away ➫ তুলনাবিহীন
38) For the time being ➫ আপাতত
39) First and foremost ➫ সর্বাগ্রে
40) For the sake of ➫ জন্য , নিমিত্ত
41) For good ➫ চিরদিনের জন্য
42) Head and tail ➫ আকাশ-পাতাল
43) Hue and cry ➫ সোরগোল

44) In as much as ➫ যেহেতু
45) In a fix ➫ সমস্যায় পতিত
46) In accordance with ➫ অনুসারে
47) In fine ➫ সংক্ষেপে , উপসংহারে
48) In no case ➫ কোন মতেই নয়
49) In no time ➫ নিমিষে
50) In full swing ➫ পরাদমে
51) In lieu of ➫ পরিবর্তে
52) In regard to ➫ সম্পর্কে
53) In spite of ➫ সত্তেও
54) In respect of ➫ বিষয়ে , ব্যাপারে
55) Ins and outs ➫ প্রতিটি আনাচে কানাচে
56) Instead of ➫ পরিবর্তে
57) In view of ➫ বিবেচনায়
58) In the event of ➫ ঘটলে
59) In the long run ➫ পরিণামে
60) In vogue ➫ চলতি , হালফ্যাশন
61) Jack of all trads ➫ সবজান্তা
62) Know no bounds ➫ সীমা না থাকা
63) Lion’s share ➫ সিংহভাগ
64) Nook and corner ➫ আনাচ কানাচ
65) Near and dear ➫ অন্তরঙ্গ
66) Now and again , now and then ➫ মাঝে মাঝে , থেকে থেকে
67) Null and void ➫ বাতিল
68) Off and on ➫ সময় সময়

69) Of late ➫ সম্প্রতি , আধুনা
70) Once in a blue moon ➫ কদাচিত্ ( কখনই না ) –
71) Of no avail ➫ নিষ্ফল
72) On the brink of , on the verge of ➫ শেষ সীমায়
73) On the contrary ➫ পক্ষান্তরে
74) Out of date ➫ অপ্রচলিত
75) Over and above ➫ অধিকন্তু
76) On the eve of ➫ প্রাক্কালে
77) On the whole ➫ মোটের ওপর
78) Part and parcel ➫ অপরিহার্য অঙ্গ
79) Point blank ➫ সরাসরি
80) Run the risk ➫ ঝুঁকি নেওয়া
81) Rhyme and reason ➫ কান্ডজ্ঞান
82) Safe and sound ➫ বহাল তবিয়তে
83) Snake in the grass ➫ গুপ্তশত্রু
84) Sum and substance ➫ সারমর্ম
85) So to say ➫ বলতে গেলে , এক কথায়
86) Tall talk ➫ বড় বড় কথা
87) Take into account , take to heels ➫ চম্পট দেওয়া
88) Time and again ➫ বারবার
89) Take into consideration ➫ হিসাবের মধ্যে ধরা , গণ্য করা
90) To and fro ➫ এদিক-ওদিক , এপাশ-ওপাশ
91) Tooth and nail ➫ সর্বশক্তি প্রয়োগ
92) To the contrary ➫ বিপক্ষে , বিরুদ্ধে
93) Turn a deaf ear to ➫ আমল না দেওয়া
94) Ups and doing ➫ উঠে পড়ে লাগা
95) With an eye to , with a view to ➫ উদ্দেশ্যে
96) Ways and mean ➫ উপায় উপকরণ , পন্থা
97) Weal and woe ➫ সুখ দুখঃ , সুসময় ও দুঃসময়
98) A host in oneself ➫ একাই একশ
99) A man of parts ➫ গুণী ব্যক্তি
100) A man of word ➫ এক কথার লোক
101) A B C ➫ প্রাথমিক জ্ঞান
102) Acid test ➫ অগ্নি পরীক্ষা
103) Add fuel to the flame ➫ ইন্ধন যোগান

104) Add insult to injury ➫ কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা
105) All but ➫ প্রায়
106) All moonshine ➫ অবান্তর কথা বা চিন্তা
107) Apple of one’s eye ➫ চোখের মণি
108) Armchair critic ➫ নিষ্কৃয় সমালোচক
109) As it were ➫ যেন
110) As usual ➫ যথারীতি
111) At all events ➫ যাহাই ঘটুক সব ক্ষেত্রেই
112) At large ➫ স্বাধীনভাবে
113) At least ➫ অন্ততঃ
114) At one’s finger ends ➫ নখদর্পণে
115) At one’s heels ➫ পাছে পাছে
116) At one’s own will ➫ খুশি মতো
117) Bad blood ➫ বিদ্বেষ
118) Bag of bones ➫ জীর্ণ-শীর্ণ ব্যাক্তি
119) Bed of roses ➫ আরামদায়ক অবস্থা
120) Behind the screen/Curtain ➫ পর্দার আড়ালে
121) Between two fires ➫ উভয় সঙ্কট
122) Bid fair ➫ ভালো কিছু আশা করা
123) Big gun/wigs/shots ➫ নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি
124) Birds of a feather ➫ একরকম স্বভাবের লোক
125) Birds of passage ➫ অস্থায়ী বাসিন্দা
126) Black sheep ➫ কুলাঙ্গার
127) Book worm ➫ গ্রন্থকীট
128) By and by ➫ শীঘ্র
129) Call in question ➫ সন্দেহ করা
130) Call to mind ➫ স্মরণ করা
131) Carry the day ➫ জয়লাভ করা
132) Catch red handed ➫ হাতে নাতে ধরা
133) Chicken hearted fellow ➫ কাপুরুষ
134) Cold war ➫ ঠান্ডা যুদ্ধ
135) Creature comforts ➫ পার্থিব আরাম
136) Crying need ➫ জরুরী প্রয়োজন
137) Curtain lectures ➫ স্ত্রীর পরামর্শ

138) Dark horse ➫ অপরিচিত
139) Dead against ➫ তীব্র বিরোধী
140) Dead language ➫ যে ভাষা এখন অপ্রচলিত
141) Dead letter ➫ অচল নিয়ম
142) Dead of night ➫ মধ্য রাত্রী
143) Dog’s chance ➫ ক্ষীণ আশা
144) Face value ➫ বহিরাঙ্গের চেহারা
145) Far and wide ➫ সর্বত্র
146) Fight shy ➫ এড়িয়ে চলা
147) Fish in a troubled water ➫ এলোমেলো অবস্থার সুযোগ নেওয়া
148) Fish out of water ➫ অস্বস্তিকর অবস্থা
149) Flying visit ➫ অল্প সময়ের জন্য পরিদর্শন
150) French leave ➫ অনুমতি ছাড়াই ছুটি উপভোগ
151) Gala day ➫ উত্সবের দিন
152) Give up the ghost ➫ মরে যাওয়া
153) Golden mean ➫ মধ্যপন্থা
154) Green horn ➫ অনভিজ্ঞ
155) Hal mark ➫ শ্রেষ্ঠতার ছাপ
156) Head and ears ➫ সম্পুর্ণরুপে
157) High time ➫ উপযুক্ত সময়
158) Horns of a dilemma ➫ উভয় সংকট
159) Host in himself ➫ একাই একশ
160) Household word ➫ পরিচিত নাম
161) Hush money ➫ মুখ বন্ধ রাখার জন্য ঘুষ
162) In a hurry ➫ তাড়াহুড়ার মধ্যে
163) In black and white ➫ লিখিতভাবে
164) In force ➫ বলবত্
165) In good book of ➫ সুনজরে
166) In one’s teens ➫ তের থেকে উনিশ বছরের মধ্যে
167) In order to ➫ জন্য
168) In the mean time ➫ ইতিমধ্যে
169) In the same boat ➫ একই বিপদের সম্মুখীন
170) Iron will ➫ কঠোর সংকল্প
171) Irony of fate ➫ ভাগ্যের নির্মম পরিহাস
172) Lame excuse ➫ বাজে অজুহাত

173) Lion’s stock ➫ হাস্যস্পদ
174) Make up one’s mind ➫ মনস্থির করা
175) Mare’s nest ➫ ঘোড়ার ডিম
176) Neither here nor there ➫ অপ্রাসঙ্গিক
177) Nine day’s wonder ➫ অল্পস্থায়ী বিস্ময়ের বস্তু
178) Of course ➫ অবশ্যই
179) On the sly ➫ গোপনে
180) Out of order ➫ বিকল
181) Out of sorts ➫ মৃদু অসুস্থ
182) Out of temper ➫ ক্রুব্ধ
183) Red letter day ➫ স্মরণীয় দিন
184) Red tape ➫ আমলাতান্ত্রীকতা
185) Root and branch ➫ সম্পুর্ণরুপে
186) Rope of sand ➫ বালির বাঁধ
187) Rough passage ➫ খারাপ সময়
188) Round the clock ➫ সমস্ত দিন
189) Ruling passion ➫ প্রধান আবেগ
190) Salt of earth ➫ আদর্শ ব্যক্তি
191) Silver lining ➫ খারাপের মধ্যেও ভালর আভাস
192) Sixth sense ➫ জ্ঞানেন্দ্রীয়
193) Skin and bone ➫ অস্থিচর্মসার
194) Sleeping partner ➫ নিষ্ক্রীয় অংশীদার
195) Slip of pen ➫ লেখায় অসতর্কতাবশতঃ ভুল
196) Slip of tongue ➫ বলায় সামান্য ভুল
197) Slow coach ➫ অপদার্থ
198) Small talk ➫ সাধারণ সামাজিক কথা
199) Swan song ➫ শেষ কথা বা কাজ
200) Take one to task ➫ তিরস্কার করা

79
BCS Cadre / Computer Abbreviations
« on: March 29, 2016, 06:32:00 PM »
Operating Systems and Data Storage
•   BIOS - This is the Basic Input Output System which controls the computer, telling it what operations to perform. These instructions are on a chip that connects to the motherboard.
•   BYTE - A byte is a storage unit for data.
•   "K" is a Kilobyte which is 1024 bytes.
•   "MB" is a Megabyte which is a million bytes.
•   "GB" is a Gigabyte, which equals 1000 megabytes.
•   CPU - This stands for the Central Processing Unit of the computer. This is like the computer’s brain.
•   MAC - This is an abbreviation for Macintosh, which is a type of personal computer made by the Apple Computer company.
•   OS - This is the Operating System of the computer. It is the main program that runs on a computer and begins automatically when the computer is turned on. 
•   PC - This is the abbreviation for personal computer. It refers to computers that are IBM compatible.
•   PDF - This represents the Portable Document Format which displays files in a format that is ready for the web. 
•   RAM - This stands for Random Access Memory which is the space inside the computer that can be accessed at one time.  If you increase the amount of RAM, then you will increase the computer’s speed. This is because more of a particular program is able to be loaded at one time. 
•   ROM - This is Read Only Memory which is the instruction for the computer and can not be altered.
•   VGA - The Video Graphics Array is a system for displaying graphics. It was developed by IBM.
•   WYSIWYG - This initialize stands for What You See Is What You Get.  It is pronounced "wizziwig" and basically means that the printer will print what you see on your monitor.
Connecting to the Internet
•   FTP - This is a service called File Transport Protocol which moves a file between computers using the Internet.
•   HTML – Hyper Text Markup Language formats information so it can be transported on the Internet.   
•   HTTP – Hyper Text Transfer Protocol is a set of instructions for the software that controls the movement of files on the Internet.
•   IP - This stands for Internet Protocol which is the set of rules that govern the systems connected to the Internet. IP Address is a digital code specific to each computer that is hooked up to the Internet.
•   ISP - The Internet Service Provider is the company which provides Internet service so you can connect your computer to the Internet.
•   LAN - This stands for Local Area Network which is the servers that your computer connects to in your geographic area.
•   PPP - Point-to-Point Protocol is the set of rules that allow your computer to use the Internet protocols using a phone line and modem.
•   URL - This is the Uniform Resource Locator which is a path to a certain file on the World Wide Web.
•   USB - The Universal Serial Bus is used for communications between certain devices. It can connect keyboards, cameras, printers, mice, flash drives, and other devices. Its use has expanded from personal computers to PDAs, smart phones, and video games, and is used as a power cord to connect devices to a wall outlet to charge them.
•   VR - Virtual Reality simulates a three-dimensional scene on the computer and has the capability of interaction. This is widely used in gaming.
•   VRML - Virtual Reality Mark-up Language allows the display of 3D images.
Common Email Abbreviations
Here is a list of email abbreviations that are commonly used to get your point across in less time and fewer keystrokes:
•   2G4U - Too Good For You
•   AWHFY - Are We Having Fun Yet?
•   ASAP – As soon as possible.
•   AYPI - And Your Point Is?
•   GAL - Get A Life
•   GMTA - Great Minds Think Alike
•   J4F - Just For Fun
•   KISS - Keep it Simple, Stupid
•   QL - Quit Laughing!
•   RUOK - Are you Okay?
•   SITD - Still In The Dark
•   TIC - Tongue In Cheek
•   WYSIWYG - What You See Is What You Get
•   YYSSW - Yeah Yeah Sure Sure Whatever
•   ZZZ - Sleeping, Bored, Tired
This may be the longest one:
•   AWGTHTGTTA - Are We Going To Have To Go Through That Again? 
Emoticons
If that is not enough to say what you really mean, an emoticon may help. They are a way to overcome the fact that the person you are communicating with can neither hear your tone of voice nor see your facial expressions. They consist of a few key strokes that form a picture showing an emotion.
Some of the most common emoticons include:
•   :) or :-) - smiley face
•   O:-) - angelic smile
•   8-) - big-eyed smile
•   :-X - big kiss
•   :-{} - blowing a kiss
•   :.( - crying face
•   :-> - grinning
•   :-| - indifferent, bored
•   :-)) - laughing
•   =:-) - punk
•   :-( - sad face
•   :-D - shock or surprise
•   :-r - sticking tongue out
•   B:-) - sunglasses on head
•   :-|| - very angry
•   :->< - puckered up to kiss
•   8-| - wide-eyed surprise
•   ;-) - winking
•   :-O  - yelling

80
BCS Cadre / সাধারণ জ্ঞান
« on: December 19, 2015, 02:15:42 PM »
প্রশ্ন: আয়তনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম পৌরসভা কোনটি ?
উত্তর:ভেদরগঞ্জ,শরীয়তপুর।
.
প্রশ্ন: বাংলাদেশের কোন জেলায় শিশু শ্রমিকের সংখ্যা বেশী ?
উত্তর:নাটোর(সর্বনিম্ন পাবনা ও জয়পুরহাট)
.
প্রশ্ন: ১৫ ডিসেম্বর ২০১০ কোন স্হানকে দেশের ৩১২তম পৌরসভা ঘোষনা করা হয় ?
উত্তর:কুয়াকাটা,পটুয়াখালী।
.
প্রশ্ন: বাংলাদেশের তৈরী পোষাক আমদানীতে শীর্ষ দেশ কোনটি ?
উত্তর: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (দ্বিতীয় জাপান)
.
প্রশ্ন: বিশ্বের সবচেয়ে কার্যকর সোলার এনার্জি সেল উদ্ভবক কে ?
উত্তর:ড.জামালউদ্দিন (বাংলাদেশ)
.
প্রশ্ন: ৮ জানুয়ারিতে ২০১১ প্রধানমন্ত্রী কোনটিকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নতি করার ঘোষনা দেন ?
উত্তর: রংপুর।
.
প্রশ্ন: বাংলাদেশ রাইফেসলস (BDR)-এর পরিববর্তিত নাম কি?
উত্তর: “বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ” (BGB)
.
প্রশ্ন: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ কবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন ?
উত্তর: ২৩ জানুয়ারী,২০১১।
.
প্রশ্ন: কৃষি বিষয়ক বেতার কেন্দ্র চালু হচ্ছে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ?
উত্তর: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
.
প্রশ্ন: সোমালিয়ার জলদস্যরা বাংলাদেশের যে জাহাজটি ছিনতাই করে তার নাম কি ?
উত্তর: এমভি জাহান মনি।
.
প্রশ্ন: দেশের বৃহত্তম সৌর বিদ্যু কেন্দ্র কোথায় অবস্হিত ?
উত্তর:স্বন্দ্বীপ,চট্টগ্রাম।
.
প্রশ্ন: সম্প্রতি কোন গাছকে জাতীয় বৃক্ষ (গাছ) ঘোষনা করা হয় ?
উত্তর: আম।
.
প্রশ্ন: জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরনে শীর্ষ দেশ কোনটি ?
উত্তর: বাংলাদেশ।
.
প্রশ্ন: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কৃত্তিম লেক কোনটি ?
উত্তর: মহামায়া লেক(মিরসরাই.চট্টগ্রাম) বৃহত্তম লেক হলো কাম্তাই লেক।
.
প্রশ্ন: সম্প্রতি দেশে চালুকৃত নতুন টেলিভিশন চ্যানেলের নাম কি ?
উত্তর: সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন।
.
প্রশ্ন: সম্প্রতি দেহে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের নাম কি ??
উত্তর: নিপা।
.
প্রশ্ন: বাংলাদেশের ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী সংগঠনের নাম কি ?
উত্তর: ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ।
.
প্রশ্ন: বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি কোথায় অবস্হিত ?
উত্তর:ভাটিয়ারি,চট্টগ্রাম।
.
প্রশ্ন: বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি কোথায় অবস্হিত ?
উত্তর:পতেঙ্গা,চট্টগ্রাম।
.
প্রশ্ন: বাংলাদেশ এয়ারফোর্স একাডেমি কোথায় অবস্হিত ?
উত্তর: যশোর।

81
BCS Cadre / বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস
« on: December 05, 2015, 12:40:57 AM »
বাংলা ভাষার উদ্ভব ও ক্রমবিকাশ
আধুনিক বাংলা ভাষার পরিধি কত সাল থেকে শুরু হয়েছে?    উঃ ১৮০১ সাল থেকে। (প্রস্তুতিপর্বঃ ১৮০০-১৮৬০, বিকাশপর্বঃ ১৮৬০-১৯০০, রবীন্দ্রপর্বঃ ১৯০০-১৯৩০, রবীন্দ্রোত্তরঃ ১৯৩০-১৯৪৭ ও বাংলাদেশঃ ১৯৪৭-)
বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোন শতাব্দীতে?    উঃ সপ্তম শতাব্দী।
পানিনি রচিত গ্রন্থের নাম কি?    উঃ ব্যাকরণ অষ্টাধয়ী।
পানিণি কোন ভাষার ব্যাকরণকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করেন?    উঃ সংস্কৃত ভাষা।
বাংলা ভাষার মূল উৎস কোনটি?    উঃ বৈদিক।
বাংলা ভাষার আদি সাহিত্যিক নিদর্শন কি?    উঃ শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য।
বাংলা ভাষা কোন আদি বা মূল ভাষা গোষ্ঠীর অর্ন্তগত?    উঃ ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠী।
বাংলা ভাষার উদ্ভব ঘটে কোন দশকে?    উঃ খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে।
ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাচীন রূপ কোথায় পাওয়া যায়?    উঃ প্রাচীন গ্রন্থ ঋগে¦দের মন্ত্রগুলোতে।
বাংলা গদ্যের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয় কখন থেকে?    উঃ আধুনিক যুগে।
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে খ্রীষ্টপূর্ব কত পর্যন্ত বাংলা ভাষার অস্তিত্ব ছিল?    উঃ পাঁচ হাজার বছর।
আর্য ভারতীয় গোষ্ঠীর প্রাচীনতম সাহিত্যেক ভাষার নাম কি?    উঃ বৈদিক ও সংস্কৃত ভাষা।
বাংলা ভাষার মূল উৎস কোন ভাষা?    উঃ বৈদিক ভাষা।
বৈদিক ভাষা থেকে বাংলা ভাষা পর্যন্ত বিবর্তনের প্রধান তিনটি ধারা কি কি?    উঃ প্রচীন ভারতীয় আর্য, মধ্য ভারতীয় আর্য ও নব্য ভারতীয় আর্য।
কোন ভাষা বৈদিক ভাষা নামে স্বীকৃত?    উঃ আর্যগণ যে ভাষায় বেদ-সংহিতা রচনা করেছেন।
কোন ব্যাকরণবিদের কাছে সংস্কৃত ভাষা চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়?    উঃ ব্যাকরণবিদ পানিনির হাতে।
সংস্কৃত ভাষা কত অব্দে চূড়ান্তভাবে বিধিবদ্ধ হয়?    উঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ দিকে।
কোন ভাষাকে প্রাকৃত ভাষা বলে?    উঃ খ্রিষ্টপূর্ব ৮০০ খ্রীঃ দিকে বৈদিক ভাষা বির্বতনকালীণ সময়ে জনসাধারন যে ভাষায় নিত্য নতুন কথা বলত।
প্রাকৃত ভাষা বিবর্তিত হয়ে শেষ যে স্তরে উপনীত হয় তার নাম কি?    উঃ অপভ্রংশ।
সুনীত কুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা ভাষার উদ্ভর কোন অপভ্রংশ থেকে কোন সময় কালে?    উঃ পূর্ব ভারতে প্রচলিত মাগবী অপভ্রংশ এবং খ্রিষ্টিয় দশম শতকের কাছাকাছি সময়ে বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়।
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা ভাষার উৎস কোন অপভ্রংশ থেকে?    উঃ গৌড় অপভ্রংশ থেকে।
কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি?    উঃ মাগধী প্রাকৃত।
প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার স্তর কয়টি?    উঃ তিনটি।
বৈদিক ভাষা হতে বাংলা ভাষায় বিবর্তনের প্রধান ধারা কয়টি?    উঃ তিনটি।
বাংলা ভাষা কোন গোষ্ঠীর বংশধর?    উঃ হিন্দ-ইউরোপী গোষ্ঠীর।

82
BCS Cadre / সংসদ ও সংবিধান
« on: December 01, 2015, 04:52:39 PM »
বাংলাদেশে কোন ধরনের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রচলিত?    উঃ সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র।          
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কি?    উঃ সংবিধান।          
কোন দেশের কোন লিখিত সংবিধান নাই?    উঃ বৃটেন, নিউজিল্যান্ড, স্পেন ও সৌদি আরব।          
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?    উঃ ভারত।          
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট সংবিধান কোন দেশের?    উঃ আমেরিকা।          
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনয়ণের প্রক্রিয়া শুরু হয় কবে?    উঃ ২৩ মার্চ, ১৯৭২।          
বাংলাদেশের সংবিধান কবে উত্থাপিত হয়?    উঃ ১২ অক্টোবর, ১৯৭২।          
গনপরিষদে কবে সংবিধান গৃহীত হয়?    উঃ ০৪ নভেম্বর,১৯৭২।          
কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান বলবৎ হয়?    উঃ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।          
বাংলাদেশে গনপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?    উঃ ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।          
সংবিধান প্রনয়ণ কমিটি কতজন সদস্য নিয়ে গঠন করা হয়?    উঃ ৩৪ জন।          
সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান কে ছিলেন?    উঃ ডঃ কামাল হোসেন।          
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?    উঃ বেগম রাজিয়া বেগম।          
বাংলাদেশ সংবিধানের কয়টি পাঠ কয়েছে?    উঃ ২ টি। বাংলা ও ইংরেজি।          
কি দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান শুরু ও শেষ হয়েছে?    উঃ প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু ও ৪টি তফসিল দিয়ে শেষ।          
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি ভাগ আছে?    উঃ ১১ টি।          
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ/ধারা কতটি?    উঃ ১৫৩ টি।          
বাংলাদশের প্রথম হস্তলেখা সংবিধানের মূল লেখক কে?    উঃ আবদুর রাউফ।          
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কোন কাজ রাষ্ট্রপতি এককভাবে করতে সক্ষম?    উঃ প্রধান বিচারপতির নিয়োগ দান।          
রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল কত বছর?    উঃ কার্যভার গ্রহনের কাল থেকে ৫ বছর।          
একজন ব্যক্তি বাংলাদশের রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন কত মেয়াদকাল?    উঃ ২ মেয়াদকাল।          
কার উপর আদালতের কোন এখতিয়ার নেই?    উঃ রাষ্ট্রপতি।          
জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?    উঃ স্পিকার।          
রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে কাকে উদ্দেশ্য করে পদত্যাগ পত্র লিখবেন?    উঃ স্পিকারের উদ্দেশ্যে।          
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের নিয়োগ প্রদান করেন কে?    উঃ রাষ্ট্রপতি।          
এ্যার্টনি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করেন কে?    উঃ রাষ্ট্রপতি।          
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কোনটি?    উঃ সুপ্রীম কোর্ট।          
সুপ্রীম কোর্টের কয়টি বিভাগ আছে?    উঃ ২টি । আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।          
সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের মেয়াদকাল কত?    উঃ ৬৭ বছর পর্যন্তু।          
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম মূলনীতি কি ছিল?    উঃ ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র।          
কোন আদেশবলে সংবিধানের মূলনীতি “ধর্মনিরপেক্ষতা” বাদ দেয়া হয়?    উঃ ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।          
কোন আদেশবলে সংবিধানের শুরুতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”
সন্নিবেশিত হয়?
   উঃ ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।    
   
   
কোন আদেশবলে বাংলাদেশের নাগরিকগণ “বাংলাদেশী” বলে পরিচিত হন?    উঃ ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।          
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের”
নিশ্বয়তা দেয়া আছে?
   উঃ ১১ অনুচ্ছেদ।    
   
   
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “কৃষক ও শ্রমিকের” মুক্তির কথা বলা আছে?    উঃ ১৪ অনুচ্ছেদ।          
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ”
এর কথা বলা হয়েছে?
   উঃ ২২ অনুচ্ছেদ।    
   
   
“সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় 
লাভের অধিকারী” বর্ণিত কোন অনুচ্ছেদে?
   উঃ ২৭ অনুচ্ছেদে।    
   
   
জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষিত রয়েছে কোন অনুছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩২ অনুচ্ছেদে।          
গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কিত রক্ষাকবচের কোন অনুচ্ছেদ?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩৩ অনুচ্ছেদে।          
জবরদস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩৪ অনুচ্ছেদে।          
চলাফেরার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩৬ অনুচ্ছেদে।          
সমাবেশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩৭ অনুচ্ছেদে।          
সমিতি ও সংঘ গঠনের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩৮ অনুচ্ছেদে।          
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে।          
বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩৯(২) ক অনুচ্ছেদে।          
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৩৯ (২) খ অনুচ্ছেদে।          
পেশা ও বৃত্তির স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৪০ অনুচ্ছেদে।          
ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে কোন অনুছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৪১ অনুচ্ছেদে।          
সম্পত্তির অধিকারের কথা বর্ণিত হয়েছে কোন অনুছেদে?    উঃ ৩য় ভাগে, ৪২ অনুচ্ছেদে।          
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?    উঃ ৭৪ অনুচ্ছেদ।          
ন্যায়পাল নিয়োগ সংক্রান্ত কথা বলা হয়েছে?    উঃ ৭৭ অনুচ্ছেদে।          
জাতীয় সংসদে ন্যায়পাল আইন কবে পাস হয়?    উঃ ১৯৮০ সালে।          
বাংলাদশের সংবিধানের এ পর্যন্তু মোট কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে?    উঃ ১৬ টি।    
   
   
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কবে জারী করা হয়?    উঃ ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫।          
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কবে বাতিল করা হয়?    উঃ ১২ নভেম্বর, ১৯৯৬।          
বাংলাদেশের আইন সভার নাম কি?    উঃ জাতীয় সংসদ।          
জাতীয় সংসদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর কবে স্থাপন করা হয়?    উঃ ১৯৬২ সালে।          
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?    উঃ লুই আই কান।          
লুই আই কান কোন দেশের নাগরিক?    উঃ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।          
জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার কে?    উঃ হ্যারি পাম ব্লুম।          
জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরম্ন হয় কবে?    উঃ ১৯৬৫ সালে।          
জাতীয় সংসদ ভবনের ভূমির পরিমান কত?    উঃ ২১৫ একর।          
জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়?    উঃ ২৮ জানুয়ারী, ১৯৮২।          
জাতীয় সংসদ ভবন কত তলা বিশিষ্ট?    উঃ ৯ তলা।          
জাতীয় সংসদ ভবনের উচ্চতা কত?    উঃ ১৫৫ ফুট।          
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক কি?    উঃ শাপলা ফুল।          
জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন?    উঃ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।          
বর্তমান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে বসে?    উঃ ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮২।          
বাংলাদেশের সংসদের মোট আসন সংখ্যা কতটি?    উঃ ৩৫০ টি।          
বাংলাদেশের সংসদের সাধারন নির্বাচিত আসন সংখ্যা কতটি?    উঃ ৩০০ টি।          
সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন স্যখ্যা কতটি?    উঃ ৫০ টি।          
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?    উঃ পঞ্চগড়-১।          
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন কোনটি?    উঃ বান্দরবান।          
জাতীয় সংসদের কাস্টি ভোট বলা হয়?    উঃ স্পিকারের ভোটকে।          
সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠক
মধ্যে ব্যবধান কতদিন?
   উঃ ৬০ দিন।    
   
   
সাধারন নির্বাচনের কতদিনের মধ্যে সংসদ অধিবশন আহবান করতে হবে?    উঃ ৩০ দিন।          
সংসদ অধিবেশন কে আহবান করেন?    উঃ রাষ্ট্রপতি।          
সংসদ অধিবেশনের কোরাম পূর্ন হয় কত জন সংসদ হলে?    উঃ ৬০ জন।          
সংবিধান সংশোধনের জন্য কত সংসদ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়?    উঃ দুই-তৃতীয়াংশ।    
   
   
একাধারে কতদিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়?    উঃ ৯০ কার্যদিবস।    
   
   
গণ-পরিষদের প্রথম স্পিকার কে?    উঃ শাহ আব্দুল হামিদ।          
গণ-পরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার কে?    উঃ মোহাম্মদ উল্ল্যাহ।          
এ দেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাস কবে থেকে চর্চা শুরু হয়?    উঃ ১৯৩৭ সালে।          
কোন কোন বিদেশী প্রথম জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন?    উঃ যুগোশ্লেভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো-৩১ জানু, ১৯৭৪
    এবং ভারতের প্রেসিডেন্ট ভি.ভি. গিরি-১৮ জুন, ১৯৭৪।
   
   
   
বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে নির্বাচিত একজন সদস্য
নিজেই নিজের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন, তিনি কে?
   উঃ এডভোকেট আবদুল হামিদ।    
   
   
নির্বাচন কমিশন কার সমমর্যাদার অধিকারী?    উঃ সুপ্রীম কোর্ট।          
বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনার কে?    উঃ বিচারপতি এম ইদ্রিস।          
বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনার কে?    উঃ কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ    
   
   
নির্বাচন কমিশন কেমন প্রতিষ্ঠান?    উঃ স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।    
   
   
“তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল” কবে সংসদে পাশ হয়?    উঃ ২৭ মার্চ, ১৯৯৬।          
বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে?    উঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী)।          
এডভোকেট আবদুল হামিদ বাংলাদেশের কততম প্রেসিডেন্ট?    উঃ ২০তম।          
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?    উঃ তাজউদ্দিন আহমেদ।          
শেখ হাসিনা বর্তমানে বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?    উঃ ১৪ তম।          
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হবে?    উঃ ৩৫ বছর।          
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হতে হবে?    উঃ ২৫ বছর।          
জাতীয় সংসদের সদস্য হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হতে হবে?    উঃ ২৫ বছর।

83
BCS Cadre / Appropriate preposition
« on: November 30, 2015, 10:55:41 PM »
He was sentenced to death.

It is a story of love at first sight.

In winter people bask in the sun.

She is vain of her dress.

The lady is not amenable to reason.

Bangladesh is rich in natural gas.

Always be prepare for the work.

He rescued the child from danger.

I can not part with my pen.

Our path is beset with difficulties.

We are still short of fund.

A tax was imposed on cigarettes.

I told you about the book.

He was about to die.

Tom hit upon an excellent idea.

I ran to her.

I failed to cope with the new environment.

We all mourn for him.

Poverty is often an obstacle to higher studies.

His action is contrast  to his profession.

Your plan is open to objection.

A sinner has to atone for his sins.

I have no taste for music.

He entered into the room.

He was absent from the meeting.

He pretended to madness.

I have no appetite for food.

I have no objection to the proposal.

A lazy boy always despairs of success in life.

Students should have regard for their teachers

84
এই লিখাটি মূলত বিসিএস প্রিলিমিনারি নিয়ে প্রিপারেশন খুব ভাল নয় কিংবা চাকরি বা অন্য পড়াশোনার পাশাপাশি বিসিএস দেবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের জন্য …
হাতে যদি ৩০-৪৫ দিন সময় থাকে তবে আত্মবিশ্বাসী হোন, প্রিলিতে উতরে যাওয়ার জন্য এটা পর্যাপ্ত সময়। আমি ৩৩, ৩৪, ৩৫ তম প্রিলি তিনটিতেই অংশ নিয়েছিলাম এবং উত্তীর্ণ হই সবগুলোতেই আল্লাহর রহমতে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি :
এই সময় টাতে আপনি যে রিডিং ম্যাটেরিয়ালস গুলো কালেক্ট করবেনঃ
১) বিগত বছরের প্রশ্ন সম্ভার ( নীলক্ষেতে গেলেই পাবেন, সেগুলো সল্ভ সহ পাবেন, ৩০-৫০ টাকা নিবে দাম)
২) এসিউরেন্স/ ওরাকল/MP3 এদের যেকোন টার শর্ট একটা ডাইজেস্ট ৮০-১২০ টাকা নেবে, ১৫০-২০০ পৃষ্ঠার ছোট একটা বই, এখানে মূলত সাম্প্রতিক বছর গুলোতে পিএসসি র পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নের উপর ভিত্তি করে সবগুলো বিষয় নিয়েই প্রশ্নোত্তর থাকে … বড় ডাইজেস্ট গুলো র মতন কিংবা সাবজেক্ট ওয়াইজ আলাদা বই গুলোর মতন অত ডিটেইল না। যারা অলরেডি সাবজেক্ট ওয়াইজ আলাদা বই কিনে পড়েছেন তাদের এটা না কিনলেও চলবে …
৩) প্রফেসর্স প্রকাশনী প্রিলির আগ দিয়ে একটা বই বের করে, স্পেশালি বিসিএস ক্যান্ডিডেট দের জন্য, এইটা খুব খুব খুব উপকারি …আমি ৩৫ তম প্রিলিতে কেবল মাত্র এটা পড়ে প্রিলি র প্রিপারেশন নিয়েছিলাম। কারণ একই সময়ে ৩৪ তম র ভাইভা চলছিল, ভাইভার প্রিপারেশন নিতে গিয়ে আলাদা করে ৩৫ এর প্রিলির জন্য পড়তে পারি নি । তবে কেউ এটা পড়েই প্রিলিতে টিকে যাবেন সেই আশা করবেন না । আমার ক্ষেত্রে ভাগ্য এবং আগের দুই প্রিলির হালকা পাতলা প্রিপারেশন এর কারণে আমি কেবল এটার ভরসা করে গিয়েও উতরে যেতে পেরেছিলাম ।
দাম নেবে ৫০ টাকা, তবে এটার চাহিদা প্রচুর থাকে বিধায়, ক্রাইসিস ক্রিয়েট হলে অনেক বেশি দামেও কেনা লাগতে পারে…
৪) যে মাসে পরীক্ষা হবে সে মাসসহ তার আগের ৩-৪ মাসের কারেন্ট এফেয়ার্স/ কারেন্ট ওয়ার্ল্ড …
৫) আমি ৩৫তম দিতে গিয়ে সবচেয়ে খারাপ করেছি ইংরেজি লিটারেচারে। এর থেকে আমার মনে হয়েছে এর জন্য আলাদা করে একটু প্রিপারেশন নেয়াটা উচিত। নীলক্ষেতে বিসিএস/ ব্যাংক কিংবা আরও এই জাতীয় পরীক্ষাগুলোর জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়/ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যারদের ইংরেজি সাহিত্যের উপর সামারি টাইপ ছোট ছোট বুকলেট টাইপ বই পাওয়া যায়, ৩০-৫০ টাকা নেবে। এগুলোতে ইংরেজি সাহিত্যের বিভিন্ন কাল, কে কোন কালের সাহিত্যিক, কার লিখা কী ধর্মী, বিখ্যাত বই কে কি লিখে গেছেন এসব পাওয়া যাবে… আর ইংরেজি শব্দার্থ, বিপরীতার্থ এসব নিয়ে যাদের দুর্বলতা তারা সাইফুর্স/মেন্টর্স কিংবা বিসিএস+ব্যাংক প্রিপারেশনের জন্যেই কমন কিছু শব্দের বই পাওয়া যায়, সংগ্রহে রাখতে পারেন। ঘাবড়াবেন না বিসিএসে আপনাকে GRE স্ট্যান্ডার্ড Vocabulary দিতে যাবে না ।
কীভাবে পড়া উচিত?
আমি শুরুতেই বলেছি লিখাটা হচ্ছে যাদের হাতে সময় কম, প্রিপারেশন এতোদিন খুব ভাল নিতে পারেন নি তাদের জন্য ।
আমি শুরুতেই পরামর্শ দিব, আগে বিগত বছরের প্রশ্ন গুলো দেখুন, সেগুলো না পারলে/ না জানা থাকলে ঘাবড়ানোর কিছু নেই । আমি সাজেস্ট করব, প্রথমে যে বই টির কথা বলেছি, সেটার বাংলা, ইংরেজি, বাংলাদেশ, গণিত, দুই ভাষার সাহিত্য এগুলো অবশ্যই পড়ে শিখে ফেলুন। যেগুলো কঠিন মনে হচ্ছে সেগুলো আপাতত অন্য কোন কালির কলম বা মার্কার দিয়ে মার্ক করে রাখুন। আন্তর্জাতিক কিংবা বাংলাদেশের জেলা/ থানা র সংখ্যা টাইপ খুব পুরাতন প্রশ্ন এড়িয়ে যেতে পারেন, মানে যেগুলো আপনি জানেন ২৮ তম বিসিএস এর সময় যেই সংখ্যা ছিল, এখন পরিবর্তন হয়েছে সেগুলো আর কি।
আপনি যদি মিনিমাম ১০-১২ টি বিগত বিসিএস প্রিলির প্রশ্ন সল্ভ করে ফেলেন, তাহলে দেখবেন আপনার মধ্যে প্রিলির বিষয়ে খুব ভাল ধারণা চলে এসছে যে কী ধরণের প্রশ্ন হতে পারে। এখন আপনার একটু ডিটেইল পড়ার সময় । যদি না আপনি বাংলা সাহিত্য/ ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র ছাত্রী হয়ে থাকেন, তবে আপনার জন্য বাংলা-ইংরেজি সাহিত্য জিনিসটা একটু কঠিন হবেই । অনেকের কাছে এগুলোর চেয়ে আন্তর্জাতিক বা বাংলাদেশ বিষয়াবলি কঠিন লাগে । আপনি যেহেতু বিগত বছরের প্রশ্নগুলো দেখেছেনই, আপনি নিজেকে বিচার করুন, কোনটিতে আপনার দুর্বলতা বেশি, সেটির উপরে জোর দিন।
আমার একটা কমন অবজারভেশনঃ যারা ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসা তারা সাধারণত সাহিত্যিক/কাল/বইপত্র এসবের নামে দুর্বল হয় । মেডিকেলে ৫ বছর পরে মানুষজন গণিত এর সাধারণ নিয়ম গুলো ভুলে যান, সাথে বাংলা ব্যকরণ তো আছেই ।আর্টস কিংবা কমার্স ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে যারা প্রথম বারের জন্য এটেম্পট নিচ্ছেন অনেকের গণিত আর ইংরেজিভীতি থাকে। তবে সবার কমন এক জায়গাতে প্রবলেম হয় কম বেশি তা হল বাংলাদেশ বিষয়াবলি আর আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি/ সাম্প্রতিক ঘটনাবলি । এর জন্য খুব ভালভাবে কারেন্ট এফেয়ার্সের সবগুলো সংখ্যা (যা উল্লেখ করলাম) আর কারেন্ট এফেয়ার্সের বিশেষ সংখ্যাটা পড়ুন ।
কারেন্ট এফেয়ার্সের বিগত মাসের সংখ্যাগুলো কেন সংগ্রহ করতে বলেছি তার কারণ হল সেখানে পিএসসি/ ব্যাংক সমূহ কিংবা অন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের যে পরীক্ষাগুলো হয় সেগুলোর প্রশ্নও দেয়া থাকে । অনেক বছর এমন দেখা যায় যে সেসব প্রশ্ন থেকেও কিছু প্রশ্ন চলে আসে।
পরীক্ষার মাস খানেক সময় কাল থেকে খবরের কাগজটা পড়ুন, এখন তো এণ্ড্রয়েড এপসের মাধ্যমে বাসায় পত্রিকা না রেখেও পড়া যায়, বিশেষ দরকারি তথ্যগুলো মোবাইলেই পারলে নোট করে রাখুন । সেটাও কষ্ট লাগলে স্ক্রিন শট দিয়ে রাখুন ( যারা স্মার্ট ফোন ব্যবহার করছেন)।
স্মার্টফোন ব্যবহার না করলেও সমস্যা নেই, দেখা যায় যারা পত্রিকার পাতা ঘেটে পড়েন কিংবা কোন জরুরি তথ্য দাগিয়ে রাখেন, কেটে সংগ্রহ করেন কিংবা ডায়েরি/খাতায় লিখে রাখেন তাদের সে জিনিস আরও বেশি মনে থাকে।
একটানা কোন বিষয় পড়তে যাবেন না, বোরিং ফিল করবেন। যেমন আপনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস কম পারেন, এইটা নিয়ে এখন দিনের পর দিন পরে থাকলে দেখবেন পড়া এগুচ্ছে না। তো কি করা যাবে? এটার ফাঁকে ফাঁকে সহজ লাগে কিংবা মজা লাগে এমন কিছু একটা পড়বেন। মনে থাকে না কিংবা বার বার পড়েও ভুলে যাচ্ছেন এমন হলে সেটা একটা কাগজে লিখে রাখুন। বাসায় পত্রিকা পড়লে যেখান থেকে কোন একটা গুরুত্বপূর্ণ ইনফো পেলেন সেটা আরেকটা জায়গায় লিখুন, দরকারে দেখে দেখেই লিখুন, সমস্যা নেই।
গণিত ভীতি যাদের তাদের জন্য রেগুলার এক আধটু প্র্যাক্টিস করাটা জরুরি, অংক হাতে না করে শুধু দেখে গেলে অনেকেই ভুল করেন কিংবা পরীক্ষার হলে কনফিউজড থাকেন ।
ইঞ্জিনিয়ারিং/ম্যাথ/ফিজিক্স/স্ট্যাটিস্টিক্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর যারা কিংবা যারা MBA করছেন তাদের জন্য এই সাব্জেক্ট খুব চ্যালেঞ্জিং না। ২ নম্বরে যে বইটার কথা বললাম ওখানের ম্যাথ সেকশনে এবং প্রফেসর্সের স্পেশাল বইতার ম্যাথ সেকশনেও দেখবেন পাটি গণিত আর জ্যামিতি/ত্রিকোণমিতি নিয়ে শর্টকাটে সূত্র কিংবা টেকনিক দেয়া আছে। সেগুলো এপ্লাই করে কিছু অংক করুন। কেবল সূত্র মুখস্ত রেখে হলে গেলে তালগোল পাকিয়ে ফেলার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে ।
মানসিক দক্ষতা নিয়ে বাজারে বেশ কিছু বই এখন পাওয়া যায় তবে আমার কাছে এজন্য আহামরি কিছুই দরকার বলে মনে হয় নি, আগের বছরের প্রশ্ন গুলো সমাধান করলে আর এ বইগুলোর কথা বললাম ওগুলোর সংশ্লিষ্ট সেকশনে প্র্যাক্টিস করলে আপনি পারবেন সাধারণ বিজ্ঞানে অনেকে মনে করেন অনেক সোজা, পরে পচা শামুকের পা কাটে অনেকের… এজন্য শর্ট ডাইজেস্ট টা আর প্রফেসর্সের বই টা পড়ুন ভাল মত । আর কারেন্ট এফেয়ার্স ও … বিভিন্ন প্রযুক্তির শর্ত কাট নাম জানেন কিন্তু ফুল মিনিং জানেন না, সেগুলোও জেনে নিন, বানান সহ কিন্তু ।
সবশেষে আবারও বলব, ৩০-৪০ দিন প্রস্তুতির জন্য অনেক সময়। শুধুমাত্র আপনি মুখস্ত করে প্রিলি পাস করে আসবেন এটা সবার জন্য হয় না। বুদ্ধি খাটান, মনে রাখবেন বিসিএস প্রিলি তে আপনি ভুল দাগালে কিন্তু অর্ধেক মার্ক্স কাঁটা, সুতরাং ক্যালকুলেটেড রিস্ক নিতে হবে। আর আরেকটা কথা সবাইই জানেন, এই মার্ক্স আপনার মূল মার্ক্সের সাথে যোগ হবে না, সুতরাং এখানে উতরে যাবার জন্য আপনাকে দুনিয়ার সব কিছুই পারতে/ জানতে হবে না। অনেক এমসিকিউ প্রশ্ন আপনি না জেনেও প্রসেস অফ ইলিমিনেশন (কোন টি উত্তর হবে না সেটা বাছাই করে করেও) কিছু মার্কস পেতে পারেন ।
সবার জন্য শুভ কামনা রইল।
লেখক, এম. আরফাতুল ইসলাম
৩৪তম বিসিএস (শিক্ষা)
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

85
নাম   প্রকাশকাল   সম্পাদক
সমাচার দর্পন   -মে, ১৮১৮   -জে.সি. মার্শম্যান
সম্বাদ কৌমুদী   -১৮১৮   -রাজা রামমোহন রায়
বাঙ্গাল গেজেট   -১৮১৮   -গঙ্গাকিশোর ভট্রাচার্য
বেঙ্গল গেজেটেড   -২৯ জানুয়ারী ১৭৮০   -জেমস অগাস্টস হিকি
দিগদর্শন   -এপ্রিল, ১৮১৮   -জে.সি. মার্শম্যান
ব্রাহ্মণ   ১৮২১   রাজা রামমোহন রায়
সমাচার চন্দ্রিকা   ১৮২২   ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যয়
বঙ্গদূত   ১৮২৯   নীলমনি হালদার
সংবাদ প্রভাকর   ১৮৩১   ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
সমাচার সভারাজেন্দ্র   ১৮৩১   শেখ আলীমুল্লাহ
সংবাদ রত্নাবলী   ১৮৩২   ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
এডুকেশন গেজেট   ১৮৪৬   রঙ্গরাল বন্দোপাধ্যায়
সংবাদ সাধু রঙ্গন   ১৮৪৮   ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
পাষন্ড পীড়ন   ১৮৪৬   ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
তত্ত্ববোধিনী   ১৮৪৩   অক্ষয় দত্ত
সংবাদ ভাস্কর   ১৮৪৮   ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
মাসিক পত্রিকা   ১৮৫৪   প্যারীচাঁদও রাধাঅনা শিকদার
সাপ্তাহিক বার্তাবহ   ১৮৫৬   রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়
সোমপ্রকাশ   ১৮৫৮   রঙ্গলাল বন্দোপাধ্যায়
ঢাকা প্রকাশ   ১৮৬১   কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার
বঙ্গদর্শন   ১৮৭২   বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
শুভবাসিনী   ১৮৭০   কালী প্রসন্ন ঘোষ
বান্ধব   ১৮৭৪   কালী প্রসন্ন ঘোষ
ভারতী   ১৮৭৭   দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর
সাহিত্য   ১৮৯০   সুরেশচন্দ্র সমাজপতি
সাধনা   ১৮৯১   রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গুলিস্তা   ১৮৯৫   এম. ওয়াজেদ আলী
পূর্ণিমা   ১৮৯৫   বিহারীলাল চক্রবর্তী
মাসিক ভারতী   -   স্বর্ণকুমারী দেবী
প্রবাসী   ১৯০১   রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
দৈনিক খাদেম   ১৯১০   মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
সাপ্তাহিক মোহাম্মদী   ১৯১০   মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
আর্য দর্শন   ১২৮১ বঙ্গাব্দ   যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভুষন
মোসলেম ভারত   ১৯২০   মোজাম্মেল হক
ধূমকেতু   ১৯২২   কাজী নজরুল ইসলাম
ভারতবর্ষ   ১৯১৩   জলধর সেন ও অমূল্যচরন বিদ্যাভূষণ
সবুজপত্র   ১৯১৪   প্রমথ চৌধুরী
শওগাত   ১৯১৮   মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
কল্লোল   ১৯২৩   দীনেশরঞ্জন দাস
দৈনিক আজাদ   ১৯৩৫   মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
দৈনিক নবযুগ   ১৯৪১   কাজী নজরুল ইসলাম
লাঙ্গল   ১৯২৫   কাজী নজরুল ইসলাম
কালিকলম   ১৯২৬   -----
শিখা   ১৯২৭   আবুল হোসেন
আর্যদর্শন   ১২২৮ বাং   যোগেন্দ্রনাথ বিদ্যাভূষণ
সাহিত্যপত্র   ১৯৪৮   বিঞ্চু দে
অঙ্কুর   -   ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
বেগম   ১৯৪৯   নুরজাহান বেগম
সংলাপ   -   আবুল হোসেন
ভাষা সাহিত্য পত্র   -   জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়
সন্দেশ, স্বদেশ   -   সুকুমার রায়
সমকাল   ১৯৫৪   সিকান্দর আবু জাফর
সাহিত্য পত্রিকা   -   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
বেদুঈন   -   আশরাফ আলী খান
কন্ঠস্বর   ১৯৬৫   আবদুল্লাহ আবু সাঈদ
লেখা      বাংলা একাডেমী
উত্তরাধিকারী   -   বাংলা একাডেমী

86
BCS Cadre / আলোচিত পঙতি ও স্রষ্টা
« on: November 11, 2015, 12:23:54 AM »
রশ্ন: অভাগা যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়- এ প্রবাদটির রচয়িতা কে?
উঃ মুকুন্দরাম।
প্রশ্ন: হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন তা সবে, (অবোধ আমি) অবহেলা করি, পর ধন লোভে মত্ত করিনু ভ্রমন এই কবিতাংশটুকু কোন কবি কে?
উঃ মধুসূদন দত্ত।
প্রশ্ন: আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে - উক্তি কোন গ্রন্থের?
উঃ অন্নদামঙ্গল কাব্যের।
প্রশ্ন: যে জন দিবসে মনের হরষে জালায় মোমের বাতি এপংতির রচয়িতা কে?
উঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
প্রশ্ন: পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল।”- কার লেখা?
উঃ মদনমোহন তর্কালঙ্কারের।
প্রশ্ন: সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি। -কোন কবির উক্তি?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
প্রশ্ন: স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে- কার রচয়িতার অংশ?
উঃ রঙ্গলাল মুখপাধ্যায়।
প্রশ্ন: চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে? কার রচনা?
উঃ কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার।
প্রশ্ন: তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিব না কোলাহল করি সারা দিনমান কারো ধ্যান ভাঙিব না। নজরুলের কোন কবিতার অংশ?
উঃ বাতায়ন পাশে গুবাক তরুর সারি।
প্রশ্ন: কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক- পংক্তির রচয়িতা?
উঃ ফজলূল করিম।
প্রশ্ন: যুদ্ধ মানে শত্রু শত্রু খেলা, যুদ্ধ মানেই আমার প্রতি তোমার অবহেলা- কার কবিতার অংশ? q
উঃ নির্মলেন্দু গুন।
প্রশ্ন: আমার দেশের পথের ধুলা খাটি সোনার চাইতে খাঁটি কার রচনা?
উঃ সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
প্রশ্ন: আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রানের পতাকা।-পংক্তি কার?
উঃ শামসুর রাহমান।
প্রশ্ন: বিপদে মোরে রক্ষা কর এ নহে মোর প্রার্থনা বিপদে আমি না যেন করি ভয় উপরোক্ত অংশটি রবীন্দ্রনাথের কোন কবিতার?
উঃ দুরন্ত আশা।
প্রশ্ন: রক্ত ঝরাতে পারি না তো একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত লেখা- পংক্তিটি কার রচিত?
উঃ কাজী নজরুল ইসলাম।
প্রশ্ন: বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ দেখিতে চাই না আর- কোন কবির রচনা?
উঃ জীবনানন্দ দাশের।
প্রশ্ন: বাঁশ বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ - পংক্তির রচয়িতা কে?
উঃ যতীন্দ্রমোহন বাগচী।
প্রশ্ন: ক্ষুধার রাজ্য পৃথিবী গদ্যময় পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি- পংক্তি কোন কবির?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন: মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন- উক্তি কার?
উঃ ভারতচন্দ্রের।
প্রশ্ন: প্রীতি ও প্রেমের পূন্য বাধনে যবে মিলি পরস্পরে, স্বর্গে আসিয়া দাঁড়ায় তখন আমাদেরি কুঁড়ে ঘরে।
উঃ স্বর্গ ও নরক শেখ ফজলূল করিম।
প্রশ্ন: জন্মেছি মাগো তোমার কোলেতে মরি যেন এই দেশে।- কবিতাংশটির কবি কে?
উঃ জন্মে্িছ এই দেশে। সুফিয়া কামাল।
প্রশ্ন: কত গ্রাম কত পথ যায় সরে সরে, শহরে রানার যাবেই পৌঁছে ভোরে। পংক্তি দুটির কবি কে?
উঃ রানার সুকান্ত ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন: আমি থাকি মহাসুখে অট্টালিকা পরে তুমি কত কষ্ট পাও রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে। - কবিতাংশটি?
উঃ স্বাধীনতার সুখ রজনীকান্ত সেন।
প্রশ্ন: সংসারেতে ঘটিলে ক্ষতি লভিলে শুধু বঞ্চনা নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয়- কবিতাংশটি?
উঃ আত্মত্রান রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
প্রশ্ন: মহাজ্ঞানী মহাজন, যে পথে করে গমন হয়েছেন প্রাতঃস্মরনীয়।- উক্তির কবিতা ও কার রচনা?
উঃ জীবন- সঙ্গীত, হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রশ্ন: সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে মোরা পরের তরে।- কবিতাংশটি?
উঃ সুখ কামিনী রায়।
প্রশ্ন: আবার আসিব ফিরে ধানসিঁড়িটির তীরে এই বাংলায় হয়তো মানুষ নয় হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে।- কোন কবির রচনা?
উঃ আবার আসিব ফিরে জীবনানন্দ দাশ।
প্রশ্ন: হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছে পৃথিবীর পথে সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীদের অন্ধকারে মালয় সাগরে- এই উক্তিটি কার?
উঃ বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশ।
প্রশ্ন: সব পাখি ঘরে আসে সব নদী ফুরায় এ জীবনের সব লেন দেন; থাকে শুধু অন্ধকার”- এই উক্তিটি কার?
উঃ বনলতা সেন জীবনানন্দ দাশ।
প্রশ্ন: আমি যদি হতাম বনহংস বনহংসী হতে যদি তুমি- কোন কবির রচনা?
উঃ আমি যদি হতাম জীবনানন্দের দাস।
প্রশ্ন: শোনা গেল লাশ কাটা ঘরে নিয়ে গেছে তারে; কাল রাতে ফাগুন রাতের চাঁদ মরিবার হলো তার সাধ”- উদ্ধৃত অংশটুকু কার রচনা?
উঃ জীবনানন্দ দাশের।
প্রশ্ন: সুরঞ্জনা, ঐখানে যেয়ো না তুমি বোলো নাকো কথা ওই যুবকের সাথে,”- উদ্ধৃত অংশটুকুর কবি কে?
উঃ সুরঞ্জনা জীবনানন্দ দাশ।
প্রশ্ন: হে সূর্য! শীতের সূর্য! হিমশীতল সুদীর্ঘ রাত তোমার প্রতীক্ষায় আমরা থাকি,”- কোন কবির রচনা?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন: অবাক পৃথিবী অবাক করলে তুমি, জন্মেই দেখি ক্ষদ্ধ স্বদেশ ভূমি। কোন কবির রচনা?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন: “রানার ছুটেছে তাই ঝুমঝুম ঘন্টা রাজছে রাতে রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে- কবিতাংশটি?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্যের রানার।
প্রশ্ন: হিমালয় থেকে সুন্দরবন, হঠাৎ বাংলাদেশ কেঁপে কেঁপে ওঠে পদ্মার উচ্ছাসে, - রচয়িতা কে?
উঃ সুকান্ত ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন: হে মহা জীবন, আর এ কাব্য নয়, এবার কঠিন, কঠোর গদ্য আনো রচয়িতা কে?
উঃ মহাজীবন সুকান্ত ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন: কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর কাটলো, কেউ কথা রাখে নি- চরনটির কবি কে?
উঃ কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
প্রশ্ন: আজি হতে শত বর্ষে পরে কে তুমি পড়িছ, বসি আমার কবিতাটিখানি কৌতূহল ভরে,- কবিতাংশটি?
উঃ ১৪০০ সাল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
প্রশ্ন: আজি হতে শত বর্ষে আগে, কে কবি, স্মরণ তুমি করেছিলে আমাদের শত অনুরাগে - কবিতাংশটি?
উঃ ১৪০০ সাল নজরুল ইসলাম।
প্রশ্ন: মহা নগরীতে এল বিবর্ন দিন, তারপর আলকাতরার মত রাত্রী রচয়িতার নাম কি?
উঃ কবি সমর সেন।
প্রশ্ন: আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি, আমি আমার পূর্ব পুরুষের কথা বলছি এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
উঃ আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ।
প্রশ্ন: ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো এ তরী, আমারী সোনার ধানে গিয়েছে ভরি। -চরনটির কবি কে?
উঃ সোনার তরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
প্রশ্ন: এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার সময় তার শ্রেষ্ঠ সময় এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়। এই অংশটুকুর রচয়িতা কে?
উঃ হেলাল হাফিজ।
প্রশ্ন: জন্মেই কুঁকড়ে গেছি মাতৃজরায়ন থেকে নেমে, সোনালী পিচ্ছিল পেট আমাকে উগড়ে দিলো যেন এই কবিতাংশটুকুর কবি কে?
উঃ শহীদ কাদরী।
প্রশ্ন: জন্মই আমার আজন্ম পাপ, মাতৃজরায়ু থেকে নেমেই জেনেছি আমি- এই কবিতাংশটুকুর রচয়িতা?
উঃ দাউদ হায়দার।
প্রশ্ন: মোদের গরব মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা। চরনটির কবি কে?
উঃ অতুল প্রসাদ সেন।
প্রশ্ন: স্মৃতির মিনার ভেঙ্গেছে তোমার? ভয়কি কি বন্ধু, আমরা এখনো চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ আলাউদ্দিন আল আজাদ।
প্রশ্ন: আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই, আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি, চরনটির রচয়িতা?
উঃ রুদ্র মোঃ শহীদুল্লাহ।
প্রশ্ন: বহু দেশ দেখিয়াছি বহু নদ-নলে কিন্তু এ দেহের তৃঞ্চা মিটে কার জলে?- চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ মধুসূদন দত্ত।
প্রশ্ন: আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁিধ তার ঘর, আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর। চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ জসীম উদ্দিন।
প্রশ্ন: যে শিশু ভুমিষ্ঠ হল আজ রাত্রে তার মুখে খবর পেলুমঃ সে পেয়েছে ছাড়পত্র এক,- চরনটির রচয়িতা?
উঃ ছাড়পত্র সুকান্ত ভট্টাচার্য।
প্রশ্ন: আপনাদের সবার জন্য এই উদার আমন্ত্রন ছবির মতো এই দেশে একবার বেড়িয়ে যান। রচয়িতা?
উঃ আবু হেনা মোস্তাফা কামাল।
প্রশ্ন: তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা সকিনা বিবির কপালে ভাঙলো, সিথির সিদুঁর মুছে গেল হরিদাসীর চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ শামসুর রাহমান।
প্রশ্ন: জনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই। হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে রচয়িতা?
উঃ সিকান্দার আবু জাফর।
প্রশ্ন: ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবীরের রাগে অমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে। চরনটির রচয়িতা কে?
উঃ কবর-জসীমউদ্দীন।
প্রশ্ন: তাল সোনাপুরের তালেব মাস্টার আমি, আজ থেকে আরম্ভ করে চল্লিশ বছর দিবসযামী রচয়িতা কে?
উঃ আশরাফ ছিদ্দিকী।
প্রশ্ন: সই, কেমনে ধরিব হিয়া আমার বধুয়া আন বাড়ি যায় আমার আঙিনা দিয়া। রচয়িতা কে?
উঃ চন্ডিদাস।
প্রশ্ন: রূপলাগি অখিঁ ঝুরে মন ভোর প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ মোর। রচয়িতা কে?
উঃ জ্ঞানদাস।
প্রশ্ন: কুহেলী ভেদিয়া জড়তা টুটিয়া এসেছে বসন্তরাজ- চরনগুলির রচয়িতা কে?
উঃ কবি সৈয়দ এমদাদ আলী।

87
BCS Cadre / মানবদেহ
« on: November 10, 2015, 11:51:51 PM »
প্রশ্ন: সেলসিয়াস স্কেলে মানব দেহের স্বাভাবিক উষ্ণতা কত ?
উ: ৩৬.৯ ডিগ্রী
প্রশ্ন: স্বাভাবিক অবস্থায় একজন মানুষের উপর প্রতি বর্গ ইঞ্চিতে বায়ুর চাপ কত ?
উ: ১৫ পাউন্ড
প্রশ্ন: সিস্টোলিক চাপ বলতে কী বুজায় ?
উ: হৃদপিন্ডের সংকোচন চাপ
প্রশ্ন: ডায়োস্টোল চাপ বলতে কী বুঝায় ?
উ: হৃদপিন্ডের প্রসারণ
প্রশ্ন: রক্তে হিমোগ্লোবিন থাকে কোথায় ?
উ: লোহিত রক্তকনিকায়
প্রশ্ন: রক্তের লোহিত রক্ত কনিকা তৈরী হয় ?
উ: অস্থিমজ্জায়
প্রশ্ন: মানব দেহে মোট কশেরুকার সংখ্যা কতো ?
উ: ৩৩ টি
প্রশ্ন: মানুষের মুখে কর্তন দাতের সংখ্যা কতো ?
উ: 20 টি
প্রশ্ন: রক্ত কতো প্রকার ?
উ: ৩ প্রকার
প্রশ্ন: হিমোগ্লোবিনের কাজ কী ?
উ: অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড বহন করা
প্রশ্ন: পালমোনারী (ফুসফুসীয়) শিরা কী বহন করে ?
উ: অক্সিজেন বাহী রক্ত
প্রশ্ন: মানব দেহের হৃত্পিণ্ড কতো প্রকোষ্ট বিশিষ্ট ?
উ: চার প্রকোষ্ট বিশিষ্ট
প্রশ্ন: লোহিত রক্ত কণিকার আয়ুষ্কাল কতো দিন ?
উ: ৫ -৬ দিন
প্রশ্ন: অনুচক্রিকার গড় আয়ু কতো দিন ?
উ: ১০ দিন
প্রশ্ন: রক্ত শুন্যতা বলতে বুঝায় ?
উ: রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমান কমে যাওয়া
প্রশ্ন: রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেন কে ?
উ: ল্যান্ড ষ্টিনার
প্রশ্ন: বিলিরুবিন কোথায় তৈরী হয় ?
উ: যকৃত
প্রশ্ন: বক্ষ গহ্বর ও উদর পৃথক রাখে কে ?
উ:ডায়াফ্রাম
প্রশ্ন: কিডনীর কার্যকরী একক কী ?
উ: নেফরন
প্রশ্ন: মুত্রের ঝাঝালো গন্ধের দায়ী পদার্থের নাম কী ?
উ: এমোনিয়া
প্রশ্ন: মুত্র হলুদ দেখায় কেন ?
উঃ বিলিরুবিনের জন্য
প্রশ্ন: অ্যামাইনো অ্যাসিড ইউরিয়ায় পরিনত হয় কোথায় ?
উ: যকৃত এ
প্রশ্ন: মানব দেহে রাসায়নিক দূত হিসাবে কাজ করে কী ?
উ: হরমোন
প্রশ্ন: ডায়াবেটিস রোগ হয় কোন প্রাণরসের অভাবে ?
উ: ইনসুলিন
প্রশ্ন: পিত্ত রস অগ্নাশয় রসের সাথে মিলিত হয় কোথায় ?
উ: ডিওডেনাম
প্রশ্ন: মানব দেহে বৃহতম গ্রন্থি কোনটি ?
উ: যকৃত
প্রশ্ন: চোখের জল নিঃসৃত হয় কোথা থেকে ?
উ: লেকরিমাল গ্রন্থি থেকে
প্রশ্ন: নার্ভের মাধ্যমে প্রবাহিত আবেগের গতি প্রতি সেকেন্ডে কত মিটার ?
উ: ১২৫ মিটার
প্রশ্ন: একজন সুস্থ মানুষের একটি হৃদ কম্পন সম্পূর্ণ হতে কত সময় লাগে ?
উঃ ০.৪ সেকেন্ড
প্রশ্ন: শরীর থেকে বর্জ পদার্থ ইউরিয়া বের করে দেয় কোন অঙ্গ ?
উঃ কিডনি
প্রশ্ন: একজন স্ত্রী লোক জননকালে প্রতি মাসে কয়টি ডিম্ব উত্পাদন করে ?
উ: ১ টি
প্রশ্ন: মুত্র প্রস্তুত হয় কোথায় ?
উ: কিডনীতে
প্রশ্ন: থাইরয়েড গ্রন্থি হতে নিঃসৃত প্রানরসের নাম কী ?
উ: থাইরক্সিন
প্রশ্ন: চোখের মধ্যে সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশের নাম কি ?
উ: রেটিনা
প্রশ্ন: আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাক করে কোন জারক রস ?
উ: পেপসিন
প্রশ্ন: বহিঃকর্ণ ও মধ্যকর্ণ এর সংযোকস্থলের পর্দাটির নাম কি ?
উ: টিস্প্যানিক পর্দা
প্রশ্ন: জীব দেহের ওজনের প্রায় ২৪ ভাগ কোন পদার্থ ?
উ: কার্বন
প্রশ্ন: যকৃত বা পেশী কোষে অতিরিক্ত গ্লুকোজ জমা থাকে কি রূপে ?
উ: গ্লাইকোজেন রূপে
প্রশ্ন: প্রোটিন জাতীয় খাদ্যের প্রধান কাজ কি ?
উ: দেহের ক্ষয় পূরণ ও বৃদ্ধি জাতীয় কাজ করা
প্রশ্ন: কোন হরমোনের অভাবে স্নায়ু ও পেশীর অস্থিরতা বেড়ে যায় ও পেশীর খিচুনী শুরু হয় ?
উ: প্যারা থরমোন
প্রশ্ন: ভয় পেলে গায়ের লোম খাড়া হয় কোন হরমোনের অভাবে ?
উ: অ্যাড্রনালিন
প্রশ্ন: দাড়ি গোঁফ গজায় কোন হরমোনের জন্য ?
উঃ টেস্টোস্টেরন
প্রশ্ন: জীবন রক্ষাকারী হরমোন কোনটি ?
উঃ অ্যালডোস্টেরন
প্রশ্ন: ফসফরাস বেশি থাকে কোন অঙ্গে ?
উ: অস্থিতে
প্রশ্ন: খাদ্য দ্রব্য সবচেয়ে বেশি শোষিত হয় পোস্টিক নালীর কোন অংশে ?
উ: ক্ষুদ্রান্তে
প্রশ্ন: মহিলাদের পরিনত জনন কোষকে কি বলে ?
উ: ডিম্বাণু
প্রশ্ন: মানুষের করোটিতে কতটি অস্থি থাকে ?
উ: ২৪ টি
প্রশ্ন: প্রতি মিনিটে হৃদপিন্ডের স্বাভাবিক গড় স্পন্দন কত ?
উঃ ৭২
প্রশ্ন: ধমনী শেষ হয় কোথায় ?
উ: লসিকায়
প্রশ্ন: মানুষ সাদা ও কালো হয় কোন হরমোনের কারণে ?
উ:মেলানিন
প্রশ্ন: মস্তিস্কে প্রতি মিনিটে কি পরিমাণ রক্ত সরবরাহ হয় ?
উ: ৩৫০ মি.লি.
প্রশ্ন: পরিপাক তন্ত্রের সবচেয়ে শক্তিশালী স্ফিত অংশের নাম কি ?
উ: পাকস্থলী
প্রশ্ন: কোন জিনিস পিত্তের বর্ণের জন্য দায়ী ?
উ: বিলিরুবিন
প্রশ্ন: নিউরন কি ?
উ: স্নায়ু কলার প্রতিটি কোষকে নিউরন বলে
প্রশ্ন: কোন সন্ধিতে সবচেয়ে বেশী Movement হয় ?
উ: সাইনভিয়াল সন্ধি
প্রশ্ন: মানব দেহের ক্ষুদ্রতম অস্থির নাম কি ?
উ: স্টেপিস
প্রশ্ন: রোগ জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে কোন রস ?
উ: পিত্তরস
প্রশ্ন: কোন হরমোন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়ায় ?
উ: গ্লোকাগন
প্রশ্ন: একজন বয়স্ক লোক প্রতি মিনিটে কত বার শ্বাস নেয় ?
উ: ১২ - ১৮ বার
প্রশ্ন: মানব দেহের রক্ত সঞ্চালন চক্র আবিস্কার করেন কে ?
উ: উইলিয়াম হার্ভে
প্রশ্ন: কোন অ্যাসিড মানব দেহে অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমানে আছে ?
উ: HCL
প্রশ্ন: লম্বা হওয়ার জন্য কোন হরমোন দায়ী ?
উ: গ্রোথ হরমোন
প্রশ্ন: জরায়ু সংকোচন সহায়তা করে কোন হরমোন ?
উ: অক্সিটোসিন
প্রশ্ন: রক্ত কি ধরনের কলা ?
উ: যোজক কলা
প্রশ্ন: স্নায়ু কোষের বর্ধিত অংশকে কি বলে ?
উ: এক্সেন
প্রশ্ন: প্রশ্বাসে কি ধরনের বায়ু ফুসফুসে প্রবেশ করে ?
উ: অক্সিজেন মিশ্রিত
প্রশ্ন: রক্তের চাপ কোথায় সবচেয়ে কম ?
উ: শিরায়
প্রশ্ন: মানব দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থির নাম কি ?
উ: যকৃত
প্রশ্ন: মানব দেহের সবচেয়ে বড় অস্থির নাম কি ?
উ: ফিমার
প্রশ্ন: কোনটি শিশু কালে অপসারণ করলে বামনত্ব হয় ?
উ: পিটুইটারি
প্রশ্ন: শোসনের সময় দেহ হতে কি নির্গত হয় ?
উ: কার্বন - ডাই -অক্সাইড
প্রশ্ন: শুক্রাশয় থেকে নিসৃত হরমোনের নাম কি ?
উ : টেস্টোস্টেরন
প্রশ্ন: মাইটোসিস কোথায় সংগঠিত হয় ?
উ : দেহ কোষে
প্রশ্ন: রক্তে লোহিত ও শ্বেত কণিকার অনুপাত কত ?
উ: ৫০০ : ১
প্রশ্ন: রক্ত জমাট বাধার পার রক্তের হালকা অবশিষ্ট তরল অংশকে কি বলে ?
উ: সিরাম
প্রশ্ন: মানব দেহের সর্বাপেক্ষা দৃঢ় ও দীর্ঘ অস্থি কোনটি ?
উ: উরুর অস্থি
প্রশ্ন: অনুচক্রিকার কাজ কি ?
উ: রক্ত জমাট বাধায়
প্রশ্ন: লিউকোমিয়া রোগের কারণ কি ?
উ: রক্তে শ্বেত কণিকার মাত্রা বেড়ে যাওয়া
প্রশ্ন: দেহের শক্তির প্রধান মাধ্যম কি ?
উ: শ্বসন
প্রশ্ন: দেহে মেলানিনের প্রধান কাজ কি ?
উ: সূর্য রশ্নীর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেহকে রক্ষা করা
প্রশ্ন: কোন গ্রন্থির রসে রক্তে গ্লুকোজ হ্রাস পায় ?
উ: অগ্নাশয়
প্রশ্ন: অক্ষি গোলকের প্রাচীরের নাম কি ?
উ: রেটিনা
প্রশ্ন: রক্তে প্রয়োজনের অতিরিক্ত গ্লুকোজ পাওয়া গেলে কোন রোগ বুঝা যায় ?
উ: ডায়াবেটিস
প্রশ্ন: কোন হরমোনের প্রভাবে মেয়েদের অঙ্গসৌষ্ঠব বৃদ্ধি পায় ?
উ: ইস্টজেন
প্রশ্ন: নালী বিহীন গ্রন্থী গুলোর মধ্যে কোনটি প্রধানতম ?
উ: পিটুইটারি
প্রশ্ন: থাইরয়েডের অবস্থান কোথায় ?
উ: গলায় ল্যারিংসের এর উপরে , দু পাশে
প্রশ্ন: মানুষের আ্যাপেডিক্স কোথায় অবস্থান করে ?
উ: সিকামে
প্রশ্ন: ক্ষুদ্রান্ত্র এর বিশোসক একক কি ?
উ : ভিলাস
প্রশ্ন: ভিটামিন কে ও বি কোথায় সংস্লেসিত হয় ?
উ: বৃহদন্তে
প্রশ্ন: ব্লাড ক্যান্সার কেন হয় ?
উ: রক্তে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে গেলে
প্রশ্ন: চোখে আলো প্রবেশ করে কোন অংশ দিয়ে ?
উ: কর্ণিয়া
প্রশ্ন: ইনসুলিন অগ্নাশয়ের কোথায় তৈরী হয় ?
উ: বিটা কোষে
প্রশ্ন: চোখের পানির উত্স কোথায় ?
উ: ল্যাক্রিমাল গ্রন্থী
প্রশ্ন: মানব চোখে পেশীর সংখ্যা কত ?
উঃ ৬ টি
প্রশ্ন: মানব চোখে কয়টি অশ্রু গ্রন্থী থাকে ?
উ: ২ টি

88
BCS Cadre / We can, and must, end poverty
« on: November 10, 2015, 12:12:49 PM »
Poverty has been a scourge since time immemorial. It is a continuing affront to our
sensibilities, our moral principles, our very humanity. But it doesn’t have to be that way
anymore. We live in an age of promise and opportunity, where technological advances,
successful development experience and political will can be summoned to eliminate
poverty – and in particular to end extreme poverty. Today, we
can
end poverty and free
future generations from its devastating, tenacious grip.
This is not to say that we have not already seen promising results in the fight against
poverty. During the industrial revolution, economic and social transformation in many
countries lifted millions of people out of poverty. There was another impressive advance
after the Second World War, when scientific and technological progress, entrepreneurial
energy, market forces and redistribution policies brought growth and widespread
prosperity to countries in Europe, North America and East Asia.
Progress since 1990 has gone even further, surpassing previous advances in global
poverty reduction. In fact, this generation has been the world’s most fortunate – across all
regions – in terms of poverty reduction. People are taller, better nourished and healthier:
rising life expectancy attests to this, as does the success in achieving the first Millennium
Development Goal (MDG) target of halving the share of people living in extreme poverty
five years before the 2015 deadline! While this outcome owes a lot to the impact of strong
economic growth in the People’s Republic of China, many other countries have also made
striking progress in the fight against poverty. For example, five African countries – Benin,
Ethiopia, Gambia, Malawi and Mali – topped the global rankings in progress against all the
MDGs compared to where they started from. The power of conviction, the determination
and the political will mobilised by the MDGs have made an immense difference in
achieving these very positive outcomes.
Nevertheless, the battle is far from over. More than 1 billion people still struggle daily to
secure adequate food and shelter and fulfil their basic needs. The fact that we are moving in
the right direction is no consolation to an impoverished father in South Africa who has lost his
child to a preventable disease. It is time to tackle extreme poverty once and for all. We need to
galvanise our resources, wisdom and experience, our ingenuity and political will to reverse the EDITORIAL: WE CAN, AND MUST, END POVERTY
DEVELOPMENT CO-OPERATION REPORT 2013 © OECD 2013
16
plight of the poorest of the poor. These are the hardest people to reach with public goods and
services, and the most difficult to integrate into economic, political and social life.
We can learn from countries that have succeeded in this fight – from the strategic
choices they have made, the policies and initiatives they have put in place, the priorities they
have established. This report collects leading international good practice based on proven
“local” solutions to tackling poverty – practical, concrete examples that can be adapted to
other country settings. I am indebted to the many leaders, experts and policy makers who
have contributed their knowledge through the examples you will find in these pages.
We are the first generation in world history with the ability to eradicate poverty – and
our motto should be: “Yes, we will!

89
History / The North Atlantic Treaty Organisation (1949-present)
« on: November 08, 2015, 08:21:20 PM »
 The North Atlantic Treaty Organisation (NATO), also called the North Atlantic Alliance, the Atlantic Alliance or the Western Alliance, is an international organisation1 for collective security established in 1949, in support of the North Atlantic Treaty signed in Washington, DC, on 4 April 1949. Its headquarters are located in Brussels, Belgium. Its other official name is the French equivalent, l'Organisation du Traité de l'Atlantique Nord (OTAN).

Purpose

The core of NATO is Article V of the NATO Treaty, which states:

The Parties agree that an armed attack against one or more of them in Europe or North America shall be considered an attack against them all. Consequently they agree that, if such an armed attack occurs, each of them, in exercise of the right of individual or collective self-defence recognised by Article 51 of the Charter of the United Nations, will assist the Party or Parties so attacked by taking forthwith, individually and in concert with the other Parties, such action as it deems necessary, including the use of armed force, to restore and maintain the security of the North Atlantic area.

The Treaty cautiously avoids reference both to the identification of an enemy and to any concrete measures of common defence. Nevertheless, it was intended so that if the USSR and its allies launched an attack against any of the NATO members, it would be treated as if it was an attack on all member states. This marked a significant change for the United States, which traditionally harboured strong isolationist groups across parties in Congress. However, the feared invasion of Western Europe never came. Instead, the provision was invoked for the first time in the treaty's history on 12 September 2001, in response to the 11 September attacks on the United States the day before.

History

The US President, NATO Secretary General, and the Prime Ministers of Latvia, Slovenia, Lithuania, Slovakia, Romania, Bulgaria, and Estonia after a South Lawn ceremony welcoming them into NATO on 29 March 2004.

Beginnings

The Treaty of Brussels, signed on 17 March 1948 by Belgium, the Netherlands, Luxembourg (the Benelux countries), France, and the United Kingdom, is considered the precursor to the NATO agreement. This treaty established a military alliance, later to become the Western European Union. However, American participation was thought necessary in order to counter the military power of the Soviet Union, and therefore talks for a new military alliance began almost immediately.

These talks resulted in the North Atlantic Treaty, signed in Washington, DC, in the United States, on 4 April 1949, and included the five Treaty of Brussels states (Belgium, Netherlands, Luxembourg, France and the UK), United States and Canada from North America, Portugal and Italy and the three Nordic countries of Norway, Denmark and Iceland. Three years later, on 18 February 1952, Greece and Turkey also joined.

The incorporation of West Germany into the organisation on 9 May 1955 was described as "a decisive turning point in the history of our continent" by Halvard Lange, Foreign Minister of Norway at the time. [2] Indeed, one of its immediate results was the creation of the Warsaw Pact, signed on 14 May 1955 by the Soviet Union and its satellite states as a formal response to this event, firmly establishing the two opposing sides of the Cold War.

Early Cold War - Crisis with France

The unity of NATO was breached early on in its history, with a crisis occurring during Charles de Gaulle's presidency of France from 1958 onwards. De Gaulle protested the United States' hegemonical role in the organization and protested what he perceived as a special relationship between the United States and Great Britain. In a memorandum he sent on 17 September 1958 to President Eisenhower and Prime Minister Harold Macmillan, he argued for the creation of a tripartite Directorate that would put France on an equal footing with the United States and the United Kingdom, and also for the expansion of NATO's coverage to include geographical areas of interest to France.

Considering the response he was given unsatisfactory, De Gaulle started pursuing an independent defense for his country. France's Mediterranean fleet was withdrawn from NATO command in 11 March 1959. An independent nuclear programme was also pursued: In June 1959, De Gaulle banned the stationing of foreign nuclear weapons on French soil, which caused United States to transfer 200 military aeroplanes out of France; in 13 February 1960 France tested its first nuclear bomb -- a move much criticized among its NATO allies.

Though France showed solidarity with the rest of NATO during the Cuban missile crisis in 1962, de Gaulle continued his pursuit of an independent defense by also removing the Atlantic and Channel fleets of France from NATO command. Finally on 1966 all French armed forces were removed from NATO's integrated military command and all non-French NATO troops were forced to leave France. This precipitated the relocation of the Supreme Headquarters Allied Powers Europe (SHAPE) from Paris to Brussels by 16 October 1967.

France rejoined NATO's military command in 1993.

Détente

During most of the duration of the Cold War, NATO maintained a holding pattern with no actual military engagement as an organization. On 1 July 1968, the Nuclear Non-Proliferation Treaty opened for signature: NATO argued that its nuclear weapons sharing arrangements did not breach the treaty as US forces controlled the weapons until a decision was made to go to war, at which point the treaty would no longer be controlling. Few states knew of the NATO nuclear sharing arrangements at that time, and they were not challenged.

On 30 May 1978, NATO countries officially defined two complementary aims of the Alliance, to maintain security and pursue détente. This was supposed to mean matching defences at the level rendered necessary by the Warsaw Pact's offensive capabilities without spurring a further arms race.

However, on 12 December 1979, in light of a build-up of Warsaw Pact nuclear capabilities in Europe, ministers approved the deployment of US Cruise and Pershing II theatre nuclear weapons in Europe. The new warheads were also meant to strengthen the western negotiating position in regard to nuclear disarmament. This policy was called the Dual Track policy. Similarly, in 1983­84, responding to the stationing of Warsaw Pact SS-20 medium-range missiles in Europe, NATO deployed modern Pershing II missiles able to reach Moscow within minutes. This action led to bitter peace movement protests throughout Western Europe.

The membership of the organization in this time period likewise remained largely static, with NATO only gaining one new member in 30 May 1982, when newly democratic Spain joined the alliance, following a referendum. Greece also in 1974 withdrew its forces from NATO's military command structure, as a result of Greco-Turkish tensions following the 1974 Cyprus dispute; Greek forces were however readmitted in 1980.

In November 1983, a NATO manoeuvre code-named Able Archer 83, which simulated a NATO nuclear release, caused panic in the Kremlin. Soviet leadership, led by ailing General Secretary Yuri Andropov became concerned that US President Ronald Reagan may have been intending to launch a genuine first strike. In response, Soviet nuclear forces were readied and air units in Eastern Germany and Poland were placed on alert. Though at the time written off by US intelligence as a propaganda effort, many historians now believe Soviet fear of a NATO first strike was genuine.

Post-Cold War

The end of the Cold War, the dissolution of the Warsaw Pact in 1991, removed the de facto main adversary of NATO. This caused a strategic reevalution of NATO's purpose, nature and tasks. In practice this ended up entailing a gradual (and still ongoing) expansion of NATO to Eastern Europe, as well as the extension of its activities to areas not formerly concerning it.

The first post-Cold War expansion of NATO came with the reunification of Germany on 3 October 1990, when the former East Germany becomes part of the Federal Republic of Germany and the alliance. This had been agreed in the Two Plus Four Treaty earlier in the year. To secure Soviet approval of a united Germany remaining in NATO, it was agreed that foreign troops and nuclear weapons will not be stationed in the east.

On 28 February 1994, NATO also takes its first military action, shooting down four Bosnian Serb aircraft violating a UN no-fly zone over central Bosnia and Herzegovina. NATO air strikes the following year help bring the war in Bosnia to an end, resulting in the Dayton Agreement.

Between 1994 and 1997, wider forums for regional cooperation between NATO and its neighbours are set up, like the Partnership for Peace, the Mediterranean Dialogue initiative and the Euro-Atlantic Partnership Council. In 8 July 1997, three former communist countries, Hungary, the Czech Republic, and Poland, were invited to join NATO, which finally happened in 1999.

On 24 March 1999, NATO saw its first broad-scale military engagement in the Kosovo War, where it waged an 11-week bombing campaign against what was then the Federal Republic of Yugoslavia. Conflict ended on 11 June 1999, when Yugoslavian leader Slobodan Milo”eviç agreed to NATO's demands by accepting UN resolution 1244. NATO then helped establish the KFOR, a NATO-led force under a United Nations mandate that operates the military peacekeeping mission in Kosovo.

Debate concerning NATO's role and the concerns of the wider international community continued throughout its expanded military activities: The United States opposed efforts to require the UN Security Council to approve NATO military strikes, such as the ongoing action against Yugoslavia, while France and other NATO countries claimed the alliance needed UN approval. American officials said that this would undermine the authority of the alliance, and they noted that Russia and China would have exercised their Security Council vetoes to block the strike on Yugoslavia. In April 1999, at the Washington summit, a German proposal that NATO adopts a no-first-use nuclear strategy is rejected.

After the September 11th attacks

The expansion of the activities and geographical reach of NATO grew even further as an outcome of the September 11th attacks. These caused as a response the provisional invocation (on September 12) of the collective security of NATO's charter ‹ Article 5 which states that any attack on a member state will be considered an attack against the entire group of members. The invocation is confirmed on 5 October 2001 when NATO determines that the attacks were indeed eligible under the terms of the North Atlantic Treaty.

Despite this early show of solidarity, NATO would face a crisis little more than a year later, when on 10 February 2003, France and Belgium vetoed the procedure of silent approval concerning the timing of protective measures for Turkey in case of a possible war with Iraq. Germany did not use its right to break the procedure but said it supported the veto.

On the issue of Afghanistan on the other hand, the alliance showed greater unity: On 16 April 2003 NATO agreed to take command of the International Security Assistance Force (ISAF) in Afghanistan. The decision came at the request of Germany and the Netherlands, the two nations leading ISAF at the time of the agreement, and all 19 NATO ambassadors approved it unanimously. The handover of control to NATO takes place on 11 August, and marked the first time in NATO's history that it took charge of a mission outside the north Atlantic area. Canada had originally been slated to take over ISAF by itself on that date.

New NATO structures are also formed while old ones are abolished: The NATO Response Force (NRF) is launched at the 2002 Prague Summit on 21 November. On 19 June 2003, a major restructuring of the NATO military commands began as the Headquarters of the Supreme Allied Commander, Atlantic were abolished and a new command, Allied Command Transformation (ACT), was established in Norfolk, Virginia, USA, and the Supreme Headquarters Allied Powers Europe (SHAPE) became the Headquarters of Allied Command Operations (ACO). ACT is responsible for driving transformation (future capabilities) in NATO, whilst ACO is responsible for current operations.

Membership went on expanding with the accession of seven more Eastern European countries to NATO: Estonia, Latvia, Lithuania, Slovenia, Slovakia, Bulgaria, and Romania, which were first invited to start talks of membership during the 2002 Prague Summit. They finally joined NATO on 29 March 2004, attending their first NATO meeting on the following month, and bringing NATO's membership to its current extent. In addition, a number of other countries, also express the wish to join the alliance, including Albania, the Republic of Macedonia, and Croatia.

90
Story, Article & Poetry / হোম টিউটর
« on: August 28, 2015, 11:02:05 AM »
হোম টিউটর ব্যাপারটি কয়েক বছরে খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মূলত এটা গ্রাম অঞ্চলের লজিং মাষ্টারের মডারেট ভার্সন : ব্যাপারটিকে সিনেমার ভাষায় রূপ দিলে হয় "ছাত্র যখন শিক্ষক"
আমি খুব বিওএলওডি মানে বলদ কিছিমের স্টুডেন্ট ছিলাম বলে এই ব্যাপারটির সাথে খুব ভালভাবেই পরিচিত। কত রকমের "ভাইয়া"দের কাছে যে পড়েছি আর "কত রঙ্গ জানোরে ভাইয়া কত রঙ্গ জানো" দেখেছি তার ইয়ত্তা নেই
এদের নিয়ে বিশ্লেষণে কয়েক প্রকারভেদ পেয়েছি। যথা তথাঃ
অভাবী টিউটরঃ এরা সব সময় অভাবে ভোগেন ;) এবং মাস শেষ হবার আগেই এরা মাইনে চাইবেন
খাদক টিউটরঃ এরা পড়াতে এসে যতখানি না মনোযোগ দিবে তার থেকে অধিক মনোযোগ তাদের রান্না ঘরের কাপ পিরিচের টুংটাং শব্দের দিকে ;)
প্রেমিক টিউটরঃ এরা বেশির ভাগ টাইমই গফ/বফের সাথে মোবাইল নিয়ে গুজুর গুজুর করে।
গন্ধ টিউটরঃ এদের গন্ধ টিউটর বলার কারন হল এদের থেকে বেশির ভাগ সময়ই গন্ধ বের হয়। হয় তাদের মুখের গন্ধ নয়তো মোজা বা ঘামের। কারো আবার অতিরিক্ত পারফিউমের
ফাকিবাজ ও গল্পবাজঃ এরা আসবে ১৫ মিনিট দেড়ি করে,যাবে ১৫ মিনিট আগে আর ১৫ মিনিট গল্প করে বাকি সময়টুকু পড়াবে
রোবট টিউটরঃ এদের কাছে সিরিয়াস টপিক্সই হোক আর ফানি কিছুই হোক এরা থাকবে সবসময় গম্ভীর যেন রোবোকপ
টিউবলাইটার টিউটরঃএদের কোন নতুন অংক দিলে ৫ মিনিটের সলিশন ৪৫ মিনিটে ঘাম ছড়িয়ে দিয়ে বলবে," দেখতো, রেজাল্ট মিলছে কিনা " বা করতে গিয়ে পারবেনা পরে বলবে " কাল এসে করে দিব"

বিঃদ্রঃ চুপিচুপি বলি,আমিও এককালে কিছুদিন হোম টিচিং দিয়েছি। পোলাপাইন যে কি নামে ডাকে সেটা উপরওলাই জানে

Pages: 1 ... 4 5 [6] 7