Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Anwar Hossain

Pages: 1 ... 5 6 [7]
91
Story, Article & Poetry / হোম টিউটর
« on: August 28, 2015, 11:02:05 AM »
হোম টিউটর ব্যাপারটি কয়েক বছরে খুব জনপ্রিয়তা পেয়েছে। মূলত এটা গ্রাম অঞ্চলের লজিং মাষ্টারের মডারেট ভার্সন : ব্যাপারটিকে সিনেমার ভাষায় রূপ দিলে হয় "ছাত্র যখন শিক্ষক"
আমি খুব বিওএলওডি মানে বলদ কিছিমের স্টুডেন্ট ছিলাম বলে এই ব্যাপারটির সাথে খুব ভালভাবেই পরিচিত। কত রকমের "ভাইয়া"দের কাছে যে পড়েছি আর "কত রঙ্গ জানোরে ভাইয়া কত রঙ্গ জানো" দেখেছি তার ইয়ত্তা নেই
এদের নিয়ে বিশ্লেষণে কয়েক প্রকারভেদ পেয়েছি। যথা তথাঃ
অভাবী টিউটরঃ এরা সব সময় অভাবে ভোগেন ;) এবং মাস শেষ হবার আগেই এরা মাইনে চাইবেন
খাদক টিউটরঃ এরা পড়াতে এসে যতখানি না মনোযোগ দিবে তার থেকে অধিক মনোযোগ তাদের রান্না ঘরের কাপ পিরিচের টুংটাং শব্দের দিকে ;)
প্রেমিক টিউটরঃ এরা বেশির ভাগ টাইমই গফ/বফের সাথে মোবাইল নিয়ে গুজুর গুজুর করে।
গন্ধ টিউটরঃ এদের গন্ধ টিউটর বলার কারন হল এদের থেকে বেশির ভাগ সময়ই গন্ধ বের হয়। হয় তাদের মুখের গন্ধ নয়তো মোজা বা ঘামের। কারো আবার অতিরিক্ত পারফিউমের
ফাকিবাজ ও গল্পবাজঃ এরা আসবে ১৫ মিনিট দেড়ি করে,যাবে ১৫ মিনিট আগে আর ১৫ মিনিট গল্প করে বাকি সময়টুকু পড়াবে
রোবট টিউটরঃ এদের কাছে সিরিয়াস টপিক্সই হোক আর ফানি কিছুই হোক এরা থাকবে সবসময় গম্ভীর যেন রোবোকপ
টিউবলাইটার টিউটরঃএদের কোন নতুন অংক দিলে ৫ মিনিটের সলিশন ৪৫ মিনিটে ঘাম ছড়িয়ে দিয়ে বলবে," দেখতো, রেজাল্ট মিলছে কিনা " বা করতে গিয়ে পারবেনা পরে বলবে " কাল এসে করে দিব"

বিঃদ্রঃ চুপিচুপি বলি,আমিও এককালে কিছুদিন হোম টিচিং দিয়েছি। পোলাপাইন যে কি নামে ডাকে সেটা উপরওলাই জানে

92
Story, Article & Poetry / About Love
« on: August 23, 2015, 12:42:57 AM »
Love is divine. All men can’t love women. Only some selected and blessed men can make love to women before marriage. If you are one of them, it is your utmost duty to maintain the relationship with responsibilities for a long time before marriage.
Now-a-days, short duration relationship is increasing in an alarming rate. Young generation can’t find their real love to whom they can marry and start family. They choose their girlfriends without knowing their character. It sometimes becomes mismatched and reactions occur very quickly after starting that relationship.
To maintain a good relationship with your girlfriend, you must follow some rules. Don’t take this post as an advice, rather take it as a suggestion. You may have some better ideas regarding this matter. Here I will share my own thoughts regarding this:
1. Express love in public: Girls always suffer from uncertainty. They always fear that you will leave them and break the relationship. So, express your love publicly. Tell your family and friends about her. Take her to your parents. Visit her parents too. Maintain a good relationship with them. Upload couple photo in Facebook, tell your friends about her. Thus she will feel more comfortable and relaxed, being sure about the fate of your relationship. It will stabilize the relationship and you will seldom think about breaking this relationship in future.

2. Buy Red & Romantic Gifts For Her: Red is the colour of love. Buy heart shaped cute and red color gifts for her at least once a month. The price does not matter at all. Even a red rose can make your girlfriend more happy than a costly gift. Always make her feel the depth of your love.
3. Visit Parks & Restaurants With Her: You may call it dating! Whatever you say, it is necessary to maintain a relationship for a long time. Wandering along with your girlfriend in a nice place and gossiping with her for an hour or two will make both of you happy. You can also go for a dinner or lunch if possible. Girls like eating fast foods with their boyfriends.
4. Praise Her: Every person wants to be praised. Your girlfriend must have something special in her. Praise her for that quality. Praise her at least once a day.
5. Make Her Laugh: Tell a joke or interesting story or experience to her & try to make her laugh. She will feel better talking with you and will want to talk with you for longer duration. Call her by phone frequently whenever you get leisure. Utter the sentence I LOVE YOU at least once during each call.
6. Don’t Praise Another Girl: It may sound crazy but it is true. Don’t dare to praise another girl in front of your girlfriend. Your girlfriend might think that you are being attracted to that girl. She will suffer from mental confusion even when you make your perception clear to her.
7. Give Priority To Her Opinion: Her opinion matters a lot. Whenever you are with your girlfriend, always ask her before taking a decision. Give priority to her opinion. If possible, do what she tells you to do. If not possible, explain her the reason before doing according to your decision.
8. Capture Photos With Her: Photos can help building a good relationship. Capture couple photos in beautiful locations. Watch those together, print some nice ones and decorate your living room with those photos. Tell her about it, she will feel so romantic and will understand your love.
9. Go Shopping Together: When you need anything, go to market with her. Give priority to her choice before buying anything. Similarly, go with her if she needs anything to buy from market. She will feel more secure having your company.
10. Physical Relationship?: It is not necessary to have a pre-marital physical relationship. But love is as much physical as mental. So, this might be necessary to maintain a relationship for a long time. Pre-marital physical relationship creates problems like abortions. So, it is better to avoid it. A kiss or a hug is enough to express love. If you really love her, it is unnecessary to have a physical relationship before marriage. Marry her as soon as possible for a better conjugal life.
In present days, people fall in love from schools or colleges. They can’t marry quickly for economical uncertainty. So, these tips may come in handy for them. Again, these are not 100% true. You know best the ways of maintaining a long term relationship with your girlfriend. You should always try to make your relationship a better one.
Thank you for reading this post.

93
পূর্ণরূপ – South Asian Association for Regional Co-operation ( SAARC ) ।



• প্রতিষ্ঠা সন – ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ ।
• বর্তমান সদস্য – ৮ টি ।
• সদস্য দেশ সমূহ – বাংলাদেশ , ভারত , পাকিস্তান , শ্রীলঙ্কা , নেপাল , ভুটান , মালদ্বীপ এবং আফগানিস্থান ।
• সার্ক সচিবালয় – কাঠমুন্ডু ( নেপাল ) ।
• প্রথম চেয়ারম্যান – জেনারেল হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ (বাংলাদেশ ) ।
• প্রথম মহাসচিব – আবুল আহসান ( বাংলাদেশ ) ।
• প্রথম সম্মেলন – ৭-৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ ( ঢাকা ) ।
• সার্কের বাণিজ্য চুক্তির নাম – SAPTA ( South Asia Preferntial Trade Area ) এবং SAFTA ( South Asia Free Trade Area ) ।

94
দীর্ঘ ৮৫ বছরে যেটা কেউ পারেনি, সেটা করে দেখিয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী জাহিদ হাসান। বহুল প্রতীক্ষিত অধরা কণা ফার্মিয়ন, ভাইল ফার্মিয়ন অস্তিত্ব আবিষ্কার করেছেন তিনি।

অনন্য এ অবদানের জন্য তৈরী হয়েছে তার নোবেল প্রাপ্তির সম্ভাবনা। গত কয়েকবছরে যারা পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন, তাদের অবদানের সাথে এম জাহিদ হাসানের অবদানের তুলনা করেও এ সম্ভাবনার কথা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের একদল গবেষক পদার্থবিদ জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে পরীক্ষাগারে এই কণা খুঁজে পেয়েছেন। এই আবিষ্কার এখনকার মোবাইল ফোন, কম্পিউটারের মতো ইলেকট্রনিক সামগ্রীর গতি বাড়াবে। এতে সাশ্রয় হবে শক্তির।

এই কণা খুঁজে পাবার ব্যাপারে গত বৃহস্পতিবার বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স-এ ভাইল ফার্মিয়নের পরীক্ষামূলক প্রমাণের বিষয়টি বিস্তারিত ছাপা হয়েছে। এই আবিষ্কারের গুরুত্ব সম্পর্কে বলতে গিয়ে জাহিদ হাসান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ভাইল ফার্মিয়নের অস্তিত্ব প্রমাণের মাধ্যমে দ্রুতগতির এবং অধিকতর দক্ষ নতুন যুগের ইলেকট্রনিকসের সূচনা হবে।

কেমন হবে সেই নতুন যুগের ইলেকট্রনিক সামগ্রী—জাহিদ হাসান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘উদাহরণ দিয়ে বলা যায়, এই আবিষ্কার কাজে লাগিয়ে তৈরি নতুন প্রযুক্তির মুঠোফোন ব্যবহারের সময় সহজে গরম হবে না। কারণ, এই কণার ভর নেই। এটি ইলেকট্রনের মতো পথ চলতে গিয়ে ছড়িয়ে পড়ে না।’

আদতে গ্রহ-নক্ষত্র থেকে শুরু করে মানুষ পর্যন্ত সব কিছুই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কণার পিণ্ড। এসব বস্তুকণাকে বিজ্ঞানীরা দুই দলে ভাগ করেন। একটি হলো ফার্মিয়ন, যার একটি উপদল হলো ভাইল ফার্মিয়ন। ১৯২৯ সালে হারম্যান ভাইল এই কণার অস্তিত্বের কথা প্রথম জানালেও সম্প্রতি প্রথমবারের মতো এর পরীক্ষামূলক প্রমাণ হাজির করলেন জাহিদ হাসান।

আরেক জাতের কণা হলো ‘বোসন’, যার নামের সঙ্গেই জড়িয়ে আছেন বাঙালি পদার্থবিজ্ঞানী সত্যেন্দ্রনাথ বসু। তাঁর আবিষ্কারের ৯১ বছর পর ভাইল ফার্মিয়নের অস্তিত্ব খুঁজে পেয়ে পদার্থবিজ্ঞানের ইতিহাসে যুক্ত হলেন আরেক বাঙালি জাহিদ হাসান।

জাহিদ হাসান জানান, মোট তিন ধরনের ফার্মিয়নের মধ্যে ডিরাক ও মায়োরানা নামের বাকি দুই উপদলের ফার্মিয়ন বেশ আগেই আবিষ্কৃত হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বিজ্ঞানীরা ভেবেছেন, নিউট্রিনোই সম্ভবত ভাইল ফার্মিয়ন। কিন্তু ১৯৯৮ সালে নিউট্রিনোর ভরের ব্যাপারটা নিশ্চিত হওয়ার পর থেকে আবার ভাইল ফার্মিয়নের খোঁজ শুরু হয়।

এই বিশ্বজগৎ যত ধরনের কণা দিয়ে তৈরি, তার মধ্যে যেগুলোর আচরণ বোস-আইনস্টাইন সূত্র দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়, সেগুলোকে বলা হয় বোসন কণা। আর ফার্মি-ডিরাক সূত্র দিয়ে যেসব কণার আচরণ ব্যাখ্যা করতে হয়, সেগুলোকে বলা হয় ফার্মিয়ন।

নোবেলজয়ী ব্রিটিশ পদার্থবিদ পল ডিরাক ১৯২৮ সালে কেটি সমীকরণের অবতারণা করেন, যার মাধ্যমে প্রথমবারের মত এন্টি ইলেকট্রন বা পজিট্রনের অস্তিত্বের আভাস পাওয়া যায়। ১৯৩২ সালে আমেরিকান বিজ্ঞানী কার্ল অ্যান্ডারসন সেই সমীকরণের সমাধান করেন।

জার্মান গণিতজ্ঞ ও পদার্থবিদ হেরম্যান ভায়েল ১৯২৯ সালে ডিরাক সমীকরণের আরেকটি সমাধান প্রস্তাব করেন, যাতে ভরহীন একটি কণার অস্তিত্বের সম্ভাবনার কথা বলা হয়, যা পরে পরিচিতি পায় ভায়েল ফার্মিয়ন কণা নামে।

তিন ধরনের ফার্মিয়ন কণার মধ্যে ডিরাক ও মায়োরানা ফার্মিয়ন কণার অস্তিত্বের প্রমাণ বিজ্ঞানীরা আগেই পেয়েছিলেন। আর ৮৫ বছর ধরে নানা তর্ক-বিতর্কের পর অধ্যাপক জাহিদ হাসানের নেতৃত্বে গবেষকরা পরীক্ষাগারে কৃত্রিমভাবে তৈরি ট্যান্টালুম আর্সেনাইড নামের এক ধরনের ধাতব স্ফটিকের মধ্যে ভায়েল ফার্মিয়নের সন্ধান পান।

অধ্যাপক হাসানকে উদ্ধৃত করে প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “ভায়েল ফার্মিয়নের আচরণ খুবই অদ্ভুত। এই কণা থেকে এমন অনেক কিছুই বেরোতে পারে যা কল্পনা করার ক্ষমতা আমাদের এই মুহূর্তে নেই।”

তিনি বলছেন, ভায়েল ফার্মিয়ন ব্যবহার করে ভরহীন ইলেকট্রন তৈরি করা সম্ভব, যা প্রতিফলিত না হয়ে বাধাহীনভাবে দ্রুত ছুটতে পারবে। ফলে এখনকার ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মতো তাপ উৎপাদন হবে না, কাজের গতি বাড়বে বহুগুণ।

নতুন ধরনের কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির ক্ষেত্রেও এই কণা সহায়ক হতে পারে বলে মনে করছেন অধ্যাপক হাসান।

দীর্ঘদিন ধরে ফার্মিয়ন নিয়ে কাজ করছেন কানাডার ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী আন্তন ভার্খব। আন্তর্জাতিক জার্নাল আইইইই স্পেকট্রামকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উচ্ছ্বসিত ভার্খব বলেন, তত্ত্বীয় জগতের জিনিসপত্র বাস্তব জগতে খুঁজে পাওয়ার মতো আনন্দের বিষয় আর কিছুই নেই।

পেতে পারেন নোবেল পুরষ্কারও

অনন্য এ আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরষ্কারের জন্যও মনোনীত হতে পারেন এ বিজ্ঞানী। তার এ আবিষ্কারের ফলে কেবল তত্ত্বীয় পদার্থবিজ্ঞানই পাল্টে যাবে না, বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে ইলেকট্রনিক ও কম্পিউটারের বাস্তব জগতেও। ইলেকট্রনিক আর কম্পিউটারের জগৎটা এমনিতেই বদলে যাচ্ছে দ্রুত, প্রতিনিয়ত উন্নতি হচ্ছে এ ক্ষেত্রে, কিন্তু এম জাহিদ হাসানদের আবিষ্কার এটাকে কী যে গতি দেবে, মসৃণতা দেবে, তা কল্পনা করতে গিয়ে হইচই পড়ে গেছে বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে।

গত কয়েকবছরে যারা পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন, তাদের অবদানের সাথে এম জাহিদ হাসানের অবদানের তুলনা করেও এ সম্ভাবনার কথা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না।

২০১৪ সালে পরিবেশবান্ধব বিকল্প আলোর উৎস নীল লাইট ইমিটিং ডায়োড (এলইডি) আবিষ্কারের জন্য পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পেয়েছেন দুই জাপানি ও এক জাপানি বংশোদ্ভূত মার্কিন গবেষক। এরা হচ্ছেন জাপানের গবেষক ইসামু আকাসাকি, হিরোশি আমানো ও জাপানি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক শুজি নাকামুরা।

২০১৩ সালে ‘হিগস বোসন’ বা ঈশ্বর কণার অস্তিত্বের তাত্ত্বিক ধারণা দেওয়ায় ব্রিটিশ বিজ্ঞানী পিটার ওয়ের হিগস ও বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী ফ্রাঁসোয়া এংলার্ট পদার্থবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ‘হিগস বোসন’ কণা সম্পর্কে এমন ধারণা, যা ব্যাখ্যা করে, কীভাবে কোনো বস্তুর ভর সৃষ্টি হয়। এছাড়া এই তত্ত্ব ব্যাখ্যা করে, ‘ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ফোর্স’র তুলনায় কেন ‘উইকফোর্স’র ব্যাপ্তি ক্ষুদ্র। এর ফলে মহাবিশ্বের সৃষ্টি রহস্য সম্পর্কে ধারণা পেতে সাহায্য করবে।

আর ২০১২ সালে আলোর মৌলিক একক (ফোটন) বিশুদ্ধ কোয়ান্টাম অবস্থা পরিমাপের পদ্ধতি আবিষ্কারের স্বীকৃতি হিসেবে ফ্রান্সের সার্জ হারোশে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিড ওয়াইনল্যান্ডকে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।

ঢাকার ছেলে জাহিদ হাসান পদার্থবিদ্যায় লেখাপড়া করেছেন অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ে। স্ট্যানফোর্ডে পিএইচডি করার পর থেকে তিনি প্রিন্সটনে অধ্যাপনা করছেন।

95
এক সমৃদ্ধ লাইব্রেরি ছিল হিটলারের। তাঁর ব্যক্তিগত লাইব্রেরির একটি অংশে পাওয়া গেছে রবীন্দ্রনাথের বই ন্যাশনালিজম। বইটি কীভাবে পৌঁছেছিল হিটলারের হাতে?

এডল্‌ফ হিটলারের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সমকালীন যে বঙ্গসন্তানের একসময় সখ্য গড়ে উঠেছিল, তিনি হচ্ছেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। ভারতের স্বাধীনতাপ্রত্যাশী নেতাজি কী করে হিটলারের মতো ভয়ংকর বর্ণবাদী চিন্তাসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের আতিথ্য গ্রহণ করেছিলেন, আমাদের আবেগপ্রবণ বাঙালি মন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে দেখতে নারাজ। তবে নেতাজি যখন হিটলারের সান্নিধ্য ভোগ করছিলেন, কবিগুরুকে তখন হতে হয়েছিল জার্মানির নাৎসি শাসকদের বহ্ন্যুৎসবের অন্যতম প্রধান এক লক্ষ্য। এও ইতিহাসের এমন এক বাস্তবতা, যার হিসাব মেলানো মোটেও সহজ নয়।
হিটলারের জার্মানি সার্বিক অর্থেই ছিল স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থাধীন এক দেশ, যদিও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই নাৎসিরা শুরুতে ক্ষমতায় বসেছিল। তবে সস্তা জাতীয়তাবাদী ্লোগান তুলে এবং বামশক্তির মধ্যে সৃষ্ট বিভেদ ও বিভাজন কাজে লাগিয়ে ক্ষমতায় বসার পর ক্ষমতা পাকাপোক্ত করে নেওয়ার যেসব পথ হিটলার ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা দ্রুত গ্রহণ করেন, এর মধ্যে অন্যতম ছিল জনতার ভাবনা-চিন্তা নিজেদের পথে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা। সে রকম এক পরিকল্পনার ফল হলো বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার মানুষের লেখা বইপত্র প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ফেলার নাৎসি উৎসব। নিষিদ্ধ সে রকম লেখক-কবি-সাহিত্যিক-দার্শনিকদের তালিকায় কবিগুরু যে অন্তভুêক্ত থাকবেন, সেটাই তো স্বাভাবিক। কেননা বিশ্বের তাবৎ একনায়ক আর স্বৈরাচার চিন্তাবিদ আর কবি-সাহিত্যিকদেরই তাঁদের সবচেয়ে বড় শত্রু মনে করে থাকে। সেই বাস্তবতা ্নরণ রেখেই রুশ কবি আন্দ্রেই ভজনেসেনস্কি তাঁর এক কবিতায় লিখেছিলেনঃ
‘কবিকে হত্যা করা না হলে হত্যার লক্ষ্য হতে পারে এমন কেউ আর থাকে না।’
হিটলারের উগ্র বর্ণবাদী জাতীয়তাবাদের উৎস খুঁজতে হলে শুরুতে তাঁর পাঠাভ্যাসের দিকেই যে নজর দেওয়া দরকার, হিটলারের জীবদ্দশায়ই অনেকে তা উপলব্ধি করেছিলেন। অন্য সব একনায়কের সঙ্গে হিটলারের সবচেয়ে বড় পার্থক্য এখানে যে হিটলার ছিলেন ক্ষুধার্ত পাঠক। আনুষ্ঠানিক শিক্ষার দিক থেকে তিনি খুব বেশি দূর অগ্রসর হতে পারেননি। কিন্তু যৌবনের দিনগুলোতে যে তাঁর পাঠাভ্যাস গড়ে উঠেছিল, এর প্রমাণ উপস্থাপিত হয়েছে জার্মান গবেষক ব্রিজিট হামানের লেখা বই হিটলার ইন ভিয়েনায় (ইংরেজি অনুবাদ ১৯৯৯)।
পাঠাভ্যাসকেও অবশ্য হিটলার নিজের পছন্দের দিকে ধাবিত করেছিলেন, যা তাঁর নাৎসি ভাবনা-চিন্তার শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছিল। হিটলারকে পুরোপুরি বুঝে উঠতে হলে তাই তাঁর পাঠাভ্যাস ও ব্যক্তিগত সংগ্রহের বইপত্রের দিকে অবশ্যই নজর দেওয়া দরকার।
হিটলারের পাঠাভ্যাস নিয়ে জার্মানির বাইরে প্রথম বই বেরোয় হিটলারের জীবদ্দশায়ই, ১৯৪২ সালে। দিস ইজ দি এনিমি নামের সেই বইয়ের রচয়িতা মার্কিন সাংবাদিক ফ্রেডরিখ ওয়েশনার। নাৎসিরা জার্মানিতে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর বেশ কয়েক বছর ওয়েশনার বার্লিনে বার্তা সংস্থা ইউপিআইয়ের সংবাদদাতা হিসেবে কাজ করেন। জার্মানির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ ঘোষণা করার পর মার্কিন নীতিনির্ধারকদের সামনে শত্রুদেশের নেতার ঘনিষ্ঠ পরিচিতি তুলে ধরার জন্য বইটি লেখেন তিনি। ওয়েশনার বার্লিনে অবস্থান করার সময় হিটলারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিত্বদের সাক্ষাৎকার নেন। তার ভিত্তিতে তিনি পাঠকদের কাছে হিটলারের ব্যক্তিগত লাইব্রেরির পরিচিতি তুলে ধরেছেন। এ বইয়ের মাধ্যমে ওয়েশনার জানাচ্ছেন, হিটলারের সেই লাইব্রেরি ছিল বিভিন্ন বিষয়ে লেখা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বইয়ে পূর্ণ। ক্ষমতাসীন হওয়ার পর নিজের ব্যক্তিগত লাইব্রেরিটি হিটলার দুটি ভাগে ভাগ করেছিলেন। একটি অংশ ছিল বার্লিনের সরকারি বাসভবনে, অন্য অংশটি তিনি রেখেছিলেন বের্গফের পাহাড়ি এলাকায় নিজের অবসরকালীন নিবাসে। বইয়ের মোট সংখ্যা ছিল ১৬ হাজারের বেশি, পরবর্তী অনেক গবেষকের লেখায় এ তথ্যের নিশ্চয়তা মেলে। এসব সংগ্রহের বাইরে মিউনিখেও হিটলারের ব্যক্তিগত আরেকটি লাইব্রেরি কথা জানা যায়, যার উল্লেখ অবশ্য ওয়েশনার করেননি।
এসব বইয়ের মধ্যে সমরবিদ্যা ও সামরিক ইতিহাস নিয়ে লেখা বই-ই ছিল বেশি। এর কারণ সহজেই বোধগম্য। তবে অন্যান্য বিষয়ের বইয়ের উপস্থিতিও একেবারে কম ছিল না। হিটলারের পাঠাভ্যাস নিয়ে ফ্রেডরিখ ওয়েশনারের লেখা সেই বই প্রকাশিত হওয়ার ৬৫ বছরেরও বেশি সময় পরে হিটলারের ব্যক্তিগত লাইব্রেরির ওপর ইংরেজি ভাষায় লেখা কিছুদিন আগে প্রকাশিত আরেকটি গ্রন্থে বইপত্র এবং সেই সঙ্গে ব্যক্তিগত লাইব্রেরির সংগ্রহ হিটলারের জীবনকে কতটা প্রভাবিত করেছিল, সে সম্পর্কে বিস্তারিত অনেক কিছু জানা যায়। টিমোথি ডব্লিউ রাইবাকের লেখা সেই বই হিটলারস প্রাইভেট লাইব্রেরিঃ দ্য বুকস দ্যাট শেপ্‌ড হিজ লাইফ-এ অনেকটা ঘটনাক্রমে উপস্থিত হয়েছেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
হিটলারের সম্পূর্ণ সংগ্রহের ওপর টিমোথি রাইবাক আলোকপাত করেননি এবং যুদ্ধের ব্যাপক ধ্বংসাবশেষের পর তা সম্ভবও ছিল না। বার্লিনে হিটলারের লাইব্রেরিতে যে হাজার দশেক বইয়ের সংগ্রহ ছিল, ১৯৪৫ সালে এর পুরোটাই চলে যায় সোভিয়েত কর্তৃপক্ষের দখলে। পরবর্তী সময়ে সেসব বইয়ের আর দেখা পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে মার্কিন সেনারা বের্গফের ধ্বংসাবশেষ এবং মিউনিখ থেকে হিটলারের ফেলে রাখা যেসব বই সংগ্রহ করেছিল, এর মধ্যে বেশ কিছু বই যুদ্ধের ্নারক স্যুভেনির হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যায়। এই বইগুলোও পরে আর একত্র করা যায়নি। এসব বইয়ের বাইরে হাজার তিনেক বই হিটলার যুদ্ধের শেষ দিকে বের্গফের কাছাকাছি এক লবণখনিতে বাক্সবদ্ধ করে নিরাপদ হেফাজতে জমা রাখার জন্য পাঠিয়েছিলেন। ধারণা করা যায়, এসব বইকে নিজের পছন্দের বই হিসেবে তিনি হয়তো মনে করে থাকবেন, যে কারণে সম্ভাব্য ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যই নিরাপদ হেফাজতে সেগুলো তিনি জমা রাখতে চেয়েছিলেন। বইগুলো মার্কিন বাহিনীর হাতে পড়ে। যুদ্ধের পর বইগুলো যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়। সেই সংগ্রহ থেকে বাছাই করা এক হাজার ২০০টি বই লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের ভিন্ন এক সংগ্রহে রাখা হয়। এসব বইয়ের ওপরই রাইবাক তাঁর গবেষণা সীমিত রেখেছেন।
এই সংগ্রহের অধিকাংশ বই হিটলার মনোযোগ দিয়ে পড়েছিলেন। পড়ে বইয়ে তিনি পেনসিল দিয়ে দাগিয়েছেন এবং পাশে মন্তব্য লিখেছেন। অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে কয়েকটি বইয়ের মলাট খসে যাওয়ার মতো অবস্থা। এ বইগুলো যে হিটলারের বিশেষ পছন্দের বই ছিল, সে প্রমাণও মেলে। সে রকম একটি বই হচ্ছে বার্লিনের স্থাপত্য পরিচিতি। জার্মানির রাজধানীকে নিজের মনের মতো মহিমাময় এক নগর হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন তিনি লালন করতেন বলেই বইটি প্রায়ই হিটলার খুলে দেখতেন। এ ছাড়া হিটলারের দর্শন এবং এর উৎসের পরিচিতিও লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের সেই সংগ্রহে মেলে।
একমাত্র যে উল্লেখযোগ্য দার্শনিকের বই বিশেষ সেই সংগ্রহে অন্তভুêক্ত ছিল, তিনি হলেন উনিশ শতকের সূচনালগ্নের জাতীয়তাবাদী জার্মান চিন্তাবিদ ইয়োহানেস গটলিয়েফ ফিকটে। সাদা চামড়ায় বাঁধানো ফিকটের রচনাবলি হিটলার উপহার হিসেবে পেয়েছিলন চলচ্চিত্র-নির্মাতা ও তাঁর একসময়ের প্রেমিকা হিসেবে গণ্য লেনি রেইফেনস্থালের কাছ থেকে। রাইবাক অবশ্য মনে করেন, ব্যক্তিগত পছন্দের লাইব্রেরিতে ফিকটের উপস্থিতি প্রমাণ করছে, হিটলারের নাৎসি-চেতনার উৎস শোপেনহাওয়ার কিংবা নিটশে নন, বরং তাঁদেরও অনেক আগের জাতীয়তাবাদী চিন্তাবিদ ফিকটে।
লাইব্রেরি অব কংগ্রেসের এক হাজার ২০০ বইয়ের একটি বই হচ্ছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জার্মান অনুবাদে প্রকাশিত জাতীয়তাবাদ। আমরা জানি, জাতীয়তাবাদের যে ব্যাখ্যা রবীন্দ্রনাথ দিয়েছেন, তাঁর সেই জাতীয়তাবাদ ছিল হিটলারের সংকীর্ণ এবং উগ্র এককেন্দ্রিক জাতীয়তাবাদের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এ ছাড়া রবীন্দ্রনাথ তো ছিলেন নাৎসিদের কালো তালিকাভুক্ত কবি। তা সত্ত্বেও হিটলারের পছন্দের বইয়ের মধ্যে কীভাবে তিনি জায়গা করে নিলেন? রবীন্দ্রনাথের লেখা বইটিও হিটলার উপহার হিসেবে পেয়েছিলেন এবং এ প্রশ্নেরও গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা খুঁজে পাওয়া যায় সেই উপহারের সূত্র ধরেই।
হিটলারের ৩২তম জন্মদিনে তাঁকে রবীন্দ্রনাথের এ বইটি দিয়েছিলেন তাঁর এক মহিলা ভক্ত। হিটলার তখনো ক্ষমতাসীন হননি এবং তাঁর মাইন কাম্ফও সে সময় লেখা হয়নি। ‘আমার প্রিয় আরমান ভাইকে’ মহিলার লেখা এই উপহারপত্র রহস্যের অনেকটা আমাদের সামনে উন্মোচন করে দেয়, যার যোগসূত্রও কট্টর নাৎসিবাদের সঙ্গেই।
জার্মান ভাষায় ‘আরমান’ শব্দটির প্রথম প্রচলন লক্ষ করা যায় উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে অস্ট্রিয়ার বর্ণবাদী আধ্যাত্মিক চিন্তাবিদ গুইডো ফন লিস্টের লেখায়। শ্মশ্রুধারী এই বর্ণবাদীকে অনেক গবেষক ভণ্ড সন্ত হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন। বাহ্যিক চেহারা এবং পোশাকের দিক থেকে দেখতে তিনি ছিলেন অনেকটা কবিগুরুর কাছাকাছি। তবে মিল শুধু সেটুকুই। ফন লিস্ট আর্য-জার্মান জাতিভক্তদের সার্বিক শ্রেষ্ঠত্বে ছিলেন সম্পূর্ণ আস্থাশীল। খ্রিষ্টধর্মের আবির্ভাবের অনেক আগে ইউরোপের দূরবর্তী উত্তরাঞ্চল থেকে এসে যারা জার্মানিতে বসতি গেড়েছিল, সেই ‘শ্রেষ্ঠ’ জাতির প্রতিনিধিদের তিনি ‘আরমান’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এরা, তাঁর ভাষায় নিকৃষ্ট অন্য সব জাতিকে পরাভূত করে বিশ্বজুড়ে নিজেদের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবে। ফলে জার্মান বা আরমানদের জাতীয় বিশুদ্ধতা বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। অনেকটা এ ধরনের চিন্তাভাবনার প্রকাশই আমরা দেখি হিটলার অনুসৃত নীতিতে।
ফন লিস্টের জীবদ্দশায়ই তাঁর সেই আদর্শকে বাস্তবায়ন করার উদ্দেশ্যে জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায় গোপন বেশ কিছু সমিতির আবির্ভাব লক্ষ করা যায়, যেসব সমিতির সদস্যরা একে অন্যকে আরমান ভাই-বোন মনে করত। হিটলারের ভাবনা-চিন্তায় গুইডো ফন লিস্টের প্রভাব মনে হয় তাঁর সেই ভিয়েনার দিনগুলো থেকেই এবং উপহারপত্রে ‘আমার প্রিয় আরমান ভাই’কে লেখা উদ্ধৃতি ইঙ্গিত দিচ্ছে, উপহার দেওয়া সেই মহিলার সঙ্গে হিটলার নিজেও হয়তো কোনো একসময় সে রকম এক গুপ্ত সমিতির সদস্য হয়েছিলেন।
তবে কেন রবীন্দ্রনাথ? সে প্রশ্ন কিন্তু এর পরও থেকে যায়। আমরা ধারণা করে নিতে পারি, রবীন্দ্রনাথের রচনা পাঠ করে নয় বরং তাঁর সন্তসুলভ চেহারার ছবি দেখেই ওই মহিলা হয়তো তাঁকে গুইডো ফন লিস্টের মতো ‘সন্ত’র সমতুল্য কেউ ভেবে থাকবেন। মহিলার সঙ্গে হিটলারের সম্পর্ক ঠিক কতটা গভীর ছিল, সে বিষয়েও তেমন কিছু জানা যায় না। ধরে নিতে পারি, সম্পর্ক একসময় হয়তো খুবই অন্তরঙ্গ ছিল এবং সেই ্নৃতিকে মনে রেখেই হিটলার পছন্দের বইয়ের মধ্যে কবিগুরুর বইটি রেখেছিলেন, রচনার বিষয়াবলি কিংবা সেখানে তুলে ধরা ভাবনা-চিন্তার জন্য নয়। এ ছাড়া বইটি যে হিটলার পড়েছেন, সে রকম প্রমাণও কিন্তু মেলেনি। বইটিতে তাঁর পেনসিলের কোনো দাগ কিংবা পাশে কোনো মন্তব্য নেই। ফলে আমাদের চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতো কবিগুরুকেও হিটলারের আতিথ্য গ্রহণের অভিযোগের মুখোমুখি হতে হবে।

সূত্রঃ প্রথম আলো, জুন ১২, ২০০৯

96
English / Literature
« on: June 23, 2015, 05:45:31 PM »
Literature is a word, hearing this we may understand that it depends on imagination. Literature is consist of poetry,essay,novel and excellence of imagination and expression style.
In the ancient period, Greek literature was written on myth and inherit. Basically, the history of literature follows closely to the development of civilization. In English literature we may see that there are a number of ages like as
Renaissance Literature,The Enlightenment,Romanticism,Transcendentalism, Victorian Literature,Realism, Naturalism, Modernism,Bloomsbury Group,Existentialism,Beat Generation. This is the picture of English literature.

There is no doubt that Bengali is a rich language and its literature is also rich. In Bengali literature we get a group of renowned and famous poet, writer and dramatist. In bangladesh, Farukkah Ahamed is considered as a renaissance poet. His famous poet is 'Sat Sagorar Mazi".

Our national poet Kazi Nazrul Islam was a versatile genius. He wrote many poems,novel, songs and Islamic songs. He is compared with the English poet Byron. Rabindronath Tagor is a nobel prize winner in the category of literature. He won the prize in 1913. He is the composer of Bangladeshi National Anthem.

However, as a Bangalii I feel proud of Bangla literature.

97
Story, Article & Poetry / Human Trafficking
« on: June 19, 2015, 12:51:53 PM »
Now-a-days human trafficking is the most common affair in the Asian sub continent specially for Bangladesh. Before writing we have to know, what is the definition of human trafficking? Human trafficking means the illegal movement of people, typically for the purposes of forced labor or commercial sexual exploitation. According to Wikipedia, "Human trafficking is the trade of humans, most commonly for the purpose of sexual slavery, forced labor or commercial sexual exploitation for the trafficker or others". Human trafficking can occur within a country or trans-nationally. Human trafficking is a crime against the person because of the violation of the victim's rights of movement through coercion and because of their commercial exploitation.

Human trafficking incidents are making headlines these days in the Bangladesh perspective. Innocent and poor people are lured by the well organized and ruthless international gangs. In the developing countries, human trafficking is occurring most.
According to Haken, a writer who writes "Transnational crime in the developing countries" he mentioned in his book about this type of crime,"Human trafficking represented an estimated $31.6 billion of international trade per annum in 2010"
In 2013, the total annual revenue for trafficking in people was estimated to be USD 32 billion.The average cost of human trafficking victim today is USD 90 which in comparison to the Southern American slave trade in the 1800s is significantly less.

Every year thousand of people men, women and children fall into the hands of traffickers, in their own countries and aboard. Almost every country in the world is affected by the trafficking.
we noticed that last one or two years, human trafficking in Bangladesh is severe position. Bangladesh is a source and transit country for men, women and children subjected to trafficking in person, specially forced labor and prostitution. In matter of just one year, human trafficking by sea route along the Bangladesh- Myanmar coast has gone up by 61 percent. Bangladeshi persons are being trafficked , mostly to Malaysia.According to the report of UNHCR, from July 2013 to June 2014, a total of 53 thousand people went to Malaysia illegally via the Bay of Bengal. In the previous year, it was 33 thousand.

Government should campaign and encourage to resort to legal channels for migration. General people also should be careful about the ruthless and gangs
party's. We must be educated ourself about human trafficking by reading and gathering knowledge. If we suspect that someone has been trafficked we should report it to the adjacent police station.

To stop the human trafficking Govt. should take the following steps....

**** to bring human traffickers to justice.
**** to tighten border vigil.
**** to strengthen coastguard operations.

It is high time, we stood united against traffickers about this inhuman activities.
 

98
Story, Article & Poetry / Happiness
« on: June 11, 2015, 01:25:11 PM »
Happiness. It is not measurable, profitable, nor tradable. Yet, above all else in the world, it is what people seek. They want to have happiness, and want to know they have a lot of it. But happiness, like air or water, is a hard thing to grasp in one’s hand. It is intangible. So how does one know if they have it? Is it just a feeling? And if someone does not feel happy, how can they go about achieving that feeling?
 ;D ;D ;D

99
Story, Article & Poetry / Reality
« on: June 11, 2015, 12:01:15 PM »
The real, the wisest and well rounded people you will ever meet likely are those who have kept idea or known misery, pain, defeat and losing something or someone they loved. These people have experienced about agony, pain and ups and downs. By these feelings they also gained appreciation, sensibility and understand the meaning of life. In our family life, service life or social life we face various types of problem. Many of them able to overcome and the rest of become failure but some of them can regain their wish. They develop slowly in course of time.

To speak the truth, when hard times hit and the challenges we face are great we can either let our situation define us, let it destroy us or let it strengthen us. The choice is ours to make. From our early age we taught pain is evil and harmful. Yet, how can we ever deal with real life and true love if we are afraid to feel what we really feel? We need to feel pain, just as we need to feel alive and loved. Pain is meant to wake us up. Though we try to hide our pain. Pain is something to carry willingly because we can only learn how strong we are when being strong is the only choice we have.
One of my supervisor told me that if you have headache you have to realize that you have a head. So, in the worldly life pain is nothing we have to face it with courage and asking who you are.

100
Career Opportunity / Love, pain and reality
« on: September 22, 2014, 12:18:13 AM »
We are taught at early age that all pain is evil and harmful. So many of us are afraid of ourselves,of our own truth and our feelings at all.We talk about how the great concept of love and life are!But everyday we are hiding ourselves from love and life because of the truth is life and life is full of love ,love is full of sufferings. The love is equal to feelings and feelings bring sufferings for us.

How can we deal with real life and true love if we afraid to feel what we really feel? We need to feel pain just we need to feel alive and love.Pain is meant to wake up us. Yet we try to hide our pain.Realise this pain is something to carry willingly just like good sense.

We should stand up to face the reality,feel to pain,to endure it. Only pain and reality can helps us to grow although it is hard to face...

Pages: 1 ... 5 6 [7]