Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 22
1
Textile Engineering / Taking apart a car to know how it works.
« on: July 28, 2019, 02:19:34 AM »
স্টুডেন্ট লাইফ সহ জীবনের বড় একটা অংশ টেক্সটাইল পড়ে আর পড়িয়ে কাটলো। স্টুডেন্ট লাইফে অ্যাপারেল টেক্সটাইল, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল আর হোম ফারনিশিং এই তিন ক্যাটাগরীর টেক্সটাইলের প্রতি চোখ খুলে গেল। বর্তমানে পড়তেছি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু সাবজেক্ট। মনে হচ্ছে - তাইতো কত কিছুই তো জানিনা।
ভেবে দেখলাম আমার পড়ার ও জানার অপেক্ষায় কিছু বসে থাকে না। আমি যা জানি তার বহু আগে থেকেই টেক্সটাইল ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের প্রয়োগ হয়ে আসতেছে। আমি না জানলেও এর প্রয়োগ হত।
ভাবতেছি মানুষ কি শুধু কি হইতেছে এইটাই কি শুধু জানার চেষ্টা করে না? আমাদের হার্ট রক্ত পাম্প করে - এইটা মানুষ জানার আগে থেকেই হার্ট রক্ত পাম্প করে চলেছে। কেউ এখনও না জানলেও তার হার্ট রক্ত পাম্প করা বাদ দেয় না। আমাদের হার্ট, লিভার, ফুস্ফুস সারাজীবন কাজ করে চলে।
আর প্রায় সব ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ে আমরা এই পৃথিবীর বিভিন্ন বস্তুর গুনগত ব্যাপারগুলো জেনে তার প্রয়োগ করি। লোহা বা আয়রনের শক্তি কত - তা আমরা পরীক্ষা করে জানি। আমরা নতুন কিছুই করতেছি না। যা আছে তাই কেবল জেনে নিতেছি। আর সেই জানাটাকেই বিভিন্ন ভাবে প্রয়োগ করতেছি।
চিকিৎসা বিদ্যা, ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের সব শাখা, কেবল মাত্র যে বস্তুগুলো আছে - সেইগুলো নিয়েই জানার ব্যাপার।
কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে - আমরা জানি বা না জানি সব কিছুর বৈশিষ্ট্য ও গুণগত মান একই থাকতো। আমরা জানার আগে থেকেই আলোর গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল। এই গতি আমরা আবিস্কার করে নির্ধারণ করি নাই।
আমরা ভাবি আমরা কত কিছু করতেছি। সব কাজ করে দুনিয়া উল্টায় ফেলতেছি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমাদের এই জানা জিনিসের ভ্রান্ত প্রয়োগই পৃথিবীর জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে - এইটা কি আমরা ভাবি না?
মহান আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন ও আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

2
Permanent Campus of DIU / Taking apart a car to know how it works.
« on: July 28, 2019, 02:13:56 AM »
স্টুডেন্ট লাইফ সহ জীবনের বড় একটা অংশ টেক্সটাইল পড়ে আর পড়িয়ে কাটলো। স্টুডেন্ট লাইফে অ্যাপারেল টেক্সটাইল, টেকনিক্যাল টেক্সটাইল আর হোম ফারনিশিং এই তিন ক্যাটাগরীর টেক্সটাইলের প্রতি চোখ খুলে গেল। বর্তমানে পড়তেছি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর কিছু সাবজেক্ট। মনে হচ্ছে - তাইতো কত কিছুই তো জানিনা।
ভেবে দেখলাম আমার পড়ার ও জানার অপেক্ষায় কিছু বসে থাকে না। আমি যা জানি তার বহু আগে থেকেই টেক্সটাইল ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের প্রয়োগ হয়ে আসতেছে। আমি না জানলেও এর প্রয়োগ হত।
ভাবতেছি মানুষ কি শুধু কি হইতেছে এইটাই কি শুধু জানার চেষ্টা করে না? আমাদের হার্ট রক্ত পাম্প করে - এইটা মানুষ জানার আগে থেকেই হার্ট রক্ত পাম্প করে চলেছে। কেউ এখনও না জানলেও তার হার্ট রক্ত পাম্প করা বাদ দেয় না। আমাদের হার্ট, লিভার, ফুস্ফুস সারাজীবন কাজ করে চলে।
আর প্রায় সব ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ে আমরা এই পৃথিবীর বিভিন্ন বস্তুর গুনগত ব্যাপারগুলো জেনে তার প্রয়োগ করি। লোহা বা আয়রনের শক্তি কত - তা আমরা পরীক্ষা করে জানি। আমরা নতুন কিছুই করতেছি না। যা আছে তাই কেবল জেনে নিতেছি। আর সেই জানাটাকেই বিভিন্ন ভাবে প্রয়োগ করতেছি।
চিকিৎসা বিদ্যা, ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের সব শাখা, কেবল মাত্র যে বস্তুগুলো আছে - সেইগুলো নিয়েই জানার ব্যাপার।
কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে - আমরা জানি বা না জানি সব কিছুর বৈশিষ্ট্য ও গুণগত মান একই থাকতো। আমরা জানার আগে থেকেই আলোর গতি সেকেন্ডে ১,৮৬,০০০ মাইল। এই গতি আমরা আবিস্কার করে নির্ধারণ করি নাই।
আমরা ভাবি আমরা কত কিছু করতেছি। সব কাজ করে দুনিয়া উল্টায় ফেলতেছি। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে আমাদের এই জানা জিনিসের ভ্রান্ত প্রয়োগই পৃথিবীর জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে - এইটা কি আমরা ভাবি না?
মহান আল্লাহ আমাদের ক্ষমা করুন ও আমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করুন।

3
স্তব্ধ সময়। যখন কাজ গুলো পড়ে থাকে একাএকা।
শূণ্য পানে কি এক হাহাকার। মনে হয় নিভে যাক প্রদীপ শিখা। অন্ধকারে ভরে যাক আলোকোজ্জ্বল ঘর। তার মাঝে খুঁজে ফিরি সেই সময়। আর সেই মানুষগুলোকে। কত আলো ছিল চারিদিকে। আর সেই নীল আকাশ। সবুজ ঘাসের ভীরে আর সেই ঘন জঙ্গলে হারিয়ে যাওয়া। তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে কি এক হাহাকার।
কোথায় সেই মানুষগুলো? একেক করে তারা হারিয়ে যায়। বলা হয়নি বিদায়ের কথা। বলা হয়নি কত ভালবাসি তোমায়।
চারিদিকে শুধু বিদায়ের সুর। মনে হয় থেমে যাক সময়। আলো নিভে যাক। শুনে চলি বাতাসের কান্না গুলো। ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে অনুভব হয় বলা হয়নি তাকে। বলা হয়নি কত অনুভব করি তোমায়।
আনন্দের গান আর শোনা হয়নি। ভেঙ্গে গেছে সুর। আলো নিভে গেছে। কোথায় হারিয়ে গেল আনন্দের সেই সময়?
সোনালি রোদে মাঠের ঘাসে স্ফটিকের মত জলের ধারা। তার মাঝে ছুটে চলে শিশুটি। কিংবা ঘুমিয়ে থাকে যখন শোনা যায় শ্বাসের শব্দ। অলস দুপুরে বারান্দায় একাকী ঘুরে বেড়ায়। মনে পড়ে তাকে। খেলা ফেলে ছুটে চলে ঊর্ধ্বশ্বাসে।
যে ছিল পাশে পাশে। ভোর সকালে স্কুলে যাওয়ার সময়। নিশ্চিন্তে থাকে। মাথার উপরে আছে বটবৃক্ষের ছায়া।
চলে গেছে তারা। একাকী। নাকি তাকে একা ফেলে চলে গেছে সবাই? এক দুই তিন ...। সংখ্যায় গননা করলে তারাই তো বেশী। বেড়ে চলে সংখ্যা। বেড়ে চলে শ্বাসের শব্দ। পাতা ঝরে চলে অজস্র।
ঘরে একাকী বসে থাকে। এটাই কি তার ঘর? নাকি অন্য কোথায়? সে জানে সে ঘরে চলেছে। কোথায় সে জানেনা। শুধু এইটুকুই নিশ্চিত জানে যেতে হবে ঘরে। যেখানে অপেক্ষায় তারা আছে।
সেই ছোট ঘর। মনে হয় বিশাল তার জানালা। দখিনা বাতাসে উড়ে যায় পাতা গুলো। উজ্জ্বল আলোতে ভরপুর। তারা অপেক্ষায় আছে কখন সে আসবে। কখন ছুটি হবে। কখন সূর্য ডুবে সন্ধ্যা হবে? কখন ভাংবে তার খেলা।
(দুঃসহ প্রতীক্ষার প্রহর।)

4
স্তব্ধ সময়। যখন কাজ গুলো পড়ে থাকে একাএকা।
শূণ্য পানে কি এক হাহাকার। মনে হয় নিভে যাক প্রদীপ শিখা। অন্ধকারে ভরে যাক আলোকোজ্জ্বল ঘর। তার মাঝে খুঁজে ফিরি সেই সময়। আর সেই মানুষগুলোকে। কত আলো ছিল চারিদিকে। আর সেই নীল আকাশ। সবুজ ঘাসের ভীরে আর সেই ঘন জঙ্গলে হারিয়ে যাওয়া। তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে কি এক হাহাকার।
কোথায় সেই মানুষগুলো? একেক করে তারা হারিয়ে যায়। বলা হয়নি বিদায়ের কথা। বলা হয়নি কত ভালবাসি তোমায়।
চারিদিকে শুধু বিদায়ের সুর। মনে হয় থেমে যাক সময়। আলো নিভে যাক। শুনে চলি বাতাসের কান্না গুলো। ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ে অনুভব হয় বলা হয়নি তাকে। বলা হয়নি কত অনুভব করি তোমায়।
আনন্দের গান আর শোনা হয়নি। ভেঙ্গে গেছে সুর। আলো নিভে গেছে। কোথায় হারিয়ে গেল আনন্দের সেই সময়?
সোনালি রোদে মাঠের ঘাসে স্ফটিকের মত জলের ধারা। তার মাঝে ছুটে চলে শিশুটি। কিংবা ঘুমিয়ে থাকে যখন শোনা যায় শ্বাসের শব্দ। অলস দুপুরে বারান্দায় একাকী ঘুরে বেড়ায়। মনে পড়ে তাকে। খেলা ফেলে ছুটে চলে ঊর্ধ্বশ্বাসে।
যে ছিল পাশে পাশে। ভোর সকালে স্কুলে যাওয়ার সময়। নিশ্চিন্তে থাকে। মাথার উপরে আছে বটবৃক্ষের ছায়া।
চলে গেছে তারা। একাকী। নাকি তাকে একা ফেলে চলে গেছে সবাই? এক দুই তিন ...। সংখ্যায় গননা করলে তারাই তো বেশী। বেড়ে চলে সংখ্যা। বেড়ে চলে শ্বাসের শব্দ। পাতা ঝরে চলে অজস্র।
ঘরে একাকী বসে থাকে। এটাই কি তার ঘর? নাকি অন্য কোথায়? সে জানে সে ঘরে চলেছে। কোথায় সে জানেনা। শুধু এইটুকুই নিশ্চিত জানে যেতে হবে ঘরে। যেখানে অপেক্ষায় তারা আছে।
সেই ছোট ঘর। মনে হয় বিশাল তার জানালা। দখিনা বাতাসে উড়ে যায় পাতা গুলো। উজ্জ্বল আলোতে ভরপুর। তারা অপেক্ষায় আছে কখন সে আসবে। কখন ছুটি হবে। কখন সূর্য ডুবে সন্ধ্যা হবে? কখন ভাংবে তার খেলা।
(দুঃসহ প্রতীক্ষার প্রহর।)

5
আমাদের সহ আমার চারপাশের বাবা মায়েদের দেখি আর ভাবতেছি। একটি ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো ও তাদের ভাল ভাবে যেন পড়াশোনা হয় তার জন্য় তাদের কত আপ্রান চেষ্টা। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদেরও কত অমানুষিক কষ্ট করতে হয় তাদের নিজেদের শিক্ষার জন্য।
যখন দেখি মায়েদের সারাদিনের অন্যতম কাজ হচ্ছে সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া ও আনা। তাদের লেখাপড়ার খবর নেয়া। তাদের পড়ানো। এইটাই একজনের ফুল টাইম জবের সমান। সন্তানকে স্কুলে দিয়ে স্কুল ছুটি হওয়া পর্যন্ত স্কুলের বাইরে গার্জিয়ানরা বসে থাকে। কি ঝড় কি বৃষ্টি কি শৈত্যপ্রবাহ!! শুধু স্কুল হলে কথা ছিল। স্কুলের পরে কোচিঙয়ের জন্য ও রাত আটটা নয়টা পর্যন্ত তারা কোচিঙয়ের সামনের রাস্তায় অপেক্ষা করে চলে। ফুটপাথে বসে থাকে। সন্তানদেরও দিন শুরু হয় ভোর সকালে আর শেষ হয় রাত আটটা নয়টায়। তারা খেলার সময় পায় না। দুপুরের বিরতি তো কবেই শেষ হয়ে গেছে।
কাউকে কাউকে দেখি সন্তানকে অনেক দামি স্কুলে ভর্তি করিয়ে হিমশিম খান। কিন্তু সব কষ্টই স্বীকার করে যান শুধু সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চিন্তা করে।
আমাদের দেশে সন্তানের পরীক্ষার থেকে বাবা মায়ের পরীক্ষাই বেশী হয়।
আমাদের দেশের ঘরে ঘরে উকি দিলে এই একই চিত্র পাওয়া যাবে। তাদের সন্তানেরাও তাদের সাধ্য মত চেষ্টা করে যায় ভাল ফলাফল লাভের জন্য।
প্রতি বছর যে কোন পাবলিক পরীক্ষার ফল বের হলে পেপারে আসে কত পরিবারের কত হাসি কান্নার গল্প।
ভাবতেছি শিক্ষা মানে কি এই ধরনের কষ্ট? বাবা মা সহ পুরো পরিবার শিক্ষা লাভ করে চলা? এতে কি সহস্র কর্ম ঘন্টা নষ্ট হয় না? সামাজিক ব্যালেন্স নষ্ট হয় না?
আমরা জ্যামে বসে থাকি - কখন জ্যাম কাটবে? স্কুলে বসে থাকি কখন ছুটি হবে?
এই অস্বাভাবিক ঘটনা গুলোই আমাদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। আমরা সময়ই পাই না এইগুলো নিয়ে ভাবার।
সন্তানের কথা বাবা মা ভাবে। কিন্তু বাবা মাদের ভোগান্তি নিয়ে কাদের ভাবার কথা? তবে এই ক্ষেত্রে সব বাবা মায়েরাই এতিম বলে মনে হয়।

6
আমাদের সহ আমার চারপাশের বাবা মায়েদের দেখি আর ভাবতেছি। একটি ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করানো ও তাদের ভাল ভাবে যেন পড়াশোনা হয় তার জন্য় তাদের কত আপ্রান চেষ্টা। ছোট ছোট ছেলে মেয়েদেরও কত অমানুষিক কষ্ট করতে হয় তাদের নিজেদের শিক্ষার জন্য।
যখন দেখি মায়েদের সারাদিনের অন্যতম কাজ হচ্ছে সন্তানকে স্কুলে নিয়ে যাওয়া ও আনা। তাদের লেখাপড়ার খবর নেয়া। তাদের পড়ানো। এইটাই একজনের ফুল টাইম জবের সমান। সন্তানকে স্কুলে দিয়ে স্কুল ছুটি হওয়া পর্যন্ত স্কুলের বাইরে গার্জিয়ানরা বসে থাকে। কি ঝড় কি বৃষ্টি কি শৈত্যপ্রবাহ!! শুধু স্কুল হলে কথা ছিল। স্কুলের পরে কোচিঙয়ের জন্য ও রাত আটটা নয়টা পর্যন্ত তারা কোচিঙয়ের সামনের রাস্তায় অপেক্ষা করে চলে। ফুটপাথে বসে থাকে। সন্তানদেরও দিন শুরু হয় ভোর সকালে আর শেষ হয় রাত আটটা নয়টায়। তারা খেলার সময় পায় না। দুপুরের বিরতি তো কবেই শেষ হয়ে গেছে।
কাউকে কাউকে দেখি সন্তানকে অনেক দামি স্কুলে ভর্তি করিয়ে হিমশিম খান। কিন্তু সব কষ্টই স্বীকার করে যান শুধু সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চিন্তা করে।
আমাদের দেশে সন্তানের পরীক্ষার থেকে বাবা মায়ের পরীক্ষাই বেশী হয়।
আমাদের দেশের ঘরে ঘরে উকি দিলে এই একই চিত্র পাওয়া যাবে। তাদের সন্তানেরাও তাদের সাধ্য মত চেষ্টা করে যায় ভাল ফলাফল লাভের জন্য।
প্রতি বছর যে কোন পাবলিক পরীক্ষার ফল বের হলে পেপারে আসে কত পরিবারের কত হাসি কান্নার গল্প।
ভাবতেছি শিক্ষা মানে কি এই ধরনের কষ্ট? বাবা মা সহ পুরো পরিবার শিক্ষা লাভ করে চলা? এতে কি সহস্র কর্ম ঘন্টা নষ্ট হয় না? সামাজিক ব্যালেন্স নষ্ট হয় না?
আমরা জ্যামে বসে থাকি - কখন জ্যাম কাটবে? স্কুলে বসে থাকি কখন ছুটি হবে?
এই অস্বাভাবিক ঘটনা গুলোই আমাদের কাছে স্বাভাবিক ব্যাপার। আমরা সময়ই পাই না এইগুলো নিয়ে ভাবার।
সন্তানের কথা বাবা মা ভাবে। কিন্তু বাবা মাদের ভোগান্তি নিয়ে কাদের ভাবার কথা? তবে এই ক্ষেত্রে সব বাবা মায়েরাই এতিম বলে মনে হয়।

7
Textile Engineering / Where does the melodies come from?
« on: July 15, 2019, 11:46:37 PM »
https://www.youtube.com/watch?v=LXrJdOD5syo

সাধারণ লেখা, ছড়া - কবিতা আর গান।
গানের আসল আকর্ষণ হল তার সুর। কবিতার হল ছন্দ। লেখার আকর্ষণ হল সঠিক শব্দ চয়ন।
এই তিনটার মধ্যে সব থেকে সহজ হল সাধারণ লেখা। এর পর কবিতা ও ছড়া। সব থেকে কঠিন হল গান বা সঙ্গীত। নিজের মনের ভাবনা গুলোকে শুধু ছন্দের মাধ্যমে প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়। এর সাথে যোগ করতে হবে সুর।
নিজের ভাবনা গুলোকে লেখার সাহায্যে প্রকাশ করা হল। এর পর সেই অনুভুতিগুলোকে ছন্দের মাধ্যমে কবিতায় পরিনত করা হল। পরিশেষে সেই ছন্দের সাথে সুর মিলিয়ে হল গান।
গানের কথা গুলো যদি সুর ছাড়া কবিতার মত পড়ে যাওয়া হয় তাহলে তার আকর্ষণ অনেক কমে যায়। আবার কবিতা ছন্দ ছাড়া পড়ে গেলে তা আরও আকর্ষণ হারায়।
আমাদের এই গানের সুর ও ছন্দের কি প্রয়োজন তাই ভাবতেছিলাম। সুর ও ছন্দ ছাড়া কথা গুলোই শোনাই কি যথেষ্ট নয়?
সুরের মাঝে কি জাদু আছে? সেই একই কথা গুলো তো আমরা জানতে পারি গানের কথা গুলো পড়লে।
কিছু সুর থাকে মন ভোলানো। কিছু সুর মনে কষ্ট জাগায়। কিছু সুর শুনে মন আনন্দে নেচে উঠে। মানুষ মাত্রই গানের সুর শুনে প্রভাবিত হয়। গানের কথা হয়তো ভিন্ন ভাষায় - কিন্তু সুরের মাঝে নাই কোন সীমান্তের পরিসীমা। ভাষা সেই একই গিটার, কি বোর্ড আর ড্রামের। ছোট শিশুও আনন্দে দুলে উঠে। কোন গানে হয়তো শান্ত ভাবে ঘুমিয়ে পড়ে।
হিন্দি ছায়াছবির প্রথম ও প্রধান আকর্ষণ হল তার গান। যে ছবির গান যত হিট সেই ছবিও তত হিট। আমার জানা মতে হিন্দি গানের পিছনেই সব থেকে বেশী বাজেট তারা বরাদ্দ করে।
সেই দুর্বোধ্য সুরের পিছনে আমাদের কত সময় ও অর্থ বরাদ্দ। আমরা কি জানি সুর গুলো কোথায় থাকে আর কোথা থেকে আসে? কেন এই গানের সুর আমাদের মনকে মোহনিয় করে তোলে। কেন তার এই সম্মোহন শক্তি? ছোটবেলায় আমাদের লেখা পড়তে শিখতে হয়। যে পড়তে পারে না তার কাছে লেখা কিছু আকিবুকি ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু কানে শুনতে পারে এমন সবাই সুরের ভাষা বুঝতে পারে। আলাদা ভাবে সুরের ভাষা শিখতে হয় না।

8
Permanent Campus of DIU / Where does the melodies come from?
« on: July 15, 2019, 11:45:11 PM »
https://www.youtube.com/watch?v=LXrJdOD5syo

সাধারণ লেখা, ছড়া - কবিতা আর গান।
গানের আসল আকর্ষণ হল তার সুর। কবিতার হল ছন্দ। লেখার আকর্ষণ হল সঠিক শব্দ চয়ন।
এই তিনটার মধ্যে সব থেকে সহজ হল সাধারণ লেখা। এর পর কবিতা ও ছড়া। সব থেকে কঠিন হল গান বা সঙ্গীত। নিজের মনের ভাবনা গুলোকে শুধু ছন্দের মাধ্যমে প্রকাশ করাই যথেষ্ট নয়। এর সাথে যোগ করতে হবে সুর।
নিজের ভাবনা গুলোকে লেখার সাহায্যে প্রকাশ করা হল। এর পর সেই অনুভুতিগুলোকে ছন্দের মাধ্যমে কবিতায় পরিনত করা হল। পরিশেষে সেই ছন্দের সাথে সুর মিলিয়ে হল গান।
গানের কথা গুলো যদি সুর ছাড়া কবিতার মত পড়ে যাওয়া হয় তাহলে তার আকর্ষণ অনেক কমে যায়। আবার কবিতা ছন্দ ছাড়া পড়ে গেলে তা আরও আকর্ষণ হারায়।
আমাদের এই গানের সুর ও ছন্দের কি প্রয়োজন তাই ভাবতেছিলাম। সুর ও ছন্দ ছাড়া কথা গুলোই শোনাই কি যথেষ্ট নয়?
সুরের মাঝে কি জাদু আছে? সেই একই কথা গুলো তো আমরা জানতে পারি গানের কথা গুলো পড়লে।
কিছু সুর থাকে মন ভোলানো। কিছু সুর মনে কষ্ট জাগায়। কিছু সুর শুনে মন আনন্দে নেচে উঠে। মানুষ মাত্রই গানের সুর শুনে প্রভাবিত হয়। গানের কথা হয়তো ভিন্ন ভাষায় - কিন্তু সুরের মাঝে নাই কোন সীমান্তের পরিসীমা। ভাষা সেই একই গিটার, কি বোর্ড আর ড্রামের। ছোট শিশুও আনন্দে দুলে উঠে। কোন গানে হয়তো শান্ত ভাবে ঘুমিয়ে পড়ে।
হিন্দি ছায়াছবির প্রথম ও প্রধান আকর্ষণ হল তার গান। যে ছবির গান যত হিট সেই ছবিও তত হিট। আমার জানা মতে হিন্দি গানের পিছনেই সব থেকে বেশী বাজেট তারা বরাদ্দ করে।
সেই দুর্বোধ্য সুরের পিছনে আমাদের কত সময় ও অর্থ বরাদ্দ। আমরা কি জানি সুর গুলো কোথায় থাকে আর কোথা থেকে আসে? কেন এই গানের সুর আমাদের মনকে মোহনিয় করে তোলে। কেন তার এই সম্মোহন শক্তি? ছোটবেলায় আমাদের লেখা পড়তে শিখতে হয়। যে পড়তে পারে না তার কাছে লেখা কিছু আকিবুকি ছাড়া আর কিছু নয়। কিন্তু কানে শুনতে পারে এমন সবাই সুরের ভাষা বুঝতে পারে। আলাদা ভাবে সুরের ভাষা শিখতে হয় না।

9
Permanent Campus of DIU / Excess of anything is bad.
« on: July 15, 2019, 01:47:28 AM »
ভাবতেছিলাম ফেসবুকে কেন বসা হয়?
১. ফেসবুকে কিছুক্ষণ থাকলে আলাদা ভাবে পেপার পড়ার দরকার পড়ে না।
২. কেউ কেউ ফেসবুক নিজেদের ছবি / সেলফি পোষ্ট করার জন্য ব্যবহার করেন।
৩. যে কোন খেলার সময় অনলাইন আপডেট পাওয়া যায় সাথে সাথেই।
৪. নিজের পছন্দের মতবাদ শেয়ার করার কেউ কেউ জন্য ফেসবুক ব্যবহার করেন।
৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাসের অনেক তথ্য ফেসবুক গ্রুপে পাওয়া যায়।
৬. বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজনের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে অনেকেই ফেসবুককে দেখেন।
৭. কখনো কখনো কেউ কেউ নিজের পণ্য কাছের মানুষের কাছে বিক্রয়ের জন্য ফেসবুক ব্যবহার করেন।
৮. ফেসবুকের মাধ্যমে বন্ধুদের কাছ থেকে জরুরী সাহায্য পাওয়া যায়।
৯. দরকারি ফাইল বা তথ্য ফেসবুকে শেয়ার করা যায়।
ভাবলে দেখা যাবে ফেসবুক ব্যবহারের আরও অনেক কারণ হয়তো আছে।
দরকারি ছাড়াও অদরকারি অনেক কারণও পাওয়া যেতে পারে। অনেক গুলোই হয়তো ব্যক্তি, সমাজ বা দেশের জন্য ক্ষতিকর।
ডিনামাইট আবিস্কারের কারণ ছিল পাহাড় ভেঙ্গে সমতল পথ বা জমি তৈরি করা। কিন্তু ডিনামাইট যুদ্ধে ব্যবহারের ফলে মানবজাতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
যে ছুরি ডাক্তার ব্যবহার করে অপারেশনের মাধ্যমে রুগীকে সুস্থ্য করে তোলেন ঠিক সেই ছুরি দিয়েই হত্যাকারী হত্যা করে।
তবে মাথা ব্যথা হলে যেমন মাথা কেটে বাদ দেয়া হয় না। তেমন সব জিনিসের দোষ গুণ সবই থাকে। সতঃসিদ্ধ সিদ্ধান্ত হল অতিরিক্ত সব কিছুই ক্ষতিকর।

10
Textile Engineering / Excess of anything is bad.
« on: July 15, 2019, 01:46:38 AM »
ভাবতেছিলাম ফেসবুকে কেন বসা হয়?
১. ফেসবুকে কিছুক্ষণ থাকলে আলাদা ভাবে পেপার পড়ার দরকার পড়ে না।
২. কেউ কেউ ফেসবুক নিজেদের ছবি / সেলফি পোষ্ট করার জন্য ব্যবহার করেন।
৩. যে কোন খেলার সময় অনলাইন আপডেট পাওয়া যায় সাথে সাথেই।
৪. নিজের পছন্দের মতবাদ শেয়ার করার কেউ কেউ জন্য ফেসবুক ব্যবহার করেন।
৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাসের অনেক তথ্য ফেসবুক গ্রুপে পাওয়া যায়।
৬. বন্ধু বান্ধব আত্মীয় স্বজনের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে অনেকেই ফেসবুককে দেখেন।
৭. কখনো কখনো কেউ কেউ নিজের পণ্য কাছের মানুষের কাছে বিক্রয়ের জন্য ফেসবুক ব্যবহার করেন।
৮. ফেসবুকের মাধ্যমে বন্ধুদের কাছ থেকে জরুরী সাহায্য পাওয়া যায়।
৯. দরকারি ফাইল বা তথ্য ফেসবুকে শেয়ার করা যায়।
ভাবলে দেখা যাবে ফেসবুক ব্যবহারের আরও অনেক কারণ হয়তো আছে।
দরকারি ছাড়াও অদরকারি অনেক কারণও পাওয়া যেতে পারে। অনেক গুলোই হয়তো ব্যক্তি, সমাজ বা দেশের জন্য ক্ষতিকর।
ডিনামাইট আবিস্কারের কারণ ছিল পাহাড় ভেঙ্গে সমতল পথ বা জমি তৈরি করা। কিন্তু ডিনামাইট যুদ্ধে ব্যবহারের ফলে মানবজাতি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
যে ছুরি ডাক্তার ব্যবহার করে অপারেশনের মাধ্যমে রুগীকে সুস্থ্য করে তোলেন ঠিক সেই ছুরি দিয়েই হত্যাকারী হত্যা করে।
তবে মাথা ব্যথা হলে যেমন মাথা কেটে বাদ দেয়া হয় না। তেমন সব জিনিসের দোষ গুণ সবই থাকে। সতঃসিদ্ধ সিদ্ধান্ত হল অতিরিক্ত সব কিছুই ক্ষতিকর।

11
Textile Engineering / A friend - who isn't.
« on: July 10, 2019, 11:29:10 PM »
এখন আর মানুষ না খেয়ে থাকে না। তার পরিধেয় নিয়ে আর তেমন চিন্তা না করলেও চলে। এখন বলা হয় - না খেয়ে কোন মানুষকে মরতে দেখি নাই - কিন্তু খেয়ে মরতে দেখেছি অনেক।
আমরা কি ভেবে দেখেছি তাহলে আমরা সারাদিন কিসের পিছনে ছুটে চলেছি?
সেই সম্পদের অন্বেষণে। যার জন্য আমরা আমাদের সামাজিক ও আত্মিক জীবন ধ্বংস করেছি। আর প্রকৃতিকে তো বিসর্জন দিয়েছি অনেক আগেই।
আমার মতে আমাদের নিজেদের ধ্বংস হতে হবে অভাবের কারণে নয়। আমাদের ধ্বংস হতে হবে কেননা প্রকৃতি আমাদের উপর প্রতিশোধ নেবে। আমাদের জীবন এখনই বিধ্বস্ত আমাদের সামাজিক ও আত্মিক জীবনে ক্ষয়ের কারণে।
আমাদের স্বার্থপরের মত এককেন্দ্রিক ব্যাস্ততাই আমাদের বিলুপ্তির কারণ হবে।
প্রকৃতিকে একসময় আমাদের শত্রু ভাবা হত। সেই ভুল চিন্তাই আমরা এখনও আমাদের মস্তিস্কে বহন করে চলেছি।
আমাদের সচ্ছল অর্থনৈতিক জীবন আমাদের জীবনের জন্য কোন নিশ্চয়তা নয়। আমাদের সামাজিক ও আত্মিক জীবন টিকে থাকলেই আমরা টিকে থাকবো।

12
Permanent Campus of DIU / A friend - who isn't.
« on: July 10, 2019, 11:26:33 PM »
এখন আর মানুষ না খেয়ে থাকে না। তার পরিধেয় নিয়ে আর তেমন চিন্তা না করলেও চলে। এখন বলা হয় - না খেয়ে কোন মানুষকে মরতে দেখি নাই - কিন্তু খেয়ে মরতে দেখেছি অনেক।
আমরা কি ভেবে দেখেছি তাহলে আমরা সারাদিন কিসের পিছনে ছুটে চলেছি?
সেই সম্পদের অন্বেষণে। যার জন্য আমরা আমাদের সামাজিক ও আত্মিক জীবন ধ্বংস করেছি। আর প্রকৃতিকে তো বিসর্জন দিয়েছি অনেক আগেই।
আমার মতে আমাদের নিজেদের ধ্বংস হতে হবে অভাবের কারণে নয়। আমাদের ধ্বংস হতে হবে কেননা প্রকৃতি আমাদের উপর প্রতিশোধ নেবে। আমাদের জীবন এখনই বিধ্বস্ত আমাদের সামাজিক ও আত্মিক জীবনে ক্ষয়ের কারণে।
আমাদের স্বার্থপরের মত এককেন্দ্রিক ব্যাস্ততাই আমাদের বিলুপ্তির কারণ হবে।
প্রকৃতিকে একসময় আমাদের শত্রু ভাবা হত। সেই ভুল চিন্তাই আমরা এখনও আমাদের মস্তিস্কে বহন করে চলেছি।
আমাদের সচ্ছল অর্থনৈতিক জীবন আমাদের জীবনের জন্য কোন নিশ্চয়তা নয়। আমাদের সামাজিক ও আত্মিক জীবন টিকে থাকলেই আমরা টিকে থাকবো।

13
Permanent Campus of DIU / All we need is just a little patience.
« on: July 10, 2019, 03:18:32 AM »
https://www.youtube.com/watch?v=3jRGngeoilo

সব দিন একই রকম হয় না। কিছু দিন আসে হতাশার।
আমার অভিজ্ঞতা বলে সবার জীবনেই এই রকম সময় আসে যখন কিছুই ঠিক মত হয় না। সে হোক অতি ক্ষমতাবান বা অর্থশালী। এই রকম সময় আবার একসময় চলে যায়। আবার আসে স্বাভাবিক সুসময়। দুঃসময়ের সময়টি কোন মতে পার করে দিতে হয়। ঠিক যেমন ব্যাঙ শীতকালে শীত নিদ্রা দেয় - ঠিক সেই রকম দুঃসময়কাল ঝিম মেরে কাটিয়ে দিতে হয়। এই সময় কোন সিদ্ধান্ত নিতে হয় না। এই সময়টিতে ধৈর্য ধরে কেবল অপেক্ষার প্রহর গোনা ছাড়া আর কিছু করার থাকে না। রাত শেষে যেমন দিন আসে ঠিক সেই রকম দুঃসময় কেটে গিয়ে আসে সুসময়।

যা ঘটে তার বেশিটাই আমাদের মনেই ঘটে। আবার আমি যেই জিনিস নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেছি তা নাও ঘটতে পারে। আবার যেই জিনিষ দুসচিন্তার কারণ ঘটেছে তা একা একাই সমাধান হয়ে যেতে পারে।
আমাদের যা কিছু অর্জন তার সবই কি আমরা নিজেরা পরিশ্রম করে পেয়েছি? একই ভাবে বলা যায় জীবনের সব নেগেটিভ ঘটনা গুলোর কথা কি আমরা আগে থেকে ভেবে রেখেছিলাম? ভাগ্যকে কি আমাদের জীবনে আমরা কখনো অনুভব করি নাই?
কিছু সময় যায় যখন সব কিছুই সার্থক ভাবে হয়ে যায়। এর জন্য হয়তো কিছুই করেননি। আবার অনেক সময় শত চেষ্টা সত্ত্বেও কিছুই করা সম্ভব হয় না। এইরকম সময়ে শুধু অপেক্ষা করে যেতে হয় ভালো সময়টি আসার জন্য।
আমাদের এক জনের সাথে অপরজনের মিল অতি সামান্য থাকে। আমরা সবাই এক এক জন অনন্য অসাধারণ। আমাদের এক জনের যে গুণাবলি আছে তা হয়তো অপর কেউ সারাজীবন চেষ্টা করেও অর্জন করতে পারেনি। হোক তা যতই ক্ষুদ্র অথবা মূল্যহীন কোন বৈশিষ্ট্য।

তাই সময়ে সময়ে আমরা যত হতাশায় নিমজ্জিত হই না কেন - মনে রাখতে হবে মানুষ হিসেবে আমরা প্রত্যেকেই অনন্য অসাধারণ।
আমরা নিজেরাও হয়তো ইতিপূর্বে অনেক দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গিয়েছি যার চিন্তা আমাদের মনে আগে আসে নাই। এমনকি তার জন্য কোন প্রস্তুতিও নেই নাই।

কিছু সময় পার হতে দিলে বেশীর ভাগ সময়ই অনেক কিছুই একা একাই সমাধান হয়ে যায়। সময়ে প্রায় সব কিছুই নিরাময় হয়।

14
Textile Engineering / All we need is just a little patience.
« on: July 10, 2019, 03:17:13 AM »
https://www.youtube.com/watch?v=3jRGngeoilo

সব দিন একই রকম হয় না। কিছু দিন আসে হতাশার।
আমার অভিজ্ঞতা বলে সবার জীবনেই এই রকম সময় আসে যখন কিছুই ঠিক মত হয় না। সে হোক অতি ক্ষমতাবান বা অর্থশালী। এই রকম সময় আবার একসময় চলে যায়। আবার আসে স্বাভাবিক সুসময়। দুঃসময়ের সময়টি কোন মতে পার করে দিতে হয়। ঠিক যেমন ব্যাঙ শীতকালে শীত নিদ্রা দেয় - ঠিক সেই রকম দুঃসময়কাল ঝিম মেরে কাটিয়ে দিতে হয়। এই সময় কোন সিদ্ধান্ত নিতে হয় না। এই সময়টিতে ধৈর্য ধরে কেবল অপেক্ষার প্রহর গোনা ছাড়া আর কিছু করার থাকে না। রাত শেষে যেমন দিন আসে ঠিক সেই রকম দুঃসময় কেটে গিয়ে আসে সুসময়।

যা ঘটে তার বেশিটাই আমাদের মনেই ঘটে। আবার আমি যেই জিনিস নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেছি তা নাও ঘটতে পারে। আবার যেই জিনিষ দুসচিন্তার কারণ ঘটেছে তা একা একাই সমাধান হয়ে যেতে পারে।
আমাদের যা কিছু অর্জন তার সবই কি আমরা নিজেরা পরিশ্রম করে পেয়েছি? একই ভাবে বলা যায় জীবনের সব নেগেটিভ ঘটনা গুলোর কথা কি আমরা আগে থেকে ভেবে রেখেছিলাম? ভাগ্যকে কি আমাদের জীবনে আমরা কখনো অনুভব করি নাই?
কিছু সময় যায় যখন সব কিছুই সার্থক ভাবে হয়ে যায়। এর জন্য হয়তো কিছুই করেননি। আবার অনেক সময় শত চেষ্টা সত্ত্বেও কিছুই করা সম্ভব হয় না। এইরকম সময়ে শুধু অপেক্ষা করে যেতে হয় ভালো সময়টি আসার জন্য।
আমাদের এক জনের সাথে অপরজনের মিল অতি সামান্য থাকে। আমরা সবাই এক এক জন অনন্য অসাধারণ। আমাদের এক জনের যে গুণাবলি আছে তা হয়তো অপর কেউ সারাজীবন চেষ্টা করেও অর্জন করতে পারেনি। হোক তা যতই ক্ষুদ্র অথবা মূল্যহীন কোন বৈশিষ্ট্য।

তাই সময়ে সময়ে আমরা যত হতাশায় নিমজ্জিত হই না কেন - মনে রাখতে হবে মানুষ হিসেবে আমরা প্রত্যেকেই অনন্য অসাধারণ।
আমরা নিজেরাও হয়তো ইতিপূর্বে অনেক দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে গিয়েছি যার চিন্তা আমাদের মনে আগে আসে নাই। এমনকি তার জন্য কোন প্রস্তুতিও নেই নাই।

কিছু সময় পার হতে দিলে বেশীর ভাগ সময়ই অনেক কিছুই একা একাই সমাধান হয়ে যায়। সময়ে প্রায় সব কিছুই নিরাময় হয়। 


15
একজনকে ফোন দিতেছিলাম। কোন উত্তর নাই। ই মেইল আর মোবাইল মেসেজ পাঠিয়েও কোন লাভ হল না। কিন্তু ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার সাথে সাথে দেখি তাতে সে লাভ রিয়াকশন দিয়েছে। ইতিহাসে ব্রোঞ্জ যুগ, তাম্র যুগ পড়েছি। আমাদের বর্তমান যুগ হল ফেসবুক যুগ। সব দুঃখ কষ্ট ভালো লাগা ভালবাসা মন্দ লাগা সব কিছু প্রকাশের এইটাই বর্তমানে সব থেকে শক্তিশালী মাধ্যম। কেউ রেগে গেলে হয়তো মারামারি শুরু জোরে দিত - সেও এখন ফেসবুকে তার ক্ষোভ ঝেড়ে দেয়। কি নাই এখন ফেসবুকে? ছোটবেলার বন্ধু বান্ধব থেকে শুরু করে আত্মীয়স্বজন - পাড়া প্রতিবেশী অফিসের কলিগ সব মিলিয়ে এক জগাখিচুড়ি অবস্থা। এই সমস্যা থেকে উত্তরনে আছে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ। আপনাকে কাওকে অভিনন্দন জানাতে হলে লাইক বা লাভ কোন একটি বাটনে প্রেস করলেই চলে। কোন ঘটনায় দুঃখ বা কষ্ট পেলে স্যাড বাটন তো আছেই। মজার কোন খবরের জন্য ha ha বাটন খুব জরুরী। আর অবাক হলে আছে wow বাটন। কত সহজে আমরা মাউসের একটি ক্লিক করে নিজের অনুভুতি অন্যকে জানিয়ে দেই। কথায় আছেন তার জন্য আছে চেক ইন। কোথায় যাচ্ছেন এর জন্য আছে ট্রাভেলিং টু। মনের রিয়াকশনের যত গুলো ডাইমেনশন আছে সব গুলোই ফেসবুকে প্রোভাইড করার চেষ্টা করা হয়েছে। মন হয়তো ফেসবুকে প্রাধান্য পেয়েছে। কিন্তু আমাদের বিবেকের কথা কি ফেসবুক ভাবে?

Pages: [1] 2 3 ... 22