Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 21
1
(দিন শেষে কিছু লেখা)
আনন্দ গুলো লিখে বুঝানো যায় না। লেখার থেকে হাসি মুখ দেখে বেশী বোঝা যায়। দুঃখও লিখে বুঝানো যায় না। এর থেকে কান্না দেখে দুঃখ বেশী বোঝা যায়।
মানুষের মন কত অদ্ভুত। মনের অনুভুতি গুলো লিখে বা কথায় বোঝানো খুব কঠিন। মনের অনুভুতি গুলো কেবলমাত্র অনুভব করা সম্ভব।
একজায়গায় পড়েছিলাম - একজন মানুষের তিনটি অংশ থাকে। দেহ, মন ও আত্মা।
মন অনেক শক্তিশালী। সে যত ভাবে অনুভব করতে পারে তার খুব কমই আমরা প্রকাশ করতে পারি। সে ভুলে না কিছুই। কিন্তু আমরা নিজেরা ভুলে যাই। ঘুম থেকে উঠা মাত্র দেখা স্বপ্নের সব কিছুই মনে থাকে। সময় গেলে সেই স্বপ্ন মনে করা কত কঠিন। খুব ছোটবেলার কতকিছু চোখের সামনে ভেসে উঠে। স্পষ্ট মনে পরে যায় সেই মানুষগুলোকে, সেই বাড়ি, সেই মাঠ। কিন্তু এখন আর জানা নেই তারা কারা ছিল? কোন বাড়ি ছিল সেটা? কোথায় সেই শব্দের অনুরণন?
মাঝে মাঝে মনে হয় - মন আমাদের সাথে সবসময় হেয়ালী করে চলে। সে জানে অনেক কিছু। কিন্তু আমাকে জানতে দেয় না। লুকিয়ে রাখে। যে মন আমার বলি।
মন অসংখ্য ডাইমেনশনে অনুভব করতে পারে। সেখানে আমরা প্রকাশ করতে পারি বড়জোর একটি বা দুইটি ডাইমেনশনে।
মন কখনো অতীতে চলে যায়। কখনো বর্তমানে আবার কখনো বা ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবে চলে। কখনো কাছে দেখে, কখনো বা বহু দূরের জিনিষ নিয়ে ভেবে চলে। কখনো সে বন্ধুত্ব করে কখনো রেগে যায় কখনো বা সব কিছু হাল্কা ভাবে নেয়। মনের ইনপুট দেয় আমাদের চোখ, কান, নাক - এরা। এদের মাধ্যমেই মন অভিজ্ঞতা অর্জন করে। আমরা যা দেখি তাই নিয়ে কেবল ভাবতে পারি। আমরা যা শুনি তাই নিয়ে কেবল ভেবে চলি। সত্যি কি তাই? এর বাইরে কি কিছু নাই?
তাহলে একই গ্লাস একজন অর্ধেক পূর্ণ আর আরেকজন অর্ধেক খালি দেখে কেন? একই কথা একজন বিশ্বাস করে আরেকজন অবিশ্বাসের সাথে প্রশ্ন তুলে? কিংবা একজন হত্যা করে অপরজন সেবা করে? সেই একই চোখ কান নাক সব মানুষের। কিন্তু কত পার্থক্য তাদের চিন্তা চেতনায়।
কিভাবে মানুষ কবিতা লিখে? গানের সুর গুলো কোথা থেকে আসে? চোখ বন্ধ করে কিভাবে মানুষ কল্পনা করে যায়? সে তো আগে শুনে নাই সেই সুর,দেখে নাই সেই ছবি।
কিভাবে একজন মানুষের মনের স্বপ্ন হাজার মানুষের মাঝে প্রজ্জলিত হয়?

2
(দিন শেষে কিছু লেখা)
আনন্দ গুলো লিখে বুঝানো যায় না। লেখার থেকে হাসি মুখ দেখে বেশী বোঝা যায়। দুঃখও লিখে বুঝানো যায় না। এর থেকে কান্না দেখে দুঃখ বেশী বোঝা যায়।
মানুষের মন কত অদ্ভুত। মনের অনুভুতি গুলো লিখে বা কথায় বোঝানো খুব কঠিন। মনের অনুভুতি গুলো কেবলমাত্র অনুভব করা সম্ভব।
একজায়গায় পড়েছিলাম - একজন মানুষের তিনটি অংশ থাকে। দেহ, মন ও আত্মা।
মন অনেক শক্তিশালী। সে যত ভাবে অনুভব করতে পারে তার খুব কমই আমরা প্রকাশ করতে পারি। সে ভুলে না কিছুই। কিন্তু আমরা নিজেরা ভুলে যাই। ঘুম থেকে উঠা মাত্র দেখা স্বপ্নের সব কিছুই মনে থাকে। সময় গেলে সেই স্বপ্ন মনে করা কত কঠিন। খুব ছোটবেলার কতকিছু চোখের সামনে ভেসে উঠে। স্পষ্ট মনে পরে যায় সেই মানুষগুলোকে, সেই বাড়ি, সেই মাঠ। কিন্তু এখন আর জানা নেই তারা কারা ছিল? কোন বাড়ি ছিল সেটা? কোথায় সেই শব্দের অনুরণন?
মাঝে মাঝে মনে হয় - মন আমাদের সাথে সবসময় হেয়ালী করে চলে। সে জানে অনেক কিছু। কিন্তু আমাকে জানতে দেয় না। লুকিয়ে রাখে। যে মন আমার বলি।
মন অসংখ্য ডাইমেনশনে অনুভব করতে পারে। সেখানে আমরা প্রকাশ করতে পারি বড়জোর একটি বা দুইটি ডাইমেনশনে।
মন কখনো অতীতে চলে যায়। কখনো বর্তমানে আবার কখনো বা ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবে চলে। কখনো কাছে দেখে, কখনো বা বহু দূরের জিনিষ নিয়ে ভেবে চলে। কখনো সে বন্ধুত্ব করে কখনো রেগে যায় কখনো বা সব কিছু হাল্কা ভাবে নেয়। মনের ইনপুট দেয় আমাদের চোখ, কান, নাক - এরা। এদের মাধ্যমেই মন অভিজ্ঞতা অর্জন করে। আমরা যা দেখি তাই নিয়ে কেবল ভাবতে পারি। আমরা যা শুনি তাই নিয়ে কেবল ভেবে চলি। সত্যি কি তাই? এর বাইরে কি কিছু নাই?
তাহলে একই গ্লাস একজন অর্ধেক পূর্ণ আর আরেকজন অর্ধেক খালি দেখে কেন? একই কথা একজন বিশ্বাস করে আরেকজন অবিশ্বাসের সাথে প্রশ্ন তুলে? কিংবা একজন হত্যা করে অপরজন সেবা করে? সেই একই চোখ কান নাক সব মানুষের। কিন্তু কত পার্থক্য তাদের চিন্তা চেতনায়।
কিভাবে মানুষ কবিতা লিখে? গানের সুর গুলো কোথা থেকে আসে? চোখ বন্ধ করে কিভাবে মানুষ কল্পনা করে যায়? সে তো আগে শুনে নাই সেই সুর,দেখে নাই সেই ছবি।
কিভাবে একজন মানুষের মনের স্বপ্ন হাজার মানুষের মাঝে প্রজ্জলিত হয়?

3
Permanent Campus of DIU / Unsatisfied thirst.
« on: April 29, 2019, 02:30:52 AM »
তিনি লিখে চলেন অক্লান্ত। সেই লেখাটি লিখতে চান তিনি। পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা হয়। কিন্তু কোনটিই সেই লেখা নয়। যে লেখা লিখে তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে ঘুমাতে যাবেন। তার পর আর কোন লেখা লিখবেন না। কেননা আসল লেখা হয়ে গেছে। লিখে লিখে খাতা ভরে যায়। পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলে দেন তিনি।
এ কেমন তৃষ্ণা? যার কোন তৃপ্তি হয় না। মনে হয় - এই তিনি তার আসল লেখা লিখে ফেলেছেন। তারপরই তা ছিঁড়ে ফেলে দেন তিনি ঝুড়িতে।
কেউ কি লিখেছে নিজের লেখা - যেটি লিখে তৃপ্তিতে মন ভরে গেছে? এর পর আর কোন লেখা লিখতে ইচ্ছা হয়নি?
কত লেখা শেষ হয়। কিন্তু কোনটিতেই লেখা হয়নি তার মনের আসল কথা। ছেড়া কাগজের স্তুপের মাঝে বসে মনে হয় - চারিদিকে কত পানি। ঠিক তার ঠোঁটের নীচে আছে। কিন্তু কোনটাই তৃষ্ণা মেটাতে পারে না।
কেউ তার সেই লেখা লিখতে পারেনি সেই লেখা। সবাই তৃষ্ণা নিয়েই শেষ করেছে তাদের লেখা।
পাখি গান গেয়ে শেষ করতে পারেনি। ফুল ফুটে আবার ঝরে যায়। বাতাসে বয়ে চলে তাদের হাহাকার। কোথায় সেই তৃপ্তি ও শান্তি? কোন গানই মন ভরাতে পারেনি। কোন রঙ ছড়াতে পারেনি সেই বর্ণচ্ছটা।
খরার মাঠে সেই বর্ষণের হাহাকার। নদী বয়ে চলে - শোনা যায় অতৃপ্ত স্রোতের শব্দ।
সমুদ্রের মাঝে বয়ে চলে সেই অতৃপ্ত হৃদয়ের কান্নার আওয়াজ।

4
Textile Engineering / Unsatisfied thirst.
« on: April 29, 2019, 02:29:54 AM »
তিনি লিখে চলেন অক্লান্ত। সেই লেখাটি লিখতে চান তিনি। পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা হয়। কিন্তু কোনটিই সেই লেখা নয়। যে লেখা লিখে তিনি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে ঘুমাতে যাবেন। তার পর আর কোন লেখা লিখবেন না। কেননা আসল লেখা হয়ে গেছে। লিখে লিখে খাতা ভরে যায়। পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা ছিঁড়ে ফেলে দেন তিনি।
এ কেমন তৃষ্ণা? যার কোন তৃপ্তি হয় না। মনে হয় - এই তিনি তার আসল লেখা লিখে ফেলেছেন। তারপরই তা ছিঁড়ে ফেলে দেন তিনি ঝুড়িতে।
কেউ কি লিখেছে নিজের লেখা - যেটি লিখে তৃপ্তিতে মন ভরে গেছে? এর পর আর কোন লেখা লিখতে ইচ্ছা হয়নি?
কত লেখা শেষ হয়। কিন্তু কোনটিতেই লেখা হয়নি তার মনের আসল কথা। ছেড়া কাগজের স্তুপের মাঝে বসে মনে হয় - চারিদিকে কত পানি। ঠিক তার ঠোঁটের নীচে আছে। কিন্তু কোনটাই তৃষ্ণা মেটাতে পারে না।
কেউ তার সেই লেখা লিখতে পারেনি সেই লেখা। সবাই তৃষ্ণা নিয়েই শেষ করেছে তাদের লেখা।
পাখি গান গেয়ে শেষ করতে পারেনি। ফুল ফুটে আবার ঝরে যায়। বাতাসে বয়ে চলে তাদের হাহাকার। কোথায় সেই তৃপ্তি ও শান্তি? কোন গানই মন ভরাতে পারেনি। কোন রঙ ছড়াতে পারেনি সেই বর্ণচ্ছটা।
খরার মাঠে সেই বর্ষণের হাহাকার। নদী বয়ে চলে - শোনা যায় অতৃপ্ত স্রোতের শব্দ।
সমুদ্রের মাঝে বয়ে চলে সেই অতৃপ্ত হৃদয়ের কান্নার আওয়াজ।

5
Permanent Campus of DIU / Return trip to home.
« on: April 21, 2019, 01:32:46 AM »
(স্কুল বাস - রিটার্ন ট্রিপ টু হোম।)
স্কুল ছুটি হলে আমাদের দুইটি স্কুল বাস - আমাদেরটি সবুজ ও অপরটি নীল - সোজা চলে আসতো ফার্মগেটে। সেখান থেকে নীল বাসটি মগবাজার - মালিবাগের দিকে চলে যেত। আর আমাদের সবুজ বাসটি আনন্দ সিনেমা হলের সামনে দিয়ে গ্রীন রোডে ঢুকে যেত। সেখানে কিছু স্টুডেন্টদের নামিয়ে দিয়ে ধানমন্ডি ৮ নাম্বার রোড দিয়ে মিরপুর রোডে ঢুকত। এর পর বাসটি সোবহানবাগ পর্যন্ত যেত। সেখানে আবার কিছু স্টুডেন্ট নামতো। এর মধ্যে ছিল আমার ক্লাসমেট ইস্তিয়াক, জাভেদ। সোবহানবাগ মসজিদের ওখানে ইউ টার্ন নিয়ে একেবারে আজিমপুর চলে যেত। পথে পড়ত ঢাকা কলেজ, নিউমার্কেট ইডেন কলেজ।
এরপর আমাদের বাসটি আজিমপুর হয়ে পলাশী মোড় থেকে যেত এলিফেন্ট রোড। এলিফেন্ট রোডের মাথায় বাম পাশে ছিল বেশ কিছু চশমার দোকান।
এর পর আমাদের বাস যেত সিটি কলেজের সামনে দিয়ে - ধানমন্ডি ২ নাম্বার রোড ধরে। তৎকালীন বিডিআর গেটের সামনে মোড় নিয়ে জিগাতলা শংকর সব ছাড়িয়ে সাত মসজিদ রোড দিয়ে একেবারে মোহাম্মাদপুর। আসাদ এভিনিউ ধরে একটু আগানোর পরে পোস্ট অফিসের সামনে আমি নামতাম।
আমাদের স্কুল ছুটি হত ঠিক ১২ টায়। আর আমি পোষ্ট অফিসের সামনে নেমে প্রায় প্রতিদিনই যোহরের আজান শুনতাম। অর্থাৎ এই আমাদের বিশাল স্কুল বাসের প্রায় অর্ধেক ঢাকা ঘুরে পথে পথে সবাইকে নামিয়ে আমার পৌছাতে সময় লাগতো মাত্র ৪৫ মিনিট।

6
Textile Engineering / Return trip to home.
« on: April 21, 2019, 01:31:58 AM »
(স্কুল বাস - রিটার্ন ট্রিপ টু হোম।)
স্কুল ছুটি হলে আমাদের দুইটি স্কুল বাস - আমাদেরটি সবুজ ও অপরটি নীল - সোজা চলে আসতো ফার্মগেটে। সেখান থেকে নীল বাসটি মগবাজার - মালিবাগের দিকে চলে যেত। আর আমাদের সবুজ বাসটি আনন্দ সিনেমা হলের সামনে দিয়ে গ্রীন রোডে ঢুকে যেত। সেখানে কিছু স্টুডেন্টদের নামিয়ে দিয়ে ধানমন্ডি ৮ নাম্বার রোড দিয়ে মিরপুর রোডে ঢুকত। এর পর বাসটি সোবহানবাগ পর্যন্ত যেত। সেখানে আবার কিছু স্টুডেন্ট নামতো। এর মধ্যে ছিল আমার ক্লাসমেট ইস্তিয়াক, জাভেদ। সোবহানবাগ মসজিদের ওখানে ইউ টার্ন নিয়ে একেবারে আজিমপুর চলে যেত। পথে পড়ত ঢাকা কলেজ, নিউমার্কেট ইডেন কলেজ।
এরপর আমাদের বাসটি আজিমপুর হয়ে পলাশী মোড় থেকে যেত এলিফেন্ট রোড। এলিফেন্ট রোডের মাথায় বাম পাশে ছিল বেশ কিছু চশমার দোকান।
এর পর আমাদের বাস যেত সিটি কলেজের সামনে দিয়ে - ধানমন্ডি ২ নাম্বার রোড ধরে। তৎকালীন বিডিআর গেটের সামনে মোড় নিয়ে জিগাতলা শংকর সব ছাড়িয়ে সাত মসজিদ রোড দিয়ে একেবারে মোহাম্মাদপুর। আসাদ এভিনিউ ধরে একটু আগানোর পরে পোস্ট অফিসের সামনে আমি নামতাম।
আমাদের স্কুল ছুটি হত ঠিক ১২ টায়। আর আমি পোষ্ট অফিসের সামনে নেমে প্রায় প্রতিদিনই যোহরের আজান শুনতাম। অর্থাৎ এই আমাদের বিশাল স্কুল বাসের প্রায় অর্ধেক ঢাকা ঘুরে পথে পথে সবাইকে নামিয়ে আমার পৌছাতে সময় লাগতো মাত্র ৪৫ মিনিট।

7
Permanent Campus of DIU / Lectures with board versus multimedia.
« on: April 16, 2019, 12:20:53 AM »
মানুষের আসল সম্পদ হল ইমাজিনেশন বা কল্পনাশক্তি। যা দেখে নাই তার বর্ণনা শুনে বা পড়ে কত নিখুঁত ভাবে তার প্রতিচ্ছবি কল্পনা করতে পারে এইখানেই মানুষের আসল সাফল্য। আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকেরা ব্ল্যাক বোর্ডে ক্লাস নিতেন। মাল্টিমিডিয়া ছিল না। তাদের লেকচারের মাধ্যমেই আমাদের অনেক কিছু ইমাজিন করে শিখতে হত। আরেকটি ছিল ক্লাসের পরে লাইব্রেরীতে বই পড়ে শিখতে হত। সেটিতেও কল্পনা শক্তি লাগতো।
শুনে বা পড়ে যে কোন কিছু ইমাজিনেশন বা কল্পনা করতে হলে ব্রেনের পরিশ্রম অনেক বেড়ে যায়। যা কিনা মালটি মিডিয়া তে হয় না। শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য হল ব্রেন ও মনকে কষ্ট করতে শেখানো। তাকে নিয়মিত ভাবে চর্চা করার অভ্যাস গড়ে তোলা।

মাল্টিমিডিয়াতে অনেক কম পরিশ্রমে ও কম কষ্টে শেখা গেলেও ব্রেনের কর্মক্ষমতা কমে যায়। মনোযোগও আগেকার দিনের লেকচার শুনে শেখার মত ততটা লাগে না। ব্রেনের চর্চা বেশী হয় গতানুগতিক বোর্ড আর লেকচারের মাধ্যমে ক্লাস করতে হলে।

8
Textile Engineering / Lectures with board versus multimedia.
« on: April 16, 2019, 12:20:12 AM »
মানুষের আসল সম্পদ হল ইমাজিনেশন বা কল্পনাশক্তি। যা দেখে নাই তার বর্ণনা শুনে বা পড়ে কত নিখুঁত ভাবে তার প্রতিচ্ছবি কল্পনা করতে পারে এইখানেই মানুষের আসল সাফল্য। আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকেরা ব্ল্যাক বোর্ডে ক্লাস নিতেন। মাল্টিমিডিয়া ছিল না। তাদের লেকচারের মাধ্যমেই আমাদের অনেক কিছু ইমাজিন করে শিখতে হত। আরেকটি ছিল ক্লাসের পরে লাইব্রেরীতে বই পড়ে শিখতে হত। সেটিতেও কল্পনা শক্তি লাগতো।
শুনে বা পড়ে যে কোন কিছু ইমাজিনেশন বা কল্পনা করতে হলে ব্রেনের পরিশ্রম অনেক বেড়ে যায়। যা কিনা মালটি মিডিয়া তে হয় না। শিক্ষার অন্যতম উদ্দেশ্য হল ব্রেন ও মনকে কষ্ট করতে শেখানো। তাকে নিয়মিত ভাবে চর্চা করার অভ্যাস গড়ে তোলা।

মাল্টিমিডিয়াতে অনেক কম পরিশ্রমে ও কম কষ্টে শেখা গেলেও ব্রেনের কর্মক্ষমতা কমে যায়। মনোযোগও আগেকার দিনের লেকচার শুনে শেখার মত ততটা লাগে না। ব্রেনের চর্চা বেশী হয় গতানুগতিক বোর্ড আর লেকচারের মাধ্যমে ক্লাস করতে হলে।


9
Permanent Campus of DIU / Human of basic three categories.
« on: April 12, 2019, 05:10:47 PM »
সব মানুষকে মুলতঃ তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

আশাবাদী, হতাশাবাদী ও বাস্তববাদী (pessimist, optimist and realistic.)

নীচের উদাহণটি দেয়া হল কেবলমাত্র ক্যাটাগরী গুলো বুঝানোর জন্য।
   
উদাহরণস্বরূপ বলা যায় রাস্তার ম্যানহলে পড়ে গেলে এই তিন রকমের মানুষ তিন রকম চিন্তা করে। বাস্তব বাদী ম্যানহলের ঢাকনা দিয়ে সরাসরি উঠে আসে। হতাশাবাদী আর উঠে আসে না। সে ভাবে আবার যদি ট্রাক চাপা দেয়? আর আশাবাদী ম্যানহলের ভিতর দিয়েই শর্ট কাঁট করা যায় কিনা ও দ্রুত পৌঁছানোর কথা ভাবে।

আশাবাদী দেখে তার গ্লাস অ্ধেক পূ্ণ। হতাশা বাদী দেখে তার গ্লাস অ্ধেক খালি।   


আশাবাদীরা ভাবে অল্প কাজ করেই বড় সমস্যা দূর করা যাবে। বাস্তববাদীরা বোঝে যে বড় সমস্যা দূর করতে হলে অনেক কাজ করতে হবে। হতাশাবাদীরা সমস্যা দূর করা যাবে না এইটা ভাবে। বাস্তববাদীরা কেবল মাত্র স্বপ্নের জাল বুনেন না। তারা এর সাথে সাথে কিছু কাজও করেন।

10
Textile Engineering / Human of basic three categories.
« on: April 12, 2019, 05:09:54 PM »
সব মানুষকে মুলতঃ তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

আশাবাদী, হতাশাবাদী ও বাস্তববাদী (pessimist, optimist and realistic.)

নীচের উদাহণটি দেয়া হল কেবলমাত্র ক্যাটাগরী গুলো বুঝানোর জন্য।
   
উদাহরণস্বরূপ বলা যায় রাস্তার ম্যানহলে পড়ে গেলে এই তিন রকমের মানুষ তিন রকম চিন্তা করে। বাস্তব বাদী ম্যানহলের ঢাকনা দিয়ে সরাসরি উঠে আসে। হতাশাবাদী আর উঠে আসে না। সে ভাবে আবার যদি ট্রাক চাপা দেয়? আর আশাবাদী ম্যানহলের ভিতর দিয়েই শর্ট কাঁট করা যায় কিনা ও দ্রুত পৌঁছানোর কথা ভাবে।

আশাবাদী দেখে তার গ্লাস অ্ধেক পূ্ণ। হতাশা বাদী দেখে তার গ্লাস অ্ধেক খালি।   


আশাবাদীরা ভাবে অল্প কাজ করেই বড় সমস্যা দূর করা যাবে। বাস্তববাদীরা বোঝে যে বড় সমস্যা দূর করতে হলে অনেক কাজ করতে হবে। হতাশাবাদীরা সমস্যা দূর করা যাবে না এইটা ভাবে। বাস্তববাদীরা কেবল মাত্র স্বপ্নের জাল বুনেন না। তারা এর সাথে সাথে কিছু কাজও করেন।




 

11
ক্লাস ফাইভে আমি নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। স্কুল বাসে যেতাম আবার স্কুল বাসেই বাসায় ফিরে আসতাম। আমার বাবা আমাকে ভোর সকালে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেন। আমাকে উঠিয়ে দিয়ে তিনি মর্নিং ওয়াক করতে চলে যেতেন। আমি ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খেয়ে ঠিক ৬ টা বাজার ৫ মিনিট আগে বাসা থেকে বের হতাম। মজা লাগতো ঘড়িতে ৫ টা ৫৫ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড দেখতে। বাসা থেকে একাই বের হয়ে মেইন রোডে যেতাম। তখন আমরা থাকতাম মোহাম্মাদপুরে। মোহাম্মাদপুর পোস্ট অফিসের সামনে দাড়িয়ে স্কুল বাসের জন্য  অপেক্ষায় থাকতাম। আমার বাবাও মর্নিং ওয়াক করে আমি যেখানে দাঁড়াতাম সেখানে আসতেন। আমাকে স্কুল বাসে উঠিয়ে দিয়ে তারপর বাসায় ফিরতেন। কোন কোন দিন তার আসার আগেই স্কুল বাস চলে আসতো। শীতকালে ভোর ৬ টায় কিছুটা অন্ধকারই থাকতো। তবে মনে পড়ে না যে কোনদিন বাসা থেকে একা একা মেইন রোডে যেতে ভয় লেগেছে। ভয় লাগতো শুধু রাস্তায় বেওয়ারিস কুকুর দেখলে।
স্মৃতি গুলো আমার মনে কত স্পষ্ট ভাবে আছে। যখন স্কুল বাসের জন্য অপেক্ষা করতাম দেখতাম বড় রাস্তার যানবাহন গুলো। প্রতিদিনই একই সময় স্কুল বাসের জন্য রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতাম। আমাদের স্কুল বাস আসার আগে কোন কোন গাড়ী যায় সেইটাও মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। কয়েকটা পরিচিত গাড়ী-বাস যাওয়ার পরেই বুঝতাম এইবার আমাদের স্কুল বাস আসবে। আমাদের স্কুল বাসটা ছিল সবুজ রঙের। সামনে লেখা ছিল সুপিরিওর। আর পিছনে লেখা ছিল প্রগতির তৈরি। একসময় আমাদের স্কুল বাসের সামনের একটি হেডলাইট নষ্ট ছিল অনেক দিন। শীতকালে অন্ধকারে দেখে মনে হত মোটর সাইকেল আসতেছে। বাসটি শ্যামলী পার হলেই কল্যাণপুর থেকে মিরপুর রোড অনেক সরু হয়ে যেত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডে একটি ছোট ব্রিজ ছিল। যার নীচে দিয়ে ছোট নদী বয়ে যেত। নদীর দুই পাশে ছিল নিচু জায়গা। যেগুলো বর্ষাকালে পানিতে ডুবে যেত। যতটুকু মনে পড়ে তখনকার কল্যাণপুরের সাথে এখনকার বিরুলিয়ার কিছুটা মিল আছে।
আমাদের বাস এগিয়ে চলতো। আর পথে পথে স্কুলের ছাত্ররা বাসে উঠত। কল্যাণপুর ছাড়িয়ে বাস যেত টেকনিক্যাল হয়ে মিরপুর এক। তখন বাংলা কলেজের পরে মিরপুর এক পর্যন্ত পুরোটাই খালি ছিল। এরপর সনি সিনেমা হলের পাশ দিয়ে মিরপুর দশ হয়ে পল্লবি। সেখানে আমাদের বিশাল বাস ইউ টার্ন নিয়ে আবার মিরপুর দশ হয়ে বাম দিকে মিরপুর ১৪ হয়ে কাফ্রুল দিয়ে পরিশেষে ক্যান্টনমেন্টে স্কুলে পৌঁছুত। মিরপুর ১৪ এর বাম পাশের পুরোটাই ছিল ধান ক্ষেত। সেখানে এক জন স্কুল ছাত্র বাসে উঠত। চারিদিকে ছিল খালি জায়গা। তাই তার আসতে দেরী হলে আমরা দূর থেকেই দেখতে পেতাম সে হাতে স্যুটকেস নিয়ে তার বাবার সাথে আসতেছে। আর বাস তার জন্য কিছুটা দাড়াতো। মিরপুর ১৪ এর ডান দিকে ছিল সরকারী কোয়ার্টার। কাফ্রুলে ছিল বেশ কিছু করাত কল। কাফ্রুলের সরু রাস্তা দিয়ে যখন আমাদের স্কুল বাস পার হত, নাকে আসত কাঠ সিজনিং করার পচা গন্ধ।

সেই সময়কার ঢাকা এখনকার যে কোন মফস্বল শহরের থেকেও নিরিবিলি ছিল। নিরাপদও ছিল। সেই তিলোত্তমা নগরী ঢাকা শুধু এখন আমাদের স্মৃতিতে অটুট আছে। সেই গুলো মনে পড়লে ক্ষোভ ও আক্ষেপ ছাড়া আর কিছু অনুভুতি জাগে না।

12
ক্লাস ফাইভে আমি নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। স্কুল বাসে যেতাম আবার স্কুল বাসেই বাসায় ফিরে আসতাম। আমার বাবা আমাকে ভোর সকালে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেন। আমাকে উঠিয়ে দিয়ে তিনি মর্নিং ওয়াক করতে চলে যেতেন। আমি ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খেয়ে ঠিক ৬ টা বাজার ৫ মিনিট আগে বাসা থেকে বের হতাম। মজা লাগতো ঘড়িতে ৫ টা ৫৫ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড দেখতে। বাসা থেকে একাই বের হয়ে মেইন রোডে যেতাম। তখন আমরা থাকতাম মোহাম্মাদপুরে। মোহাম্মাদপুর পোস্ট অফিসের সামনে দাড়িয়ে স্কুল বাসের জন্য  অপেক্ষায় থাকতাম। আমার বাবাও মর্নিং ওয়াক করে আমি যেখানে দাঁড়াতাম সেখানে আসতেন। আমাকে স্কুল বাসে উঠিয়ে দিয়ে তারপর বাসায় ফিরতেন। কোন কোন দিন তার আসার আগেই স্কুল বাস চলে আসতো। শীতকালে ভোর ৬ টায় কিছুটা অন্ধকারই থাকতো। তবে মনে পড়ে না যে কোনদিন বাসা থেকে একা একা মেইন রোডে যেতে ভয় লেগেছে। ভয় লাগতো শুধু রাস্তায় বেওয়ারিস কুকুর দেখলে।
স্মৃতি গুলো আমার মনে কত স্পষ্ট ভাবে আছে। যখন স্কুল বাসের জন্য অপেক্ষা করতাম দেখতাম বড় রাস্তার যানবাহন গুলো। প্রতিদিনই একই সময় স্কুল বাসের জন্য রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতাম। আমাদের স্কুল বাস আসার আগে কোন কোন গাড়ী যায় সেইটাও মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। কয়েকটা পরিচিত গাড়ী-বাস যাওয়ার পরেই বুঝতাম এইবার আমাদের স্কুল বাস আসবে। আমাদের স্কুল বাসটা ছিল সবুজ রঙের। সামনে লেখা ছিল সুপিরিওর। আর পিছনে লেখা ছিল প্রগতির তৈরি। একসময় আমাদের স্কুল বাসের সামনের একটি হেডলাইট নষ্ট ছিল অনেক দিন। শীতকালে অন্ধকারে দেখে মনে হত মোটর সাইকেল আসতেছে। বাসটি শ্যামলী পার হলেই কল্যাণপুর থেকে মিরপুর রোড অনেক সরু হয়ে যেত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডে একটি ছোট ব্রিজ ছিল। যার নীচে দিয়ে ছোট নদী বয়ে যেত। নদীর দুই পাশে ছিল নিচু জায়গা। যেগুলো বর্ষাকালে পানিতে ডুবে যেত। যতটুকু মনে পড়ে তখনকার কল্যাণপুরের সাথে এখনকার বিরুলিয়ার কিছুটা মিল আছে।
আমাদের বাস এগিয়ে চলতো। আর পথে পথে স্কুলের ছাত্ররা বাসে উঠত। কল্যাণপুর ছাড়িয়ে বাস যেত টেকনিক্যাল হয়ে মিরপুর এক। তখন বাংলা কলেজের পরে মিরপুর এক পর্যন্ত পুরোটাই খালি ছিল। এরপর সনি সিনেমা হলের পাশ দিয়ে মিরপুর দশ হয়ে পল্লবি। সেখানে আমাদের বিশাল বাস ইউ টার্ন নিয়ে আবার মিরপুর দশ হয়ে বাম দিকে মিরপুর ১৪ হয়ে কাফ্রুল দিয়ে পরিশেষে ক্যান্টনমেন্টে স্কুলে পৌঁছুত। মিরপুর ১৪ এর বাম পাশের পুরোটাই ছিল ধান ক্ষেত। সেখানে এক জন স্কুল ছাত্র বাসে উঠত। চারিদিকে ছিল খালি জায়গা। তাই তার আসতে দেরী হলে আমরা দূর থেকেই দেখতে পেতাম সে হাতে স্যুটকেস নিয়ে তার বাবার সাথে আসতেছে। আর বাস তার জন্য কিছুটা দাড়াতো। মিরপুর ১৪ এর ডান দিকে ছিল সরকারী কোয়ার্টার। কাফ্রুলে ছিল বেশ কিছু করাত কল। কাফ্রুলের সরু রাস্তা দিয়ে যখন আমাদের স্কুল বাস পার হত, নাকে আসত কাঠ সিজনিং করার পচা গন্ধ।

সেই সময়কার ঢাকা এখনকার যে কোন মফস্বল শহরের থেকেও নিরিবিলি ছিল। নিরাপদও ছিল। সেই তিলোত্তমা নগরী ঢাকা শুধু এখন আমাদের স্মৃতিতে অটুট আছে। সেই গুলো মনে পড়লে ক্ষোভ ও আক্ষেপ ছাড়া আর কিছু অনুভুতি জাগে না।


(আমার স্কুল বাস।)

13
Permanent Campus of DIU / City only for superman.
« on: March 29, 2019, 02:59:16 PM »
আজকের অগ্নি দুর্ঘটনায় অনেকে হতাহত হয়েছেন। একমাত্র তাদের পরিবারই জানে কি রকম দুঃসময় যাচ্ছে তাদের উপর দিয়ে।
যে কোন দুর্ঘটনার খবর দেখলে আমার মনে হয় ওই অবস্থায় পড়লে আমি কি করতাম? কিভাবে নিজেকে বাঁচাতাম? বা অন্যদেরকে?
একসময় হরতাল বা অন্য কিছু থাকলে রাস্তায় বের হতাম অনেক ভেবে চিন্তে। কেননা আমার ওজন কিছুটা বেশী। হঠাৎ দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেলে আমার উপায় থাকবে না। বয়সও তো কিছু হয়েছে। দৌড়াদৌড়ির ব্যাপারে আমি এখন আনফিট। আর যদি দড়ি বেয়ে উঁচু বিল্ডিং থেকে নামতে হয় - তাহলেই শেষ।
পর মুহূর্তেই মনে হলঃ আমাদের এই প্রিয় শহরটা নিজেই আসলে আনফিট হয়ে গেছে। এই শহরে দুর্বলের কোন স্থান নাই। শিশু বৃদ্ধ এদের চলাচলের অনুপযোগী অনেক আগেই হয়ে আছে এই শহর। যাদের গাড়ী নাই তাদের বাসে উঠাটাও শারীরিক যোগ্যতায় করতে হয়। পথচারীদেরও চোখ কান খোলা রেখে পথে চলতে হয়। শহরের নাগরিকদের জন্য কমান্ডো ট্রেনিং দরকার পরে না। কিন্তু এই শহরে থাকতে হলে শারীরিক যোগ্যতাও নিশ্চিত করতে হয়।
এই শহর এখন কেবল মাত্র সুপারম্যানদের জন্য। সেটা অর্থ, স্বাস্থ্য এমনকি মামা চাচা এমন সব কিছুতেই সুপারম্যান হতে হবে। একটি দুইটি হলে হবে না। সবগুলোই সুপারম্যান সুলভ হতে হবে। যেটি থাকবে না - সেইটাতেই আপনাকে এই শহর গলা চেপে ধরবে।


(আমার ফেসবুক পোস্ট ২৮ - ০৩ - ২০১৯)

14
Textile Engineering / City only for superman.
« on: March 29, 2019, 02:58:32 PM »
আজকের অগ্নি দুর্ঘটনায় অনেকে হতাহত হয়েছেন। একমাত্র তাদের পরিবারই জানে কি রকম দুঃসময় যাচ্ছে তাদের উপর দিয়ে।
যে কোন দুর্ঘটনার খবর দেখলে আমার মনে হয় ওই অবস্থায় পড়লে আমি কি করতাম? কিভাবে নিজেকে বাঁচাতাম? বা অন্যদেরকে?
একসময় হরতাল বা অন্য কিছু থাকলে রাস্তায় বের হতাম অনেক ভেবে চিন্তে। কেননা আমার ওজন কিছুটা বেশী। হঠাৎ দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেলে আমার উপায় থাকবে না। বয়সও তো কিছু হয়েছে। দৌড়াদৌড়ির ব্যাপারে আমি এখন আনফিট। আর যদি দড়ি বেয়ে উঁচু বিল্ডিং থেকে নামতে হয় - তাহলেই শেষ।
পর মুহূর্তেই মনে হলঃ আমাদের এই প্রিয় শহরটা নিজেই আসলে আনফিট হয়ে গেছে। এই শহরে দুর্বলের কোন স্থান নাই। শিশু বৃদ্ধ এদের চলাচলের অনুপযোগী অনেক আগেই হয়ে আছে এই শহর। যাদের গাড়ী নাই তাদের বাসে উঠাটাও শারীরিক যোগ্যতায় করতে হয়। পথচারীদেরও চোখ কান খোলা রেখে পথে চলতে হয়। শহরের নাগরিকদের জন্য কমান্ডো ট্রেনিং দরকার পরে না। কিন্তু এই শহরে থাকতে হলে শারীরিক যোগ্যতাও নিশ্চিত করতে হয়।
এই শহর এখন কেবল মাত্র সুপারম্যানদের জন্য। সেটা অর্থ, স্বাস্থ্য এমনকি মামা চাচা এমন সব কিছুতেই সুপারম্যান হতে হবে। একটি দুইটি হলে হবে না। সবগুলোই সুপারম্যান সুলভ হতে হবে। যেটি থাকবে না - সেইটাতেই আপনাকে এই শহর গলা চেপে ধরবে।


(আমার ফেসবুক পোস্ট ২৮ - ০৩ - ২০১৯)

15
Permanent Campus of DIU / Cassette player - a forgotten story.
« on: March 20, 2019, 12:32:58 AM »
আমাদের সময় গান শোনা হত ক্যাসেট প্লেয়ারে। ক্যাসেট প্লেয়ার গুলোকে টু ইন ওয়ানও বলা হত। কেননা ক্যাসেট প্লেয়ারের সাথে সেগুলোতে রেডিও ও থাকতো। ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও এই দুই জিনিস একই সাথে থাকতো বলে এই নাম - একের ভিতরে দুই। ক্যাসেট গুলো পাওয়া যেত দুই ক্যাপাসিটির। ৬০ মিনিট ও ৯০ মিনিটের। এক একটি ক্যাসেটের দুইটি পিঠ থাকতো। এ ও বি। এ পিঠের গান শোনা হয়ে গেলে ক্যাসেট উলটিয়ে বি পিঠের গান ক্যাসেট প্লেয়ারে চালাতে হত। ক্যাসেট প্লেয়ার গুলোতে একটি বড় লাল বাটন থাকতো। যেটি টিপে প্লেয়ার অন করলে ক্যাসেটে রেকর্ড করা যেত। এছাড়াও এটিতে থাকতো রিউইন্ড ও ফাস্ট ফরওয়ার্ড বাটন। অর্থাৎ গান আগিয়ে বা পিছিয়ে শোনার অপশন।
মনে পড়ে একসময় এলিফ্যান্ট রোডে বেশ কিছু রেকর্ডিঙয়ের দোকান ছিল। যেগুলোতে টাকার বিনিময়ে ক্যাসেটে পছন্দের গান রেকর্ড করে দিত। সে গুলোতেও সবসময় ভীর অনেক থাকতো। অর্ডার দেয়ার পর বেশ কিছু দিন লাগতো ডেলিভারি দিতে। কিছু ক্যাসেট থাকতো যে গুলোতে গান রেকর্ডিং করা থাকতো। শুধু দোকান থেকে কিনে নিলেই ক্যাসেট প্লেয়ারে গান শোনা যেত। সেগুলো এক একটি নির্দিষ্ট ব্যান্ডের গান থাকতো। এখন যেমন ব্যান্ডের সি ডি পাওয়া যায়। কিন্তু নিজের চয়েজ অনুযায়ী ক্যাসেট রেকরডিং করাতে হলে ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেট কিনতে হত। ক্যাসেট প্লেয়ারের কিছু পরে আসলো ওয়াক ম্যান। সাইজে অনেক ছোট এটি ও হেড ফোনের সাহায্যেই শোনা যেত গান। যেহেতু সাইজে অনেক ছোট এটি তাই লুকিয়েও রাখা যেত সহজে। আমরাও আমাদের স্টুডেন্ট লাইফে রাতে লুকিয়ে ওয়াক ম্যানে কত গান শুনেছি। ওয়াক ম্যান ব্যাটারিতে চালাতে হত। এছাড়াও এডাপ্টারের সাহায্যে সরাসরি প্লাগ পয়েন্টে কানেক্ট করেও ওয়াক ম্যান চালানো যেত।
এখন সি ডি ও কেউ কেনে না। সব সফট কপি লোড করে নিলেই হয়। আমাদের সময় ইউটিউব ছিলো না।
মোবাইল-কম্পিউটারই ছিল না। আগের ক্যাসেট প্লেয়ার এখন জাদুঘরে রাখার সময় হয়ে গেছে।
তার পরও আমার সব সময় মনে হয় আমাদের ছোটবেলা অনেক আনন্দের ছিল। যা কিনা এখনকার ছেলে মেয়েরা কল্পনাও করতে পারবে না।

Pages: [1] 2 3 ... 21