Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: 1 [2] 3 4 ... 20
16
Textile Engineering / Ask thyself.
« on: March 16, 2019, 07:46:31 PM »
পড়াশোনা নিয়ে ভাবতেছিলাম। বিভিন্ন বইয়ের এক একটি চ্যাপ্টারের শেষে বা প্রথমে প্রশ্ন দেয়া থাকে। এই চ্যাপ্টার পড়ার পর কি কি জিনিসের সম্পর্কে জানা হয়ে যাবে - সেইটার লিস্ট। আমি স্টুডেন্টদের আগে প্রথমেই বিভিন্ন চ্যাপ্টারে কি কি পড়ানো হবে তার প্রশ্ন লিস্ট আকারে দিয়ে দেই। পড়ানোর পর তাদেরকে এই গুলোর সমাধান লিখে জমা দিতে হত এসাইনমেন্ট আকারে। সবাই তা জমা দিত। যদিও জানতাম সবাই হয়তো নিজে থেকে লিখে না - তারপরও। কেননা এই এসাইনমেন্ট করার ফলে সবারই একবার করে প্রিপারেশন হয়ে যাবে। একবার উল্টোটা করলাম। পড়ানোর পর তাদেরকেই বললাম এই চ্যাপ্টার থেকে কি কি প্রশ্ন হতে পারে - সেইটা লিস্ট আকারে আমাকে জমা দিতে। এইটাই একটি এস্যাইনমেন্ট। সেইবার হাতে গোনা অতি নগণ্য কয়জন প্রথমে জমা দিতে পারলো।
অনেক ভেবে দেখলাম এই প্রশ্নের লিস্টের এসাইনমেন্ট যদিও এক পাতাতেই শেষ হয়ে যায় - তার পরও পুরো চ্যাপ্টার তাকে পড়ে বুঝে তার পর প্রশ্ন বের করতে হবে।
আমরা সারাজীবন উত্তর খুঁজি। পড়াশুনার বেলায় যেমন। ঠিক তেমন বাস্তব জীবনেও। প্রশ্ন করতে হলে আগে নিজেকে পুরোটা বুঝতে হবে। আমাদের জীবনে ভেবে প্রশ্ন করার কোন সময় নাই। জীবনটাও এমন প্রশ্ন করে সময় নষ্ট করাটাও এক রকম বিলাসিতা। নিউটনের মত আপেল গাছের নীচে বসে থাকার মত সময় আমাদের নাই। আমরা জীবনের উত্তর খুঁজি আর শিখি। অনেক ক্ষেত্রেই অন্যের অভিজ্ঞতা বা সমাধান আমরা জীবনে কপি করি। কেন করি - তা আমরা জানি না - জানতেও চাই না। আমাদের জীবনে প্রতিদিনই পরীক্ষা। উত্তর মুখস্থ করতেই আমাদের সময় চলে যায়। আমরা যে যেভাবে পারি পার হতে চাই। জীবন নিয়ে ভাবা আমাদের কাছে বিলাসিতা। কেউ নিজের জীবন নিয়ে এক্সপেরিমেন্টে রাজি নই। অন্যেরা এক্সপেরিমেন্ট করুক। তারাই ভাবুক। নিজেকে প্রশ্ন করুক। অন্যের সমাধান শিখে পার হওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

17
Permanent Campus of DIU / Defeated Dreamer.
« on: February 24, 2019, 12:26:46 AM »
সে চেয়েছিল লিখে ফেলে কবিতায় - বসন্তের বাতাসে কিভাবে পাতাটি দুলছিল। সাথে সকালের চকচকে রোদ কিভাবে পড়েছিল পাশের জানালায়। মনে হয় সে হেটে চলে পথে পথে অবিরাম। আর লিখে চলে তার অলস ভাবনা গুলো। স্তব্ধ সময়কে সে অনুভব করতে চায় - ঠিক যেভাবে মৃদু মন্দন বাতাস গাল ছুয়ে যায়।
তার ইচ্ছা ছিল আকাশের সব তারা গুলো গুনে ফেলার। চাঁদের আলোয় সাগরের ঢেউ গুলোর ছবি আকার। আর আমাবস্যার অন্ধকার রাতে ঝড়ে মাঠের মাঝে বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ শোনার। সে অনুভব করতে চায় সেই কষ্ট - পানিতে ডুবে যাওয়ার সময় কিভাবে আর্তনাদ করে উঠে মানুষ। হিংস্র শ্বাপদ যখন সামনে এসে দাড়ায় আর জানে পালাবার কোন পথ নাই। কিংবা বৃষ্টি পড়ার ছন্দে ছন্দে গেয়ে যেতে চায় তার বেদনা গুলো। তপ্ত রোদে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুঁজে চলে চিল। তাদের মতই সে একাকি আর ক্ষুধারথ। নীরব নিস্তব্ধ নিরবিচ্ছিন্ন আকাশ আর হাহাকার চারিদিকে।
কাঁটা ওয়ালা আগাছায় হেটে চলে সে। গ্রীষ্মের তাপদাহে তার চোখের পানি আর গায়ের ঘাম একাকার।  কিছু পড়ে তার ঠোঁটে - নোনা স্বাদ পায় সে। চৌচির মাটিতে ঝরে পড়ে চোখের জল মিশ্রিত ঘাম। মিশে যায় তা পায়ের ক্ষত থেকে বের হওয়া রক্তের সাথে। পথে পড়ে চলে লাল পায়ের ছাপ - ঠিক ব্লক প্রিন্টের মত।
ক্ষত বিক্ষত ক্লান্ত পরিশ্রান্ত ক্ষুদারথ একাকি সে ভেবে চলে - মনের কষ্ট গুলোকে কি চাপা দেয়া গেছে? ঠিক যেভাবে সূর্য উঠলে ম্লান হয়ে যায় প্রদীপের আলো। যেভাবে তারা গুলো চাঁদের আলোয় নিভু নিভু মনে হয়। কষ্ট কি মনের বেদনা গুলোকে ভুলাতে পেরেছে?
সন্ধ্যা হয়ে গেছে। রাত হতে বাকি নাই। শেষ হয়নি পথ চলা। শেষ হয়নি কষ্টের। হয়নি শেষ মীমাংসা। লেখা হয়নি কবিতা। আঁকা হয়নি সেই মুহূর্তটি। কিংবা সুর তোলা হয়নি সেই সেই বেদনার। দিনশেষে সে ফিরে চলে আলোকোজ্জ্বল ঘরে। শূন্যহাতে।

18
Textile Engineering / Defeated Dreamer.
« on: February 24, 2019, 12:26:00 AM »
সে চেয়েছিল লিখে ফেলে কবিতায় - বসন্তের বাতাসে কিভাবে পাতাটি দুলছিল। সাথে সকালের চকচকে রোদ কিভাবে পড়েছিল পাশের জানালায়। মনে হয় সে হেটে চলে পথে পথে অবিরাম। আর লিখে চলে তার অলস ভাবনা গুলো। স্তব্ধ সময়কে সে অনুভব করতে চায় - ঠিক যেভাবে মৃদু মন্দন বাতাস গাল ছুয়ে যায়।
তার ইচ্ছা ছিল আকাশের সব তারা গুলো গুনে ফেলার। চাঁদের আলোয় সাগরের ঢেউ গুলোর ছবি আকার। আর আমাবস্যার অন্ধকার রাতে ঝড়ে মাঠের মাঝে বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দ শোনার। সে অনুভব করতে চায় সেই কষ্ট - পানিতে ডুবে যাওয়ার সময় কিভাবে আর্তনাদ করে উঠে মানুষ। হিংস্র শ্বাপদ যখন সামনে এসে দাড়ায় আর জানে পালাবার কোন পথ নাই। কিংবা বৃষ্টি পড়ার ছন্দে ছন্দে গেয়ে যেতে চায় তার বেদনা গুলো। তপ্ত রোদে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুঁজে চলে চিল। তাদের মতই সে একাকি আর ক্ষুধারথ। নীরব নিস্তব্ধ নিরবিচ্ছিন্ন আকাশ আর হাহাকার চারিদিকে।
কাঁটা ওয়ালা আগাছায় হেটে চলে সে। গ্রীষ্মের তাপদাহে তার চোখের পানি আর গায়ের ঘাম একাকার।  কিছু পড়ে তার ঠোঁটে - নোনা স্বাদ পায় সে। চৌচির মাটিতে ঝরে পড়ে চোখের জল মিশ্রিত ঘাম। মিশে যায় তা পায়ের ক্ষত থেকে বের হওয়া রক্তের সাথে। পথে পড়ে চলে লাল পায়ের ছাপ - ঠিক ব্লক প্রিন্টের মত।
ক্ষত বিক্ষত ক্লান্ত পরিশ্রান্ত ক্ষুদারথ একাকি সে ভেবে চলে - মনের কষ্ট গুলোকে কি চাপা দেয়া গেছে? ঠিক যেভাবে সূর্য উঠলে ম্লান হয়ে যায় প্রদীপের আলো। যেভাবে তারা গুলো চাঁদের আলোয় নিভু নিভু মনে হয়। কষ্ট কি মনের বেদনা গুলোকে ভুলাতে পেরেছে?
সন্ধ্যা হয়ে গেছে। রাত হতে বাকি নাই। শেষ হয়নি পথ চলা। শেষ হয়নি কষ্টের। হয়নি শেষ মীমাংসা। লেখা হয়নি কবিতা। আঁকা হয়নি সেই মুহূর্তটি। কিংবা সুর তোলা হয়নি সেই সেই বেদনার। দিনশেষে সে ফিরে চলে আলোকোজ্জ্বল ঘরে। শূন্যহাতে।

19
Permanent Campus of DIU / Expression of our thoughts.
« on: February 05, 2019, 01:08:50 AM »
মানুষের মন। কত কিছু যে ভেবে চলে। মনের সব ভাবনা গুলো সে কথার সাহায্যে প্রকাশ করে চলে। কখনো বা লিখে চলে। মনের ভাবনা গুলোয় অনেক সময়ই আবেগ জড়িত থাকে। রাগ, অভিমান, কৌতুক, ভাললাগা মন্দলাগা থাকে। কেউ কেউ মনের ভাব গুলোকে খুব নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারে। আবার কারো অনেক আবেগ থাকা শর্তেও সেগুলো প্রকাশের কোন দক্ষতা নেই। এবং এইখানেই ট্র্যাজেডির শুরু হয়। অন্য মানুষের কোন ক্ষমতা নাই অন্যের অপ্রাকাশিত কথা বুঝে নেয়ার। অনেক ক্ষেত্রেই মিথ্যা কথা বা প্রতিশ্রুতি ডিটেক্ট করাও সম্ভব হয় না। আমরা প্রায় সব সময়ই নিজের মনের কথা গুলো সেন্সর করে প্রকাশ করি। মানুষের বয়স যত বাড়ে তার সেন্সর করার হারও তত বাড়ে। টেলিপ্যাথি বলে একটি শব্দ গল্পের বইয়ে পড়েছিলাম। যার সাহায্যে অন্যের মনের সাথে কথা বলা যায়। এর জন্য মুখের ভাষার কোন প্রয়োজন পড়ে না। সে যেই ভাষাভাষীই হোন না কেন - তার মনের সাথে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে কথা বলা সম্ভব।
অনেক সময় আমাদের মনের সাথে মুখের ডাইরেক্ট কানেকশন হয়ে যায়। যা ভাবতেছি তাই হয়তো বিড়বিড় করে মুখে বলে চলি। কেউ কেউ যা লিখতেছেন তাই মুখে বলে চলেন। কেউ কেউ ঘুমের মধ্যেও কথা বলেন।
আমাদের এই যুগ হল নিজেকে প্রকাশ করার যুগ। কে কত ভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারেন তার উপরই তার জনপ্রিয়তা, পশার। সে তত বিখ্যাত। কবিতার যুগ শেষ। এখন হল মোটিভেশনাল স্পিকারের যুগ। কবি লিখতেন ছন্দের মাধ্যমে মনের কথা। আর লিখতেন মনের অবাধ্যতার কথা। আর মটিভেশনাল স্পিকার বলেন মনকে কন্ট্রোলের উপায়। কোন কোন ক্ষেত্রে মনে হয় কবিরাই সহজ ও সত্য কথা বলে গেছেন।
যতক্ষণ আমরা বেঁচে থাকি - আমাদের মন ভেবে চলে। তার অতি নগণ্য অংশই আমরা প্রকাশ করতে পারি বা করি। আবার যতটুকু কথায় প্রকাশ করি তার অতি অল্প অংশই লিখিত আকারে থাকে। আমাদের মন সমুদ্রের সমান ভেবে থাকে। আর আমরা প্রকাশ করতে পারি মাত্র চায়ের চামচ সমান। তার মাঝে নির্ভেজাল সত্য প্রকাশ থাকে কয়েক ফোঁটা মাত্র।

20
Textile Engineering / Expression of our thoughts.
« on: February 05, 2019, 01:06:43 AM »
মানুষের মন। কত কিছু যে ভেবে চলে। মনের সব ভাবনা গুলো সে কথার সাহায্যে প্রকাশ করে চলে। কখনো বা লিখে চলে। মনের ভাবনা গুলোয় অনেক সময়ই আবেগ জড়িত থাকে। রাগ, অভিমান, কৌতুক, ভাললাগা মন্দলাগা থাকে। কেউ কেউ মনের ভাব গুলোকে খুব নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারে। আবার কারো অনেক আবেগ থাকা শর্তেও সেগুলো প্রকাশের কোন দক্ষতা নেই। এবং এইখানেই ট্র্যাজেডির শুরু হয়। অন্য মানুষের কোন ক্ষমতা নাই অন্যের অপ্রাকাশিত কথা বুঝে নেয়ার। অনেক ক্ষেত্রেই মিথ্যা কথা বা প্রতিশ্রুতি ডিটেক্ট করাও সম্ভব হয় না। আমরা প্রায় সব সময়ই নিজের মনের কথা গুলো সেন্সর করে প্রকাশ করি। মানুষের বয়স যত বাড়ে তার সেন্সর করার হারও তত বাড়ে। টেলিপ্যাথি বলে একটি শব্দ গল্পের বইয়ে পড়েছিলাম। যার সাহায্যে অন্যের মনের সাথে কথা বলা যায়। এর জন্য মুখের ভাষার কোন প্রয়োজন পড়ে না। সে যেই ভাষাভাষীই হোন না কেন - তার মনের সাথে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে কথা বলা সম্ভব।
অনেক সময় আমাদের মনের সাথে মুখের ডাইরেক্ট কানেকশন হয়ে যায়। যা ভাবতেছি তাই হয়তো বিড়বিড় করে মুখে বলে চলি। কেউ কেউ যা লিখতেছেন তাই মুখে বলে চলেন। কেউ কেউ ঘুমের মধ্যেও কথা বলেন।
আমাদের এই যুগ হল নিজেকে প্রকাশ করার যুগ। কে কত ভাবে নিজেকে প্রকাশ করতে পারেন তার উপরই তার জনপ্রিয়তা, পশার। সে তত বিখ্যাত। কবিতার যুগ শেষ। এখন হল মোটিভেশনাল স্পিকারের যুগ। কবি লিখতেন ছন্দের মাধ্যমে মনের কথা। আর লিখতেন মনের অবাধ্যতার কথা। আর মটিভেশনাল স্পিকার বলেন মনকে কন্ট্রোলের উপায়। কোন কোন ক্ষেত্রে মনে হয় কবিরাই সহজ
ও সত্য কথা বলে গেছেন।
যতক্ষণ আমরা বেঁচে থাকি - আমাদের মন ভেবে চলে। তার অতি নগণ্য অংশই আমরা প্রকাশ করতে পারি বা করি। আবার যতটুকু কথায় প্রকাশ করি তার অতি অল্প অংশই লিখিত আকারে থাকে। আমাদের মন সমুদ্রের সমান ভেবে থাকে। আর আমরা প্রকাশ করতে পারি মাত্র চায়ের চামচ সমান। তার মাঝে নির্ভেজাল সত্য প্রকাশ থাকে কয়েক ফোঁটা মাত্র।

21
Textile Engineering / Helpless and humble people.
« on: January 28, 2019, 01:18:08 AM »
বিনয়ী কাকে বলে? আমরা কেউ কি রাস্তার ভিক্ষুকের থেকে বিনয়ী?
সারাদিন সে মাথা নিচু করে হাত পেতে দাড়িয়ে থাকে। যে যাই দেক - সে তা গ্রহন করে। হোক তা কয়েক পয়সা।
তার থেকে বিনয়ী কে আর আছে? সারাদিন রাস্তা বা ওভারব্রিজের ধূলায় বসে থাকে।
আমাদের দিকে দেখি। চেয়ার ছাড়া মাটিতেও বসতে পারি না। চেয়ারের সারিতে কে আগে বসলো কে পরে এইটাই মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাড়ায়। চেয়ারেরও রকম ফের আছে।
ভিক্ষুকের চোখে পৃথিবীটা কেমন দেখতে মনে হয়? সব মানুষের মাঝে নিজের অবস্থান সব থেকে নিচুতে - এইটা কিভাবে সহ্য করে যায়? ছোটবড় সবার করুণার পাত্র হতে কেমন লাগে? সারাদিনই তার অবসর কিন্তু স্থির সময় নাই কোন। খাবারের ব্যপারে তাদের কোন বাছ বিচার করতে কখনো দেখি নাই। সব রকম খাবারই তাদের কাছে মুখরোচক মনে হয়।
বিকলাঙ্গ ভিক্ষুখদের কেউ হয়তো ওভারব্রিজে বা ফুটপাথে রেখে গেছে। সেখানে এক সময় উত্তপ্ত রোদ পড়ে। সে বিকলাঙ্গ তাই সে রোদ থেকে সরে যেতে পারে না। সেখানে বসেই সে অপেক্ষা করে কখন কেউ আসবে তাকে ছায়াতে সরিয়ে নিয়ে যাবে।
কিংবা হঠাৎ বৃষ্টিতে সবাই যখন দৌড়ে শেডের নীচে যেতে থাকে - সে তখন অসহায় ভাবে ভিজে চলে। তার চোখের জল বেশী ঘন না বৃষ্টির জল - তা কে বলবে?
অসহায় মানুষের ব্যবহার আমাদের সবাইকে আপ্লূত করে তোলে। অহংকারি মানুষেরা যেখানে ঘৃণার পাত্র - সেখানে বিনয়ী মানুষের ব্যবহার সবারই ভাল লাগে।
মানুষের কাছে আরেকজন মানুষ একেবারে নিরুপায় না হলে সরাসরি অনুগ্রহ বা করুনা চায় না। এই সব গরীব দুঃখী ও অসহায় মানুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি বদলানো দরকার। কিভাবে এক জন মানুষ হয়ে আমরা আরেকজন মানুষের অসহায় অবস্থা সহ্য করে যাই?
বিকলাঙ্গ ও অন্ধ মানুষেরা এমনিতেই অসহায় হয়ে জীবন কাটায়। তার উপরে তাদের যদি আর্থিক অনটন থাকে তবে তা চরম কষ্টদায়ক ব্যাপার হয়ে দাড়ায়।

22
Permanent Campus of DIU / Helpless and humble people.
« on: January 28, 2019, 01:17:20 AM »
বিনয়ী কাকে বলে? আমরা কেউ কি রাস্তার ভিক্ষুকের থেকে বিনয়ী?
সারাদিন সে মাথা নিচু করে হাত পেতে দাড়িয়ে থাকে। যে যাই দেক - সে তা গ্রহন করে। হোক তা কয়েক পয়সা।
তার থেকে বিনয়ী কে আর আছে? সারাদিন রাস্তা বা ওভারব্রিজের ধূলায় বসে থাকে।
আমাদের দিকে দেখি। চেয়ার ছাড়া মাটিতেও বসতে পারি না। চেয়ারের সারিতে কে আগে বসলো কে পরে এইটাই মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাড়ায়। চেয়ারেরও রকম ফের আছে।
ভিক্ষুকের চোখে পৃথিবীটা কেমন দেখতে মনে হয়? সব মানুষের মাঝে নিজের অবস্থান সব থেকে নিচুতে - এইটা কিভাবে সহ্য করে যায়? ছোটবড় সবার করুণার পাত্র হতে কেমন লাগে? সারাদিনই তার অবসর কিন্তু স্থির সময় নাই কোন। খাবারের ব্যপারে তাদের কোন বাছ বিচার করতে কখনো দেখি নাই। সব রকম খাবারই তাদের কাছে মুখরোচক মনে হয়।
বিকলাঙ্গ ভিক্ষুখদের কেউ হয়তো ওভারব্রিজে বা ফুটপাথে রেখে গেছে। সেখানে এক সময় উত্তপ্ত রোদ পড়ে। সে বিকলাঙ্গ তাই সে রোদ থেকে সরে যেতে পারে না। সেখানে বসেই সে অপেক্ষা করে কখন কেউ আসবে তাকে ছায়াতে সরিয়ে নিয়ে যাবে।
কিংবা হঠাৎ বৃষ্টিতে সবাই যখন দৌড়ে শেডের নীচে যেতে থাকে - সে তখন অসহায় ভাবে ভিজে চলে। তার চোখের জল বেশী ঘন না বৃষ্টির জল - তা কে বলবে?
অসহায় মানুষের ব্যবহার আমাদের সবাইকে আপ্লূত করে তোলে। অহংকারি মানুষেরা যেখানে ঘৃণার পাত্র - সেখানে বিনয়ী মানুষের ব্যবহার সবারই ভাল লাগে।
মানুষের কাছে আরেকজন মানুষ একেবারে নিরুপায় না হলে সরাসরি অনুগ্রহ বা করুনা চায় না। এই সব গরীব দুঃখী ও অসহায় মানুষদের প্রতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি বদলানো দরকার। কিভাবে এক জন মানুষ হয়ে আমরা আরেকজন মানুষের অসহায় অবস্থা সহ্য করে যাই?
বিকলাঙ্গ ও অন্ধ মানুষেরা এমনিতেই অসহায় হয়ে জীবন কাটায়। তার উপরে তাদের যদি আর্থিক অনটন থাকে তবে তা চরম কষ্টদায়ক ব্যাপার হয়ে দাড়ায়।

23
Permanent Campus of DIU / Wastage of precious minds.
« on: January 28, 2019, 12:35:52 AM »
মানুষ কত দ্রুত চিন্তা করতে পারে? লেখা কি সম্ভব - সে যত দ্রুত একেকটা জিনিস চিন্তা করে যাচ্ছে - তা। কত দ্রুত মনের টপিক চেঞ্জ হয়।
দ্রুততা বলতে কি বোঝায়? এই হয়তো সে ভাবতেছিল নিজের ছোটবেলার কথা। এর পরই তার মনে আসলো আজকের বন্ধুর কথা। কিংবা গতকাল অফিসের কথা ভাবতে ভাবতে সে চলে গেল দেশের বাড়ীর ঈদের কথায়। মন মুহূর্তের মধ্যে পার হয়ে যায় সময় ও স্থান।
প্লেন গাড়ী দ্রুত থেকে দ্রুততর হয়েছে। কিন্তু কখনোই অতীতে যেতে পারেনি।
প্লাস্টিকের ডিম চাল মাছ সম্ভব। প্লাস্টিকের রোবট সম্ভব। রোবট হয়তো দ্রুত উত্তর দিতে পারে কিন্তু তার কি মন থাকে? সে কি কবিতা লিখতে পারে? কিংবা রাতের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখে কি মুগ্ধ হয়ে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে দেখে?
একজন হয়তো শান্তিতে আছে - আছে আনন্দে। কিন্তু তার হয়তো আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। আমাদের যত মাপকাঠি তা কেবল টাকা পরিমাপের। আমাদের প্রচলিত সংজ্ঞা অনুযায়ী - সে ব্যর্থ - তার জীবন ব্যর্থ। আর যে মানুষ ম্যান ম্যাটেরিয়াল মেশিন আর মানির সমতা এনেছে - সেই সফল।
আমি ভাবি - কি দরকার আমাদের এই বিলাসী জীবনের? যার সময় নাই নিজের ভাল লাগা জিনিসের ও মানুষের জন্য। যে বলতে পারে না - থামো যথেষ্ট হয়েছে - আর আমার কিছু দরকার নাই। আমি চাই স্তব্ধ সময়। যেখানে হুড়াহুড়ি নাই। নাই অপরকে পিছনে ফেলার হর্স রেস।
আমি দেখতে চাই আকাশ ভরা তারা। সবার মাঝে বসে গল্প করতে চাই।
কিন্তু বলা হয় না। আমাদের এই সব থেকে মূল্যবান মনটাকে কস্টে ফেলে আমরা হারিয়ে যাই কর্মযুদ্ধে। হিসেব করে চলি আনা পাই পর্যন্ত। আমাদের জানা নাই আমাদের মনের ক্ষমতা। আমরা সব পরাজিত মানুষেরা অবিরাম ছুটে চলি শস্তা টাকার পিছনে।

24
Textile Engineering / Wastage of precious minds.
« on: January 28, 2019, 12:35:06 AM »
মানুষ কত দ্রুত চিন্তা করতে পারে? লেখা কি সম্ভব - সে যত দ্রুত একেকটা জিনিস চিন্তা করে যাচ্ছে - তা। কত দ্রুত মনের টপিক চেঞ্জ হয়।
দ্রুততা বলতে কি বোঝায়? এই হয়তো সে ভাবতেছিল নিজের ছোটবেলার কথা। এর পরই তার মনে আসলো আজকের বন্ধুর কথা। কিংবা গতকাল অফিসের কথা ভাবতে ভাবতে সে চলে গেল দেশের বাড়ীর ঈদের কথায়। মন মুহূর্তের মধ্যে পার হয়ে যায় সময় ও স্থান।
প্লেন গাড়ী দ্রুত থেকে দ্রুততর হয়েছে। কিন্তু কখনোই অতীতে যেতে পারেনি।
প্লাস্টিকের ডিম চাল মাছ সম্ভব। প্লাস্টিকের রোবট সম্ভব। রোবট হয়তো দ্রুত উত্তর দিতে পারে কিন্তু তার কি মন থাকে? সে কি কবিতা লিখতে পারে? কিংবা রাতের আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ দেখে কি মুগ্ধ হয়ে কিছুক্ষণ দাড়িয়ে দেখে?
একজন হয়তো শান্তিতে আছে - আছে আনন্দে। কিন্তু তার হয়তো আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। আমাদের যত মাপকাঠি তা কেবল টাকা পরিমাপের। আমাদের প্রচলিত সংজ্ঞা অনুযায়ী - সে ব্যর্থ - তার জীবন ব্যর্থ। আর যে মানুষ ম্যান ম্যাটেরিয়াল মেশিন আর মানির সমতা এনেছে - সেই সফল।
আমি ভাবি - কি দরকার আমাদের এই বিলাসী জীবনের? যার সময় নাই নিজের ভাল লাগা জিনিসের ও মানুষের জন্য। যে বলতে পারে না - থামো যথেষ্ট হয়েছে - আর আমার কিছু দরকার নাই। আমি চাই স্তব্ধ সময়। যেখানে হুড়াহুড়ি নাই। নাই অপরকে পিছনে ফেলার হর্স রেস।
আমি দেখতে চাই আকাশ ভরা তারা। সবার মাঝে বসে গল্প করতে চাই।
কিন্তু বলা হয় না। আমাদের এই সব থেকে মূল্যবান মনটাকে কস্টে ফেলে আমরা হারিয়ে যাই কর্মযুদ্ধে। হিসেব করে চলি আনা পাই পর্যন্ত। আমাদের জানা নাই আমাদের মনের ক্ষমতা। আমরা সব পরাজিত মানুষেরা অবিরাম ছুটে চলি শস্তা টাকার পিছনে।

25
তারা ছিল অনেক দরিদ্র। খাবার জুটতো অনেক কম। তাই তারা খাবার রান্নার সময় তরকারীর খোসা গুলো সিদ্ধ করতো। খাওয়া শুরু করার আগে তারা সেই তরকারীর খোসার সিদ্ধ পানি খেয়ে নিত। যাতে ক্ষুধা কমে যায় ও আসল খাবার কম খেতে হয়।
চীনারা আগে অনেক দরিদ্র ছিল। তখন তাদের খাবারের ট্র্যাডিশন ছিল আসল খাবার শুরু করার আগে স্যুপ খাওয়া। এখন আমরা চাইনিজ খাবার খাওয়ার আগে যে স্যুপ খাই - তার এই পিছনের আসল কারণটা পেয়েছিলাম একটি বইয়ে। সেটাই উপরের বর্ণনায় আছে।
এখনকার চীন বা চায়নার সাথে কত পার্থক্য। তারা এখন পৃথিবীর অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক। সব কিছুর এতো বেশী প্রডাকশন করে যে আগের অনেক মূল্যবান সামগ্রী আমরা এখন ভ্যান গাড়িতে বিক্রি হতে দেখি। আমাদের দেশের দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের দেখি। তারা যেসব শ্রম-নির্ভর কাজ করে তা অন্য শ্রেণীর মানুষেরা মারা গেলও করবে না বা পারবেও না। এদের কখনো টেনশন করতে দেখি নাই। নিজেকে যদি ভাবি যে আজকে কাজ না পেলে না খেয়ে থাকতে হবে। তাহলে আমাদের অবস্থা কি হবে? তাদের মত প্রান্তিক জীবন যাপন আমাদের করতে হয় না। বাড়ি গাড়ী ব্যাংক ব্যালেন্স সব কিছু থাকার পরও আমরা শান্তিতে খেতেও পারি না - ঘুমাতেও পারি না। তারা কত শান্তিতে তাদের খাবার গুলো খায় আর কি নিশ্চিন্তে ঘুমায়। তারা না থাকলে আমাদের দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে যেত।
আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশ থেকে ইমিগ্রান্ট নেয় উন্নত দেশ গুলো। ইমিগ্রান্ট্রাই সচল রাখে তাদের অর্থনীতি।
আমার মতে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতে সুশাসন বিরাজ করলে বেশীর ভাগ মানুষ দেশ ত্যাগ করতেন না। তাহলে উন্নত বিশ্বের দেশ গুলো সাধারণ কাজ করার মানুষ পেত না। তাদের অর্থনীতি ধসে পড়ত। তাই তৃতীয় বিশ্বের অশান্তির পিছনে তাদের ভূমিকা থাকা অসম্ভব কিছু নয়।

26
চীনারা ছিল অনেক দরিদ্র। খাবার জুটতো অনেক কম। তাই তারা খাবার রান্নার সময় তরকারীর খোসা গুলো সিদ্ধ করতো। খাওয়া শুরু করার আগে তারা সেই তরকারীর খোসার সিদ্ধ পানি খেয়ে নিত। যাতে ক্ষুধা কমে যায় ও আসল খাবার কম খেতে হয়।
চীনারা আগে অনেক দরিদ্র ছিল। তখন তাদের খাবারের ট্র্যাডিশন ছিল আসল খাবার শুরু করার আগে স্যুপ খাওয়া। এখন আমরা চাইনিজ খাবার খাওয়ার আগে যে স্যুপ খাই - তার এই পিছনের আসল কারণটা পেয়েছিলাম একটি বইয়ে। সেটাই উপরের বর্ণনায় আছে।
এখনকার চীন বা চায়নার সাথে কত পার্থক্য। তারা এখন পৃথিবীর অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক। সব কিছুর এতো বেশী প্রডাকশন করে যে আগের অনেক মূল্যবান সামগ্রী আমরা এখন ভ্যান গাড়িতে বিক্রি হতে দেখি। আমাদের দেশের দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের দেখি। তারা যেসব শ্রম-নির্ভর কাজ করে তা অন্য শ্রেণীর মানুষেরা মারা গেলও করবে না বা পারবেও না। এদের কখনো টেনশন করতে দেখি নাই। নিজেকে যদি ভাবি যে আজকে কাজ না পেলে না খেয়ে থাকতে হবে। তাহলে আমাদের অবস্থা কি হবে? তাদের মত প্রান্তিক জীবন যাপন আমাদের করতে হয় না। বাড়ি গাড়ী ব্যাংক ব্যালেন্স সব কিছু থাকার পরও আমরা শান্তিতে খেতেও পারি না - ঘুমাতেও পারি না। তারা কত শান্তিতে তাদের খাবার গুলো খায় আর কি নিশ্চিন্তে ঘুমায়। তারা না থাকলে আমাদের দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে যেত।
আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশ থেকে ইমিগ্রান্ট নেয় উন্নত দেশ গুলো। ইমিগ্রান্ট্রাই সচল রাখে তাদের অর্থনীতি।
আমার মতে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতে সুশাসন বিরাজ করলে বেশীর ভাগ মানুষ দেশ ত্যাগ করতেন না। তাহলে উন্নত বিশ্বের দেশ গুলো সাধারণ কাজ করার মানুষ পেত না। তাদের অর্থনীতি ধসে পড়ত। তাই তৃতীয় বিশ্বের অশান্তির পিছনে তাদের ভূমিকা থাকা অসম্ভব কিছু নয়।

27
Permanent Campus of DIU / Memory can reward or can punish.
« on: December 27, 2018, 01:34:02 AM »
রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন 'আজি হতে শত বর্ষ পরে' কবিতাটি। বাংলা ১৩০০ সালে লেখা কবিতাটি।
ভাবতেছিলাম তাইতো - শত বর্ষ আগে কি ছিল? মানুষ কেমন করে দিন কাটাত? কার কার কথা আমি জানি? কার কথা ভাল বা মন্দ - কেমন ভাবে জানি?
সত্য কথা বলতে ১০০ বছর আগে আমি কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে চিনিনা। যতটুকু ইতিহাস বইয়ে আছে তার অল্পটুকুই জানি। আমাদের দিন কেটে যায় ব্যস্ততায়। আগের দিনের কথাই মনে থাকে না। আমাদের স্মৃতিতে শুধু আমাদের চারিপাশের মানুষেরাই থাকে। আর থাকে নিজের জীবনের সারাংশ। কিভাবে নিজের জীবন কাটিয়েছি। কে বন্ধু ছিল কাকে এড়িয়ে চলতাম - এইগুলো।
বর্তমানকাল কতক্ষণকে বলা হয়? আজকের যতটুকু আমাদের মনে থাকে ততটুকুই নয় কি? এর বাইরে পুরোটুকুই অতীত নয় কি? আমরা কতটুকু নিজের সাথে নিয়ে যাবো? আমরা কি শুধু পরিচিত মানুষের মাঝে স্মৃতিটুকুই রেখে যাব না?
শুধু অন্যের ভাল বা মন্দের স্মৃতি কি আমাদের মনে থাকবে না?
নিজের জীবনের সায়াহ্নে স্মৃতি নিয়ে নাড়াচাড়া করবো। সবাই করে।
এই বয়সে এখনই শুরু হয়ে গেছে স্মৃতি রোমন্থন।
নিজের অতীত নিয়ে কারো যদি হা হুতাস বা দুঃখ জাগে - এর থেকে কষ্টকর আর কিছু নাই। অতীত কখনো কাউকে কামড় দিতে পারে না। কোন ভাল মন্দ করতে পারে না। যা করতে পারে তা হল বিবেকের দংশন। যারা অন্যের ক্ষতি করে - অন্যের কষ্টের কারণ ঘটায়। যার কষ্টের কারণ ঘটিয়েছে বা ক্ষতি করেছে তার মনে না থাকলেও - যার যার অন্যায় তার নিজের মনে থাকে। আমাদের মনের কথা কত বিস্তারিত ভাবেই না আমরা নিজেরা জানি - যা আর অন্য কেউ জানে না। মানুষ বর্তমানকে ভয় না পেতে পারে। কেননা বর্তমানে সে কি করবে তা সে ঠিক করতে পারে। কিন্তু অতীত হল রিড অনলি। অতীত কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। যদি ভাল সময় কাটিয়ে থাকে তাহলে স্মৃতি হয় আনন্দের। আর অতীতে যদি সে অন্যের দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে তাহলে নিজেকে অভিশপ্ত মানুষ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না।

28
Textile Engineering / Memory can reward or can punish.
« on: December 27, 2018, 01:33:17 AM »
রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন 'আজি হতে শত বর্ষ পরে' কবিতাটি। বাংলা ১৩০০ সালে লেখা কবিতাটি।
ভাবতেছিলাম তাইতো - শত বর্ষ আগে কি ছিল? মানুষ কেমন করে দিন কাটাত? কার কার কথা আমি জানি? কার কথা ভাল বা মন্দ - কেমন ভাবে জানি?
সত্য কথা বলতে ১০০ বছর আগে আমি কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে চিনিনা। যতটুকু ইতিহাস বইয়ে আছে তার অল্পটুকুই জানি। আমাদের দিন কেটে যায় ব্যস্ততায়। আগের দিনের কথাই মনে থাকে না। আমাদের স্মৃতিতে শুধু আমাদের চারিপাশের মানুষেরাই থাকে। আর থাকে নিজের জীবনের সারাংশ। কিভাবে নিজের জীবন কাটিয়েছি। কে বন্ধু ছিল কাকে এড়িয়ে চলতাম - এইগুলো।
বর্তমানকাল কতক্ষণকে বলা হয়? আজকের যতটুকু আমাদের মনে থাকে ততটুকুই নয় কি? এর বাইরে পুরোটুকুই অতীত নয় কি? আমরা কতটুকু নিজের সাথে নিয়ে যাবো? আমরা কি শুধু পরিচিত মানুষের মাঝে স্মৃতিটুকুই রেখে যাব না?
শুধু অন্যের ভাল বা মন্দের স্মৃতি কি আমাদের মনে থাকবে না?
নিজের জীবনের সায়াহ্নে স্মৃতি নিয়ে নাড়াচাড়া করবো। সবাই করে।
এই বয়সে এখনই শুরু হয়ে গেছে স্মৃতি রোমন্থন।
নিজের অতীত নিয়ে কারো যদি হা হুতাস বা দুঃখ জাগে - এর থেকে কষ্টকর আর কিছু নাই। অতীত কখনো কাউকে কামড় দিতে পারে না। কোন ভাল মন্দ করতে পারে না। যা করতে পারে তা হল বিবেকের দংশন। যারা অন্যের ক্ষতি করে - অন্যের কষ্টের কারণ ঘটায়। যার কষ্টের কারণ ঘটিয়েছে বা ক্ষতি করেছে তার মনে না থাকলেও - যার যার অন্যায় তার নিজের মনে থাকে। আমাদের মনের কথা কত বিস্তারিত ভাবেই না আমরা নিজেরা জানি - যা আর অন্য কেউ জানে না। মানুষ বর্তমানকে ভয় না পেতে পারে। কেননা বর্তমানে সে কি করবে তা সে ঠিক করতে পারে। কিন্তু অতীত হল রিড অনলি। অতীত কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। যদি ভাল সময় কাটিয়ে থাকে তাহলে স্মৃতি হয় আনন্দের। আর অতীতে যদি সে অন্যের দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে তাহলে নিজেকে অভিশপ্ত মানুষ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না।

29
Permanent Campus of DIU / Learning from history.
« on: December 18, 2018, 10:58:05 PM »
মনে পড়ে ১৯৯১ সালে শিক্ষা সফরে যাওয়ার সময় হার্ডিঞ্জ ব্রীজের পাশে ছবি তুলেছিলাম। সেই ছবিটা এখনও আমার কাছে আছে। 
এইবছর ২০১৮ সালে অর্থাৎ ২৭ বছর পর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে করে এই হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আবার পার হলাম। ব্রিজটি ঠিক একই রকম আছে। এই ব্রিজটার মেইন্টেনেন্স বলতে এইটাকে নিয়মিত রঙ করতে হয়। কেননা এই ব্রিজটা লোহার তৈরি। না হলে ব্রিজে জং পড়ে যাবে। গুগুলে দেখতেছি ১৯১৫ সালে এই ব্রিজ দিয়ে ট্রেন চলা শুরু হয়। তার মানে ১০৩ বছরের বেশী এই ব্রিজের বয়স। ব্রিটিশ শাসন আমলে তৈরি হয়েছে এই ব্রিজ। তার পরও কত মজবুত আছে।
ভাবতেছিলাম ব্রিটিশরা কি কি উন্নয়ন করেছিল?
আমাদের দেশের সিংহ ভাগ রেল লাইন তাদের তৈরি করা। ব্রিজ কাল্ভারট রাস্তা ঘাটও অনেক তৈরি করেছে তারা। অনেক স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিও তারা প্রতিষ্ঠা করেছে।
এই অঞ্চলের এতো উন্নয়ন করার পরও তাদের বিদায় নিতে হয়েছে।
বিদায় নিতে হয়েছে কেননা মানুষ শুধু কাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে থাকেনা। তারা চায় কথা বলতে আরও চায় তার সব অধিকার সুরক্ষিত আছে কিনা তার নিশ্চয়তা। মানুষ তার মনের আবেগগত বিষয় গুলোর সুরক্ষা না পেলে বিদ্রোহী হয়ে উঠে।
তাই ব্রিটিশদের বিদায় নিতে হয়েছে। ব্রিটিশদের বিদায় হতে পারে সকল দল মতের জন্য একটি মৌলিক শিক্ষা।

(যত রাস্তাঘাট ও ব্রিজ তৈরি করুক না কেন - আমাদের দেশে ব্রিটিশ সময়ের ইতিহাস মানে বঞ্চনা ও শোষণের ইতিহাস। ব্রিটিশরা আমাদের দেশের মানুষদেরকে শোষণ করে নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছিল। এক সময় গর্ব করে বলা হত - ব্রিটিশ সম্রাজ্য থেকে কখনো সূর্য অস্ত যায় না। এইটা ছিল তাদের জন্য গর্বের বিষয়। তাদের বর্তমান জেনারেশনের কাছে তাদের পূর্ব পুরুষদের নিষ্ঠুর শোষণ ও নির্যাতনের কাহিনী এখন লজ্জার কারণ।)

30
Textile Engineering / Learning from history.
« on: December 18, 2018, 10:56:11 PM »
মনে পড়ে ১৯৯১ সালে শিক্ষা সফরে যাওয়ার সময় হার্ডিঞ্জ ব্রীজের পাশে ছবি তুলেছিলাম। সেই ছবিটা এখনও আমার কাছে আছে। 
এইবছর ২০১৮ সালে অর্থাৎ ২৭ বছর পর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে করে এই হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আবার পার হলাম। ব্রিজটি ঠিক একই রকম আছে। এই ব্রিজটার মেইন্টেনেন্স বলতে এইটাকে নিয়মিত রঙ করতে হয়। কেননা এই ব্রিজটা লোহার তৈরি। না হলে ব্রিজে জং পড়ে যাবে। গুগুলে দেখতেছি ১৯১৫ সালে এই ব্রিজ দিয়ে ট্রেন চলা শুরু হয়। তার মানে ১০৩ বছরের বেশী এই ব্রিজের বয়স। ব্রিটিশ শাসন আমলে তৈরি হয়েছে এই ব্রিজ। তার পরও কত মজবুত আছে।
ভাবতেছিলাম ব্রিটিশরা কি কি উন্নয়ন করেছিল?
আমাদের দেশের সিংহ ভাগ রেল লাইন তাদের তৈরি করা। ব্রিজ কাল্ভারট রাস্তা ঘাটও অনেক তৈরি করেছে তারা। অনেক স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিও তারা প্রতিষ্ঠা করেছে।
এই অঞ্চলের এতো উন্নয়ন করার পরও তাদের বিদায় নিতে হয়েছে।
বিদায় নিতে হয়েছে কেননা মানুষ শুধু কাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে থাকেনা। তারা চায় কথা বলতে আরও চায় তার সব অধিকার সুরক্ষিত আছে কিনা তার নিশ্চয়তা। মানুষ তার মনের আবেগগত বিষয় গুলোর সুরক্ষা না পেলে বিদ্রোহী হয়ে উঠে।
তাই ব্রিটিশদের বিদায় নিতে হয়েছে। ব্রিটিশদের বিদায় হতে পারে সকল দল মতের জন্য একটি মৌলিক শিক্ষা।

(যত রাস্তাঘাট ও ব্রিজ তৈরি করুক না কেন - আমাদের দেশে ব্রিটিশ সময়ের ইতিহাস মানে বঞ্চনা ও শোষণের ইতিহাস। ব্রিটিশরা আমাদের দেশের মানুষদেরকে শোষণ করে নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছিল। এক সময় গর্ব করে বলা হত - ব্রিটিশ সম্রাজ্য থেকে কখনো সূর্য অস্ত যায় না। এইটা ছিল তাদের জন্য গর্বের বিষয়। তাদের বর্তমান জেনারেশনের কাছে তাদের পূর্ব পুরুষদের নিষ্ঠুর শোষণ ও নির্যাতনের কাহিনী এখন লজ্জার কারণ।)

Pages: 1 [2] 3 4 ... 20