Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: 1 ... 16 17 [18] 19 20 ... 24
256
Textile Engineering / Deformed view about fitness.
« on: August 05, 2017, 09:15:29 PM »
আমি ভাবি যে প্রবলেমটা কোথায়?
মানুষ যখন মন দিয়ে সিরিয়াস ভাবে পড়াশোনা করে সে আনফিট হয়ে যায় সহপাঠীদের কাছে।
যখন সে সৎ ভাবে কঠোর পরিশ্রম করে সে আনফিট হয়ে যায় সহকর্মীদের কাছে।
সে যখন অন্য মানুষের সুবিধা অসুবিধা ভেবে কাজ করে - সমাজের কাছে সে হয়ে যায় বোকা।
সে যখন সত্য কথা বলে - সবাই তাকে এড়িয়ে চলে। সে যখন প্রতিশোধ নেয় না - সবাই তাকে আরো পেয়ে বসে।
আমি ভাবি তাহলে সততা পরিশ্রম ও শিক্ষার এতো মহিমার এতো প্রচার কেন?
আমাদের দৌড় স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটি পর্যন্তই। সেখানে যা শিখি - তা কেবলমাত্র সেইখানেই প্রযোজ্য। এর বাইরে আসলেই উল্টো জগত উল্টো ভূবন। যে জীবনে যত বেশী শিক্ষিত ও মার্জিত - যে যত বেশী সত্যবাদী ও সৎ সে তত বেশী আনফিট।
সমস্যাটা কোথায়?
পরিবার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে যেন উলটো জগত। সততা হল বোকামী - কঠোর পরিশ্রম হল বেগার খাটুনি। ভাল মানুষ হওয়া দুর্বলতার অপর নাম।
যতদিন মানুষের ফিটনেসের ব্যাপারে আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গী বদলাবে না - ততদিন আমাদের দুর্দশাও ঘুচাবে না।

(আমার ফেসবুক পোস্ট থেকে)

257
Permanent Campus of DIU / Emotional numbers.
« on: August 05, 2017, 12:52:09 AM »
নাম্বার নিয়ে ভাবতেছিলাম।
আমার ক্যাডেট নাম্বার ছিল ৪৫৩। কি এক মোহময় মনে হয় এই সংখ্যাটিকে। আমার সারাজীবনের স্মৃতির খাতায় লেখা থাকবে এই নাম্বারটি। কত গ্রামে এক পাউন্ড? অনেকেরই কিছুটা সময় লাগবে এর উত্তর বলতে। আমার কাছে এইটা পানির মত সহজ। ৪৫৩.৬ গ্রামে এক পাউন্ড।
ক্লাস সেভেনে আমার প্রথম রুম ছিল ২০৬। খুব মজা পেয়েছিলাম বইয়ে পড়ে যে - মানুষের শরীরেও ২০৬ টি হাড় থাকে।
মানুষের শরীরে কয়টি হাড় থাকে - সাধারণ জ্ঞানের এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে এখনো পানির মতই সহজ মনে হয়।
কোন নির্দিষ্ট গাড়ী চেনার উপায় হল তার নাম্বারটি মনে রাখা। কেননা একই রং ও মডেলের অনেক গাড়ী থাকে। যখন একই মডেল ও রঙয়ের একাধিক গাড়ি পাশাপাশি থাকে - তখন গাড়ির মালিকের পক্ষেও তার নিজের গাড়ী চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে যায়। এইটা আমাকে ছোটবেলায় একজন ড্রাইভার শিখিয়েছিল।
আমার বাবা অফিস থেকে গাড়ী পেতেন। তার জীবনে অফিসের শেষ গাড়ির নাম্বারটির শুরু ছিল ৬৯ দিয়ে। বহুদিন পর্যন্ত আমি যদি গাড়ির ৬৯ দিয়ে নাম্বার শুরু দেখতাম - কিছু স্মৃতি মনে পড়ে যেত। বহুদিন পর বনানীতে ঠিক ওই গাড়ীটাই দেখলাম - তাও আমার একজন পরিচিতর বাসায়। সেই একই মডেল ও নাম্বারের গাড়ী শুধু রং সাদা থেকে ধূসর হয়ে গেছে।
আমার দুলাভাই মারা গেছেন ৮ বছর আগে। আমাকে ঠিক তার ছোট ভাইয়ের মতই স্নেহ করতেন। তার বহুদিন ব্যাবহার করা অফিসের জীপটির নাম্বারের শুরু ছিল ৩৩ দিয়ে। এখনো মাঝে মাঝে উত্তরাতে ৩৩ দিয়ে শুরু সেই একই রঙয়ের জীপ যেতে দেখি। সেই জীপটিও দেখি। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ও আমার মনে কিছু স্মৃতি জেগে উঠে।
নাম্বার মানে শুধু হিসেব নিকেশ নয়। আমাদের আবেগের অনেক কিছুই থাকে এই সংখ্যা বা নাম্বার ঘিরে।
দিনে দিনে আমার স্মৃতিতে শুধু আবেগঘন নাম্বার যোগ হয়ে চলেছে।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে।)

258
Textile Engineering / Emotional numbers.
« on: August 05, 2017, 12:51:25 AM »
নাম্বার নিয়ে ভাবতেছিলাম।
আমার ক্যাডেট নাম্বার ছিল ৪৫৩। কি এক মোহময় মনে হয় এই সংখ্যাটিকে। আমার সারাজীবনের স্মৃতির খাতায় লেখা থাকবে এই নাম্বারটি। কত গ্রামে এক পাউন্ড? অনেকেরই কিছুটা সময় লাগবে এর উত্তর বলতে। আমার কাছে এইটা পানির মত সহজ। ৪৫৩.৬ গ্রামে এক পাউন্ড।
ক্লাস সেভেনে আমার প্রথম রুম ছিল ২০৬। খুব মজা পেয়েছিলাম বইয়ে পড়ে যে - মানুষের শরীরেও ২০৬ টি হাড় থাকে।
মানুষের শরীরে কয়টি হাড় থাকে - সাধারণ জ্ঞানের এই প্রশ্নের উত্তর আমার কাছে এখনো পানির মতই সহজ মনে হয়।
কোন নির্দিষ্ট গাড়ী চেনার উপায় হল তার নাম্বারটি মনে রাখা। কেননা একই রং ও মডেলের অনেক গাড়ী থাকে। যখন একই মডেল ও রঙয়ের একাধিক গাড়ি পাশাপাশি থাকে - তখন গাড়ির মালিকের পক্ষেও তার নিজের গাড়ী চিহ্নিত করা কঠিন হয়ে যায়। এইটা আমাকে ছোটবেলায় একজন ড্রাইভার শিখিয়েছিল।
আমার বাবা অফিস থেকে গাড়ী পেতেন। তার জীবনে অফিসের শেষ গাড়ির নাম্বারটির শুরু ছিল ৬৯ দিয়ে। বহুদিন পর্যন্ত আমি যদি গাড়ির ৬৯ দিয়ে নাম্বার শুরু দেখতাম - কিছু স্মৃতি মনে পড়ে যেত। বহুদিন পর বনানীতে ঠিক ওই গাড়ীটাই দেখলাম - তাও আমার একজন পরিচিতর বাসায়। সেই একই মডেল ও নাম্বারের গাড়ী শুধু রং সাদা থেকে ধূসর হয়ে গেছে।
আমার দুলাভাই মারা গেছেন ৮ বছর আগে। আমাকে ঠিক তার ছোট ভাইয়ের মতই স্নেহ করতেন। তার বহুদিন ব্যাবহার করা অফিসের জীপটির নাম্বারের শুরু ছিল ৩৩ দিয়ে। এখনো মাঝে মাঝে উত্তরাতে ৩৩ দিয়ে শুরু সেই একই রঙয়ের জীপ যেতে দেখি। সেই জীপটিও দেখি। পাশ দিয়ে যাওয়ার সময়ও আমার মনে কিছু স্মৃতি জেগে উঠে।
নাম্বার মানে শুধু হিসেব নিকেশ নয়। আমাদের আবেগের অনেক কিছুই থাকে এই সংখ্যা বা নাম্বার ঘিরে।
দিনে দিনে আমার স্মৃতিতে শুধু আবেগঘন নাম্বার যোগ হয়ে চলেছে।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে।)

259
Permanent Campus of DIU / Writer's block - to some it is a pain.
« on: August 01, 2017, 11:01:14 PM »
রাইটার্স ব্লক বলে একটি কথা আছে। যখন কোন লেখক কিছুদিন লিখতে পারেন না।
এর কারণটা কি?
লেখকের মানসিক অবস্থাই হল রাইটার্স ব্লকের কারণ।
যখন লিখতে গেলে মনে হয় - অযথাই এই লেখা - কেউ মন দিয়ে অনুভব করতেছে না। অথবা লেখার জন্য অজস্র জিনিস মাথার মধ্যে ঘুড়ে - তখনই রাইটার্স ব্লক দেখা দেয়। এছাড়াও লেখক যখন নিখুত একটি লেখা লিখতে চান - তখন রাইটার'স ব্লক দেখা দেয়। এর পিছনের আরো কিছু কারণ হলঃ পারিপার্শ্বিক পরিবর্তন অথবা অস্থির মানসিক অবস্থা। 
লেখক মানেই লিখে চলবেন। লেখার গুরুত্ব অপরিসীম। মন মত লেখা না লিখতে পারলে - লেখকের মনে বেদনা জাগে।
কেউ যদি কিছু লিখে - তাহলে তার রেকর্ড থাকে অনেক বছর পর্যন্ত।
অনেকে থাকেন যারা গুছিয়ে কথা বলতে ততটা পারেন না। কিন্তু খুব সুন্দর লিখতে পারেন। আবার কেউ কেউ থাকেন যারা কথা দিয়ে খুব সুন্দর সব কিছু ম্যানেজ করে ফেলেন কিন্তু লিখতে হলে তারা একেবারেই আনাড়ি।
আবার কেউ কেউ মুখের কথায় রাজা উজির মেরে চলেন সারাদিন। কেউ বা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ঝড়িয়ে চলেন নিরন্তর। এই শ্রেণীর মানুষেরা লিখতে ভয় পান - যা তিনি বলতেছেন।
লেখার সাথে সততার যোগাযোগ আছে। অলিখিত কোন কিছুই নির্ভরযোগ্য নয়। অসৎ মানুষেরা সারাজীবনই রাইটার্স ব্লকে ভুগেন। 
তবে আমরা সবাই জীবনে কিছু মানুষের সংস্পর্শে আসি - যাদের মুখের কথাও - অনেকের লেখার থেকে অনেক বেশী নির্ভরযোগ্য।

260
Textile Engineering / Writer's block - to some it is a pain.
« on: August 01, 2017, 10:58:56 PM »
রাইটার্স ব্লক বলে একটি কথা আছে। যখন কোন লেখক কিছুদিন লিখতে পারেন না।
এর কারণটা কি?
লেখকের মানসিক অবস্থাই হল রাইটার্স ব্লকের কারণ।
যখন লিখতে গেলে মনে হয় - অযথাই এই লেখা - কেউ মন দিয়ে অনুভব করতেছে না। অথবা লেখার জন্য অজস্র জিনিস মাথার মধ্যে ঘুড়ে - তখনই রাইটার্স ব্লক দেখা দেয়। এছাড়াও লেখক যখন নিখুত একটি লেখা লিখতে চান - তখন রাইটার'স ব্লক দেখা দেয়। এর পিছনের আরো কিছু কারণ হলঃ পারিপার্শ্বিক পরিবর্তন অথবা অস্থির মানসিক অবস্থা। 
লেখক মানেই লিখে চলবেন। লেখার গুরুত্ব অপরিসীম। মন মত লেখা না লিখতে পারলে - লেখকের মনে বেদনা জাগে।
কেউ যদি কিছু লিখে - তাহলে তার রেকর্ড থাকে অনেক বছর পর্যন্ত।
অনেকে থাকেন যারা গুছিয়ে কথা বলতে ততটা পারেন না। কিন্তু খুব সুন্দর লিখতে পারেন। আবার কেউ কেউ থাকেন যারা কথা দিয়ে খুব সুন্দর সব কিছু ম্যানেজ করে ফেলেন কিন্তু লিখতে হলে তারা একেবারেই আনাড়ি।
আবার কেউ কেউ মুখের কথায় রাজা উজির মেরে চলেন সারাদিন। কেউ বা প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ঝড়িয়ে চলেন নিরন্তর। এই শ্রেণীর মানুষেরা লিখতে ভয় পান - যা তিনি বলতেছেন।
লেখার সাথে সততার যোগাযোগ আছে। অলিখিত কোন কিছুই নির্ভরযোগ্য নয়। অসৎ মানুষেরা সারাজীবনই রাইটার্স ব্লকে ভুগেন। 
তবে আমরা সবাই জীবনে কিছু মানুষের সংস্পর্শে আসি - যাদের মুখের কথাও - অনেকের লেখার থেকে অনেক বেশী নির্ভরযোগ্য।

261
Textile Engineering / Timeonomics.
« on: July 24, 2017, 10:50:51 PM »
কেন যেন আমার মনে হচ্ছে এখন টাকা কোন দুর্লভ জিনিস নয়। আমার বেশ কিছু সার্কেলে দেখেছি - কোন ভাল কাজের জন্য টাকা লাগবে? বা কারো সাহায্য লাগবে? সাথে সাথে টাকা জোগাড় হয়ে গেছে। যত লাগবে তার থেকেও অনেক বেশী। কিন্তু কাজটি ফলোআপ করার জন্য কোন ডেডিকেডেড কাউকে পাওয়া যায় না। সবাই যার যার পেশায় মহা ব্যস্ত।
এখন মানুষের কাছে সময় পাওয়া খুব কঠিন একটি ব্যাপার।
অর্থনীতি বিষয়ে টাকা বা অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়। যেমন অর্থ নিয়ে সরকার কি করলে কি হয়। বা এক জন অনেক টাকা পেলে কি কি আইটেম কিনে। মানুষের হাতে প্রচুর টাকা থাকলে কি হয় - ইত্যাদি।
এখন আর 'অর্থ' কঠিন কোন কিছু নয়। এখন আমাদের কাছে 'সময়' একটি দুর্লভ জিনিস। তাই অর্থনীতির জায়গায় নতুন বিষয় - সময়নীতি নামে নতুন বিষয় পরিচিত করা যেতে পারে বলেই আমার মনে হয়। যেখানে আমরা শিখব আমাদের পরিবারে সমাজে ও পেশায় কোথায় কখন কত টুকু সময় দিলে তার ফলাফল কি হয়।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস ২৪ - ০৭ - ২০১৭ থেকে)

262
Permanent Campus of DIU / Timeonomics.
« on: July 24, 2017, 10:47:51 PM »
কেন যেন আমার মনে হচ্ছে এখন টাকা কোন দুর্লভ জিনিস নয়। আমার বেশ কিছু সার্কেলে দেখেছি - কোন ভাল কাজের জন্য টাকা লাগবে? বা কারো সাহায্য লাগবে? সাথে সাথে টাকা জোগাড় হয়ে গেছে। যত লাগবে তার থেকেও অনেক বেশী। কিন্তু কাজটি ফলোআপ করার জন্য কোন ডেডিকেডেড কাউকে পাওয়া যায় না। সবাই যার যার পেশায় মহা ব্যস্ত।
এখন মানুষের কাছে সময় পাওয়া খুব কঠিন একটি ব্যাপার।
অর্থনীতি বিষয়ে টাকা বা অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়। যেমন অর্থ নিয়ে সরকার কি করলে কি হয়। বা এক জন অনেক টাকা পেলে কি কি আইটেম কিনে। মানুষের হাতে প্রচুর টাকা থাকলে কি হয় - ইত্যাদি।
এখন আর 'অর্থ' কঠিন কোন কিছু নয়। এখন আমাদের কাছে 'সময়' একটি দুর্লভ জিনিস। তাই অর্থনীতির জায়গায় নতুন বিষয় - সময়নীতি নামে নতুন বিষয় পরিচিত করা যেতে পারে বলেই আমার মনে হয়। যেখানে আমরা শিখব আমাদের পরিবারে সমাজে ও পেশায় কোথায় কখন কত টুকু সময় দিলে তার ফলাফল কি হয়।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস ২৪ - ০৭ - ২০১৭ থেকে)

263
Textile Engineering / Different aspects of profession.
« on: July 13, 2017, 11:24:05 PM »
হঠাৎ করে 'পেশা' নিয়ে লিখতে মন চাইলো। পেশা এমন একটা জিনিস যা মন মত না হলে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যায়। কাউকে কাউকে দেখে মনে হয় যে তিনি যেন এই পেশাতে যোগ দিবেন - এই জন্যই তার জন্ম হয়েছে। যারা নিজের পেশাকে শুধু অর্থ উপার্জনের অবলম্বন মনে করেন না - মনে করেন যে এইটা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ - তাদের ক্ষেত্রেই এইটা মনে হয়। আমার পর্যবেক্ষণ বলে সামরিক পেশায় ও ডাক্তার এই দুই পেশায় যারা আছেন তাদের বেশীর ভাগই এই দলে পড়েন।
এছাড়াও যারা নিজের পেশাকে মনপ্রান দিয়ে ভালবাসেন তারা চান - তাদের সন্তানও এই একই পেশায় যেন আসে। সমবয়সী অনেকের পেশা এই কারণেই নির্দিষ্ট হতে দেখেছি।
ছোটবেলায় আমাদের সবাইকেই এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় যে, " বড় হলে কি হতে চাও।" আমরাও কিছুই না বুঝেই কেউ উত্তর দিতাম ইঞ্জিনিয়ার বা কেউ বলতাম ডাক্তার। হঠাৎ হয়ত কেউ বলত পাইলট হবে। এর বাইরে আর কোন উত্তর ছিল না - এইটা মনে আছে।
আপনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরীতে যান - দেখবেন সেখানে জড় হয়েছে সব পড়ুয়া স্টুডেন্টরা। এদের সকলের মন মানুশিকতায় মিল পাবেন। তাদের মাঠে যান দেখবেন সেখানে জড় হয়েছে যারা খেলাধুলা পছন্দ করে তারা। এদেরও সকলের মন মানুশিকতায় মিল পাবেন। কে লাইব্রেরীতে যাবে ও কে মাঠে যাবে তা তারা নিজেরা সকালেই ভেবে রেখেছে।
একই ভাবে নির্দিষ্ট পেশায় পুরো একই না হলেও কাছাকাছি মন মানুশিকতার মানুষেরা আসে। অনেক ক্ষেত্রেই যে পেশায় জীবনে কষ্ট ও ত্যাগ করতে হয় - সেই পেশায় সৎ ও বিবেকবান মানুষেরা আসে। আবার যারা দুর্নীতি করে অর্থ উপার্জন করতে চায় তারাও নির্দিষ্ট পেশা ও চাকুরীতে জমা হন। এই ভাবেই একটি দেশের বিভিন্ন সেক্টরের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায়।
ভাল মানুষ আসবে আর ট্রেডিশন চেঞ্জ হবে এই আশায় সবাই বসে থাকে। কিন্তু ভালো মানুশটিও পুরানো ট্রেডিশনের জাতাকলে পড়ে হাল ছেড়ে দেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে কিছু পরিবর্তন হয় আমাদের অলক্ষ্যে।

(আমার ফেসবুক পোস্ট ১৩ - ০৭ - ২০১৭ থেকে)

264
Permanent Campus of DIU / Different aspects of profession.
« on: July 13, 2017, 11:18:19 PM »
হঠাৎ করে 'পেশা' নিয়ে লিখতে মন চাইলো। পেশা এমন একটা জিনিস যা মন মত না হলে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে যায়। কাউকে কাউকে দেখে মনে হয় যে তিনি যেন এই পেশাতে যোগ দিবেন - এই জন্যই তার জন্ম হয়েছে। যারা নিজের পেশাকে শুধু অর্থ উপার্জনের অবলম্বন মনে করেন না - মনে করেন যে এইটা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ - তাদের ক্ষেত্রেই এইটা মনে হয়। আমার পর্যবেক্ষণ বলে সামরিক পেশায় ও ডাক্তার এই দুই পেশায় যারা আছেন তাদের বেশীর ভাগই এই দলে পড়েন।
এছাড়াও যারা নিজের পেশাকে মনপ্রান দিয়ে ভালবাসেন তারা চান - তাদের সন্তানও এই একই পেশায় যেন আসে। সমবয়সী অনেকের পেশা এই কারণেই নির্দিষ্ট হতে দেখেছি।
ছোটবেলায় আমাদের সবাইকেই এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় যে, " বড় হলে কি হতে চাও।" আমরাও কিছুই না বুঝেই কেউ উত্তর দিতাম ইঞ্জিনিয়ার বা কেউ বলতাম ডাক্তার। হঠাৎ হয়ত কেউ বলত পাইলট হবে। এর বাইরে আর কোন উত্তর ছিল না - এইটা মনে আছে।
আপনি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লাইব্রেরীতে যান - দেখবেন সেখানে জড় হয়েছে সব পড়ুয়া স্টুডেন্টরা। এদের সকলের মন মানুশিকতায় মিল পাবেন। তাদের মাঠে যান দেখবেন সেখানে জড় হয়েছে যারা খেলাধুলা পছন্দ করে তারা। এদেরও সকলের মন মানুশিকতায় মিল পাবেন। কে লাইব্রেরীতে যাবে ও কে মাঠে যাবে তা তারা নিজেরা সকালেই ভেবে রেখেছে।
একই ভাবে নির্দিষ্ট পেশায় পুরো একই না হলেও কাছাকাছি মন মানুশিকতার মানুষেরা আসে। অনেক ক্ষেত্রেই যে পেশায় জীবনে কষ্ট ও ত্যাগ করতে হয় - সেই পেশায় সৎ ও বিবেকবান মানুষেরা আসে। আবার যারা দুর্নীতি করে অর্থ উপার্জন করতে চায় তারাও নির্দিষ্ট পেশা ও চাকুরীতে জমা হন। এই ভাবেই একটি দেশের বিভিন্ন সেক্টরের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে যায়।
ভাল মানুষ আসবে আর ট্রেডিশন চেঞ্জ হবে এই আশায় সবাই বসে থাকে। কিন্তু ভালো মানুশটিও পুরানো ট্রেডিশনের জাতাকলে পড়ে হাল ছেড়ে দেন। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে কিছু পরিবর্তন হয় আমাদের অলক্ষ্যে।

(আমার ফেসবুক পোস্ট ১৩ - ০৭ - ২০১৭ থেকে।)

265
আজকে আমার বড় ভাইয়ের ক্লাস মেটের বাবা মারা গেলেন। জানাজার পর গেলাম কবরস্থানে। আমার বাবার কবরও ২০ বছর আগে এই একই কবরস্থানে হয়েছিল। আমার দুলাভাইয়ের কবরও এই একই কবরস্থানে হয়েছে ৮ বছর আগে।
কি শান্ত ও নিরিবিলি এই কবরস্থানটা। কয়েকটা অনেক বড় বড় গাছ আছে। বট গাছ গোত্রীয় গাছ গুলো। বড় বড় ঝুড়ি নেমে এসেছে মাটিতে। এছাড়াও আছে প্রচুর গাছ পালা। আজকে বিকালে বাতাস বইছিল। অনেক স্নিগ্ধ আর মনোরম পরিবেশ ছিল সেখানে।
আমার বাবার মৃত্যুর পর প্রতি বছরই যেতাম সেখানে। বিশেষতঃ ঈদের দিনে। মাঝে বাদ পরেছিল কিছু বছর। তাই আমার বাবার কবরটি খুঁজে পেতে কিছুটা কষ্টই হয়েছে। আগাছা ও গাছে ভরে আছে জায়গাটি। পাশের কবরের নাম ফলক ও মৃত্যু দিন দেখে দেখে সনাক্ত করতে পারলাম আমার বাবার কবর। কবরস্থানের কেয়ার টেকারও দেখালো ওইটিই আমার বাবার কবর।
আমার বাবার কবরের আগের দুইটা কবর যাদের তারা মৃত্যুর আগে হাসপাতালে আমার বাবার সাথে একই রুমে ছিলেন। এখনো চোখে ভাসে তাদের জীবিত কালের ছবি। কি অদ্ভুত আমাদের নিয়তি।
এই ঈদের আগের দিন মৃত্যু ও কবরস্থান নিয়ে লিখতেছি কেন - এইটা তারাই সহজে বুঝবে যাদের কাছের কেউ বিশেষতঃ পরিবারের কেউ মারা গিয়েছেন। খুশির যে কোন ঘটনা ও দিন মনে পড়িয়ে দেয় - এর আগে কেউ একজন ছিল পাশে। এখন সে পাশে নাই।
এইটা এমন এক হাহাকার যা অনুভব করতে পারে তারাই যারা কোন প্রিয়জনকে হারিয়েছেন।
যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন আল্লাহ তাদের শোক সহ্য করার ক্ষমতা দিন এই দোয়া করি। সাথে সাথে যারা মৃত তাদেরকে যেন আল্লাহ শান্তিতে রাখেন এই দোয়া করি।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস ২৬ - ০৬ - ২০১৭)

266
আজকে আমার বড় ভাইয়ের ক্লাস মেটের বাবা মারা গেলেন। জানাজার পর গেলাম কবরস্থানে। আমার বাবার কবরও ২০ বছর আগে এই একই কবরস্থানে হয়েছিল। আমার দুলাভাইয়ের কবরও এই একই কবরস্থানে হয়েছে ৮ বছর আগে।
কি শান্ত ও নিরিবিলি এই কবরস্থানটা। কয়েকটা অনেক বড় বড় গাছ আছে। বট গাছ গোত্রীয় গাছ গুলো। বড় বড় ঝুড়ি নেমে এসেছে মাটিতে। এছাড়াও আছে প্রচুর গাছ পালা। আজকে বিকালে বাতাস বইছিল। অনেক স্নিগ্ধ আর মনোরম পরিবেশ ছিল সেখানে।
আমার বাবার মৃত্যুর পর প্রতি বছরই যেতাম সেখানে। বিশেষতঃ ঈদের দিনে। মাঝে বাদ পরেছিল কিছু বছর। তাই আমার বাবার কবরটি খুঁজে পেতে কিছুটা কষ্টই হয়েছে। আগাছা ও গাছে ভরে আছে জায়গাটি। পাশের কবরের নাম ফলক ও মৃত্যু দিন দেখে দেখে সনাক্ত করতে পারলাম আমার বাবার কবর। কবরস্থানের কেয়ার টেকারও দেখালো ওইটিই আমার বাবার কবর।
আমার বাবার কবরের আগের দুইটা কবর যাদের তারা মৃত্যুর আগে হাসপাতালে আমার বাবার সাথে একই রুমে ছিলেন। এখনো চোখে ভাসে তাদের জীবিত কালের ছবি। কি অদ্ভুত আমাদের নিয়তি।
এই ঈদের আগের দিন মৃত্যু ও কবরস্থান নিয়ে লিখতেছি কেন - এইটা তারাই সহজে বুঝবে যাদের কাছের কেউ বিশেষতঃ পরিবারের কেউ মারা গিয়েছেন। খুশির যে কোন ঘটনা ও দিন মনে পড়িয়ে দেয় - এর আগে কেউ একজন ছিল পাশে। এখন সে পাশে নাই।
এইটা এমন এক হাহাকার যা অনুভব করতে পারে তারাই যারা কোন প্রিয়জনকে হারিয়েছেন।
যারা প্রিয়জনকে হারিয়েছেন আল্লাহ তাদের শোক সহ্য করার ক্ষমতা দিন এই দোয়া করি। সাথে সাথে যারা মৃত তাদেরকে যেন আল্লাহ শান্তিতে রাখেন এই দোয়া করি।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস ২৬ - ০৬ - ২০১৭)

267
Textile Engineering / Image of a father's mind.
« on: June 19, 2017, 03:37:56 AM »
আমার বাবা ছিলেন লৌহ মানব। ১৮ - ১৯ বছরের গ্রামের ছেলে যাকে বাবা - মা পরিবার সব কিছু পিছনে ফেলে কঠিন জীবনে আসতে হয় সে কঠিন মনের হবে তাতে কোন সন্দেহ নাই।
আমাদের পাবনা ক্যাডেট কলেজের কোন প্যারেন্টস ডে তে তিনি যেতেন না। কেননা তার অফিস কামাই যাবে। যখন ছুটি শেষে আবার কলেজে যেতাম আমার বাবা আমাকে বাসে উঠিয়ে দিতে যেতেন না। এই সবই খুব স্বাভাবিক ব্যাপার ছিলো আমার কাছে। মনে পড়ে শুধু একবারই উনি আমাকে বাসে উঠিয়ে দিয়েছিলেন। যখন বাস চলা শুরু করলো আমি আশ্চর্য হয়ে দেখলাম আমার বাবাও পিছনে পিছনে চলা শুরু করেছেন। তার মুখের অভিব্যক্তি তার সন্তানের জন্য স্নেহ আর আবেগ তিনি আর লুকিয়ে রাখতে পারলেন না। এই একটি স্মৃতিই আমার মনে ঘুরে ফিরে আসে। আর অন্য সব ঘটনা ক্লিয়ার করে দেয়।
আমার বাবা তার স্নেহের সব টুকুই লুকিয়ে রাখতেন। কখনো বুঝতে দিতেন না। আমি দেখেছি আমার বাবার লৌহ কঠিন অভিব্যক্তির পিছনে সজতনে লুকিয়ে রাখা স্নেহ ও আবেগ।
আমার বাবা যেমন ছিলেন লৌহ মানব তেমন আমিও ছিলাম একটি প্রব্লেম বয়। কিছুই সহজ ভাবে করতে পারতাম না। শুধু আমি জানি আমার জন্য উনি কত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। আমি জানি উনি
আবেগের অনেক কিছুই লুকিয়ে রাখতেন যেন আমরা মানুষ হই। নিজেদের সব দায়িত্ব ঠিক ভাবে পালন করি।
আমার বাবা ২০ বছর আগে মারা গিয়েছেন। জীবনে বেশ কিছু বিপদ আপদ এসেছে। অনেক সময়ই তা অনেক বড় বড় ছিল। বিপদ গুলো পার হয়েছিও। আমার সব সময়ই মনে হয় এই প্রব্লেম বয়ের পক্ষে বিপদ গুলো পার হওয়া সম্ভব হয়েছে কেননা আমার বাবা অন্তর থেকে আমার জন্য দোয়া করে গেছেন।
আল্লাহ আমার বাবাকে শান্তিতে রাখুন সব সময় এই দোয়া করি মনের অন্তঃস্থল থেকে।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে)

268
Permanent Campus of DIU / Image of a father's mind.
« on: June 19, 2017, 03:37:10 AM »
আমার বাবা ছিলেন লৌহ মানব। ১৮ - ১৯ বছরের গ্রামের ছেলে যাকে বাবা - মা পরিবার সব কিছু পিছনে ফেলে কঠিন জীবনে আসতে হয় সে কঠিন মনের হবে তাতে কোন সন্দেহ নাই।
আমাদের পাবনা ক্যাডেট কলেজের কোন প্যারেন্টস ডে তে তিনি যেতেন না। কেননা তার অফিস কামাই যাবে। যখন ছুটি শেষে আবার কলেজে যেতাম আমার বাবা আমাকে বাসে উঠিয়ে দিতে যেতেন না। এই সবই খুব স্বাভাবিক ব্যাপার ছিলো আমার কাছে। মনে পড়ে শুধু একবারই উনি আমাকে বাসে উঠিয়ে দিয়েছিলেন। যখন বাস চলা শুরু করলো আমি আশ্চর্য হয়ে দেখলাম আমার বাবাও পিছনে পিছনে চলা শুরু করেছেন। তার মুখের অভিব্যক্তি তার সন্তানের জন্য স্নেহ আর আবেগ তিনি আর লুকিয়ে রাখতে পারলেন না। এই একটি স্মৃতিই আমার মনে ঘুরে ফিরে আসে। আর অন্য সব ঘটনা ক্লিয়ার করে দেয়।
আমার বাবা তার স্নেহের সব টুকুই লুকিয়ে রাখতেন। কখনো বুঝতে দিতেন না। আমি দেখেছি আমার বাবার লৌহ কঠিন অভিব্যক্তির পিছনে সজতনে লুকিয়ে রাখা স্নেহ ও আবেগ।
আমার বাবা যেমন ছিলেন লৌহ মানব তেমন আমিও ছিলাম একটি প্রব্লেম বয়। কিছুই সহজ ভাবে করতে পারতাম না। শুধু আমি জানি আমার জন্য উনি কত ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। আমি জানি উনি
আবেগের অনেক কিছুই লুকিয়ে রাখতেন যেন আমরা মানুষ হই। নিজেদের সব দায়িত্ব ঠিক ভাবে পালন করি।
আমার বাবা ২০ বছর আগে মারা গিয়েছেন। জীবনে বেশ কিছু বিপদ আপদ এসেছে। অনেক সময়ই তা অনেক বড় বড় ছিল। বিপদ গুলো পার হয়েছিও। আমার সব সময়ই মনে হয় এই প্রব্লেম বয়ের পক্ষে বিপদ গুলো পার হওয়া সম্ভব হয়েছে কেননা আমার বাবা অন্তর থেকে আমার জন্য দোয়া করে গেছেন।
আল্লাহ আমার বাবাকে শান্তিতে রাখুন সব সময় এই দোয়া করি মনের অন্তঃস্থল থেকে।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে)

269
Permanent Campus of DIU / Rhythm of the heart of an honest man.
« on: June 08, 2017, 10:47:31 PM »
আমি তাকিয়ে থাকি সেই সৎ ও সত্যবাদী মানুষটির মুখের দিকে। তার মুখের প্রতিটা ভাজ যেন পড়তে পারি স্পস্ট ভাবে।
দেখেছি যে কোন আয়োজনে তার বাজেটে টান পড়ে। আর সবাই কেমন এড়িয়ে চলে তাকে। অন্য সবাই যখন সম্পদের পাহাড় গড়তে ব্যস্ত - তখন আনমনে একা ঘুড়ে বেড়ায় সে। হয়ত ভাবে পরে এর কি জবাব দিবে? সমাজে সে একটি অন্য স্বত্বা। সবাই যে দিকে ছুটে চলেছে - সে দিকে তার কোন আগ্রহই নাই। সবার শেষে তার খোজ পরে। তার কাজটি হয় সবার শেষে। কিংবা একাই চলতে হয় সঙ্গী বিহীন। কি এক নিশি টানে সে চলে কোন এক অজানার উদ্দেশ্যে।
কেউ বলে বোকা কেউ বলে সরল। কেউ এর সুযোগ নেয় প্রতি পদক্ষেপে। প্রতি কথোপকথনে হেয় করা হয় তাকে। সেও দেখে না দেখার ভান করে। বুঝেও কিছু বলে না।
আমি ভাবি কি প্রাপ্তি আছে তার জীবনে? হয়রানি তার নিত্য সঙ্গী। অল্প টাকার হিসেব করে যেতে হয় সারা জীবন। সে জানে তার পকেটে ঠিক কত টাকা আছে। কোন নোট কয়টা আছে কিংবা কয়টা কয়েন আছে মানি ব্যাগের পকেটে।
ভাবি কে তাকে শিখিয়েছে সব? কই আমরা তো অন্য কিছু ভাবি না। আমাদের কাছে সব টাকাই একই সমান। সাদা কাল রং দিয়ে তো আলাদা করা নাই কোথাও। কথা বলতে গেলে কত কিছু বলতে হয়। কথা বলাও একটি আর্ট। এতে রং মেশানো শিল্পের পর্যায়ে পড়ে। একটু খুশির কথা বললে যদি সুবিধা বাড়ে কি ক্ষতি তাতে?
জানিনা কি তার প্রেরণা - কি তার সংকল্প। শুধু মনে হয় সে খুব সাহসী। কখনো বা জেদি। অর্থাভাব বা অপ্রিয় হতে তার কোন বাধে না। ক্ষুধার কষ্ট কি আমাদের থেকে সে খুব ভাল জানে।
মনে হয় তাকে বলি ঃ আপনি খুব নীরস আর বোকা। কি করলেন সারাজীবন?
কিন্তু আমার আর তা বলা হয় না। কেননা তাকে আমি ভয় করি। হিংসাও করি।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস ০৮ - ০৬ - ২০১৭)

270
Textile Engineering / Rhythm of the heart of an honest man.
« on: June 08, 2017, 10:46:44 PM »
আমি তাকিয়ে থাকি সেই সৎ ও সত্যবাদী মানুষটির মুখের দিকে। তার মুখের প্রতিটা ভাজ যেন পড়তে পারি স্পস্ট ভাবে।
দেখেছি যে কোন আয়োজনে তার বাজেটে টান পড়ে। আর সবাই কেমন এড়িয়ে চলে তাকে। অন্য সবাই যখন সম্পদের পাহাড় গড়তে ব্যস্ত - তখন আনমনে একা ঘুড়ে বেড়ায় সে। হয়ত ভাবে পরে এর কি জবাব দিবে? সমাজে সে একটি অন্য স্বত্বা। সবাই যে দিকে ছুটে চলেছে - সে দিকে তার কোন আগ্রহই নাই। সবার শেষে তার খোজ পরে। তার কাজটি হয় সবার শেষে। কিংবা একাই চলতে হয় সঙ্গী বিহীন। কি এক নিশি টানে সে চলে কোন এক অজানার উদ্দেশ্যে।
কেউ বলে বোকা কেউ বলে সরল। কেউ এর সুযোগ নেয় প্রতি পদক্ষেপে। প্রতি কথোপকথনে হেয় করা হয় তাকে। সেও দেখে না দেখার ভান করে। বুঝেও কিছু বলে না।
আমি ভাবি কি প্রাপ্তি আছে তার জীবনে? হয়রানি তার নিত্য সঙ্গী। অল্প টাকার হিসেব করে যেতে হয় সারা জীবন। সে জানে তার পকেটে ঠিক কত টাকা আছে। কোন নোট কয়টা আছে কিংবা কয়টা কয়েন আছে মানি ব্যাগের পকেটে।
ভাবি কে তাকে শিখিয়েছে সব? কই আমরা তো অন্য কিছু ভাবি না। আমাদের কাছে সব টাকাই একই সমান। সাদা কাল রং দিয়ে তো আলাদা করা নাই কোথাও। কথা বলতে গেলে কত কিছু বলতে হয়। কথা বলাও একটি আর্ট। এতে রং মেশানো শিল্পের পর্যায়ে পড়ে। একটু খুশির কথা বললে যদি সুবিধা বাড়ে কি ক্ষতি তাতে?
জানিনা কি তার প্রেরণা - কি তার সংকল্প। শুধু মনে হয় সে খুব সাহসী। কখনো বা জেদি। অর্থাভাব বা অপ্রিয় হতে তার কোন বাধে না। ক্ষুধার কষ্ট কি আমাদের থেকে সে খুব ভাল জানে।
মনে হয় তাকে বলি ঃ আপনি খুব নীরস আর বোকা। কি করলেন সারাজীবন?
কিন্তু আমার আর তা বলা হয় না। কেননা তাকে আমি ভয় করি। হিংসাও করি।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস ০৮ - ০৬ - ২০১৭)

Pages: 1 ... 16 17 [18] 19 20 ... 24