Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: 1 ... 17 18 [19] 20 21
271
আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন স্বাভাবিক না হলে আমাদের বিভিন্ন রোগ ব্যাধি হয়। অবশ্য বয়সের কিছু ব্যাপারও থাকে। খুব কম চিকিৎসককেই দেখেছি আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন অভ্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে ও এই ব্যাপারে পরামর্শ দিতে। তবে জীবনে অনেক চিকিৎসক পেয়েছি যারা দৈনন্দিন অভ্যাস বিশেষত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করেই অবস্থার অনেক উন্নতি ঘটিয়েছেন।
এছাড়া আমাদের পাঠ্যসূচীতেও আলাদা ভাবে প্রতিটা অর্গান সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীও খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন প্রনালী অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

(আমার বাম পায়ের পাতার তলায় ব্যথা হত। অনেক দিন থেকেই। তাই প্রায়ই খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটতে হত। বিশেষত অনেকক্ষন বসে থাকার পর হাটতে হলে। ডাক্তার দেখিয়েছিলাম ২ - ৩ বার। তাদের ফাইন্ড আউট ছিলো এটা হল প্লান্টারস ফাঁসিতিস। সমাধান হল নরম জুতা ও স্যান্ডেল পরা (ডক্টর সু) ও ব্যথা হলে পেইন কিলার খাওয়া। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটও প্রেসক্রিপশনে দেওয়া ছিলো।
আমাদের বংশে কিডনির জটিলতার ইতিহাস আছে। তাই পেইন কিলার খাওয়ার কথা চিন্তাও করতাম না। আর ক্যালসিয়াম খেলে আমার কিছু অসুবিধা হয় - এইটা আমার বেশ অনেক দিনের পর্যবেক্ষণ।
তাই কোন ওষুধই খেতাম না। ডক্টর সু পড়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে হেটেই দিন পার করতেছিলাম।
অবস্থার উন্নতি ঘটাতে ভাবলাম যেহেতু ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে তাই দুধ খেয়ে দেখি। দুধ আমি পছন্দ করতাম না। এছাড়াও বিড়ালের কথা ভেবে মাংসের হাড়ও চিবাতাম না।
দুই সপ্তাহ ধরে রাতে এক মগ দুধ খেয়ে কিছুদিন পরে দেখলাম ব্যথা চলে গেছে। এছাড়াও মাংসের হাড়ও চিবাচ্ছি নিয়মিত।)

272
A teacher has to teach students how to be sincere, truthful, hard working and cooperative. Knowing the subject topics is important. But only the basic characteristics makes the difference. They should also learn how to work in adversity and hardship. A person can be successful if he / she can work sincerely and timely. Patience and determination can help a lot in professional life. To cope with diverse atmosphere and to understand peoples mind sometimes is the key to success.

273
Use of Blog / There are basically 3 classes of people around us.
« on: March 18, 2017, 07:28:05 PM »
মানুষকে নাকি চেনা যায় না?

মৌলিক ভাবে সব মানুষকে তিনটি শ্রেনী বা ক্যাটাগরীতে ভাগ করা যায়। এই তিনটি হল ১. এগ্রেসিভ ২. প্যাসিভ ও ৩. অ্যাসারটিভ।

১. এগ্রেসিভ মানুষেরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবে। অন্যদের অধিকারকে এরা কোন গুরুত্ব দেয় না। অন্যদের আঘাত করে কথা বলা এদের জন্য একটি নিয়মিত ব্যাপার। অন্যদের থামিয়ে দিয়ে এরা কথা বলে। এরা সবাইকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা জোরে প্রকাশ করে। এছাড়াও দলে নিজের কন্ট্রোল আনাই এদের লক্ষ্য থাকে। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর নট" এই ভাবটি।

২. প্যাসিভ মানুষেরা কথা বলতেই সংকোচ করে। নিজে ব্যথা পেলেও অন্যকে ব্যথা দিতে পারে না। নিজের মনপুত না হলেও অন্যের কথায় সায় দেয়। নিজের থেকে অন্যদের সুখ দুঃখ কে বেশী গুরুত্ব দেয়। এরা একাএকাই থাকে - কোন দলে ভীড়ে না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " ইউ আর ওকে - আই এম নট" এই ভাবটি।

৩. অ্যাসারটিভ মানুষেরা নিজের সাথে সাথে অন্যের কথাও ভাবে। অন্যদের কথাকে নিজের কথার সমান গুরুত্ব দেয়। নিজেকে তো নয়ই - কাউকেই এরা ব্যথা দিতে চায় না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর ওকে" এই ভাবটি।

274
চেহারা হল আমাদের মনের আয়না। যে আনন্দে আছে তার মুখ দেখেই আমরা তা বুঝতে পারি। একই ভাবে অসুস্থতা, শারীরিক কষ্ট সবই ফুটে উঠে আমাদের মুখে। আমরা যখন কথা বলি তখন আমাদের মুখে আমাদের মনের ছাপ ফুটে উঠে। আনন্দের খবর দেওয়ার সময় আমাদের মুখ আনন্দিত হয়। বা দুঃখের কথা বলতে গেলে মুখে দুঃখ বোধ ফুটে উঠে। আবার কথা না বললেও অনেক সময় মুখে ফুটে উঠে দুশ্চিন্তা, হতাশা, বা কৌতুক যা হয়ত তখন মনে খেলা করতেছে।
আমাদের মুখে আছে অজশ্র মাংস পেশী। যে মানুষ সব সময় হাসি খুশি থাকে সে তার মুখের নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। একই ভাবে যে বেশীর ভাগ সময় দুশ্চিন্তা গ্রস্থ থাকে সেও নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। হয়ত হাসি খুশি থাকা মানুষের থেকে ভিন্ন পেশী গুলো। এই ভাবে এক এক জন তাদের মনের ভাব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। সেই পেশী গুলোই বেশী পুষ্ট হয়। চেহারায় আনে আলাদা বৈশিস্ট। এমনকি মানুষের চেহারাতে ছাপ ফেলে দেয় তার সব সময়ের অভ্যাসও।
আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার ছাপও পড়ে আমাদের মুখে। কঠিন ও চালেঞ্জিং পেশাজীবিদের মুখে ফুটে উঠে কঠোরতার ছাপ। আবার সব সময় আদরে থাকা মানুষের চেহারায় ফুটে উঠে আদুরে ভাব। কাওকে প্রথম দেখায় অনেক আপন মনে হয় অথবা আবার কাউকে হয়ত আমরা এড়িয়ে যাই। নকল হাসি নকল দুঃখ বোধ আমরা সবাই চিনি। একই ভাবে তৈলাক্ত হাসি ও কষ্ট করে আনা ফ্যাকাসে হাসিও আমরা ডিটেক্ট করতে পারি।
আমরা যতই লুকাতে চাইনা আমাদের নেগেটিভ দিক গুলোকে - তা আমাদের অজান্তেই ফুটে উঠে আমাদের মুখায়োবে। অনেক সময় তা হয়ত অতীতের আমাদেরকেও সবার সামনে প্রকাশিত করে তোলে। তাই সব সময় পজিটিভ চিন্তা ও কাজ করাই শ্রেয়।

275
A teacher has to teach students how to be sincere, truthful, hard working and cooperative. Knowing the subject topics is important. But only the basic characteristics makes the difference. They should also learn how to work in adversity and hardship. A person can be successful if he / she can work sincerely and timely. Patience and determination can help a lot in professional life. To cope with diverse atmosphere and to understand peoples mind sometimes is the key to success. 

276
মানুষকে নাকি চেনা যায় না?

মৌলিক ভাবে সব মানুষকে তিনটি শ্রেনী বা ক্যাটাগরীতে ভাগ করা যায়। এই তিনটি হল ১. এগ্রেসিভ ২. প্যাসিভ ও ৩. অ্যাসারটিভ।

১. এগ্রেসিভ মানুষেরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবে। অন্যদের অধিকারকে এরা কোন গুরুত্ব দেয় না। অন্যদের আঘাত করে কথা বলা এদের জন্য একটি নিয়মিত ব্যাপার। অন্যদের থামিয়ে দিয়ে এরা কথা বলে। এরা সবাইকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা জোরে প্রকাশ করে। এছাড়াও দলে নিজের কন্ট্রোল আনাই এদের লক্ষ্য থাকে। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর নট" এই ভাবটি।

২. প্যাসিভ মানুষেরা কথা বলতেই সংকোচ করে। নিজে ব্যথা পেলেও অন্যকে ব্যথা দিতে পারে না। নিজের মনপুত না হলেও অন্যের কথায় সায় দেয়। নিজের থেকে অন্যদের সুখ দুঃখ কে বেশী গুরুত্ব দেয়। এরা একাএকাই থাকে - কোন দলে ভীড়ে না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " ইউ আর ওকে - আই এম নট" এই ভাবটি।

৩. অ্যাসারটিভ মানুষেরা নিজের সাথে সাথে অন্যের কথাও ভাবে। অন্যদের কথাকে নিজের কথার সমান গুরুত্ব দেয়। নিজেকে তো নয়ই - কাউকেই এরা ব্যথা দিতে চায় না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর ওকে" এই ভাবটি।

277
মানুষকে নাকি চেনা যায় না?

মৌলিক ভাবে সব মানুষকে তিনটি শ্রেনী বা ক্যাটাগরীতে ভাগ করা যায়। এই তিনটি হল ১. এগ্রেসিভ ২. প্যাসিভ ও ৩. অ্যাসারটিভ।

১. এগ্রেসিভ মানুষেরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবে। অন্যদের অধিকারকে এরা কোন গুরুত্ব দেয় না। অন্যদের আঘাত করে কথা বলা এদের জন্য একটি নিয়মিত ব্যাপার। অন্যদের থামিয়ে দিয়ে এরা কথা বলে। এরা সবাইকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা জোরে প্রকাশ করে। এছাড়াও দলে নিজের কন্ট্রোল আনাই এদের লক্ষ্য থাকে। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর নট" এই ভাবটি।

২. প্যাসিভ মানুষেরা কথা বলতেই সংকোচ করে। নিজে ব্যথা পেলেও অন্যকে ব্যথা দিতে পারে না। নিজের মনপুত না হলেও অন্যের কথায় সায় দেয়। নিজের থেকে অন্যদের সুখ দুঃখ কে বেশী গুরুত্ব দেয়। এরা একাএকাই থাকে - কোন দলে ভীড়ে না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " ইউ আর ওকে - আই এম নট" এই ভাবটি।

৩. অ্যাসারটিভ মানুষেরা নিজের সাথে সাথে অন্যের কথাও ভাবে। অন্যদের কথাকে নিজের কথার সমান গুরুত্ব দেয়। নিজেকে তো নয়ই - কাউকেই এরা ব্যথা দিতে চায় না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর ওকে" এই ভাবটি।

278
According to my observation: Students who gets F grade in a course (while some of his class mates getting A+) have problems other than academic problems.
Classes of all of the courses are held regularly according to the class routine.
More over lecture sheets are given to the students regularly.
Teachers also discuss all of the topics regularly in the classes.

What they have to do is attend the classes attentively and study the materials regularly.

If a student fails it means he has not studied his class materials. We can assume that if a student fails - they have problem with their day to day schedule. Like waking up late in the morning or more engaged in activities other than academic etc.
Again a student may have been sick. For this the student may not be able to study. Which has led him to obtain a F grade.

To overcome the non-academic problems students should have a regular schedule in their personal life. He has to allocate sufficient time to study at home. (Outside the classes)
He should have a better schedule in his day to day life. For example if a student wakes up early in the morning he will be able to attend his scheduled classes on time, all day long. 
He should also have a regular schedule for studying outside the class time.

According to my opinion: If a student follows a regular schedule, allocating sufficient time for studying then it will be difficult for him to fail. 

279
According to my observation: Students who gets F grade in a course (while some of his class mates getting A+) have problems other than academic problems.
Classes of all of the courses are held regularly according to the class routine.
More over lecture sheets are given to the students regularly.
Teachers also discuss all of the topics regularly in the classes.

What they have to do is attend the classes attentively and study the materials regularly.

If a student fails it means he has not studied his class materials. We can assume that if a student fails - they have problem with their day to day schedule. Like waking up late in the morning or more engaged in activities other than academic etc.
Again a student may have been sick. For this a student may not be able to study. Which has led him to obtain a F grade.

To overcome the non-academic problems a students should have a regular schedule in his personal life. He has to allocate sufficient time to study at home. (Outside the classes)
He should have a better schedule in his day to day life. For example if a student wakes up early in the morning he will be able to attend his scheduled classes on time, all day long. 
He should also have a regular schedule for studying outside the class time.

According to my opinion: If a student follows a regular schedule, allocating sufficient time for studying then it will be difficult for him to fail. 

280
Textile Engineering / A multidimensional view on wastage.
« on: March 12, 2017, 09:43:58 PM »
Different organizations and offices emphasize a lot to reduce wastage by their employees. We have to keep in mind that we should avoid wastage not only at our work places, we should also avoid wastage at our home (Personal life). We have to bear in mind that what we waste - was produced in many stages. For example if we waste paper, it does not mean that we have wasted only a paper. To produce a paper, raw materials were required. It was collected from nature. Many trees had been cut down for it. Again different chemicals were used to produce it. It required fresh water and electricity to produce it. Different machines were used to produce it. By wasting paper we are wasting all of them.
But the most important point is - it required our money to buy it which has at least required some time to earn. This is an example of wastage of a single item. In the same way we can consider downwards for every material we consume. Food, Clothes, Furniture - everything. We have to remember every material requires raw material, machine, power and finally working hours. During the production process it affects our nature.
Even if we consume more than required - it can be also considered as wastage. If we consume clothes three times we require - means we are consuming not only ours - we are consuming materials of our next three generations.   
By wasting we are not only wasting the hard wastes. We are wasting our time - part of our life.
(In factories and production plants, they seriously care about wastage. Wastage leads to loss which could be our asset. At first in USA they were counting no. of defects in Hundreds while in Japan they were counting no. of defects in millions. Defects means rework and losses. Now the concept for production plants through out the world is "NO DEFECTS AT ALL".)

281
Textile Engineering / Food pyramid can be a food for our thoughts.
« on: March 10, 2017, 08:22:37 PM »
ক্লাস ৭ - ৮ এ সাইন্স সাবজেক্টে আমাদের খাদ্য পিরামিড পড়ানো হয়েছিলো। ঘাস ফড়িং - ঘাস খায়। আবার ব্যাঙ ঘাস ফড়িঙকে খায়। ব্যাঙকে খায় পরিশেষে সাপ।
আবার একটি সাপ একাধিক ব্যাঙ খায়। একাধিক ব্যাঙ অনেক গুলো ঘাসফড়িঙ খায়। আর অনেক গুলো ঘাস ফড়িং সংখ্যায় প্রচুর ঘাস খায়। এই ভাবে খাদ্য ও খাদককে তাদের সংখ্যা অনুযায়ী একটি ত্রিভুজাকৃতির পিরামিডে সাজানো হয়।
খাদ্য পিরামিডের নীচের দিকে অবস্থিত জীবেদের খেয়ে পিরামিডের উপরের দিকের জীবেরা বেঁচে থাকে। কি আশ্চর্যজনক ভাবে পিরামিডের নিচের জীবগুলোর বংশ বৃদ্ধির হার উপরের জীব গুলোর তুলোনায় অনেক বেশী।
ঘাসের জন্মানোর হার ঘাস ফড়িং এর থেকে বেশী। ঘাস ফড়িং, ব্যাঙের তুলোনায় অনেক বেশী বংশবৃদ্ধি করে। ব্যাঙের বংশবৃদ্ধি হয় সাপের তুলোনায় অনেক বেশী। অর্থাৎ খাদ্যের বংশবৃদ্ধির হার সবসময় খাদকের তুলোনায় অনেক বেশী।
এইভাবেই খাদ্য ও খাদকের সংখ্যার বালেন্স করা আছে।
কেউ কেউ বলেন যে বিবর্তনের মাধ্যমে জীব এসেছে - তারা কি ভেবে দেখেন না জীবের সাথে সাথে তাদের খাদ্যও কিভাবে ঠিক করা আছে। খেয়ে ফেলার পরে তা হজম করার জন্য নির্দিষ্ট এনজাইম পেটের মধ্যে নির্গত হয়। পরিশেষে কি সুন্দর ভাবে খাদ্য ও খাদকের সংখ্যা ব্যালেন্স করা আছে এক এক জীবের এক এক রকম বংশবৃদ্ধির হারের মাধ্যমে।

282
Permanent Campus of DIU / Food pyramid can be a food for our thoughts.
« on: March 09, 2017, 08:16:34 PM »
ক্লাস ৭ - ৮ এ সাইন্স সাবজেক্টে আমাদের খাদ্য পিরামিড পড়ানো হয়েছিলো। ঘাস ফড়িং - ঘাস খায়। আবার ব্যাঙ ঘাস ফড়িঙকে খায়। ব্যাঙকে খায় পরিশেষে সাপ।
আবার একটি সাপ একাধিক ব্যাঙ খায়। একাধিক ব্যাঙ অনেক গুলো ঘাসফড়িঙ খায়। আর অনেক গুলো ঘাস ফড়িং সংখ্যায় প্রচুর ঘাস খায়। এই ভাবে খাদ্য ও খাদককে তাদের সংখ্যা অনুযায়ী একটি ত্রিভুজাকৃতির পিরামিডে সাজানো হয়।
খাদ্য পিরামিডের নীচের দিকে অবস্থিত জীবেদের খেয়ে পিরামিডের উপরের দিকের জীবেরা বেঁচে থাকে। কি আশ্চর্যজনক ভাবে পিরামিডের নিচের জীবগুলোর বংশ বৃদ্ধির হার উপরের জীব গুলোর তুলোনায় অনেক বেশী।
ঘাসের জন্মানোর হার ঘাস ফড়িং এর থেকে বেশী। ঘাস ফড়িং, ব্যাঙের তুলোনায় অনেক বেশী বংশবৃদ্ধি করে। ব্যাঙের বংশবৃদ্ধি হয় সাপের তুলোনায় অনেক বেশী। অর্থাৎ খাদ্যের বংশবৃদ্ধির হার সবসময় খাদকের তুলোনায় অনেক বেশী।
এইভাবেই খাদ্য ও খাদকের সংখ্যার বালেন্স করা আছে।
কেউ কেউ বলেন যে বিবর্তনের মাধ্যমে জীব এসেছে - তারা কি ভেবে দেখেন না জীবের সাথে সাথে তাদের খাদ্যও কিভাবে ঠিক করা আছে। খেয়ে ফেলার পরে তা হজম করার জন্য নির্দিষ্ট এনজাইম পেটের মধ্যে নির্গত হয়। পরিশেষে কি সুন্দর ভাবে খাদ্য ও খাদকের সংখ্যা ব্যালেন্স করা আছে এক এক জীবের এক এক রকম বংশবৃদ্ধির হারের মাধ্যমে।

283
Permanent Campus of DIU / We are driven by our mysterious mind.
« on: March 05, 2017, 05:39:17 PM »
মানুষের মন কত অসাধারন। কেউ হয়ত বসে আছে একটি ঘুপচি ঘরে। কিন্তু তার চোখে থাকে কত অসাধারন স্বপ্ন। আমরা মনের চোখে দেখি - আগামীকাল আমরা কি করবো। রুমের কোথায় কোন ফার্নিচার রাখলে সুন্দর হবে - তাও আমরা দেখি এই মনের চোখে। মনে মনে ভাবি - এই শার্টের সাথে কোন টাই মানাতে পারে।
কখনো আমরা মনে মনে পরিমাপ করি। কখনো ভবিষ্যৎ দেখি। কখনো কখনো করি পরিকল্পনা। আমাদের মনের মাঝেই একাধারে বসবাস করে কখনো শিল্পী কখনো বিজ্ঞানী কখনো বা সাহসী যোদ্ধা। কখনো আমাদের মন ভরে উঠে হিংসায়। কখনো বা এই মনের কারনেই মানুষ প্রতারনা করে।
হিটলারের মন হয়ত আনন্দ পেত মানুষ হত্যা করে। আবার ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল যুদ্ধাহত মানুষের সেবা করে জীবন পার করেছেন। দুইজনের মনের কত আকাশ পাতাল পার্থক্য। সেই মানুষের মনই।
অনেক পরিশ্রমে আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়। কিন্তু মন তখনও অক্লান্ত। আমরা ঘুমালেও আমাদের চোখে ভাসে নানা স্বপ্ন। কখনো মানুষ কঠিন হৃদয়ের - সেই মানুষই কখনো দয়ায় গলে পড়ে। সকাল আর বিকালে তার কত ভিন্ন রূপ।
আমাদের জীবনের একটা বড় অংশ যায় মনের সাথে যুদ্ধ করে। আমরা নিজেরাই জানিনা আমাদের মন কি চায়। কিন্তু এই মনের চাহিদা মেটাতেই আমরা আমাদের জীবন পার করি। কিন্তু তাকে আমরা নিজেরাই ভালো করে চিনিনা।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাসঃ জানুয়ারী ১৯, ২০১৬।)

284
Textile Engineering / Nostalgia: A wishful affection for the past.
« on: March 04, 2017, 10:37:00 AM »
মাঝে মঝেই আমাকে নস্টালজিয়া আক্রমন করে।
ছোটবেলা কেটেছে মোহাম্মাদপুরে। বহু আগেই মোহাম্মাদপুরের চ্যাপ্টার ক্লোস করে আমরা উত্তরা চলে এসেছি। সম্প্রতি আমার অফিস ছিলো ধানমন্ডিতে। বাসায় ফিরতাম মিরপুর কালশী হয়ে। পথে পার হতে হত মোহাম্মাদপুর। আসাদগেটের আড়ং থেকে রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল হল আমার নস্টালজিয়া জোন। ছোটবেলার অজশ্র স্মৃতি পড়ে আছে এখানে। টাইটানিক ছবিতে যেমন জাহাজের ফ্লাস ব্যাক দেখা যায় - এই এলাকা পার হওয়ার সময়ও আমার চোখে ঠিক সেই রকম ছবি ফুটে উঠে। এই এলাকা ছিলো আমাদের নিত্য দিনের যাতায়াতের পথ।
রাস্তার যে মাথা থেকে আমি স্কুল বাসে উঠতাম। বা যেখান দিয়ে প্রতিদিন বিকালে আমরা রাস্তা পার হয়ে সংসদ ভবন এলাকায় ঘুরতে যেতাম। কিংবা মডেল স্কুলের গেট যেটা দিয়ে আমরা মাঠে খেলতে ঢুকতাম। মনে আছে গেট বন্ধ থাকলে ওয়াল টপকিয়েও আমরা পার হতাম।
এছাড়াও অনেক দিনই ইউনিভার্সিটির পরে চলে গিয়েছি মোহাম্মাদপুরে। হেটে বেরিয়েছি ওখানকার রাস্তায়। কি যে আশ্চর্য লাগে - যে জায়গা ছিলো এতো পরিচিত - সেখানে এখন কাওকেই চিনতে পারি না। আমাকেও কেউ চেনে না। বহু বাসার বাসিন্দাদের ডিটেইলস অনেক কিছুই এখনও বলতে পারব। কিন্তু তারাই হয়ত এখন সেখানে নাই।
যাই হোক - আমার নস্টালজিয়ার ছবিগুলো সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যাবে - যদি কল্পনা করতে পারেন - ওই রাস্তার পাশে তিন তলার থেকে উচু কোন বাড়ি নাই। মাঝে মাঝে কিছু খালি প্লট পড়ে আছে। সুসজ্জিত ও আলোকিত শো রুমের জায়গায় চা খাওয়ার টং দোকান। তবে তা একটা কি দুইটা - এর বেশী নয়। এই ক্ষেত্রে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা অনেক কমিয়ে কল্পনা করতে হবে। এতো কম যে ওই রাস্তা দিয়ে ৮ - ১০ বছরের শিশুরাও পার হতে পারে। আরেকটি জিনিষ হল - ভাবতে হবে চারিদিকে অনেক দিনের আলো। আর যদি রাত হয় তাহলে আলো আধারির সাথে ঝিঝি পোকার ডাকও যোগ করতে হবে।   (My Facebook Status: December 22; 2016)

285
Permanent Campus of DIU / Respect to all elder brothers and sisters.
« on: February 28, 2017, 12:00:12 AM »
ধরেন পাশাপাশি কয়েক ভাই বোন দাড়িয়ে আছে। আপনি কাকে আদর করবেন? বা কোলে তুলে নেবেন? অবশ্যই সব থেকে ছোট জনকে। আবার ছোটজন কোন দুষ্টামি করলেও দোষ পড়ে বড় জনের উপর - তার কাছ থেকেই ছোটটা এটা শিখেছে। সব থেকে ভালো খেলনা বা খাবার পায় ছোটজন। একটু মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করলে এই লিস্ট খালি বড়ই হতে থাকবে। ট্রাজিক হিরো - এই একটাই বিশেষণে বড় ভাই ও বোনদের বিশেষায়িত করা যায়। যদিও এটা নিয়ে তাদের কোন ক্ষোভ কখনোই থাকে না - কেননা আনকন্ডিশনাল ভাবেই তারা ছোট ভাইবোনদের ভালোবাসে।

আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এক জন মানুষ তার পরিবারের বড় সন্তান না ছোট সন্তান তার উপরও এক এক জনের জীবন কাহিনী কি হবে তা নির্ভর করে।
স্বাভাবিক ভাবেই পরিবারের বড় সন্তান মানে বাবা মা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, বিয়ে, এমনকি দায়িত্ববোধ শিক্ষায় ছোট সন্তানদের থেকে বেশী গুরুত্ব দেয়। তাদের সব হয় সময়মত। এছাড়াও ছোট ভাই বোনদের দেখা শোনার দায়িত্বও অনেক সময়ই বড়দের উপর পড়ে। বড় ভাই বোনের মনে গহীনে ছোটবেলা থেকেই বাবা মার প্রতি যেমন দায়িত্ব আছে এইটা ঘুড়াঘুড়ি করে - এর থেকে বেশী তাদের মনে ঘোড়ে ছোট ভাই বোনের নিরাপত্তা, তাদের অন্য কেউ বঞ্চিত বা ঠকাল কিনা - এই সব। ছোটবেলা থেকেই ছোটদের দায়িত্ব নিতে নিতে বড় বেলাতেও তাদের এই অভ্যাসটাই স্থায়ী হয়ে যায়। যদিও নদীতে অনেক পানি গড়িয়ে গেছে - হয়ত ছোটদের আর তাদের সাহায্য দরকার নাই - উলটো তাদেরকেই এখন ছোটরা মানসিক, বৈষয়িক বা বুদ্ধিবৃত্তিক সাহায্য করতে পারে। কিন্তু চিরস্থায়ী বন্দবস্থের মত এক চেটিয়া ভাবে এই সাহায্যের কেবল এক মুখী প্রদানই চলে। ছোটদের অনেক ক্ষেত্রেই মাথাতেই আসে না যে ভূমিকা পরিবর্তনের সময় এসেছে।
দায়িত্বপূর্ণ যে কোন কাজে বাবা মা সঙ্গী হিসেবে নেয় বড়দের। (পরিবারে কারো অসুস্থতা, বাজার করা, দেশের বাড়ীর জমিজমা সংক্রান্ত হিসেব ইত্যাদি)
এছাড়াও বাবা মার মেজাজ খারাপ সহ যে কোন নেগাটিভ ঝড় ঝঞ্জাই সবার আগে ঝাপিয়ে পড়ে এই বড় ভাইবোনের উপর।পারিবারিক অর্থ, বৈষয়িক বা জমিজমা সংক্রান্ত ভালমন্দ সব কিছুই এদের মন ও মননে ভাগ বসায় শৈশবেই।
অপরপক্ষে বাবা মা আনন্দদায়ক ভ্রমন ও অভিজ্ঞতায় তাদের ছোট সন্তানদের সঙ্গী হিসেবে নেয়। ছোটদের মন ও মননে যোগ হয় নতুন ও আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা। আদরের বেলায় তাদের আধিপত্য এক চেটিয়া হয়ে দাড়ায়।
ছোটরা ছোটবেলা থেকেই বেশী নিরাপত্তা ও আদর যত্ন পেয়ে থাকে। যার নেপথ্যের অন্যতম কারন হল এই বড় ভাই বোনেরা। এদের মনে দুশচিন্তার খোরাক কম। এইটাও বড় ভাই বোনের কারনে। ছোটদের এই তুলনা মুলক ভারহীন জীবন তাদেরকে পড়াশোনা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে বেশী দক্ষ করে তুলে। অপরপক্ষে পরিবারে অনেক ভিন্ন টাইপের দায়িত্ব পালনকারী বড় ভাই বোনেরা পিছিয়ে থাকে এই সব ক্ষেত্রে। আমার পর্যবেক্ষণ বলে পরিবারে অনেক ক্ষেত্রেই বড়দের "বোকা" নামে অভিহিত করা হয় - যা শুধু অন্যায্য নয় - একটি চরম অপরাধের সামিল।
সাক্রিফাইস ও শেয়ার করা কত প্রকার ও কি কি এইগুলো যদি কেউ শেখে তাহলে তারা হল বড় ভাইবোনেরা।

(লেখাটি আমার অনেক দিনের পর্যবেক্ষণ থেকে লেখা। যখন ভাইবোনের সংখ্যা দুইয়ের অনেক বেশী ছিলো। অবশ্য এই দুই ভাইবোনের সময়ও এই লেখাটি অনেক ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি।)

Pages: 1 ... 17 18 [19] 20 21