Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: 1 ... 18 19 [20] 21 22
286
Textile Engineering / Success of life from different perspectives.
« on: March 19, 2017, 07:50:21 PM »
১. বিশাল হাতির মত ম্যামথ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু মেরুদন্ডহীন তেলা পোকা হাজার হাজার বছর ধরে এই পৃথিবীতে টিকে আছে।
টিকে থাকাই যদি সার্থকতা হয় তাহলে বিশাল ম্যামথ অবশ্যই একটি পরাজিত কাহিনী। তাই অনেকের কাছেই ম্যামথ একটি পরাজিত কাহিনী।
তেলাপোকা তাদের কাছে সার্থকতার উদাহরন।

২. মাঝে মাঝেই ফার্মের মুরগির কনসেপ্ট আমাকে পীড়া দেয়। বেচারাদের কাজই হল মানুষের প্রোটিনের সংস্থান করা। কখনো মাংসের মাধ্যমে বা কখনো ডিমের মাধ্যমে। তাদের জীবন কাটে নিরাপদ খাঁচায় আর তাদের ডিম ফূটে ইনকিউবিটরে। নিজেদের বাচ্চাদের কোনদিন চিনতেও পারে না। লাইটের আলোয় তারা খেয়ে চলে সারাদিন। কৃত্রিম খাবার খেয়ে তারা বড় হয়। বন বাদাড় কি জিনিস - তা তাদের বোধগম্যের বাইরে। বিভিন্ন টিকার মাধ্যমে তারা নিরোগ থাকে।
একদিক চিন্তা করলে ফার্মের মুরগির জীবন সার্থক বলা যায় কেননা তারাই এখন মানুষের প্রোটিনের একটি বড় উৎস। কিন্তু তাদের জীবন যাপন প্রনালীটা কত অস্বাভাবিক।
আসলেই জীবনের সার্থকতা একেক জনের কাছে একেক রকম।

(আমার মতে ফলাফল যাই হোক - কে কেমন জীবন কাটিয়েছে - এটাই তার জীবনের সার্থকতার মাপকাঠি হওয়া উচিৎ।)

287
১. বিশাল হাতির মত ম্যামথ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু মেরুদন্ডহীন তেলা পোকা হাজার হাজার বছর ধরে এই পৃথিবীতে টিকে আছে।
টিকে থাকাই যদি সার্থকতা হয় তাহলে বিশাল ম্যামথ অবশ্যই একটি পরাজিত কাহিনী। তাই অনেকের কাছেই ম্যামথ একটি পরাজিত কাহিনী।
তেলাপোকা তাদের কাছে সার্থকতার উদাহরন।

২. মাঝে মাঝেই ফার্মের মুরগির কনসেপ্ট আমাকে পীড়া দেয়। বেচারাদের কাজই হল মানুষের প্রোটিনের সংস্থান করা। কখনো মাংসের মাধ্যমে বা কখনো ডিমের মাধ্যমে। তাদের জীবন কাটে নিরাপদ খাঁচায় আর তাদের ডিম ফূটে ইনকিউবিটরে। নিজেদের বাচ্চাদের কোনদিন চিনতেও পারে না। লাইটের আলোয় তারা খেয়ে চলে সারাদিন। কৃত্রিম খাবার খেয়ে তারা বড় হয়। বন বাদাড় কি জিনিস - তা তাদের বোধগম্যের বাইরে। বিভিন্ন টিকার মাধ্যমে তারা নিরোগ থাকে।
একদিক চিন্তা করলে ফার্মের মুরগির জীবন সার্থক বলা যায় কেননা তারাই এখন মানুষের প্রোটিনের একটি বড় উৎস। কিন্তু তাদের জীবন যাপন প্রনালীটা কত অস্বাভাবিক।
আসলেই জীবনের সার্থকতা একেক জনের কাছে একেক রকম।

(আমার মতে ফলাফল যাই হোক - কে কেমন জীবন কাটিয়েছে - এটাই তার জীবনের সার্থকতার মাপকাঠি হওয়া উচিৎ।)

288
চেহারা হল আমাদের মনের আয়না। যে আনন্দে আছে তার মুখ দেখেই আমরা তা বুঝতে পারি। একই ভাবে অসুস্থতা, শারীরিক কষ্ট সবই ফুটে উঠে আমাদের মুখে। আমরা যখন কথা বলি তখন আমাদের মুখে আমাদের মনের ছাপ ফুটে উঠে। আনন্দের খবর দেওয়ার সময় আমাদের মুখ আনন্দিত হয়। বা দুঃখের কথা বলতে গেলে মুখে দুঃখ বোধ ফুটে উঠে। আবার কথা না বললেও অনেক সময় মুখে ফুটে উঠে দুশ্চিন্তা, হতাশা, বা কৌতুক যা হয়ত তখন মনে খেলা করতেছে।
আমাদের মুখে আছে অজশ্র মাংস পেশী। যে মানুষ সব সময় হাসি খুশি থাকে সে তার মুখের নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। একই ভাবে যে বেশীর ভাগ সময় দুশ্চিন্তা গ্রস্থ থাকে সেও নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। হয়ত হাসি খুশি থাকা মানুষের থেকে ভিন্ন পেশী গুলো। এই ভাবে এক এক জন তাদের মনের ভাব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। সেই পেশী গুলোই বেশী পুষ্ট হয়। চেহারায় আনে আলাদা বৈশিস্ট। এমনকি মানুষের চেহারাতে ছাপ ফেলে দেয় তার সব সময়ের অভ্যাসও।
আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার ছাপও পড়ে আমাদের মুখে। কঠিন ও চালেঞ্জিং পেশাজীবিদের মুখে ফুটে উঠে কঠোরতার ছাপ। আবার সব সময় আদরে থাকা মানুষের চেহারায় ফুটে উঠে আদুরে ভাব। কাওকে প্রথম দেখায় অনেক আপন মনে হয় অথবা আবার কাউকে হয়ত আমরা এড়িয়ে যাই। নকল হাসি নকল দুঃখ বোধ আমরা সবাই চিনি। একই ভাবে তৈলাক্ত হাসি ও কষ্ট করে আনা ফ্যাকাসে হাসিও আমরা ডিটেক্ট করতে পারি।
আমরা যতই লুকাতে চাইনা আমাদের নেগেটিভ দিক গুলোকে - তা আমাদের অজান্তেই ফুটে উঠে আমাদের মুখায়োবে। অনেক সময় তা হয়ত অতীতের আমাদেরকেও সবার সামনে প্রকাশিত করে তোলে। তাই সব সময় পজিটিভ চিন্তা ও কাজ করাই শ্রেয়।

289
Students go for their internship to different organizations. They have to remember it is the best time to ensure job for them. Of course an organization will select a candidate they already know about. Again the internee is not a new stranger for that organization. As the organization knows the internee the same way the internee is also habituated with the customs of the organization. An internee has to keep in mind that he / she may be under consideration for a job there by the management.
For this the internee has to work very sincerely during the period. He/ she has to fully maintain the time there.
Again before going for internship a student has to review all of his related course materials (Both theory and lab) he studied before in the University. This will impress the management of the organization, that the students know the related basic things.

290
দৃষ্টি এখানে আটকে যায় না। যে দিকে তাকানো যায় দেখা যায় বিশাল আকাশ। রুমের বিশাল জানালা দিয়ে প্রচুর আলো আসে। শীতকালে সূর্য হেলে যায়। তাই জানালা দিয়ে আসে সকালের রোদ। উত্তরা থেকে সকাল ৭ঃ৩০ মিনিটে ইউনিভারসিটি ট্রান্সপোর্ট ছেড়ে আসে। তাই প্রতিদিন ভোরেই উঠতে হয়। শুধু এইটুকুই আমাদের সারাদিনের কষ্টকর চ্যালেঞ্জ। তবে ক্যাম্পাসে পৌঁছালে মন ভালো হয়ে যায়। নিজেদের বসার, ক্লাসের, এমনকি খেলা ধুলা করার পর্যাপ্ত একোমোডেশন ব্যবস্থা এখানে। স্টুডেন্টরা ফুটবল, ক্রিকেট, গলফ, বাস্কেটবল খেলে। অনেক সময় বিশেষতঃ বিকালে কাজ শেষে অনেক ফ্যাকাল্টি মেম্বারও মাঠে খেলতে নেমে যায়। দুপুরে লাঞ্চের সময় টাটকা ও সুস্বাদু খাবার।
সব ফ্যাকাল্টি মেম্বার, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পরিচিত তো অবশ্যই। নিজের ডিপার্টমেন্ট ছাড়াও অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্টদেরও চেনা হয়ে যায়।
সব থেকে ভালো লাগে - এখানে কোন শব্দদূষণ নাই। নীরব গম্ভীর পরিবেশ মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়। দুপুরের পর কর্মব্যস্ততা কমে গেলে কিছুটা নীরব হয় পরিবেশ। আবার বিকালে কিছুটা সরব হয়ে উঠে আমাদের ক্যাম্পাস। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যেমন নীরব হয় আমাদের ক্যাম্পাস - তেমন পরীক্ষা শেষে স্টুডেন্টদের পরিক্ষার আলোচনা করতে করতে ফিরে যাওয়া মনে করিয়ে দেয় আমাদের নিজেদের ছাত্র জীবনের স্মৃতির কথা।
দিন শেষে আবার বাড়ি ফেরার পালা। কারো ব্যক্তিগত কাজ থাকলে হয়ত দুপুরের ট্রান্সপোর্টে বাসায় চলে যায়। বাকিরা যায় বিকালে। বিকালেও ট্রান্সপোর্ট সময় মত রেডি থাকে। আমরাও বিরুলিয়া, মিরপুর বেড়িবাঁধ, দিয়াবাড়ি পার হয়ে ফিরে চলি উত্তরায় যার যার বাসায়।
ভালো লাগে এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। ভালো লাগে আমাদের এই স্থায়ী ক্যাম্পাস।

291
আমাদের পার্মানেন্ট ক্যাম্পাস থেকে উত্তরা ফিরতে সময় লাগে ৩৫ - ৪০ মিনিট।
পথে পড়ে বিরুলিয়া -- মিরপুর বেড়িবাঁধ -- দিয়াবাড়ি -- পরিশেষে উত্তরা।
যেন মধুর প্রকৃতি ছেড়ে যান্ত্রিক শহরে প্রবেশ করা।
পথে কোন জ্যাম পড়ে না। শুধু দুই একটা ট্রাফিক সিগন্যালে একটু দাড়াতে হয়।
আমরা যারা ঢাকার জ্যামে প্রতিদিন জার্নি করে অভ্যস্থ - তাদের কাছে এই যাতায়াত খুব মধুর মনে হয়।
পথে ছোট নদী পার হতে হয় বিরুলিয়া ব্রীজ দিয়ে। এছাড়াও মিরপুর বেড়িবাধের রাস্তার চারিদিকের সবুজের সমারোহ মন ভালো করে দেয়।
দিয়া বাড়িতে এখন কাশফুল ফুটেছে। মাইলের পর মাইল  শুধু সাদা কাশফুল দেখা যায়। এই দিয়াবাড়ির পরিবেশ অন্য যে কোন এলাকার থেকে ভিন্ন ও মনোমুগ্ধকর।

292
Students go for their internship to different organizations. They have to remember it is the best time to ensure job for them. Of course an organization will select a candidate they already know about. Again the internee is not a new stranger for that organization. As the organization knows the internee the same way the internee is also habituated with the customs of the organization. An internee has to keep in mind that he / she may be under consideration for a job there by the management.
For this the internee has to work very sincerely during the period. He/ she has to fully maintain the time there.
Again before going for internship a student has to review all of his related course materials (Both theory and lab) he studied before in the University. This will impress the management of the organization, that the students know the related basic things.   

293
আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন স্বাভাবিক না হলে আমাদের বিভিন্ন রোগ ব্যাধি হয়। অবশ্য বয়সের কিছু ব্যাপারও থাকে। খুব কম চিকিৎসককেই দেখেছি আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন অভ্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে ও এই ব্যাপারে পরামর্শ দিতে। তবে জীবনে অনেক চিকিৎসক পেয়েছি যারা দৈনন্দিন অভ্যাস বিশেষত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করেই অবস্থার অনেক উন্নতি ঘটিয়েছেন।
এছাড়া আমাদের পাঠ্যসূচীতেও আলাদা ভাবে প্রতিটা অর্গান সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীও খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন প্রনালী অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

(আমার বাম পায়ের পাতার তলায় ব্যথা হত। অনেক দিন থেকেই। তাই প্রায়ই খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটতে হত। বিশেষত অনেকক্ষন বসে থাকার পর হাটতে হলে। ডাক্তার দেখিয়েছিলাম ২ - ৩ বার। তাদের ফাইন্ড আউট ছিলো এটা হল প্লান্টারস ফাঁসিতিস। সমাধান হল নরম জুতা ও স্যান্ডেল পরা (ডক্টর সু) ও ব্যথা হলে পেইন কিলার খাওয়া। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটও প্রেসক্রিপশনে দেওয়া ছিলো।
আমাদের বংশে কিডনির জটিলতার ইতিহাস আছে। তাই পেইন কিলার খাওয়ার কথা চিন্তাও করতাম না। আর ক্যালসিয়াম খেলে আমার কিছু অসুবিধা হয় - এইটা আমার বেশ অনেক দিনের পর্যবেক্ষণ।
তাই কোন ওষুধই খেতাম না। ডক্টর সু পড়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে হেটেই দিন পার করতেছিলাম।
অবস্থার উন্নতি ঘটাতে ভাবলাম যেহেতু ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে তাই দুধ খেয়ে দেখি। দুধ আমি পছন্দ করতাম না। এছাড়াও বিড়ালের কথা ভেবে মাংসের হাড়ও চিবাতাম না।
দুই সপ্তাহ ধরে রাতে এক মগ দুধ খেয়ে কিছুদিন পরে দেখলাম ব্যথা চলে গেছে। এছাড়াও মাংসের হাড়ও চিবাচ্ছি নিয়মিত।)

294
A teacher has to teach students how to be sincere, truthful, hard working and cooperative. Knowing the subject topics is important. But only the basic characteristics makes the difference. They should also learn how to work in adversity and hardship. A person can be successful if he / she can work sincerely and timely. Patience and determination can help a lot in professional life. To cope with diverse atmosphere and to understand peoples mind sometimes is the key to success.

295
Use of Blog / There are basically 3 classes of people around us.
« on: March 18, 2017, 07:28:05 PM »
মানুষকে নাকি চেনা যায় না?

মৌলিক ভাবে সব মানুষকে তিনটি শ্রেনী বা ক্যাটাগরীতে ভাগ করা যায়। এই তিনটি হল ১. এগ্রেসিভ ২. প্যাসিভ ও ৩. অ্যাসারটিভ।

১. এগ্রেসিভ মানুষেরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবে। অন্যদের অধিকারকে এরা কোন গুরুত্ব দেয় না। অন্যদের আঘাত করে কথা বলা এদের জন্য একটি নিয়মিত ব্যাপার। অন্যদের থামিয়ে দিয়ে এরা কথা বলে। এরা সবাইকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা জোরে প্রকাশ করে। এছাড়াও দলে নিজের কন্ট্রোল আনাই এদের লক্ষ্য থাকে। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর নট" এই ভাবটি।

২. প্যাসিভ মানুষেরা কথা বলতেই সংকোচ করে। নিজে ব্যথা পেলেও অন্যকে ব্যথা দিতে পারে না। নিজের মনপুত না হলেও অন্যের কথায় সায় দেয়। নিজের থেকে অন্যদের সুখ দুঃখ কে বেশী গুরুত্ব দেয়। এরা একাএকাই থাকে - কোন দলে ভীড়ে না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " ইউ আর ওকে - আই এম নট" এই ভাবটি।

৩. অ্যাসারটিভ মানুষেরা নিজের সাথে সাথে অন্যের কথাও ভাবে। অন্যদের কথাকে নিজের কথার সমান গুরুত্ব দেয়। নিজেকে তো নয়ই - কাউকেই এরা ব্যথা দিতে চায় না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর ওকে" এই ভাবটি।

296
চেহারা হল আমাদের মনের আয়না। যে আনন্দে আছে তার মুখ দেখেই আমরা তা বুঝতে পারি। একই ভাবে অসুস্থতা, শারীরিক কষ্ট সবই ফুটে উঠে আমাদের মুখে। আমরা যখন কথা বলি তখন আমাদের মুখে আমাদের মনের ছাপ ফুটে উঠে। আনন্দের খবর দেওয়ার সময় আমাদের মুখ আনন্দিত হয়। বা দুঃখের কথা বলতে গেলে মুখে দুঃখ বোধ ফুটে উঠে। আবার কথা না বললেও অনেক সময় মুখে ফুটে উঠে দুশ্চিন্তা, হতাশা, বা কৌতুক যা হয়ত তখন মনে খেলা করতেছে।
আমাদের মুখে আছে অজশ্র মাংস পেশী। যে মানুষ সব সময় হাসি খুশি থাকে সে তার মুখের নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। একই ভাবে যে বেশীর ভাগ সময় দুশ্চিন্তা গ্রস্থ থাকে সেও নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। হয়ত হাসি খুশি থাকা মানুষের থেকে ভিন্ন পেশী গুলো। এই ভাবে এক এক জন তাদের মনের ভাব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। সেই পেশী গুলোই বেশী পুষ্ট হয়। চেহারায় আনে আলাদা বৈশিস্ট। এমনকি মানুষের চেহারাতে ছাপ ফেলে দেয় তার সব সময়ের অভ্যাসও।
আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার ছাপও পড়ে আমাদের মুখে। কঠিন ও চালেঞ্জিং পেশাজীবিদের মুখে ফুটে উঠে কঠোরতার ছাপ। আবার সব সময় আদরে থাকা মানুষের চেহারায় ফুটে উঠে আদুরে ভাব। কাওকে প্রথম দেখায় অনেক আপন মনে হয় অথবা আবার কাউকে হয়ত আমরা এড়িয়ে যাই। নকল হাসি নকল দুঃখ বোধ আমরা সবাই চিনি। একই ভাবে তৈলাক্ত হাসি ও কষ্ট করে আনা ফ্যাকাসে হাসিও আমরা ডিটেক্ট করতে পারি।
আমরা যতই লুকাতে চাইনা আমাদের নেগেটিভ দিক গুলোকে - তা আমাদের অজান্তেই ফুটে উঠে আমাদের মুখায়োবে। অনেক সময় তা হয়ত অতীতের আমাদেরকেও সবার সামনে প্রকাশিত করে তোলে। তাই সব সময় পজিটিভ চিন্তা ও কাজ করাই শ্রেয়।

297
A teacher has to teach students how to be sincere, truthful, hard working and cooperative. Knowing the subject topics is important. But only the basic characteristics makes the difference. They should also learn how to work in adversity and hardship. A person can be successful if he / she can work sincerely and timely. Patience and determination can help a lot in professional life. To cope with diverse atmosphere and to understand peoples mind sometimes is the key to success. 

298
মানুষকে নাকি চেনা যায় না?

মৌলিক ভাবে সব মানুষকে তিনটি শ্রেনী বা ক্যাটাগরীতে ভাগ করা যায়। এই তিনটি হল ১. এগ্রেসিভ ২. প্যাসিভ ও ৩. অ্যাসারটিভ।

১. এগ্রেসিভ মানুষেরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবে। অন্যদের অধিকারকে এরা কোন গুরুত্ব দেয় না। অন্যদের আঘাত করে কথা বলা এদের জন্য একটি নিয়মিত ব্যাপার। অন্যদের থামিয়ে দিয়ে এরা কথা বলে। এরা সবাইকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা জোরে প্রকাশ করে। এছাড়াও দলে নিজের কন্ট্রোল আনাই এদের লক্ষ্য থাকে। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর নট" এই ভাবটি।

২. প্যাসিভ মানুষেরা কথা বলতেই সংকোচ করে। নিজে ব্যথা পেলেও অন্যকে ব্যথা দিতে পারে না। নিজের মনপুত না হলেও অন্যের কথায় সায় দেয়। নিজের থেকে অন্যদের সুখ দুঃখ কে বেশী গুরুত্ব দেয়। এরা একাএকাই থাকে - কোন দলে ভীড়ে না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " ইউ আর ওকে - আই এম নট" এই ভাবটি।

৩. অ্যাসারটিভ মানুষেরা নিজের সাথে সাথে অন্যের কথাও ভাবে। অন্যদের কথাকে নিজের কথার সমান গুরুত্ব দেয়। নিজেকে তো নয়ই - কাউকেই এরা ব্যথা দিতে চায় না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর ওকে" এই ভাবটি।

299
মানুষকে নাকি চেনা যায় না?

মৌলিক ভাবে সব মানুষকে তিনটি শ্রেনী বা ক্যাটাগরীতে ভাগ করা যায়। এই তিনটি হল ১. এগ্রেসিভ ২. প্যাসিভ ও ৩. অ্যাসারটিভ।

১. এগ্রেসিভ মানুষেরা শুধু নিজেদের কথাই ভাবে। অন্যদের অধিকারকে এরা কোন গুরুত্ব দেয় না। অন্যদের আঘাত করে কথা বলা এদের জন্য একটি নিয়মিত ব্যাপার। অন্যদের থামিয়ে দিয়ে এরা কথা বলে। এরা সবাইকে থামিয়ে দিয়ে নিজের কথা জোরে প্রকাশ করে। এছাড়াও দলে নিজের কন্ট্রোল আনাই এদের লক্ষ্য থাকে। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর নট" এই ভাবটি।

২. প্যাসিভ মানুষেরা কথা বলতেই সংকোচ করে। নিজে ব্যথা পেলেও অন্যকে ব্যথা দিতে পারে না। নিজের মনপুত না হলেও অন্যের কথায় সায় দেয়। নিজের থেকে অন্যদের সুখ দুঃখ কে বেশী গুরুত্ব দেয়। এরা একাএকাই থাকে - কোন দলে ভীড়ে না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " ইউ আর ওকে - আই এম নট" এই ভাবটি।

৩. অ্যাসারটিভ মানুষেরা নিজের সাথে সাথে অন্যের কথাও ভাবে। অন্যদের কথাকে নিজের কথার সমান গুরুত্ব দেয়। নিজেকে তো নয়ই - কাউকেই এরা ব্যথা দিতে চায় না। এদের সব কথায় লুকায়িত থাকে " আই এম ওকে - ইউ আর ওকে" এই ভাবটি।

300
According to my observation: Students who gets F grade in a course (while some of his class mates getting A+) have problems other than academic problems.
Classes of all of the courses are held regularly according to the class routine.
More over lecture sheets are given to the students regularly.
Teachers also discuss all of the topics regularly in the classes.

What they have to do is attend the classes attentively and study the materials regularly.

If a student fails it means he has not studied his class materials. We can assume that if a student fails - they have problem with their day to day schedule. Like waking up late in the morning or more engaged in activities other than academic etc.
Again a student may have been sick. For this the student may not be able to study. Which has led him to obtain a F grade.

To overcome the non-academic problems students should have a regular schedule in their personal life. He has to allocate sufficient time to study at home. (Outside the classes)
He should have a better schedule in his day to day life. For example if a student wakes up early in the morning he will be able to attend his scheduled classes on time, all day long. 
He should also have a regular schedule for studying outside the class time.

According to my opinion: If a student follows a regular schedule, allocating sufficient time for studying then it will be difficult for him to fail. 

Pages: 1 ... 18 19 [20] 21 22