Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 20
31
Faculty Forum / Generally there are 3 types of student in a class.
« on: December 10, 2018, 12:24:23 AM »
আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী একটি ক্লাসে সাধারণতঃ তিন ধরণের ছাত্র বা স্টুডেন্ট থাকে।
১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্ট ২. সাধারণ স্টুডেন্ট ৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট।

১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্টঃ  এরা পরাশুনায় অনেক মনযোগী। ক্লাসে নিয়মিত ভাবে উপস্থিত থাকে। এদের ক্লাস করার ও পড়াশুনার একটি নির্দিষ্ট প্রাত্যাহিক রুটিন থাকে। এদের জীবন অভ্যাস ঝামেলাবিহীন। এরা শিখতে চায়। কখনো যদি ক্লাস মিস করে তাহলে এরা কিছু জিনিস ক্লাস লেকচার শীট অথবা বই পড়েই শিখতে পারে। টিচার যদি নিয়মিত ক্লাস নেয় তাহলেই তা এদের শেখার জন্য যথেষ্ট। পরীক্ষায় যতটুকুই সিলেবাস দেয়া হোক না কেন এরা তার পূর্ণ প্রেপারেশন নিতে পারে। প্রতি ক্লাসে ৫ - ৬ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টঃ এদের জীবন যাপন পদ্ধতি ঝামেলা পূর্ণ। এদের কোন প্রাত্যাহিক রুটিন নাই। পড়াশুনা ছাড়া এরা সব কিছুতেই এরা আগ্রহী থাকে। এদের জীবন যাপনে প্রায় সময়ই ঝামেলা যোগ হয়। এরা বিশেষতঃ সকালের ক্লাস করতে পারে না। গভীর রাত পর্যন্ত এরা জেগে থাকে ও পড়াশুনা ছাড়া অন্য কোন ঝামেলার কাজে সময় নষ্ট করে। এরাই ক্লাসে কম সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে চায়। এর ফলে সহজেই এদেরকে চিহ্নিত করা যায়। এদেরকে একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত জীবন যাপনে অভ্যস্থ করা গেলেই এদের পড়াশুনা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এরা অনেক ট্যালেন্টেড হয়ে থাকে। তবে একেবারেই পড়াশুনা করতে চায় না। এদেরকে একবার যদি পরাশুনায় আগ্রহী করে তোলা যায় তাহলে এরা খুব ভাল ফলাফল করতে পারে। প্রতি ক্লাসে ২ - ৩ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

২. সাধারণ স্টুডেন্টঃ এরা সিন্সেয়ার ও আউট অফ ট্র্যাক এই দুই রকমের স্টুডেন্টদের মধ্যে মধ্যম মানের হয়ে থাকে। এরা কখনো বা সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের ফলো করে আবার কখনো বা আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ক্লাসের অধিকাংশ স্টুডেন্ট সাধারণ মানের হয়।

বিভিন্ন শ্রেণীর স্টুডেন্টদের সার্থক ভাবে শেখাতে হলে কিছু স্ট্রাটেজী নেয়া যেতে পারে। পড়ানোর সময় ডিটেইলস ভাবে পড়ালে ও কুইজের সিলেবাস ঠিক করার সময় সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের কথা খেয়াল রেখে ও প্রশ্ন করার সময় মধ্যম মানের স্টুডেন্টদের দিকে খেয়াল রেখে চললে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এছাড়া তাদেরকে গ্রুপ স্টাডির জন্য উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়াও একজন করে সিন্সিয়ার স্টুডেন্টকে প্রতি স্টাডি গ্রুপে অন্তরভুক্ত করে দিলে তাদের পরাশুনা ভাল হয়। ক্লাসের বাইরে গ্রুপ স্টাডির সময় একজন আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট এর পড়া শেখার দায়িত্ব এক জন সিন্সেয়ার স্টুডেন্টকে দিলে পড়া শেখানো সহজ হয়। তবে সব থেকে চ্যালিঞ্জিং হল আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট কে স্বাভাবিক ও প্রাত্যাহিক জীবনে অভ্যস্থ করে তোলা। তারা যদি স্বাভাবিক প্রাত্যাহিক রুটিন ফলো করতে শিখে তাহলে তারা নিজে থেকেই
পড়াশুনায় ভাল ফলাফল করতে পারে। এদেরকে যদি সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের মোটিভেশনটা কি - এইটা বোঝানো যায় - তাহলেও অনেক সময় ভাল পরিবর্তন দেখা যায়। তবে সব সময় মনে রাখতে হবে যে ঢালাও ভাবে গ্রেড দিয়ে পাস করালে আঊট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের অপকারই করা হয়। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।

32
Departments / Generally there are 3 types of student in a class.
« on: December 10, 2018, 12:23:43 AM »
আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী একটি ক্লাসে সাধারণতঃ তিন ধরণের ছাত্র বা স্টুডেন্ট থাকে।
১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্ট ২. সাধারণ স্টুডেন্ট ৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট।

১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্টঃ  এরা পরাশুনায় অনেক মনযোগী। ক্লাসে নিয়মিত ভাবে উপস্থিত থাকে। এদের ক্লাস করার ও পড়াশুনার একটি নির্দিষ্ট প্রাত্যাহিক রুটিন থাকে। এদের জীবন অভ্যাস ঝামেলাবিহীন। এরা শিখতে চায়। কখনো যদি ক্লাস মিস করে তাহলে এরা কিছু জিনিস ক্লাস লেকচার শীট অথবা বই পড়েই শিখতে পারে। টিচার যদি নিয়মিত ক্লাস নেয় তাহলেই তা এদের শেখার জন্য যথেষ্ট। পরীক্ষায় যতটুকুই সিলেবাস দেয়া হোক না কেন এরা তার পূর্ণ প্রেপারেশন নিতে পারে। প্রতি ক্লাসে ৫ - ৬ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টঃ এদের জীবন যাপন পদ্ধতি ঝামেলা পূর্ণ। এদের কোন প্রাত্যাহিক রুটিন নাই। পড়াশুনা ছাড়া এরা সব কিছুতেই এরা আগ্রহী থাকে। এদের জীবন যাপনে প্রায় সময়ই ঝামেলা যোগ হয়। এরা বিশেষতঃ সকালের ক্লাস করতে পারে না। গভীর রাত পর্যন্ত এরা জেগে থাকে ও পড়াশুনা ছাড়া অন্য কোন ঝামেলার কাজে সময় নষ্ট করে। এরাই ক্লাসে কম সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে চায়। এর ফলে সহজেই এদেরকে চিহ্নিত করা যায়। এদেরকে একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত জীবন যাপনে অভ্যস্থ করা গেলেই এদের পড়াশুনা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এরা অনেক ট্যালেন্টেড হয়ে থাকে। তবে একেবারেই পড়াশুনা করতে চায় না। এদেরকে একবার যদি পরাশুনায় আগ্রহী করে তোলা যায় তাহলে এরা খুব ভাল ফলাফল করতে পারে। প্রতি ক্লাসে ২ - ৩ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

২. সাধারণ স্টুডেন্টঃ এরা সিন্সেয়ার ও আউট অফ ট্র্যাক এই দুই রকমের স্টুডেন্টদের মধ্যে মধ্যম মানের হয়ে থাকে। এরা কখনো বা সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের ফলো করে আবার কখনো বা আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ক্লাসের অধিকাংশ স্টুডেন্ট সাধারণ মানের হয়।

বিভিন্ন শ্রেণীর স্টুডেন্টদের সার্থক ভাবে শেখাতে হলে কিছু স্ট্রাটেজী নেয়া যেতে পারে। পড়ানোর সময় ডিটেইলস ভাবে পড়ালে ও কুইজের সিলেবাস ঠিক করার সময় সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের কথা খেয়াল রেখে ও প্রশ্ন করার সময় মধ্যম মানের স্টুডেন্টদের দিকে খেয়াল রেখে চললে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এছাড়া তাদেরকে গ্রুপ স্টাডির জন্য উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়াও একজন করে সিন্সিয়ার স্টুডেন্টকে প্রতি স্টাডি গ্রুপে অন্তরভুক্ত করে দিলে তাদের পরাশুনা ভাল হয়। ক্লাসের বাইরে গ্রুপ স্টাডির সময় একজন আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট এর পড়া শেখার দায়িত্ব এক জন সিন্সেয়ার স্টুডেন্টকে দিলে পড়া শেখানো সহজ হয়। তবে সব থেকে চ্যালিঞ্জিং হল আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট কে স্বাভাবিক ও প্রাত্যাহিক জীবনে অভ্যস্থ করে তোলা। তারা যদি স্বাভাবিক প্রাত্যাহিক রুটিন ফলো করতে শিখে তাহলে তারা নিজে থেকেই
পড়াশুনায় ভাল ফলাফল করতে পারে। এদেরকে যদি সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের মোটিভেশনটা কি - এইটা বোঝানো যায় - তাহলেও অনেক সময় ভাল পরিবর্তন দেখা যায়। তবে সব সময় মনে রাখতে হবে যে ঢালাও ভাবে গ্রেড দিয়ে পাস করালে আঊট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের অপকারই করা হয়। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।

33
Permanent Campus of DIU / Human and Mathematics.
« on: December 07, 2018, 01:08:17 AM »
আমরা আমাদের চিন্তা ভাবনা গুলো কত নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি তাই নিয়ে ভাবতেছিলাম। লেখার মাধ্যমে অনেক কিছুই প্রকাশ করা যায়। এখানে ইন্সটুমেন্টের সাহায্য সব থেকে কম দরকার পড়ে। কলম ও কাগজ হলেই যথেষ্ট।
আবার ছবির মাধ্যমেও অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব। কেউ কেউ কবিতা বা গানের মাধ্যমেও অনেক সুক্ষ জিনিষ প্রকাশ করেন। সিনেমা বা মুভি অর্থাৎ ভিডিওর মাধ্যমেও অনেক শক্তিশালীভাবে অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব।
পুরোপুরি নিখুঁত ভাবে কিভাবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করা যায় - দক্ষতা সেখানেই।
আমাদের মনে কত কিছু আসে। আমরা কিভাবে সেগুলোকে নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি? বিশেষত লেখার মাধ্যমে?
গাছের রঙ সবুজ। আবার পরনের কাপড়ের রঙও সবুজ হতে পারে। আমরা জানি যে নীল ও হলুদ রঙ এক সাথে মিশালে সবুজ রঙ হয়।
গাছ হয়তো নীলাভ সবুজ আর জামাটা হয়তো হলদেটে সবুজ।
লেখার মাধ্যমে এই সবুজের পার্থক্য বুঝাতে গেলে অংক চলে আসে। এই ক্ষেত্রে লিখতে হবে ৭০% নীল ও ৩০% হলুদ মিশালে যে রঙ হবে সেই রকম নীলাভ সবুজ। অথবা ৪০% নীল ও ৬০% হলুদ মিশালে যে সবুজ হবে সেই রকম হলদেটে সবুজ।
হয়তো কোন সবুজের মধ্যে লালচে আভা আছে। কোনটা হয়তো হাল্কা কোনটা গাঢ় রঙের। তাই যতই অংকের সাহায্যে লিখতে চাই না কেন বর্ণনা বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হয়ে চলবে।
কতটুকু মন খারাপ কতটুকু মন ভাল এইটা কিভাবে অংক দিয়ে বোঝানো যাবে?
আমরা চাই সব কিছু নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই অঙ্কের সাহায্য নিতে হবে।
মানুষ সব সময়ই আবেগপ্রবন হয়। আবার সে সব কিছু নিখুঁত হোক তাই চায়। কিন্তু অংক একটি আবেগহীন বিষয়। কিন্তু এইটা দিয়ে নিখুঁত হিসেব সম্ভব। তাই মানুষ অংক পছন্দ না করলেও অংক মানুষের সাথে মিশে আছে প্রতি সূক্ষ্মতায়।

34
Textile Engineering / Human and Mathematics.
« on: December 07, 2018, 01:04:18 AM »
আমরা আমাদের চিন্তা ভাবনা গুলো কত নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি তাই নিয়ে ভাবতেছিলাম। লেখার মাধ্যমে অনেক কিছুই প্রকাশ করা যায়। এখানে ইন্সটুমেন্টের সাহায্য সব থেকে কম দরকার পড়ে। কলম ও কাগজ হলেই যথেষ্ট।
আবার ছবির মাধ্যমেও অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব। কেউ কেউ কবিতা বা গানের মাধ্যমেও অনেক সুক্ষ জিনিষ প্রকাশ করেন। সিনেমা বা মুভি অর্থাৎ ভিডিওর মাধ্যমেও অনেক শক্তিশালীভাবে অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব।
পুরোপুরি নিখুঁত ভাবে কিভাবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করা যায় - দক্ষতা সেখানেই।
আমাদের মনে কত কিছু আসে। আমরা কিভাবে সেগুলোকে নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি? বিশেষত লেখার মাধ্যমে?
গাছের রঙ সবুজ। আবার পরনের কাপড়ের রঙও সবুজ হতে পারে। আমরা জানি যে নীল ও হলুদ রঙ এক সাথে মিশালে সবুজ রঙ হয়।
গাছ হয়তো নীলাভ সবুজ আর জামাটা হয়তো হলদেটে সবুজ।
লেখার মাধ্যমে এই সবুজের পার্থক্য বুঝাতে গেলে অংক চলে আসে। এই ক্ষেত্রে লিখতে হবে ৭০% নীল ও ৩০% হলুদ মিশালে যে রঙ হবে সেই রকম নীলাভ সবুজ। অথবা ৪০% নীল ও ৬০% হলুদ মিশালে যে সবুজ হবে সেই রকম হলদেটে সবুজ।
হয়তো কোন সবুজের মধ্যে লালচে আভা আছে। কোনটা হয়তো হাল্কা কোনটা গাঢ় রঙের। তাই যতই অংকের সাহায্যে লিখতে চাই না কেন বর্ণনা বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হয়ে চলবে।
কতটুকু মন খারাপ কতটুকু মন ভাল এইটা কিভাবে অংক দিয়ে বোঝানো যাবে?
আমরা চাই সব কিছু নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই অঙ্কের সাহায্য নিতে হবে।
মানুষ সব সময়ই আবেগপ্রবন হয়। আবার সে সব কিছু নিখুঁত হোক তাই চায়। কিন্তু অংক একটি আবেগহীন বিষয়। কিন্তু এইটা দিয়ে নিখুঁত হিসেব সম্ভব। তাই মানুষ অংক পছন্দ না করলেও অংক মানুষের সাথে মিশে আছে প্রতি সূক্ষ্মতায়।


35
আমার পর্যবেক্ষণ মতে ১। টিচারের ক্লাস নেওয়া ২। পরীক্ষার প্রশ্ন ৩। পরীক্ষার ইনভিজিলেশন ও ৪। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কেমন হয় তার উপর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নির্ভর করে।

এরসাথে ইঞ্জিনিয়ারিং সাব্জেক্ট হলে সাথে ল্যাব ফ্যাসিলিটিও এর সাথে যোগ করতে হবে। কেননা এই বিষয় গুলোর তত্ত্বীয় অংশ তারা ল্যাব ক্লাসের মাধ্যমে পুরোপুরি ক্লিয়ার হতে পারে।

১. ক্লাস যত ভাল ভাবে নেওয়া হবে ছাত্র ছাত্রীরা তত ভাল ভাবে শিখতে পারবে। তবে সব সময়ই খেয়াল রাখতে হবে যে স্টুডেন্টরা যেন তাদের ইমাজিনেশন বা কল্পনা শক্তি কাজে লাগাতে পারে। এর জন্য তাদের প্রাত্যহিক জীবনের বা আশেপাশের সহজ উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। সার্থক ভাবে ক্লাস নিলে শিক্ষার্থীরা অনেক ভাল ভাবে শিখতে পারে। এছাড়াও একটি বিষয়ে নিয়মিত ক্লাস করলে শিক্ষার্থীর ওই বিষয়ের প্রায় ৫০% শেখা হয়ে যায়। যা ভাল ভাবে শেখা ও ভাল পরীক্ষা নিশ্চিত করতে পারে। (নিয়মিত ক্লাস এটেন্ড করলে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনের ঝামেলাও অনেক কমে যায়।)

২. পরীক্ষার প্রশ্ন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার প্রশ্ন বুঝে এর সঠিক উত্তর দেওয়াও পরীক্ষার একটি অংশ। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে ভুল না থাকলে পরীক্ষার্থীকে প্রশ্ন বুঝিয়ে দেওয়া কখনোই উচিৎ নয়। এই প্রসঙ্গে বলা যায় পরীক্ষার আগে কোন সাজেশন দিলে বা সিলেবাস কমিয়ে দিলে শিক্ষার্থীর শেখার পরিমাণ অনেক কমে যায়। তাই পুরো সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হয় কিনা এইটা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

৩. পরীক্ষার সময় ইনভিজিলেশনের গুরুত্ব ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে না। তবে অসুদপায়ের জন্য যথেষ্ট ও উপযুক্ত শাস্তির নিয়ম থাকা পরীক্ষার পরিবেশ ভাল রাখতে সাহায্য করে। আমরা সেই সব প্রতিষ্ঠানেরই সমালোচনা করি যাদের পরীক্ষা পদ্ধতি যথোপযুক্ত নয়।

৪. পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ঢালাও ভাবে নাম্বার দিয়ে গেলে অনেক বড় সমস্যা তৈরি হয়। যে সব ছাত্র ছাত্রী কষ্ট করে অনেক পড়ে পরীক্ষা দেয় ঢালাও গ্রেডের কারণে তারা পরের সেমিস্টারেই পড়া বাদ দিয়ে দেয়। কেননা তাদের মনে তখন কাজ করে যে না পড়লেও তো একই গ্রেড পাওয়া যায়। অপরপক্ষে যারা কম ক্লাস করে ও কম পড়াশুনা করে অযাজিত গ্রেড পায় তারাই পরে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে হাস্যরস তৈরি করে যে - ক্লাস না করে ও পড়াশুনা না করেও তারা পরীক্ষায় পাস করে এসেছে। শিক্ষক তথা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাজই হল ভাল কাজের জন্য উৎসাহ দেওয়া ও মন্দ কাজে নিরুৎসাহিত করা। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা এই গুণগত ব্যাপারটিই নিশ্চিত করে।

এর বাইরে যে সব বিষয়ে ব্যাবহারিক বিষয় আছে সে গুলোতে যথোপযুক্ত ল্যাব ফ্যাসিলিটি থাকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।     

36
আমাদের বাসার নীচতলা তখন খালি ছিল। পুরো বিল্ডিঙয়ে মানুষ বলতে আমরা চারজন। এর মধ্যে দুইজন হল আমার ছেলেমেয়ে। আর দিনের বেলা একজন রান্নাবান্না করে দিয়ে যেত। নিচতলা খালি তাই আমি তিন চারটা হুইসেল বা বাশি কিনে সব রুমে ঝুলিয়ে রেখেছিলাম। যাতে চোর টোর আসলে তাড়ানো যায়।
এক রাতে প্রায় দুইটার সময় কিছুতে ক্রমাগতঃ বাড়ি দেয়ার আওয়াজ পেলাম। বারান্দায় বের হয়ে নীচে তাকাতেই দেখলাম এক চোর খুব মনোযোগ দিয়ে আমাদের পানির মিটারের ঢাকনার তালায় ইট দিয়ে বাড়ি দিয়ে চলেছে। দরজা খোলার আওয়াজও তার কোন ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। যাই হোক আপনাদের ভাবি চোর চোর বলে চিৎকার দেয় আর আমি হুইসেল বাজাই। তাতে চোর খুব আশ্চর্য হয়ে উপরে তাকালো। তার চোখে মুখে যে আশ্চর্য ফুটে উঠেছিল তাতে লেখা ছিল,"এই বাসাতে মানুষ আছে?"
যাই হোক সে দ্রুত ওয়াল টপকিয়ে পই পই করে দৌড় দিল। (এখনও মাঝে মাঝে ভাবি যে সে যদি না পালিয়ে যেত - তাহলেই বা কি করতে পারতাম?)
পরের দিন ডিসিশন হল কুকুর পুষতে হবে। প্রথমে পরিচিত একজন একটি জার্মান শেফার্ডের বাচ্চা দিয়েছিল। বয়স ৩ - ৪ মাস। বয়সে বাচ্চা হলেও পুরাই বড় দেশী কুকুরের সমান বড় ছিল সেটা। তার নাম রাখা হল পিক্সসি। কিছুদিন রাখার পর ভাবলাম জার্মান শেফার্ড বড় হলে বিশাল হয়ে যায়। তখন তাকে বেধে রাখাই কঠিন হবে। আবার অপরিচিত মানুষদের প্রতি এরা অনেক হিংস্র হয়। এইবার ডিসিশন হল জার্মান শেফার্ডকে বিদায় দিতে হবে। তার জায়গায় পাহারাদার হিসেবে দেশী কুকুর আনতে হবে। এর মাঝেই জার্মান শেফার্ডকে টিকা দেয়া হয়ে গেছে। তার বেল্ট চেন খাবার সব কিছু অনেক খোঁজাখুজি করে জোগার করতে হয়েছে।
বলে রাখা ভাল আমাদের বাসার কেউ কুকুর সহ্য করতে পারে না। এমনকি আমিও না। তাই পরিচিত ও আসে পাশের সবাইকে বলা হল জার্মান শেফার্ড কেউ নিবে কিনা?
যাই হোক একজন সেই রামপুরা থেকে রাত ১০ টার সময় আমাদের বাসায় আসলো জার্মান শেফার্ডের খবর নিতে। আমাদের তখন কুকুরের জ্বালায় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কুকুরটি তেমন কোন ঝামেলা না করলেও আমাদের কুকুর ভীতি বা ঘৃণা থেকেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে লোকটির কথায় আশ্চর্য হলাম। সে আমাকে বলল," আপনি কুকুরটির দাম ১৪ হাজার চেয়েছেন। তবে যদি ১০ হাজারে দেন তাহলে আমি খুব খুশি হব।" বিনয়ে একেবারে বিগলিত হয়ে গেলেন তিনি। (আমরা একেবারে ফ্রি দেয়ার কথা ভেবেছিলাম। তাকে যে কুকুরের কথা বলেছিল সে কেন যেন টাকার কথা বলেছিল।)
আমি তাকে হিন্টস দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার বললাম টাকার কথা আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু সেই লোকটি জার্মান শেফার্ডের মোহে এমনই বিগলিত যে আমার হিন্টস টিন্টস একেবারে আমলেই নিলেন না। টিপ টিপ বৃষ্টি পরতেছিল। রাত তখন ১১ টা বাজে। তিনি আমার কাছ থেকে ছাতা ধার করে এ টি এম বুথে রওনা দিলেন টাকা উঠিয়ে আনতে। আমিও আর ভেঙ্গে বললাম না। বিজনেসের স্টুডেন্ট না হলেও বুঝতে পারতেছিলাম একেবারে ফ্রি এর কথা বললে তিনি কুকুরের সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ করবেন। আর হয়তো কুকুরটি নিবেন না। যাই হোক একটু পরে সেই রাতেই এসে পুরো টাকা আমাকে গুনে দিয়ে খুব খুশি মনে পিক্সসিকে নিয়ে আগালেন। পিক্সসিও আর গেটের বাইরে যাবে না। পরিশেষে তিনি সি এন জি তে পিক্সসিকে প্রায় কোলে নিয়ে রামপুরাতে রওনা দিলেন।
এইবার আরেক বিপদ। কুকুর বিক্রির টাকা আমি এখন কি করবো !!
অনেক ভেবে আলাদা রেখে দিলাম। অফিসের কলিগেরা কুকুর বিক্রির কথা শুনে ট্রিট চাইলো। সেখানে কিছু টাকা খরচ করলাম। সোর্স ওই একই টাকা। দেশী কুকুর আনার পর আবার তার টিকা বেল্ট চেন কেনা হল। তার পরও দেখি বেশ কিছু টাকা থেকে গেল। এর পর দেশী কুকুরের খাবার কিনতে থাকলাম ওই টাকা দিয়ে। দেশী কুকুরটাকে খুব ভাল খাওয়ানোর পরও বেশ কিছু দিন লেগেছিল পুরো টাকা শেষ হতে।

37
আমাদের বাসার নীচতলা তখন খালি ছিল। পুরো বিল্ডিঙয়ে মানুষ বলতে আমরা চারজন। এর মধ্যে দুইজন হল আমার ছেলেমেয়ে। আর দিনের বেলা একজন রান্নাবান্না করে দিয়ে যেত। নিচতলা খালি তাই আমি তিন চারটা হুইসেল বা বাশি কিনে সব রুমে ঝুলিয়ে রেখেছিলাম। যাতে চোর টোর আসলে তাড়ানো যায়।
এক রাতে প্রায় দুইটার সময় কিছুতে ক্রমাগতঃ বাড়ি দেয়ার আওয়াজ পেলাম। বারান্দায় বের হয়ে নীচে তাকাতেই দেখলাম এক চোর খুব মনোযোগ দিয়ে আমাদের পানির মিটারের ঢাকনার তালায় ইট দিয়ে বাড়ি দিয়ে চলেছে। দরজা খোলার আওয়াজও তার কোন ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। যাই হোক আপনাদের ভাবি চোর চোর বলে চিৎকার দেয় আর আমি হুইসেল বাজাই। তাতে চোর খুব আশ্চর্য হয়ে উপরে তাকালো। তার চোখে মুখে যে আশ্চর্য ফুটে উঠেছিল তাতে লেখা ছিল,"এই বাসাতে মানুষ আছে?"
যাই হোক সে দ্রুত ওয়াল টপকিয়ে পই পই করে দৌড় দিল। (এখনও মাঝে মাঝে ভাবি যে সে যদি না পালিয়ে যেত - তাহলেই বা কি করতে পারতাম?)
পরের দিন ডিসিশন হল কুকুর পুষতে হবে। প্রথমে পরিচিত একজন একটি জার্মান শেফার্ডের বাচ্চা দিয়েছিল। বয়স ৩ - ৪ মাস। বয়সে বাচ্চা হলেও পুরাই বড় দেশী কুকুরের সমান বড় ছিল সেটা। তার নাম রাখা হল পিক্সসি। কিছুদিন রাখার পর ভাবলাম জার্মান শেফার্ড বড় হলে বিশাল হয়ে যায়। তখন তাকে বেধে রাখাই কঠিন হবে। আবার অপরিচিত মানুষদের প্রতি এরা অনেক হিংস্র হয়। এইবার ডিসিশন হল জার্মান শেফার্ডকে বিদায় দিতে হবে। তার জায়গায় পাহারাদার হিসেবে দেশী কুকুর আনতে হবে। এর মাঝেই জার্মান শেফার্ডকে টিকা দেয়া হয়ে গেছে। তার বেল্ট চেন খাবার সব কিছু অনেক খোঁজাখুজি করে জোগার করতে হয়েছে।
বলে রাখা ভাল আমাদের বাসার কেউ কুকুর সহ্য করতে পারে না। এমনকি আমিও না। তাই পরিচিত ও আসে পাশের সবাইকে বলা হল জার্মান শেফার্ড কেউ নিবে কিনা?
যাই হোক একজন সেই রামপুরা থেকে রাত ১০ টার সময় আমাদের বাসায় আসলো জার্মান শেফার্ডের খবর নিতে। আমাদের তখন কুকুরের জ্বালায় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কুকুরটি তেমন কোন ঝামেলা না করলেও আমাদের কুকুর ভীতি বা ঘৃণা থেকেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে লোকটির কথায় আশ্চর্য হলাম। সে আমাকে বলল," আপনি কুকুরটির দাম ১৪ হাজার চেয়েছেন। তবে যদি ১০ হাজারে দেন তাহলে আমি খুব খুশি হব।" বিনয়ে একেবারে বিগলিত হয়ে গেলেন তিনি। (আমরা একেবারে ফ্রি দেয়ার কথা ভেবেছিলাম। তাকে যে কুকুরের কথা বলেছিল সে কেন যেন টাকার কথা বলেছিল।)
আমি তাকে হিন্টস দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার বললাম টাকার কথা আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু সেই লোকটি জার্মান শেফার্ডের মোহে এমনই বিগলিত যে আমার হিন্টস টিন্টস একেবারে আমলেই নিলেন না। টিপ টিপ বৃষ্টি পরতেছিল। রাত তখন ১১ টা বাজে। তিনি আমার কাছ থেকে ছাতা ধার করে এ টি এম বুথে রওনা দিলেন টাকা উঠিয়ে আনতে। আমিও আর ভেঙ্গে বললাম না। বিজনেসের স্টুডেন্ট না হলেও বুঝতে পারতেছিলাম একেবারে ফ্রি এর কথা বললে তিনি কুকুরের সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ করবেন। আর হয়তো কুকুরটি নিবেন না। যাই হোক একটু পরে সেই রাতেই এসে পুরো টাকা আমাকে গুনে দিয়ে খুব খুশি মনে পিক্সসিকে নিয়ে আগালেন। পিক্সসিও আর গেটের বাইরে যাবে না। পরিশেষে তিনি সি এন জি তে পিক্সসিকে প্রায় কোলে নিয়ে রামপুরাতে রওনা দিলেন।
এইবার আরেক বিপদ। কুকুর বিক্রির টাকা আমি এখন কি করবো !!
অনেক ভেবে আলাদা রেখে দিলাম। অফিসের কলিগেরা কুকুর বিক্রির কথা শুনে ট্রিট চাইলো। সেখানে কিছু টাকা খরচ করলাম। সোর্স ওই একই টাকা। দেশী কুকুর আনার পর আবার তার টিকা বেল্ট চেন কেনা হল। তার পরও দেখি বেশ কিছু টাকা থেকে গেল। এর পর দেশী কুকুরের খাবার কিনতে থাকলাম ওই টাকা দিয়ে। দেশী কুকুরটাকে খুব ভাল খাওয়ানোর পরও বেশ কিছু দিন লেগেছিল পুরো টাকা শেষ হতে।

38
Faculty Forum / Basics to ensure quality.
« on: November 22, 2018, 09:53:33 PM »
টেক্সটাইল টেস্টিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল পড়াতে গিয়ে পড়াতে হয়ঃ আগে মানুষ কোয়ালিটি কন্ট্রোল করতো। এখন কোয়ালিটি এসুরেন্স থেকে টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট ছাড়িয়ে কোয়ালিটির কনসেপ্ট বা ধারণা বদলে গেছে অনেক। আগে মানুষ জিনিষ তৈরি করে পরে চেক করে দেখতো যে পণ্যের মান ঠিক আছে কিনা? থাকলে তা বিক্রয়ের জন্য পাঠিয়ে দিত। না থাকলে আবার ব্যাক প্রসেসে দিত ঠিক করার জন্য। সে তখন গুনে দেখতো ডিফেক্টস ইন হান্ড্রেডস অথবা ডিফেক্টস ইন মিলিওন্স। অর্থাৎ সে স্বীকার করতো পণ্য তৈরি করলে কিছু ডিফেক্টিভ প্রোডাক্ট তৈরি হবে। আস্তে আস্তে কাঁচামাল দুষ্প্রাপ্য হল। আবার কোয়ালিটি সম্পর্কে ধারণা বদলালো। সে এইবার বলল নো ডিফেক্টস এট অল। অর্থাৎ এমন ভাবে পণ্য তৈরি করতে হবে যেন কোন ডিফেক্টিভ পণ্য তৈরি না হয়। আগে মানুষের পণ্যের কোয়ালিটির জন্য তার জন্য মেশিন ও প্রসেসকে দায়ী করা হত। আস্তে আস্তে কোয়ালিটির কনসেপ্ট আরো উন্নত হল। সে জানলো তার নিজস্ব কর্মী বাহিনী সহ এই পণ্যের বিক্রয়ের সাথে যাদের ভাগ্য জড়িত সবাইকেই এই পণ্যের কোয়ালিটির জন্য দায়ী। তার কর্মী বাহিনীকে ট্রেনিং দিতে হবে। পণ্য উৎপাদনের সময়ই সব প্রসেস প্যারামিটার নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোন ডিফেক্টিভ পণ্য তৈরি না হয়। সে কাওকেই নেগ্লেক্ট করতে পারবে না। এমনকি তার সাপ্লাইয়ারদেরকেও।
সবাই মিলে ও সব কিছু মিলে একটি পণ্যের মান নিশ্চিত হয়।
পড়াই আর ভাবি সব কিছুর মূলে আছে মানুষের কোয়ালিটি। যে সবার কথা ভাবে একমাত্র তার পক্ষেই কোয়ালিটি নিশ্চিত করা সম্ভব। টাকা লোভী স্বার্থপর মানুষের পক্ষে কখনোই কোয়ালিটি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমরা পণ্যের গুনোগত মান নিয়ে এতো ভাবি। সারাজীবন কাটাই। কত পড়াশোনা ও গবেষণা করি।
আমার মতে মানহীন পণ্য আমরা হয়তো টলারেট বা সহ্য করতে পারি। এমনকি অনেক পণ্য ছাড়া আমরা জীবন পার করতে পারি। যে মোবাইল ছাড়া আমরা এখন এক মুহূর্ত কল্পনা করতে পারি না তা ছাড়াও মানুষ হাজার হাজার বছর পার করে দিয়েছে।
কিন্তু মানহীন মানুষ সব থেকে ক্ষতিকারক ও বেদনাদায়ক। মানহীন পণ্য সহ্য করা যেতে পারে। কিন্তু মানহীন মানুষ সহ্য করা অনেক বেদনাদায়ক ব্যাপার। তাই মানুষের মান বা কোয়ালিটি নিয়ে আমরা কতটুকু ভাবি বা চিন্তা করি? নিজেদের নিয়ে কতটা সময় দেই? আমাদের মনে রাখতে হবে আমাদের নিজেদেরকেই জবাবদিহি করতে হবে। আমাদের জীবন আমরা কিভাবে কাটিয়েছি? আর কাওকে নয়।

(আমার ফেসবুক পোস্ট থেকে।)

39
Faculty Sections / Basics to ensure quality.
« on: November 22, 2018, 09:52:59 PM »
টেক্সটাইল টেস্টিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল পড়াতে গিয়ে পড়াতে হয়ঃ আগে মানুষ কোয়ালিটি কন্ট্রোল করতো। এখন কোয়ালিটি এসুরেন্স থেকে টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট ছাড়িয়ে কোয়ালিটির কনসেপ্ট বা ধারণা বদলে গেছে অনেক। আগে মানুষ জিনিষ তৈরি করে পরে চেক করে দেখতো যে পণ্যের মান ঠিক আছে কিনা? থাকলে তা বিক্রয়ের জন্য পাঠিয়ে দিত। না থাকলে আবার ব্যাক প্রসেসে দিত ঠিক করার জন্য। সে তখন গুনে দেখতো ডিফেক্টস ইন হান্ড্রেডস অথবা ডিফেক্টস ইন মিলিওন্স। অর্থাৎ সে স্বীকার করতো পণ্য তৈরি করলে কিছু ডিফেক্টিভ প্রোডাক্ট তৈরি হবে। আস্তে আস্তে কাঁচামাল দুষ্প্রাপ্য হল। আবার কোয়ালিটি সম্পর্কে ধারণা বদলালো। সে এইবার বলল নো ডিফেক্টস এট অল। অর্থাৎ এমন ভাবে পণ্য তৈরি করতে হবে যেন কোন ডিফেক্টিভ পণ্য তৈরি না হয়। আগে মানুষের পণ্যের কোয়ালিটির জন্য তার জন্য মেশিন ও প্রসেসকে দায়ী করা হত। আস্তে আস্তে কোয়ালিটির কনসেপ্ট আরো উন্নত হল। সে জানলো তার নিজস্ব কর্মী বাহিনী সহ এই পণ্যের বিক্রয়ের সাথে যাদের ভাগ্য জড়িত সবাইকেই এই পণ্যের কোয়ালিটির জন্য দায়ী। তার কর্মী বাহিনীকে ট্রেনিং দিতে হবে। পণ্য উৎপাদনের সময়ই সব প্রসেস প্যারামিটার নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোন ডিফেক্টিভ পণ্য তৈরি না হয়। সে কাওকেই নেগ্লেক্ট করতে পারবে না। এমনকি তার সাপ্লাইয়ারদেরকেও।
সবাই মিলে ও সব কিছু মিলে একটি পণ্যের মান নিশ্চিত হয়।
পড়াই আর ভাবি সব কিছুর মূলে আছে মানুষের কোয়ালিটি। যে সবার কথা ভাবে একমাত্র তার পক্ষেই কোয়ালিটি নিশ্চিত করা সম্ভব। টাকা লোভী স্বার্থপর মানুষের পক্ষে কখনোই কোয়ালিটি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমরা পণ্যের গুনোগত মান নিয়ে এতো ভাবি। সারাজীবন কাটাই। কত পড়াশোনা ও গবেষণা করি।
আমার মতে মানহীন পণ্য আমরা হয়তো টলারেট বা সহ্য করতে পারি। এমনকি অনেক পণ্য ছাড়া আমরা জীবন পার করতে পারি। যে মোবাইল ছাড়া আমরা এখন এক মুহূর্ত কল্পনা করতে পারি না তা ছাড়াও মানুষ হাজার হাজার বছর পার করে দিয়েছে।
কিন্তু মানহীন মানুষ সব থেকে ক্ষতিকারক ও বেদনাদায়ক। মানহীন পণ্য সহ্য করা যেতে পারে। কিন্তু মানহীন মানুষ সহ্য করা অনেক বেদনাদায়ক ব্যাপার। তাই মানুষের মান বা কোয়ালিটি নিয়ে আমরা কতটুকু ভাবি বা চিন্তা করি? নিজেদের নিয়ে কতটা সময় দেই? আমাদের মনে রাখতে হবে আমাদের নিজেদেরকেই জবাবদিহি করতে হবে। আমাদের জীবন আমরা কিভাবে কাটিয়েছি? আর কাওকে নয়।

(আমার ফেসবুক পোস্ট থেকে।)

40
Textile Engineering / Patience is required to wait in a line.
« on: November 19, 2018, 01:53:32 AM »
একটা সময় ছিল যখন প্রায় সব কিছুতেই লাইনে দাঁড়াতে হত। সেই স্কুলে ভর্তির পর থেকেই লাইনে দাঁড়ানো শুরু। প্রতিদিন সকালে স্কুলের মাঠে লাইনে দাঁড়ানো। বিল দিতে ও টাকা উঠাতে ব্যাংকে মানুষের লম্বা লাইন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফর্ম কিনতে ও জমা দিতে লাইন।
ট্রেন ও বাসের টিকেট কিনতে লাইন। ট্রেন ও বাসে উঠতে লাইন। পোস্ট অফিসে লাইন। প্যাথলজি ল্যাবে লাইন।
লাইনের সামনে থেকে এক জন করে চলে যেত আর লাইন আস্তে আস্তে এগিয়ে যেত।
আমার জীবনে সব থেকে বেশী সময় যে লাইনে দাঁড়িয়েছি তাতে পুরো ৭ ঘন্টা লেগেছিল। সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা। মাঝখানের সময়ে কিছু খাই নাই। এমনকি এক গ্লাস পানিও না।
আমি দেখেছি লাইনে দাঁড়ানো মানুষদের মাঝে এক রকমের বন্ধুত্ব তৈরি হয়। এর মাঝে অন্য কেউ যদি ফাঁকতালে লাইনের সিরিয়াল না মেনে কাজ সেরে নিতে চায় - তাহলে বাকিদের এক জোট হওয়া দেখার মত হয়। আবার লাইন যদি ধীরে আগায় তাহলে লাইনে সেই অফিসের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।
মানুষের লাইনে দাঁড়ানো দেখে সেই সমাজ ও দেশের অনেক কিছু অনুমান করা যায়।
আমাদের দেশের অনেক ব্যাংকে ও প্রতিষ্ঠানে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলাদের জন্য আলাদা লাইন থাকে। মহিলাদের এই লাইন সাধারনতঃ পুরুষদের লাইনের থেকে অনেক ছোট থাকে। তাই অনেকেই কাজ দ্রুত সারার জন্য বাসা থেকে কোন মহিলা সদস্য সাথে নিয়ে যান।
আমাদের নিজেদের জেনারেশন যত লাইনে দাঁড়িয়েছে তত আর কোন জেনারেশন দাড়ায়নি। কেননা আমাদের সময় সবই অ্যানালগ ছিল। সব ফর্মই হাতে লিখে আবার হাতে হাতে জমা দিতে হত।
আমাদের আগের জেনারেশনে মানুষের সংখ্যা অনেক কম ছিল। তাই তাদেরও আমাদের মত এতো বেশী লাইনে দাঁড়াতে হয় নাই।
বর্তমানের জেনারেশন দেখি আর ভাবি। এদের ধৈর্য শক্তি এতো কম কেন? কেননা তাদের খুব কম লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়েছে। সব কিছু ডিজিটাল হওয়ায় তাদের আর লাইনে অপেক্ষা করতে হয় না।
কম্পিউটারের সাহায্যে অনলাইনেই ফর্ম ডাউন লোড করে তা ফিল আপ করলেই হয়। জমাও দেয়া যায় অনলাইনেই। আবেদনের ফলাফলও পাওয়া যায় অনলাইনেই। ইন্টারনেটের গতি ঠিক থাকলেই হল।

41
Permanent Campus of DIU / Patience is required to wait in a line.
« on: November 19, 2018, 01:52:27 AM »

একটা সময় ছিল যখন প্রায় সব কিছুতেই লাইনে দাঁড়াতে হত। সেই স্কুলে ভর্তির পর থেকেই লাইনে দাঁড়ানো শুরু। প্রতিদিন সকালে স্কুলের মাঠে লাইনে দাঁড়ানো। বিল দিতে ও টাকা উঠাতে ব্যাংকে মানুষের লম্বা লাইন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তি ফর্ম কিনতে ও জমা দিতে লাইন।
ট্রেন ও বাসের টিকেট কিনতে লাইন। ট্রেন ও বাসে উঠতে লাইন। পোস্ট অফিসে লাইন। প্যাথলজি ল্যাবে লাইন।
লাইনের সামনে থেকে এক জন করে চলে যেত আর লাইন আস্তে আস্তে এগিয়ে যেত।
আমার জীবনে সব থেকে বেশী সময় যে লাইনে দাঁড়িয়েছি তাতে পুরো ৭ ঘন্টা লেগেছিল। সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা। মাঝখানের সময়ে কিছু খাই নাই। এমনকি এক গ্লাস পানিও না।
আমি দেখেছি লাইনে দাঁড়ানো মানুষদের মাঝে এক রকমের বন্ধুত্ব তৈরি হয়। এর মাঝে অন্য কেউ যদি ফাঁকতালে লাইনের সিরিয়াল না মেনে কাজ সেরে নিতে চায় - তাহলে বাকিদের এক জোট হওয়া দেখার মত হয়। আবার লাইন যদি ধীরে আগায় তাহলে লাইনে সেই অফিসের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের কর্মদক্ষতা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠে।
মানুষের লাইনে দাঁড়ানো দেখে সেই সমাজ ও দেশের অনেক কিছু অনুমান করা যায়।
আমাদের দেশের অনেক ব্যাংকে ও প্রতিষ্ঠানে পুরুষদের পাশাপাশি মহিলাদের জন্য আলাদা লাইন থাকে। মহিলাদের এই লাইন সাধারনতঃ পুরুষদের লাইনের থেকে অনেক ছোট থাকে। তাই অনেকেই কাজ দ্রুত সারার জন্য বাসা থেকে কোন মহিলা সদস্য সাথে নিয়ে যান।
আমাদের নিজেদের জেনারেশন যত লাইনে দাঁড়িয়েছে তত আর কোন জেনারেশন দাড়ায়নি। কেননা আমাদের সময় সবই অ্যানালগ ছিল। সব ফর্মই হাতে লিখে আবার হাতে হাতে জমা দিতে হত।
আমাদের আগের জেনারেশনে মানুষের সংখ্যা অনেক কম ছিল। তাই তাদেরও আমাদের মত এতো বেশী লাইনে দাঁড়াতে হয় নাই।
বর্তমানের জেনারেশন দেখি আর ভাবি। এদের ধৈর্য শক্তি এতো কম কেন? কেননা তাদের খুব কম লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হয়েছে। সব কিছু ডিজিটাল হওয়ায় তাদের আর লাইনে অপেক্ষা করতে হয় না।
কম্পিউটারের সাহায্যে অনলাইনেই ফর্ম ডাউন লোড করে তা ফিল আপ করলেই হয়। জমাও দেয়া যায় অনলাইনেই। আবেদনের ফলাফলও পাওয়া যায় অনলাইনেই। ইন্টারনেটের গতি ঠিক থাকলেই হল।

42
বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে বিভিন্ন মেশিন ও যন্ত্রপাতির প্রয়োগ ও ব্যাবহার শিখানো হয়। এইগুলো শেখানোর সময় এর সাথে বিভিন্ন তত্ত্বীয় বিষয়াবলীও চলে আসে।
আমার অভিজ্ঞতা বলে ইঞ্জিনিয়ারিং সাব্জেক্টে হাতে কলমে মেশিন ও ইকুইপমেন্টের সাহায্যে শিক্ষণীয় বিষয় গুলো অনেক সহজে শেখানো যায়। যা বই বা ক্লাস লেকচারের পাতার পর পাতা পড়িয়েও অনেক কষ্টেও শিখানো যায় না। ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে ল্যাব ও তত্ত্বীয় বিষয় গুলো একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীরা ল্যাবে বিষয়গুলো ঠিক মত শিখতে পারলে তাদের তত্ত্বীয় পড়াশুনা অনেক কম করলেও চলে। তাদের তখন কেবল দরকার পড়ে যা দেখেছে তাই পরিস্কার লেখনির মাধ্যমে খাতায় ফুটিয়ে তোলা।
আমার আরেকটি অভিজ্ঞতা বলে যে সব ছাত্র ছাত্রী ল্যাব খুব মনোযোগ দিয়ে করে তাদের সার্বিক ফলাফলও ভাল হয়। অপরপক্ষে ল্যাব কোর্সে যে দুর্বল তার সার্বিক ফলাফলও ভাল হয় না।
তাই যে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শিখানোর পূর্ব শর্ত হল যথেষ্ট পরিমাণ ল্যাব সুবিধা থাকা।
আমরা অনেক সময়ই ছাত্র ছাত্রীদের ভাল ফলাফলের জন্য বেশী পড়াশুনা করতে বলি। কিন্তু আমাদের এটাও খেয়াল রাখতে হবে যে ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিষয় গুলো হাতে কলমে মেশিনে দেখাতে না পারলে অনেকের কাছেই সেগুলো দুর্বোধ্য থেকে যায়। তাই অনেকেই আশানুরূপ ফলাফল করতে পারে না। এমনকি অনেকেই হয়ত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়।   
তাই ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় মাত্রই যথোপযুক্ত ল্যাব ফ্যাসিলিটি অর্থাৎ যথেষ্ট পরিমানে মেশিন ও ইকুইপমেন্ট থাকা জরুরী।

43
বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে বিভিন্ন মেশিন ও যন্ত্রপাতির প্রয়োগ ও ব্যাবহার শিখানো হয়। এইগুলো শেখানোর সময় এর সাথে বিভিন্ন তত্ত্বীয় বিষয়াবলীও চলে আসে।
আমার অভিজ্ঞতা বলে ইঞ্জিনিয়ারিং সাব্জেক্টে হাতে কলমে মেশিন ও ইকুইপমেন্টের সাহায্যে শিক্ষণীয় বিষয় গুলো অনেক সহজে শেখানো যায়। যা বই বা ক্লাস লেকচারের পাতার পর পাতা পড়িয়েও অনেক কষ্টেও শিখানো যায় না। ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে ল্যাব ও তত্ত্বীয় বিষয় গুলো একে অন্যের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।
ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধ্যয়নরত ছাত্র ছাত্রীরা ল্যাবে বিষয়গুলো ঠিক মত শিখতে পারলে তাদের তত্ত্বীয় পড়াশুনা অনেক কম করলেও চলে। তাদের তখন কেবল দরকার পড়ে যা দেখেছে তাই পরিস্কার লেখনির মাধ্যমে খাতায় ফুটিয়ে তোলা।
আমার আরেকটি অভিজ্ঞতা বলে যে সব ছাত্র ছাত্রী ল্যাব খুব মনোযোগ দিয়ে করে তাদের সার্বিক ফলাফলও ভাল হয়। অপরপক্ষে ল্যাব কোর্সে যে দুর্বল তার সার্বিক ফলাফলও ভাল হয় না।
তাই যে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স শিখানোর পূর্ব শর্ত হল যথেষ্ট পরিমাণ ল্যাব সুবিধা থাকা।
আমরা অনেক সময়ই ছাত্র ছাত্রীদের ভাল ফলাফলের জন্য বেশী পড়াশুনা করতে বলি। কিন্তু আমাদের এটাও খেয়াল রাখতে হবে যে ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিষয় গুলো হাতে কলমে মেশিনে দেখাতে না পারলে অনেকের কাছেই সেগুলো দুর্বোধ্য থেকে যায়। তাই অনেকেই আশানুরূপ ফলাফল করতে পারে না। এমনকি অনেকেই হয়ত পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়।   
তাই ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় মাত্রই যথোপযুক্ত ল্যাব ফ্যাসিলিটি অর্থাৎ যথেষ্ট পরিমানে মেশিন ও ইকুইপমেন্ট থাকা জরুরী।

44
Faculty Forum / Unwritten and unknown stories of life.
« on: November 14, 2018, 09:12:12 PM »
https://www.youtube.com/watch?v=x5LQ5k-bjbE
ছোটবেলায় বি টি ভি তে একটি ধারাবাহিক ইংরেজি ছায়াছবি দেখাতো। নাম ছিলো ওয়াল্টন্স। যতটুকু মনে আছে একটি আমেরিকান পরিবারের দৈনন্দিন জীবন যাপনের কাহিনী ছিলো সেটা। সেই পরিবারের বড় ছেলে তাদের পরিবারের প্রতিদিনের ঘটনা ও দিন লিপি লিখে রাখে প্রতিদিন। সেই লেখা থেকেই এই ওয়াল্টন্স ধারাবাহিক মুভির জন্ম। ইংরেজিতে ছিলো দেখে তখন প্রায় কিছুই বুঝতাম না। যত টুকু শুধু ছবি দেখে বোঝা সম্ভব – ততটুকুই বুঝতাম। আর মনে পড়ে যে প্রতি এপিসোডের শেষে পরিবারের সবাই গুডনাইট বলতেছে আর তাদের বাড়ির লাইট এক এক করে নিভে যাচ্ছে। প্রতি এপিসোড শেষে এইটাই ছিলো এন্ডিং সিন।
ভাবতেছি – যাদের লেখার ক্ষমতা ছিলো – তাদের কাহিনী আমরা সবাই দেখতেছি। কিন্তু এর বাইরের কোটি কোটি কাহিনী লেখা হয় নাই। এই পৃথিবীতে এই পর্যন্ত মোট কতজন মানুষ জন্মেছে? বর্তমানের ৭০০ কোটির সাথে অতীতের মানুষের সংখ্যা যোগ করলে কত হবে? ঠিক ততগুলোই জীবন কাহিনী নয় কি? কত কোটি কোটি সংগ্রাম দুঃখ-কষ্ট মায়া-মমতা আনন্দ-বেদনার কাহিনী ঘটে গেছে এই পৃথিবীতে।
এক এক জন মানুষের জীবন অবসানে হারিয়ে যায় কত না লেখা মহাকাব্য। আরেকজন আসে – শুরু হয় তার জীবন কাহিনী। হয়ত জীবন কাহিনীর পুনরাবৃত্তি ঘটে। কিন্তু আমরা কেউ তা জানিনা। নতুন করে শিখি আমরা যা পুরানোরা অনেক আগেই তা হাজার বার করে গেছে। আমাদের কাছে যা নতুন অনুভুতি, নতুন ভালোলাগা, নতুন আবেগ – খুজলে হাজার বছরের কালের গর্ভে হয়ত তা লক্ষ-নিযুত বার পাওয়া যাবে।

45
Permanent Campus of DIU / Perishable essentials.
« on: November 13, 2018, 11:01:47 PM »
আমার মতে আমাদের জেনারেশন যারা ১৯৮০ সালের মধ্যে জন্ম নিয়েছি তারা অন্যদের থেকে ভাগ্যবান। আমাদের ম্যানুয়াল, অটোম্যাটিক, ডিজিটাল সব কিছুর অভিজ্ঞতা আছে। আমরা পোস্ট অফিসে ডাকটিকেট কিনতে লাইনে দাড়িয়েছি। চিঠি লিখে পাঠিয়েছি। আবার আমাদের নামে চিঠিও আসতো। আমরা যেমন বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়েছি সেইরকম এখন ফেসবুকেও আছি। আমরা জানি কিভাবে ল্যান্ড ফোনে নাম্বার ঘুড়িয়ে ঘুড়িয়ে কাউকে কল করতে হত।
ভাবতেছিলাম আগেকার ল্যান্ড ফোন নিয়ে। তখনও মোবাইল আমাদের দেশে আসেনি। বাসাবাড়ি ও অফিসে ল্যান্ড ফোনই এক মাত্র ভরসা। যে কেউ নতুন বিজনেস শুরু করলে সবার আগে দরকার পড়তো এই ল্যান্ড ফোন। সেই সময় বিবিসিতে একটি অনুষ্ঠানে প্রচারিত হয়েছিল বাস্তব অবস্থা। ল্যান্ড ফোনের জন্য আবেদন করে টাকা জমা দিয়ে বসে থাকলেও ফোন পাওয়া যেত না। কিন্তু সেই সময় লাখ টাকা ঘুস দিলে এক দিনেই ল্যান্ড ফোনের কানেকশন পাওয়া যেত।
আমি ভাবি কোথায় সেই সোনার হরিণ ল্যান্ড ফোন?
আসলেই নীরবে তার মৃত্যু হয়েছে। মোবাইল আসায় তার প্রভাব প্রতিপত্তি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আর কয়দিন পরে তাকে কেবলমাত্র জাদুঘরে পাওয়া যাবে।
আর মোবাইল? ফুটপাথে টুলে বসে এখন বিক্রয় হয় এই মোবাইলের সিম। অফারের পর অফার দিয়েও অবিক্রিত থেকে যায় তা।
যার ভাবগাম্ভীর্যের জ্বালায় টেকা যেত না - সে এখন চরম বিনয়ী হওয়ার পরও কেউ তাকে ফিরেও দেখে না।
ল্যান্ড ফোন একটি শিক্ষা - একটি জলজ্যান্ত শিক্ষা।
যে যত ভাবই নেক না কেন - বিকল্প আসা মাত্র সব ভাব দূর হয়ে যায়।
আমরা কেউ এই পৃথিবী বা সমাজের জন্য অবশ্য দরকারি কিছু নই। সময়ের চাকা ঘুড়লে বিলুপ্ত হতে সময় লাগে না।

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 20