Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 45
46
Permanent Campus of DIU / Memory can reward or can punish.
« on: December 27, 2018, 01:34:02 AM »
রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন 'আজি হতে শত বর্ষ পরে' কবিতাটি। বাংলা ১৩০০ সালে লেখা কবিতাটি।
ভাবতেছিলাম তাইতো - শত বর্ষ আগে কি ছিল? মানুষ কেমন করে দিন কাটাত? কার কার কথা আমি জানি? কার কথা ভাল বা মন্দ - কেমন ভাবে জানি?
সত্য কথা বলতে ১০০ বছর আগে আমি কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে চিনিনা। যতটুকু ইতিহাস বইয়ে আছে তার অল্পটুকুই জানি। আমাদের দিন কেটে যায় ব্যস্ততায়। আগের দিনের কথাই মনে থাকে না। আমাদের স্মৃতিতে শুধু আমাদের চারিপাশের মানুষেরাই থাকে। আর থাকে নিজের জীবনের সারাংশ। কিভাবে নিজের জীবন কাটিয়েছি। কে বন্ধু ছিল কাকে এড়িয়ে চলতাম - এইগুলো।
বর্তমানকাল কতক্ষণকে বলা হয়? আজকের যতটুকু আমাদের মনে থাকে ততটুকুই নয় কি? এর বাইরে পুরোটুকুই অতীত নয় কি? আমরা কতটুকু নিজের সাথে নিয়ে যাবো? আমরা কি শুধু পরিচিত মানুষের মাঝে স্মৃতিটুকুই রেখে যাব না?
শুধু অন্যের ভাল বা মন্দের স্মৃতি কি আমাদের মনে থাকবে না?
নিজের জীবনের সায়াহ্নে স্মৃতি নিয়ে নাড়াচাড়া করবো। সবাই করে।
এই বয়সে এখনই শুরু হয়ে গেছে স্মৃতি রোমন্থন।
নিজের অতীত নিয়ে কারো যদি হা হুতাস বা দুঃখ জাগে - এর থেকে কষ্টকর আর কিছু নাই। অতীত কখনো কাউকে কামড় দিতে পারে না। কোন ভাল মন্দ করতে পারে না। যা করতে পারে তা হল বিবেকের দংশন। যারা অন্যের ক্ষতি করে - অন্যের কষ্টের কারণ ঘটায়। যার কষ্টের কারণ ঘটিয়েছে বা ক্ষতি করেছে তার মনে না থাকলেও - যার যার অন্যায় তার নিজের মনে থাকে। আমাদের মনের কথা কত বিস্তারিত ভাবেই না আমরা নিজেরা জানি - যা আর অন্য কেউ জানে না। মানুষ বর্তমানকে ভয় না পেতে পারে। কেননা বর্তমানে সে কি করবে তা সে ঠিক করতে পারে। কিন্তু অতীত হল রিড অনলি। অতীত কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। যদি ভাল সময় কাটিয়ে থাকে তাহলে স্মৃতি হয় আনন্দের। আর অতীতে যদি সে অন্যের দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে তাহলে নিজেকে অভিশপ্ত মানুষ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না।

47
Textile Engineering / Memory can reward or can punish.
« on: December 27, 2018, 01:33:17 AM »
রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন 'আজি হতে শত বর্ষ পরে' কবিতাটি। বাংলা ১৩০০ সালে লেখা কবিতাটি।
ভাবতেছিলাম তাইতো - শত বর্ষ আগে কি ছিল? মানুষ কেমন করে দিন কাটাত? কার কার কথা আমি জানি? কার কথা ভাল বা মন্দ - কেমন ভাবে জানি?
সত্য কথা বলতে ১০০ বছর আগে আমি কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে চিনিনা। যতটুকু ইতিহাস বইয়ে আছে তার অল্পটুকুই জানি। আমাদের দিন কেটে যায় ব্যস্ততায়। আগের দিনের কথাই মনে থাকে না। আমাদের স্মৃতিতে শুধু আমাদের চারিপাশের মানুষেরাই থাকে। আর থাকে নিজের জীবনের সারাংশ। কিভাবে নিজের জীবন কাটিয়েছি। কে বন্ধু ছিল কাকে এড়িয়ে চলতাম - এইগুলো।
বর্তমানকাল কতক্ষণকে বলা হয়? আজকের যতটুকু আমাদের মনে থাকে ততটুকুই নয় কি? এর বাইরে পুরোটুকুই অতীত নয় কি? আমরা কতটুকু নিজের সাথে নিয়ে যাবো? আমরা কি শুধু পরিচিত মানুষের মাঝে স্মৃতিটুকুই রেখে যাব না?
শুধু অন্যের ভাল বা মন্দের স্মৃতি কি আমাদের মনে থাকবে না?
নিজের জীবনের সায়াহ্নে স্মৃতি নিয়ে নাড়াচাড়া করবো। সবাই করে।
এই বয়সে এখনই শুরু হয়ে গেছে স্মৃতি রোমন্থন।
নিজের অতীত নিয়ে কারো যদি হা হুতাস বা দুঃখ জাগে - এর থেকে কষ্টকর আর কিছু নাই। অতীত কখনো কাউকে কামড় দিতে পারে না। কোন ভাল মন্দ করতে পারে না। যা করতে পারে তা হল বিবেকের দংশন। যারা অন্যের ক্ষতি করে - অন্যের কষ্টের কারণ ঘটায়। যার কষ্টের কারণ ঘটিয়েছে বা ক্ষতি করেছে তার মনে না থাকলেও - যার যার অন্যায় তার নিজের মনে থাকে। আমাদের মনের কথা কত বিস্তারিত ভাবেই না আমরা নিজেরা জানি - যা আর অন্য কেউ জানে না। মানুষ বর্তমানকে ভয় না পেতে পারে। কেননা বর্তমানে সে কি করবে তা সে ঠিক করতে পারে। কিন্তু অতীত হল রিড অনলি। অতীত কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। যদি ভাল সময় কাটিয়ে থাকে তাহলে স্মৃতি হয় আনন্দের। আর অতীতে যদি সে অন্যের দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে তাহলে নিজেকে অভিশপ্ত মানুষ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না।

48
Textile Engineering / Re: Learning from history.
« on: December 27, 2018, 12:39:45 AM »
Thank you for your feedback.

49
Textile Engineering / Re: Learning from history.
« on: December 22, 2018, 10:04:11 PM »
Thank you for your feedback.

50
Textile Engineering / Re: Human and Mathematics.
« on: December 22, 2018, 10:03:37 PM »
Thank you for your comments.

51
Faculty Forum / Re: Basics to ensure quality.
« on: December 21, 2018, 06:55:52 PM »
Thank you.

52
Thank you for your comment.

53
Faculty Forum / Re: Unwritten and unknown stories of life.
« on: December 20, 2018, 03:03:52 PM »
Thank you for your feedback.

54
Permanent Campus of DIU / Learning from history.
« on: December 18, 2018, 10:58:05 PM »
মনে পড়ে ১৯৯১ সালে শিক্ষা সফরে যাওয়ার সময় হার্ডিঞ্জ ব্রীজের পাশে ছবি তুলেছিলাম। সেই ছবিটা এখনও আমার কাছে আছে। 
এইবছর ২০১৮ সালে অর্থাৎ ২৭ বছর পর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে করে এই হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আবার পার হলাম। ব্রিজটি ঠিক একই রকম আছে। এই ব্রিজটার মেইন্টেনেন্স বলতে এইটাকে নিয়মিত রঙ করতে হয়। কেননা এই ব্রিজটা লোহার তৈরি। না হলে ব্রিজে জং পড়ে যাবে। গুগুলে দেখতেছি ১৯১৫ সালে এই ব্রিজ দিয়ে ট্রেন চলা শুরু হয়। তার মানে ১০৩ বছরের বেশী এই ব্রিজের বয়স। ব্রিটিশ শাসন আমলে তৈরি হয়েছে এই ব্রিজ। তার পরও কত মজবুত আছে।
ভাবতেছিলাম ব্রিটিশরা কি কি উন্নয়ন করেছিল?
আমাদের দেশের সিংহ ভাগ রেল লাইন তাদের তৈরি করা। ব্রিজ কাল্ভারট রাস্তা ঘাটও অনেক তৈরি করেছে তারা। অনেক স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিও তারা প্রতিষ্ঠা করেছে।
এই অঞ্চলের এতো উন্নয়ন করার পরও তাদের বিদায় নিতে হয়েছে।
বিদায় নিতে হয়েছে কেননা মানুষ শুধু কাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে থাকেনা। তারা চায় কথা বলতে আরও চায় তার সব অধিকার সুরক্ষিত আছে কিনা তার নিশ্চয়তা। মানুষ তার মনের আবেগগত বিষয় গুলোর সুরক্ষা না পেলে বিদ্রোহী হয়ে উঠে।
তাই ব্রিটিশদের বিদায় নিতে হয়েছে। ব্রিটিশদের বিদায় হতে পারে সকল দল মতের জন্য একটি মৌলিক শিক্ষা।

(যত রাস্তাঘাট ও ব্রিজ তৈরি করুক না কেন - আমাদের দেশে ব্রিটিশ সময়ের ইতিহাস মানে বঞ্চনা ও শোষণের ইতিহাস। ব্রিটিশরা আমাদের দেশের মানুষদেরকে শোষণ করে নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছিল। এক সময় গর্ব করে বলা হত - ব্রিটিশ সম্রাজ্য থেকে কখনো সূর্য অস্ত যায় না। এইটা ছিল তাদের জন্য গর্বের বিষয়। তাদের বর্তমান জেনারেশনের কাছে তাদের পূর্ব পুরুষদের নিষ্ঠুর শোষণ ও নির্যাতনের কাহিনী এখন লজ্জার কারণ।)

55
Thank you for your comment.

56
Textile Engineering / Learning from history.
« on: December 18, 2018, 10:56:11 PM »
মনে পড়ে ১৯৯১ সালে শিক্ষা সফরে যাওয়ার সময় হার্ডিঞ্জ ব্রীজের পাশে ছবি তুলেছিলাম। সেই ছবিটা এখনও আমার কাছে আছে। 
এইবছর ২০১৮ সালে অর্থাৎ ২৭ বছর পর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে করে এই হার্ডিঞ্জ ব্রিজ আবার পার হলাম। ব্রিজটি ঠিক একই রকম আছে। এই ব্রিজটার মেইন্টেনেন্স বলতে এইটাকে নিয়মিত রঙ করতে হয়। কেননা এই ব্রিজটা লোহার তৈরি। না হলে ব্রিজে জং পড়ে যাবে। গুগুলে দেখতেছি ১৯১৫ সালে এই ব্রিজ দিয়ে ট্রেন চলা শুরু হয়। তার মানে ১০৩ বছরের বেশী এই ব্রিজের বয়স। ব্রিটিশ শাসন আমলে তৈরি হয়েছে এই ব্রিজ। তার পরও কত মজবুত আছে।
ভাবতেছিলাম ব্রিটিশরা কি কি উন্নয়ন করেছিল?
আমাদের দেশের সিংহ ভাগ রেল লাইন তাদের তৈরি করা। ব্রিজ কাল্ভারট রাস্তা ঘাটও অনেক তৈরি করেছে তারা। অনেক স্কুল কলেজ ইউনিভার্সিটিও তারা প্রতিষ্ঠা করেছে।
এই অঞ্চলের এতো উন্নয়ন করার পরও তাদের বিদায় নিতে হয়েছে।
বিদায় নিতে হয়েছে কেননা মানুষ শুধু কাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে থাকেনা। তারা চায় কথা বলতে আরও চায় তার সব অধিকার সুরক্ষিত আছে কিনা তার নিশ্চয়তা। মানুষ তার মনের আবেগগত বিষয় গুলোর সুরক্ষা না পেলে বিদ্রোহী হয়ে উঠে।
তাই ব্রিটিশদের বিদায় নিতে হয়েছে। ব্রিটিশদের বিদায় হতে পারে সকল দল মতের জন্য একটি মৌলিক শিক্ষা।

(যত রাস্তাঘাট ও ব্রিজ তৈরি করুক না কেন - আমাদের দেশে ব্রিটিশ সময়ের ইতিহাস মানে বঞ্চনা ও শোষণের ইতিহাস। ব্রিটিশরা আমাদের দেশের মানুষদেরকে শোষণ করে নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন ঘটিয়েছিল। এক সময় গর্ব করে বলা হত - ব্রিটিশ সম্রাজ্য থেকে কখনো সূর্য অস্ত যায় না। এইটা ছিল তাদের জন্য গর্বের বিষয়। তাদের বর্তমান জেনারেশনের কাছে তাদের পূর্ব পুরুষদের নিষ্ঠুর শোষণ ও নির্যাতনের কাহিনী এখন লজ্জার কারণ।)

57
Thank you for your feedback.

58
Faculty Sections / Re: Basics to ensure quality.
« on: December 17, 2018, 11:56:24 AM »
Thank you for your feedback.

59
Faculty Forum / Generally there are 3 types of student in a class.
« on: December 10, 2018, 12:24:23 AM »
আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী একটি ক্লাসে সাধারণতঃ তিন ধরণের ছাত্র বা স্টুডেন্ট থাকে।
১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্ট ২. সাধারণ স্টুডেন্ট ৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট।

১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্টঃ  এরা পরাশুনায় অনেক মনযোগী। ক্লাসে নিয়মিত ভাবে উপস্থিত থাকে। এদের ক্লাস করার ও পড়াশুনার একটি নির্দিষ্ট প্রাত্যাহিক রুটিন থাকে। এদের জীবন অভ্যাস ঝামেলাবিহীন। এরা শিখতে চায়। কখনো যদি ক্লাস মিস করে তাহলে এরা কিছু জিনিস ক্লাস লেকচার শীট অথবা বই পড়েই শিখতে পারে। টিচার যদি নিয়মিত ক্লাস নেয় তাহলেই তা এদের শেখার জন্য যথেষ্ট। পরীক্ষায় যতটুকুই সিলেবাস দেয়া হোক না কেন এরা তার পূর্ণ প্রেপারেশন নিতে পারে। প্রতি ক্লাসে ৫ - ৬ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টঃ এদের জীবন যাপন পদ্ধতি ঝামেলা পূর্ণ। এদের কোন প্রাত্যাহিক রুটিন নাই। পড়াশুনা ছাড়া এরা সব কিছুতেই এরা আগ্রহী থাকে। এদের জীবন যাপনে প্রায় সময়ই ঝামেলা যোগ হয়। এরা বিশেষতঃ সকালের ক্লাস করতে পারে না। গভীর রাত পর্যন্ত এরা জেগে থাকে ও পড়াশুনা ছাড়া অন্য কোন ঝামেলার কাজে সময় নষ্ট করে। এরাই ক্লাসে কম সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে চায়। এর ফলে সহজেই এদেরকে চিহ্নিত করা যায়। এদেরকে একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত জীবন যাপনে অভ্যস্থ করা গেলেই এদের পড়াশুনা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এরা অনেক ট্যালেন্টেড হয়ে থাকে। তবে একেবারেই পড়াশুনা করতে চায় না। এদেরকে একবার যদি পরাশুনায় আগ্রহী করে তোলা যায় তাহলে এরা খুব ভাল ফলাফল করতে পারে। প্রতি ক্লাসে ২ - ৩ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

২. সাধারণ স্টুডেন্টঃ এরা সিন্সেয়ার ও আউট অফ ট্র্যাক এই দুই রকমের স্টুডেন্টদের মধ্যে মধ্যম মানের হয়ে থাকে। এরা কখনো বা সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের ফলো করে আবার কখনো বা আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ক্লাসের অধিকাংশ স্টুডেন্ট সাধারণ মানের হয়।

বিভিন্ন শ্রেণীর স্টুডেন্টদের সার্থক ভাবে শেখাতে হলে কিছু স্ট্রাটেজী নেয়া যেতে পারে। পড়ানোর সময় ডিটেইলস ভাবে পড়ালে ও কুইজের সিলেবাস ঠিক করার সময় সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের কথা খেয়াল রেখে ও প্রশ্ন করার সময় মধ্যম মানের স্টুডেন্টদের দিকে খেয়াল রেখে চললে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এছাড়া তাদেরকে গ্রুপ স্টাডির জন্য উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়াও একজন করে সিন্সিয়ার স্টুডেন্টকে প্রতি স্টাডি গ্রুপে অন্তরভুক্ত করে দিলে তাদের পরাশুনা ভাল হয়। ক্লাসের বাইরে গ্রুপ স্টাডির সময় একজন আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট এর পড়া শেখার দায়িত্ব এক জন সিন্সেয়ার স্টুডেন্টকে দিলে পড়া শেখানো সহজ হয়। তবে সব থেকে চ্যালিঞ্জিং হল আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট কে স্বাভাবিক ও প্রাত্যাহিক জীবনে অভ্যস্থ করে তোলা। তারা যদি স্বাভাবিক প্রাত্যাহিক রুটিন ফলো করতে শিখে তাহলে তারা নিজে থেকেই
পড়াশুনায় ভাল ফলাফল করতে পারে। এদেরকে যদি সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের মোটিভেশনটা কি - এইটা বোঝানো যায় - তাহলেও অনেক সময় ভাল পরিবর্তন দেখা যায়। তবে সব সময় মনে রাখতে হবে যে ঢালাও ভাবে গ্রেড দিয়ে পাস করালে আঊট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের অপকারই করা হয়। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।

60
Departments / Generally there are 3 types of student in a class.
« on: December 10, 2018, 12:23:43 AM »
আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী একটি ক্লাসে সাধারণতঃ তিন ধরণের ছাত্র বা স্টুডেন্ট থাকে।
১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্ট ২. সাধারণ স্টুডেন্ট ৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট।

১. সিন্সেয়ার স্টুডেন্টঃ  এরা পরাশুনায় অনেক মনযোগী। ক্লাসে নিয়মিত ভাবে উপস্থিত থাকে। এদের ক্লাস করার ও পড়াশুনার একটি নির্দিষ্ট প্রাত্যাহিক রুটিন থাকে। এদের জীবন অভ্যাস ঝামেলাবিহীন। এরা শিখতে চায়। কখনো যদি ক্লাস মিস করে তাহলে এরা কিছু জিনিস ক্লাস লেকচার শীট অথবা বই পড়েই শিখতে পারে। টিচার যদি নিয়মিত ক্লাস নেয় তাহলেই তা এদের শেখার জন্য যথেষ্ট। পরীক্ষায় যতটুকুই সিলেবাস দেয়া হোক না কেন এরা তার পূর্ণ প্রেপারেশন নিতে পারে। প্রতি ক্লাসে ৫ - ৬ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

৩. আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টঃ এদের জীবন যাপন পদ্ধতি ঝামেলা পূর্ণ। এদের কোন প্রাত্যাহিক রুটিন নাই। পড়াশুনা ছাড়া এরা সব কিছুতেই এরা আগ্রহী থাকে। এদের জীবন যাপনে প্রায় সময়ই ঝামেলা যোগ হয়। এরা বিশেষতঃ সকালের ক্লাস করতে পারে না। গভীর রাত পর্যন্ত এরা জেগে থাকে ও পড়াশুনা ছাড়া অন্য কোন ঝামেলার কাজে সময় নষ্ট করে। এরাই ক্লাসে কম সিলেবাসে পরীক্ষা দিতে চায়। এর ফলে সহজেই এদেরকে চিহ্নিত করা যায়। এদেরকে একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত জীবন যাপনে অভ্যস্থ করা গেলেই এদের পড়াশুনা স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে আসে। আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এরা অনেক ট্যালেন্টেড হয়ে থাকে। তবে একেবারেই পড়াশুনা করতে চায় না। এদেরকে একবার যদি পরাশুনায় আগ্রহী করে তোলা যায় তাহলে এরা খুব ভাল ফলাফল করতে পারে। প্রতি ক্লাসে ২ - ৩ জন এই শ্রেণীর স্টুডেন্ট পাওয়া যায়।

২. সাধারণ স্টুডেন্টঃ এরা সিন্সেয়ার ও আউট অফ ট্র্যাক এই দুই রকমের স্টুডেন্টদের মধ্যে মধ্যম মানের হয়ে থাকে। এরা কখনো বা সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের ফলো করে আবার কখনো বা আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের দ্বারা প্রভাবিত হয়। ক্লাসের অধিকাংশ স্টুডেন্ট সাধারণ মানের হয়।

বিভিন্ন শ্রেণীর স্টুডেন্টদের সার্থক ভাবে শেখাতে হলে কিছু স্ট্রাটেজী নেয়া যেতে পারে। পড়ানোর সময় ডিটেইলস ভাবে পড়ালে ও কুইজের সিলেবাস ঠিক করার সময় সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের কথা খেয়াল রেখে ও প্রশ্ন করার সময় মধ্যম মানের স্টুডেন্টদের দিকে খেয়াল রেখে চললে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এছাড়া তাদেরকে গ্রুপ স্টাডির জন্য উৎসাহিত করতে হবে। এছাড়াও একজন করে সিন্সিয়ার স্টুডেন্টকে প্রতি স্টাডি গ্রুপে অন্তরভুক্ত করে দিলে তাদের পরাশুনা ভাল হয়। ক্লাসের বাইরে গ্রুপ স্টাডির সময় একজন আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট এর পড়া শেখার দায়িত্ব এক জন সিন্সেয়ার স্টুডেন্টকে দিলে পড়া শেখানো সহজ হয়। তবে সব থেকে চ্যালিঞ্জিং হল আউট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্ট কে স্বাভাবিক ও প্রাত্যাহিক জীবনে অভ্যস্থ করে তোলা। তারা যদি স্বাভাবিক প্রাত্যাহিক রুটিন ফলো করতে শিখে তাহলে তারা নিজে থেকেই
পড়াশুনায় ভাল ফলাফল করতে পারে। এদেরকে যদি সিন্সেয়ার স্টুডেন্টদের মোটিভেশনটা কি - এইটা বোঝানো যায় - তাহলেও অনেক সময় ভাল পরিবর্তন দেখা যায়। তবে সব সময় মনে রাখতে হবে যে ঢালাও ভাবে গ্রেড দিয়ে পাস করালে আঊট অফ ট্র্যাক স্টুডেন্টদের অপকারই করা হয়। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও সুনাম ক্ষুণ্ণ হয়।

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 45