Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 48
61
Permanent Campus of DIU / Human of basic three categories.
« on: April 12, 2019, 05:10:47 PM »
সব মানুষকে মুলতঃ তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

আশাবাদী, হতাশাবাদী ও বাস্তববাদী (pessimist, optimist and realistic.)

নীচের উদাহণটি দেয়া হল কেবলমাত্র ক্যাটাগরী গুলো বুঝানোর জন্য।
   
উদাহরণস্বরূপ বলা যায় রাস্তার ম্যানহলে পড়ে গেলে এই তিন রকমের মানুষ তিন রকম চিন্তা করে। বাস্তব বাদী ম্যানহলের ঢাকনা দিয়ে সরাসরি উঠে আসে। হতাশাবাদী আর উঠে আসে না। সে ভাবে আবার যদি ট্রাক চাপা দেয়? আর আশাবাদী ম্যানহলের ভিতর দিয়েই শর্ট কাঁট করা যায় কিনা ও দ্রুত পৌঁছানোর কথা ভাবে।

আশাবাদী দেখে তার গ্লাস অ্ধেক পূ্ণ। হতাশা বাদী দেখে তার গ্লাস অ্ধেক খালি।   


আশাবাদীরা ভাবে অল্প কাজ করেই বড় সমস্যা দূর করা যাবে। বাস্তববাদীরা বোঝে যে বড় সমস্যা দূর করতে হলে অনেক কাজ করতে হবে। হতাশাবাদীরা সমস্যা দূর করা যাবে না এইটা ভাবে। বাস্তববাদীরা কেবল মাত্র স্বপ্নের জাল বুনেন না। তারা এর সাথে সাথে কিছু কাজও করেন।

62
Textile Engineering / Human of basic three categories.
« on: April 12, 2019, 05:09:54 PM »
সব মানুষকে মুলতঃ তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

আশাবাদী, হতাশাবাদী ও বাস্তববাদী (pessimist, optimist and realistic.)

নীচের উদাহণটি দেয়া হল কেবলমাত্র ক্যাটাগরী গুলো বুঝানোর জন্য।
   
উদাহরণস্বরূপ বলা যায় রাস্তার ম্যানহলে পড়ে গেলে এই তিন রকমের মানুষ তিন রকম চিন্তা করে। বাস্তব বাদী ম্যানহলের ঢাকনা দিয়ে সরাসরি উঠে আসে। হতাশাবাদী আর উঠে আসে না। সে ভাবে আবার যদি ট্রাক চাপা দেয়? আর আশাবাদী ম্যানহলের ভিতর দিয়েই শর্ট কাঁট করা যায় কিনা ও দ্রুত পৌঁছানোর কথা ভাবে।

আশাবাদী দেখে তার গ্লাস অ্ধেক পূ্ণ। হতাশা বাদী দেখে তার গ্লাস অ্ধেক খালি।   


আশাবাদীরা ভাবে অল্প কাজ করেই বড় সমস্যা দূর করা যাবে। বাস্তববাদীরা বোঝে যে বড় সমস্যা দূর করতে হলে অনেক কাজ করতে হবে। হতাশাবাদীরা সমস্যা দূর করা যাবে না এইটা ভাবে। বাস্তববাদীরা কেবল মাত্র স্বপ্নের জাল বুনেন না। তারা এর সাথে সাথে কিছু কাজও করেন।




 

63
ক্লাস ফাইভে আমি নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। স্কুল বাসে যেতাম আবার স্কুল বাসেই বাসায় ফিরে আসতাম। আমার বাবা আমাকে ভোর সকালে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেন। আমাকে উঠিয়ে দিয়ে তিনি মর্নিং ওয়াক করতে চলে যেতেন। আমি ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খেয়ে ঠিক ৬ টা বাজার ৫ মিনিট আগে বাসা থেকে বের হতাম। মজা লাগতো ঘড়িতে ৫ টা ৫৫ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড দেখতে। বাসা থেকে একাই বের হয়ে মেইন রোডে যেতাম। তখন আমরা থাকতাম মোহাম্মাদপুরে। মোহাম্মাদপুর পোস্ট অফিসের সামনে দাড়িয়ে স্কুল বাসের জন্য  অপেক্ষায় থাকতাম। আমার বাবাও মর্নিং ওয়াক করে আমি যেখানে দাঁড়াতাম সেখানে আসতেন। আমাকে স্কুল বাসে উঠিয়ে দিয়ে তারপর বাসায় ফিরতেন। কোন কোন দিন তার আসার আগেই স্কুল বাস চলে আসতো। শীতকালে ভোর ৬ টায় কিছুটা অন্ধকারই থাকতো। তবে মনে পড়ে না যে কোনদিন বাসা থেকে একা একা মেইন রোডে যেতে ভয় লেগেছে। ভয় লাগতো শুধু রাস্তায় বেওয়ারিস কুকুর দেখলে।
স্মৃতি গুলো আমার মনে কত স্পষ্ট ভাবে আছে। যখন স্কুল বাসের জন্য অপেক্ষা করতাম দেখতাম বড় রাস্তার যানবাহন গুলো। প্রতিদিনই একই সময় স্কুল বাসের জন্য রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতাম। আমাদের স্কুল বাস আসার আগে কোন কোন গাড়ী যায় সেইটাও মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। কয়েকটা পরিচিত গাড়ী-বাস যাওয়ার পরেই বুঝতাম এইবার আমাদের স্কুল বাস আসবে। আমাদের স্কুল বাসটা ছিল সবুজ রঙের। সামনে লেখা ছিল সুপিরিওর। আর পিছনে লেখা ছিল প্রগতির তৈরি। একসময় আমাদের স্কুল বাসের সামনের একটি হেডলাইট নষ্ট ছিল অনেক দিন। শীতকালে অন্ধকারে দেখে মনে হত মোটর সাইকেল আসতেছে। বাসটি শ্যামলী পার হলেই কল্যাণপুর থেকে মিরপুর রোড অনেক সরু হয়ে যেত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডে একটি ছোট ব্রিজ ছিল। যার নীচে দিয়ে ছোট নদী বয়ে যেত। নদীর দুই পাশে ছিল নিচু জায়গা। যেগুলো বর্ষাকালে পানিতে ডুবে যেত। যতটুকু মনে পড়ে তখনকার কল্যাণপুরের সাথে এখনকার বিরুলিয়ার কিছুটা মিল আছে।
আমাদের বাস এগিয়ে চলতো। আর পথে পথে স্কুলের ছাত্ররা বাসে উঠত। কল্যাণপুর ছাড়িয়ে বাস যেত টেকনিক্যাল হয়ে মিরপুর এক। তখন বাংলা কলেজের পরে মিরপুর এক পর্যন্ত পুরোটাই খালি ছিল। এরপর সনি সিনেমা হলের পাশ দিয়ে মিরপুর দশ হয়ে পল্লবি। সেখানে আমাদের বিশাল বাস ইউ টার্ন নিয়ে আবার মিরপুর দশ হয়ে বাম দিকে মিরপুর ১৪ হয়ে কাফ্রুল দিয়ে পরিশেষে ক্যান্টনমেন্টে স্কুলে পৌঁছুত। মিরপুর ১৪ এর বাম পাশের পুরোটাই ছিল ধান ক্ষেত। সেখানে এক জন স্কুল ছাত্র বাসে উঠত। চারিদিকে ছিল খালি জায়গা। তাই তার আসতে দেরী হলে আমরা দূর থেকেই দেখতে পেতাম সে হাতে স্যুটকেস নিয়ে তার বাবার সাথে আসতেছে। আর বাস তার জন্য কিছুটা দাড়াতো। মিরপুর ১৪ এর ডান দিকে ছিল সরকারী কোয়ার্টার। কাফ্রুলে ছিল বেশ কিছু করাত কল। কাফ্রুলের সরু রাস্তা দিয়ে যখন আমাদের স্কুল বাস পার হত, নাকে আসত কাঠ সিজনিং করার পচা গন্ধ।

সেই সময়কার ঢাকা এখনকার যে কোন মফস্বল শহরের থেকেও নিরিবিলি ছিল। নিরাপদও ছিল। সেই তিলোত্তমা নগরী ঢাকা শুধু এখন আমাদের স্মৃতিতে অটুট আছে। সেই গুলো মনে পড়লে ক্ষোভ ও আক্ষেপ ছাড়া আর কিছু অনুভুতি জাগে না।

64
ক্লাস ফাইভে আমি নতুন স্কুলে ভর্তি হয়েছিলাম। স্কুল বাসে যেতাম আবার স্কুল বাসেই বাসায় ফিরে আসতাম। আমার বাবা আমাকে ভোর সকালে ঘুম থেকে ডেকে তুলতেন। আমাকে উঠিয়ে দিয়ে তিনি মর্নিং ওয়াক করতে চলে যেতেন। আমি ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়ে নাস্তা খেয়ে ঠিক ৬ টা বাজার ৫ মিনিট আগে বাসা থেকে বের হতাম। মজা লাগতো ঘড়িতে ৫ টা ৫৫ মিনিট ৫৫ সেকেন্ড দেখতে। বাসা থেকে একাই বের হয়ে মেইন রোডে যেতাম। তখন আমরা থাকতাম মোহাম্মাদপুরে। মোহাম্মাদপুর পোস্ট অফিসের সামনে দাড়িয়ে স্কুল বাসের জন্য  অপেক্ষায় থাকতাম। আমার বাবাও মর্নিং ওয়াক করে আমি যেখানে দাঁড়াতাম সেখানে আসতেন। আমাকে স্কুল বাসে উঠিয়ে দিয়ে তারপর বাসায় ফিরতেন। কোন কোন দিন তার আসার আগেই স্কুল বাস চলে আসতো। শীতকালে ভোর ৬ টায় কিছুটা অন্ধকারই থাকতো। তবে মনে পড়ে না যে কোনদিন বাসা থেকে একা একা মেইন রোডে যেতে ভয় লেগেছে। ভয় লাগতো শুধু রাস্তায় বেওয়ারিস কুকুর দেখলে।
স্মৃতি গুলো আমার মনে কত স্পষ্ট ভাবে আছে। যখন স্কুল বাসের জন্য অপেক্ষা করতাম দেখতাম বড় রাস্তার যানবাহন গুলো। প্রতিদিনই একই সময় স্কুল বাসের জন্য রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতাম। আমাদের স্কুল বাস আসার আগে কোন কোন গাড়ী যায় সেইটাও মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। কয়েকটা পরিচিত গাড়ী-বাস যাওয়ার পরেই বুঝতাম এইবার আমাদের স্কুল বাস আসবে। আমাদের স্কুল বাসটা ছিল সবুজ রঙের। সামনে লেখা ছিল সুপিরিওর। আর পিছনে লেখা ছিল প্রগতির তৈরি। একসময় আমাদের স্কুল বাসের সামনের একটি হেডলাইট নষ্ট ছিল অনেক দিন। শীতকালে অন্ধকারে দেখে মনে হত মোটর সাইকেল আসতেছে। বাসটি শ্যামলী পার হলেই কল্যাণপুর থেকে মিরপুর রোড অনেক সরু হয়ে যেত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডে একটি ছোট ব্রিজ ছিল। যার নীচে দিয়ে ছোট নদী বয়ে যেত। নদীর দুই পাশে ছিল নিচু জায়গা। যেগুলো বর্ষাকালে পানিতে ডুবে যেত। যতটুকু মনে পড়ে তখনকার কল্যাণপুরের সাথে এখনকার বিরুলিয়ার কিছুটা মিল আছে।
আমাদের বাস এগিয়ে চলতো। আর পথে পথে স্কুলের ছাত্ররা বাসে উঠত। কল্যাণপুর ছাড়িয়ে বাস যেত টেকনিক্যাল হয়ে মিরপুর এক। তখন বাংলা কলেজের পরে মিরপুর এক পর্যন্ত পুরোটাই খালি ছিল। এরপর সনি সিনেমা হলের পাশ দিয়ে মিরপুর দশ হয়ে পল্লবি। সেখানে আমাদের বিশাল বাস ইউ টার্ন নিয়ে আবার মিরপুর দশ হয়ে বাম দিকে মিরপুর ১৪ হয়ে কাফ্রুল দিয়ে পরিশেষে ক্যান্টনমেন্টে স্কুলে পৌঁছুত। মিরপুর ১৪ এর বাম পাশের পুরোটাই ছিল ধান ক্ষেত। সেখানে এক জন স্কুল ছাত্র বাসে উঠত। চারিদিকে ছিল খালি জায়গা। তাই তার আসতে দেরী হলে আমরা দূর থেকেই দেখতে পেতাম সে হাতে স্যুটকেস নিয়ে তার বাবার সাথে আসতেছে। আর বাস তার জন্য কিছুটা দাড়াতো। মিরপুর ১৪ এর ডান দিকে ছিল সরকারী কোয়ার্টার। কাফ্রুলে ছিল বেশ কিছু করাত কল। কাফ্রুলের সরু রাস্তা দিয়ে যখন আমাদের স্কুল বাস পার হত, নাকে আসত কাঠ সিজনিং করার পচা গন্ধ।

সেই সময়কার ঢাকা এখনকার যে কোন মফস্বল শহরের থেকেও নিরিবিলি ছিল। নিরাপদও ছিল। সেই তিলোত্তমা নগরী ঢাকা শুধু এখন আমাদের স্মৃতিতে অটুট আছে। সেই গুলো মনে পড়লে ক্ষোভ ও আক্ষেপ ছাড়া আর কিছু অনুভুতি জাগে না।


(আমার স্কুল বাস।)

65
Textile Engineering / Re: Ask thyself.
« on: March 31, 2019, 11:31:14 PM »
Thank you.

66
Textile Engineering / Re: City only for superman.
« on: March 31, 2019, 11:30:11 PM »
Thank you for your comment

67
Permanent Campus of DIU / City only for superman.
« on: March 29, 2019, 02:59:16 PM »
আজকের অগ্নি দুর্ঘটনায় অনেকে হতাহত হয়েছেন। একমাত্র তাদের পরিবারই জানে কি রকম দুঃসময় যাচ্ছে তাদের উপর দিয়ে।
যে কোন দুর্ঘটনার খবর দেখলে আমার মনে হয় ওই অবস্থায় পড়লে আমি কি করতাম? কিভাবে নিজেকে বাঁচাতাম? বা অন্যদেরকে?
একসময় হরতাল বা অন্য কিছু থাকলে রাস্তায় বের হতাম অনেক ভেবে চিন্তে। কেননা আমার ওজন কিছুটা বেশী। হঠাৎ দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেলে আমার উপায় থাকবে না। বয়সও তো কিছু হয়েছে। দৌড়াদৌড়ির ব্যাপারে আমি এখন আনফিট। আর যদি দড়ি বেয়ে উঁচু বিল্ডিং থেকে নামতে হয় - তাহলেই শেষ।
পর মুহূর্তেই মনে হলঃ আমাদের এই প্রিয় শহরটা নিজেই আসলে আনফিট হয়ে গেছে। এই শহরে দুর্বলের কোন স্থান নাই। শিশু বৃদ্ধ এদের চলাচলের অনুপযোগী অনেক আগেই হয়ে আছে এই শহর। যাদের গাড়ী নাই তাদের বাসে উঠাটাও শারীরিক যোগ্যতায় করতে হয়। পথচারীদেরও চোখ কান খোলা রেখে পথে চলতে হয়। শহরের নাগরিকদের জন্য কমান্ডো ট্রেনিং দরকার পরে না। কিন্তু এই শহরে থাকতে হলে শারীরিক যোগ্যতাও নিশ্চিত করতে হয়।
এই শহর এখন কেবল মাত্র সুপারম্যানদের জন্য। সেটা অর্থ, স্বাস্থ্য এমনকি মামা চাচা এমন সব কিছুতেই সুপারম্যান হতে হবে। একটি দুইটি হলে হবে না। সবগুলোই সুপারম্যান সুলভ হতে হবে। যেটি থাকবে না - সেইটাতেই আপনাকে এই শহর গলা চেপে ধরবে।


(আমার ফেসবুক পোস্ট ২৮ - ০৩ - ২০১৯)

68
Textile Engineering / City only for superman.
« on: March 29, 2019, 02:58:32 PM »
আজকের অগ্নি দুর্ঘটনায় অনেকে হতাহত হয়েছেন। একমাত্র তাদের পরিবারই জানে কি রকম দুঃসময় যাচ্ছে তাদের উপর দিয়ে।
যে কোন দুর্ঘটনার খবর দেখলে আমার মনে হয় ওই অবস্থায় পড়লে আমি কি করতাম? কিভাবে নিজেকে বাঁচাতাম? বা অন্যদেরকে?
একসময় হরতাল বা অন্য কিছু থাকলে রাস্তায় বের হতাম অনেক ভেবে চিন্তে। কেননা আমার ওজন কিছুটা বেশী। হঠাৎ দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে গেলে আমার উপায় থাকবে না। বয়সও তো কিছু হয়েছে। দৌড়াদৌড়ির ব্যাপারে আমি এখন আনফিট। আর যদি দড়ি বেয়ে উঁচু বিল্ডিং থেকে নামতে হয় - তাহলেই শেষ।
পর মুহূর্তেই মনে হলঃ আমাদের এই প্রিয় শহরটা নিজেই আসলে আনফিট হয়ে গেছে। এই শহরে দুর্বলের কোন স্থান নাই। শিশু বৃদ্ধ এদের চলাচলের অনুপযোগী অনেক আগেই হয়ে আছে এই শহর। যাদের গাড়ী নাই তাদের বাসে উঠাটাও শারীরিক যোগ্যতায় করতে হয়। পথচারীদেরও চোখ কান খোলা রেখে পথে চলতে হয়। শহরের নাগরিকদের জন্য কমান্ডো ট্রেনিং দরকার পরে না। কিন্তু এই শহরে থাকতে হলে শারীরিক যোগ্যতাও নিশ্চিত করতে হয়।
এই শহর এখন কেবল মাত্র সুপারম্যানদের জন্য। সেটা অর্থ, স্বাস্থ্য এমনকি মামা চাচা এমন সব কিছুতেই সুপারম্যান হতে হবে। একটি দুইটি হলে হবে না। সবগুলোই সুপারম্যান সুলভ হতে হবে। যেটি থাকবে না - সেইটাতেই আপনাকে এই শহর গলা চেপে ধরবে।


(আমার ফেসবুক পোস্ট ২৮ - ০৩ - ২০১৯)

69
Textile Engineering / Re: Eyes never lies.
« on: March 27, 2019, 03:29:04 PM »
Thank you for your comment.

70
Textile Engineering / Re: Eyes never lies.
« on: March 24, 2019, 08:29:50 PM »
Thank you for your comment.

71
Permanent Campus of DIU / Cassette player - a forgotten story.
« on: March 20, 2019, 12:32:58 AM »
আমাদের সময় গান শোনা হত ক্যাসেট প্লেয়ারে। ক্যাসেট প্লেয়ার গুলোকে টু ইন ওয়ানও বলা হত। কেননা ক্যাসেট প্লেয়ারের সাথে সেগুলোতে রেডিও ও থাকতো। ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও এই দুই জিনিস একই সাথে থাকতো বলে এই নাম - একের ভিতরে দুই। ক্যাসেট গুলো পাওয়া যেত দুই ক্যাপাসিটির। ৬০ মিনিট ও ৯০ মিনিটের। এক একটি ক্যাসেটের দুইটি পিঠ থাকতো। এ ও বি। এ পিঠের গান শোনা হয়ে গেলে ক্যাসেট উলটিয়ে বি পিঠের গান ক্যাসেট প্লেয়ারে চালাতে হত। ক্যাসেট প্লেয়ার গুলোতে একটি বড় লাল বাটন থাকতো। যেটি টিপে প্লেয়ার অন করলে ক্যাসেটে রেকর্ড করা যেত। এছাড়াও এটিতে থাকতো রিউইন্ড ও ফাস্ট ফরওয়ার্ড বাটন। অর্থাৎ গান আগিয়ে বা পিছিয়ে শোনার অপশন।
মনে পড়ে একসময় এলিফ্যান্ট রোডে বেশ কিছু রেকর্ডিঙয়ের দোকান ছিল। যেগুলোতে টাকার বিনিময়ে ক্যাসেটে পছন্দের গান রেকর্ড করে দিত। সে গুলোতেও সবসময় ভীর অনেক থাকতো। অর্ডার দেয়ার পর বেশ কিছু দিন লাগতো ডেলিভারি দিতে। কিছু ক্যাসেট থাকতো যে গুলোতে গান রেকর্ডিং করা থাকতো। শুধু দোকান থেকে কিনে নিলেই ক্যাসেট প্লেয়ারে গান শোনা যেত। সেগুলো এক একটি নির্দিষ্ট ব্যান্ডের গান থাকতো। এখন যেমন ব্যান্ডের সি ডি পাওয়া যায়। কিন্তু নিজের চয়েজ অনুযায়ী ক্যাসেট রেকরডিং করাতে হলে ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেট কিনতে হত। ক্যাসেট প্লেয়ারের কিছু পরে আসলো ওয়াক ম্যান। সাইজে অনেক ছোট এটি ও হেড ফোনের সাহায্যেই শোনা যেত গান। যেহেতু সাইজে অনেক ছোট এটি তাই লুকিয়েও রাখা যেত সহজে। আমরাও আমাদের স্টুডেন্ট লাইফে রাতে লুকিয়ে ওয়াক ম্যানে কত গান শুনেছি। ওয়াক ম্যান ব্যাটারিতে চালাতে হত। এছাড়াও এডাপ্টারের সাহায্যে সরাসরি প্লাগ পয়েন্টে কানেক্ট করেও ওয়াক ম্যান চালানো যেত।
এখন সি ডি ও কেউ কেনে না। সব সফট কপি লোড করে নিলেই হয়। আমাদের সময় ইউটিউব ছিলো না।
মোবাইল-কম্পিউটারই ছিল না। আগের ক্যাসেট প্লেয়ার এখন জাদুঘরে রাখার সময় হয়ে গেছে।
তার পরও আমার সব সময় মনে হয় আমাদের ছোটবেলা অনেক আনন্দের ছিল। যা কিনা এখনকার ছেলে মেয়েরা কল্পনাও করতে পারবে না।

72
Textile Engineering / Cassette player - a forgotten story.
« on: March 20, 2019, 12:29:17 AM »
আমাদের সময় গান শোনা হত ক্যাসেট প্লেয়ারে। ক্যাসেট প্লেয়ার গুলোকে টু ইন ওয়ানও বলা হত। কেননা ক্যাসেট প্লেয়ারের সাথে সেগুলোতে রেডিও ও থাকতো। ক্যাসেট প্লেয়ার ও রেডিও এই দুই জিনিস একই সাথে থাকতো বলে এই নাম - একের ভিতরে দুই। ক্যাসেট গুলো পাওয়া যেত দুই ক্যাপাসিটির। ৬০ মিনিট ও ৯০ মিনিটের। এক একটি ক্যাসেটের দুইটি পিঠ থাকতো। এ ও বি। এ পিঠের গান শোনা হয়ে গেলে ক্যাসেট উলটিয়ে বি পিঠের গান ক্যাসেট প্লেয়ারে চালাতে হত। ক্যাসেট প্লেয়ার গুলোতে একটি বড় লাল বাটন থাকতো। যেটি টিপে প্লেয়ার অন করলে ক্যাসেটে রেকর্ড করা যেত। এছাড়াও এটিতে থাকতো রিউইন্ড ও ফাস্ট ফরওয়ার্ড বাটন। অর্থাৎ গান আগিয়ে বা পিছিয়ে শোনার অপশন।
মনে পড়ে একসময় এলিফ্যান্ট রোডে বেশ কিছু রেকর্ডিঙয়ের দোকান ছিল। যেগুলোতে টাকার বিনিময়ে ক্যাসেটে পছন্দের গান রেকর্ড করে দিত। সে গুলোতেও সবসময় ভীর অনেক থাকতো। অর্ডার দেয়ার পর বেশ কিছু দিন লাগতো ডেলিভারি দিতে। কিছু ক্যাসেট থাকতো যে গুলোতে গান রেকর্ডিং করা থাকতো। শুধু দোকান থেকে কিনে নিলেই ক্যাসেট প্লেয়ারে গান শোনা যেত। সেগুলো এক একটি নির্দিষ্ট ব্যান্ডের গান থাকতো। এখন যেমন ব্যান্ডের সি ডি পাওয়া যায়। কিন্তু নিজের চয়েজ অনুযায়ী ক্যাসেট রেকরডিং করাতে হলে ব্ল্যাঙ্ক ক্যাসেট কিনতে হত। ক্যাসেট প্লেয়ারের কিছু পরে আসলো ওয়াক ম্যান। সাইজে অনেক ছোট এটি ও হেড ফোনের সাহায্যেই শোনা যেত গান। যেহেতু সাইজে অনেক ছোট এটি তাই লুকিয়েও রাখা যেত সহজে। আমরাও আমাদের স্টুডেন্ট লাইফে রাতে লুকিয়ে ওয়াক ম্যানে কত গান শুনেছি। ওয়াক ম্যান ব্যাটারিতে চালাতে হত। এছাড়াও এডাপ্টারের সাহায্যে সরাসরি প্লাগ পয়েন্টে কানেক্ট করেও ওয়াক ম্যান চালানো যেত।
এখন সি ডি ও কেউ কেনে না। সব সফট কপি লোড করে নিলেই হয়। আমাদের সময় ইউটিউব ছিলো না।
মোবাইল-কম্পিউটারই ছিল না। আগের ক্যাসেট প্লেয়ার এখন জাদুঘরে রাখার সময় হয়ে গেছে।
তার পরও আমার সব সময় মনে হয় আমাদের ছোটবেলা অনেক আনন্দের ছিল। যা কিনা এখনকার ছেলে মেয়েরা কল্পনাও করতে পারবে না।


73
Textile Engineering / Eyes never lies.
« on: March 17, 2019, 02:27:37 AM »
কিভাবে অন্যজনকে ভাল ভাবে বোঝা যায়? সে কতটুকু সত্য বলতেছে? বিশেষতঃ একেবারে সামনাসামনি? সেই বোঝা যা কিনা সবাই সমান ভাবে বুঝতে পারে।
মুখের কথা শক্তিশালী। কিন্তু অনেকেই মুখের কথা বিশ্বাস করতে চায় না। মুখের কথায় অনেক কিছু বানানো যায় - আবার অনেক কিছু লুকিয়েও রাখা যায়। বাক্য বলার সময় অনেকেই কৌশলে অনেক কিছু বুঝিয়ে অন্যকে বোকা বানান - এইটা আমরা সবাই জানি। একজায়গায় পেয়েছিলাম মানুষের কথা বলার সাথে সাথে তার প্রেশার মেপে সত্য মিথ্যা যাচাই করা যায়। কেননা মিথ্যা কথা বলার সময় তার প্রেশার বেড়ে যায়।
লেখার মাধ্যমে মিথ্যা বলা খুব কঠিন। কেননা লেখনী হল স্থায়ী। তাই লেখনীর মাধ্যমে মিথ্যা বলা অনেক কঠিন।
আমার পর্যবেক্ষণ মতে - মানুষের চোখ কখনো মিথ্যা ঢেকে রাখতে দেয় না। চোখের দৃষ্টি ঝিলিক দিয়ে বুঝিয়ে দেয় যে - তার ব্রেন অন্যরকম কাজে ব্যস্ত।
আমাদের চোখের সাথে আমাদের ব্রেনের সরাসরি যোগাযোগ। চোখ অনেক সংবেদনশীল। মানুষ মারা গেলে তার চোখে হঠাৎ আলো ফেলে চোখের মনির পিউপিল পরিবর্তন হয় কিনা তা দেখা হয়।
চোখের সাথে মনেরও সরাসরি যোগাযোগ। আমরা মানুষের মাঝে দেখি হাস্যজ্জল চোখ, ক্লান্ত চোখ, দুখী চোখ বা আনমনা চোখ। কখনো চোখেই প্রশ্ন ফুটে উঠে। মনের আশ্চর্যও ফুটে উঠে চোখে। ভয়, অহংকার, তাচ্ছিল্য, প্রতিহিংসা কারো না কারো চোখে আমরা দেখেছি। মায়া মমতা, বন্ধুত্ব এই গুলোও আমরা আমাদের কাছের মানুষের মাঝে দেখি।
তাই কথা বলার সময় অন্যের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা ভাল। কেননা ওখানেও অনেক তথ্য থাকে। অনেক সময় মুখে যা বলা হচ্ছে তার থেকেও বেশী। মিথ্যাবাদীরা বেশীক্ষণ সরাসরি চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারে না। অপরপক্ষে সত্য বলার সময় মানুষ সরাসরি চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। কেননা তার লুকানোর কিছু নাই।

74
Permanent Campus of DIU / Eyes never lies.
« on: March 17, 2019, 02:26:57 AM »
কিভাবে অন্যজনকে ভাল ভাবে বোঝা যায়? সে কতটুকু সত্য বলতেছে? বিশেষতঃ একেবারে সামনাসামনি? সেই বোঝা যা কিনা সবাই সমান ভাবে বুঝতে পারে।
মুখের কথা শক্তিশালী। কিন্তু অনেকেই মুখের কথা বিশ্বাস করতে চায় না। মুখের কথায় অনেক কিছু বানানো যায় - আবার অনেক কিছু লুকিয়েও রাখা যায়। বাক্য বলার সময় অনেকেই কৌশলে অনেক কিছু বুঝিয়ে অন্যকে বোকা বানান - এইটা আমরা সবাই জানি। একজায়গায় পেয়েছিলাম মানুষের কথা বলার সাথে সাথে তার প্রেশার মেপে সত্য মিথ্যা যাচাই করা যায়। কেননা মিথ্যা কথা বলার সময় তার প্রেশার বেড়ে যায়।
লেখার মাধ্যমে মিথ্যা বলা খুব কঠিন। কেননা লেখনী হল স্থায়ী। তাই লেখনীর মাধ্যমে মিথ্যা বলা অনেক কঠিন।
আমার পর্যবেক্ষণ মতে - মানুষের চোখ কখনো মিথ্যা ঢেকে রাখতে দেয় না। চোখের দৃষ্টি ঝিলিক দিয়ে বুঝিয়ে দেয় যে - তার ব্রেন অন্যরকম কাজে ব্যস্ত।
আমাদের চোখের সাথে আমাদের ব্রেনের সরাসরি যোগাযোগ। চোখ অনেক সংবেদনশীল। মানুষ মারা গেলে তার চোখে হঠাৎ আলো ফেলে চোখের মনির পিউপিল পরিবর্তন হয় কিনা তা দেখা হয়।
চোখের সাথে মনেরও সরাসরি যোগাযোগ। আমরা মানুষের মাঝে দেখি হাস্যজ্জল চোখ, ক্লান্ত চোখ, দুখী চোখ বা আনমনা চোখ। কখনো চোখেই প্রশ্ন ফুটে উঠে। মনের আশ্চর্যও ফুটে উঠে চোখে। ভয়, অহংকার, তাচ্ছিল্য, প্রতিহিংসা কারো না কারো চোখে আমরা দেখেছি। মায়া মমতা, বন্ধুত্ব এই গুলোও আমরা আমাদের কাছের মানুষের মাঝে দেখি।
তাই কথা বলার সময় অন্যের চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলা ভাল। কেননা ওখানেও অনেক তথ্য থাকে। অনেক সময় মুখে যা বলা হচ্ছে তার থেকেও বেশী। মিথ্যাবাদীরা বেশীক্ষণ সরাসরি চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারে না। অপরপক্ষে সত্য বলার সময় মানুষ সরাসরি চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলে। কেননা তার লুকানোর কিছু নাই।

75
Permanent Campus of DIU / Ask thyself.
« on: March 16, 2019, 07:47:16 PM »
পড়াশোনা নিয়ে ভাবতেছিলাম। বিভিন্ন বইয়ের এক একটি চ্যাপ্টারের শেষে বা প্রথমে প্রশ্ন দেয়া থাকে। এই চ্যাপ্টার পড়ার পর কি কি জিনিসের সম্পর্কে জানা হয়ে যাবে - সেইটার লিস্ট। আমি স্টুডেন্টদের আগে প্রথমেই বিভিন্ন চ্যাপ্টারে কি কি পড়ানো হবে তার প্রশ্ন লিস্ট আকারে দিয়ে দেই। পড়ানোর পর তাদেরকে এই গুলোর সমাধান লিখে জমা দিতে হত এসাইনমেন্ট আকারে। সবাই তা জমা দিত। যদিও জানতাম সবাই হয়তো নিজে থেকে লিখে না - তারপরও। কেননা এই এসাইনমেন্ট করার ফলে সবারই একবার করে প্রিপারেশন হয়ে যাবে। একবার উল্টোটা করলাম। পড়ানোর পর তাদেরকেই বললাম এই চ্যাপ্টার থেকে কি কি প্রশ্ন হতে পারে - সেইটা লিস্ট আকারে আমাকে জমা দিতে। এইটাই একটি এস্যাইনমেন্ট। সেইবার হাতে গোনা অতি নগণ্য কয়জন প্রথমে জমা দিতে পারলো।
অনেক ভেবে দেখলাম এই প্রশ্নের লিস্টের এসাইনমেন্ট যদিও এক পাতাতেই শেষ হয়ে যায় - তার পরও পুরো চ্যাপ্টার তাকে পড়ে বুঝে তার পর প্রশ্ন বের করতে হবে।
আমরা সারাজীবন উত্তর খুঁজি। পড়াশুনার বেলায় যেমন। ঠিক তেমন বাস্তব জীবনেও। প্রশ্ন করতে হলে আগে নিজেকে পুরোটা বুঝতে হবে। আমাদের জীবনে ভেবে প্রশ্ন করার কোন সময় নাই। জীবনটাও এমন প্রশ্ন করে সময় নষ্ট করাটাও এক রকম বিলাসিতা। নিউটনের মত আপেল গাছের নীচে বসে থাকার মত সময় আমাদের নাই। আমরা জীবনের উত্তর খুঁজি আর শিখি। অনেক ক্ষেত্রেই অন্যের অভিজ্ঞতা বা সমাধান আমরা জীবনে কপি করি। কেন করি - তা আমরা জানি না - জানতেও চাই না। আমাদের জীবনে প্রতিদিনই পরীক্ষা। উত্তর মুখস্থ করতেই আমাদের সময় চলে যায়। আমরা যে যেভাবে পারি পার হতে চাই। জীবন নিয়ে ভাবা আমাদের কাছে বিলাসিতা। কেউ নিজের জীবন নিয়ে এক্সপেরিমেন্টে রাজি নই। অন্যেরা এক্সপেরিমেন্ট করুক। তারাই ভাবুক। নিজেকে প্রশ্ন করুক। অন্যের সমাধান শিখে পার হওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 48