Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 44
61
Permanent Campus of DIU / Human and Mathematics.
« on: December 07, 2018, 01:08:17 AM »
আমরা আমাদের চিন্তা ভাবনা গুলো কত নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি তাই নিয়ে ভাবতেছিলাম। লেখার মাধ্যমে অনেক কিছুই প্রকাশ করা যায়। এখানে ইন্সটুমেন্টের সাহায্য সব থেকে কম দরকার পড়ে। কলম ও কাগজ হলেই যথেষ্ট।
আবার ছবির মাধ্যমেও অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব। কেউ কেউ কবিতা বা গানের মাধ্যমেও অনেক সুক্ষ জিনিষ প্রকাশ করেন। সিনেমা বা মুভি অর্থাৎ ভিডিওর মাধ্যমেও অনেক শক্তিশালীভাবে অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব।
পুরোপুরি নিখুঁত ভাবে কিভাবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করা যায় - দক্ষতা সেখানেই।
আমাদের মনে কত কিছু আসে। আমরা কিভাবে সেগুলোকে নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি? বিশেষত লেখার মাধ্যমে?
গাছের রঙ সবুজ। আবার পরনের কাপড়ের রঙও সবুজ হতে পারে। আমরা জানি যে নীল ও হলুদ রঙ এক সাথে মিশালে সবুজ রঙ হয়।
গাছ হয়তো নীলাভ সবুজ আর জামাটা হয়তো হলদেটে সবুজ।
লেখার মাধ্যমে এই সবুজের পার্থক্য বুঝাতে গেলে অংক চলে আসে। এই ক্ষেত্রে লিখতে হবে ৭০% নীল ও ৩০% হলুদ মিশালে যে রঙ হবে সেই রকম নীলাভ সবুজ। অথবা ৪০% নীল ও ৬০% হলুদ মিশালে যে সবুজ হবে সেই রকম হলদেটে সবুজ।
হয়তো কোন সবুজের মধ্যে লালচে আভা আছে। কোনটা হয়তো হাল্কা কোনটা গাঢ় রঙের। তাই যতই অংকের সাহায্যে লিখতে চাই না কেন বর্ণনা বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হয়ে চলবে।
কতটুকু মন খারাপ কতটুকু মন ভাল এইটা কিভাবে অংক দিয়ে বোঝানো যাবে?
আমরা চাই সব কিছু নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই অঙ্কের সাহায্য নিতে হবে।
মানুষ সব সময়ই আবেগপ্রবন হয়। আবার সে সব কিছু নিখুঁত হোক তাই চায়। কিন্তু অংক একটি আবেগহীন বিষয়। কিন্তু এইটা দিয়ে নিখুঁত হিসেব সম্ভব। তাই মানুষ অংক পছন্দ না করলেও অংক মানুষের সাথে মিশে আছে প্রতি সূক্ষ্মতায়।

62
Textile Engineering / Human and Mathematics.
« on: December 07, 2018, 01:04:18 AM »
আমরা আমাদের চিন্তা ভাবনা গুলো কত নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি তাই নিয়ে ভাবতেছিলাম। লেখার মাধ্যমে অনেক কিছুই প্রকাশ করা যায়। এখানে ইন্সটুমেন্টের সাহায্য সব থেকে কম দরকার পড়ে। কলম ও কাগজ হলেই যথেষ্ট।
আবার ছবির মাধ্যমেও অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব। কেউ কেউ কবিতা বা গানের মাধ্যমেও অনেক সুক্ষ জিনিষ প্রকাশ করেন। সিনেমা বা মুভি অর্থাৎ ভিডিওর মাধ্যমেও অনেক শক্তিশালীভাবে অনেক কিছু প্রকাশ করা সম্ভব।
পুরোপুরি নিখুঁত ভাবে কিভাবে নিজের বক্তব্য প্রকাশ করা যায় - দক্ষতা সেখানেই।
আমাদের মনে কত কিছু আসে। আমরা কিভাবে সেগুলোকে নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে পারি? বিশেষত লেখার মাধ্যমে?
গাছের রঙ সবুজ। আবার পরনের কাপড়ের রঙও সবুজ হতে পারে। আমরা জানি যে নীল ও হলুদ রঙ এক সাথে মিশালে সবুজ রঙ হয়।
গাছ হয়তো নীলাভ সবুজ আর জামাটা হয়তো হলদেটে সবুজ।
লেখার মাধ্যমে এই সবুজের পার্থক্য বুঝাতে গেলে অংক চলে আসে। এই ক্ষেত্রে লিখতে হবে ৭০% নীল ও ৩০% হলুদ মিশালে যে রঙ হবে সেই রকম নীলাভ সবুজ। অথবা ৪০% নীল ও ৬০% হলুদ মিশালে যে সবুজ হবে সেই রকম হলদেটে সবুজ।
হয়তো কোন সবুজের মধ্যে লালচে আভা আছে। কোনটা হয়তো হাল্কা কোনটা গাঢ় রঙের। তাই যতই অংকের সাহায্যে লিখতে চাই না কেন বর্ণনা বৃহৎ থেকে বৃহত্তর হয়ে চলবে।
কতটুকু মন খারাপ কতটুকু মন ভাল এইটা কিভাবে অংক দিয়ে বোঝানো যাবে?
আমরা চাই সব কিছু নিখুঁত ভাবে প্রকাশ করতে। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই অঙ্কের সাহায্য নিতে হবে।
মানুষ সব সময়ই আবেগপ্রবন হয়। আবার সে সব কিছু নিখুঁত হোক তাই চায়। কিন্তু অংক একটি আবেগহীন বিষয়। কিন্তু এইটা দিয়ে নিখুঁত হিসেব সম্ভব। তাই মানুষ অংক পছন্দ না করলেও অংক মানুষের সাথে মিশে আছে প্রতি সূক্ষ্মতায়।


63
আমার পর্যবেক্ষণ মতে ১। টিচারের ক্লাস নেওয়া ২। পরীক্ষার প্রশ্ন ৩। পরীক্ষার ইনভিজিলেশন ও ৪। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কেমন হয় তার উপর একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মান নির্ভর করে।

এরসাথে ইঞ্জিনিয়ারিং সাব্জেক্ট হলে সাথে ল্যাব ফ্যাসিলিটিও এর সাথে যোগ করতে হবে। কেননা এই বিষয় গুলোর তত্ত্বীয় অংশ তারা ল্যাব ক্লাসের মাধ্যমে পুরোপুরি ক্লিয়ার হতে পারে।

১. ক্লাস যত ভাল ভাবে নেওয়া হবে ছাত্র ছাত্রীরা তত ভাল ভাবে শিখতে পারবে। তবে সব সময়ই খেয়াল রাখতে হবে যে স্টুডেন্টরা যেন তাদের ইমাজিনেশন বা কল্পনা শক্তি কাজে লাগাতে পারে। এর জন্য তাদের প্রাত্যহিক জীবনের বা আশেপাশের সহজ উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। সার্থক ভাবে ক্লাস নিলে শিক্ষার্থীরা অনেক ভাল ভাবে শিখতে পারে। এছাড়াও একটি বিষয়ে নিয়মিত ক্লাস করলে শিক্ষার্থীর ওই বিষয়ের প্রায় ৫০% শেখা হয়ে যায়। যা ভাল ভাবে শেখা ও ভাল পরীক্ষা নিশ্চিত করতে পারে। (নিয়মিত ক্লাস এটেন্ড করলে শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনের ঝামেলাও অনেক কমে যায়।)

২. পরীক্ষার প্রশ্ন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার প্রশ্ন বুঝে এর সঠিক উত্তর দেওয়াও পরীক্ষার একটি অংশ। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে ভুল না থাকলে পরীক্ষার্থীকে প্রশ্ন বুঝিয়ে দেওয়া কখনোই উচিৎ নয়। এই প্রসঙ্গে বলা যায় পরীক্ষার আগে কোন সাজেশন দিলে বা সিলেবাস কমিয়ে দিলে শিক্ষার্থীর শেখার পরিমাণ অনেক কমে যায়। তাই পুরো সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া হয় কিনা এইটা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

৩. পরীক্ষার সময় ইনভিজিলেশনের গুরুত্ব ব্যাখ্যার অপেক্ষা রাখে না। তবে অসুদপায়ের জন্য যথেষ্ট ও উপযুক্ত শাস্তির নিয়ম থাকা পরীক্ষার পরিবেশ ভাল রাখতে সাহায্য করে। আমরা সেই সব প্রতিষ্ঠানেরই সমালোচনা করি যাদের পরীক্ষা পদ্ধতি যথোপযুক্ত নয়।

৪. পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। ঢালাও ভাবে নাম্বার দিয়ে গেলে অনেক বড় সমস্যা তৈরি হয়। যে সব ছাত্র ছাত্রী কষ্ট করে অনেক পড়ে পরীক্ষা দেয় ঢালাও গ্রেডের কারণে তারা পরের সেমিস্টারেই পড়া বাদ দিয়ে দেয়। কেননা তাদের মনে তখন কাজ করে যে না পড়লেও তো একই গ্রেড পাওয়া যায়। অপরপক্ষে যারা কম ক্লাস করে ও কম পড়াশুনা করে অযাজিত গ্রেড পায় তারাই পরে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়ে হাস্যরস তৈরি করে যে - ক্লাস না করে ও পড়াশুনা না করেও তারা পরীক্ষায় পাস করে এসেছে। শিক্ষক তথা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাজই হল ভাল কাজের জন্য উৎসাহ দেওয়া ও মন্দ কাজে নিরুৎসাহিত করা। পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন করা এই গুণগত ব্যাপারটিই নিশ্চিত করে।

এর বাইরে যে সব বিষয়ে ব্যাবহারিক বিষয় আছে সে গুলোতে যথোপযুক্ত ল্যাব ফ্যাসিলিটি থাকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।     

64
Faculty Forum / Re: Basics to ensure quality.
« on: December 06, 2018, 12:57:02 AM »
Thank you for your repeated feedback.

65
Thank you for your comment.

66
Thank you for your comment.

67
Thank you for your comments.

68
আমাদের বাসার নীচতলা তখন খালি ছিল। পুরো বিল্ডিঙয়ে মানুষ বলতে আমরা চারজন। এর মধ্যে দুইজন হল আমার ছেলেমেয়ে। আর দিনের বেলা একজন রান্নাবান্না করে দিয়ে যেত। নিচতলা খালি তাই আমি তিন চারটা হুইসেল বা বাশি কিনে সব রুমে ঝুলিয়ে রেখেছিলাম। যাতে চোর টোর আসলে তাড়ানো যায়।
এক রাতে প্রায় দুইটার সময় কিছুতে ক্রমাগতঃ বাড়ি দেয়ার আওয়াজ পেলাম। বারান্দায় বের হয়ে নীচে তাকাতেই দেখলাম এক চোর খুব মনোযোগ দিয়ে আমাদের পানির মিটারের ঢাকনার তালায় ইট দিয়ে বাড়ি দিয়ে চলেছে। দরজা খোলার আওয়াজও তার কোন ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। যাই হোক আপনাদের ভাবি চোর চোর বলে চিৎকার দেয় আর আমি হুইসেল বাজাই। তাতে চোর খুব আশ্চর্য হয়ে উপরে তাকালো। তার চোখে মুখে যে আশ্চর্য ফুটে উঠেছিল তাতে লেখা ছিল,"এই বাসাতে মানুষ আছে?"
যাই হোক সে দ্রুত ওয়াল টপকিয়ে পই পই করে দৌড় দিল। (এখনও মাঝে মাঝে ভাবি যে সে যদি না পালিয়ে যেত - তাহলেই বা কি করতে পারতাম?)
পরের দিন ডিসিশন হল কুকুর পুষতে হবে। প্রথমে পরিচিত একজন একটি জার্মান শেফার্ডের বাচ্চা দিয়েছিল। বয়স ৩ - ৪ মাস। বয়সে বাচ্চা হলেও পুরাই বড় দেশী কুকুরের সমান বড় ছিল সেটা। তার নাম রাখা হল পিক্সসি। কিছুদিন রাখার পর ভাবলাম জার্মান শেফার্ড বড় হলে বিশাল হয়ে যায়। তখন তাকে বেধে রাখাই কঠিন হবে। আবার অপরিচিত মানুষদের প্রতি এরা অনেক হিংস্র হয়। এইবার ডিসিশন হল জার্মান শেফার্ডকে বিদায় দিতে হবে। তার জায়গায় পাহারাদার হিসেবে দেশী কুকুর আনতে হবে। এর মাঝেই জার্মান শেফার্ডকে টিকা দেয়া হয়ে গেছে। তার বেল্ট চেন খাবার সব কিছু অনেক খোঁজাখুজি করে জোগার করতে হয়েছে।
বলে রাখা ভাল আমাদের বাসার কেউ কুকুর সহ্য করতে পারে না। এমনকি আমিও না। তাই পরিচিত ও আসে পাশের সবাইকে বলা হল জার্মান শেফার্ড কেউ নিবে কিনা?
যাই হোক একজন সেই রামপুরা থেকে রাত ১০ টার সময় আমাদের বাসায় আসলো জার্মান শেফার্ডের খবর নিতে। আমাদের তখন কুকুরের জ্বালায় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কুকুরটি তেমন কোন ঝামেলা না করলেও আমাদের কুকুর ভীতি বা ঘৃণা থেকেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে লোকটির কথায় আশ্চর্য হলাম। সে আমাকে বলল," আপনি কুকুরটির দাম ১৪ হাজার চেয়েছেন। তবে যদি ১০ হাজারে দেন তাহলে আমি খুব খুশি হব।" বিনয়ে একেবারে বিগলিত হয়ে গেলেন তিনি। (আমরা একেবারে ফ্রি দেয়ার কথা ভেবেছিলাম। তাকে যে কুকুরের কথা বলেছিল সে কেন যেন টাকার কথা বলেছিল।)
আমি তাকে হিন্টস দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার বললাম টাকার কথা আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু সেই লোকটি জার্মান শেফার্ডের মোহে এমনই বিগলিত যে আমার হিন্টস টিন্টস একেবারে আমলেই নিলেন না। টিপ টিপ বৃষ্টি পরতেছিল। রাত তখন ১১ টা বাজে। তিনি আমার কাছ থেকে ছাতা ধার করে এ টি এম বুথে রওনা দিলেন টাকা উঠিয়ে আনতে। আমিও আর ভেঙ্গে বললাম না। বিজনেসের স্টুডেন্ট না হলেও বুঝতে পারতেছিলাম একেবারে ফ্রি এর কথা বললে তিনি কুকুরের সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ করবেন। আর হয়তো কুকুরটি নিবেন না। যাই হোক একটু পরে সেই রাতেই এসে পুরো টাকা আমাকে গুনে দিয়ে খুব খুশি মনে পিক্সসিকে নিয়ে আগালেন। পিক্সসিও আর গেটের বাইরে যাবে না। পরিশেষে তিনি সি এন জি তে পিক্সসিকে প্রায় কোলে নিয়ে রামপুরাতে রওনা দিলেন।
এইবার আরেক বিপদ। কুকুর বিক্রির টাকা আমি এখন কি করবো !!
অনেক ভেবে আলাদা রেখে দিলাম। অফিসের কলিগেরা কুকুর বিক্রির কথা শুনে ট্রিট চাইলো। সেখানে কিছু টাকা খরচ করলাম। সোর্স ওই একই টাকা। দেশী কুকুর আনার পর আবার তার টিকা বেল্ট চেন কেনা হল। তার পরও দেখি বেশ কিছু টাকা থেকে গেল। এর পর দেশী কুকুরের খাবার কিনতে থাকলাম ওই টাকা দিয়ে। দেশী কুকুরটাকে খুব ভাল খাওয়ানোর পরও বেশ কিছু দিন লেগেছিল পুরো টাকা শেষ হতে।

69
আমাদের বাসার নীচতলা তখন খালি ছিল। পুরো বিল্ডিঙয়ে মানুষ বলতে আমরা চারজন। এর মধ্যে দুইজন হল আমার ছেলেমেয়ে। আর দিনের বেলা একজন রান্নাবান্না করে দিয়ে যেত। নিচতলা খালি তাই আমি তিন চারটা হুইসেল বা বাশি কিনে সব রুমে ঝুলিয়ে রেখেছিলাম। যাতে চোর টোর আসলে তাড়ানো যায়।
এক রাতে প্রায় দুইটার সময় কিছুতে ক্রমাগতঃ বাড়ি দেয়ার আওয়াজ পেলাম। বারান্দায় বের হয়ে নীচে তাকাতেই দেখলাম এক চোর খুব মনোযোগ দিয়ে আমাদের পানির মিটারের ঢাকনার তালায় ইট দিয়ে বাড়ি দিয়ে চলেছে। দরজা খোলার আওয়াজও তার কোন ব্যাঘাত ঘটাতে পারেনি। যাই হোক আপনাদের ভাবি চোর চোর বলে চিৎকার দেয় আর আমি হুইসেল বাজাই। তাতে চোর খুব আশ্চর্য হয়ে উপরে তাকালো। তার চোখে মুখে যে আশ্চর্য ফুটে উঠেছিল তাতে লেখা ছিল,"এই বাসাতে মানুষ আছে?"
যাই হোক সে দ্রুত ওয়াল টপকিয়ে পই পই করে দৌড় দিল। (এখনও মাঝে মাঝে ভাবি যে সে যদি না পালিয়ে যেত - তাহলেই বা কি করতে পারতাম?)
পরের দিন ডিসিশন হল কুকুর পুষতে হবে। প্রথমে পরিচিত একজন একটি জার্মান শেফার্ডের বাচ্চা দিয়েছিল। বয়স ৩ - ৪ মাস। বয়সে বাচ্চা হলেও পুরাই বড় দেশী কুকুরের সমান বড় ছিল সেটা। তার নাম রাখা হল পিক্সসি। কিছুদিন রাখার পর ভাবলাম জার্মান শেফার্ড বড় হলে বিশাল হয়ে যায়। তখন তাকে বেধে রাখাই কঠিন হবে। আবার অপরিচিত মানুষদের প্রতি এরা অনেক হিংস্র হয়। এইবার ডিসিশন হল জার্মান শেফার্ডকে বিদায় দিতে হবে। তার জায়গায় পাহারাদার হিসেবে দেশী কুকুর আনতে হবে। এর মাঝেই জার্মান শেফার্ডকে টিকা দেয়া হয়ে গেছে। তার বেল্ট চেন খাবার সব কিছু অনেক খোঁজাখুজি করে জোগার করতে হয়েছে।
বলে রাখা ভাল আমাদের বাসার কেউ কুকুর সহ্য করতে পারে না। এমনকি আমিও না। তাই পরিচিত ও আসে পাশের সবাইকে বলা হল জার্মান শেফার্ড কেউ নিবে কিনা?
যাই হোক একজন সেই রামপুরা থেকে রাত ১০ টার সময় আমাদের বাসায় আসলো জার্মান শেফার্ডের খবর নিতে। আমাদের তখন কুকুরের জ্বালায় ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। কুকুরটি তেমন কোন ঝামেলা না করলেও আমাদের কুকুর ভীতি বা ঘৃণা থেকেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে লোকটির কথায় আশ্চর্য হলাম। সে আমাকে বলল," আপনি কুকুরটির দাম ১৪ হাজার চেয়েছেন। তবে যদি ১০ হাজারে দেন তাহলে আমি খুব খুশি হব।" বিনয়ে একেবারে বিগলিত হয়ে গেলেন তিনি। (আমরা একেবারে ফ্রি দেয়ার কথা ভেবেছিলাম। তাকে যে কুকুরের কথা বলেছিল সে কেন যেন টাকার কথা বলেছিল।)
আমি তাকে হিন্টস দেয়ার জন্য বেশ কয়েকবার বললাম টাকার কথা আপনাকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু সেই লোকটি জার্মান শেফার্ডের মোহে এমনই বিগলিত যে আমার হিন্টস টিন্টস একেবারে আমলেই নিলেন না। টিপ টিপ বৃষ্টি পরতেছিল। রাত তখন ১১ টা বাজে। তিনি আমার কাছ থেকে ছাতা ধার করে এ টি এম বুথে রওনা দিলেন টাকা উঠিয়ে আনতে। আমিও আর ভেঙ্গে বললাম না। বিজনেসের স্টুডেন্ট না হলেও বুঝতে পারতেছিলাম একেবারে ফ্রি এর কথা বললে তিনি কুকুরের সুস্থতা নিয়ে সন্দেহ করবেন। আর হয়তো কুকুরটি নিবেন না। যাই হোক একটু পরে সেই রাতেই এসে পুরো টাকা আমাকে গুনে দিয়ে খুব খুশি মনে পিক্সসিকে নিয়ে আগালেন। পিক্সসিও আর গেটের বাইরে যাবে না। পরিশেষে তিনি সি এন জি তে পিক্সসিকে প্রায় কোলে নিয়ে রামপুরাতে রওনা দিলেন।
এইবার আরেক বিপদ। কুকুর বিক্রির টাকা আমি এখন কি করবো !!
অনেক ভেবে আলাদা রেখে দিলাম। অফিসের কলিগেরা কুকুর বিক্রির কথা শুনে ট্রিট চাইলো। সেখানে কিছু টাকা খরচ করলাম। সোর্স ওই একই টাকা। দেশী কুকুর আনার পর আবার তার টিকা বেল্ট চেন কেনা হল। তার পরও দেখি বেশ কিছু টাকা থেকে গেল। এর পর দেশী কুকুরের খাবার কিনতে থাকলাম ওই টাকা দিয়ে। দেশী কুকুরটাকে খুব ভাল খাওয়ানোর পরও বেশ কিছু দিন লেগেছিল পুরো টাকা শেষ হতে।

71
Textile Engineering / Re: Patience is required to wait in a line.
« on: November 24, 2018, 12:34:22 PM »
According to my opinions we are the most luckiest generation among the three.

72
Textile Engineering / Re: Perishable essentials.
« on: November 24, 2018, 12:33:22 PM »
Thank you for your comment.

73
Faculty Forum / Re: Basics to ensure quality.
« on: November 24, 2018, 12:32:39 PM »
Thank you for your feedback.

74
Faculty Forum / Basics to ensure quality.
« on: November 22, 2018, 09:53:33 PM »
টেক্সটাইল টেস্টিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল পড়াতে গিয়ে পড়াতে হয়ঃ আগে মানুষ কোয়ালিটি কন্ট্রোল করতো। এখন কোয়ালিটি এসুরেন্স থেকে টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট ছাড়িয়ে কোয়ালিটির কনসেপ্ট বা ধারণা বদলে গেছে অনেক। আগে মানুষ জিনিষ তৈরি করে পরে চেক করে দেখতো যে পণ্যের মান ঠিক আছে কিনা? থাকলে তা বিক্রয়ের জন্য পাঠিয়ে দিত। না থাকলে আবার ব্যাক প্রসেসে দিত ঠিক করার জন্য। সে তখন গুনে দেখতো ডিফেক্টস ইন হান্ড্রেডস অথবা ডিফেক্টস ইন মিলিওন্স। অর্থাৎ সে স্বীকার করতো পণ্য তৈরি করলে কিছু ডিফেক্টিভ প্রোডাক্ট তৈরি হবে। আস্তে আস্তে কাঁচামাল দুষ্প্রাপ্য হল। আবার কোয়ালিটি সম্পর্কে ধারণা বদলালো। সে এইবার বলল নো ডিফেক্টস এট অল। অর্থাৎ এমন ভাবে পণ্য তৈরি করতে হবে যেন কোন ডিফেক্টিভ পণ্য তৈরি না হয়। আগে মানুষের পণ্যের কোয়ালিটির জন্য তার জন্য মেশিন ও প্রসেসকে দায়ী করা হত। আস্তে আস্তে কোয়ালিটির কনসেপ্ট আরো উন্নত হল। সে জানলো তার নিজস্ব কর্মী বাহিনী সহ এই পণ্যের বিক্রয়ের সাথে যাদের ভাগ্য জড়িত সবাইকেই এই পণ্যের কোয়ালিটির জন্য দায়ী। তার কর্মী বাহিনীকে ট্রেনিং দিতে হবে। পণ্য উৎপাদনের সময়ই সব প্রসেস প্যারামিটার নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোন ডিফেক্টিভ পণ্য তৈরি না হয়। সে কাওকেই নেগ্লেক্ট করতে পারবে না। এমনকি তার সাপ্লাইয়ারদেরকেও।
সবাই মিলে ও সব কিছু মিলে একটি পণ্যের মান নিশ্চিত হয়।
পড়াই আর ভাবি সব কিছুর মূলে আছে মানুষের কোয়ালিটি। যে সবার কথা ভাবে একমাত্র তার পক্ষেই কোয়ালিটি নিশ্চিত করা সম্ভব। টাকা লোভী স্বার্থপর মানুষের পক্ষে কখনোই কোয়ালিটি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমরা পণ্যের গুনোগত মান নিয়ে এতো ভাবি। সারাজীবন কাটাই। কত পড়াশোনা ও গবেষণা করি।
আমার মতে মানহীন পণ্য আমরা হয়তো টলারেট বা সহ্য করতে পারি। এমনকি অনেক পণ্য ছাড়া আমরা জীবন পার করতে পারি। যে মোবাইল ছাড়া আমরা এখন এক মুহূর্ত কল্পনা করতে পারি না তা ছাড়াও মানুষ হাজার হাজার বছর পার করে দিয়েছে।
কিন্তু মানহীন মানুষ সব থেকে ক্ষতিকারক ও বেদনাদায়ক। মানহীন পণ্য সহ্য করা যেতে পারে। কিন্তু মানহীন মানুষ সহ্য করা অনেক বেদনাদায়ক ব্যাপার। তাই মানুষের মান বা কোয়ালিটি নিয়ে আমরা কতটুকু ভাবি বা চিন্তা করি? নিজেদের নিয়ে কতটা সময় দেই? আমাদের মনে রাখতে হবে আমাদের নিজেদেরকেই জবাবদিহি করতে হবে। আমাদের জীবন আমরা কিভাবে কাটিয়েছি? আর কাওকে নয়।

(আমার ফেসবুক পোস্ট থেকে।)

75
Faculty Sections / Basics to ensure quality.
« on: November 22, 2018, 09:52:59 PM »
টেক্সটাইল টেস্টিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল পড়াতে গিয়ে পড়াতে হয়ঃ আগে মানুষ কোয়ালিটি কন্ট্রোল করতো। এখন কোয়ালিটি এসুরেন্স থেকে টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট ছাড়িয়ে কোয়ালিটির কনসেপ্ট বা ধারণা বদলে গেছে অনেক। আগে মানুষ জিনিষ তৈরি করে পরে চেক করে দেখতো যে পণ্যের মান ঠিক আছে কিনা? থাকলে তা বিক্রয়ের জন্য পাঠিয়ে দিত। না থাকলে আবার ব্যাক প্রসেসে দিত ঠিক করার জন্য। সে তখন গুনে দেখতো ডিফেক্টস ইন হান্ড্রেডস অথবা ডিফেক্টস ইন মিলিওন্স। অর্থাৎ সে স্বীকার করতো পণ্য তৈরি করলে কিছু ডিফেক্টিভ প্রোডাক্ট তৈরি হবে। আস্তে আস্তে কাঁচামাল দুষ্প্রাপ্য হল। আবার কোয়ালিটি সম্পর্কে ধারণা বদলালো। সে এইবার বলল নো ডিফেক্টস এট অল। অর্থাৎ এমন ভাবে পণ্য তৈরি করতে হবে যেন কোন ডিফেক্টিভ পণ্য তৈরি না হয়। আগে মানুষের পণ্যের কোয়ালিটির জন্য তার জন্য মেশিন ও প্রসেসকে দায়ী করা হত। আস্তে আস্তে কোয়ালিটির কনসেপ্ট আরো উন্নত হল। সে জানলো তার নিজস্ব কর্মী বাহিনী সহ এই পণ্যের বিক্রয়ের সাথে যাদের ভাগ্য জড়িত সবাইকেই এই পণ্যের কোয়ালিটির জন্য দায়ী। তার কর্মী বাহিনীকে ট্রেনিং দিতে হবে। পণ্য উৎপাদনের সময়ই সব প্রসেস প্যারামিটার নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোন ডিফেক্টিভ পণ্য তৈরি না হয়। সে কাওকেই নেগ্লেক্ট করতে পারবে না। এমনকি তার সাপ্লাইয়ারদেরকেও।
সবাই মিলে ও সব কিছু মিলে একটি পণ্যের মান নিশ্চিত হয়।
পড়াই আর ভাবি সব কিছুর মূলে আছে মানুষের কোয়ালিটি। যে সবার কথা ভাবে একমাত্র তার পক্ষেই কোয়ালিটি নিশ্চিত করা সম্ভব। টাকা লোভী স্বার্থপর মানুষের পক্ষে কখনোই কোয়ালিটি নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমরা পণ্যের গুনোগত মান নিয়ে এতো ভাবি। সারাজীবন কাটাই। কত পড়াশোনা ও গবেষণা করি।
আমার মতে মানহীন পণ্য আমরা হয়তো টলারেট বা সহ্য করতে পারি। এমনকি অনেক পণ্য ছাড়া আমরা জীবন পার করতে পারি। যে মোবাইল ছাড়া আমরা এখন এক মুহূর্ত কল্পনা করতে পারি না তা ছাড়াও মানুষ হাজার হাজার বছর পার করে দিয়েছে।
কিন্তু মানহীন মানুষ সব থেকে ক্ষতিকারক ও বেদনাদায়ক। মানহীন পণ্য সহ্য করা যেতে পারে। কিন্তু মানহীন মানুষ সহ্য করা অনেক বেদনাদায়ক ব্যাপার। তাই মানুষের মান বা কোয়ালিটি নিয়ে আমরা কতটুকু ভাবি বা চিন্তা করি? নিজেদের নিয়ে কতটা সময় দেই? আমাদের মনে রাখতে হবে আমাদের নিজেদেরকেই জবাবদিহি করতে হবে। আমাদের জীবন আমরা কিভাবে কাটিয়েছি? আর কাওকে নয়।

(আমার ফেসবুক পোস্ট থেকে।)

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 44