Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: 1 ... 41 42 [43] 44 45 ... 47
631
Permanent Campus of DIU / My memories of Dhaka in a brief.
« on: March 30, 2017, 11:09:41 PM »
ছোটবেলা থেকেই ঢাকায় থাকি। সূক্ষ ভাবে বলতে গেলে আমার জ্ঞান হয়েছে ঢাকায়। এখন পর্যন্ত ঢাকাতেই আছি। মাঝখানে ৬ বছর কেটেছে পাবনা ক্যাডেট কলেজে। স্মৃতির পাতা ঘাঁটলে এখনো চোখে ভাসে কি অনিন্দ সুন্দর ছিল এই ঢাকা শহর। পেপারের পাতায় আসতো - ঢাকা হল তিলোত্তমা নগরী।
ছোটবেলায় এই ঢাকাতে তিন তলার বেশী উচু বাড়ি ছিলোনা বলতে গেলে। কেননা তখন প্রায় সব বাসাই ছিলো ব্রিক ফাউন্ডেশনের। ব্রিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিন তলার বেশী উচু বিল্ডিং করা যায় না। বড়জোড় চারতলা করা যেত। তাই চারিদিকে তাকালে দেখা যেত বিশাল আকাশ।
তখন কোন বাসাতেই এ সি ছিলো না। আরো সঠিক ভাবে বলতে গেলে তখন এ সি র প্রয়োজন ও পড়তো না। কেননা তখন আবাসিক এলাকাতে বাতাস আটকানোর মত উচু বিল্ডিং ছিলো না। ভাবতেই আশ্চর্য লাগে যে তখন অনেকের কাছেই সামান্য সিলিং ফ্যানও ছিলো বিলাস সামগ্রী তুল্য। টিভি বা ফ্রিজ সব বাসায়  থাকতো না। যে বাসায় টিভি থাকতো সে বাসার জানালায় অনেক দিনই সন্ধ্যায় মানুষের ভীর হত এই টিভি দেখার জন্য। অবশ্য সব বাসাতেই রেডিও ছিলো। যা এখন আমাদের সমাজ থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।   
কিছু উচু বিল্ডিং ছিলো কমার্শিয়াল এরিয়া গুলোতে। যেমন মতিঝিলে বা দিল্কুশায়। কেবল মাত্র ওই এলাকার কিছু উচু বিল্ডিং এ লিফট ছিলো।
এইবার আসি রেস্টুরেন্টের প্রসঙ্গে। তখন রেস্টুরেন্টে মানুষ প্রতি নিয়ত যেত না। বার্থ ডে পালন তখনো মহামারি আকারে দেখা দেয় নাই। তবে কিছু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ছিলো। হঠাত হয়ত কোন উপলক্ষে মধ্য বিত্তদের সেখানে যাওয়া হত। আমরাও স্টুডেন্ট লাইফে কখনো দল বেধে খেতে গিয়েছি বলে মনে পড়ে না। আর এখন ফুচকা খেতেও প্রতিদিন যত মানুষ বের হয় আগে পুরো ঢাকাতেও অত মানুষ বাইরে খেতে যেত না। 
উপরের বর্ণনায় মনে হতে পারে তখন ঢাকায় জীবন যাপন করা কত নিরামিষ টাইপের ছিলো। কিন্তু যখন মনে পড়ে যে তখন ৪০ - ৫০ মিনিটে অর্ধেক ঢাকা ঘুড়ে আসা যেত। বা খোলা মাঠের অভাব ছিলো না। কিংবা মহাখালি পর্যন্ত ঢাকা ছিলো। বনানী পার হলেই হাই ওয়ে শুরু হত। কল্যাণপুরে মিরপুর রোডের ব্রিজের নিচে দিয়ে বয়ে যেত ছোট নদী। যেটাতে অনেকেই নৌকায় করে ঘুরতেন। এছাড়াও গাবতলি পার হলে ডানদিকে শালবন দেখা যেত যেখানে পিকনিক করা নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার ছিলো ঢাকা বাসির জন্য। ভাবতেও ঢাকার বর্তমানের বাসিন্দাদের আফসোস হবে এটা নিশ্চিত।
আরেকটি হল এই ঢাকাতেই আগে গরুর গাড়ি চলতে দেখেছি। অনেক সময়ই নির্মাণ সামগ্রী গরুর গাড়িতে পরিবহণ করা হত। রিক্সায় করে ফার্ম গেট এমনকি ক্যান্টনমেন্ট সহ যে কোন জায়গায় চলে যাওয়া যেত। রাতে রাস্তায় ইলেকট্রিক পিলারের উপরে বাল্বের হলুদ আলো টিমটিম করে জ্বলত।
দুপুরে বাসায় বসে মনে হত কি নির্জনতা চারিদিকে। রাস্তায় লোকজন নাই। নীরব নিস্তব্ধতা থাকতো চারিদিক ঘিরে। স্কুলের একেবারে প্রথম দিন থেকেই আমরা একা একাই স্কুলে যেতাম ও আসতাম। সবাই তাই করত। বেশ কিছু দূরে বাসা হলেই হয়ত বড় কেউ স্কুলে দিতে আসতো। তাও প্রতিদিন নয়।
আমরাই মনে হয় লাস্ট জেনারেশন যারা ঢাকার বাসার গাছের আম জাম কাঠাল ও অন্যান্য গ্রীষ্মকালীন ফল গাছ থেকে পেড়ে খেয়েছি।
ধান্মন্ডি সহ বিভিন্ন এলাকাতে এখনো কিছু বাড়ি দেখা যায় সেই সময়কার। যে গুলো এতো বিশাল যে সেগুলো আবাসিক বাসা হিসেবে এখন আনফিট। সব গুলোই এখন অফিস বা স্কুল হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। বাড়ি গুলোর চারিপাশের খোলা জায়গা দেখলে সেই সময়কার মানুষের দৈনন্দিন জীবন যাপন কেমন ছিল তা অনুমান করা যায়। এখন যেমন আমরা পাশের ফ্ল্যাটের মানুষদেরও চিনি না। কিন্তু তখন পুরো এলাকার মানুষদের সাথে কম বেশী চেনা পরিচয় ছিলো। ঢাকায় চলাচল করতে ভয়ের কিছু ছিল বলে মনে পড়ে না। ভয়ের যা ছিলো তা হল কেবল মাত্র রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুর গুলো। এখন তো সুস্থ মানুষও এখানে চলাচল করতে চিন্তায় পড়ে যায়। শিশু ও বৃদ্ধদের চলাচলের জন্য অনেক আগেই ঢাকা অনুপযুক্ত হয়ে গেছে।
এই গুলো যে ঢাকার অনেক আগের চিত্র তা নয়। ঢাকা হঠাত করেই অনেক বদলে গেছে। আগে যা অনেক ধীরে ধীরে পরিবর্তন হত - তা এখন অতি দ্রুত হচ্ছে। এক মাস পরে গেলেই অনেক জায়গা আর চেনা যায় না।
একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার বাসিন্দারা এক জন অন্য জনের সুবিধা বা অসুবিধা নিয়ে ভাবে না। একটি শহরের মৃত্যু হয় যখন তার প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে যায়। যেখানে মানুষ ছাড়া অন্য কোন পশু পাখি থাকে না। মানুষ খুজে সেই শহর থেকে পালাবার উপায়। কংক্রিটের জঙ্গলে যখন নীরব আর্তনাদ অনুরনিত হয়। 
তাও প্রিয় এই ঢাকা। ভালোবাসি এই ঢাকাকে।

632
Thank you for your comments.

633
Textile Engineering / A person who can control is a successful person.
« on: March 27, 2017, 10:16:00 PM »
আমাদের জীবনে কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। আমাদের সারাজীবন কাটে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জিনিস কন্ট্রোল করতে শিখতে ও কন্ট্রোল করতে করতেই।
যাদের ওজন বেশী তারা ডায়েট কন্ট্রোল করে ওজন কমান বা নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়াও রক্তচাপ কম বা বেশী যাদের তারা ওষুধ খেয়ে রক্তচাপ কন্ট্রোল করেন। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বাকী জীবন যায় ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে রাখতেই। যারা আচমকা রেগে যান বা বেশী রেগে যান তারা নিজেদের রাগকে কন্ট্রোল করতে চেষ্টা করেন। অনেকেই মেডিটেশন করেন এর জন্য।
আমরাও কখনো নিজেদের সন্তানদের কখনো বা নিজের আপনজনকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য চেষ্টা করি।
এইবার আসি যানবাহনের ক্ষেত্রে। চালকের আসনে যিনি বসে থাকেন পুরোটা সময় তিনি তার বাহনকে নিয়ন্ত্রন করে চলেন। এর সাথে অনেকের জীবনের নিরাপত্তা নির্ভর করে। এটা শিখতেও বেশ কিছু সময় ব্যয় করতে হয়। তিনি তার বাহন কন্ট্রোল করতে পারেন কিনা তার জন্যও পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স পেতে হয়। ট্রাফিক পুলিশের কাজ হল রাস্তার যানবাহনকে নিয়ন্ত্রন করা যেন কেউ কারো পথে বাঁধা না হয়ে দাড়ায়।
পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটরদের মুল কাজই হল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা। ফুটবল মাঠে রেফারী ও ক্রিকেটের মাঠের আম্পায়ারেরও একই কাজ বলা চলে।
কেমিক্যাল প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির উৎপাদনের মূল বিষয়ই হল পি এইচ, তাপমাত্রা ও সময়ের নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে কেমিক্যালের বিক্রিয়া ঘটানো। ভারী ধাতব শিল্পের কাজ হল বিভিন্ন মৌলের অনুপাত ঠিক রেখে নির্দিষ্ট তাপ ও চাপের নিয়ন্ত্রন করে উৎপাদন করা।
এ সির প্রধান কাজ হল রুমের তাপমাত্রা ও আদ্রতা নিয়ত্রন করা। ফ্রিজের কাজ হল কম তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করে খাদ্য সামগ্রীকে পচন থেকে বাচানো।
মনে হয় চারিদিকে সব কিছু অপেক্ষা করতেছে কারো জন্য যে তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে। আর আমরা বসে আছি তার ঠিক মধ্যখানে। যে যত কন্ট্রোল করতে পারেন যেন সে তত সফল মানুষ।

634
আমাদের জীবনে কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি শব্দ। আমাদের সারাজীবন কাটে বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন জিনিস কন্ট্রোল করতে শিখতে ও কন্ট্রোল করতে করতেই।
যাদের ওজন বেশী তারা ডায়েট কন্ট্রোল করে ওজন কমান বা নিয়ন্ত্রণ করেন। এছাড়াও রক্তচাপ কম বা বেশী যাদের তারা ওষুধ খেয়ে রক্তচাপ কন্ট্রোল করেন। যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের বাকী জীবন যায় ডায়াবেটিস কন্ট্রোলে রাখতেই। যারা আচমকা রেগে যান বা বেশী রেগে যান তারা নিজেদের রাগকে কন্ট্রোল করতে চেষ্টা করেন। অনেকেই মেডিটেশন করেন এর জন্য।
আমরাও কখনো নিজেদের সন্তানদের কখনো বা নিজের আপনজনকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য চেষ্টা করি।
এইবার আসি যানবাহনের ক্ষেত্রে। চালকের আসনে যিনি বসে থাকেন পুরোটা সময় তিনি তার বাহনকে নিয়ন্ত্রন করে চলেন। এর সাথে অনেকের জীবনের নিরাপত্তা নির্ভর করে। এটা শিখতেও বেশ কিছু সময় ব্যয় করতে হয়। তিনি তার বাহন কন্ট্রোল করতে পারেন কিনা তার জন্যও পরীক্ষা দিয়ে লাইসেন্স পেতে হয়। ট্রাফিক পুলিশের কাজ হল রাস্তার যানবাহনকে নিয়ন্ত্রন করা যেন কেউ কারো পথে বাঁধা না হয়ে দাড়ায়।
পরীক্ষার হলে ইনভিজিলেটরদের মুল কাজই হল পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করা। ফুটবল মাঠে রেফারী ও ক্রিকেটের মাঠের আম্পায়ারেরও একই কাজ বলা চলে।
কেমিক্যাল প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির উৎপাদনের মূল বিষয়ই হল পি এইচ, তাপমাত্রা ও সময়ের নিয়ন্ত্রনের মাধ্যমে কেমিক্যালের বিক্রিয়া ঘটানো। ভারী ধাতব শিল্পের কাজ হল বিভিন্ন মৌলের অনুপাত ঠিক রেখে নির্দিষ্ট তাপ ও চাপের নিয়ন্ত্রন করে উৎপাদন করা।
এ সির প্রধান কাজ হল রুমের তাপমাত্রা ও আদ্রতা নিয়ত্রন করা। ফ্রিজের কাজ হল কম তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রন করে খাদ্য সামগ্রীকে পচন থেকে বাচানো।
মনে হয় চারিদিকে সব কিছু অপেক্ষা করতেছে কারো জন্য যে তাদের নিয়ন্ত্রণ করবে। আর আমরা বসে আছি তার ঠিক মধ্যখানে। যে যত কন্ট্রোল করতে পারেন যেন সে তত সফল মানুষ।

635
Textile Engineering / Re: Balance in our life.
« on: March 27, 2017, 08:40:11 PM »
I try to write up my thoughts. Thank you for your comments.

636
Textile Engineering / Balance in our life.
« on: March 25, 2017, 04:42:18 PM »
ব্যালেন্স বা ভারসাম্য শব্দটি নিয়ে ভাবতেছিলাম।
শুধু যে জিমন্যাস্টিকসে বা ভারোত্তলনে আমাদের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয় তা নয়। আমরা প্রতিনিয়ত ব্যালেন্স বা ভারসাম্য রক্ষা করে চলি। হাটার সময় বা সাইকেল চালানো এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরন। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা ব্যালেন্স ছাড়া জীব বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়। ব্যাঙ পোকা খেয়ে পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে - এইরকম। একাউন্টিঙেও ডেবিট আর ক্রেডিটের ব্যালেন্স মিলানো ছাড়া গতি নাই। অংকে ডানপক্ষ ও বামপক্ষের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে হয়। কেমিস্ট্রিতে পরিশেষে বিক্রিয়ার ব্যালেন্স করতে হয়। ফিজিক্সে তাপ বা বিদ্যুৎ নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় এই ব্যালেন্স ঠিক রেখে।
এছাড়াও পারিবারিক বা সামাজিক জীবনেও বহু ভাবে ব্যালেন্স মেইন্টেন হয়। বাবা বকা দিলে মা আদর করে - এইরকম ব্যালেন্স। আবার ধনীরা গরীবদের দান করে সামাজিক ব্যালেন্স ঠিক থাকে। ব্যালেন্স ছাড়া যে কথা বলে - তার পরিণতি আমরা সবাই জানি।
কখনো আমাদের বিবেক কখনো আমাদের পরিবার অথবা কখনো আমাদের সমাজ আমাদের ব্যালেন্সে রাখে। অর্থাৎ কোন কিছুর কারনে বা প্রভাবে ব্যালেন্স ঠিক থাকে।
ভেবে দেখলাম সব থেকে বেশী ব্যালেন্সে রাখে আমাদের বিবেক। যার বিবেক নাই সে সব কিছুই করতে পারে।
অনেক সময় এক পক্ষ অন্যপক্ষকে ব্যালেন্সে রাখে। ব্যাঙ পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে। ব্যাঙ না থাকলে পোকার সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যায়। যার ফলে পোকারা খাদ্যাভাবে মারা যায়। ব্যালেন্স হারালে আমরা মুখ থুবড়ে পড়ি। ফুটবল খেলায় কেবল এক দল থাকলে দর্শকেরা মাঠ ত্যাগ করে। প্লেনের ব্যালেন্স না থাকলে প্লেন ক্র্যাশ করে।

637
Permanent Campus of DIU / Balance in our life.
« on: March 25, 2017, 04:40:18 PM »
ব্যালেন্স বা ভারসাম্য শব্দটি নিয়ে ভাবতেছিলাম।
শুধু যে জিমন্যাস্টিকসে বা ভারোত্তলনে আমাদের ভারসাম্য রক্ষা করতে হয় তা নয়। আমরা প্রতিনিয়ত ব্যালেন্স বা ভারসাম্য রক্ষা করে চলি। হাটার সময় বা সাইকেল চালানো এর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরন। প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা ব্যালেন্স ছাড়া জীব বৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হয়। ব্যাঙ পোকা খেয়ে পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে - এইরকম। একাউন্টিঙেও ডেবিট আর ক্রেডিটের ব্যালেন্স মিলানো ছাড়া গতি নাই। অংকে ডানপক্ষ ও বামপক্ষের ব্যালেন্স ঠিক রাখতে হয়। কেমিস্ট্রিতে পরিশেষে বিক্রিয়ার ব্যালেন্স করতে হয়। ফিজিক্সে তাপ বা বিদ্যুৎ নিয়ে মাথা ঘামাতে হয় এই ব্যালেন্স ঠিক রেখে।
এছাড়াও পারিবারিক বা সামাজিক জীবনেও বহু ভাবে ব্যালেন্স মেইন্টেন হয়। বাবা বকা দিলে মা আদর করে - এইরকম ব্যালেন্স। আবার ধনীরা গরীবদের দান করে সামাজিক ব্যালেন্স ঠিক থাকে। ব্যালেন্স ছাড়া যে কথা বলে - তার পরিণতি আমরা সবাই জানি।
কখনো আমাদের বিবেক কখনো আমাদের পরিবার অথবা কখনো আমাদের সমাজ আমাদের ব্যালেন্সে রাখে। অর্থাৎ কোন কিছুর কারনে বা প্রভাবে ব্যালেন্স ঠিক থাকে।
ভেবে দেখলাম সব থেকে বেশী ব্যালেন্সে রাখে আমাদের বিবেক। যার বিবেক নাই সে সব কিছুই করতে পারে।
অনেক সময় এক পক্ষ অন্যপক্ষকে ব্যালেন্সে রাখে। ব্যাঙ পোকার সংখ্যা ব্যালেন্স করে। ব্যাঙ না থাকলে পোকার সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে যায়। যার ফলে পোকারা খাদ্যাভাবে মারা যায়। ব্যালেন্স হারালে আমরা মুখ থুবড়ে পড়ি। ফুটবল খেলায় কেবল এক দল থাকলে দর্শকেরা মাঠ ত্যাগ করে। প্লেনের ব্যালেন্স না থাকলে প্লেন ক্র্যাশ করে।

638
Textile Engineering / We are driven by our mysterious mind.
« on: March 25, 2017, 04:26:18 PM »
মানুষের মন কত অসাধারন। কেউ হয়ত বসে আছে একটি ঘুপচি ঘরে। কিন্তু তার চোখে থাকে কত অসাধারন স্বপ্ন। আমরা মনের চোখে দেখি - আগামীকাল আমরা কি করবো। রুমের কোথায় কোন ফার্নিচার রাখলে সুন্দর হবে - তাও আমরা দেখি এই মনের চোখে। মনে মনে ভাবি - এই শার্টের সাথে কোন টাই মানাতে পারে।
কখনো আমরা মনে মনে পরিমাপ করি। কখনো ভবিষ্যৎ দেখি। কখনো কখনো করি পরিকল্পনা। আমাদের মনের মাঝেই একাধারে বসবাস করে কখনো শিল্পী কখনো বিজ্ঞানী কখনো বা সাহসী যোদ্ধা। কখনো আমাদের মন ভরে উঠে হিংসায়। কখনো বা এই মনের কারনেই মানুষ প্রতারনা করে।
হিটলারের মন হয়ত আনন্দ পেত মানুষ হত্যা করে। আবার ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল যুদ্ধাহত মানুষের সেবা করে জীবন পার করেছেন। দুইজনের মনের কত আকাশ পাতাল পার্থক্য। সেই মানুষের মনই।
অনেক পরিশ্রমে আমাদের শরীর ক্লান্ত হয়। কিন্তু মন তখনও অক্লান্ত। আমরা ঘুমালেও আমাদের চোখে ভাসে নানা স্বপ্ন। কখনো মানুষ কঠিন হৃদয়ের - সেই মানুষই কখনো দয়ায় গলে পড়ে। সকাল আর বিকালে তার কত ভিন্ন রূপ।
আমাদের জীবনের একটা বড় অংশ যায় মনের সাথে যুদ্ধ করে। আমরা নিজেরাই জানিনা আমাদের মন কি চায়। কিন্তু এই মনের চাহিদা মেটাতেই আমরা আমাদের জীবন পার করি। কিন্তু তাকে আমরা নিজেরাই ভালো করে চিনিনা।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাসঃ জানুয়ারী ১৯, ২০১৬।)

639
কমেন্টসের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

640
Permanent Campus of DIU / Every father is a superman to his child.
« on: March 19, 2017, 08:08:28 PM »
আমার ছেলে ক্লাস টু তে পড়ে। ইতিমধ্যেই স্কুলে তাদের সেকশন গল্পের জন্য বিখ্যাত হয়ে গেছে। তারা নাকি এক জন আরেকজন বন্ধুর সাথে এতো গল্প করে যে ক্লাস টিচার এখন অতিষ্ঠ। এমনকি তাদের স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল স্যার ও অনেক বকাবকি করেছেন। কিন্তু কিছুদিন পরে আবারো তারা তাদের গল্পের পুরানো মুডে ফিরে গেছে।
যাই হোক বাসায় জানতে পারলাম অতি সম্প্রতি আমার ছেলে তার বন্ধুদের কাছে গল্প করেছে যে " আমার বাবা টিচার তো - সে সব জানে।" শুনে কি এক স্নিগ্ধ অনুভুতি হল - তার বাবার প্রতি এতো দৃঢ় আস্থা তা জেনে।
আমারো মনে পড়লো আমার এই একি রকম বয়সের একটি স্মৃতি। আমার বাবার অফিসের গাড়ির বডির সামনে একটি ইংরেজি ডি অক্ষর লেখা ছিল। আমিও আমার ইংরেজি বর্ণমালার শিশু জ্ঞানে পরিচয় অনুযায়ী আমার ব্যাখ্যা বের করেছিলাম। প্রেসিডেন্ট হল এ। তার পরে আর দুই জন আছে যারা বি ও সি। এর পরেই আমার বাবা। আমার বন্ধুদের মাঝেও এই ডি অক্ষর নিয়ে কৌতুহল ছিলো। আমিও তাদেরকে আমার ব্যাখ্যা বেশ গর্বের সাথে জানিয়েছিলাম।
কিন্তু এখন আমি জানি যে গাড়িটা ছিল ডাটসান ব্রান্ডের। তাই গাড়ির সামনে ব্রান্ড নাম ডাটসানের প্রথম অক্ষর ডি অক্ষর লাগানো ছিলো।

শিশুর কাছে বাবা মানেই অগাধ আস্থা। কালে কালে শিশুরা তাদের মনে নিজের বাবা সম্পর্কে সুপারম্যান টাইপের চরিত্র একে রেখেছে।
কিন্তু একমাত্র তার বাবাই জানে ভোর সকালে ঘুম থেকে জেগে অফিসে কেন দৌড়ায় যায় সে। বা অনেক দিনই কেন রাত জেগে কাজ করে।

(আমার ফেসবুক স্ট্যাটাস সেপ্টেম্বর ২৬, ২০১৬)

641
Textile Engineering / Success of life from different perspectives.
« on: March 19, 2017, 07:50:21 PM »
১. বিশাল হাতির মত ম্যামথ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু মেরুদন্ডহীন তেলা পোকা হাজার হাজার বছর ধরে এই পৃথিবীতে টিকে আছে।
টিকে থাকাই যদি সার্থকতা হয় তাহলে বিশাল ম্যামথ অবশ্যই একটি পরাজিত কাহিনী। তাই অনেকের কাছেই ম্যামথ একটি পরাজিত কাহিনী।
তেলাপোকা তাদের কাছে সার্থকতার উদাহরন।

২. মাঝে মাঝেই ফার্মের মুরগির কনসেপ্ট আমাকে পীড়া দেয়। বেচারাদের কাজই হল মানুষের প্রোটিনের সংস্থান করা। কখনো মাংসের মাধ্যমে বা কখনো ডিমের মাধ্যমে। তাদের জীবন কাটে নিরাপদ খাঁচায় আর তাদের ডিম ফূটে ইনকিউবিটরে। নিজেদের বাচ্চাদের কোনদিন চিনতেও পারে না। লাইটের আলোয় তারা খেয়ে চলে সারাদিন। কৃত্রিম খাবার খেয়ে তারা বড় হয়। বন বাদাড় কি জিনিস - তা তাদের বোধগম্যের বাইরে। বিভিন্ন টিকার মাধ্যমে তারা নিরোগ থাকে।
একদিক চিন্তা করলে ফার্মের মুরগির জীবন সার্থক বলা যায় কেননা তারাই এখন মানুষের প্রোটিনের একটি বড় উৎস। কিন্তু তাদের জীবন যাপন প্রনালীটা কত অস্বাভাবিক।
আসলেই জীবনের সার্থকতা একেক জনের কাছে একেক রকম।

(আমার মতে ফলাফল যাই হোক - কে কেমন জীবন কাটিয়েছে - এটাই তার জীবনের সার্থকতার মাপকাঠি হওয়া উচিৎ।)

642
১. বিশাল হাতির মত ম্যামথ পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু মেরুদন্ডহীন তেলা পোকা হাজার হাজার বছর ধরে এই পৃথিবীতে টিকে আছে।
টিকে থাকাই যদি সার্থকতা হয় তাহলে বিশাল ম্যামথ অবশ্যই একটি পরাজিত কাহিনী। তাই অনেকের কাছেই ম্যামথ একটি পরাজিত কাহিনী।
তেলাপোকা তাদের কাছে সার্থকতার উদাহরন।

২. মাঝে মাঝেই ফার্মের মুরগির কনসেপ্ট আমাকে পীড়া দেয়। বেচারাদের কাজই হল মানুষের প্রোটিনের সংস্থান করা। কখনো মাংসের মাধ্যমে বা কখনো ডিমের মাধ্যমে। তাদের জীবন কাটে নিরাপদ খাঁচায় আর তাদের ডিম ফূটে ইনকিউবিটরে। নিজেদের বাচ্চাদের কোনদিন চিনতেও পারে না। লাইটের আলোয় তারা খেয়ে চলে সারাদিন। কৃত্রিম খাবার খেয়ে তারা বড় হয়। বন বাদাড় কি জিনিস - তা তাদের বোধগম্যের বাইরে। বিভিন্ন টিকার মাধ্যমে তারা নিরোগ থাকে।
একদিক চিন্তা করলে ফার্মের মুরগির জীবন সার্থক বলা যায় কেননা তারাই এখন মানুষের প্রোটিনের একটি বড় উৎস। কিন্তু তাদের জীবন যাপন প্রনালীটা কত অস্বাভাবিক।
আসলেই জীবনের সার্থকতা একেক জনের কাছে একেক রকম।

(আমার মতে ফলাফল যাই হোক - কে কেমন জীবন কাটিয়েছে - এটাই তার জীবনের সার্থকতার মাপকাঠি হওয়া উচিৎ।)

643
চেহারা হল আমাদের মনের আয়না। যে আনন্দে আছে তার মুখ দেখেই আমরা তা বুঝতে পারি। একই ভাবে অসুস্থতা, শারীরিক কষ্ট সবই ফুটে উঠে আমাদের মুখে। আমরা যখন কথা বলি তখন আমাদের মুখে আমাদের মনের ছাপ ফুটে উঠে। আনন্দের খবর দেওয়ার সময় আমাদের মুখ আনন্দিত হয়। বা দুঃখের কথা বলতে গেলে মুখে দুঃখ বোধ ফুটে উঠে। আবার কথা না বললেও অনেক সময় মুখে ফুটে উঠে দুশ্চিন্তা, হতাশা, বা কৌতুক যা হয়ত তখন মনে খেলা করতেছে।
আমাদের মুখে আছে অজশ্র মাংস পেশী। যে মানুষ সব সময় হাসি খুশি থাকে সে তার মুখের নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। একই ভাবে যে বেশীর ভাগ সময় দুশ্চিন্তা গ্রস্থ থাকে সেও নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। হয়ত হাসি খুশি থাকা মানুষের থেকে ভিন্ন পেশী গুলো। এই ভাবে এক এক জন তাদের মনের ভাব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। সেই পেশী গুলোই বেশী পুষ্ট হয়। চেহারায় আনে আলাদা বৈশিস্ট। এমনকি মানুষের চেহারাতে ছাপ ফেলে দেয় তার সব সময়ের অভ্যাসও।
আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার ছাপও পড়ে আমাদের মুখে। কঠিন ও চালেঞ্জিং পেশাজীবিদের মুখে ফুটে উঠে কঠোরতার ছাপ। আবার সব সময় আদরে থাকা মানুষের চেহারায় ফুটে উঠে আদুরে ভাব। কাওকে প্রথম দেখায় অনেক আপন মনে হয় অথবা আবার কাউকে হয়ত আমরা এড়িয়ে যাই। নকল হাসি নকল দুঃখ বোধ আমরা সবাই চিনি। একই ভাবে তৈলাক্ত হাসি ও কষ্ট করে আনা ফ্যাকাসে হাসিও আমরা ডিটেক্ট করতে পারি।
আমরা যতই লুকাতে চাইনা আমাদের নেগেটিভ দিক গুলোকে - তা আমাদের অজান্তেই ফুটে উঠে আমাদের মুখায়োবে। অনেক সময় তা হয়ত অতীতের আমাদেরকেও সবার সামনে প্রকাশিত করে তোলে। তাই সব সময় পজিটিভ চিন্তা ও কাজ করাই শ্রেয়।

644
Students go for their internship to different organizations. They have to remember it is the best time to ensure job for them. Of course an organization will select a candidate they already know about. Again the internee is not a new stranger for that organization. As the organization knows the internee the same way the internee is also habituated with the customs of the organization. An internee has to keep in mind that he / she may be under consideration for a job there by the management.
For this the internee has to work very sincerely during the period. He/ she has to fully maintain the time there.
Again before going for internship a student has to review all of his related course materials (Both theory and lab) he studied before in the University. This will impress the management of the organization, that the students know the related basic things.

645
দৃষ্টি এখানে আটকে যায় না। যে দিকে তাকানো যায় দেখা যায় বিশাল আকাশ। রুমের বিশাল জানালা দিয়ে প্রচুর আলো আসে। শীতকালে সূর্য হেলে যায়। তাই জানালা দিয়ে আসে সকালের রোদ। উত্তরা থেকে সকাল ৭ঃ৩০ মিনিটে ইউনিভারসিটি ট্রান্সপোর্ট ছেড়ে আসে। তাই প্রতিদিন ভোরেই উঠতে হয়। শুধু এইটুকুই আমাদের সারাদিনের কষ্টকর চ্যালেঞ্জ। তবে ক্যাম্পাসে পৌঁছালে মন ভালো হয়ে যায়। নিজেদের বসার, ক্লাসের, এমনকি খেলা ধুলা করার পর্যাপ্ত একোমোডেশন ব্যবস্থা এখানে। স্টুডেন্টরা ফুটবল, ক্রিকেট, গলফ, বাস্কেটবল খেলে। অনেক সময় বিশেষতঃ বিকালে কাজ শেষে অনেক ফ্যাকাল্টি মেম্বারও মাঠে খেলতে নেমে যায়। দুপুরে লাঞ্চের সময় টাটকা ও সুস্বাদু খাবার।
সব ফ্যাকাল্টি মেম্বার, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পরিচিত তো অবশ্যই। নিজের ডিপার্টমেন্ট ছাড়াও অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্টদেরও চেনা হয়ে যায়।
সব থেকে ভালো লাগে - এখানে কোন শব্দদূষণ নাই। নীরব গম্ভীর পরিবেশ মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়। দুপুরের পর কর্মব্যস্ততা কমে গেলে কিছুটা নীরব হয় পরিবেশ। আবার বিকালে কিছুটা সরব হয়ে উঠে আমাদের ক্যাম্পাস। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যেমন নীরব হয় আমাদের ক্যাম্পাস - তেমন পরীক্ষা শেষে স্টুডেন্টদের পরিক্ষার আলোচনা করতে করতে ফিরে যাওয়া মনে করিয়ে দেয় আমাদের নিজেদের ছাত্র জীবনের স্মৃতির কথা।
দিন শেষে আবার বাড়ি ফেরার পালা। কারো ব্যক্তিগত কাজ থাকলে হয়ত দুপুরের ট্রান্সপোর্টে বাসায় চলে যায়। বাকিরা যায় বিকালে। বিকালেও ট্রান্সপোর্ট সময় মত রেডি থাকে। আমরাও বিরুলিয়া, মিরপুর বেড়িবাঁধ, দিয়াবাড়ি পার হয়ে ফিরে চলি উত্তরায় যার যার বাসায়।
ভালো লাগে এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। ভালো লাগে আমাদের এই স্থায়ী ক্যাম্পাস।

Pages: 1 ... 41 42 [43] 44 45 ... 47