Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Tapushe Rabaya Toma

Pages: 1 ... 10 11 [12]
167
informative...  :)

173
রাজধানীতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে স্তন ক্যান্সার নিরীক্ষা সেবা দিচ্ছে আমাদের গ্রাম-উন্নয়নের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি প্রকল্প।
স্বল্প খরচে স্তনের রোগনির্ণয়, স্তন ক্যানসারবিষয়ক তথ্য-পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবার এই কার্যক্রম ঢাকা ছাড়াও খুলনা ও বাগেরহাটে চালু রয়েছে। প্রয়োজনভেদে সেবা গ্রহণকারীদের ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড পর্যবেক্ষণ করে মার্কিন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
ছুটিরদিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে। বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ০১৭৩০০১৩৭০৯ মোবাইল নম্বরে।

http://m.banglatribune.com/tech-and-gadget/news/201355/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE

174
মাইক্রোসফট ইমাজিন কাপে পিপলস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড জিতেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার এ প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্যারাসিটিকা দলটি এই পুরস্কার পেয়েছে।
ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলাতে অনুষ্ঠিত হয় মাইক্রোসফট ইমাজিন কাপ দক্ষিণ এশিয়ার চূড়ান্ত পর্ব। বাংলাদেশ দল ‘টিম প্যারাসিটিকা’য় ছিলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট)শিক্ষার্থী তৌহিদুল ইসলাম, ফজলে রাব্বি ও সৈয়দ নাকিব হোসেন।
এই পুরস্কার জেতায় দলটি আগামী জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য ইমাজিন কাপের ওয়ার্ল্ড ফাইনালে অংশ নিতে পারবে।
বিশ্বখ্যাত সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট প্রতি বছর এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে থাকে।

http://m.banglatribune.com/tech-and-gadget/news/201297/%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%B8-%E0%A6%9A%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%9C-%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%93%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A1-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%B2%E0%A7%8B-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6

175
কম্পিউটারে কখনো এমন কিছু ফাইল বা ফোল্ডার তৈরি হয়, যেগুলো মুছে ফেলা (ডিলিট) একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। ফাইল ডিলিট না হলে সেটি বেশ বিরক্তির কারণও বটে। কিন্তু চাইলেই যেসব ফাইল বা ফোল্ডার ডিলিট হয় না, সেগুলোও ডিলিট করতে পারবেন। এটি করতে অবশ্যই কম্পিউটারের কমান্ড প্রম্পট বিষয়ে আগে থেকে জানতে হবে এবং ফাইল ও ফোল্ডারের ডিরেক্টরি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে।

যা করতে হবে....

উইন্ডোজ ৭ এবং এর পরের সংস্করণের জন্য প্রথমে স্টার্ট মেন্যুতে গিয়ে cmd লিখুন। cmd.exe এলে সেটিতে মাউসের ডান বোতামে (রাইট) ক্লিক করে Run as administrator নির্বাচন করে খুলুন। কমান্ড প্রম্পটের উইন্ডো মিনিমাইজ করে CTRL + ALT + DEL একসঙ্গে চেপে টাস্ক ম্যানেজার চালু করুন। অথবা ডেস্কটপের নিচের টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে Start Task Manager নির্বাচন করুন। কম্পিউটারে explorer.exe চালু থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফাইল মোছা যায় না, তাই এটি বন্ধ করতে Process ট্যাবে গিয়ে explorer.exe খুঁজে নিয়ে তাতে রাইট ক্লিক করে End Process Tree-তে ক্লিক করুন। একটি বার্তা আসবে, সেটিতে আবার End Process চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পটের উইন্ডোতে ফিরে আসুন। আপনার যে ড্রাইভে ফাইলটি আছে, সেটির ডিরেক্টরি এখানে লিখে দিতে হবে। আপনার ফাইলটি যদি D: ড্রাইভে থাকে, তাহলে এখানে cd D: লিখে এন্টার চাপুন। cd কমান্ড প্রয়োগের ফলে D: ড্রাইভে থাকা ফাইল ব্যবহার করা যাবে। এবার যে ফাইলটি মুছে ফেলতে চান, সেটির জন্য এখানে del d:/Prothom-AloDocs/abcFolder/abcFile.docx লিখে এন্টার চাপুন। খেয়াল করুন এখানে del সংকেত (কমান্ড) দিয়ে ফাইল মুছবে আর পরের অংশটি হলো ফাইল ডিরেক্টরির ঠিকানা। তাই এখানে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলের ডিরেক্টরি বসিয়ে নিয়ে কাজটি করুন। কোনো ফোল্ডার মুছতে চাইলে RD/S/Q d:/Prothom-AloDocs/ComputerProtidinFolder হুবহু লিখে এন্টার চাপুন। খেয়াল করুন এখানে RD/S/Q ফাইল মুছে ফেলার সংকেত আর পরের অংশটি আপনার কাঙ্ক্ষিত ফোল্ডারের ডিরেক্টরি। সংকেত লেখায় কোনো ভুল হলে কাজটি হবে না, তাই বুঝে-শুনে প্রয়োগ করুন। কাজটি সফল হলে এবার টাস্ক ম্যানেজারে ফিরে আসুন। এখানে File থেকে New Task (Run…)-এ ক্লিক করুন। Create New Task-এর ঘরে explorer.exe লিখে এন্টার চাপুন। তাহলে এক্সপ্লোরার চালু হয়ে যাবে আর কম্পিউটারের অন্যান্য কাজ করা যাবে।

176
তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক আউটসোর্সিংয়ে নানা রকম কাজের সুযোগ রয়েছে। এর একটা হচ্ছে সিপিএ। সিপিএর পূর্ণরূপ কস্ট পার অ্যাকশন। ক্রেতাকে দিয়ে ক্লায়েন্টের নির্দিষ্ট কোনো ওয়েব পেজে নিবন্ধন, জরিপ, ই-মেইল সাবমিট, জিপ সাবমিট, ডাউনলোড, পারচেজ অর্ডার করিয়ে নেওয়া গেলে সিপিএ মার্কেট ক্রেতার প্রতিটি অ্যাকশনের জন্য বিপণনকারী বা মার্কেটারকে অর্থ দেয়। প্রতিটি অ্যাকশনের ভিত্তিতে যে অর্থ পাওয়া যায়, তাই-ই সিপিএ। যেমন কোনো একটি সাইটে বলল যে, তাদের সাইটে সাইনআপ করিয়ে দিলে প্রতিটি সাইনআপের জন্য ৫ ডলার করে দেওয়া হবে। আর এভাবে বিপণন করে আয় করাকে সিপিএ বলে। যাঁরা অনলাইন বিপণনের কাজ করেন তাঁদের এই বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা থাকা দরকার।

ফ্রিল্যান্সিং এবং সিপিএর মধ্যে পার্থক্য
ফ্রিল্যান্সিংয়ে এই অনলাইন কাজের বাজার (মার্কেট প্লেস) থেকে বিড করে কাজ নামাতে হয় এবং প্রতি ঘণ্টায় বা নির্দিষ্ট অঙ্কের পারিশ্রমিক পাওয়া যায়। সিপিএতে বিড করে কাজ নামাতে হয় না। হাজার হাজার অফারের কাজ দেওয়া থাকে। প্রতিটা বিক্রয় বা সাইনআপের জন্য সঙ্গে সঙ্গেই অর্থ জমা হয় অ্যাকাউন্টে।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট বনাম সিপিএ অ্যাফিলিয়েশন
অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েশনে পণ্য বিক্রি হলেই তবে কমিশন পাওয়া যায়। সিপিএতে পণ্য বিক্রির কমিশন তো আছেই, পাশাপাশি পণ্য বিক্রি না হলে শুধু বিনা মূল্যের সাইনআপ, জরিপ বা লিডস সাবমিটের জন্য পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

কেন সিপিএ বিপণন জনপ্রিয়?
তুলনামূলকভাবে অনেক কম বিনিয়োগ এবং কম সময়ে ভালো আয় করা যায়। দল গঠন করে নিজের স্বাধীন ব্যবসায় উদ্যোগ শুরু করা যায়।

নতুনেরাও পারেন আয় করতে
যেহেতু সিপিএতে পণ্য বিক্রির পাশাপাশি বিনা মূল্যের সাইনআপ, জরিপ, ডাউনলোডের মতো কাজও আছে, তাই সঠিকভাবে কাজ করলে আয় করা সম্ভব।

সিপিএ বিপণন যখন পেশা
প্রতিটি ব্যবসাতেই বিক্রয় ও বিপণনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ডিজিটাল বিপণনের অন্যতম উদাহরণ হলো সিপিএ, যা শিখে ঘরে বসেই আয় করা যায়। বিদেশের বাজারে বিপণন অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে নিজের ব্যবসায় বাড়াতে পারবেন। ডিজিটাল যুগে নিজেকে একজন দক্ষÿডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে তৈরি করতে পারলে বড় কোনো প্রতিষ্ঠানেও পেশা গড়া যায়।

সিপিএতে যেভাবে আয় করা যায়
সিপিএতে আয় করা যায় মূলত দুভাবে—
১. পিপিএল: ফ্রি সাইনআপ, সার্ভে, জিপ সাবমিট এবং কনটেন্ট নামানোর জন্য কাজ করে।
২. পিপিএস: পণ্য বা সেবা বিক্রি করে। সিপিএতে কাজের সময়, দক্ষতা ও বিনিয়োগের ওপর আপনার আয় নির্ভর করবে। প্রতিদিন ৪-৫ ঘণ্টা কাজ করলে ফ্রি পদ্ধতিতে ১০ থেকে ২০ ডলার আয় করা সম্ভব। পেইড মেথডে পদ্ধতিতে ৫০ ডলারের বেশি আয় করা যায়।

অর্থ পাওয়ার মাধ্যম কী?
পাইওনিয়ার মাস্টারকার্ড, পেপ্যাল, চেক এবং সরাসরি ব্যাংক লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ তোলা সম্ভব।

সিপিএ বিপণন শিখতে কী লাগে?
কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ, সঠিক নির্দেশনা, মনোযোগী সময়, পরিশ্রম ও শেখার প্রবল ইচ্ছাশক্তি থাকলেই চলে। এ ছাড়াও সিপিএ নেটওয়ার্কে অ্যাপ্রুভাল কৌশল, ওয়ার্ডপ্রেস, ল্যান্ডিং পেজ ডিজাইন, এসইও, সোশ্যাল মিডিয়া বিপণন, পিপিসি প্রচারণা, শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন প্রকাশ, ই-মেইল বিপণন জানা থাকতে হবে এবং সার্ভার থাকতে হবে।

যেসব বিষয় নিয়ে কাজ করা যায়
সার্চ ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে থাকা পণ্যের অফার যেমন: হেলথ অ্যান্ড বিউটি, সফটওয়্যার অ্যান্ড অ্যাপস, অ্যান্ড্রয়েড গেম, ডিজিটাল পণ্য, ই-কমার্স পণ্য, ঋণ ও বিমা, চাকরি এবং বিয়ের সাইটের অফার নিয়ে কাজ করা যেতে পারে।

কোন কোন মার্কেটপ্লেসে পাওয়া যায়?
সিপিএ অফার সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় ম্যাক্সবাউটি ওয়েবসাইটে। এ ছাড়াও ক্যাশ নেটওয়ার্ক ডটকম, পিয়ারফ্লাই ডটকম, সিজে ডটকমেও সিপিএ অফার পেতে পারেন।
লেখক: ওয়েব ডেভেলপার ও ই-কমার্স উদ্যোক্তা
 
http://www.prothom-alo.com/technology/article/1155316/%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%A3%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%8F

177
A large data center construction project planned for the district of Dhaka, Bangladesh, is cleared to go ahead, after a cabinet committee on government purchase approved a key proposal related to its construction earlier this month.

Chinese companies ZTE Holding Company Limited and ZTE Corporation are lined up to build the Bangladesh National Data Centre on 20 acres of land earmarked for the project. The ambitious TK$12 billion (US$155.4M) project is to be funded by the Chinese Exim Bank, and work on it is expected to commence by this year, according to a new report on the Bangladesh-based bdnews24.com online newspaper.

Dhaka data - banker backers

The plan to build the massive data center–claimed to be the world’s fifth largest, was announced by State Minister for Information and Communication Technology Zunaid Ahmed Palak earlier this year. He was quoting as saying that the government hopes to start construction this year, and the latest development suggests that things are on track.

The location of the National Data Centre, at the Hi-Tech Park at Kaliakair, in the Gazipur district of Dhaka, has been contentious, with critics deriding the choice given that it is within an earthquake prone zone. The Bangladesh Ministry of Information had defended the move, noting that building the data center at an alternative site such as the Jessore ICT Park some 200km away would increase costs.

Separately, the chief of the technical negotiation committee, Ashraful Islam, had told the Dhaka Tribune that the risk of earthquake damage would be accounted for and appropriate measures taken to ensure the 99.995 percent uptime required for a Tier IV site.

When Datacenter Dynamics contacted the Uptime Institute last year, they told us earthquake risks are in fact outside of the Tier certification scheme. “The Tier Certification only addresses the site infrastructure–i.e. ensuring all of the design and equipment components meet the Tier criteria,” they said. Mitigating against seismic activity and other natural disasters is addressed separately by a different Uptime certification called the “Operational Sustainability” protocol.

Still, the National Data Centre when completed can expect to be one of a handful of Tier IV data centers in Asia when completed. Elsewhere, Ctrl S has a Tier IV (design) facility in Hyderabad, GPX has a Tier IV design certified center in Mumbai, and PT Data Center Infrastructure Indonesia (PT DCI) also has a Tier IV (design) certified data center in West Java, Indonesia that was built in partnership with Equinix.

178
The government of Bangladesh has drawn criticism for planning to build a flagship Tier IV  data center in an earthquake prone district of Dhaka.

The Bangladesh Ministry of Information is planning to build the fifth largest data center in the world at Kaliakair, in the Gazipur district of Dhaka, according to reports in the Dhaka Tribune. The site is some 30km from where the Rana Plaza clothing factory collapsed in 2013, killing more than 1000 people.

Tremors
The flagship project, estimated to cost some Tk1,000 crore ($8 million) will be used to hold and process large amounts of government data. The chief of the technical negotiation committee, Ashraful Islam, told the Tribune that the site was not finalised yet, that the risk of earthquake damage would be account and appropriate measures would be taken to ensure the 99.995 percent uptime which is required for a Tier IV site.

The center is backed by China, and is to be built by ZTE. Information Minister Zunaid Ahmed Palak has visited the site several times, with executives from ZTE Bangladesh, the Tribune said.

Bangladesh has other sites not vulnerable to seismic shock, such as the Jessore ICT Park, some 200km away, but locating the center there would increase the costs, the Ministry has said.

"Tier IV is not an amateur project; a multimillion dollar project like this can be established only to attract foreign business organisations and even other governments to deposit their data here and feel safe," an anonymous source warned the Tribune. "But if they found it is established on an earthquake prone zone, it will not be profitable for the Bangladesh government to establish it.”

If completed, this could be among the first Tier IV data centers in Asia, although Ctrl S has a Tier IV (design) facility in Hyderabad and GPX has a Tier IV design certified center in Mumbai.

Contacted by DatacenterDynamics, the Uptime Insitute said that earthquake risks are in fact outside the Tier certification scheme, saying: "The Tier Certification only addresses the site infrastructure – i.e. ensuring all of the design and equipment components meet the Tier criteria." Mitigating for seismic activity and other natural disasters falls under a different Uptime certification - for "Operational Sustainability" protocol.

DataCenterDynamics requested information form the Bangladesh Ministry of Information but had no response at the time of publication.

Pages: 1 ... 10 11 [12]