Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - tahmina

Pages: 1 2 [3] 4
32
Pharmacy / Re: Health Benefits of Herbs and Spices
« on: May 06, 2018, 12:13:01 PM »
Thank you Sir , for this informative post

33
Pharmacy / Re: Exercise can stave off depression: New study
« on: May 06, 2018, 10:40:31 AM »
Informative post

34
Pharmacy / Re: Is SUGAR always sweet...
« on: May 05, 2018, 11:48:05 AM »
Thank you sir for this Informative post.

35
Pharmacy / Re: Food combination for quick weight loss
« on: April 30, 2018, 07:39:32 PM »
Informative post

36
Pharmacy / Re: Blue light from smartphones kills human retinal cells
« on: April 30, 2018, 02:11:20 PM »
Thanks for sharing

38
Thanks for sharing

39
Pharmacy / Re: Bitter is the new sweet
« on: April 30, 2018, 01:27:17 PM »
Important post

41
Public Health / Re: Regularly eating fish
« on: April 30, 2018, 01:09:41 PM »
Important post

43
Pharmacy / Re: Cancer therapy by nanotechnology
« on: April 30, 2018, 01:05:58 PM »
Thanks for sharing

44
Pharmacy / নিশ্বাসে টানছেন বিষ!
« on: April 28, 2018, 04:18:49 PM »
 নিশ্বাসে টানছেন বিষ!

‘চোখে দেখা যায় না, না থাকলে চলে না’ সেটা কী? সেটা বাতাস বা বায়ু। বিশুদ্ধ বায়ু পরিবেশের আত্মা। বায়ুতে সাধারণত ২১ শতাংশ অক্সিজেন, ৭৮ শতাংশ নাইট্রোজেন, দশমিক ৩১ শতাংশ ভাগ কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং নির্দিষ্ট অনুপাতে ওজোন, হাইড্রোজেন ইত্যাদি থাকে। যদি কোনো কারণে বাতাসে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়ে অন্যান্য গ্যাসের ঘনত্ব বেড়ে যায় কিংবা বালুকণার হার বেড়ে যায় তবে সেটি দূষিত হয়ে যায়।

বাংলাদেশে বায়ুদূষণের পেছনে প্রধানত দুটি কারণ রয়েছে। এক. কলকারখানার ধোঁয়া, দুই. যানবাহনের ধোঁয়া। সার কারখানা, চিনি, কাগজ, পাট ও টেক্সটাইল কারখানা, ট্যানারি, তৈরি পোশাক কারখানা এবং রাসায়নিক ও ওষুধ প্রস্তুতকারী কারখানা থেকে প্রচুর ধোঁয়া নির্গত হয়।
বাতাসে ভাসছে বিষ। রাজধানীবাসীর প্রাণভরে নিশ্বাস নেওয়ার কোনো সুযোগ আসলে নেই। কারণ নিশ্বাসের সঙ্গে বিষ ঢুকে যায়! বর্তমানে ঢাকার বাতাসে বিষই উড়ে বেড়াচ্ছে। এ বিষের উৎস হলো গাড়ি, আশপাশের শিল্পাঞ্চল, ইটভাটা ও নাগরিক বর্জ্য।
ইদানীং প্রচুর পরিমাণ সিএনজিচালিত গাড়ি চলাচল করছে। এসব সিএনজিচালিত যানবাহন থেকে বের হয় ক্ষতিকারক বেনজিন। এই বেনজিনের কারণে ঢাকায় ক্যানসারের প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে বহুলাংশে। এ ছাড়া সালফার ও সিসাযুক্ত পেট্রল, জ্বালানি তেলে ভেজাল ও ত্রুটিপূর্ণ ইঞ্জিনের কারণে গাড়ির ধোঁয়ার সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড, সালফার ডাই-অক্সাইড, অ্যালডিহাইডসহ সিসার নিঃসরণ বাতাসকে দূষিত করছে।
নির্মাণকাজে ব্যবহৃত বালু, সিমেন্ট ফেলে রাখা হচ্ছে রাস্তার পাশে। আবার নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও অনেক নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় ধুলাবালুর পরিমাণ বাড়ছে অনেক গুণ। বিশাল অঞ্চলজুড়ে খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলে দীর্ঘদিন ধরে এবং তা বিভিন্নভাবে চারদিকে ছড়িয়ে সৃষ্টি করছে প্রকট ধুলাদূষণ।
মারাত্মক বায়ুদূষণের কারণে ঢাকা শহরের মানুষ প্রতিনিয়ত অ্যাজমা (হাঁপানি), ক্রনিক অবসট্রাক্টিভ পালমোনারি রোগ (সিওপিডি) ও ফুসফুসের ক্যানসারসহ মারাত্মক সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।

কীভাবে বায়ুদূষণের জন্য হাঁপানি হয়?
হাঁপানি ফুসফুসে বারবার হয়ে চলা একটি প্রদাহজনিত অবস্থা, যাতে কিছু উদ্দীপক প্রদাহ তৈরি সাময়িকভাবে শ্বাসনালি সরু করে দেয়। এর ফলে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। রাস্তাঘাটে প্রতিনিয়ত যে ধুলা উড়ছে, তা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টের প্রধান কারণ। ধুলাবালু মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে শ্বাসযন্ত্রে ঢুকে শ্বাসকষ্টের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। শহরে দূষিত বায়ুর কারণে এ রোগের রোগীর সংখ্যা আরও বাড়ছে। ফ্রি র‍্যাডিক্যাল দেহকোষগুলোর ক্ষতি করে। দূষিত বায়ু ফুসফুসে ঢোকার পর সেখানে ফ্রি রেডিক্যালের সৃষ্টি হতে পারে। দেখা গেছে শ্বাসতন্ত্রের অসুখ সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এসব ফ্রি র‍্যাডিক্যাল।

কীভাবে সিওপিডি হয়?
বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তন, ক্রমবর্ধমান পরিবেশদূষণ এবং মানুষের অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অসংক্রামক ব্যাধি। ফুসফুসের একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ রোগ, যাতে ভুগছে এ দেশের লাখো মানুষ, তা থেকে যাচ্ছে পর্দার অন্তরালে। ইংরেজিতে রোগটির নাম সিওপিডি। বাংলা করলে দাঁড়ায় ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসরোধক রোগ। এটি ফুসফুসের এমন একটি রোগ যার ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস বাধাগ্রস্ত হয় এবং রোগী শ্বাসকষ্টে ভোগেন। এটি ক্রনিক অবসট্রাক্টিভ লাং ডিজিজ (সিওএলডি), ক্রনিক অবসট্রাক্টিভ এয়ারওয়ে ডিজিজ (সিওএডি), ক্রনিক এয়ারফ্লো লিমিটেশন (সিএএল) ও ক্রনিক অবসট্রাক্টিভ রেসপিরেটরি ডিজিজ (সিওআরডি) নামেও পরিচিত।
ফুসফুসের শ্বাসরোধক প্রক্রিয়াটি ক্রমেই বাড়তে থাকে এবং তা মূলত হয়ে থাকে দূষিত বাতাস গ্রহণের কারণে, ফুসফুসে সৃষ্ট প্রদাহের জন্য। এই প্রদাহের জন্য ফুসফুস দুইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়-
এক. ফুসফুসের ছোট ছোট শ্বাসনালির ভেতরের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, স্থায়ীভাবে সংকুচিত হয় এবং সেখানে অতিরিক্ত শ্লেষা তৈরি হয়ে বায়ুরোধক প্রক্রিয়াটি বাড়িয়ে দেয়।
দুই. ফুসফুসের বায়ুকুঠুরির অস্বাভাবিক প্রদাহের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে এর সংকোচন-প্রসারণক্ষমতা নষ্ট হয় এবং রক্তে অক্সিজেনের প্রবাহ কমে যায়।

কীভাবে বায়ুদূষণের কারণে ফুসফুসের ক্যানসার হয়?
বাতাসে কার্বন মনোক্সাইড ও সালফার ডাই-অক্সাইডের প্রাবল্য দিনে দিনে মানুষের ফুসফুসের প্রদাহ বাড়াচ্ছে। দূষিত বায়ু ফুসফুসে ঢোকার পর সেখানে ফ্রি রেডিক্যালের সৃষ্টি হতে পারে। দেখা গেছে, ফুসফুসের ক্যানসার সৃষ্টিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে এসব ফ্রি র‍্যাডিক্যাল।

বায়ুদূষণের বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঠেকাতে ভিটামিন সি
ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফলমূল বা শাকসবজি খেলে বায়ুদূষণের বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঠেকানো যায়। যাঁরা ফুসফুসের জটিল রোগে ভুগছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এ কথা বিশেষভাবে প্রযোজ্য। লন্ডন হাসপাতালের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষকেরা দেখতে পেয়েছেন, হাঁপানি এবং সিওপিডি রোগে যাঁরা ভুগছেন তাঁদের রক্তে ভিটামিন সির মাত্রা কমে গেলে বায়ুতে দূষণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার সময় শ্বাসকষ্টে ভোগার ঝুঁকি বাড়ে।
লেবু, আমলকী, পেয়ারা, জাম্বুরা, আনারস, আমড়া, আম, আঙুর, কাঁচা মরিচ, জলপাই, বরই, কামরাঙা, টমেটো, বাঁধাকপি, কমলালেবু ইত্যাদি ভিটামিন সির গুরুত্বপূর্ণ উৎস। এসবই সহজলভ্য। এ ছাড়া ভিটামিন সি আমাদের দেহে লোহা বা আয়রন শোষণে সাহায্য করে। মাছ বা মাংস অর্থাৎ আমিষজাতীয় খাবার খাওয়ার সময় সঙ্গে লেবু খেলে দেহের লৌহ শোষণক্ষমতা বাড়ে।

লেখক: বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ
Source:http://www.prothomalo.com/life-style/article/1476971

45
Pharmacy / Scientists develop new method to make drugs smarter
« on: April 28, 2018, 04:05:33 PM »
Scientists from the University of Lincoln in the UK have created a new technique using nanotechnology which can make drugs more effective at reaching their target.

Scientists have devised a new technique to 'decorate' gold nanoparticles with a protein of choice so they can be used to tailor drug to more accurately target an area on the body, such as a cancer tumour.

Gold nanoparticles are spheres made of gold atoms having a diameter of only few billionths of a metre which can be coated with a biological protein and combined with drugs to enable the treatment to travel through the body and reach the affected area.

The nanoparticles can 'adsorb' (hold on its surface) drugs which would otherwise become insoluble or quickly degrade in the blood stream, and due to their small size they can overcome biological barriers such as membranes, skin and the small intestine which would usually prevent the drug from reaching its target.

The technology is already used in real world applications such as pregnancy tests – where gold nanoparticles decorated with an antibody against the hormone present in the urine of pregnant women is added to the 'positive' strip so it reacts with the nanoparticles to turn the stick red – but is not yet widely used in drug development.

Until now the process of coating the nanoparticles meant that the proteins used had to be mixed together with particles which do not have the ability to control the way they bind, possibly making the drug less effective. The new method enables pharmacologists to place the proteins onto the gold nanoparticles layer by layer in a specific order. This maintains the integrity of the protein so that the drug is more effective, opening up possibilities for the development of nanomedicine.

The findings have been published in the journal Nature Communications.

Dr Enrico Ferrari, a nanobiotechnologist from the University of Lincoln's School of Life Sciences, led the study. He said: "Gold nanoparticles are a vital tool in new drug development and drug delivery systems. We have unlocked the key to binding proteins and molecules so that those drugs will be more effective.

"This method might help to design nanomedicines that do not need extensive chemical modification of a protein drug or a nano-carrier and therefore can be developed more easily and faster."

Researchers took fragments of proteins from bacteria and flatworms, which when fused together were effective at binding to the gold nanoparticle surface and able to form stable bonds to any other protein.

By mixing this fusion protein with gold nanoparticles, it permanently binds to the gold surface while also being able to stably bind a target protein on which a specific 'tag' was included.

This is a new universal method to bind proteins to nanoparticles which will work for most proteins, making the process a more attractive prospect for pharmaceutical companies, the researchers said.

The method could also potentially be applied to biosensors and diagnostic kits that use gold, such as those used in clinical settings to identify ongoing infections in patients' blood.

Source: Company Press Release

Pages: 1 2 [3] 4