Recent Posts

Pages: [1] 2 3 ... 10
2
Self-assessment Process Flow / Re: Self-Assessment Process Flow
« Last post by s.arman on Today at 03:57:54 AM »
Thanks for sharing
3
Teaching and Learning Tools / Re: Rubrics System
« Last post by s.arman on Today at 03:57:24 AM »
Thanks for sharing
5
Medical Ultrasound / Re: New technology can detect tiny ovarian tumors
« Last post by s.arman on Today at 03:56:21 AM »
Thanks for sharing
6
It's really a informative post.
7
Effective post.
8
Pharmacy / কানে পানি ঢুকলে কী করবেন?
« Last post by tahmina on Yesterday at 01:39:53 PM »
কানের ভেতরে পানি আটকে থাকার অস্বস্তিকর অনুভূতির সঙ্গে আপনার পরিচয় আছে? অসাবধানতায় নানা মুহূর্তে আমাদের কানে পানি ঢোকে। তখন মনে হয়, কানের মধ্যে পানির বন্যা বইছে। শ্রবণক্ষমতা ব্যাহত হয়। অস্পষ্ট শোনায় চারপাশের শব্দ। এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পাওয়ার কিছু পদ্ধতি বলেছেন জাতীয় নাক, কান, গলা ইনস্টিটউট ও হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহমুদুল হাসান।

মাথা ঝাঁকিয়ে পানি বের করুন
যে কানে পানি গেছে, সেই পাশে আপনার মাথা ঝুঁকিয়ে রাখুন। এবার আস্তে আস্তে কান ধরে ঝাঁকি দিতে থাকুন। এই পদ্ধতি কানের ভেতরের অংশে গতিশীলতা তৈরি করে। ফলে পানি নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে।

কাপিং পদ্ধতি
এই পদ্ধতিতে আপনার হাত মুখ্য ভূমিকা পালন করবে। যে কানে পানি ঢুকেছে, সে পাশে মাথা কাত করুন। হাতের তালু কাপের মতো করে ধরুন। সেই হাত কানের ওপর রেখে একটু চাপ দিয়ে তালু সমতল করে ফেলুন। আবার তালু কাপের মতো করে নিন। এটি আপনার কানের ওপর একটি ফাঁপা জায়গা বা ভ্যাকুয়াম কাপ তৈরি করবে। বাতাসের চাপে ভেতরের পানি বেরিয়ে আসবে।

ব্লো ড্রায়ারের সাহায্য নিন
এই পদ্ধতিতে আপনাকে একটি ব্লো ড্রায়ারের সাহায্য নিতে হবে। ড্রায়ারটিকে প্রথমে সর্বনিম্ন তাপমাত্রায় সেট করুন। যে কানে পানি ঢুকেছে, সেই কান বরাবর এক হাত পরিমাণ দূরত্বে রেখে ড্রায়ারটিকে চালু করুন। আপনার মাথা ওপর-নিচে নাড়াতে থাকুন। কিছুক্ষণ করার পরই পানি বেরিয়ে যাওয়ার কথা। তবে এখানে ব্লো ড্রায়ার ব্যবহারের সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন
সাধারণত কানের আটকে পড়া পানি অল্প সময়ের মধ্যেই বেরিয়ে আসে। কোনো জটিলতায় ২৪ ঘণ্টার বেশি পানি আটকে থাকলে অতিদ্রুত কোনো ইএনটি স্পেশালিস্ট অর্থাৎ নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। তুলা, পিন, কটনবাড, আঙুলসহ অস্বাস্থ্যকর কোনো বস্তু ব্যবহার করে কানের জমাট পানি বের করার চেষ্টা করবেন না। কানের ভেতরের অংশগুলো যথেষ্ট স্পর্শকাতর হয়।


10
Internet / পেনড্রাইভ কেনার আগে.......
« Last post by sadiur Rahman on Yesterday at 11:28:39 AM »
পেনড্রাইভ তো এখন নিত্যপ্রয়োজনীয় ডিভাইসগুলোর মধ্যে অন্যতম। ডাটা আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য এবং সবচেয়ে হালকা মাধ্যম হলো পেনড্রাইভ। ব্যবহারকারী কী ধরনের কাজ করবে, তার ওপর ভিত্তি করে পেনড্রাইভের মেমরি সাইজ ঠিক করা উচিত। যদি আপনার কাজকর্ম অনেক বেশি ডাটা নিয়ে হয়ে থাকে, তবে আপনার জন্য বাজারে রয়েছে ৩২ থেকে ৫১২ গিগাবাইট পর্যন্ত পেনড্রাইভ। ডাটা ট্রান্সফার স্পিড একটি অন্যতম জরুরি বিষয়। বাজারে এখন সর্বত্র ইউএসবি ৩.০ জেনারেশনের পেনড্রাইভ পাওয়া যায়। যার দাম একটু বেশি এবং সর্বনিম্ন ৩০ মেগাবাইট থেকে সর্বোচ্চ ৪.৮ গিগাবাইট পার সেকেন্ড স্পিডে ডাটা আদান-প্রদান করতে পারে। কিন্তু ইউএসবি ৩.০ জেনারেশন পেনড্রাইভ সমর্থন করে এমন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপগুলোতেই শুধু এটি ডাটা আদান-প্রদানে এমন স্পিড দেবে, অন্যথায় তা বাজারের সাধারণ অর্থাৎ ইউএসবি ২.০ সংস্করণের মতো কাজ করবে। কেনার আগে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে, ব্যবহারকারী যে অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে, সেই অপারেটিং সিস্টেমে ওই পেনড্রাইভের সংস্করণটি সমর্থন করবে কি না। সাধারণত সব পেনড্রাইভই উইন্ডোজ এক্সপি থেকে উইন্ডোজ ১০ সব উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সংস্করণগুলোতে সমর্থন করে। তবে আপনি যদি লিনাক্স কিংবা আইওএস ইউজার হন, সে ক্ষেত্রে আগে নিশ্চিত হয়ে তারপর কিনবেন। অনেকেই ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভ খুঁজে থাকেন। বাজারে ট্র্যান্সসেন্ড, এ-ডাটা, অ্যাপাচার, এইচপি ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভ সবচেয়ে বেশি চলছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে চায়নিজ ব্র্যান্ডের নিম্নমানের পেনড্রাইভগুলো ঠিকমতো ডাটা স্টোর করে রাখতে পারে না এবং ডাটা ট্রান্সফার হয় অনেক ধীরে ধীরে। এ ক্ষেত্রে ওয়ারেন্টি দেখে পছন্দের ব্র্যান্ডের মধ্যে বেছে নিতে পারেন আপনার পেনড্রাইভটি।

বাজারে সাধারণত ৮ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ ৫০০-৬৫০ টাকার মধ্যে পাবেন। ১৬ গিগাবাইটের পেনড্রাইভের দাম পড়বে ১০০০-১২৫০ টাকার মধ্যে। যাঁরা একটু বেশি ডাটা ধারণে সক্ষম পেনড্রাইভ খুঁজছেন, তাঁরা ১৬০০-২০০০ টাকায় ৩২ গিগাবাইটের পেনড্রাইভ পেয়ে যাবেন। একটি বিষয় জেনে রাখতে হবে, যত দামি বা ভালো ব্র্যান্ডের পেনড্রাইভই হোক না কেন, নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত ব্যবহারের পর সব পেনড্রাইভেরই ডাটা ট্রান্সফার রেট ধীরগতির হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে ভালো স্পিড পেতে আরেকটি পেনড্রাইভ কিনে নেওয়াই উত্তম।

সুত্র ঃ http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2019/04/20/760762
Pages: [1] 2 3 ... 10