Relief from Eve teasing and Rape

Author Topic: Relief from Eve teasing and Rape  (Read 611 times)

Offline Md. Khairul Bashar

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 203
  • Test
    • View Profile
Relief from Eve teasing and Rape
« on: January 19, 2013, 11:57:14 AM »
পথেঘাটে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার খবরগুলো নিয়ে যখন বিচলিত মানুষজন কিছু প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করছিলেন, ভাবছিলেন স্থায়ী সমাধানের কথা, তখন এসব ছাপিয়ে আসতে থাকল ধর্ষণের খবর। সর্বশেষ যে ঘটনাটি স্তম্ভিত করেছে সবাইকে, সেটি ঘটেছে মাত্র পাঁচ বছরের এক শিশুর ওপর। তাকে ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে হাজতবাস করেছে যে তরুণ, সে জামিনে বেরিয়ে এসে সেই শিশুর ওপর বদলা নিয়েছে—ধর্ষণ করে তাকে হত্যা করেছে। যে সমাজে নিতান্ত দুধের শিশুও নিরাপদ নয়, সে কি মানুষের সমাজ হতে পারে? স্বভাবতই কঠোর আইন আর কঠিন শাস্তির কথা উঠেছে। কিন্তু আইনের প্রক্রিয়াটি ভিকটিমের জন্য এমনই প্রতিকূল যে, তা ডিঙিয়ে শাস্তি আদায় করা প্রায় অসম্ভব। তার ওপর পুরুষশাসিত সমাজের আনুষঙ্গিক লাঞ্ছনা তো আছেই। ফলে ঘটনা প্রকাশ পায় কম, শাস্তি হয় আরও কম।
ইভ টিজিং ও ধর্ষণকে হয়তো অপরাধের প্রকৃতি ও মাত্রাগত দিক থেকে আলাদা করা যায়। তবে উৎস দুটিরই এক এবং নারীর জন্য লাঞ্ছনার মাত্রাগত পার্থক্য বস্তুত ভিকটিমের প্রতি অবিচারই। প্রকৃতিগত পার্থক্য টানা যায় এভাবে যে প্রথমটি মূলত উঠতি বয়সের ছেলেমেয়েদের মেলামেশার সমস্যা থেকে উদ্ভূত অপরাধ, আর দ্বিতীয়টি সরাসরি যৌন নির্যাতনের অপরাধ। এই অপরাধ ব্যাপক হারে ঘটতে থাকায় এটি সমাজের জন্য সমস্যা হয়ে উঠেছে।

এই দুষ্টচক্র যে এ সমাজে পাকাপোক্ত আসন করে নিতে পারছে, তার কারণ যৌনতা সম্পর্কে আমাদের নীরবতা। যে সমাজকে আমরা নারী ও পুরুষের মধ্যে সব ধরনের লিঙ্গবৈষম্য রদ করে সমতাভিত্তিক করে গড়তে চাইছি, সেখানে যৌনতা কোনোভাবেই আলোচিত না হলে অভীষ্ট লক্ষ্য কীভাবে অর্জিত হবে? পারস্পরিকতা, বোঝাপড়া ও সহযোগিতা ওপর-ওপর চলতে পারে, কিন্তু এসবের ভিত্তি হবে ভান, কপটতা এবং অনেকাংশে মিথ্যাচার। এই অপরিপক্বতার ফলে সমাজে অধিকাংশ দাম্পত্য সম্পর্ক বস্তুত ঘানিটানার মতো গতানুগতিক, যান্ত্রিক, একঘেয়ে ও ক্লান্তিকর ব্যাপারে পরিণত হয়। এভাবে সমাজে যৌনতার একটা রুগ্ণ ক্ষয়িষ্ণু রূপ টিকে আছে। এ থেকে যৌনতা সম্পর্কে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যকর মনোভাব তৈরি হতে পারে না। অস্পষ্ট, প্রায়ই অসুস্থ এই মানসিকতার ফলে ছেলেমেয়েরা নানা রকম অজ্ঞতাজনিত ভীতি, আশঙ্কা এবং বয়সোচিত জৈবিক-মানসিক রোমাঞ্চ, শিহরণ ইত্যাদির জগাখিচুড়ির মধ্যে বড় হতে হতে ঘটনা-দুর্ঘটনার জন্ম দেয় বা তার শিকার হয়।
আমাদের সমাজে মেয়েরা স্বাধীনতা, সুযোগ-সুবিধা, প্রশ্রয় কিছুতেই ছেলেদের সমকক্ষ নয়। একটা বয়সে ছেলেরা মেয়েদের প্রতি আকর্ষণ বোধ করবে, এটি আমরা জানি। সমতা থাকলে এ ক্ষেত্রে মেয়েদের দিক থেকেও তা ঘটত। কিন্তু অসমতার বাস্তবতায় স্বভাবতই সন্ত্রস্ত ও সাবধানি বাবা-মা মেয়েকে ছেলেদের কাছ থেকে আগলে রেখে নিরাপদে বিয়ে পর্যন্ত পার করতে প্রাণান্ত পরিশ্রম করছেন। সব পিতা-মাতা সব সময় মেয়েকে এত লম্বা সময়, তদুপরি যে বয়সটা তার সামাজিকভাবে বেড়ে ওঠার কাল, কঠোর নিরাপত্তা অর্থাৎ বিচ্ছিন্নতার ঘেরাটোপে রাখতে পারেন না। তাদের অসুবিধা যেমন আছে, তেমনি বয়স তার ধর্ম পালন করে এবং এই অস্বাভাবিক অবস্থায় অস্বাভাবিক আচরণের মাধ্যমে তা সম্পন্ন করতে চায়। এভাবে সমাজই অপরাধের জন্ম দেয়, আবার তার কাছেই জিম্মি হয়ে থাকে।
আমাকে এনজিওর এক বন্ধু আমন্ত্রণ জানিয়ে বলেছিলেন, আসুন না, ইভ টিজিং বন্ধের জন্য একটি মানববন্ধন করি। আমি তাঁকে জিগ্যেস করেছিলাম, তাঁর বাজেট কত। অঙ্কটা শুনে তাঁকে পরামর্শ দিয়েছিলাম, চলুন না, সেই বাজেট দিয়ে পঞ্চাশ পঞ্চাশ এক শটা ছেলেমেয়েকে দুই দিন একসঙ্গে কাজ করতে দিই। তাতে ফল হবে, ওই ছেলেগুলো আর ইভ টিজিং করবে না। ঠাট্টা-তামাশার মাত্রা ছাপিয়ে ছেলেমেয়ের সম্পর্ক নির্যাতনের পর্যায়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ছেলের জন্য প্রধান সুবিধা হলো অপরিচয়—আক্রান্ত নারীর সঙ্গে অপরিচয়। যখন ছেলেমেয়েরা আনন্দময় মহৎ, সৃষ্টিশীল কাজের সঙ্গী হয়, তখন তাদের মধ্যে যে পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধার বোধ তৈরি হতে পারে, তা আনন্দ বা মহত্ত্বের অভিজ্ঞতাকে মূল্য দিতে শেখায় এবং সে অভিজ্ঞতাকে কেউই চট করে কলুষিত করতে পারবে না।
তাই অপরিচয়ের বেড়া ভাঙতে হবে। এ কাজটা আদতে সহজ ও ঝুঁকিমুক্ত। কিন্তু আমাদের সমাজে এটা কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ, বড়রা শিশু-কিশোরদের সঙ্গ দিচ্ছেন না। বাবা-মা, শিক্ষক বা অন্য আত্মীয়স্বজন আজ যে ভোগসর্বস্বতার কাছে নতজানু হয়ে পড়েছি, তাতে ন্যূনতম নীতির আলোকে সমাজের কাজ করার মতো মানসিকতা তরুণ-তরুণীরা হারিয়ে ফেলেছে। কিন্তু মেয়েদের প্রকৃত জীবন থেকে নেপথ্যের জীবনে ঠেলে দিয়ে দায়িত্ব সারা যাবে না।

একটা স্বাভাবিক বিষয় এ সমাজ না জানার ভান করছে। অতীতকাল থেকে সব রকম বুনো প্রাণীকে পোষ মানানোর কাজটার সূচনা করেছিল নারীরা। দার্শনিক উইল ডুরান্ট লিখেছেন, নারী বন্য পশু পোষ মানাতে মানাতে পুরুষকেও প্রায় বাগে নিয়ে এসেছিল। কিন্তু সম্পদের ওপর প্রভুত্বের (এঙ্গেলস স্মরণ করুন) প্রয়োজনে তারা বল্গা ছিঁড়ে ফেলেছে। আমার বিশ্বাস, কিশোরকে সবচেয়ে ভালো ম্যানেজ করতে পারেন স্নেহশীল নারী। আগে পাড়াগুলো যখন খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কাজে প্রাণবন্ত ছিল, তখন দেখেছি একটু বয়স্ক আপা, খালাদের কী রকম ন্যাওটা হয়ে যায় কিশোরেরা। এঁরাও এখন কালের গর্ভে হারিয়ে গেছেন। কিশোর যখন যৌনতাড়নায় ভোগে, তখন তাকে নিঃসঙ্গতা কিংবা কুসঙ্গে ঠেলে দেওয়া তো সামাজিক অপরাধ। যুগ যুগ ধরে এ অপরাধ তো আমরা করে আসছি। আজকে ডিভিডি, চ্যানেল, ইউটিউব এবং মেইলের মাধ্যমে যেভাবে যৌনতার মুক্ত ভয়ংকর প্রদর্শনী ও ছড়াছড়ি চলছে, তখন কোনো রকম শিক্ষা-সাহচর্য-পরামর্শ ছাড়া একটা সদ্য প্রবৃত্তিতাড়িত-পীড়িত কিশোরকে আমরা এর মধ্যে ছেড়ে দিয়ে তার কাছ থেকে সঠিক আচরণটি আশা করছি। একি ভণ্ডামি নয়! কিশোরের যাতনা বুঝতে হলে সেইন্ট অগাস্টিন, লিও তলস্তয়, মহাত্মা গান্ধী—তিন মনীষীর আত্মজীবনীতে তাঁদের কৈশোরকালের অধ্যায়ে একটু চোখ বোলাতে বলব। এ সমাজ শিশু-কিশোর ও কিশোরীদের সঙ্গে শুধুই ভণ্ডামি, নিষ্ঠুরতা ও দায়িত্বহীন আচরণ করে চলেছে।
যৌনতার নিরিখে ছেলেদের পক্ষে ভয়ংকর হওয়া সম্ভব। মেয়েদের পক্ষে ছেলেকে প্ররোচিত করা সম্ভব হলেও একজন মেয়ের অজান্তেও ছেলেটি প্ররোচিত হতে সক্ষম। যৌনতার আগমন জীবনের স্বাভাবিক জৈবিক পরিণতি। ফলে অবদমন কোনো সমাধান নয়, এর সুষ্ঠু সুস্থ বিকাশই কাম্য। সে ক্ষেত্রে বড়দের সুচিন্তিত সংবেদনশীল সাহচর্য প্রয়োজন।

ফলে যৌন প্রসঙ্গে নীরবতা ভাঙতে হবে। আমরা যেহেতু নারী-পুরুষের বৈষম্যহীন সমতাভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের অঙ্গীকার করেছি, তাই এই সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গকে এড়িয়ে যেতে পারি না। যৌনতা এমন এক উপাদান, যা নারী-পুরুষের জীবনে কখনো ভীষণ সহায়ক, কখনো প্রতিবন্ধক, কখনো শান্তি-প্রীতির আধার, কখনো সংঘাত-ঘৃণার হাতিয়ার হতে পারে। অথচ একে এড়িয়ে কেবল নিষেধাজ্ঞার পথে চলতে গিয়ে একটা আড়াল তৈরি করছি। ফলে সমাজে যৌনতার বেপরোয়া চণ্ড রূপটিই প্রকট হয়ে উঠছে। নারীবাদী লেখিকা আঁদ্রিয়া নাই লিখেছিলেন, পুরুষ যেহেতু ধর্ষণে সক্ষম, তাই তার পক্ষে ধর্ষকে পরিণত হওয়া সম্ভব। এখানে এটুকুও বলে রাখা ভালো, বিজ্ঞান বা কলা যেকোনোভাবেই কাম প্রসঙ্গ অচর্চিত থাকার ফলে এ সমাজে অধিকাংশ দাম্পত্যের ক্ষেত্রেও নারী (অনেক ক্ষেত্রে পুরুষও) প্রকৃত যৌনতৃপ্তি থেকে বঞ্চিত থাকে, অনেক স্ত্রী স্বামীর হাতে ধর্ষিতা হয়। এর বিপরীতে হয়তো নারীর প্ররোচনার কথা তোলা হবে। মেয়েদের পোশাক-আশাক ও চলাফেরা ইত্যাদি নিয়ে কথা উঠবে, এতে সারবত্তা কিছু আছে, কিন্তু এটুকুতে সমস্যার মৌলিক জায়গায় যাওয়া যায় না। কারণ, এতে হয়তো আকর্ষণ বোধের মাত্রার হেরফের হতে পারে, কিন্তু মূল বিষয়টি হলো বিপরীত লিঙ্গের মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ জৈবিক এবং স্বভাবগত। মাত্রাগত ভূমিকাকে আমি অস্বীকার করব না, কিন্তু সেটুকু প্রথমত সমস্যার অসম্পূর্ণ সমাধান, আর দ্বিতীয়ত এর বিপরীত ধরনের অপব্যবহার ঘটার আশঙ্কাই থাকবে বেশি, যার ভুক্তভোগী হবে নারী। বস্তুত এটাই আমাদের সমাজে ঘটতে দেখছি।

কথা হলো, নারীর ব্যক্তিত্বের প্রকাশ ঘটতে হবে, যা সমাজ দেখবে এবং মান্য করবে। প্রকাশ্যে এই স্বীকৃতি ও মান্যতা নারী-পুরুষ সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
এই সূত্রে আরেকটি প্রসঙ্গ এসে যায়। একসময় কোনো একটি ভারতীয় চ্যানেলে মুম্বাইয়ের বিখ্যাত অভিনেতা-নির্মাতা আলিক পদমসি একটি সিরিয়াল অনুষ্ঠান করতেন ‘ড্রিম মারচেন্ট’ নামে। এতে তিনি দেখিয়েছিলেন, কীভাবে বাজার অর্থনীতির এই যুগে ভোগ্যপণ্যের বিপণনে নারীর যৌন আবেদনকে অত্যন্ত কৌশলে ব্যবহার করা হয়। ধরে নেওয়া হয় যে বাজার এখনো পুরুষ ক্রেতাই নিয়ন্ত্রণ করছে, তাই টোপ হিসেবে নারীর এই অপব্যবহার। মানতেই হবে, পুঁজিবাদের অভিশাপ হলো, এ সবকিছুকেই ব্যবসার বিষয় করে ফেলে এবং সবকিছুর মূল্য নির্ধারণ করে বিপণনযোগ্যতার নিরিখে। ফলে বাজার সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ করছে, নীতি, ঔচিত্য বা সংস্কৃতির সব গণ্ডিই তছনছ করে একতরফা সর্বনাশা খেলায় মেতেছে বাজার। তাতে সমাজের মানবিক ঐতিহ্যের অনেক কিছুই বিনষ্ট হচ্ছে—নীতিনৈতিকতাও চাপে পড়ছে, তবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে নারীর শালীন সৌন্দর্য।

এ রকম মুক্তবাজারের মধ্যে কিশোরটিকে আপনি একা ছেড়ে দিতে পারেন না। মেয়েটিকে তার দৃষ্টির বাইরে রাখার কৌশলও কাজ দেবে না। মানুষ আগুন নিয়ন্ত্রণ করে ব্যবহার করতে শিখে সভ্যতার পথে এগিয়েছে। ঠিক একইভাবে যৌনশক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করা শিখে সঠিক পথে সভ্যতাকে আরও এগিয়ে নিতে পারি আমরা। অতএব যৌবনকে ভয় পেলে চলবে না, প্রমথ চৌধুরীর মতো বলুন, যৌবনে দাও রাজটিকা। রবীন্দ্রনাথ বলেছেন নতুন যৌবনের দূত যেমন বেড়া ভাঙে, তেমনি গড়ে তোলার কাজও সে-ই করে। আর বিদ্রোহী নজরুল যেন স্বয়ং যৌবনের জয়তিলক।

ধর্ষণের কালো মৃত্যুপুরী থেকে আলো-ঝলমল জগতে ফিরে আসতে হলে জীবনেরই ফুল ফোটাতে হবে। সে জীবনে কিশোরের যেমন ভূমিকা থাকবে, কিশোরীরও থাকবে তেমনি। সম-অধিকারে সমান তালে ওরা যৌথ কাজে অংশ নেবে। বড়দের ভূমিকা অবশ্যই প্রভুত্ব বা খবরদারির নয়, অংশীদারের—সহায়ক পথপ্রদর্শক অংশীদারের।

 আবুল মোমেন: কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক।


Source: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-01-19/news/322477

Offline najim

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 154
    • View Profile
Re: Relief from Eve teasing and Rape
« Reply #1 on: January 20, 2013, 03:24:37 PM »


If we follow the rules of Allah (quran and hadith), we can protect it or can get relief from it.
Najim U Sharker (Sharif)
Deputy Director (P&D)
Daffodil International University

Offline Md. Khairul Bashar

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 203
  • Test
    • View Profile
Re: Relief from Eve teasing and Rape
« Reply #2 on: January 21, 2013, 01:15:38 PM »
thank you sir for your valuable comment. i agree with you. to get relief the holy quran and hadith could be the best solution.

Offline Emran Hossain

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 177
    • View Profile
Re: Relief from Eve teasing and Rape
« Reply #3 on: January 21, 2013, 04:58:51 PM »

If we follow the rules of Allah in our every day life and as well as teach our children, then we can protect it, otherwise we can do only weep by media & social mobilization, but no result will come.

Emran Hossain