জামাতের নামাজে যে সুন্নতের বরখেলাফ আমরা করি

Author Topic: জামাতের নামাজে যে সুন্নতের বরখেলাফ আমরা করি  (Read 2814 times)

Offline arefin

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1173
  • Associate Professor, Dept. of ETE, FE
    • View Profile
আমরা অনেকে মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে কতগুলো সাধারণ ভুল করে থাকি। অনেক আগে থেকে দেখে আসছি এই সাধারণ ভুলগুলো।

দীর্ঘদিন ধরে যারা নামাজ পড়েন তাদেরও অনেকে অবলীলায় এ ভুল করে থাকেন। ভুল করতে করতে এমন অবস্থা হয়েছে যে এখন এ ভুলগুলোই তাদের কাছে নিয়মে পরিণত হয়েছে।

যদিও এগুলো শোধরানো সংশ্লিষ্ট ঈমামের দায়িত্ব। এই ভুলগুলো প্রতিটি সরাসরি আল্লাহর রাসুল (সা.) এর সুন্নতের খেলাফ।

যেমন:

দৃশ্য-১

ছেলে বুড়ো যে কেউই নামাজের জন্য মসজিদে যাচ্ছেন। ঘড়ি দেখলেন সময় হয়ে গেছে, তা ছাড়া দূর থেকেও দেখা যাচ্ছে জামাত দাঁড়িয়ে গেছে। জামাতে নামাজ পড়তে হবে তাই দ্রুত হাঁটা শুরু, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দ্রুত হাঁটা দৌড়ের কাছাকাছি বা দৌড় দিয়েও অনেকে নামাজে পৌঁছেই হাঁপাতে হাঁপাতে কাতারে দাঁড়িয়ে যান। এই হাঁপানো অবস্থাতেই এক রাকাতের মতো চলে যায়। এটা আল্লাহর রাসুল (সা.) পছন্দ করেননি। তিনি নিষেধ করেছেন। আপনি হয় সময় নিয়ে নামাজ পড়তে যাবেন অথবা ধিরস্থির ও শান্তভাবে হেঁটে গিয়ে যতটুকু জামাতে শরীক হতে পারেন হবেন এবং বাকি নামাজ নিজে শেষ করবেন। হযরত আবু কাতাদা (র.) বর্ণনা করেছেন,একবার আমরা নবী (সা.) এর সঙ্গে নামাজ পড়ছিলাম, নামাজরত অবস্থায় তিনি লোকের ছুটাছুটির শব্দ অনুভব করলেন।

নামাজা শেষে জিজ্ঞেস করলেন তোমরা কি করছিলে? তারা আরজ করলেন, ‘‘আমরা নামাজের জন্য তাড়াতাড়ি আসছিলাম। আল্লাহর রাসুল (সা.) বললেন, এরূপ কখনো করোনা। শান্তিশৃঙ্খলা ও ধীর স্থিরভাবে নামাজের জন্য আসবে,তাতে যে কয় রাকাত ইমামের সঙ্গে পাবে পড়ে নেবে, আর যা ছুটে যায় তা ইমামের নামাজের পর পুরা করে নেবে। (বোখারি শরীফ,খণ্ড-১,হাদিস নম্বর- ৩৮৭)

এই হাদিসে রাসুল (সা.) নামাজে আসার এবং নামাজে শামিল হওয়ার সুনির্দিষ্ট নিয়ম বলে দিয়েছেন যে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রেখে ধিরস্থিরভাবে হেঁটে মসজিদে আসতে হবে, কোনো তাড়াহুড়া করা যাবে না। মহান আল্লাহ্‌ আমাদের কৃত পূর্বের অজ্ঞতার জন্য ক্ষমা করুণ। আমীন।

দৃশ্য-২

ফজরের নামাজের সময় হয়ে গেছে। একামত হয়ে গেছে, ইমাম দাঁড়িয়ে নামাজ শুরু করে দিয়েছেন। দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যথারীতি নামাজের জন্য দ্রুত হাঁটা অথবা ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়ি করে হাঁটা অথবা দৌড় দিয়ে মসজিদে পৌঁছা। কিন্তু এবার সরাসরি জামাতে শামিল নয়। কারণ ফজরের ফরজের আগে সুন্নত রয়েছে। হড়বড় করে রুকু সেজদা সংক্ষিপ্ত করে সুন্নত শেষ করে তারপর ফরজ জামাতে ইমামের সঙ্গে দাঁড়াতে হবে। ততোক্ষণে দেখা যায়, কেউ জামাতের হয় এক রাকাত পান বা শেষ রাকাতে বৈঠকে জামাতে শামিল হন। ফজরের জামাতের আগে এমন চিত্র হরহামেশাই দেখা যায়। কিন্তু আল্লাহর রাসুলের (সা.) হাদিসে এর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে এবং এটাই মান্য।

যদি কেউ ফজরের জামাতের আগে মসজিদে যেতে পারেন তাহলে প্রথমে সুন্নত দুই রাকাত পড়ে জামাতের জন্য অপেক্ষা করবেন। আর যদি দেরি হয়েই যায় এবং জামাত শুরু হয়ে যায় তাহলে প্রথমে মসজিদে গিয়ে ইমামের সঙ্গে জামাতে শামিল হতে হবে এবং জামাতের পর বাকি নামাজ (যদি থাকে) শেষ করতে হবে।
 
মোনাজাত করে অপেক্ষা করবেন সূর্য উদয়ের জন্য এবং সূর্য উদয়ের পর নামাজের নিষিদ্ধ সময় (সাধারণত সূর্য উদয়ের পর ২০ মিনিট) পার হওয়ার পর আপনি ফজরের সুন্নত নামাজ আদায় করবেন। মধ্যবর্তী যে সময় সে সময় আপনি হয় মসজিদে বসে অপেক্ষা করতে পারেন অথবা ঘরেও ফিরে আসতে পারেন এবং সময় হওয়ার পরই আপনি ফজরের সুন্নত আদায় করে নেবেন। এটাই আল্লাহর রাসুল (সা.) নির্দেশিত নিয়ম। কিন্তু আমরা কয়জন সেটা করি? হযরত আবু হোরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, ‘‘যে ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সুন্নত ফরজের পূর্বে পড়তে পারেনি সে সূর্য ওঠার পর তা পড়বে। তিরমিজি ১ম খণ্ড,হাদিস নম্বর-৩৯৮।

আব্দুল্লাহ ইবনে বোহায়না (রা.) বর্ণনা করেছেন, ‘‘একদিন আল্লাহর রাসুল (সা.) ফজরের নামাজের একামত হলে এক ব্যক্তিকে ভিন্ন নামাজ পড়তে দেখলেন। (ওই ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সুন্নত পড়ছিলেন)। নামাজ শেষে যখন সবাই রাসুল (সা.) এর নিকটবর্তী হয়ে ঘিরে বসলো,তখন নবী (সা.) ওই ব্যক্তিকে বললেন, ‘‘ফজরের ফরজ নামাজ কি চার রাকাত হয়? অর্থাৎ একামতের পর ফরজ নামাজ ভিন্ন অন্য নামাজ পড়া যায় না, তুমি ভিন্নভাবে দুই রাকাত ও জামাতে দুই রাকাত পড়েছ, তুমি কি ফরজ চার রাকাত পড়লে? (বোখারি শরীফ,খণ্ড-১, হাদিস নম্বর-৪০২)।
দৃশ্য-৩

জামাত শুরু হওয়ার আগে আমরা মসজিদে পৌঁছেই বসে পড়ি। এটা ঠিক নয়। মসজিদে পৌঁছে সময় থাকলে দু’রাকাত নামাজ না পড়ে বসে পড়া আল্লাহ’র রাসুল (সা.) পছন্দ করেন নি।

তাই মসজিদে পৌঁছেই আমরা দু’রাকাত “তাহিয়াতুল মসজিদ” নামাজ পড়ে নিতে পারি।

হযরত আবু কাতাদা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, যে কেউ মসজিদে প্রবেশ করবে, বসার আগে সর্বপ্রথম দু’রাকাত নামাজ পড়ে নেবে। (বোখারি শরীফ,খণ্ড-১,হাদিস নম্বর-২৮৯)

আজ থেকে মহান আল্লাহ্‌ আমাদের এই আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

দৃশ্য-৪

কিছু লোক আছেন যারা নামাজ পড়তে আসেন মসজিদে। কিন্তু তারা প্রতিদিন এক জায়গায় বসার চেষ্টা করেন। তিনি যদি আগে আসেন তাহলে ওই নির্দিষ্ট জায়গায় বসেন আর যদি পরে আসেন তা হলে যেভাবে হোক লোকের ঘাড় ডিঙিয়ে অন্যজনের অসুবিধা করে হলেও নির্দিষ্ট জায়গায় বসার চেষ্টা করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে কাঙ্ক্ষিত স্থান সাধারণত পাখা বরাবর হয়ে থাকে। আবার কোথাও দেখা গেছে অভিজাত কারো জন্য বা সমাজের কর্তা ব্যক্তির জন্যও মসজিদের জায়গা নির্দিষ্ট থাকে। (নাউজুবিল্লাহ)।

এটা অত্যন্ত গর্হিত কাজ যা আল্লাহ’র রাসুল (সা.) পছন্দ করেননি। মসজিদে যিনি আগে আসবেন তিনিই অধিক হকদার ইচ্ছামত জায়গায় বসার। আর পরে এলে মসজিদে পেছনের দিকে বসতে হবে।

হযরত আবু কুরাইব (রা.)...হযরত মুয়ায ইবন আনাস (রা.) হতে বর্ণিত, আল্লাহ’র রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি জুম’আর দিনে লোকের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে অগ্রসর হয়,কিয়ামতের দিন তাকে দোজখের পুল বানানো হবে। (ইবন মাজাহ হাদিস নম্বর-১১১৬)।

আল্লাহ’র রাসুলের (সা.) সতর্ক বাণীর পর আশা করি আমরা মসজিদে পরে নামাজ পড়তে এসে আর কখনো লোকের ঘাড় ডিঙিয়ে সামনে যাবো না। আসুন আগের ভুলের জন্য আমরা আল্লাহ’র কাছে তওবা করি। আশা করি আল্লাহ রব্বুল আ’লামিন আমাদের ক্ষমা করবেন।

এরপর কিছু লোক যদি লাল বাতি জ্বলে (লাল বাতি জ্বলার অর্থ সুন্নত পড়ার সময় নেই, কিছুক্ষণের মধ্যেই জামাতের ইকামত দেওয়া হবে।) বা না জ্বলে এতো দ্রুত সুন্নত নামাজ আদায় করেন তা আশ্চর্যের বিষয়। রুকু সেজদা সঠিকভাবে না করলে নামাজ শুদ্ধ হবে না। হযরত আবু মসউদ আনসারী (র.) হতে বর্ণিত,আল্লাহ’র রসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি রুকু ও সেজদায় পিঠ স্থিরভাবে সোজা করে না তার নামাজ শুদ্ধ হয় না। তিরমিজি ১ম খণ্ড, হাদিস নম্বর-২৫০।

নামাজের মধ্যে ধীরস্থিরতা নামাজের অন্যতম শর্ত। দ্রুত সেজদা দেওয়াকে আল্লাহ’র রাসুল (সা.) কাকের ঠোকরের সঙ্গে তুলনা করেছেন। অর্থাৎ খেয়াল করলে দেখবেন কাক খুব দ্রুততার সঙ্গে ঠোকর দিয়ে খাবার সাবাড় করে। এছাড়া সেজদায় কনুইসহ হাতের তালু বিছিয়ে দিয়ে সেজদা দিতে আল্লাহ’র রাসুল (সা.) স্পষ্ট নিষেধ করেছেন। কারণ এভাবে চতুষ্পদ হিংস্র জন্তু বসে।

হযরত আব্দুর রহমান ইবন সিবল (রা.) হতে বর্ণিত, আল্লাহ’র রাসুল (সা.) বলেছেন, কাকের ঠোকরের ন্যায় (অর্থাৎ তাড়াতাড়ি) সেজদা করতে, চতুষ্পদ জন্তুর মতো বাহু বিছাতে এবং মসজিদের মধ্যে উটের মতো নির্দিষ্ট স্থান বেছে নিতে নিষেধ করেছেন। (দাউদ শরীফ, হাদিস নম্বর-৮৬২, ইবন মাজাহ হাদিস নম্বর-১৪২৯)।

মহান আল্লাহ্‌ রুকু সেজদায় আমদের যে ত্রুটি হয়েছে সে জন্য আমাদের ক্ষমা করুন। নামাজে ধীর স্থির হয়ে রুকু সেজদা করে এবং ভবিষ্যতে তা সঠিকভাবে করার তৌফিক দান করুন এবং রাসুলের (সা.) ওই হাদিস অনুসারে আমল করার তৌফিক দান করুন। আমীন।

রুকু সেজদা ঠিকভাবে করা এবং নামাজে একাগ্রতা ও নামাজের শুদ্ধতা যে কত গুরুত্বপূর্ণ তা আল্লাহ’র রাসুল (সা.) একটি ঘটনায় পাওয়া যায়। কোনো এক লোককে তিনি পর পর তিন বার নামাজের নির্দেশ দিয়েও যখন নামাজ সঠিক পেলেন না, তখন তিনি নিজেই কিভাবে শুদ্ধভাবে নামাজ পড়তে হবে তা তাকে শিখিয়ে দিলেন।

হযরত আবু হোরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, আল্লাহ’র রাসুল (সা.) মসজিদের এক কিনারায় বসেছিলেন। এক ব্যক্তি মসজিদে এসে নামাজ পড়তে শুরু করলো। (নবী (সা.) তার নামাজের প্রতি লক্ষ্য করছিলেন লোকটি নামাজের রুকু ও সেজদা ভালো করে ধীরে ধীরে আদায় করছিল না।) লোকটি  নামাজ শেষ করে নবী (সা.) এর কাছে এল এবং তাঁকে সালাম করলো। নবী (সা.) তার সালামের উত্তর দিয়ে বললেন-তোমার নামাজ হয়নি,তুমি পুনরায় নামাজ পড়ে আস। লোকটি দ্বিতীয়বার নামাজ পড়লো (কিন্তু  প্রথম বারের মতোই পড়লো এবং নবী (সা.) এর কাছে এসে সালাম করলো। এবারও তিনি সালামের উত্তর দিয়ে বললেন, তোমার নামাজ হয়নি, তুমি পুনরায় নামাজ পড়ে আস। সে এবারও একইভাবে নামাজ পড়লো। হযরত নবী (সা.) তাকে একইভাবে বললেন। তিনবার এমন করার পর লোকটি আরজ করলো, হুজুর! যে আল্লাহ্‌ আপনাকে সত্য ধর্মের বাহকরূপে রাসুল বানিয়ে পাঠিয়েছেন সে আল্লাহ’র শপথ করে আমি বলছি, আমি এর চেয়ে উত্তমরূপে নামাজ পড়তে জানি না। আপনি আমাকে নামাজ পড়া শিখিয়ে দিন। অতঃপর নবী (সা.) তাকে নামাজ শিক্ষা দিতে লাগলেন। তিনি বললেন, নামাজের আগে উত্তম রূপে ওজু করবে, তারপর কেবলার দিকে মুখ করে দাঁড়াবে, তারপর “আল্লাহু আকবর” বলবে। অতঃপর কোরআনের যা কিছু সূরা পড়া তোমার পক্ষে সহজ ও সম্ভব হয় তা পড়বে। তারপর “আল্লাহু আকবর” বলে মাথা ঝুকাবে এবং ধীরস্থিরভাবে রুকু করবে। তারপর “ছামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ” বলে পূর্ণ মাত্রায় সোজা হয়ে দাঁড়াবে। যেন প্রতিটি হাড় নিজ নিজ স্থানে পৌঁছাতে পারে। অতঃপর “আল্লাহু আকবর” বলে ধীরস্থিরভাবে উত্তমরূপে সেজদা করবে। তারপর মাথা উঠিয়ে স্থিরভাবে বসবে।পুনরায় ঐরূপ সেজদা করবে এবং সেজদা থেকে উঠবে। এরূপে (ধীরস্থিরভাবে ভক্তি ও মহব্বতের সঙ্গে) প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত নামাজ আদায় করবে। (বোখারি শরীফ,খণ্ড-১, হাদিস নম্বর-৪৬০)।

এটাই আল্লাহ্‌র রাসুলের (সা.) দেওয়া নামাজ পড়ার শুদ্ধ ও সঠিক নির্দেশনা। নামাজ মুমিনের জন্য মিরাজ স্বরূপ। মিরাজে মহান আল্লাহ্‌ যেমন তার প্রিয় হাবিবের সঙ্গে একান্তে আলাপ করেছিলেন তেমনি নামাজের মাধ্যমে বান্দার সঙ্গে মহান আল্লাহ’র একান্ত আলাপ হয়। বান্দা তার অভাব অভিযোগ সরাসরি আল্লাহ’র কাছে পেশ করে এবং সঠিক বিনয়ী নামাজ আল্লাহ’র দরবারে গৃহীত হয়ে থাকে। বান্দাকে তার প্রয়োজন আল্লাহ’র কাছেই বলতে হয় কোনো মাধ্যম ছাড়া। আর সে পদ্ধতি হচ্ছে নামাজ।

হযরত আওফ ইবন মালিক আশজায়ী (রা.) হতে বর্ণিত, আমরা রাসুল(সা.) এর কাছে ছিলাম। তিনি বললেন তোমরা কি আল্লাহ’র রাসুলের (সা.) কাছে বায়াত হবে না? এ কথাটি তিনি তিনবার বললেন। আমরা হাত বাড়িয়ে দিলাম এবং তাঁর কাছে বায়াত হলাম। তারপর আমরা বললাম ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমরা তো আগেই আপনার কাছে বায়াত হয়েছি, তবে এই বায়াত কোন বিষয়ের ওপর? তিনি বললেন, এই বায়াত এই কথার ওপর যে, তোমরা আল্লাহ’র ইবাদত করবে এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে। তারপর আস্তে আস্তে করে গোপনে বললেন- মানুষের কাছে কিছু চাইবে না। (নাসাই শরীফ হাদিস নম্বর-৪৬৩)।

আসুন আমরা সবাই মহান আল্লাহ’র দরবারে আমাদের অভাব অভিযোগ পেশ করি। নামাজ সঠিক ভাবে আদায় করি।
“Allahumma inni as'aluka 'Ilman naafi'an, wa rizqan tayyiban, wa 'amalan mutaqabbalan”

O Allah! I ask You for knowledge that is of benefit, a good provision and deeds that will be accepted. [Ibne Majah & Others]
.............................
Taslim Arefin
Assistant Professor
Dept. of ETE, FE
DIU

Offline Omar Faruk Mazumder

  • Administrator
  • Full Member
  • *****
  • Posts: 210
  • Test
    • View Profile
These mistakes are very common in our surroundings, even I always do it. From now  and onwards I will try to avoid these. In Sha Allah. 
Omar Faruk
Sr. Admin Officer (VC Office)

"Rabbi Zidni Ilma"
May Allah help to increase us with knowledge that benefits. Ameen.

Offline arefin

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1173
  • Associate Professor, Dept. of ETE, FE
    • View Profile
“Allahumma inni as'aluka 'Ilman naafi'an, wa rizqan tayyiban, wa 'amalan mutaqabbalan”

O Allah! I ask You for knowledge that is of benefit, a good provision and deeds that will be accepted. [Ibne Majah & Others]
.............................
Taslim Arefin
Assistant Professor
Dept. of ETE, FE
DIU