DIU Students' Voice > Student's Project

New project on telemedicine at Daffodil International University

(1/1)

M H Parvez:

চিকিৎসা সেবা সাধারণত নির্ভর করে রোগী ও চিকিৎসকের সামনা সামনি কথোপকথনের উপর। আমাদের দেশের প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী চিকিৎসক রোগীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে মতামত প্রদান তখনই করতে পারবেন যখন রোগী সশরীরে চিকিৎসকের সামনে উপস্থিত থাকবেন। কিন্তু ড্যাফোডিলের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এই প্রজেক্ট সেই ধারণাকে বদলে দেবে। কারণ তাদের এই প্রজেক্টে ডাক্তার এবং রোগীকে একই জায়গায় থাকার কোন দরকার নেই।

ধরা যাক, ডাক্তার ঢাকায় অবস্থান করছেন এবং রোগী অবস্থান করছেন সিলেটে। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বিধায় রোগীকে একটি অত্যাধুনিক এ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়েছে। এটি হচ্ছে এমন এক ধরনের এ্যাম্বুলেন্স যেখানে Data transmission এবং data receiving এর সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে আরো রয়েছে ECG machine যা সরাসরি রোগীর Heart থেকে ECG Signal গ্রহণ করে ডাক্তারের নিকট transmit করবে।

এই প্রজেক্টটি হচ্ছে সম্পূর্ণভাবে রোগীর কণ্ঠস্বর (Audio) রোগীর চলমান চিত্র (Video) রোগীর স্থির চিত্র (X-ray image) এবং ECG signalএর যুগলবন্দী। সম্পূর্ণ কাজটি করা হয়েছে MATLAB software এর মাধ্যমে। এখানে ডাক্তার এবং রোগীর মাধ্যমে Data transmission এবং data receiving এর জন্য Comodo unit software ব্যবহার করা হয়েছে। এখানে transmitting এবং receiving signal এর অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। এই প্রজেক্টটি শুধুমাত্র Data transmission এ সীমাবদ্ধ নয়।

এটি রোগীর শারীরিক অবস্থা Virtual ডাক্তারের কাছে প্রেরণ করে থাকে। এই প্রজেক্টটি ডাক্তারকে রোগীর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণাদেবে এবং এর উপর ভিত্তি করে ডাক্তার তার চিকিৎসা তাড়াতাড়ি শুরু করতে পারবে। ECG signal transmission ডাক্তারকে রোগীর হৃদরোগ সম্পর্কে ধারণা দেবে। Sound & video transmission প্রযুক্তি ডাক্তারকে ধারণা দেবে যে, রোগী পরবর্তী চিকিৎসা নিতে শারীরিকভাবে প্রস্তুত কি না। Image or X-ray report রোগীর শরীরের ভিতর কোন সমস্যা আছে কি না সে ব্যাপারে সিন্ধান্ত নিতে ডাক্তারকে সাহায্য করবে।

পরিশেষে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এই সকল প্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে টেলিমেডিসিন প্রযুক্তিকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা। কারণ তাদের এই প্রজেক্টটি হচ্ছে টেলিমেডিসিন এর একটি অংশ। তারা আশা করছে তাদের এই প্রয়াস ২০২১ সালের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

ড. একেএম ফজলুল হক(সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ডিপার্টমেন্ট অব ইটিই) এর ত্বত্তাবধানে ব্যতিক্রমী এই প্রজেক্টটি সম্পন্ন করেন উক্ত বিভাগের তিনজন ছাত্রছাত্রী। তারা হলেন তাহমিনা হাসান, মুরাদ হোসেন ও মেহেদী হাসান রাজীব।

Source: ব্রেকিংনিউজ/এফআর

shaikat:
Such a wonderful Job.
This is the news link:
http://breakingnews.com.bd/article/detail/6516c28727509c3db6280ae16254e916

Navigation

[0] Message Index

Go to full version