Trade deficit down to half

Author Topic: Trade deficit down to half  (Read 590 times)

Offline maruppharm

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 1227
  • Test
    • View Profile
Trade deficit down to half
« on: February 17, 2014, 10:46:27 AM »
চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশে পণ্য-বাণিজ্যে ঘাটতি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় অর্ধেকে নেমেছে। রপ্তানির ভালো প্রবৃদ্ধির বিপরীতে আমদানি শ্লথ হয়ে পড়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক লেনদেনের ভারসাম্য সারণির যে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে, তা বিশ্লেষণ করে এমনটি প্রতীয়মান হয়েছে। এতে দেখা যায়, চলতি ২০১৩-১৪ অর্থবছরের প্রথমার্ধে পণ্য-বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৫৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। আর গত ২০১২-১৩ অর্থবছরের একই সময়ে এই ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৩৬৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
লেনদেনের ভারসাম্য সারণি অনুসারে এই ছয় মাসে দেশের পণ্য রপ্তানি আয় বেড়েছে ১৭ শতাংশ। আর একই সময়ে পণ্য আমদানি ব্যয় কমেছে দশমিক ১১ শতাংশ।
এটি অবশ্য আমদানি-রপ্তানির এফওবি হিসাব, যেখানে শুধু জাহাজীকৃত পণ্যের দর বিবেচনা করা হয়। আর হিসাবে যেখানে পণ্য জাহাজীকরণের পাশাপাশি বিমা ও পণ্য ওঠানামার ব্যয় যুক্ত করা হয়।
যেমন আলোচ্য অর্থবছরের প্রথমার্ধে এফওবি বা লেনদেনের ভারসাম্য সারণি অনুসারে আমদানি ব্যয় দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৬০৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। অন্যদিকে, সিঅ্যান্ডএফ হিসাবে এই সময়ে আমদানি ব্যয় এক হাজার ৮৭৪ কোটি ৭২ লাখ ডলার। আর সিঅ্যান্ডএফ হিসাবে আমদানি ব্যয় আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৪ শতাংশ বেড়েছে।
লেনদেনের ভারসাম্য সারণি থেকে এও দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে সেবা খাতের বাণিজ্যে ঘাটতি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কিছুটা বেড়ে হয়েছে ১৯০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। আর গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এই ঘাটতি ছিল ১৬৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার।
সেবা খাতের বাণিজ্যে আয়ের তুলনায় ব্যয় দ্বিগুণের বেশি হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই খাতের বাণিজ্যে মূলত বিমা, ভ্রমণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে।
সব মিলিয়ে আলোচ্য সময়কালে চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ২৬৫ কোটি ২০ লাখ ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দিয়েছে। তবে আগের বছরে একই সময়ে তা ছিল ১১৮ কোটি ডলার।
সাধারণভাবে চলতি হিসাবের মাধ্যমে দেশের নিয়মিত বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতি বোঝানো হয়। আমদানি-রপ্তানিসহ অন্যান্য নিয়মিত আয়-ব্যয় এতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে। এখানে উদ্বৃত্ত হলে চলতি লেনদেনের জন্য দেশকে কোনো ঋণ করতে হয় না। আর ঘাটতি থাকলে তা পূরণ করতে ঋণ নিতে হয়।
প্র্রবাসী-আয়ের প্রবাহ কিছুটা কমে গেলেও বাণিজ্য ঘাটতি ব্যাপকভাবে কমে আসায় তা চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উদ্বৃত্তাবস্থা বাড়িয়ে দিতে ভূমিকা রেখেছে। অথচ এক মাস আগেই চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত অনেক কম ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে আরও দেখা যায়, অর্থবছরের প্রথমার্ধে দেশে ৮৪ কোটি ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের প্রথমার্ধে এসেছিল ৭৯ কোটি ৭০ লাখ ডলারের বিনিয়োগ।
আবার মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণপ্রবাহ এই সময়কালে ২ দশমিক ১৮ শতাংশ বেড়ে গেছে। গত অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে যেখানে ১০৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের ঋণ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানে চলতি অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে পাওয়া গেছে ১০৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারের সহায়তা।
সার্বিকভাবে অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়কালে লেনদেনের সার্বিক ভারসাম্যে ২৬১ কোটি ৯০ লাখ ডলারের উদ্বৃত্ত দেখা দেয়, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ২৭২ কোটি ২০ লাখ ডলার। ফলে সার্বিক ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত কিছুটা কমেছে।
এসব পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয়, অর্থবছরের প্রথম চার মাসে লেনদেনের ভারসাম্য পরিস্থিতি কিছুটা চাপের মুখে পড়েছিল, যা আবার ছয় মাসে এসে কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
Md Al Faruk
Assistant Professor, Pharmacy