টেলিকমিউনিকেশানের টুকিটাকি, পর্ব-৫

Author Topic: টেলিকমিউনিকেশানের টুকিটাকি, পর্ব-৫  (Read 1566 times)

Offline najnin

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 134
  • Test
    • View Profile
এল.ই.ডি স্ট্যাম্পঃ
২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো LED স্ট্যাম্প ব্যবহৃত হয়েছে। আলোর স্ট্যাম্প নামে পরিচিতি পাওয়া এই স্ট্যাম্পের অফিসিয়াল নাম ‘জিং (Zing)। ম্যাচ প্রতি ছয়টি স্ট্যাম্প বাবদ আইসিসি’র খরচ হয় ৪০ হাজার ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩১ লাখ টাকা। আর স্ট্যাম্পের প্রতিটি বেলের পিছনে খরচ পড়ে সাড়ে আটশো ডলার। ব্রন্টে একারম্যান নামক একজন অস্ট্রেলিয়ান ভদ্রলোক এ স্ট্যাম্পের উদ্ভাবক। ছোঁয়া পেলেই উজ্জ্বল লাল আলোতে উদ্ভাসসিত হয় স্ট্যাম্প আর বেল্গুলো। এ কাজে এমন জোরালো একটি রেডিও সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়, ছোঁয়া লাগলে জ্বলে ওঠার সংকেত পাঠাতে যার ব্যয় হয় ১ সেকেন্ডের ১ হাজার ভাগের ১ ভাগ সময় মাত্র। তারহীন যোগাযোগের এবং সলিড স্টেট পদার্থবিজ্ঞানের এটি একটি অভূতপূর্ব ব্যবহার।

স্পাইডার ক্যামেরাঃ
২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যেসব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ‘স্পাইডার’ নামের বিশেষ এক ক্যামেরা। অদৃশ্য মিহি সুতার তার বেয়ে এ ক্যামেরা ঘুরে বেড়ায় মাঠজুড়ে। কাছ থেকে তুলে আনে মাঠের তারকাদের ঘনিষ্ট অভিব্যক্তি।