Faculties and Departments > Real Estate
HOW TO SAVE ON EARTH QUAKE & TIPS TO SAVE
(1/1)
BRE SALAM SONY:
ভূমিকম্পে কী করণীয়/জীবন রক্ষার টিপস
আজকাল মনে হয় সবকিছুই যাচাই করে নেয়া লাগে! পোস্ট দেয়ার পর দু’একটি পয়েন্ট বিশেষ করে ভূমিকম্পের সময় গাড়ী থেকে বের হওয়ার পয়েন্টটি নিয়ে খটকা লাগায় ইন্টারনেটে এটা নিয়ে খোঁজাখুঁজি করলাম।
রেড ক্রস এই টিপসগুলোকে একেবারে উড়িয়ে দেয় নি। তাদের বক্তব্য হচ্ছে বিল্ডিং স্ট্যান্ডার্ড মেনে চলায় আমেরিকায় খুব কম দালানই অন্যান্য দেশের মত ভূমিকম্পের সময় ধ্বসে পড়ে। তাই এ টিপসগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়। তবে মূলত তুরস্কে ভূমিকম্পের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে লেখা উদ্ধার কর্মীর টিপসগুলো অন্যান্য দেশে যেখানে মাঝারি ভূমিকম্পেও বিল্ডিং ধ্বসে পড়ে, সেখানে হয়ত বেশি গ্রহণযোগ্য হবে। বাংলাদেশে যেখানে বেশিরভাগ বাড়িতে ভূমিকম্পরোধক ব্যবস্থা নেই এবং বিল্ডিং কোডও মেনে চলা হয় না, সেখানে মাঝারি ভূমিকম্পে দালান ধ্বসে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা আছে। তাই উদ্ধার কর্মীর টিপসগুলো বাংলাদেশের ক্ষেত্রে হয়ত বেশী প্রাসঙ্গিক হবে। কিন্তু সতর্কতার বিষয় হল- এগুলো কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণার ভিত্তিতে দেয়া পরামর্শ নয়। উন্নত বিশ্ব যেমন জাপান, আমেরিকা ইত্যাদি ছাড়া অন্য কোথাও এ বিষয়ে গবেষণা হয়েছে এমনটিও পাই নি এবং তাদের দেয়া সেফটি টিপসগুলো আসলে তাদের দেশের জন্যই বেশি প্রাসঙ্গিক।
বাংলাদেশের জন্যও আসলে বাংলাদেশের নির্মাণ প্রকৌশলী, ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ ইত্যাদির সহায়তায় জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, আর্থকোয়েক সোসাইটি- এদেরই এগিয়ে আসতে হবে গবেষণার ভিত্তিতে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য পরামর্শ প্রণয়নে। ঘূর্ণিঝড় পৃথিবীর ক্রান্তীয় অঞ্চলের সব প্রান্তেই একরকম। তাই এ বিষয়ে সতর্কতা কম-বেশী সব জায়গায় একই রকম। কিন্তু দেশে দেশে মাটির গঠনে ভিন্নতা, টেকটোনিক প্লেট, বিল্ডিং কোড, বিল্ডিং স্ট্রাকচার ও মেটারিয়ালের পার্থক্য থাকায় ভূমিকম্পের প্রভাব দেশ ভেদে ভিন্ন। আমার ব্যক্তিগত মত হচ্ছে, রেড ক্রসের পরামর্শগুলো আমেরিকার জন্য প্রণীত হলেও যেহেতু এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে আগে সেটা মেনে চলুন। ব্যাক আপ হিসেবে উদ্ধার কর্মীর টিপসগুলো মাথায় রাখুন।
আর যদি সম্ভব হয় আপনার বিল্ডিংকে রেট্রোফিটিং বা ভূমিকম্পরোধক করার ব্যবস্থা এখনই নিন। যদি ভাড়া বাড়ীতে থাকেন বাড়িওয়ালাকে পরিস্থিতি বোঝাতে এবং প্রয়োজনে ভাড়াটিয়ারা চাঁদা তুলে ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করুন। যে অর্থ খরচ হবে তা আপনার জীবনের তুলনায় সামান্যই।
BRE SALAM SONY:
নীচে আমি মোটামুটি আগের টিপসগুলোই উল্লেখ করছি। সাথে কোন পয়েন্টে রেড ক্রস বা অন্য বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য থাকলে সেটাও উল্লেখ করছি। এক্ষেত্রে নিজের বিবেচনাকেই প্রাধান্য দিন।
১। আমেরিকান রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী- ভূমিকম্পের সময় সবচেয়ে উত্তম পন্থা হল ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ বা ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি। অর্থাৎ কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন, তারপর কোন শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নীচে ঢুকে কাভার নিন, এমন ডেস্ক বেছে নিন বা এমনভাবে কাভার নিন যেন প্রয়োজনে আপনি কাভারসহ মুভ করতে পারেন। তাদের মতে, ভূমিকম্পে আমেরিকার খুব কম বিল্ডিংই কলাপস করে; যেটা হয় তা হল আশেপাশের বিভিন্ন জিনিষ বা ফার্নিচার গায়ের উপর পড়ে নেক-হেড-চেস্ট ইনজুরি বেশি হয়। তাই এগুলো থেকে রক্ষার জন্য কোন শক্ত ডেস্ক বা এরকম কিছুর নীচে ঢুকে কাভার নেয়া বেশি জরুরী। অপরদিকে সেই উদ্ধার কর্মীর মতে বিল্ডিং কলাপস করলে ‘ডাক-কাভার’ পদ্ধতি একটি মরণ-ফাঁদ হবে। সেটা না করে কোন বড় অবজেক্ট যেটা কম কম্পপ্যাক্ট করবে যেমন সোফা ইত্যাদির পাশে আশ্রয় নিলে যে void তৈরী হবে, তাতে বাঁচার সম্ভাবনা বেশী থাকবে। এখন রেড ক্রস কিন্তু এই ভয়েড বা ‘Triangle of life’-এর ব্যাপারটা অস্বীকার করে নি। কিন্তু যেহেতু আমেরিকায় বিল্ডিং কলাপ্স হবার সম্ভাবনা কম, তাই তাদের ‘ড্রপ-কাভার-হোল্ড অন’ পদ্ধতিই বিভিন্ন বস্তুর আঘাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য সবচেয়ে উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।
২। রাতে বিছানায় থাকার সময় ভূমিকম্প হলে উদ্ধার কর্মী বলছে গড়িয়ে ফ্লোরে নেমে পড়তে- এটা বিল্ডিং ধ্বসার পার্সপেক্টিভেই। রেড ক্রস বলছে বিছানায় থেকে বালিশ দিয়ে কাভার নিতে, কারণ সিলিং ধসবে না, কিন্তু ফ্লোরে নামলে অন্যান্য কম্পনরত বস্তু থেকে আঘাত আসতে পারে।
৩। দরজায় আশ্রয় নেবার ব্যাপারে উদ্ধার কর্মী এবং রেডক্রস উভয়েই নেতিবাচক। রেড ক্রস বলছে প্রায় এক দশক আগে থেকেই তারা এ পরামর্শ বন্ধ করেছে। (The American Red Cross has not recommended use of a doorway for earthquake protection for more than a decade)
৪। সিঁড়িতে আশ্রয় নেয়া উচিত না- এ ব্যাপারেও নিশ্চিত। এক বিশেষজ্ঞ যিনি ঐ উদ্ধারকর্মীর সবগুলো পরামর্শেরই সমালোচনা করেছেন, তিনিও বলেছেন একমাত্র এ পরামর্শটিই সবচেয়ে যৌক্তিক। এছাড়া ভূমিকম্পের সময় এলিভেটর/লিফট ব্যবহারও উচিত না।
৫। ভূমিকম্পের সময় ভেতরের দিকে না থেকে বাইরের দিকে ওয়ালের কাছে আশ্রয় নেয়া উচিত- এটা নিয়ে কোন বিরোধ পাই নি। যেটা পেয়েছি তা হল এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং এর উলটো হাইপোথিসিসও নাকি আছে যে ভেতরের দিকে থাকাই ভালো।
ভূমিকম্পের সময় বাইরের ওয়ালের কাছে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ মূলত বিল্ডিং ধ্বসে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বলা। ভূমিকম্পে যদি দালান ধ্বসে পড়ে তবে বাইরের দিকের ওয়ালের কাছে থাকলে ধ্বংসস্তুপ থেকে তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকেFEMA-র পরামর্শ হচ্ছে এসময় ভেতরের দিকে আশ্রয় নেয়া অর্থাৎ জানালা, কাঁচ, বাইরের ওয়াল, দরজা সবকিছু থেকে দূরে থাকা। এটা মূলত আমেরিকানদের জন্য পরামর্শ, যেখানে তারা ধরে নিয়েছে ভূমিকম্পে এখানকার বিল্ডিং ধ্বসে পড়বে না, কিন্তু বাইরের ওয়াল ধ্বসে বা জানালা, কাঁচ ইত্যাদি থেকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে অনেকে হতাহত হতে পারে। কাজেই বাংলাদেশের জন্য সমাধান হতে পারে- আপনি যদি নতুন, মজবুত কোন দালানে থাকেন, তবে FEMA-পরামর্শ অনুযায়ী ভেতরের দিকেই থাকেন- জানালা, কাঁচ, বাইরের ওয়াল সবকিছু থেকে দূরে; আর যদি পুরান ঢাকার বাড়িগুলোর মত ঝরঝরে কোন দালানে থাকেন তবে বাইরের ওয়ালের কাছে আশ্রয় নিন, দালান ধ্বসে পড়লে যেন কম জিনিসের মধ্যে চাপা পড়েন।
৬। উদ্ধার কর্মীর যেসব পরামর্শ রয়েছে তার মধ্যে একমাত্র গাড়ীরটাই সরাসরি বাদ দেয়া যায়। তিনি বলছেন ভূমিকম্পের সময় গাড়ী বন্ধ করে গাড়ী থেকে বের হয়ে বসে বা শুয়ে পড়তে। রেড ক্রস বলছে গাড়ী বন্ধ করে গাড়ীর ভিতরেই বসে থাকতে। গাড়ীর বাইরে থাকলে আহত হবার সম্ভাবনা বেশি। রেড ক্রসের এই পরামর্শ যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক গবেষণার ভিত্তিতে দেয়া এবং এটা সব দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হতে পারে।
৭। অনেকে জানতে চেয়েছেন ভূমিকম্পের সময় কোন ফ্লোর নিরাপদ, কিভাবে দালান ভেঙ্গে পড়ে- কাত হয়ে নাকি এক তলার উপর আরেকটা। এটা ঐ জায়গার মাটির গঠন, বিল্ডিং কিভাবে তৈরী- এটার ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে। সাধারণত ভূমিকম্পের সময় চারভাবে ফ্লোর বা দালান ধ্বসে পড়তে পারে (ছবি দেখুন)। এগুলো হল- top, middle and bottom floors এবং total building failure। (সূত্র) এখানে এ বিষয়ে কিছু আলোচনা ও নিবন্ধ (১, ২) আছে।
ভূমিকম্পে বিল্ডিং ফেইলিওরের কমন প্যাটার্ন (Diagram credit: C. Arnold, Building Systems Development, Inc.)ভূমিকম্পে বিল্ডিং ফেইলিওরের কমন প্যাটার্ন (Diagram credit: C. Arnold, Building Systems Development, Inc.)
দালানের কোন তলা বেশি নিরাপদ- এক্ষেত্রে বেশিরভাগ মতামত যেটা পেয়েছি তা হল ভূমিকম্পের সময় উপরের দিকের তলাগুলোতে দুলুনি হবে বেশি, নিচের তলায় কম। কিন্তু দালান যদি উলম্ব বরাবর নিচের দিকে ধ্বসে পড়ে (৪নং-এর মতো) তবে নিচ তলায় হতাহত হবে বেশি, কারণ উপরের সব ফ্লোরের ওজন তখন নিচে এসে পড়বে। ১৯৮৯ সালে সানফ্রান্সিসকো এলাকায় এক ভূমিকম্পে এরকমভাবে অনেক দালান নিচের দিকে কলাপ্স করেছিল এবং তাতে নিচের ফ্লোর পুরো ধ্বসে গিয়েছিল উপরের তলাগুলোর চাপে। এছাড়া এ ভূমিকম্পে দেখা গিয়েছিল ব্লকের কর্ণারের বাড়িগুলোতে শক বেশি হয়েছিল ব্লকের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা বাড়িগুলোর চেয়ে।
৮। তবে যে ফ্লোরেই থাকুন- ভূমিকম্পের সময় বেশি নড়াচড়া, বাইরে বের হবার চেষ্টা করা, জানালা দিয়ে লাফ দেবার চেষ্টা ইত্যাদি না করাই উত্তম। একটা সাধারণ নিয়ম হল- এসময় যত বেশি মুভমেন্ট করবেন, তত বেশি আহত হবার সম্ভাবনা থাকবে। তবে বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে অফ দ্য রেকর্ড একটা কথা- যদি গ্রাউন্ড ফ্লোরে একেবারে দরজার কাছে থাকেন, তবে এক দৌড়ে বাইরে কোন খোলা জায়গায় চলে যান। সিঁড়ি-টিঁড়ি পার হয়ে যেতে হলে না যাওয়াই ভালো।
৯। সব বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘আফটার শক’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে পারে।
১০। প্রথম ভূমিকম্পের পর ইউটিলিটি লাইনগুলো (গ্যাস, বিদ্যুত ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন লিক বা ড্যামেজ দেখলে মেইন সুইচ বন্ধ করে দিন।
যা আগেই করণীয়ঃ
• পরিবারের সবার সাথে বসে এ ধরণের জরুরী অবস্থায় কি করতে হবে, কোথায় আশ্রয় নিতে হবে- মোট কথা আপনার পরিবারের ইমার্জেন্সি প্ল্যান কী সেটা ঠিক করে সব সদস্যদের জানিয়ে রাখুন।
• বড় বড় এবং লম্বা ফার্নিচারগুলোকে যেমন- শেলফ ইত্যাদি দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখুন যেন কম্পনের সময় গায়ের উপর পড়ে না যায়। আর টিভি, ক্যাসেট প্লেয়ার ইতাদি ভারী জিনিষগুলো মাটিতে নামিয়ে রাখুন।
• বিছানার পাশে সবসময় টর্চলাইট, ব্যাটারী এবং জুতো রাখুন।
• রেট্রোফিট, রেট্রোফিট আবারো বলছি রেট্রোফিটিং-এর ব্যবস্থা এখনই করুন।
BRE SALAM SONY:
উত্তম। দু’টো ব্যাপারই তাই মাথায় রাখুন।
২। রাতে বিছানায় থাকার সময় ভূমিকম্প হলে উদ্ধার কর্মী বলছে গড়িয়ে ফ্লোরে নেমে পড়তে- এটা বিল্ডিং ধ্বসার পার্সপেক্টিভেই। রেড ক্রস বলছে বিছানায় থেকে বালিশ দিয়ে কাভার নিতে, কারণ সিলিং ধসবে না, কিন্তু ফ্লোরে নামলে অন্যান্য কম্পনরত বস্তু থেকে আঘাত আসতে পারে।
৩। দরজায় আশ্রয় নেবার ব্যাপারে উদ্ধার কর্মী এবং রেডক্রস উভয়েই নেতিবাচক। রেড ক্রস বলছে প্রায় এক দশক আগে থেকেই তারা এ পরামর্শ বন্ধ করেছে। (The American Red Cross has not recommended use of a doorway for earthquake protection for more than a decade)
৪। সিঁড়িতে আশ্রয় নেয়া উচিত না- এ ব্যাপারেও নিশ্চিত। এক বিশেষজ্ঞ যিনি ঐ উদ্ধারকর্মীর সবগুলো পরামর্শেরই সমালোচনা করেছেন, তিনিও বলেছেন একমাত্র এ পরামর্শটিই সবচেয়ে যৌক্তিক। এছাড়া ভূমিকম্পের সময় এলিভেটর/লিফট ব্যবহারও উচিত না।
৫। ভূমিকম্পের সময় ভেতরের দিকে না থেকে বাইরের দিকে ওয়ালের কাছে আশ্রয় নেয়া উচিত- এটা নিয়ে কোন বিরোধ পাই নি। যেটা পেয়েছি তা হল এর কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই এবং এর উলটো হাইপোথিসিসও নাকি আছে যে ভেতরের দিকে থাকাই ভালো।
ভূমিকম্পের সময় বাইরের ওয়ালের কাছে আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ মূলত বিল্ডিং ধ্বসে পড়ার পরিপ্রেক্ষিতে বলা। ভূমিকম্পে যদি দালান ধ্বসে পড়ে তবে বাইরের দিকের ওয়ালের কাছে থাকলে ধ্বংসস্তুপ থেকে তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকেFEMA-র পরামর্শ হচ্ছে এসময় ভেতরের দিকে আশ্রয় নেয়া অর্থাৎ জানালা, কাঁচ, বাইরের ওয়াল, দরজা সবকিছু থেকে দূরে থাকা। এটা মূলত আমেরিকানদের জন্য পরামর্শ, যেখানে তারা ধরে নিয়েছে ভূমিকম্পে এখানকার বিল্ডিং ধ্বসে পড়বে না, কিন্তু বাইরের ওয়াল ধ্বসে বা জানালা, কাঁচ ইত্যাদি থেকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে অনেকে হতাহত হতে পারে। কাজেই বাংলাদেশের জন্য সমাধান হতে পারে- আপনি যদি নতুন, মজবুত কোন দালানে থাকেন, তবে FEMA-পরামর্শ অনুযায়ী ভেতরের দিকেই থাকেন- জানালা, কাঁচ, বাইরের ওয়াল সবকিছু থেকে দূরে; আর যদি পুরান ঢাকার বাড়িগুলোর মত ঝরঝরে কোন দালানে থাকেন তবে বাইরের ওয়ালের কাছে আশ্রয় নিন, দালান ধ্বসে পড়লে যেন কম জিনিসের মধ্যে চাপা পড়েন।
istiaq:
thank u for posting this kind of important subject .
Navigation
[0] Message Index
Go to full version