সম্ভাবনার নতুন দুয়ার (মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি ডিপার্টমেন্ট)

Author Topic: সম্ভাবনার নতুন দুয়ার (মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি ডিপার্টমেন্ট)  (Read 676 times)

Offline sadiur Rahman

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 197
  • Test
    • View Profile
সম্প্রতি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়া অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টে গ্রাফিক নভেল কোর্সের শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন বিখ্যাত কার্টুনিষ্ট আহসান হাবীব স্যার । তার একটি চমৎকার সাক্ষাতকার....

চাকরির খোঁজ : আপনার কার্টুনিস্টের জীবনের শুরু সম্পর্কে জানতে চাই।

আহসান হাবীব : আমার বড় ভাই ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ৭২ থেকে ৭৩ সালের দিকে গণকণ্ঠ পত্রিকায় কার্টুন আঁকতেন। পরে ভাইয়া সেখানে কমিকস আঁকাও শুরু করেন। তার আঁকা একটি জনপ্রিয় কমিকস ছিল ‘মহাকাশে মহাত্রাস’। বড় ভাইয়ের মাধ্যমে আঁকাআঁকির ভূত আমাকেও চেপে ধরল। আমি তখন ডেইলি অবজারভারের আংকেল কিম পাতায় কার্টুন আঁকা শুরু করলাম। কার্টুন বললে ভুল হবে। কমিকস আঁকা শুরু করলাম। আমার শুরুটা কিন্তু কার্টুন দিয়ে নয়, কমিকস দিয়ে। এরপর ইন্টারমিডিয়েট পাসের পর আমার কয়েকজন বন্ধু একটা পত্রিকা বের করল। পত্রিকার নাম ছিল ‘উন্মাদ’। ইস্তেয়াক হোসেন, কাজী খালিদ আশরাফ এদের উদ্যোগেই উন্মাদ বের হল। আমিও তাদের সঙ্গে যুক্ত হলাম। কারণ আমি কার্টুন আঁকতে পছন্দ করতাম। ১৯৭৮ সাল। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জগতে পদার্পণ ঠিক আগের সময়। সে সময়ে আমরা খেয়ালের বশেই উন্মাদ বের করেছিলাম। পরে এর সফলতা দেখে আমরা নিয়মিত উন্মাদ বের করতে শুরু করি। তখন আমাদের সঙ্গে সাইফুল হক, নওশাদ নবী, ইলিয়াস খান, রেজাউন নবীসহ আরও অনেকেই যুক্ত ছিলেন। কিন্তু আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করলাম, তখন সবাই যে যার মতো নানা পেশায় ঢুকে পড়ল। আমি নিজেও ব্যাংকে চাকরি শুরু করলাম। সবাই চলে যাওয়াতে উন্মাদ বের হওয়াটা বাধাগ্রস্ত হল। তখন আমার ব্যাংকের চাকরিটা একটুও ভালো লাগছিল না। মন পড়ে ছিল উন্মাদে। তাই ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে উন্মাদে ফিরে আসি। সেই যে শুরু হল, এখনও চলছে।

চাকরির খোঁজ : বর্তমানে কেউ যদি কার্টুন বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চায়, সেটা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ বলে আপনি মনে করেন? আপনার সময়েই বা অবস্থাটা কেমন ছিল?
আহসান হাবীব : আমি মনে করি এখন এই পেশা মোটেও ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে আমাদের সময় তো অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। আর সেজন্যই আমাদের সময় গুটিকয়েক লোক ছাড়া কেউই কার্টুন আঁকত না। এখন এটা অনেক পজেটিভ এই কারণে যে বর্তমানে প্রতিটা পত্রিকায় দুই একজন কার্টুননিস্ট আছে। আর একজন কার্টুনিস্ট কিন্তু একজন সহকারী সম্পাদকের পদের সমান মর্যাদা পায়। আর প্রতিটা পত্রিকাতেই কার্টুনিস্টের ফোকাসটা অনেক বেশি। আর কার্টুনিস্ট যে শুধু কার্টুন আঁকবে তা নয়, যে কার্টুন আঁকবে, কমিকস আঁকবে, গ্রাফিক নভেল আঁকবে। এর ক্ষেত্রটা অনেক বড়।

চাকরির খোঁজ : আপনি গ্রাফিক নভেলের কথা উল্লেখ করলেন। আমাদের দেশে তো গ্রাফিক নভেল একটা নতুন বিষয়। আপনি কী সহজ ভাষায় গ্রাফিক নভেল বিষয়টি আমাদের বুঝিয়ে বলবেন?

আহসান হাবীব : কার্টুন এবং কমিক্সের পরের ধাপটাই হল গ্রাফিক নভেল। গ্রাফিক নভেল হল একটা বই যাতে কমিক্সের কন্টেন্ট থাকবে। এক সময় যখন মোবাইল গেম চালু হল, তখন কমিক্সের বিক্রিতে একটা ভাটা পড়ল। বড় বড় কমিকস ব্যবসায়ীরা এ খারাপ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের চিন্তা করতে লাগলেন। তখন তারা ক্লাসিক্যাল সাহিত্যকে কমিক্সে রূপান্তরের কাজটা শুরু করলেন। সেটাই গ্রাফিক নভেল। এখন বিদেশে নিয়মিত বিখ্যাত সব উপন্যাসের গ্রাফিক নভেল বের হচ্ছে। আসলে যুগটা এমন হয়ে যাচ্ছে, মানুষ ভারি বই থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু সেই ভারি বইটাই যখন গ্রাফিক নভেল আঁকারে আসছে, তখন তারা আগ্রহী হচ্ছে। পুরো পৃথিবীতেই এখন গ্রাফিক নভেলের একটা আন্দোলন চলছে। আমাদের কার্টুনিস্টরাও এটা শুরু করেছে। কার্টুনিস্টদের সবার আলটিমেট গোল হওয়া উচিত গ্রাফিক নভেল নিয়ে কাজ করা। আর গ্রাফিক নভেল থেকে কিন্তু অ্যানিমেশন মুভি হচ্ছে, এমনকি সিনেমাও হচ্ছে। একটা সিনেমা বা অ্যানিমেশন মুভি বানাতে ফিগার, ব্যাকগ্রাউন্ডসহ অনেক কিছু আঁকার প্রয়োজন পড়ে, সেই ক্ষেত্রে গ্রাফিক নভেল কাজটাকে অনেক সহজ করে দেয়।

চাকরির খোঁজ : বাংলাদেশে গ্রাফিক নভেল এবং কমিকস বিষয়ক আন্দোলন কবে শুরু হয়?

আহসান হাবীব : বাংলাদেশে গ্রাফিক নভেল আন্দোলন আমরা যারা কার্টুনিস্ট তারাই শুরু করেছি। এই তো বছরখানেক আগে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সৌজন্যে আমি দুজন কার্টুনিস্টকে নিয়ে ইংল্যান্ডে গিয়েছিলাম। ব্রিটিশ কাউন্সিলই আমাদের পাঠিয়েছিল। ব্রিটেনের ইস্ট লন্ডনে খুব বড় একটা ফেস্টিভ্যাল হয় গ্রাফিক নভেলের ওপর। ওটাতে যোগ দিতেই আমরা গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমি চমকে যাই, পৃথিবীর বিখ্যাত সব বইয়ের গ্রাফিক নভেল সেখানে। কেউ হয়তো ভালো আঁকে, সে নিজেই একটা গ্রাফিক নভেলের প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছে। এই চমৎকার বিষয়গুলো আমাকে মুগ্ধ করেছিল। তখন আমার মনে হয়েছে, গ্রাফিক নভেল আন্দোলনটা আমাদের দেশেও হওয়া উচিত।

চাকরির খোঁজ : আপনার এ সাক্ষাৎকার পড়ে হয়তো অনেকেই কমিকস এবং গ্রাফিক নভেলে ক্যারিয়ার গড়তে চাইবে। তাই জানতে চাইছি, বাংলাদেশে কমিকস এবং গ্রাফিক নভেলের সুন্দর ভবিষ্যতের ব্যাপারে আপনি কতটা আশাবাদী?

আহসান হাবীব : আমি তো অবশ্যই শতভাগ আশাবাদী। আমি বিশ্বাস করি, তরুণদের নতুন এবং চ্যালেঞ্জিং পেশায় আসা প্রয়োজন।
আমার বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ এখন নেই, তার অবর্তমানে বইমেলায় বই বিক্রিতে একটা শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। সেই শূন্যতা কিন্তু নতুন কিছু দিয়েই পূরণ করতে হবে। আর সে ক্ষেত্রে গ্রাফিক নভেল হতে পারে আদর্শ। আর অনেকে ভাবতে পারে, আমি তো ভালো আঁকতে পারি না, আমি তো এই পেশায় আসতে পারব না। এ চিন্তাধারা সম্পূর্ণ ভুল। গ্রাফিক নভেল এবং কমিক্স একটা টিম ওয়ার্ক। এখানে কেউ আঁকবে, কেউ স্ক্রিপ্ট তৈরি করবে, কেউ শুধু রঙ করবে, কেউ সাজানোর কাজ করবে। একটা মুভিতে যেমন অনেক লোক প্রয়োজন হয়, তেমনি গ্রাফিক নভেলের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। আবার অনেকে পুরো কাজটা একাও করতে পারে। একটা ভালো কমিকস বা গ্রাফিক নভেল একজন মানুষকে সারা জীবন বাঁচিয়ে রাখতে পারে। আর গ্রাফিক নভেল এবং কমিকস দিয়ে তো অ্যানিমেশনের কাজও সহজে করা যায়।

চাকরির খোঁজ : সম্প্রতি আপনি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রাফিক নভেল কোর্সের শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই।

আহসান হাবীব : ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় 'Multimedia and Creative Technology' নামে খুব চমৎকার একটা ডিপার্টমেন্ট খুলেছে। এখানে তারা গ্রাফিক নভেলের ওপর একটা কোর্স রেখেছে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টা আমার নজরে আনলে এবং ক্লাস নেয়ার প্রস্তাব দিলে আমি সানন্দে রাজি হই। কারণ এটি খুব যুগোপযোগী একটা কোর্স। যেসব ছেলেমেয়েরা এ ডিপার্টমেন্টে ভর্তি হয়েছে তাদের আমি অভিনন্দন জানাই। তারা নতুন যুগের পথিকৃৎ। তারা এখানে কমিকস, গ্রাফিক নভেল বিষয়ে শিখতে পারবে, এরপর শিখবে অ্যানিমেশন বিষয়ে। আমি তাদের কমিকস এবং গ্রাফিক নভেলের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো শেখাতে চেষ্টা করব। তারা জানতে পারবে কমিকস কীভাবে আঁকতে হয়, গ্রাফিক নভেলের টিমওয়ার্ক কীভাবে করতে হয়, নভেলের টুইস্টটা কীভাবে বের করতে হয়, ড্রইংয়ের পার্সপেকটিভ কেমন হওয়া উচিত, সঠিক রঙ কীভাবে বাছাই করা যায়, এগুলোকে কীভাবে অ্যানিমেশনে রূপান্তর করা যায় ইত্যাদি। আমি এ বিষয়ে খুবই আনন্দিত। কারণ আগে আমি শুধু কার্টুনিস্টদের নিয়ে কাজ করেছি, এখন যারা ক্রিয়েটিভ আর্ট, অ্যানিমেশন নিয়ে পড়াশোনা করছে তাদের নিয়েও কাজ করতে পারছি। আমি মনে করি ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ডিপার্টমেন্টটা বাংলাদেশকে অনেক ভালো কিছু উপহার দিতে পারবে। আর এত ভালো একটা ডিপার্টমেন্ট খোলার জন্য অবশ্যই কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানাই।
চাকরির খোঁজ : ভালো কার্টুনিস্ট হওয়ার জন্য একজন মানুষের কোন বিষয়গুলোর দিকে নজর দেয়া উচিত?
আহসান হাবীব : ভালো কার্টুনিস্ট হতে চাইলে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার কারেন্ট ইস্যুগুলোর ওপর নজর রাখতে হবে এবং সেন্স অফ হিউমার ডেভেলপ করতে হবে। প্রচুর জোকসের বই পড়তে হবে। প্রচুর কার্টুন দেখতে হবে। কে কীভাবে কার্টুন আঁকছে সেটা লক্ষ্য করতে হবে। পকেট কার্টুন, পলিটিকাল কার্টুন, স্ট্রিপ কার্টুন, কমিকস, গ্রাফিক নভেল সব বিষয়ে নজর রাখতে হবে। আর অবশ্যই বেশি বেশি প্র্যাকটিস করতে হবে। যদি কেউ ভালো আঁকতে না পারে, সমস্যা নেই। তাদের চমৎকার আইডিয়া দিয়ে মানুষের মনে স্থান করে নিতে হবে। যেমন মালয়েশিয়ার একজন কার্টুনিস্ট যার নাম ‘লাট’, তার কার্টুন খুব উন্নতমানের নয়। তবে কার্টুনের আইডিয়াগুলো এত ভালো যে সারা পৃথিবীতেই তিনি তুমুল জনপ্রিয়।

চাকরির খোঁজ : আর গ্রাফিক নভেল বিষয়ে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে কি আলাদা কিছু করতে হবে?

আহসান হাবীব : যে গ্রাফিক নভেলে ক্যারিয়ার গড়তে চায়, তাকে রিয়েলস্টিক ড্রইংয়ে জোর দিতে হবে। আর আগেই বলেছি শুধু আঁকতে হবে তা নয়, গ্রাফিক নভেল বা কমিকস একটা টিম ওয়ার্ক। তাই এক একজন এক এক কাজ করতে পারে। কেউ স্ক্রিপ্ট, কেউ রঙ, কেউ ব্যাকগ্রাউন্ড, কেউ অ্যানিমেশনে রূপান্তর নিয়ে কাজ করতে পারে। কার্টুনে সেন্স অফ হিউমার খুব ভালো হওয়া প্রয়োজন, কিন্তু গ্রাফিক নভেল নিয়ে কাজ করলে সেন্স অফ হিউমার খুব ভালো না হলেও সমস্যা নেই। কারণ তাকে একটা গল্প বা উপন্যাসকে সুন্দরভাবে রিয়েলস্টিক ড্রইংয়ের মাধ্যমে চিত্রায়ন করলেই চলে।

চাকরির খোঁজ : কার্টুন, কমিকস, গ্রাফিক নভেল এসব বিষয়ে প্রকৃতি প্রদত্ত কিছু প্রতিভার প্রয়োজন হয়। আপনি কি এই বক্তব্যের সঙ্গে এক মত?

আহসান হাবীব : প্রকৃতি প্রদত্ত প্রতিভার বিষয়টা আমি একদমই বিশ্বাস করি না। যেমন জন্মের সময়ে কোনো শিশুকেই প্রকৃতি হাঁটার ক্ষমতা দিয়ে পৃথিবীতে পাঠায় না। বরং মানুষ নিজের চেষ্টার মাধ্যমেই হাঁটতে শেখে। আমি মনে করি মানুষ চাইলেই অনেক কিছু পারে। আসলে ভালো কার্টুনিস্ট হতে চাইলে নিজের সংকল্প এবং চর্চার সম্পূর্ণ প্রয়োগ দরকার। স্প্যানিশ গিটার নিয়ে একটা উদাহরণ দেই। একজন মানুষ ছয় মাস চর্চা করলেই স্প্যানিশ গিটার বাজাতে পারে, সুর তুলতে পারে। ঠিক তেমনি ছয় মাস চর্চা করেই একজন মানুষ কার্টুনের অনেক খুঁটিনাটি বিষয় জানতে পারে। আমি আমার এত বছরের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, অনেক ছেলেমেয়ে আগে হয়তো ভালো আঁকতে পারত না, কিন্তু শুধু প্র্যাকটিসের মাধ্যমে তারা অভাবনীয় উন্নতি করেছে।
চাকরির খোঁজ : বর্তমান বাংলাদেশে অনেকেই কার্টুনিস্ট হওয়ার স্বপ্ন দেখে। কেউ যদি একদম শূন্য থেকে কার্টুনের চর্চা শুরু করতে চায়, তবে তার প্রতি আপনার কী পরামর্শ থাকবে?
আহসান হাবীব : কার্টুন আঁকায় অনেক মজার ট্রিকস আছে। যেমন ধরো, যারা একদম প্রথম থেকে শুরু করছে তারা একটা কাঠি মানব আঁকল। মানে একটা কাঠির মানুষ, যার মাথায় গোল একটা বৃত্ত। এবার এ মানুষটাকে কাপড়-চোপড় পরাতে হবে, হাত-পা দিতে হবে। তাহলেই সেটা কার্টুন হয়ে উঠবে। আবার ধরো, অংকের দুটো সেকেন্ড ব্র্যাকেট মুখোমুখি এঁকে চোখ আর মুখ দিলেই, দুটো মানুষের মুখ হয়ে গেল। কিংবা তিনটা ইংরেজি অক্ষর দিয়েই কিন্তু একটা কার্টুন আঁকা যায়। যেমন প্রথমে একটু বড় করে একটা O লিখলাম। এরপর O এর নিচে একটু ফাঁকা দিয়ে একটা বড় লম্বা M দিলাম। সবশেষে M এর মধ্যে একটা চিকন এবং বড় W দিলাম। এরপর O এর মধ্যে চোখ, নাক, মুখ এঁকে দিলাম। এটা একটা কার্টুন হয়ে যাবে। আমরা CP শব্দটার সঙ্গে পরিচিত।CP মানে copy and paste। কিন্তু copy and paste কে ঘুরিয়ে আমাদের CC বা copy and creation করতে হবে। যেমন পত্রিকায় বা অন্য কথাও একটা ছবি দেখে প্রথমে আঁকার চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু একইসঙ্গে নিজের আঁকা ছবিতে কিছু পরিবর্তনও আনার চেষ্টা করা উচিত। যেমন মূল ছবিতে হয়তো মানুষটা বামদিকে তাকিয়ে আছে, আমার ছবিতে সে ডানদিকে তাকিয়ে থাকবে। এভাবে প্র্যাকটিস চালিয়ে যেতে হবে। সুযোগ পেলেই এ বিষয়ে যারা এক্সপার্ট তাদের পরামর্শ নিতে হবে। এছাড়া মাঝে মধ্যে কোনো ট্রেনিং সেশনেও অংশ নেয়া যেতে পারে। এরপর নিজের উন্নতি যখন দৃশ্যমান হবে, তখন বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় আঁকার চেষ্টা করতে হবে। মনে রাখতে হবে প্রথমে কার্টুন, তারপর কমিকস এবং সবশেষে গ্রাফিক নভেল। এসব বিষয়ের ওপর পূর্ণ ভালোবাসা এবং চর্চা একজন মানুষকে কাক্সিক্ষত সাফল্য এনে দিতে পারে। আর একটা বিষয় বলে রাখি, যারা কার্টুন, কমিকস, গ্রাফিক নভেল নিয়ে কাজ করে, তারা কিন্তু আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমেও প্রচুর অর্থ উপার্জন করছে। তাই এর ভবিষ্যৎ খুবই উজ্জ্বল।

চাকরির খোঁজ : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আমাদের সময় দেয়ার জন্য।
আহসান হাবীব : তোমাকে এবং যুগান্তরকেও অনেক ধন্যবাদ।

Source Link: http://www.jugantor.com/job-search/2015/09/17/325126#sthash.taDOgNp5.dpuf
Shah Muhammad Sadiur Rahman
Coordination Officer
Department of Multimedia & Creative Technology (MCT)
Email:mctoffice@daffodilvarsity.edu.bd
Cell:01847140056(CP),Ext:160

Offline Shekh Moniruzzaman

  • Jr. Member
  • **
  • Posts: 91
  • Test
    • View Profile
« Last Edit: October 12, 2015, 10:25:59 AM by Shekh Moniruzzaman »


Offline shalauddin.ns

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 364
  • Test
    • View Profile