হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমার কিছু প্রস্তাবনা

Author Topic: হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমার কিছু প্রস্তাবনা  (Read 766 times)

Offline BRE SALAM SONY

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 827
  • Alhamdulliha Allah Can makes Me A Muslim
    • View Profile
    • Special Discount For hajj and Umrah Guest
হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আমার কিছু প্রস্তাবনা

সৌদি আরবের বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ২০১৬ সালের পবিত্র হজ অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য তারিখ হচ্ছে, ১০ সেপ্টেম্বর, ৯ জিলহজ ১৪৩৭ হিজরি, শনিবার।
সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রীদের দাফতরিক কার্যক্রমগুলো এবং সব হজ ব্যবস্থাপনা অতীতের চেয়ে আরো সহজ, সুষ্ঠু, সুন্দর ও হালনাগাদ করার সুবিধার্থে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মানিত যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুবিবেচনার লক্ষ্যে কিছু প্রস্তাবনা নি¤েœœ পেশ করা হলো :
১. সরকারি নিয়মনীতি অনুসরণের মাধ্যমে বেসরকারি হজ এজেন্সিগুলোর নিজস্ব হজ প্যাকেজ নির্ধারণের সুবিধার্থে ২০১৬ সালের সরকারি হজ প্যাকেজ আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ঘোষণা দেয়া।
২. এপ্রিল ২০১৬ পর্যন্ত হজযাত্রী বুকিং সময়সীমা চালু রাখার চেষ্টা করা। যদি সৌদি সরকারের সাথে বাংলাদেশ সরকারের হজ চুক্তির শর্ত অনুযায়ী সুযোগ থাকে। আর স্বল্প সময়ের মধ্যে বুকিং শেষ করতে হলে, শুধু মুয়াল্লিম ফি জমা দিয়ে হজ বুকিংয়ের সুযোগ দেয়া।
৩. নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি হজযাত্রীদের কোটা পূরণ করার সুবিধার্থে হজ প্যাকেজ ঘোষণার পরপরই একাধারে কমপক্ষে ১৫ দিন ধরে ন্যূনতম পাঁচটি জনবহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় বিজ্ঞাপন আকারে এবং কয়েকটি ইলেকট্রনিকস মিডিয়ায় নিয়মিত ব্রেকিং নিউজে ও দৈনিক নিয়মিত খবর পরিবেশনে হজযাত্রী বুকিং সময়সীমা ব্যাপকভাবে প্রচার করা প্রয়োজন, যাতে দেশের সর্বস্তরে খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
৪. বেসরকারি হজযাত্রীদের প্যাকেজে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত খরচ ১,৭০০ টাকার ট্রলি ব্যাগটি আরো উন্নত ও মজবুত করা এবং ওই টাকা আরো কমিয়ে নেয়া। অথবা ওই টাকা প্যাকেজ থেকে বাদ দিয়ে প্রত্যেক এজেন্সিকে নিজ নিজ দায়িত্বে তৈরি করে হজযাত্রীদের ওই ট্রলি ব্যাগটি সরবরাহ করার ঘোষণা দেয়া।
৫. প্রত্যেক এজেন্সি যেহেতু নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় স্বীয় হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, এ জন্য বেসরকারি প্যাকেজে হজ প্রশিক্ষণ ফি ৩০০ টাকা এবং সে সাথে সরকারি কল্যাণ তহবিলের নামে ২০০ টাকা খরচের খাত থেকে বাদ দেয়া। যেহেতু সরকার প্রত্যেক হজযাত্রীর নামে একটি সার্ভিস চার্জ এজেন্সির কাছ থেকে জমা নেয়।
৬. সৌদি সরকারকে প্রদেয় জনপ্রতি ব্যাংক গ্যারান্টি (অফেরতযোগ্য) এসআর ৫০´২১ = ১০৫০ টাকা প্রত্যেক এজেন্সিকে নিজ নিজ হজযাত্রীর সংখ্যা অনুযায়ী ফেরত দেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া। যেহেতু ব্যাংকিং ভাষায় গ্যারান্টির টাকা অফেরতযোগ্য হয় না।
৭. সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে হজযাত্রীদের পাসপোর্ট ডেলিভারি পাওয়ার ব্যবস্থা করা। এ জন্য প্রয়োজনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পাসপোর্ট তৈরি বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে আলোচনার মাধ্যমে দেশের প্রতিটি পাসপোর্ট অফিসে ‘হজযাত্রী পাসপোর্ট তৈরি’ শিরোনামে পৃথক কাউন্টার চালু করা এবং পাসপোর্ট তৈরির আবেদন ফরমেও ‘হজযাত্রী পাসপোর্ট’ লেখার জন্য পৃথক একটি কলাম রাখা।
৮. হজযাত্রীদের ক্ষেত্রে গড়পড়তা পুালিশ রিপোর্ট বাদ দিয়ে শুধু মানব পাচারমূলক সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে রিপোর্ট নেয়া।
৯. হজফাইট শিডিউল ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে কার্যকর করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং টিকিটের সাথে হজযাত্রীদের BOADING PASS ইস্যু করার চেষ্টা করা।
১০. হজ যাত্রীদের সেবার মান উন্নত করার সুবিধার্থে প্রত্যেক লাইসেন্সের অধীনে হজযাত্রীর কোটা সর্বনি¤œœ ৫০ জন নির্ধারিত রেখে সর্বোচ্চ ১৫০ থেকে ২০০-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা।
১১. হজযাত্রীদের বুকিং টাকা ব্যাংকে আগে জমা দেয়া এরপর ইন্টারনেটে নিবন্ধন ডাটার সিস্টেম চালু করা।
১২. প্রত্যেক এজেন্সির হজযাত্রীরা প্রয়োজনীয় রিপ্লেসমেন্টসহ ভিসার জন্য হজ অফিস আশকোনা কর্তৃক একটি ডিও লেটার ইস্যু করার চেষ্টা করা।
১৩. সরকার ঘোষিত শর্ত অনুযায়ী বেসরকারি হজযাত্রী তথা এজেন্সির হজযাত্রীদের প্রতি ৪৫ জনের জন্য একজন অভিজ্ঞ হজ গাইড নিয়োগের সুবিধার্থে প্রত্যেক এজেন্সির হজযাত্রীর সংখ্যা অনুযায়ী প্রতি ৪৫ জনের জন্য একটি করে একাধিক বারকোড সরবরাহ করা।
১৪. প্রত্যেক এজেন্সির হজযাত্রীদের বাড়ি ভাড়াসহ অন্যান্য দাফতরিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে আনজাম দেয়ার সুবিধার্থে সৌদি দূতাবাস কর্তৃক প্রদত্ত মাল্টিপল বা ভিজিট ভিসার মেয়াদ মৌসমুল হজ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা অথবা কমপক্ষে হজ ফাইট শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত ভিসার মেয়াদ করা এবং একই ভিসার কমপক্ষে দুই মাস অবস্থান করার সুযোগ থাকা। ওই বিষয়ে সৌদি সরকারের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৫. বাংলাদেশ সরকার ও সৌদি সরকারের হজচুিক্তর সময় জেদ্দা থেকে মক্কা ও মদিনা শরিফ এবং মিনা ও আরাফাতে হজযাত্রীদের বহন করার গাড়ি, বাসগুলো সেপ্টকো, দাল্লা, মক্কা ও জাতীয় কোম্পানির উন্নতমানের গাড়ি সরবরাহ করার জন্য উল্লেখ থাকা। এ ছাড়া মিনা ও আরাফাত একই সময়ে প্রত্যেক এজেন্সির হজযাত্রীরা সিট ক্যাপাসিটি অনুযায়ী বসে যাতায়াতের ব্যবস্থা করা। ১৬. মিনার তাঁবু পাহাড়ের ওপর না দিয়ে সমতলে বরাদ্দ দেয়ার প্রয়োজনীয় চেষ্টা করা।
১৭. জেদ্দা এয়ারপোর্ট আসা-যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশন স্বল্প সময়ে সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া।


আমার সাথে হজ বিষয়ক যেকোন পরামর্শ এর জন্য আপনারা যোগাযোগ করতে পারেন ।আমি ডেফোডিলের একজন গর্বিত ছাত্র। আমি গর্ব করে বলতে পারি ডেফোডিল থেকে আমি যা পেয়েছি তাহা আমার সারা জীবনের অর্জন । আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় আমার অহংকার । জিলহজ গ্রুপ বাংলাদেশ 
« Last Edit: February 09, 2016, 11:00:51 PM by BRE SALAM SONY »
আল্লাহর রহমতে প্রতি বছর হজে যাওয়ার সুযোগ হচ্ছে।এভাবেই হাজীদের খেদমত করে যেতে চাই।
01711165606

আমার প্রতিষ্ঠান www.zilhajjgroup.com
www.corporatetourbd.com