Faculty of Humanities and Social Science > English

Society

(1/1)

sushmita:
মানুষ সামাজিক জীব, এই কথাটা সেই ছোটবেলা থেকেই আমাদের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত হয়ে আছে। মানুষ বসবাস করে সমাজে, একে অন্যের সাথে মিলেমিশে। আর এই ক্ষেত্রটাতেই বন-জঙ্গলের নানান জীব থেকে মানুষ প্রথমেই আলাদা হয়েছে সামাজিকতার জন্য।

“সমাজ” এর সংজ্ঞাটা কিছুটা কঠিন, একটা সুন্দর সমাজের বেশকিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। তবে, প্রথম বৈশিষ্ট্যই হলো- মানুষের দলবদ্ধভাব, যেটা সভ্যতার শুরু থেকেই মানুষের ছিল। সেই থেকেই মানুষের 'একতা', 'দলবদ্ধতা', 'সমাজ' আর 'সামাজিকতা' শব্দগুলোর জন্ম।

বর্তমান সভ্যতা আগের অবস্থা থেকে অকল্পনীয় গতিতে এগিয়ে এখনকার পর্যায়ে এসেছে। বর্তমান যুগে এসেছে ডিজিটাল প্রযুক্তি, আছে নানারকম যন্ত্রানুসঙ্গ, যা মানুষের জীবনকে একদিকে সহজও করেছে, অন্যদিকে পুরো পৃথিবীকেও এনে দিয়েছে হাতের মুঠোয়। কিন্তু, সেই সামাজিকতা, একতা, দলবদ্ধতা, সুন্দর আচার-ব্যবহার এবং সমাজ সংস্কারে আজকালকার মানুষেরা কতটা সচেষ্ট?

“মানুষ মানুষের জন্য” এই কথাটা ভাবামাত্রই চোখের সামনে স্পষ্ট চিত্র ভেসে ওঠে, যেকোন সমস্যায় প্রতিকূলতায় প্রত্যেকটা মানুষ একে-অপরের পাশে দাঁড়াচ্ছে। একজন অন্যজনকে সাহায্য করছে। কিন্তু, এটাই হওয়া উচিত হলেও, বর্তমান সময়ে এসে যেন মানুষের সামাজিকতা অজানা কারণে অনেকটা ফিঁকে হয়ে গেছে। সবাই চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে একসঙ্গে থাকলেও, কেউ কারও বিপদে-আপদে পাশে নেই। প্রত্যেকে ব্যস্ত যার যার ভাবনায়, স্বার্থে। একতা নেই। এই ফাঁক-ফোকর থেকেই জন্ম হয়েছে নানা অনাচারের, যা সমাজকে কুড়ে কুড়ে খায়।

এই সমাজে আমাদের বেঁচে থাকাটা সেদিনই স্বার্থক হবে, যেদিন আমাদের ভালো থাকার পাশাপাশি আশেপাশের কাউকেই খারাপ থাকতে হবে না। আর বেঁচে থাকার এই স্বার্থকতা রক্ষার জন্যই, আমাদের এই ছোট একটি উদ্যোগের নামই 'সমাজ'।
এর উদ্দেশ্য সেদিন ই স্বার্থক হবে, যেদিন-

 দু’বেলা অনাহারে থাকা মানুষগুলোর মুখে অন্ন জুটবে

 পথে পথে ঘুরে বেড়ানো বস্ত্রহীন মানুষ নিজের লজ্জা নিবারণের সুযোগ পাবে

 শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের হাতে থাকবে পুস্তক

 অনাথ বাচ্চাগুলো পাবে তাদের অবহেলিত অধিকার ও নিরাপত্তা

 বৃদ্ধ বয়সে আর কাওকে নিঃসঙ্গ থাকতে হবে না

 সামান্য কিছু টাকার অভাবে হারাতে হবেনা মূল্যবান জীবন

 প্রতিটা মানুষের মনে, নতুন প্রজন্মের মনে জন্ম নিবে গণসচেতনতা

ঠিক এই রকম একের পর এক ধাপ পেরিয়েই গড়ে উঠবে নতুন “সমাজ”, জন্ম নিবে নবচেতনা। অজস্র মানুষের চোখের জল যেদিন মুছবে, মানুষের জীবনে আসবে ইতিবাচক পরিবর্তন, সেদিন ই সফল হবে “সমাজ” এর উদেশ্য। এই পর্যন্ত আমাদের সমাজে অনেক সংগঠন আত্বপ্রকাশ করেছে এবং তারা পৃথকভাবে সমাজের ও সমাজের মানুষের জন্যে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু, এই “সমাজ” এর আরেকটি উদ্দেশ্য হচ্ছে সেই পৃথক সংগঠন গুলোকে সাথে নিয়ে শুধু সমাজকে নয়, বরং দেশ কেও বদল করা। কারণ কথাই আছে- “একতাই বল”...

আশা করছি ছোট এই উদ্যোগে সবাইকে পাশে পাব। কারণ এখনি সময় পরিবর্তনের...আর গড়ে তোলার নতুন এক “সমাজ”

Afroza Akhter Tina:
দারুন লাগলো!



Afroza Akhter Tina
Senior Lecturer
Department of English, DIU

Navigation

[0] Message Index

Go to full version