Help & Support > Common Forum/Request/Suggestions

কাঁঠালের যত গুণ

(1/2) > >>

Naznin.Tania:


এই গরমই তো ফল খাওয়ার আসল সময়। বিশেষ করে আম, কাঁঠাল, জাম, লিচুর গন্ধে এখন চারদিক যেন ম ম করছে। সবাই যে ফল পছন্দ করে, এটাও ঠিক নয়। বিশেষ করে কাঁঠাল। অনেকে কাঁঠালের গন্ধটাই পছন্দ করে না, অনেকে ভাবেন যে কাঁঠাল খেলে পেটে গোলমাল হতে পারে। কিন্তু কাঁঠাল খেলে যে কতো উপকার তা জেনে নিন এবার

ত্বকের জেল্লা বাড়ায়

মানসিক চাপ আর দূষণে সৌন্দর্য যদি হারিয়ে যেতে থাকে, মুখে বলিরেখা ফুটতে থাকে তাহলে দেখে মনে হয় বয়স বেড়ে যাচ্ছে হু হু করে। এ থেকে বাঁচতে হলে কাঁঠাল খেতে হবে বেশি করে। ত্বক সুন্দর হবে, উজ্জ্বলতা বাড়বে। আবার কাঁঠালের বীজকেও কাজে লাগানো যায়। এই বীজ কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখার পর সেটি গুঁড়ো করে মুখে লাগালে বলিরেখা কমবে, ত্বকের হারিয়ে যাওয়া সৌন্দর্য ফিরে আসবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়

আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসায় বলা হয়, নিয়মিত কাঁঠালের বীজ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে যায়। কাঁঠালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যেটি শরীরে বর্জ্যের পরিমাণের ভারসাম্য বজায় রেখে কোষ্ঠকাঠিন্য কমিয়ে দেয়।

প্রোটিনের ঘাটতি কমায়

শরীরকে সচল রাখতে পানির পরেই প্রয়োজন প্রোটিনের। তাই কাঁঠাল খাওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকেরাও দিয়ে থাকেন। এই ফলে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে, যা শরীরের প্রোটিনের ঘাটতি মেটায়। পাশাপাশি শরীরের গঠনেও সাহায্য করে।

ভিটামিন এ-এর ঘাটতি পূরণ করে

ত্বক এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি এবং কোষ গঠনে ভিটামিন এ বিশেষ জরুরি। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে এই ভিটামিন রয়েছে। তিই চোখ, চুল, চোখকে বাঁচাতে হলে কাঁঠাল খেতে শুরু করে দিন।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে কে না চায়। তাহলে খাবার অভ্যাস বদলান। এজন্য বেশি করে কাঁঠাল খেতে পারেন। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এই উপাদান দুটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়।

ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়

কাঁঠালে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট এবং ফ্লবোনয়েড রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। সেই সঙ্গে শরীরকে ভিতর থেকে শক্তিশালী করে। ফলে ক্যানসার কোষ খুব কমই জন্মাতে পারে। এছাড়া অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ডি এন এ-কে সুরক্ষিত করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

কাঁঠালে থাকা পটাশিয়াম শরীরের সোডিয়াম লেভেলকে স্বাভাবিক মাত্রায় নিয়ে আসে। ফলে রক্তচাপ কমতে থাকে। অনেক সময়ে চিকিৎসকেরাও ব্লাড প্রেসারে আক্রান্ত রোগীদের প্রতিদিনের ডায়েটে দুইকোয়া করে কাঁঠাল খাওয়ার পরামর্শ দেন। শরীরে পটাশিয়ামের পরিমাণ বাড়লে ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্সও ঠিক থাকে। ফলে রক্তচাপ কমে, সঙ্গে স্ট্রোক এবং হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কাও কমে যায়।

হজম ক্ষমতা ভালো রাখে

গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যা কমবেশি তো সবারই থাকে। প্রাকৃতিকভাবে এই গ্যাসের সমস্যা কমাতে কাঁঠাল খেতে পারেন। কাঁঠালে থাকা ডায়াটারি ফাইবার পাকস্থলির কর্মক্ষমতা বাড়ায়। ফলে হজমের গোলমাল কমে। পেটের রোগবালাইও কমে যায়।


http://www.bdnews24us.com/bangla/article/755534/index.html

asma alam:
Thanks for sharing such an informative post. I was believing for a long time that jack fruit helps to gain weight but a few days ago I have come to know from one of my colleagues that it does not do it at all. Rather it provides energy to the body to do more work. I love jack fruit and from now on I love it more and more than anything.

syful_islam:
Nice

sheikhabujar:
thnx for sharing

Raisa:
good one

Navigation

[0] Message Index

[#] Next page

Go to full version