Faculty of Humanities and Social Science > Law
গবেষণায় 'চুরি' ঠেকাতে ভারতে চার ধরনের শাস্তি
(1/1)
shuvoparna chanda:
ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় বা গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রিসার্চের নামে 'টুকলি' বা নকল করা (প্লেগিয়ারিজম) ঠেকাতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে সে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন বা ইউজিসি।
শুধু তাই নয়, ইউজিসি বলছে প্লেগিয়ারিজমের মাত্রার ওপর নির্ভর করবে শাস্তির পরিমাণ কতটা হবে। নজিরবিহীনভাবে তারা প্লেগিয়ারিজম-জনিত অপরাধের চারটি মাত্রা বা লেভেলও বেঁধে দিয়েছে।
সর্বোচ্চ মাত্রার 'টুকলি' করলে সংশ্লিষ্ট গবেষকের রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে - এমন কী শিক্ষকরা চাকরি পর্যন্ত খোয়াবেন বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বা গবেষণা-কেন্দ্রের সঙ্গে জড়িত অনেকেই মনে করছেন, প্লেগিয়ারিজমের সমস্যা এতটাই ব্যাপক আকার নিয়েছে যে এই ধরনের কড়া পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া কোনও গতি নেই।
তবে গবেষণা পরিচালকদের মধ্যে অনেকেই আবার এই পদ্ধতির সঙ্গে একমত নন। তারা যুক্তি দিচ্ছেন, 'অল্পস্বল্প' প্লেগিয়ারিজমের নামে ছাড় দেওয়া হলে এই প্রবণতাটাকেই আসলে প্রশ্রয় দেওয়া হবে।
বিভিন্ন 'লেভেলে'র প্লেগিয়ারিজম-কে চিহ্নিত করে ইউজিসি যে নির্দেশিকাটি জারি করেছে তা নিয়ে তর্কবিতর্কও হচ্ছে বিস্তর।
তাতে বলা হয়েছে, যদি দেখা যায় যে প্লেগিয়ারিজম বা টুকলির পরিমাণ গবেষণাপত্রের মাত্র ১০ শতাংশ - অর্থাৎ আগে প্রকাশিত অন্য কোনও নিবন্ধের সঙ্গে তার সাদৃশ্যের পরিমাণ বেশ কম - তাহলে অভিযুক্ত গবেষককে অব্যাহতি দেওয়া হবে, তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
এটাকে বলা হচ্ছে 'লেভেল জিরো' প্লেগিয়ারিজম। বিষয়টা শুধু অভিযুক্তকে জানানো হবে এক্ষেত্রে।
অপরাধটা 'লেভেল ওয়ান' বলে গণ্য হবে যদি দেখা যায় প্লেগিয়ারিজমের পরিমাণ ১০ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে। এক্ষেত্রে অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ ছয় মাসের মধ্যে নতুন করে স্ক্রিপ্ট পেশ করতে বলা হবে।
ইউজিসি একটা প্লেগিয়ারিজমকে 'লেভেল টু' বলছে তখনই যখন দেখা যাবে সাদৃশ্যের পরিমাণ ৪০ থেকে ৬০ শতাংশের মধ্যে।
এই ধরনের বড়সড় টুকলিতে গবেষক বা ছাত্রছাত্রীদের অন্তত এক বছরের জন্য কার্যত সাসপেন্ড করা হবে - তারা এই সময়ের মধ্যে নতুন খসড়াও জমা দিতে পারবেন না।
কিন্তু সবচেয়ে বড় অপরাধ হল 'লেভেল থ্রি' প্লেগিয়ারিজম - যেখানে ৬০ শতাংশের বেশি সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যাবে।
ভারতের ইউজিসি বলছে, এরকম হলে গোটা গবেষণা প্রকল্পের রেজিস্ট্রেশনই বাতিল করে দেওয়া হবে। ওই গবেষক তো কালো তালিকাভুক্ত হবেনই, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে তিনিও চাকরি হারাবেন।
Source: https://www.bbc.com/bengali/news-45069781
Mahmud Arif:
Very good initiative.
Al Mahmud Rumman:
Informative indeed!
Navigation
[0] Message Index
Go to full version