আল্লাহর জন্য ভালোবাসা

Author Topic: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা  (Read 11791 times)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #15 on: August 18, 2015, 09:30:08 AM »
বর্তমান মাজার মানেই শিরিক এর কারখানাঃ

আপনি মাজারে মৃত ব্যাক্তিকে কেন টাকা দিতে যাবেন?? মৃত মানুষ টাকা দিয়ে কি করবে?? সবার কাছে একটা অনুরোধ, মাজারে গিয়ে সেখানে কিছু চাওয়াতো দুরেরে কথা, কখনো একটা টাকা পয়সাও সেখানে ফেলবেন না। টাকা যদি দান করতেই হয়, তবে মসজিদে দান করুণ, গরিব দুঃখীদের দান করুণ, এতিম খানায় দান করুণ আর হ্যাঁ তা অবশ্যই হতে হবে একমাত্র আল্লাহকে খুশী করার উদ্দেশ্যে। আর মাজারে আপনি যেটা করতে পারেন সেটা হল, মাজারে শায়িত মৃত ব্যাক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারেন, যেন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন, তাকে জান্নাত দান করেন। কখনোই মাজারে গিয়ে টাকা দিবেন না এবং মৃত ব্যাক্তির কাছে কিছু চাবেন না।

মনে রাখবেন, মাজারে গিয়ে মৃত ব্যাক্তির কাছে কিছু চাওয়া, এটা জঘন্য ধরণের শিরক। আর শিরকের ভয়াবহতা অনেক কঠিন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি তারা শিরক করত তবে তাদের আমলসমূহ নষ্ট হয়ে যেত’ (আন‘আম৮৮)। আল্লাহ আরও বলেন, ‘নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেন এবং তার বাসস্থান হবে জাহান্নাম। আর অত্যাচারীদের কোন সাহায্যকারী নেই’ (মায়েদাহ ৭২)। একই মর্মে হাদীছে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক না করে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে মৃত্যুবরণ করবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে (মুসলিম হা/২৬৬৩)।

নিজে সতর্ক হন এবং পরিবার পরিজনদের এ বিষয়য়ে সতর্ক করুন। আল্লাহ, আমাদের সবাইকে শিরক থেকে মুক্ত থাকার তৌফিক দান করুক। আমিন।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #16 on: August 18, 2015, 09:31:06 AM »
বর্তমান মাজার মানেই শিরিক এর কারখানাঃ

আপনি মাজারে মৃত ব্যাক্তিকে কেন টাকা দিতে যাবেন?? মৃত মানুষ টাকা দিয়ে কি করবে?? সবার কাছে একটা অনুরোধ, মাজারে গিয়ে সেখানে কিছু চাওয়াতো দুরেরে কথা, কখনো একটা টাকা পয়সাও সেখানে ফেলবেন না। টাকা যদি দান করতেই হয়, তবে মসজিদে দান করুণ, গরিব দুঃখীদের দান করুণ, এতিম খানায় দান করুণ আর হ্যাঁ তা অবশ্যই হতে হবে একমাত্র আল্লাহকে খুশী করার উদ্দেশ্যে। আর মাজারে আপনি যেটা করতে পারেন সেটা হল, মাজারে শায়িত মৃত ব্যাক্তির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারেন, যেন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন, তাকে জান্নাত দান করেন। কখনোই মাজারে গিয়ে টাকা দিবেন না এবং মৃত ব্যাক্তির কাছে কিছু চাবেন না।

মনে রাখবেন, মাজারে গিয়ে মৃত ব্যাক্তির কাছে কিছু চাওয়া, এটা জঘন্য ধরণের শিরক। আর শিরকের ভয়াবহতা অনেক কঠিন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘যদি তারা শিরক করত তবে তাদের আমলসমূহ নষ্ট হয়ে যেত’ (আন‘আম৮৮)। আল্লাহ আরও বলেন, ‘নিশ্চয়ই যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থাপন করে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দেন এবং তার বাসস্থান হবে জাহান্নাম। আর অত্যাচারীদের কোন সাহায্যকারী নেই’ (মায়েদাহ ৭২)। একই মর্মে হাদীছে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরীক না করে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি তাঁর সাথে কাউকে শরীক করে মৃত্যুবরণ করবে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে (মুসলিম হা/২৬৬৩)।

নিজে সতর্ক হন এবং পরিবার পরিজনদের এ বিষয়য়ে সতর্ক করুন। আল্লাহ, আমাদের সবাইকে শিরক থেকে মুক্ত থাকার তৌফিক দান করুক। আমিন।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #17 on: November 26, 2015, 04:28:19 PM »
         পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে।     بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

            যাবতীয় প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য।    الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #18 on: November 26, 2015, 04:32:24 PM »
 রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বানীঃ ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি

৭। উবায়দুল্লাহ্ ইবনু মূসা (রাঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি।

১। আল্লাহ্ ছাড়া ইলাহ্ নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মদ আল্লাহ্‌র রাসূল-এ কথার সাক্ষ্য দান।
২। সালাত (নামায/নামাজ) কায়েম করা
৩। যাকাত দেওয়া
৪। হাজ্জ (হজ্জ) করা এবং
৫। রামাদান এর সিয়াম পালন করা।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #19 on: December 21, 2015, 05:47:05 PM »
কাজী (বিচারক) প্রসঙ্গে

১৩২২। আবদুল্লাহ ইবনু মাওহাব (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, উসমান (রাঃ) ইবনু উমার (রাঃ)-কে বলেন, যাও! লোকদের মাঝে বিচার-ফায়সালা কর। তিনি বললেন, হে মু’মিনদের নেতা! আমাকে কি মাফ করবেন? তিনি বললেন, এ পদটি তুমি কেন অপছন্দ করছ, অথচ তোমার পিতা বিচার-ফায়সালা করতেন? তিনি উত্তরে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি কাযী (বিচারক) নিযুক্ত হয়ে ইনসাফের উপর বিচার-ফায়সালা করলেও সে বরাবর আমল নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে (না তার কোন গুনাহ আছে আর না তার কোন সাওয়াব আছে)। এরপর আমি আর কি আশা করতে পারি?

যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৩৭৪৩)। তা’লীকুর রাগীব (২/১৩২) তা’লীক আলা আহাদীস মুখতারাহ (৩৪৮, ৩৪৯)
১৩২২/২। বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাজীগণ তিন প্রকারের হয়ে থাকে। দুই প্রকারের কায়ী (বিচারক) হচ্ছে জাহান্নামী এবং এক প্রকার কায়ী হচ্ছে জান্নাতী। জেনেশুনে যে লোক (বিচারক) অন্যায় রায় প্রদান করে সে হচ্ছে জাহান্নামী। সত্যকে সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি না করেই যে লোক (বিচারক) মানুষের অধিকারসমূহ নস্যাৎ করে সে লোকও জাহান্নামী। আর যে লোক ন্যায়সঙ্গতভাবে ফায়সালা প্রদান করে (বিচারক) সে জান্নাতের অধিবাসী ।

সহীহ, ইরওয়া (২৬১৪), মিশকাত (৩৭৩৫)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #20 on: January 04, 2016, 12:51:52 PM »
কোরআন এবং বিজ্ঞানের আলোকে ভূমিকম্পের কারণ

বিশ্ব আজ মহাবিপদের সম্মুখীন। মানব সভ্যতা এই হুমকির মুখোমুখি হয়েছে বিশ্বে উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে। সেই সঙ্গে আরো রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়া, অস্বাভাবিকভাবে মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে থাকার কারণগুলো।
বৈজ্ঞানিকরা এখন এই সমস্যার কথা বললেও আজ থেকে সাড়ে চৌদ্দশ’ বছর পূর্বে আল্লাহ তায়ালা বিশ্ববাসীকে এসব বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন পৃথিবী বিপন্ন। এ প্রসঙ্গে ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা কি দেখে না যে, ক্রমেই আমরা তাদের জমিনকে এর বহিঃপরিসরের দিক দিয়ে সঙ্কুচিত করছি।’ -সূরা রাদ: ৪১
স্থলভাগের পরিসর ক্রমান্বয়ে কমে আসছে সমুদ্রের বিস্তারের মাধ্যমে। বিপদ এখানেই শেষ নয়, সমুদ্রের তলদেশ বাইরের দিকে প্রসারিত হওয়ার পাশাপাশি বেড়ে গেছে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা। বর্তমান সময়ের এসব সমস্যা নিয়ে সপ্তম শতাব্দীতে কেউ স্বপ্নেও ভাবত না অথচ তখনই কোরানে এ ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে। বলা হয়েছে, ‘যখন মহাসমুদ্রগুলো উত্তাল করে তোলা হবে’ (সূরা তাকবির: ৬)।
আরবিতে এটাকে ‘সুজ্জিরাত’ বলা হয়। ইবনে কাসির এর তাফসিরে বলেন, ‘যখন এটা রূপ নেবে প্রজ্বলিত অগ্নির।’ বিজ্ঞান-পূর্ব সেসব যুগে টগবগ করে ওঠা সাগরের পানির বিষয়টি কেউ বুঝে উঠতে পারেনি। কিন্তু এখন বিজ্ঞান কোরানের সত্যতাকেই তুলে ধরছে এবং সাগরতলে অগ্ন্যুৎপাতের সন্ধান পেয়েছে। বিজ্ঞানীদের ভয় পৃথিবী নামক গ্রহ উষ্ণতার কারণে খুব তাড়াতাড়ি ধ্বংস হয়ে যাবে।
অন্যদিকে গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ পৃথিবীকে নাটকীয়ভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিপজ্জনক পরিস্থিতির সম্মুখীন করছে। এটা এক সময় চলে যেতে পারে নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তখন মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য বিরাট বিপদ সৃষ্টি হবে। বস্তুত পৃথিবীর প্রতি আমাদের কৃত অবিচারের দরুন এসব হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে স্থলভাগে ও সমুদ্রে মানুষের কর্মকাণ্ডের পরিণামে। -সূরা আর রুম: ৪১
এখন প্রশ্ন হলো, মানুষের যেসব কর্মকাণ্ড মানবজাতিকে বিপদাপন্ন করছে, সেগুলো কি আমাদের বিজ্ঞানীরা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হবেন? যদি না হন, তাহলে পৃথিবীর ধ্বংস অনিবার্য। এ বিষয়েও কোরানে বলা হয়েছে, ‘যেদিন এই পৃথিবী অন্য এক পৃথিবীতে রূপান্তরিত হবে এবং আসমানগুলোতে ঘটবে পরিবর্তন, সে দিন…’ (সূরা ইবরাহিম: ৪৮)। কোরানে কারিমের অনেক আয়াতে এভাবেই বিশ্বজগতের ধ্বংসের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে। তবে যা অজানা, তা হলো কখন এটা ঘটবে।   

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #21 on: January 10, 2016, 04:46:28 PM »
#‎যে‬ দুইটি কারণে মানুষ সবচেয়ে
বেশী জান্নাতে যাবে;
১. তাক্বত্তয়া (আল্লাহর প্রতি ভয়)
২. উত্তম চরিত্র।

#যে দুইটি কারণে মানুষ সবচেয়ে
বেশী জাহান্নামে যাবে;
১. জিহ্বা (গীবত,অপবাদ, মিথ্যা,কটু কথা দ্বারা মানুষ কে কষ্ট দেত্তয়া)।
২. লজ্জাস্থান (অশ্লীলতা,অবৈধ প্রেম/
ভালবাসা, জিনা/ব্যাভিচার)।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #22 on: January 11, 2016, 04:55:46 PM »
"মুসলমান যখন মসজিদের দিকে রওনা হয় সে
তার ঘরে ফিরে আসা পর্যন্ত তার প্রতি কদমে
আল্লাহ একটি নেকী দান করেন এবং একটি করে
গোনাহ মোচন করেন।”
=====বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ {সাঃ}

Offline hassan

  • Faculty
  • Hero Member
  • *
  • Posts: 501
    • View Profile
    • Google site
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #23 on: January 11, 2016, 05:54:42 PM »
Thank ypu for your valuable post
Md. Arif Hassan
Assistant Professor
Department of Business Administration
Faculty of Business and Economics
Daffodil International University

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #24 on: January 17, 2016, 05:35:32 PM »
যে ব্যক্তি কালেমা 'র দাওয়াত মানুষের নিকট
পৌঁছেদিবে, আমি তাকে সাথে করে জান্নাতে
নিয়ে যাব।_______হযরত মুহাম্মদ (সঃ)

Offline hassan

  • Faculty
  • Hero Member
  • *
  • Posts: 501
    • View Profile
    • Google site
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #25 on: January 19, 2016, 08:39:02 AM »
Thanks for your invaluable post.
Md. Arif Hassan
Assistant Professor
Department of Business Administration
Faculty of Business and Economics
Daffodil International University

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #26 on: February 08, 2016, 02:21:30 PM »
সূরা ইখলাসের ফজিলত ও বরকতঃ

১। যে ব্যক্তি একবার সূরা ইখলাস পাঠ করবে সেই ব্যক্তি কুরআনুল কারীম এক তৃতীয়াংশ পাঠ করার সওয়াব লাভ করবে।

২। যে ব্যক্তি দশবার পাঠ করবে আল্লাহ্ তায়ালা নিজ কুদরতি হাতে জান্নাতের মধ্যে বিশেষ মর্যাদাশীল একটি মহল তৈরি করবেন।

৩। যে ব্যক্তি অধিক পাঠ করবে আল্লাহ্ তায়ালা আর জন্য জান্নাতে ওয়াজিব করে দিবেন।

৪। যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণ পাঠ করবে আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর লাশ বহন করার জন্য হয়রত জিবরাঈল (আঃ) এর সাথে সত্তর হাজার ফেরেশতা প্রেরন করবেন। সেই ফেরেশতারা তাঁর লাশ বহন করবে এবং জানাজায় শরিক হবে।

সুবহানাল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সকলকে জানার এবং বুঝার তৌফিক এবং সে অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুক। আমীন।

Offline khyrul

  • Full Member
  • ***
  • Posts: 138
  • Test
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #27 on: February 24, 2016, 11:39:49 AM »
কী বলছে ইসলাম, ‘বাড়িতে মাকড়সার জাল’ এর অর্থ কি?
অনেকের বাড়িতেই বিভিন্ন সময় মাকড়সা জাল বুনে থাকে। তবে অনেক মুসলমান ভাই-বোনরা মনে করেন ‘বাড়িতে মাকড়সার জাল’ অর্থ ওই বাড়িতে দারিদ্রতা বৃদ্ধি পাওয়া। এ বিষয়ে আসলে ইসলাম কী বলছে? ইসলামের ব্যাখ্যা নিম্নরূপ:
আসলে পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এর কোনো প্রমাণ নেই। মূলত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান। ইসলাম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার প্রতি বেশ গুরুত্ব দিয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন মানুষদের আল্লাহ তা’য়ালা পছন্দ করেন।

এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমের বিভিন্ন স্থানে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্নতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন।’ –সূরা আল বাকারা: ২২২

‘বলো, অপবিত্র ও পবিত্র সমান নয়, যদিও অপবিত্রের প্রাচুর্য তোমাকে বিস্মিত করে। অতএব, হে বুদ্ধিমানগণ, আল্লাহকে ভয় করো- যাতে তোমরা মুক্তি পাও।’ –সূরা মায়েদা:

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #28 on: March 10, 2016, 09:37:41 AM »
আল্লাহ ‘ওয়াদূদ’! প্রেমময়। আন্তরিক। তার মানে তিনি আমাকে ভালোবাসেন। আমি তার অত্যন্ত প্রিয়।
হাদীসে কুদসিতে আছে:
হে আদম সন্তান! যতদিন পর্যন্ত আমার ক্ষমতা বাকি থাকে, তুমি দুনিয়ার কোনও ক্ষমতাবানকে একদম ভয় করবে না। আর আমার ক্ষমতা কখনো শেষ হবে না।
-
হে আদম সন্তান! তুমি রিযিকসংকটের ভয় করো না! আমার ভান্ডার সব সময় পরিপূর্ণ! আমার ভান্ডার কখনোই ফুরোবে না।
.
হে আদম সন্তান! আমি তোমাকে ইবাদতের জন্যে সৃষ্টি করেছি। তুমি হেলায় খেলায় সময় নষ্ট করো না। আমি তোমার রিযিকের ‘জামিন’! রিযিকের পেছনে ছুটে নিজেকে ক্লান্ড করো না!
.
তুমি সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা করো। তবে হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখো!
.
হে আদম সন্তান! আমার ইজ্জত ও জালালের কসম! আমি তোমাকে যা দিয়েছি, তাতে যদি তুমি সন্তুষ্ট থাকো, আমি তোমার তনুমনকে আরামেই রাখবো! তুমি আমার কাছে প্রশংসিত হয়েই থাকবে!
আর আমি তোমাকে যা দিয়েছি, তা নিয়ে যদি তুমি সন্তুষ্ট না হও, তাহলে আমার ইজ্জত ও জালালের কসম! আমি তোমার ওপর দুনিয়াকে চাপিয়ে দিবো! তুমি তখন বন্য পশুর মতো খাবারের পেছনে মাথাকুটে মরবে! তখনো কী হবে? শতচেষ্টা করেও, আমি তোমার জন্যে যা লিখে রেখেছি, ততটুকুই পাবে! বিন্দু পরিমাণও বেশি কিছু উপার্জন করতে পারবে না।
.
হে আদম সন্তান! আমি আসমান যমিন সৃষ্টি করেছি! সেগুলো সংরক্ষণ করতে, আমাকে বিন্দুমাত্র বেগ পেতে হয় না! তোমার জন্যে রুজিরুটির বন্দোবস্ত করতে বুঝি বেগ পেতে হবে?
-
হে আদম সন্তান! আমার কাছে তুমি আগামী কালের রিযিক চেয়ে অস্থির হয়ে পড়ে না। ঠিক যেমন আমি তোমার কাছে আগামীকালের ‘ইবাদত’ দাবি করি না!
.
হে আদম সন্তান! আমি তোমাকে ভালোবাসি! আমি তোমার ‘মুহিব্ব’! প্রেমিক! তোমার প্রতি আমার সমস্ত আচরণই প্রেমিকের মতো হবে!
.
কেন এত দুশ্চিন্তা! কেন এত উৎকণ্ঠা! কেন এত দৌড়াদৌড়ি! শান্ত হয়ে আমার ইবাদতে লেগে থাকো! বাকিটা আমি দেখছি!

Offline zafrin.eng

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 390
  • Test
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #29 on: March 10, 2016, 01:06:01 PM »
thank you for sharing this valuable post!