আল্লাহর জন্য ভালোবাসা

Author Topic: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা  (Read 10833 times)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #60 on: February 16, 2017, 12:25:37 PM »
ঈমানের অর্থ- বিশ্বাস করা, আস্হা স্হাপন, স্বীকৃতি দেওয়া, নির্ভর করা, মেনে নেওয়া ইত্যাদি।
অাল্লাহ্কে বিশ্বাস করা এবং তার আাদেশ নিষেধকে মেনে চলার নাম ঈমান।

ঈমান হচ্ছে- "অাল্লাহ, তার ফেরেশতাকুল, কিতাবসমুহ, রাসুলগন, পরকাল এবং তাকদিরের প্রতি বিশ্বাস স্হাপন করা।" -
( মুসলিম)।... See More

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #61 on: February 27, 2017, 04:30:18 PM »
ক্রোধের সময় আ'ঊযু বিল্লাহি মিনাশ্ শাইত্বোয়ানির রাজীম বলা

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #62 on: June 05, 2017, 04:11:43 PM »
আল্লাহর নিকট অধিক প্রিয় চারটি কথা হলো -

- 'সুবহানাল্লাহ' - আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা
- 'আলহামদুলিল্লাহ' - প্রশংসা সবই আল্লাহর জন্যে
- 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' - আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই
- 'আল্লাহু আকবার' - আল্লাহ সর্বশক্তিমান।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #63 on: June 06, 2017, 03:15:20 PM »
"অহংকারের বশবর্তী হয়ে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা কর না, আর পৃথিবীতে গর্বভরে চলাফেরা কর না, নিশ্চয়ই আল্লাহ কোন দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না।"
--[সূরা লুকমান ৩১, আয়াত ১৮]

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #64 on: July 26, 2017, 04:42:05 PM »
রোগী দেখতে যাওয়ার ফযিলত:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যখন কোনো লোক তার মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, তখন সে না বসা পর্যন্ত যেন জান্নাতে ফল আহরণে বিচরণ করতে থাকে।

অতঃপর যখন সে (রোগীর পাশে) বসে, (আল্লাহ্‌র) রহমত তাকে ঢেকে ফেলে।

সময়টা যদি সকাল বেলা হয় তবে সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য ক্ষমা ও কল্যাণের দো‘আ করতে থাকে বিকাল হওয়া পর্যন্ত। আর যতি সময়টা বিকাল বেলা হয় তবে সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য রহমতের দো‘আ করতে থাকে সকাল হওয়া পর্যন্ত।”

তিরমিযী, নং ৯৬৯; ইবন মাজাহ্‌, নং ১৪৪২; আহমাদ, নং ৯৭৫। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ্ ১/২৪৪; সহীহুত তিরমিযী, ১/২৮৬। তাছাড়া শাইখ আহমাদ শাকেরও হাদীসটি বিশুদ্ধ বলেছেন।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #65 on: October 15, 2017, 05:06:46 PM »
“আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন- আমার সমস্ত উম্মত জান্নাতে যাবে তবে ঐ সমস্ত লোক ব্যতীত যারা অস্বীকার করে। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন হে আল্লাহর রাসূল! কে অস্বীকার করে? তিনি বললেন, যে ব্যক্তি আমার অনুসরণ করে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার নাফরমানী করে সে অস্বীকার করে।” (বুখারি, হাদীস নং ৭২৮০।)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #66 on: October 22, 2017, 11:31:50 AM »
চিঠি পাঠ করে হযরত উমর রা. এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেল।

হযরত উমর (রাঃ) এর খিলাফতের প্রথম দিকে হযরত আবু উবাইদা বায়তুল মাল দেখাশুনা করতেন। ঈদের আগের দিন খলীফার স্ত্রী বললেন, ‘আমাদের জন্য ঈদের নতুন কাপড় না হলেও চলবে, কিন্তু ছোট বাচ্চাটি ঈদের নতুন কাপড়ের জন্য কাঁদছে’।
খলীফা বললেন, ‘আমার নতুন কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই’। খলীফা পত্নী উম্মে কুলসুম খলীফার আগামী মাসের বেতন থেকে অগ্রিম নেয়ার জন্য তাঁকে অনুরোধ করলেন।
খলীফা উমর (রাঃ) হযরত আবু উবাইদাকে খলীফার এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠালেন।
সমগ্র মুসলিম জাহানের খলীফা যিনি, যিনি অর্ধ পৃথিবী শাসন করছেন, তাঁর এ ধরণের চিঠি পাঠ করে হযরত আবু উবাইদার চোখে পানি এসে গেল। উম্মতে আমীন হযরত আবু উবাইদা (রাঃ) বাহককে টাকা না দিয়ে সিদ্ধান্ত চেয়ে চিঠি লিখলেন, ‘আমীরুল মুমিনীন! অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দুটি বিষয়ে আপনাকে ফয়সালা দিতে হবে। প্রথমত আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি না?
দ্বিতীয়ত, বেঁচে থাকলেও মুসলমানেরা আপনাকে খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কিনা?’
চিঠি পাঠ করে হযরত উমর এত কেঁদেছেন যে তাঁর চোখের পানিতে দাঁড়ি ভিজে গেলো। আর হাত তুলে হযরত আবু উবাইদার জন্য দোয়া করলেন, ‘আল্লাহ আবু উবাইদার উপর রহম কর, তাঁকে হায়াত দাও’।
স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক জাতির একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তি আছেন, আমার উম্মতের বিশ্বস্ত ব্যক্তি হচ্ছেন আবু উবাইদা ইবনুল জাররাহ’।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #67 on: November 14, 2017, 05:18:56 PM »
জান্নাতের বাতাস
===================
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘জান্নাতে একটি বাজার হবে, যেখানে জান্নাতিগণ প্রত্যেক শুক্রবার আসবে। তখন উত্তর দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হবে, যা তাদের চেহারায় ও কাপড়ে সুগন্ধ ছড়িয়ে দেবে। ফলে তাদের শোভা-সৌন্দর্য আরও বেড়ে যাবে। অতঃপর তারা রূপ-সৌন্দর্যের বৃদ্ধি নিয়ে তাদের স্ত্রীগণের কাছে ফিরবে। তখন তারা তাদেরকে দেখে বলবে, ‘আল্লাহর কসম! আপনাদের রূপ-সৌন্দর্য বেড়ে গেছে!’ তারাও বলে উঠবে, ‘আল্লাহর শপথ! আমাদের যাবার পর তোমাদেরও রূপ-সৌন্দর্য বেড়ে গেছে!’’

[1] মুসলিম ২৮৩৩, আহমাদ ১৩৬২১, দারেমী ২৮৪১
হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #68 on: November 27, 2017, 03:41:54 PM »
জান্নাত প্রার্থনা করা ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়ার দুয়াঃ ৩ বার

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ’উযু বিকা মিনান্নার।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ৩ বার জান্নাত প্রার্থনা করে, জান্নাত আল্লাহর কাছে দুয়া করে, হে আল্লাহ তাকে জান্নাত দান করো। যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ৩ বার জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে, জাহান্নাম আল্লাহর কাছে দুয়া করে, হে আল্লাহ তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দাও”।
তিরমিযিঃ ২৫৭২, ইবনে মাজাহ ৪৩৪০, শায়খ আলবানি এই হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন, সহীহুল জামি ৬২৭৫।
***উল্লেখ্য – সকাল সন্ধ্যায় ৭ বার “আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার” পড়ার হাদীসটা জয়ীফ বা দুর্বল, শায়খ আলবানী সিলসিলা জয়ীফাহঃ ১৬২৪।
সুতরাং সেটা না পড়ে এই দুয়া পড়বেন, কারণ এটাতে জান্নাত চাওয়া ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি চাওয়া দুইটা দোয়া আছে আর এটা সহীহ। ঐটা থেকে এইদুয়াটা সহীহ।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #69 on: January 07, 2018, 04:13:47 PM »
রাসূল (সাঃ) বলেন!

সারা পৃথিবী অামার জন্য মসজিদ ( নামাজের জায়গা) এবং পবিত্রতার উপকরন বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং অামার উম্মতের মধ্যে যে ব্যক্তির নিকট যে কোন স্থানে নামাজের সময় এসে উপস্থিত হবে,
সে যেন সেখানেই নামাজ পড়ে নেয়।

_______[ সহিহ বুখারী, মুসলিম ৪৩৮ ]_______

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #70 on: January 23, 2018, 11:48:59 AM »


#প্রশ্নঃ কোন ক্ষেত্রে ইনশাআল্লাহ বলতে হবে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে বলতে হবে না?
============================
#উত্তরঃ ভবিষ্যতের সাথে সম্পৃক্ত প্রতিটি বিষয়ের ক্ষেত্রে ইনশাআল্লাহ বলা উত্তম। আল্লাহ বলেন,

﴿وَلَا تَقُولَنَّ لِشَاْيۡءٍ إِنِّي فَاعِلٞ ذَٰلِكَ غَدًا ٢٣﴾ [الكهف: ٢٣]

“কখনই তুমি কোনো বিষয়ে বলোনা, আমি ওটা আগামীকাল করবো। তবে এভাবে বলবে যে, যদি আল্লাহ চান।” [সূরা আল-কাহাফ, আয়াত: ২৩-২৪]

অতীত হয়ে গেছে এমন বিষয়ের ক্ষেত্রে ইনশাআল্লাহ বলার দরকার নেই। যেমন, কোনো লোক যদি বলে গত রবিবারে রামাযান মাস এসেছে ইনশাআল্লাহ। এখানে ইনশাআল্লাহ বলার প্রয়োজন নেই। কারণ, তা অতীত হয়ে গেছে। অনুরূপভাবে ইনশাআল্লাহ আমি কাপড় পরিধান করেছি। এখানেও ইনশাআল্লাহ বলার দরকার নেই। কারণ, কাপড় পরিধান করা শেষ হয়ে গেছে। সালাত আদায় করার পর ইনশাআল্লাহ সালাত পড়েছি বলার দরকার নেই; কিন্তু যদি বলে ইনশাআল্লাহ মাকবূল সালাত পড়েছি তাহলে কোনো অসুবিধা নেই। কারণ, সালাত কবূল হলো কি না তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #71 on: February 05, 2018, 05:28:43 PM »
“আর এটাই হচ্ছে আমার (দেখানো) সহজ সরল পথ, অতএব তোমরা একমাত্র এরই অনুসরণ করো, কখনো ভিন্ন পথ অবলম্বন করো না, কেননা (ভিন্ন পথ অবলম্বন করলে) তা তােমাদেরকে নিয়ে (আল্লাহর) সঠিক পথ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে । এ সকল বিষয়ে আল্লাহ তোমাদেরকে জোরালোভাবে উপদেশ দিচ্ছেন ৷ আশা করা যায় , তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করবে৷”

--(সূরা ৬ : আনআম ১৫৩)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #72 on: April 21, 2018, 07:45:48 PM »
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা ধারণা থেকে বেঁচে থাক। কারণ ধারণা হচ্ছে নিকৃষ্টতম মিথ্যা। তোমরা আঁড়ি পেতো না, গোপন দোষ অন্বেষণ করো না, স্বার্থের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হয়ো না, হিংসা করো না, বিদ্বেষ পোষণ করো না, সম্পর্কচ্ছেদ করো না, পরস্পর কথাবার্তা বন্ধ করো না, একে অপর থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিও না, দাম-দস্ত্তরে প্রতারণা করো না এবং নিজের ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের মাঝে ক্রয়-বিক্রয়ের চেষ্টা করো না। হে আল্লাহর বান্দারা! আল্লাহ যেমন আদেশ করেছেন, সবাই তোমরা আল্লাহর বান্দা ভাই ভাই হয়ে যাও।’

-সহীহ বুখারী, হাদীস : ৫১৪৩, ৬০৬৪, ৬০৬৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস : ২৫৬৩/২৮, ২৯, ৩০ ও ২৫৬৪/৩২, ৩৩

Offline fahad.faisal

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 734
  • Believe in Hard Work and Sincerity.
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #73 on: May 24, 2018, 11:35:05 PM »
Thanks a lot for sharing Sir. A very nice post indeed.
Fahad Faisal
Department of CSE

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 314
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #74 on: June 11, 2018, 03:40:44 PM »
জান্নাতিদের সম্পর্কে এক আয়াতে আল্লাহ-তাআলা বলেনঃ-
সেখানে(জান্নাতে) তোমাদের জন্য আছে যা তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্যে আছে যা তোমরা দাবী কর।🙂🙂
(সূরা হা-মীম সেজদাহ,আয়াত ৩১)
অন্য এক আয়াতে জাহান্নামীদের সম্পর্কে আল্লাহ-তাআলা বলেনঃ-
অতএব যারা কাফের, তাদের জন্যে আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে।ফলে তাদের পেটে যা আছে, তা এবং চর্ম গলে বের হয়ে যাবে।তাদের জন্যে আছে লোহার হাতুড়ি।তারা যখনই যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেয়া হবে। বলা হবেঃ দহন শাস্তি আস্বাদন কর।😥😥
(সূরা হাজ্জ্ব,আয়াত ১৯-২২)