আপনার রিজুমী সোস্যাল মিডিয়ার জন্য অপটিমাó

Author Topic: আপনার রিজুমী সোস্যাল মিডিয়ার জন্য অপটিমাó  (Read 146 times)

Offline M Z Karim

  • Faculty
  • Full Member
  • *
  • Posts: 183
  • Assistant Professor,Dept. of CSE, FSIT
    • View Profile
    • M Z Karim
আপনার রিজুমী সোস্যাল মিডিয়ার জন্য অপটিমাইজ করার টিপস

সময়ের সাথে পাল্টে যায় কত কিছু, যেমনটা পাল্টে যাচ্ছে কাজের এবং কাজ খোঁজার ধরন। তার হাত ধরে পাল্টে যাচ্ছে আপনার রিজুমীটিও। একটা সময় ছিল, চাকরীর জন্য মানুষ বায়োডাটা পাঠাতেন। তার কারণ তখন বায়োডাটা দেখেই মানুষের চাকরী হতো, তার যোগ্যতা দেখে নয়। কিন্তু এখন সেগুলো অনেকটা পাল্টে গেছে। মানুষ বায়োডাটা এবং রিজুমীর পার্থক্য বুঝতে শিখেছেন। আর এখন সেই রিজুমীতে যোগ হয়েছে সোস্যাল মিডিয়া।

              

আমাদের জীবনে চলে এসেছে ফেসবুক, ইউটিউব, লিংকডইন, টুইটার ইত্যাদি। এগুলোকে একটা সময়ে যদিও ভাবা হতো কেবলমাত্র যোগাযোগ রাখার মাধ্যম হিসেবে, কিন্তু বর্তমানে এগুলোই হয়ে উঠেছে আপনার আমার আইডেন্টিটি বা পরিচয়। যারা চাকরীর জন্য প্রার্থী খোঁজেন, তারা আপনার সম্পর্কে খোঁজ নিতে প্রবেশ করেন ফেসবুকে, নয়তো লিংকডইনে। চাকুরী দাতাদের জন্য বিষয়টি খুবই সহজ হয়ে গিয়েছে, এবং দিনকে দিন আরো সহজ হয়ে যাবে। তারা আপনার প্রোফাইল দেখেই জেনে নেবে, আপনাকে ইন্টারভিউতে ডাকা যাবে কি যাবে না। আবার উল্টোটাও সত্যি। আপনার সামাজিক মিডিয়ার সাইটে আপনি আপনার একটি রিজুমী রেখে দিতে পারেন। এবং কেউ যখন চাকরীর জন্য প্রার্থী খুঁজবে, তারা খুব অনায়াশেই সার্চ করে আপনাকে পেয়ে যেতে পারে |

রিজুমীর একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো, বিষয়টি খুবই তরল - অর্থ্যাৎ ঠিক কোনও কিছু দিয়ে মেপে বলা যাবে না যে, আপনার রিজুমী ঠিক এতোটুকুই হতে হবে, এর চেয়ে বেশি বড় হওয়া যাবে না। রিজুমী ছোট হতে পারে, দীর্ঘ হতে পারে, অনলাইন রিজুমী হতে পারে, অফ-লাইন রিজুমী হতে পারে। আবার আজকাল ভিডিও রেকর্ড করা রিজুমী হতে পারে। রিজুমীর মূল উদ্দেশ্য হলো, আপনার নিজের যোগ্যতাকে চাকুরীদাতার কাছে তুলে ধরা। তাই সেটা যেকোনও ফরম্যাটে হলেই হলো। আদি ধ্যান-ধারনা থেকে আমরা অনেক আগেই বের হয়ে এসেছি। তবে, নতুন যে বিষয়টি আপনি শিখতে পারেন তাহলো - আপনার রিজুমী যে ফরম্যাটেই হোক না কেন, তা যেন হয় সামাজিক মিডিয়ার জন্য অপটিমাইজ করা।

১. রিজুমীতে সামাজিক মিডিয়ার লিংক দিন : বর্তমানে ১০.৯% চাকুরীপ্রার্থী তাদের রিজুমীতে নিজেদের সামাজিক মিডিয়ার লিংক দিয়ে থাকেন; এবং প্রতি বছর এটা বেড়ে চলেছে।
২. তথ্য আপডেট রাখুন : কখনই যেন আপনার রিজুমী এবং সামাজিক মিডিয়ার তথ্য অসঙ্গতিপূর্ণ না হয়। হয়তো বিভিন্ন ক্যারিয়ার সাইটে আপনার রিজুমী পোষ্ট করে রেখেছেন।  
                     সেগুলোও    েন সঠিক তথ্যে আপডেট করা থাকে।
৩. শুধু কপি/পেস্ট করবেন না :
৪. এসইও-এর জন্য কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করুন : এস.ই.ও (SEO) হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। বর্তমান সময়ের ভালো চাকুরীদাতারা আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড কিংবা শুধু আপনাকে
                                     খোঁজার জন্য তারা গুগল কিংবা অ্যাপ্লিক্যান্ট ট্র‌্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে। এর মাধ্যমেই তারা সবচে সেরা প্রার্থীকে খুঁজে বের করে|

আপনি নিশ্চই মনে মনে ভাবছেন, করবো একটা চাকুরী - তার সাথে গুগল কিংবা ওই সব ট্র্যাকিং সফটওয়্যারের সম্পর্কটা কোথায়! আপনি হাইটেক চাকুরী করেন, আর সাধারন চাকুরী করেন - আপনি ভালো হলে আপনাকে সবসময়ই ট্র্যাক করা হবে। আপনি সেটা জানতেও পারবেন না। বিশেষ করে হিউম্যান রিসোর্সের লোকজন সারাক্ষণ লেগে আছে স্পাইয়ের মতো। এরা হিউম্যান রিসোর্সে কাজ না করে, কোনও স্পায়িং এজেন্সিতে কাজ করলে অনেক ভালো করতো। যাই হোক, আপনার চারপাশের পৃথিবী এমন। এটা মেনে নিয়েই আপনাকে এগুতে হবে।

আপনার অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ উদ্দেশ্যের বাইরেও আপনাকে নজর দিতে হবে "কী-ওয়ার্ড"-এর উপর। গুগল মানেই হলো "কী-ওয়ার্ড"। খেয়াল রাখুন, আপনার জন্য কি কি কী-ওয়ার্ড প্রযোজ্য। সেগুলো রিজুমীতে ঢুকিয়ে দিন। তাহলে দেখবেন, আপনার রিজুমী যেখানেই রাখেন না কেন, গুগল ঠিকই সার্চ করে নিয়ে আসবে।বাজারে অনেক এসইও টুলস পাওয়া যায়, যেগুলো আপনার কী-ওয়ার্ড বের করে দিতে সাহায্য করতে পারে।
M Z Karim
Assistant Professor
Department of CSE
Daffodil International University,Dhaka