শ্বাসযন্ত্রের সবচেয়ে মারাত্মক রোগ ফুসফুস ক্যানসার

Author Topic: শ্বাসযন্ত্রের সবচেয়ে মারাত্মক রোগ ফুসফুস ক্যানসার  (Read 70 times)

Offline Sahadat Hossain

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 350
  • Test
    • View Profile
ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

ফুসফুস ক্যানসারে লক্ষণ সহজে ধরা পড়বে না।

বাংলাদেশের পুরুষদের এক নম্বর ক্যানসার হলো ফুসফুস ক্যানসার।

যারা ধূমপায়ী তারা এ ধরনের ক্যানসার থেকে একেবারেই ঝুঁকিমুক্ত নন।

নারীদের ক্ষেত্রেও এ রোগে আক্রান্ত রোগীর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

লেখা
সৌরীন রহমান

শ্বাসযন্ত্রের সবচেয়ে মারাত্মক রোগ ফুসফুস ক্যানসার
বিশ্বব্যাপী মরণব্যাধিগুলোর মধ্যে ক্যানসার অন্যতম। বাংলাদেশেও উচ্চ মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগের মধ্যে একটি হলো ফুসফুসের ক্যানসার। তাই ফুসফুস ক্যানসার যাতে প্রাথমিক পর্যায়েই প্রতিরোধ করা যায়, সে জন্য এর উপসর্গ সম্পর্কে যথেষ্ট ধারণা রাখতে হবে। বলা হয়ে থাকে, শ্বাসযন্ত্রের যাবতীয় রোগের মধ্যে ফুসফুসের ক্যানসার সবচেয়ে মারাত্মক। তবে আশার কথা হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে এ রোগ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো যায়। আর এর জন্য প্রয়োজন জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।


এ লক্ষ্যে এসকেএফ অনকোলোজি নিবেদিত ‘বিশ্বমানের ক্যানসার চিকিৎসা এখন বাংলাদেশে’ অনুষ্ঠানের ১৩ তম পর্বে অতিথি হিসেবে যোগ দেন ডা. জাহান আফরোজা লাকী, এমবিবিএস, এমফিল (রেডিওথেরাপি), অনকোলোজিস্ট (ক্যানসার রোগ বিশেষজ্ঞ), সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, রেডিওথেরাপি বিভাগ, রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। এ অনুষ্ঠানের আলোচ্য বিষয় ছিল ফুসফুসের ক্যানসার।

ডা. জাহান আফরোজা লাকী বলেন, ‘ফুসফুস ক্যানসার সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের আগে ক্যানসার কী তা জানতে হবে। স্বাভাবিকভাবে মানবদেহ অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোষ দ্বারা গঠিত। সুস্থ দেহে এ কোষগুলো নিয়মিত ও সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে বিভাজনের মাধ্যমে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বৃদ্ধিসাধন ও ক্ষয়রোধ করে। সাধারণত, একটি কোষ থেকে ক্যানসারের উৎপত্তি হয়।

একটি কোষ যখন নিয়মিত ও সুনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে বিভাজন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, তখন অনিয়ন্ত্রিতভাবে কোষবিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এই অনিয়ন্ত্রিত কোষবিভাজনের ফলে সেখানে একটি পিণ্ড বা চাকা সৃষ্ট হয়, যাকে আমরা টিউমার বলে থাকি। এই টিউমার দুধরনের হতে পারে—ক্ষতিকারক ও অক্ষতিকারক। এর মধ্যে ক্ষতিকারক টিউমারগুলোকে আমরা ক্যানসার বলে থাকি। যখন ফুসফুসের কোষের মধ্যে এই অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন হয়ে থাকে, তখন সেটিকে আমরা ফুসফুস ক্যানসার বলি।’

বাংলাদেশের পুরুষদের এক নম্বর ক্যানসার হলো ফুসফুস ক্যানসার। যারা ধূমপায়ী তারা এ ধরনের ক্যানসার থেকে একেবারেই ঝুঁকিমুক্ত নন। এদের ক্ষেত্রে ফুসফুস ক্যানসার এমনভাবে শরীরে সৃষ্টি হবে যা বেশির ভাগ সময়ই টের পাওয়া যাবে না। কারণ, নির্দিষ্ট কোনো উপসর্গ অনেক সময় চোখে পড়বে না। আর অন্যান্য ক্যানসারের থেকে ফুসফুস ক্যানসার বেশ মারাত্মক। কারণ, এতে লক্ষণ সহজে ধরা পড়বে না। নারীদের ক্ষেত্রেও এ রোগে আক্রান্ত রোগীর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর বা ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা থাকলে এর হাত থেকে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। এটি এমন একটি অসুখ, যার কারণ হিসেবে চিকিৎসকেরা মূলত ধূমপানকে চিহ্নিত করেন। তা ছাড়া যাঁরা টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন এবং যাঁদের পরিবারে ধূমপায়ী ব্যক্তি রয়েছেন, তাঁদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কারণ, পরোক্ষ ধূমপানের মাধ্যমেও অনেকেই আক্রান্ত হয়ে থাকেন এ রোগে।

ফুসফুস ক্যানসারের প্রথম ও প্রধান উপসর্গ হলো কাশি। সাধারণত, একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকলে তা ফুসফুস ক্যানসারের পূর্বলক্ষণ হিসেবে মনে করা হয়। অনেক সময় কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। এর আরেকটি উপসর্গ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা। বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে। ফুসফুসে ক্যানসারের একটি সাধারণ উপসর্গ হলো বুকে ব্যথা হওয়া।
সাধারণত গ্রামে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যারা আর্থিকভাবে খুব একটা সচ্ছল নয়, সেসব রোগীর আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ বিড়ি। আবার পরিবেশের ধুলোবালু, হাইড্রোকার্বন থেকেও অনেকে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। সাধারণত, জনবহুল নগরীগুলো, যেখানে প্রচুর ট্রাফিক, সেসব অঞ্চলে যানবাহনের কালো ধোঁয়া মানুষের নিশ্বাসের সঙ্গে ঢুকে পড়ছে। এ কারণে অনেক রকম কেমিক্যাল ফুসফুসে ঢোকার কারণে প্রচুর মানুষ ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে।

তবে বর্তমানে ফুসফুস ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসার সুবিধা বাংলাদেশের প্রতিটি বড় শহরেই রয়েছে। ফুসফুসে ক্যানসার থেকে বাঁচতে হলে ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় ক্রোমিয়াম, নিকেল, ক্যাডমিয়ামের কারণে যেন ক্ষতি না হয়, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেসব কর্মক্ষেত্রে যদি সঠিক নিয়ম মেনে চলা হয়, তাহলে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আমাদের দেশে একসময় প্রচুর পরিমাণে ডিজেল ব্যবহার হতো, যা বর্তমানে অনেকটাই কমে গেছে। ডিজেল থেকে নির্গত ধোঁয়ার কারণে অনেক ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে।

ফুসফুস ক্যানসারের প্রথম ও প্রধান উপসর্গ হলো কাশি। সাধারণত, একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকলে তা ফুসফুস ক্যানসারের পূর্বলক্ষণ হিসেবে মনে করা হয়। রোগীর যদি নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়া একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকে এবং তিনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন, তাহলে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অনেক সময় কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। এর আরেকটি উপসর্গ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা। বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে। ফুসফুসে ক্যানসারের একটি সাধারণ উপসর্গ হলো বুকে ব্যথা হওয়া। অনেক সময় ক্যানসার হাড়ে ছড়িয়ে পিঠে ব্যথা ছড়াতে পারে। অনেকের আবার তা মাথায় ছড়িয়ে বমিভাব এবং লিভারে গিয়ে জন্ডিস হয়।

এ ছাড়া এটি ত্বকেও ছড়াতে পারে। আবার রোগীর খাবারে অরুচি ও অনীহা দেখা দেয়। কারও কারও দেহের ওজন অপ্রত্যাশিত ও অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। এগুলোই ফুসফুসে ক্যানসারের মূল উপসর্গ। এর কোনো একটি বা একাধিক উপসর্গ দেখা দিলে ফুসফুস ক্যানসার হিসেবে ধরে নিয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে হবে।বাংলাদেশের পুরুষদের এক নম্বর ক্যানসার হলো ফুসফুস ক্যানসার। যারা ধূমপায়ী তারা এ ধরনের ক্যানসার থেকে একেবারেই ঝুঁকিমুক্ত নন। এদের ক্ষেত্রে ফুসফুস ক্যানসার এমনভাবে শরীরে সৃষ্টি হবে যা বেশির ভাগ সময়ই টের পাওয়া যাবে না। কারণ, নির্দিষ্ট কোনো উপসর্গ অনেক সময় চোখে পড়বে না। আর অন্যান্য ক্যানসারের থেকে ফুসফুস ক্যানসার বেশ মারাত্মক। কারণ, এতে লক্ষণ সহজে ধরা পড়বে না। নারীদের ক্ষেত্রেও এ রোগে আক্রান্ত রোগীর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে কিছু রিস্ক ফ্যাক্টর বা ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা থাকলে এর হাত থেকে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়। এটি এমন একটি অসুখ, যার কারণ হিসেবে চিকিৎসকেরা মূলত ধূমপানকে চিহ্নিত করেন। তা ছাড়া যাঁরা টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন এবং যাঁদের পরিবারে ধূমপায়ী ব্যক্তি রয়েছেন, তাঁদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। কারণ, পরোক্ষ ধূমপানের মাধ্যমেও অনেকেই আক্রান্ত হয়ে থাকেন এ রোগে।

সাধারণত গ্রামে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে যারা আর্থিকভাবে খুব একটা সচ্ছল নয়, সেসব রোগীর আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম কারণ বিড়ি। আবার পরিবেশের ধুলোবালু, হাইড্রোকার্বন থেকেও অনেকে ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। সাধারণত, জনবহুল নগরীগুলো, যেখানে প্রচুর ট্রাফিক, সেসব অঞ্চলে যানবাহনের কালো ধোঁয়া মানুষের নিশ্বাসের সঙ্গে ঢুকে পড়ছে। এ কারণে অনেক রকম কেমিক্যাল ফুসফুসে ঢোকার কারণে প্রচুর মানুষ ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে।

তবে বর্তমানে ফুসফুস ক্যানসার নির্ণয় ও চিকিৎসার সুবিধা বাংলাদেশের প্রতিটি বড় শহরেই রয়েছে। ফুসফুসে ক্যানসার থেকে বাঁচতে হলে ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে। ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় ক্রোমিয়াম, নিকেল, ক্যাডমিয়ামের কারণে যেন ক্ষতি না হয়, সে জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। সেসব কর্মক্ষেত্রে যদি সঠিক নিয়ম মেনে চলা হয়, তাহলে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়। আমাদের দেশে একসময় প্রচুর পরিমাণে ডিজেল ব্যবহার হতো, যা বর্তমানে অনেকটাই কমে গেছে। ডিজেল থেকে নির্গত ধোঁয়ার কারণে অনেক ক্ষতিসাধন হয়ে থাকে।

ফুসফুস ক্যানসারের প্রথম ও প্রধান উপসর্গ হলো কাশি। সাধারণত, একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকলে তা ফুসফুস ক্যানসারের পূর্বলক্ষণ হিসেবে মনে করা হয়। রোগীর যদি নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়া একটানা দীর্ঘদিন কাশি থাকে এবং তিনি যদি ধূমপায়ী হয়ে থাকেন, তাহলে ফুসফুস ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। অনেক সময় কাশির সঙ্গে রক্ত যেতে পারে। এর আরেকটি উপসর্গ হলো শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা। বিভিন্ন সময়ে কাজ করতে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হতে পারে। ফুসফুসে ক্যানসারের একটি সাধারণ উপসর্গ হলো বুকে ব্যথা হওয়া। অনেক সময় ক্যানসার হাড়ে ছড়িয়ে পিঠে ব্যথা ছড়াতে পারে। অনেকের আবার তা মাথায় ছড়িয়ে বমিভাব এবং লিভারে গিয়ে জন্ডিস হয়।

এ ছাড়া এটি ত্বকেও ছড়াতে পারে। আবার রোগীর খাবারে অরুচি ও অনীহা দেখা দেয়। কারও কারও দেহের ওজন অপ্রত্যাশিত ও অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়। এগুলোই ফুসফুসে ক্যানসারের মূল উপসর্গ। এর কোনো একটি বা একাধিক উপসর্গ দেখা দিলে ফুসফুস ক্যানসার হিসেবে ধরে নিয়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে হবে।

Ref: https://www.prothomalo.com/life/health/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A7%8E%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%8F%E0%A6%96%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-2
Md.Sahadat Hossain
Asst. Administrative Officer
Office of the Director Administration
Daffodil Tower(DT)- 4
102/1, Shukrabad, Mirpur Road, Dhanmondi.
Email: da-office@daffodilvarsity.edu.bd
Cell & WhatsApp: 01847027549