Entrepreneurship > Inspiration & Advice
এলন মাস্কের ১০ মজার তথ্য
(1/1)
Sultan Mahmud Sujon:
মাস্ক সম্পর্কে প্রয়োজনীয় ও মজার বেশ কিছু তথ্য
১. ১৯৭১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিটোরিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন মাস্ক। ১৭ বছর বয়সে তিনি কানাডায় চলে যান। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
২. এখন পর্যন্ত মাস্ক আটটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেছেন—টেসলা, স্পেস এক্স, হাইপারলুপ, ওপেন এআই, নিউরালিঙ্ক, দ্য বোরিং কোম্পানি, জিপ ২, পে পল।
৩. ছেলেবেলা থেকেই মাস্ক প্রযুক্তির পোকা। শোনা যায়, ৯ বছর বয়সেই তিনি গোটা এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা পড়ে ফেলেছিলেন। কম্পিউটার কোডিং তিনি নিজে নিজেই শিখেছেন। ১২ বছর বয়সে তিনি ‘ব্লাস্টার’ নামে এক ভিডিও গেম বানিয়ে ফেলেন। সেই গেম তিনি বিক্রিও করেছিলেন।
৪. ১৫ বছর বয়সে মাস্ক মার্শাল আর্ট ও রেসলিং শেখেন। শৈশবে মাস্ক ব্যাপক বুলিং বা উৎপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। এমনকি একবার স্কুলের ছাত্ররা তাঁকে নির্মমভাবে মেরে হাসপাতালে পাঠিয়েছিল।
৫. বলা হয়, আয়রন ম্যানের টনি স্টার্ক চরিত্র তাঁর আদলেই তৈরি। এমনকি আয়রন ম্যান ২-এ মাস্ক ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এ ছাড়া মাস্ক দ্য সিম্পসন, বিগ ব্যাং থিওরি, সাউথ পার্ক-এর মতো সিরিজে অভিনয় করেছেন।
৬. মাস্ক ইউপেন থেকে স্নাতক করেছেন এবং স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেছেন। কিন্তু পিএইচডিতে ভর্তি হওয়ার দুই দিনের মধ্যে তিনি পড়াশোনা ছেড়ে জিপ ২ করপোরেশন চালু করেন।
৭. স্পেস এক্স রকেটের সিংহভাগ মালিক ও প্রধান নির্বাহী হওয়ার পরও মাস্ক বেতন নেন না।
৮. একবার হতাশ হয়ে টেসলা বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলেন এলন মাস্ক।
৯. ছাত্রজীবনে একসময় মাস্ক দিনে এক ডলারে খাদ্য ব্যয় নির্বাহ করতেন। এক রেডিও সাক্ষাৎকারে মাস্ক সেই কাহিনি শুনিয়েছিলেন, কীভাবে সুপারস্টোর থেকে ছাড়ে খাবার কিনে তিনি জীবন ধারণ করেছেন। বলেছিলেন, ‘তখন আমি মূলত হটডগ আর কমলা খেতাম। কিন্তু হটডগ আর কদিন খাওয়া যায়।’ এ ছাড়া পাস্তা, কাঁচ মরিচ বা ক্যাপসিকাম ও সস খেয়েও কীভাবে প্রাণ ধারণ করেছেন, সেই কাহিনিও শুনিয়েছেন।
১০. মাস্কের ছয় সন্তান। প্রথম স্ত্রীর ঘরে তাঁর পাঁচ সন্তান। ২০২০ সালে তাঁর ষষ্ঠ সন্তান জন্ম নেয়। এই ছেলের নাম এক্স এই এ-১২ মাস্ক।
Navigation
[0] Message Index
Go to full version