History of Muslim'S

Author Topic: History of Muslim'S  (Read 4166 times)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #15 on: July 04, 2019, 05:43:44 PM »
শায়খ আব্দুল আযিয আত-তারিফি (হাফি)- এর একটা উক্তি । উনি বলেছেন,
"আল্লাহ কোন জালিমকেও উঁচুতে তুলে ধরতে পারেন। কিন্তু এর কারণ জালিমের প্রতি আল্লাহর ভালোবাসা নয়। বরং তাকে উঁচু জায়গা থেকে আছড়ে ফেলাটাই উদ্দেশ্য। সুতরাং কোন জালিমকে বেশি বাড়তে দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। তার পতন আসন্ন।"

আল্লাহ তা'আলা তাই কুরআনে বলেছেন,
"আমি তাদেরকে এ জন্যে সুযোগ দিয়েছি যেন তাদের পাপ বৃদ্ধি পায়। আর তাদের জন্যে রয়েছে লাঞ্ছনাকর শাস্তি।" (সূরা আলে ইমরান ৩:১৭৮)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #16 on: July 09, 2019, 08:31:28 PM »
আযানের সময় জরুরিভাবে যে ৫টি আমল করবেন

আযান অত্যন্ত বড় একটি ইবাদত। এটা শুধু মুয়াযযিনের সাথেই সম্পৃক্ত নয়। আযানে পাঁচটি আমল এমন রয়েছে, যা সকল মুসলমান আদায় করতে পারে। অত্যন্ত সহজ ও সুন্দর সেই পাঁচটি আমল এই-

এক. আযানের শব্দগুলো মুয়াযযিন বলার পর হুবহু উচ্চারণ করা। হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, ‘তোমরা যখন আযান শুনবে, তখন মুয়াযযিন যা বলবে, তোমরাও তাই বলো।’ (বুখারী শরীফ, হাদীস-৫৭৬)

তবে ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ এবং ‘হাইয়া আলাল ফালাহ’ বলার পর ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলতে হবে।বুখারী শরীফে অন্যত্র বর্ণিত আছে, হযরত মুআবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ান রাযি. বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা.-এর থেকে এমনটিই শুনেছি। (বুখারী শরীফ, হাদীস-৫৭৮)

দুই. আযান শেষ হবার পর রাসূলুল্লাহ সা.-এর ওপর দরূদ শরীফ পাঠ করা। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন,

‘মুয়াযযিনের আযান শুনে তোমরা হুবহু শব্দগুলো বলো। এরপর আমার ওপর দরূদ পাঠ করো। যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর দশটি রহমন বর্ষণ করবেন।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৫৭৭)

তিন. রাসূলুল্লাহ সা.-এর জন্য ‘উসিলার মর্যাদা’ প্রত্যাশা করা। পূর্বে উল্লেখিত হাদীসের শেষাংশে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সা. বলেন, সবশেষে তোমরা আল্লাহ তাআলার কাছে আমার জন্য ‘উসিলা’ চাও। ‘উসিলা’ জান্নাতের মধ্যে একটি মর্যাদাবার স্থান।

কেউ তা পাবে না আল্লাহর একজন বান্দা ছাড়া। আমি আশা করি, সেই বান্দা আমিই। সুতরাং যে ব্যক্তি আমার জন্য ‘উসিলা’ চাইবে, তার জন্য আমার শাফায়াত জরুরী হয়ে যাবে।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৫৭৭)

চার. তাওহীদের সাক্ষি দেয়া, আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও দ্বীনে ইসলামের প্রতি সন্তুষ্টির ঘোষণা দেয়া। হযরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেন, মুয়াযযিনের আযান শুনে যে ব্যক্তি বলবে,

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ، رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا وَبِمُحَمَّدٍ رَسُولًا وَبِالْإِسْلَامِ دِينًا
(উচ্চারণ) আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ দাহু, লা শারীকা লাহু, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহু, রযীতু বিল্লাহি রব্বাও ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসূলাও ওয়া বিল ইসলামি দ্বীনা, তার সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।’ (মুসলিম শরীফ, হাদীস-৫৭৯)

পাঁচ. আল্লাহ তাআলার নিকট যে কোন দুআ করা। আযানের পর দুআ কবুল হয়। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রাযি. থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সা.কে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ!

মুয়াযযিনগণ আযান দিয়ে আমাদের চেয়ে বেশি ফযীলতপ্রাপ্ত হচ্ছে, আমরা কী করব? রাসূলুল্লাহ সা. বললেন, হুবহু মুয়াযযিনের মত তুমিও বলো। আযান শেষ হলে আল্লাহ তাআলা কাছে চাও, তোমার দুআ কবুল করা হবে। (আবু দাউদ শরীফ, হাদীস-৪৪০)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #17 on: July 27, 2019, 05:22:04 PM »
আল্লাহ বলেন,
“আমি তাকে (রাসূলকে) কবিতা শিখাইনি, তার জন্য তা সমীচীনও নয়। এই কিতাব তো এক স্মারকপত্র আর স্পষ্ট কুরআন। যাতে সে জীবিত (অন্তরবিশিষ্ট ঈমানদার) ব্যক্তিকে সতর্ক করতে পারে এবং (মৃত অন্তরবিশিষ্ট) কাফিরদের বিরুদ্ধে শাস্তির কথা সঠিক প্রমাণ করতে পারে।” [সূরা ইয়াসীন, ৩৬:৬৯,৭০]

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #18 on: March 15, 2020, 02:07:14 PM »
মহামারী রোগ

(১) কাফিরদের সাথে যুদ্ধ করা অবস্থায় যুদ্ধের ময়দান হতে যেরূপ পলায়ন করা হারাম অনুরূপ মহামারী স্থান হতে পলায়ন করাও হারামঃ
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "প্লেগ রোগ ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকে পালিয়ে যাওয়া যুদ্ধের ময়দান থেকে পালিয়ে যাওয়ার মতোই (গুরুতর অপরাধ)। (কোন স্থানে) প্লেগ ছড়িয়ে পড়লে সেখানেই ধৈর্য ধরে অবস্থানকারী ব্যক্তি শহীদের সাওয়াব পাবে।"

[আহমাদঃ ১৪৮৭৫, হাসান লিগায়রিহী, সিলসিলাহ্ আস্ সহীহাহ্ ১২৯৩, সহীহ আল জামি‘ আস্ সগীর ৪২৭৭।]

(২) মহামারী রোগে মুমিন কিংবা কাফির; যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। তবে ঈমানের উপর নির্ভর করে প্রতিদান ভিন্ন হবেঃ
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্লেগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি বললেন, "এটা হচ্ছে একটি আযাব। আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাদের প্রতি ইচ্ছা করেন তাদের উপর তা প্রেরণ করেন। আর আল্লাহ্ তা‘আলা তাঁর মুমিন বান্দাদের উপর তা রহমত করে দিয়েছেন। কোন ব্যক্তি যখন প্লেগ রোগে আক্রান্ত জায়গায় সাওয়াবের আশায় ধৈর্য ধরে অবস্থান করে এবং তার অন্তরে দৃঢ় বিশ্বাস থাকে যে, আল্লাহ্ তাকদীরে যা লিখে রেখেছেন তাই হবে তাহলে সে একজন শহীদের সমান সওয়াব পাবে।"

[সহীহ বুখারীঃ তাওহীদ প্রকাশনী নম্বর-৩৪৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন নম্বর-৩২২৫।]

Offline 710001113

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 493
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #19 on: November 21, 2020, 12:29:40 PM »
NICE

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #20 on: December 14, 2020, 03:44:46 PM »

অনেক অনেক দিন আগে, এক বৃদ্ধ বাবা ও তার সন্তান উটের পিঠে চড়ে এক কাফেলার সাথে হজ্জ পালনের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন।
মাঝ পথে বাবা তার ছেলেকে বললেন, "তুমি কাফেলার সাথে চলে যাও,আমি আমার প্রয়োজন সেরেই তোমাদের সাথে আবার যোগ দিব আমাকে নিয়ে ভয় পেয়োনা। "
এই বলে বাবা নেমে পড়লো  উটের পিঠ থেকে, ছেলেও চলতে লাগলো কাফেলার সাথে, কিছুক্ষন পর  সন্ধ্যা হয়ে এলো। ছেলে  আশে পাশে কোথাও বাবাকে খুঁজে পেলো না।
সে ভয়ে উটের পিঠ থেকে নেমে উল্টো পথে হাটা শুরু করলো।অনেক দূর যাওয়ার পর সে দেখলো তার বৃদ্ধ বাবা অন্ধকারে পথ হারিয়ে বসে আছেন।
ছেলে দৌড়ে বাবার কাছে গিয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরলো। আদর করে বাবাকে নিজ কাঁধে চড়ালো। তারপর আবার কাফেলার দিকে হাঁটা শুরু করলো।
তখন বাবা বললেনঃ"আমাকে নামিয়ে দেও, আমি হেঁটেই যেতে পারবো।"
ছেলে বললোঃ"বাবা আমার সমস্যা হচ্ছে না,তোমার ভার ও খোদার জিম্মাদারি আমার কাছে সবকিছুর চেয়ে উত্তম।" এমন সময় বাবা কেঁদে ফেললেন ও ছেলের মুখের ওপর  বাবার চোখের পানি গড়িয়ে পড়লো।
ছেলে বললোঃ"বাবা কাঁদছো কেন?বললাম না আমার কষ্ট হচ্ছে না।"
বাবা বললেনঃ আমি সেজন্য কাঁদছি না। কাঁদছি কারণ আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে ঠিক এভাবেই আমি রাস্তা দিয়ে আমার বাবাকে কাধে করে নিয়ে গিয়েছিলাম, আর আমার বাবা আমার জন্য এই বলে দোয়া করেছিলেন যে,"তোমার সন্তানও তোমাকে এরকম করে ভালোবাসবে।আজ বাবার দোয়ার বাস্তব রূপ দেখে  চোখে পানি এসে গেলো। "
বৃদ্ধ মা বাবাকে আপনি যেমন করে ভালোবাসবেন, ঠিক
তেমনটাই আপনি ফেরত পাবেন আপনার  সন্তানের মাধ্যমে!তাই বলছি, নিজের সুখের জন্য হলেও মা বাবার সেবাযত্ন করুন এবং তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালার নিকট দোয়া করুন।
"রাব্বির হামহুমা কামা রব্বাইয়ানি সগীরা"
©

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #21 on: December 24, 2020, 12:43:38 PM »
 কুরআনের ৪ টি মোটিভেশনাল শব্দ খুবই উপকারী ছোট্ট হলেও ব্যাপক অর্থবোধক!!! ♥
"লা তাহযান"
অর্থঃঅতীত নিয়ে কখনো হতাশ হবেন না।
"লা তাখাফ"
অর্থঃভবিষ্যত নিয়ে কখনো দুশ্চিন্তা করবেন না। তা ন্যাস্ত করে দিতে হবে আল্লাহর কাছে।
" লা তাগদাব"
অর্থঃজীবনে চলার পথে বিভিন্ন সময় অনাকাঙ্ক্ষিত বিষয়ের সম্মুখীন হতে হবে। রাগ করবেন না।
" লা তাসখাত"
অর্থঃআল্লাহর কোন ফয়সালার প্রতি অসন্তুষ্ট হবেন না।
- সুবহানাল্লাহ❤

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #22 on: December 30, 2020, 06:07:20 PM »
#দরিদ্রতা_আসে_সাত_জিনিসের_কারণেঃ-
১। তাড়াহুরা করে নামায পড়ার কারণে...!!!
২। দাঁড়িয়ে পশ্রাব করার কারণে...!!!
৩। পশ্রাবের জায়গায় অজু করার কারণে...!!!
৪। দাঁড়িয়ে পানি পান করার কারণে...!!!
৫। ফুঁ দিয়ে বাতি নিভানোর কারণে...!!!
৬। দাঁত দিয়ে নখ কাটার কারণে...!!!
৭। পরিধেয় বস্ত্র দ্বারা মুখ সাফ করার কারণে!
#সচ্ছলতা_আসে_সাত_জিনিসের_কারণেঃ-
১। কুরআন তেলাওয়াত করার কারণে।
২।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার কারণে।
৩। আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার কারণে।
৪। দরিদ্র ও অক্ষমদের সাহায্য করার কারণে।
৫। গোনাহের ক্ষমা প্রার্থনা করার কারণে।
৬। পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সদাচরণ করার কারণে।
৭। সকালে সূরা ইয়াসিন এবং সন্ধ্যায় সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করার কারণে।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে তওফিক দান করুন
——আমিন....!!!

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #23 on: July 24, 2021, 11:04:56 AM »
একজন স্ত্রীর চাহিদা তখনই বেড়ে যায় যখন স্বামীর সাথে দুরত্ব বেড়ে যায়। তখন সে গহনা, শাড়ি, দামী জিনিস এসবের প্রতি ভালোলাগা খুঁজে বেড়ায়।

স্ত্রী হলো মাটির মত আর ভালোবাসা হলো পানি,
আপনি দুইটা এক সাথে মিশিয়ে ইচ্ছে মতো আকৃতি দিতে পারবেন।
" আপনার স্ত্রী কখনোই আপনার কাছে লক্ষ্য টাকা দামের জিনিস চাইবেন না, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রীকে নিয়ে রাস্তার পাশে ৩০ টাকা দামের ফুসকা খান।

"" আপনার স্ত্রী কখনোই আপনাকে বলবেনা, আমাকে দামী গাড়ি কিনে দাও, যদি আপনি মাঝে মধ্যে স্ত্রী কে নিয়ে হুট খোলা রিকশায় এই শহরটা একটু ঘুরে বেড়ান।

""" পুরো সংসারের কাজ করার পরেও আপনার স্ত্রী বলবেনা আমার কষ্ট হচ্ছে, যদি আপনি আপনার স্ত্রী কে ভালোবেসে কপালে একটা চুমু খান, এবং বলেন সারাদিন অনেক করেছো।

"" ভালোবাসা শুধু দামী জিনিসের মধ্যে লুকিয়ে থাকে না।।
"" মাঝে মধ্যে ভালোবাসা ১৫ টাকা দামের গোলাপ আর রাস্তার পাশে বিক্রি হওয়া ২৫ টাকা দামের কাচের চুড়ি মধ্যে ও লুকিয়ে থাকে।
"" সাথে একটু শেয়ার এবং কেয়ার থাকলে সংসার যুদ্ধ ক্ষেত্র না হয়ে, জান্নাত হয়।

Offline 710001113

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 493
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #24 on: August 03, 2021, 07:17:06 PM »
nice

Offline Anta

  • Hero Member
  • *****
  • Posts: 593
  • Never lose hope
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #25 on: August 04, 2021, 12:46:37 PM »
Thanks for sharing  :)
Anta Afsana
Lecturer
Department of English
Daffodil International University
email id: anta.eng@diu.edu.bd
Contact number: 07134195331

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #26 on: August 21, 2021, 12:25:52 PM »
১০ মুহাররম : মহিমান্বিত এক দিন
মাহে মুহাররমে হযরত হুসাইন রা. স্বীয় লোকজনসহ জালিম ইয়াযীদ ও তার লোকদের দ্বারা অবরুদ্ধ হয়ে লড়াই করে শাহাদাত বরণ করেছেন। সে জন্য মাহে মুহাররমে হযরত হুসাইন রা.-এর এ ত্যাগের কথা স্মরণ করে দীনের হিফাজতের জন্য জান-মাল কোরবানি করার প্রত্যয় করা আমাদের কর্তব্য। তবে স্মরণ রাখা দরকার যে, সৃষ্ট জগতের প্রলয় শিঙ্গার ফুৎকারের মাধ্যমে সাধিত হবে। আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে : ‘আর শিঙ্গার ফুৎকার উচ্চকিত হবে, সেটা হবে নির্ধারিত দিনে।’ (সুরা ক্বাফ : আয়াত ২০)। আরো ইরশাদ হয়েছে : ‘যেদিন শিঙ্গার ফুৎকার উচ্চকিত হবে, সেদিন পৃথিবী ও আকাশমন্ডলীর বাসিন্দারা বেকারার হয়ে যাবে।’ (সূরা নমল : আয়াত ৮৭)। এই ফুৎকার মুহাররমের ১০ তারিখ কোনো এক শুক্রবার দিন উচ্চকিত হবে। কিন্তু কিছু লোক আশুরার ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে অতিরঞ্জিত ও গর্হিত কার্যকলাপ দ্বারা বিদআত ও নাজায়েজ বিষয়ের অবতারণা করে চলেছেন। মুসলমানদের সেসব গর্হিত কাজ থেকে দূরে থাকতে হবে।

আশুরার তাৎপর্যপূর্ণ ফজিলত
ফজিলত ও তাৎপর্যপূর্ণ দিনগুলোর মধ্যে অনন্য আশুরা। আশুরার অনেক তাৎপর্যপূর্ণ ফজিলত আছে। এ সম্পর্কে হাদিসে এসেছে-
১. হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনাতে এলেন তখন ইয়াহুদিগণ আশুরার দিন রোজা রাখতেন। তারা জানাল, এ দিন মুসা আলাইহিস সালাম ফেরাউনের উপর বিজয় লাভ করেছিলেন। তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদের বললেন, মুসা আলাইহিস সালামের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হওয়ার দিক থেকে তাদের চেয়ে তোমরাই অধিক হাকদার। কাজেই তোমরা (আশুরার দিন) রোজা রাখ।’ (বুখারি)


Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #27 on: September 26, 2021, 05:48:09 PM »
পড়ে দেখুন, একটি নতুন বিষয় আবিষ্কার করতে পারবেন ..
সূরা ফাতিহায় রয়েছে ৭টি আয়াত, তাই না? এই ৭টি আয়াতকে দুই ভাগ করুন। কিন্তু মাঝের আয়াতকে কোন ভাগেই রাখবেন না। একদম মাঝের আয়াতটিকে আলাদা রেখে দুই ভাগ করলে কী রকম দাঁড়ায় দেখুন-
১,২,৩
৫,৬,৭
মাঝে থাকবে আয়াত নাম্বার ৪, তাই না?
এবার প্রথম তিনটি আয়াতে কি বলা হচ্ছে দেখে নিই।
১ম আয়াতে বলা হচ্ছে- 'যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি জগৎসমূহের অধিপতি।'
২য় আয়াতে বলা হচ্ছে- 'তিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু।'
৩য় আয়াতে বলা হচ্ছে- 'যিনি বিচার দিনের মালিক।'
৪র্থ আয়াতে বলা হচ্ছে- 'আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।' এটি কিন্তু মাঝের আয়াত।এটি কোন ভাগেই পড়বে না। এটিকে কেন্দ্রবিন্দু বলা যেতে পারে। এই আয়াত দিয়েই আমরা প্রথম ভাগ আর পরের ভাগকে যাচাই করবো।
পরের ভাগের আয়াত গুলোতে কি বলা হচ্ছে দেখুন ..
৫ম আয়াতে বলা হচ্ছে- 'আমাদের সরলপথে পরিচালিত করুন।'
৬ষ্ঠ  আয়াতে বলা হচ্ছে- 'ওই সব লোকদের পথে, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন।'
৭ম আয়াতে বলা হচ্ছে- 'তাদের পথে নয়, যাদের ওপর আপনার অভিশাপ নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট।'
আসুন, এবার আমরা সিকুয়েন্সটি মিলাতে চেষ্টা করি।
প্রথম ভাগের আয়াতগুলো এক জায়গায় নিয়ে আসা যাক।প্রথম অংশের আয়াতগুলো হলো-
"যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তাআলার যিনি জগৎসমূহের অধিপতি। তিনি পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু। যিনি বিচার দিনের মালিক"
মাঝখানে আছে "আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি।" আর পরের অংশে আছে,
'আমাদের সরল পথে পরিচালিত করুন। ওইসব লোকদের পথে, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন। তাদের পথ নয়,যাদের ওপর আপনার অভিশাপ নাজিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট।'
মাঝখানের, অর্থাৎ ৪ নাম্বার আয়াতে দুটো অংশ আছে। "আমরা তোমারই ইবাদত করি" এতটুকু একটি অংশ এবং "তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি" এতটুকু একটি অংশ।
আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে এই আয়াতের প্রথম অংশ সূরার প্রথম তিন আয়াতের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং পরের অংশ প্রতিনিধিত্ব করছে সূরার পরের তিন আয়াতের। এই আয়াতের প্রথম অংশ দিয়ে ওপরের তিন আয়াতকে যাচাই করা যাক-
"আমরা তোমারই ইবাদত করি"
আমরা কার ইবাদত করি?
সকল  প্রশংসা যার এবং যিনি সৃষ্টি জগতের  অধিপতি।[ সূরা ফাতিহার ১ম আয়াত]
আমরা কার ইবাদত করি?
যিনি  পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু। [২য় আয়াত]
আমরা কার ইবাদত করি?
যিনি বিচার দিনের মালিক। [৩য় আয়াত]
দারুণ না?
এবার আসা যাক ওই আয়াতের পরের অংশে। যেখানে বলা হচ্ছে - "তোমার কাছেই সাহায্য প্রার্থনা করি "
আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
"যাতে আমরা সরল পথে চলতে পারি"। [সূরা ফাতিহার ৫ম আয়াত]
আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
"যাতে আমরা নিয়ামত প্রাপ্তদের দলে ভিড়তে পারি"। [৬ষ্ঠ আয়াত]
আমরা কিসের জন্য প্রার্থনা করি?
"যাতে আমরা অভিশপ্ত এবং পথভ্রষ্টদের দলের অন্তর্ভুক্ত না হই"। [৭ম আয়াত]
চিন্তা করে দেখুন-  আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তাআলা এই ছোট্ট সূরাটার মধ্যেও কী রকম ভাষার মান, সাহিত্য মান দিয়ে  দিয়েছেন।
প্রথমে কিছু কথা, মাঝখানে একটি বাক্য, শেষে আরো কিছু কথা। কিন্তু মাঝখানের সেই বাক্যটিকে এমন ভাবে সাজিয়েছেন এবং এমন ভাবে বলেছেন, যেটি প্রথম এবং শেষ -দুটো অংশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ!!!  Collected

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 333
  • active
    • View Profile
Re: History of Muslim'S
« Reply #28 on: October 04, 2021, 05:32:39 PM »
হযরত মুসা (আঃ) এর জামানার চমৎকার একটি ঘটনা।



হযরত মুসা(আঃ) একবার আল্লাহ্ তায়া'লা কে জিজ্ঞেস করলেন,হে আল্লাহ্!

জান্নাতে আমার সাথে কে থাকবে?

জবাবে বলা হলো,ওমুক কসাই !

জবাবে কসাইয়ের নাম শুনে মুসা (আঃ) খুবই আশ্চর্য হলেন। অনেক খোঁজ করার পর মুসা (আঃ) তাকে বের করলেন।



দেখলেন, কসাই গোস্ত বিক্রিতে ব্যস্ত! সবশেষে কসাই একটুকরো গোস্ত একটি কাপড়ে মুড়িয়ে নিলেন । অতঃপর বাড়ির দিকে রওয়ানা হলেন। মুসা (আঃ) তাঁর সম্পর্কে আরো জানার জন্যে অনুমতি নিয়ে পিছুপিছু তাঁর বাড়ি গেলেন। কসাই বাড়ি পৌঁছে গোস্ত রান্না করলেন। অতপর রুটি বানিয়ে তা গোস্তের ঝোলে মেখে নরম করলেন। তারপর ঘরের ভিতরের কামরায় প্রবেশ করে শয়নরত এক বৃদ্ধাকে উঠিয়ে বসালেন । তারপর তার মুখে টুকরো টুকরো রুটি পুরে দিতে লাগলেন।



খাওয়ার পর বৃদ্ধা কি যেন কানেকানে বললেন। অমনি কসাই মুচকি হাসলেন।



দূর থেকে মুসা (আঃ) সব-ই দেখছিলেন।



কিন্তু, কিছুই বুঝলেন না। মুসা (আঃ) বৃদ্ধার পরিচয় এবং মুচকি হাসার বিষয়টি কসাইকে জিজ্ঞেস করলেন।

কসাই বললেন, ওনি আমার মা আমি বাজার থেকে আসার পর সর্বপ্রথম আমার মাকে রান্না করে খাওয়াই।

আর, মা খাওয়ার পর খুশি হয়ে আমার কানের কাছে এসে আল্লাহ্ তায়া'লার কাছে এই বলে দোআ করেন,

"আল্লাহ্ তায়া'লা তোমাকে বেহেস্ত দান করুক এবং মুসা (আঃ) এর সাথে রাখুক"! আমি এই দোআ শুনে এই ভেবে মুচকি হাসি যে, কোথায় মুসা (আঃ)আর কোথায় আমি।



ইয়া আল্লাহ আমাদের মন মানষিকতা, সেই কসাইয়ের মত করে দাও, আল্লাহ তায়া'লা যেন আমাদের মা বাবার খেদমত করার তাওফীক দান করেন ।



আমীন।

#সংগ্রহীত