আল্লাহর জন্য ভালোবাসা

Author Topic: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা  (Read 14868 times)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #90 on: July 01, 2019, 07:06:13 PM »
আল্লাহপাক স্পষ্ট ভাষায় বলেন অনুমানকারীরা ধ্বংস হোক ।
(সুর যারিয়াত ১০)
তোমরা মন্দ ধারণা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা মন্দ ধারণাই হচ্ছে সবচেয়ে জঘন্য মিথাচার।’-সহিহ মুসলিম শরিফ, হাদিস নং : ৬৭০১
‘হে মুমিনগণ! তোমরা অধিকাংশ (অহেতুক) অনুমান থেকে দূরে থাক। কারণ (অহেতুক) অনুমান কোনো কোনো ক্ষেত্রে পাপ। (সুরা হুজরাত : আয়াত ১২)
অহেতুক মানুষের প্রতি কু-ধারণা পোষণ করার ফলে পরস্পরের প্রতি বিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি হয়; সামাজিক সুসম্পর্ক ছিন্ন হয়। ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজে পারস্পরিক ঐক্য, সাম্য ও সম্প্রীতি নষ্ট হয়। আর এ অহেতুক ধারণা থেকেই মিথ্যার সৃষ্টি হয়।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #91 on: July 09, 2019, 08:13:47 PM »
রাসূল ﷺ বলেছেন, “হে যুব-সম্প্রদায়! তোমাদের মধ্যে যে বিবাহের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিবাহ করে। কারণ বিবাহ চক্ষুকে অবনমিত করে এবং লজ্জাস্থানকে হেফাজত করে। আর যে ব্যক্তি ওই সামর্থ্য রাখে না, সে যেন রোজা রাখে। কেননা তা তার জন্য ঢালস্বরূপ (অর্থাৎ, কামভাব প্রশমনকারী)।” [সাহীহ বুখারী, হা/৫০৬৬; সাহীহ মুসলিম, হা/১৪০০]

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #92 on: September 09, 2019, 02:54:39 PM »
"ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত কালবি আলা দ্বীনিক।"
অর্থ:- হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর সুদৃঢ় করে দাও।
[ তিরমিযী - ২১৪০]

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #93 on: December 18, 2019, 07:50:36 PM »
আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, তারা (সাহাবাগণ) জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! ইসলামে কোন্‌ জিনিসটি উত্তম? তিনি বললেনঃ যার জিহবা ও হাত হতে মুসলিমগণ নিরাপদ থাকে।

(মুসলিম ১/১৪ হাঃ ৪২, আহমাদ ৬৭৬৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১০, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১০)


সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১১
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #94 on: January 29, 2020, 03:16:19 PM »
রাসুল ﷺ বলেন,❤

আল্লাহর রহমত ছাড়া কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না, (মিশকাত-২৩৭২)

সুবহানআল্লাহ্

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #95 on: February 06, 2020, 10:39:40 AM »
যখন মূসা স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামত স্মরণ কর, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে পয়গম্বর সৃষ্টি করেছেন, তোমাদেরকে রাজ্যাধিপতি করেছেন এবং তোমাদেরকে এমন জিনিস দিয়েছেন, যা বিশ্বজগতের কাউকে দেননি। (সূরা আল মায়েদাহ , আয়াত-২০)

হে আমার সম্প্রদায়, পবিত্র ভুমিতে প্রবেশ কর, যা আল্লাহ তোমাদের জন্যে নির্ধারিত করে দিয়েছেন এবং পেছন দিকে প্রত্যাবর্তন করো না। অন্যথায় তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে। (সূরা আল মায়েদাহ , আয়াত-২১)

তারা বললঃ হে মূসা, সেখানে একটি প্রবল পরাক্রান্ত জাতি রয়েছে। আমরা কখনও সেখানে যাব না, যে পর্যন্ত না তারা সেখান থেকে বের হয়ে যায়। তারা যদি সেখান থেকে বের হয়ে যায় তবে নিশ্চিতই আমরা প্রবেশ করব।’
(সূরা আল মায়েদাহ , আয়াত-২২)

খোদাভীরুদের মধ্য থেকে দু’ব্যক্তি বলল, যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছিলেনঃ তোমরা তাদের উপর আক্রমণ করে দরজায় প্রবেশ কর। অতঃপর তোমরা যখন তাতে প্রবেশ করবে, তখন তোমরাই জয়ী হবে। আর আল্লাহর উপর ভরসা কর যদি তোমরা বিশ্বাসী হও। (সূরা আল মায়েদাহ , আয়াত-২৩)

তারা বললঃ হে মূসা, আমরা জীবনেও কখনো সেখানে যাব না, যতক্ষণ তারা সেখানে থাকবে। অতএব, আপনি ও আপনার পালনকর্তাই যান এবং উভয়ে যুদ্ধ করে নিন। আমরা তো এখানেই বসলাম। (সূরা আল মায়েদাহ , আয়াত-২৪)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #96 on: March 09, 2020, 05:26:53 PM »
"নিশ্চয় যারা স্বীয় ধর্মকে খন্ড-বিখন্ড করেছে এবং অনেক দল হয়ে গেছে, তাদের সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই। তাদের ব্যাপার আল্লাহ তা`আয়ালার নিকট সমর্পিত। অতঃপর তিনি(আল্লাহ) বলে দেবেন যা কিছু তারা করে থাকে।" (সূরা-আন’আম, আয়াত সংখ্যা-১৫৯)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #97 on: March 09, 2020, 05:40:47 PM »
 হজরত আনাস (রা.) বলেন, যখন রজব মাসের আগমন হতো, তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দু'আ করতেন-

আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী- রজাবা ওয়া শা'বান ওয়া বাল্লিগনা রামাদান

- অর্থাৎ 'হে আল্লাহ রজব ও শাবান মাসে আমাদের বরকত দান করো এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দাও।' (মুসনাদে আহমদ ১/৩৩৯, মেশকাত ১২১, বায়হাকী- শুআবুল ঈমান-৩/৩৭৫)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #98 on: March 22, 2020, 12:55:42 PM »
সূরা বাকারা-১৫৫
-১৫৫/ আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে কিছু ভয়, ক্ষুধা, জান-মালের ক্ষতি এবং ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে পরীক্ষা করব । তবে তুমি ধৈর্যশীলদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও ।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #99 on: November 23, 2020, 03:49:20 PM »
সালাতের ইহকালীন ও পরকালীন কতিপয় উপকারিতা, ফলাফল ও ফযীলত
১। সালাত হিফাযত বা সংরক্ষণকারীর জন্য আল্লাহর প্রতিশ্রুতি হলো যে, তিনি তাকে জান্নাত দান করবেন: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “আল্লাহ বান্দার ওপর পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরয করেছেন, যে তা হিফাযত করল তার জন্য আল্লাহর প্রতিশ্রুতি হলো যে, তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন...।” (আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)

২। যে ব্যক্তি সালাতের হিফাযত করল তার জন্য সালাত জ্যোতি ও প্রমাণ হবে: অর্থাৎ সালাত তার ঈমানের দলীল হবে এবং কিয়ামতের দিন জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের কারণ হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যে সালাতের হিফাযত করল সালাত তার জন্য জ্যোতি, প্রমাণ ও কিয়ামতের দিন মুক্তির কারণ হবে।” (ইতোপূর্বে পূর্ণ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে)

৩। সালাত বান্দা ও তার প্রতিপালকের মধ্যে সম্পর্ক গড়ার মাধ্যম: আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
“আর সাজদাহ কর ও (আমার) নিকটবর্তী হও।” [সূরা আল-‘আলাক, আয়াত: ১৯]

অর্থাৎ আল্লাহর উদ্দেশ্যে সালাত আদায় কর এবং সমস্ত সৎ কাজের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য লাভ কর, আর সৎ কাজের মধ্যে আল্লাহর জন্য সাজদাহ হচ্ছে সবচেয়ে বড়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “বান্দা স্বীয় রবের সবচেয়ে নিকটবর্তী হয় সাজদাহ অবস্থায়। অতএব, তোমরা সাজদায় বেশি-বেশি দো‘আ কর।” (সহীহ মুসলিম ও নাসাঈ)
 দেখুন সালাতই হচ্ছে আপনার ও আল্লাহর মাঝে সম্পর্ক গড়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। অতএব, আপনি যদি চান তবে আল্লাহর উদ্দেশ্যে (সালাতের মাধ্যমে) বেশি-বেশি সাজদাহ ও রুকুর মাধ্যমে এ সম্পর্ক বৃদ্ধি করুন। এ জন্যই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে বেশি-বেশি দো‘আ করার ওসীয়ত করেছেন।

 সালাত সর্বোত্তম আমলের অন্তর্ভুক্ত: আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করেন: সর্বোত্তম আমল কোনটি? তিনি বলেন, “সময়মত সালাত আদায় করা”। আব্দুল্লাহ্ ইবন মাসউদ বলেন, তারপর কোনটি? তিনি বলেন, “পিতা-মাতার সাথে সৎ ব্যবহার করা”। আব্দুল্লাহ ইবন মাসউদ বলেন, আমি বললাম: তারপর কী? তিনি বললেন: “আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা।” (সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম)

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #100 on: December 02, 2020, 03:55:15 PM »
 আল কোরআনে ইরশাদ হয়েছে : পূর্ব ও পশ্চিম দিকে মুখ ফিরানোর মধ্যে নেক আমল বা সৎকাজ সীমাবদ্ধ নয়। বরং প্রকৃত সৎকর্ম পরায়ণ তারাই, যারা ঈমান আনয়ন করে আল্লাহ, আখেরাত, ফিরিশ্তা, আসমানী কিতাব ও নবীগণের প্রতি। আর আল্লাহর মহব্বতের প্রেরণার মাল-সম্পদ খরচ করে নিকটাত্মীয় ইয়াতীম, মিসকীন, অসহায় পথিক, অভাবীলোকজন এবং ক্রীতদাসদের মুক্তির জন্যে। আর তারা নামাজ কায়েম করে, যাকাত আদায় করে এবং অঙ্গীকার পুরণ করে। আর সবর ও ধৈর্য ধারণ করে বিপদ-আপদে ও যুদ্ধের ময়দানে। তারাই প্রকৃত ঈমানদার এবং তারাই সত্যিকারের মুত্তাকী ও পরহেজগার। (সূরা আল বাকারাহ : আয়াত ১৭৭)।

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #101 on: December 12, 2020, 05:04:13 PM »

রাসূল (সা:) বলেছেন, খেজুরের এক টুকরো দান করে হলেও জাহান্নাম থেকে  আত্মরক্ষা কর। যদি সেইটুকু সামর্থ্যও না থাকে, তবে ভালো কথার মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে আত্মরক্ষা কর।"
[বুখারী : খন্ড-১, ১৯০, খন্ড-২, ৮৯০]

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #102 on: April 21, 2021, 02:02:20 PM »
ইবনু মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কিয়ামত দিবসে পাঁচটি বিষয় সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ হওয়ার আগপর্যন্ত আদম সন্তানের পদদ্বয় আল্লাহ্ তা'আলার নিকট হতে সরতে পারবে না। তার জীবনকাল সম্পর্কে, কিভাবে অতিবাহিত করেছে? তার যৌবনকাল সম্পর্কে, কি কাজে তা বিনাশ করেছে ; তার ধন-সম্পদ সম্পর্কে, কোথা হতে তা উপার্জন করেছে এবং তা কি কি খাতে খরচ করেছে এবং সে যত টুকু জ্ঞান অর্জন করেছিল সে মুতাবিক কি কি আমল করেছে।
সহীহ, সহীহাহ্ (৯৪৬) তিরমিযি হাদিস নং 2416

Offline Md. Zakaria Khan

  • Sr. Member
  • ****
  • Posts: 324
  • active
    • View Profile
Re: আল্লাহর জন্য ভালোবাসা
« Reply #103 on: May 22, 2021, 04:52:00 PM »
মাসয়ালা :
১. সামর্থ থাকলে দ্বিতীয় বিয়ে করা জায়েয৷ চারজন পর্যন্ত স্ত্রী একসাথে বিবাহবন্ধনে রাখা বৈধ৷ তবে সকলের মাঝে সমতা রক্ষা আবশ্যক। (সূরা নিসা-৩)
২. বিধবা মহিলাকে বিয়ে করা নবীর সুন্নত। আয়েশা রা. ছাড়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সকল স্ত্রী বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত ছিলেন। কুরআনে এ ধরণের মহিলাকে বিয়ে, সহযোগিতা, সদাচারণ করার প্রতি উৎসাহ প্রদান করা হয়েছে৷ অভিভাবককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন এমন নারীকে পুনরায় বিয়ে করতে বাঁধা না দেয়৷ (সূরা বাকারা-২৩৪, সূরা নিসা: ১৯)
৩. আন্দোলন, যুদ্ধ-বিগ্রহ বা কোন বেদনার বিষয় সামনে আসার কারণে স্ত্রীসঙ্গ থেকে দূরে থাকা ইসলামের শিক্ষা না। বরং এরূপ করা কাফেরদের কাজ। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুদ্ধ থেকে ফিরে মসজিদে দু রাকাত নামায পড়তেন। তারপর ঘরে যেতেন।
আওতাসের যুদ্ধে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবায়ে কেরামকে তিনদিনের জন্য নিকাহে মুতআর অনুমতি দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে বিদায় হজ্বের সময় তিনি মুতআ বিয়েকে চিরদিনের জন্য হারাম ঘোষণা করেন৷ (সহীহ মুসলিম- ১৪০৫)
৪. দ্বিতীয় বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতি জরুরি না। তবে সাংসারিক মনোমালিন্য যাতে সৃষ্টি না হয় সেজন্য প্রথম স্ত্রীকে জানানো উচিৎ। (ফতোয়া লাজনাতিত দায়ীমাহ লিল বুহুসিল ইলমিয়্যাহ ওয়াল ইফতা- ১৯/৫৩)
৫. শরঈভাবে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার জন্য দুজন সাক্ষীর সামনে বিয়ের উপযুক্ত স্বামী স্ত্রীর প্রস্তাব সম্মতিই যথেষ্ট। মোহরের উল্লেখ না থাকলেও বিয়ে হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে মেয়ের সমপর্যায়ের অন্যান্য মহিলাদের মোহর পরিমাণ টাকা/আসবাব/অলঙ্কার স্ত্রীকে মোহর হিসেবে দিতে হবে। (আল মুহীতুল বুরহানী- ৩/৫৬)
৬. কাবিননামা একটা ডকুমেন্ট মাত্র। শরঈ বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার জন্য কাবিননামা জরুরি না। (রদ্দুল মুহতার- ৩/৯)
৭. কোন সৎ নারীকে ব্যভিচারের অপবাদ দেওয়া জঘণ্যতম অপরাধ। ইসলামী আইন অনুযায়ী কেউ যদি কোন মহিলাকে যিনার অপবাদ দেয়, তাহলে যিনা করতে দেখেছে এমন চারজন সাক্ষী তার কাছে তলব করা হবে। চারজন সাক্ষী উপস্থিত করতে না পারলে বা তিনজন সাক্ষী হলে তাদের সবাইকে ৮০টি করে চাবুকাঘাত করতে হবে।
শরীয়তে তারা ফাসেক বলে বিবেচিত হবে। তওবার আগ পর্যন্ত তাদের অন্য কোন সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে না।