Health Tips > Fruit
ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ যে ফলগুলো প্রতিদিন খেতে হবে
(1/1)
Imrul Hasan Tusher:
ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ যে ফলগুলো প্রতিদিন খেতে হবে
ফল খাওয়ার মধ্যে এক অদ্ভুত স্বস্তিদায়ক অনুভূতি রয়েছে। এটি হালকা, পরিচিত এবং সহজ মনে হয়। কিন্তু অনেক ফলের ভেতরে এমন পুষ্টি উপাদান লুকিয়ে থাকে, যার ওপর শরীর যতটা নির্ভর করে, বেশিরভাগ মানুষ তা উপলব্ধি করতে পারে না। ম্যাগনেসিয়াম তাদের মধ্যে অন্যতম। এই খনিজটি নেপথ্যে কাজ করে। এটি পেশী শিথিল করতে, স্নায়ুর কার্যকারিতা বজায় রাখতে, হৃদস্পন্দন স্থির রাখতে এবং এমনকি ঘুম ও মেজাজের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখে। তবুও অনেকে তাদের দৈনন্দিন খাবারের মাধ্যমে পর্যাপ্ত পরিমাণে এটি গ্রহণ করেন না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে ৩০০-র বেশি এনজাইম বিক্রিয়ায় ম্যাগনেসিয়াম জড়িত। এর কম গ্রহণের সঙ্গে ক্লান্তি, পেশীতে খিঁচুনি এবং নিম্নমানের ঘুমের মতো সমস্যারও যোগসূত্র পাওয়া গেছে। যদিও বাদাম এবং বীজ সাধারণত ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার হিসেবে প্রশংসিত হয়, তবে ফল যতটা মনোযোগ পায় তার চেয়ে বেশি মনোযোগের দাবিদার। কিছু ফল নীরবে অনেকটা পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম সরবরাহ করার পাশাপাশি ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং শরীরে পানির জোগানও দেয়। এগুলো সবচেয়ে সহজ উপায়ে পাওয়া যায় প্রাকৃতিক খাবার হিসেবে। চারটি ফলের কথা বলা হলো যা প্রয়োজনীয় ম্যাগনেসিয়াম সরবরাহ করে।
শুকনো ডুমুর
পুষ্টি বিষয়ক আলোচনায় শুকনো ডুমুর খুব কমই প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে, কিন্তু নীরবে হলেও এর একটি স্থান প্রাপ্য। এককাপ শুকনো ডুমুরে প্রায় ১০১ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম থাকে। ডুমুরকে যা বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করে তোলে তা হলো এর ভারসাম্য। এটি প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি, কিন্তু ফাইবার, পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়ামও সরবরাহ করে। এই সংমিশ্রণ হজমে সহায়তা করে এবং শরীরকে সুস্থ পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
কলা
কলা পটাশিয়ামের জন্য পরিচিত, কিন্তু একটি মাঝারি আকারের কলায় প্রায় ৩২ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়ামও থাকে। এটি যতটা মনে হয় তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম শরীরের ভেতরে একসঙ্গে কাজ করে, বিশেষ করে পেশির কার্যকারিতা এবং শরীরে পানির ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে। এই কারণেই ক্রীড়াবিদ এবং শারীরিক ক্লান্তি থেকে সেরে ওঠা মানুষদের মধ্যে কলা জনপ্রিয়।
পেয়ারা
পেয়ারা ভিটামিন সি-এর জন্য আলোচনায় থাকে, কিন্তু এক কাপ পেয়ারা প্রায় ৩৬.৪ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়ামও সরবরাহ করে। এই ফলটির একটি সতেজকারক টক স্বাদ আছে যা গরম আবহাওয়ায় বিশেষভাবে আরামদায়ক মনে হয়। কিন্তু পুষ্টিগুণের দিক থেকে পেয়ারা অনেক বেশি কার্যকরী। এটি তুলনামূলকভাবে কম ক্যালোরির মধ্যে ফাইবার, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ম্যাগনেসিয়ামের সমন্বয় ঘটায়।
পেঁপে
একটি ছোট পেঁপেতে প্রায় ৩৩ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়ামের সাথে হজমকারী এনজাইম থাকে, যা অনেকেই অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে মনে করেন। কেউ পেট ফাঁপা, ক্লান্ত বা সামান্য অসুস্থ বোধ করলে তাকে পেঁপে খেতে দেওয়ার রীতি অনেক বাড়িতেই আছে। এই খ্যাতি পুরোপুরি সাংস্কৃতিক লোককথা নয়। পেঁপেতে প্যাপেইন নামক একটি এনজাইম থাকে, যা হজমে সহায়তা করে বলে পরিচিত। এর নরম গঠনের কারণে বয়স্ক ব্যক্তি বা যাদের হজমশক্তি সংবেদনশীল, তারা কোনো অস্বস্তি ছাড়াই নিয়মিত ফল খেতে পারেন।
Source: https://www.dhakapost.com/lifestyle/452807
Navigation
[0] Message Index
Go to full version