Religion & Belief (Alor Pothay) > Hadith
One Day One Hadith (প্রতিদিন একটি হাদিস)
arefin:
আবূ হুরাইরা রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি আমার কোনো অলির সঙ্গে শত্রুতা রাখে, আমি তার সাথে যুদ্ধ ঘোষণা করি। আমার বান্দা ফরয ইবাদতের চাইতে আমার কাছে অধিক প্রিয় কোনো ইবাদতের মাধ্যমে আমার নৈকট্য লাভ করতে পারে না। আমার বান্দা নফল ইবাদত দ্বারাই সর্বদা আমার নৈকট্য অর্জন করতে থাকে। এমনকি অবশেষে আমি তাকে আমার এমন প্রিয়পাত্র বানিয়ে নেই যে, আমি তার কান হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমি তার চোখ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আর আমিই তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমি তার পা হয়ে যাই, যা দিয়ে সে চলে। সে আমার কাছে কোনো কিছু চাইলে আমি অবশ্যই তাকে তা দান করি। আর যদি সে আমার কাছে আশ্রয় চায় আমি তাকে অবশ্যই আশ্রয় দেই। আমি যে কোনো কাজ করতে চাইলে তাতে কোনো রকম দ্বিধা-সংকোচ করি না, যতটা দ্বিধা-সংকোচ করি মুমিন বান্দার প্রাণহরণে। সে মৃত্যুকে অপছন্দ করে থাকে অথচ আমি তার বেঁচে থাকাকে অপছন্দ করি।’ [বুখারী : ৬৫০২]
arefin:
আবদুস সালাম ইবন মুতাহ্হার (রহঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেনঃ নিশ্চয়ই দ্বীন সহজ-সরল। দ্বীন নিয়ে যে বাড়াবাড়ি করে দ্বীন তার উপর বিজয়ী হয়। কাজেই তোমরা মধ্যপন্থা অবলম্বন কর এবং (মধ্যপন্থার) নিকটবর্তী থাক, আশান্বিত থাক এবং সকাল-সন্ধ্যায় ও রাতের কিছু অংশে (ইবাদতের মাধ্যমে) সাহায্য চাও। [সহীহ বুখারি, অধ্যায়ঃ ২/ ঈমান - হাদিস নাম্বারঃ 38]
arefin:
আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কে কবীরা গুনাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন, (সেগুলো হচ্ছে) আল্লাহর সাথে শরীক করা, পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, কাউকে হত্যা করা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।
(সহীহ বুখারীঃ ২৪৭৭)
arefin:
হযরত উসামা ইবনে যাইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তিকে হাজির করা হবে এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে। ফলে তার নাড়ীভুড়ি আগুনের মাঝেই বেরিয়ে আসবে। এরপর সে এটাকে এমনভাবে পিষবে যেমনভাবে গাধা চাক্কি পিষে। এ অবস্থা দেখে অন্য জাহান্নামবাসীরা তার নিকট এসে জড়ো হবে এবং জিজ্ঞেস করবে, তোমার এ অবস্থা কেনো? তুমি কি আমাদেরকে সৎকাজের নির্দেশ দান এবং অন্যায় কাজ করা হতে নিষেধ করোনি? এরূপ নেক কাজ করা সত্ত্বেও তুমি এখানে এলে কিভাবে?
সে ব্যক্তি জবাবে বলবে, আমি তোমাদেরকে সৎকাজের দীক্ষা দিতাম ঠিকই। কিন্তু আমি তার ধারে কাছেও যেতাম না এবং পাপ কাজ হতে তোমাদেরকে বিরত থাকতে বলতাম কিন্তু আমি নিজে তা করতাম। [বুখারী, মুসলিম}
হযরত আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদেরকে জিজ্ঞেস করলেন- ‘তোমরা কি জান, দরিদ্র কে? তাঁরা বললেন, আমাদের মধ্যে যার অর্থ সম্পদ নেই, সে দরিদ্র। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন; আমার উম্মতের মধ্যে দরিদ্র ব্যক্তি সে, যে কিয়ামতের দিন প্রচুর নামায, যাকাত, রোযা ও হজ্জ্ব সাথে করে আনবে, কিন্তু সে এমন অবস্থায় আসবে, কাউকে গালি দিয়ে এসেছে, কারো উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে এসেছে, কারো সম্পদ হরণ করে এসেছে, কারো রক্তপাত করেছে উকে প্রহার করেছে। রপর এ ব্যক্তির সৎ কর্মগুলো তাদের মধ্যে বন্টন করে দেয়া হবে। এভাবে মযলুমদের ক্ষতি পূরণের সাথে তার সৎ কাজগুলো শেষ হয়ে গেলে মযলুমদের গুনাহগুলো একে একে তার ঘাড়ে চাপিয়ে তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
[মুসলিম, তিরমিযি]
হযরত আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কোন ব্যক্তির মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শুনে (তার সত্যতা যাচাই না করে) তাই বলে বেড়ায় বা প্রচার করে।
[মুসলিম]
arefin:
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
‘বান্দা যখন আল্লাহকে সিজদা করে ঐ সময় সে তার রবের সবচেয়ে নিকটে পৌঁছে যায়। সুতরাং সে অবস্থায় তোমরা বেশী বেশী করে দো‘আ কর। (কারণ এটি দু‘আ কবূলের উত্তম সময়) [মুসলিম -৪৭৯]
Navigation
[0] Message Index
[#] Next page
[*] Previous page
Go to full version