Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - tanvir28

Pages: 1 ... 6 7 [8]
106
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ মানবসভ্যতার ইতিহাসে এযাবৎকাল পর্যন্ত সংঘটিত সর্ববৃহৎ এবং সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ। ১৯৩৯ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল, এই ছয় বছর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়সীমা ধরা হলেও ১৯৩৯ সালের আগে এশিয়ায় সংগঠিত কয়েকটি সংঘর্ষকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়। তৎকালীন বিশ্বে সকল পরাশক্তি এবং বেশিরভাগ রাষ্ট্রই এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং দুইটি বিপরীত সামরিক জোটের সৃষ্টি হয়; মিত্রশক্তি আর অক্ষশক্তি। এই মহাসমরকে ইতিহাসের সবচেয়ে বিস্তৃত যুদ্ধ বলে ধরা হয়, যাতে ৩০টি দেশের সব মিলিয়ে ১০ কোটিরও বেশি সামরিক সদস্য অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী রাষ্ট্রসমূহ খুব দ্রুতএকটি সামগ্রিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে এবং সামরিক ও বেসামরিক সম্পদের মধ্যে কোনরকম পার্থক্য না করে তাদের পূর্ণ অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। এছাড়া বেসামরিক জনগণের উপর চালানো নির্বিচার গণহত্যা, হলোকস্ট (হিটলার কর্তৃক ইহুদীদের উপর চালানো গণহত্যা), পৃথিবীর ইতিহাসে একমাত্র পারমাণবিক অস্ত্রের প্রয়োগ প্রভৃতি ঘটনায় কুখ্যাত এই যুদ্ধে প্রায় ৫ কোটি থেকে সাড়ে ৮ কোটি মানুষ মৃত্যুবরণ করে। এসব পরিসংখ্যান এটাই প্রমাণ করে যে এটাই পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম যুদ্ধ

107
interesting ;D ;D

108
EEE / Re: সৌর কৌষের ইতিহাস
« on: March 03, 2015, 07:28:58 PM »
 ;D :D

109
বন্ধুগন আশা করি সবাই ভালো আছেন ।আপনারা যারা বিভিন্ন কজের জন্য সারা দিন পিসির সামনে বসে থাকেন তাদের চোখে বিভিন্ন সমস্যা হয়ে থাকে । চোখের সমস্যার অনেক কারণের মধ্যে অন্যতম একটি প্রধান কারণ হলো কম্পিউটারের মনিটর।

মনিটর থেকে ক্ষতি কারক গামা রশ্মি বের হয় যা কিনা চোখের জন্য ক্ষতিকারক। এছাড়াও মনিটরের স্ক্রিন দিনের বেলা যতটুকু উজ্জ্বল থাকে ঠিক ততোটুকু রাতের বেলাও থাকে অথচ রাতে ঐ আলো চোখে লাগে। আর এত সব ভেজাল থেকে মুক্তি দিবে F.lux নামের একটি ছোট সফটওয়্যার।
এই সফটওয়্যারের সব চেয়ে মজার বিষয় হলো, মনিটরের স্ক্রিনের আলো অটোমেটিক পরিবর্তন হবে। যা কিনা ২৪ ঘণ্টা সময় অনুযায়ী পরিবর্তন হবে। অর্থাৎ দিনের বেলা কম্পিউটারের স্ক্রিন থাকবে বেশি উজ্জ্বল আবার রাতের বেলা মনিটরের আলো থাকবে আপনার চোখের জন্য মানানসই। আর এসব পরিবর্তনের জন্য আপনাকে কিছুই করতে হবে না। এটা নিজে নিজেই সময় অনুযায়ী পরিবর্তন

110
EEE / Helpful link For the people who are applying for higher studies
« on: March 03, 2015, 07:16:24 PM »
Every year many people are applying for higher studies in different parts of the world ( basically in USA, Canada, Australia). Acceptance and rejection decision times vary from university to university. The following link can help to get good ideas about decision times, applicant profile, universities criteria etc.
link:http://thegradcafe.com/

111
EEE / রহস্যময় রানি নেফারতিতি
« on: March 03, 2015, 07:03:44 PM »
মিসরীয় সভ্যতা আগাগোড়াই একটা রহস্যে ঘেরা সভ্যতা। আর সেই রহস্যে ঘেরা সভ্যতার রানি ছিলেই এই নেফারতিতি। তাহলে বুঝতেই পারছেন ইনি নিজে কতটা রহস্যময় ছিলেন। নেফারতিতি ছিলেন প্রচণ্ড সুন্দরি একজন মহিলা। তার সৌন্দর্য নিয়ে লেখা হয়েছে অসংখ্য গল্প কবিতা।
 এই নেফারতিতি নিয়ে এখনো অনেক রহস্য রয়ে গেছে। তিনি ঠিক কোথায় জন্মেছিলেন এখনো সে ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দেহ রয়ে গেছে। কারো কারো মতে তিনি আখমিম শহরে জন্ম গ্রহন করেছিলেন আবার কেও কেও বলে তিনি মিশরের বাইরে জন্মগ্রহন করেছিলেন। বেশিরভাগ এর মত  নেফারতিতি ছিলেন আয় এর কন্যা। আয় ছিলেন ফারাও এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তিনি তিন তিন জন ফারাও এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলান এবং ধরা হয় তিনি ফারাও তুতেনখামেন এর রাজ্যের শক্তি ছিলেন। এই তুতেনখামেন আবার আরেক বিস্ময়।

নেফারতিতি বিয়ে করেন ফারাও তৃতীয় আমেনহটেপ এর সন্তান আখেনাতেন কে যিনি পরবর্তী ফারাও হিসেবে রাজত্ব করেন চতুর্থ আমেনহটেপ হিসেবে। ধারনা করা হয় নেফারতিতি ও আখেনাতেন এর মধ্যে ছিল ভালবাসার কোনও কমতি ছিল না যা সাধারনত মিসরীয় ফারাও দের মধ্যে খুজে পাওয়া যায় না। তারা দুজনে মিলে প্রায় খৃস্ট পূর্ব ১৩৫৩ থেকে ১৩৩৬ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
নেফারতিতি ও আখেনাতেন মিলে মিশরে সূর্য পুজা এর গোড়াপত্তন করেন। তারা ছিলেন সূর্য দেবতা আতেন ( Aten ) এর পুজারি। তারা দুজনে মিলে এই সূর্য পূজার নতুন এক ধর্মের প্রচলন করেন এবং তারা দুজন ছিলেন এই ধর্মের কাণ্ডারি। তাদের মাদ্ধমেই সাধারন মানুষ সূর্য দেবতার সাথে সংযোগ স্থাপন করতো। তারা একটি শহর ও প্রতিস্থা করেন এই সূর্য দেবের প্রতি শ্রদ্ধা নিদর্শন করে যেই শহরটি বর্তমানে আমারনা নামে পরিচিত। এই শহরে খোলা আকাশের নিচে এখনো কিছু সূর্য দেবের উপাসনালয় আছে।
 রহস্যে ঘেরা এই রানি নেফারতিতির রহস্যময় জীবনের মতো তার মৃত্যু ও রহস্যময়। ঠিক কবে তার মৃত্যু হয়েছিল জানা যায় নি। ঠিক কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল তাও জানা যায় নি। আখেনাতেন এর রাজত্তের চতুর্দশ তম বছর থেকে হঠাৎ করে হারিয়ে যান এই রানি। এরপর আর তার সম্পর্কে কোনও তথ্য পাওয়া যায় নি। কেও কেও ধারনা করে এরপর তিনি মাড়া যান। আবার কোনও কোনও বিশেষজ্ঞের মতে এসময় তিনি এতই ক্ষমতাধর হয়ে ওঠেন যে পুরুষের মতো পোশাক পড়তে শুরু করেন। একারনে তাকে আর খুজে পাওয়া যায় নি। এমন কি নেফারতিতির কোনও মমি ও খুজে পাওয়া যায় নি এখন পর্যন্ত।
ইতিহাসে নেফারতিতি সৌন্দর্যের রানি হিসেবেই স্বীকৃত। যেমন আলোচিত মিসরের ই ক্লিওপেট্রা, ট্রয় নগরীর হেলেন। জানিনা আরও কতদিন নেফারতিতি রহস্যময়তার মদ্ধেই থাকবেন। তিনি এক অদ্ভুত মায়াজাল বিছিয়ে রেখেছেন যা ক্রমশই টানে। তবে কিছু কিছু রহস্য মনে হয় রহস্য থাকাটাই শ্রেয়। কারন মায়াজালে যদি মায়া না থাকে তাহলে সেটা শুধুই জাল হয়ে থাকে।
(collected)

112
দরকারের সময় যারা গুগলিং করতে করতে অস্থির হয়ে যান খেলা শেষ হয়ে যায় কিন্তু কাঙ্খিত লাইভ স্ট্রিমিং চ্যানেলের দেখা পাওয়া যায় না তাদের জন্য। এখন থেকে খেলার সবগুলো চ্যানেলই থাকবে আপনার হাতের নাগালে!! বাদ যাবে না একটি খেলাও!!
লালিগা, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ..আইপএল, বিপিএল, বিগব্যাশ, ক্রিকেট, ফুটবল এবং বিশ্বকাপের সবগুলো খেলায় দেখা যাবে এখানে!!!!
1. Star Sports-1
2. Star Sports-2
3. Star Sports-4
4. Geo Super
5. Ten Cricket
6. Sky Sports
7. Ten Action
8. Sony Six
9. Star Cricket

113
এলিয়েন আছে, এলিয়েন নেই- গবেষণা, তর্ক, জল্পনা, কল্পনার শেষ নেই বিষয়টি নিয়ে। সম্প্রতি চালানো গবেষণায় জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, তারা মহাশূন্যের অন্য গ্রহে এলিয়েনদের অস্তিত্ব রয়েছে- এ সংকেত পেয়েছেন।

তারা এই সূত্রটি পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সিএস আইআরও এর রেডিও টেলিস্কোপের মাধ্যমে।

৫.৫ মিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরে বাষ্পীভ‍ূত কালো গর্ত দেখা গেছে। প্রচুর শক্তি সম্পন্ন এই রেডিও টেলিস্কোপটি মাত্র কয়েক মিলি সেকেন্ডের মধ্যে বিস্ফোরিত হয়। তবে জোতির্বিধদের ধারণা ছিল এটি সারাদিনে সূর্যের আলোর মতো শক্তিধর।

বিস্ফেরিত এই রেডিওটি ২০০৭ সালে আবিষ্কার করা হয়। তবে আজ পর্যন্ত কোনো বিজ্ঞানীই এমন রূদ্ধশ্বাস বিস্ফোরণ নিজ চোখে দেখেননি। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ নিউ ওয়েলসের এই রেডিওটি আর্কাইভ বা অসংযুক্ত ডাটা সংরক্ষণ করতো।


টেলিস্কোপ অ্যারিসিবো, পুর্তো রিকো

এর আগেও  ছয়টি রেডিও বিস্ফোরণ হয়েছে আমোদের ছায়াপথে বাইরে। পরবর্তীতে এগুলোর অবশিষ্টাংশ খুঁজে পাওয়া যায় নিউ ওয়েলসের পার্কসে। এবার বিস্ফোরণ ঘটলো সপ্তম রেডিও টেলিস্কোপ অ্যারিসিবো। এটি পুর্তো রিকোতে অবস্থিত।

এসব বিস্ফোরণ ঘটার কয়েক মাস বা শতাব্দী পর আবিষ্কৃত হয়। পিএইচডি পরীক্ষার্থী এমিলি পেট্রোফ বলেন, আমার এবার এটিকে যথাসমই খুঁজে পেয়েছি।

তিনি আরও জানান, বিস্ফোরণের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পেট্রোফের একটি আন্তর্জাতিক দল আছে। তারা এই বিস্ফোরণ দেখার সঙ্গে সঙ্গেই সংযুক্ত আরো ১২টি টেলিস্কোপের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

এই ১২টি টেলিস্কোপ পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় অস্ট্রেলিয়া, ক্যালিফোর্নিয়া, ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ, চিলি, জার্মানি, হাওয়াই ও ভারত ও মহাশূন্যে অবস্থিত।

ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাদেনার কার্নেগি ইনস্টিটিউশনের সদস্য মানসি কাসলওয়াল জানান, খুব কাছাকাছি গামা রশ্মির বিস্ফোরণ বা সুপারনোভার যাওয়ার ফলে এই বিস্ফোরণ হতে পারে।

নিউট্রন গ্রহ ভাঙনের ফলেও এটা ঘটতে পারে বলে জানান তিনি।

মাত্র কয়েক মিলি সেকেন্ডের মধ্যে বিস্ফোরণ হওয়া এই রেডিওটি সম্পর্কে কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিম মেম্বার দানিয়েলি মেলেজানি বলেন, তার মানে নিশ্চই রেডিওটি যথেষ্ট শক্তিধর ছিল। এক দিনে সূর্য যতটুকু আলো দেয় ঠিক তার মতই।

সমাবর্তন ইলেক্ট্রম্যাগনেটিক তরঙ্গকে দিক নির্দেশনা দেয় যেমন আলো বা রেডিও তরঙ্গ, কম্পন। এটি সারিবদ্ধ  হতে পারে। প্রথম নতুন রেডিওটি ২০ শতাংশ বৃত্তাকারে সমাবর্তিত হয়।

অন্যদিকে ইউএফও ইনভেস্টিগেশন ম্যান্যুয়ালের (হইন্স) রচয়িতা নাইজেল ওয়াটসন বলেন, পৃথিবীর বাইরে থেকে আগত সব অভূতপূর্ব সংকেতই আমাদের এলিয়েনদের  বসবাস সম্পর্কে আরও উন্মুখ করে তোলে।

[তথ্যটি সংগ্রহকৃত]

Pages: 1 ... 6 7 [8]