Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - nusratjahan

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 10
32
আপনার মোবাইল ফোনটি যদি পানিরোধী না হয় আর হঠাৎ যদি সেটি ভিজে যায় কিংবা পানিতে পড়ে যায় তাহলে আপনার কী করা উচিত? চলুন এই প্রশ্নটির উত্তর জেনে আসি।
ফোনটি বন্ধ করুন
জেমসের সেই গানটা শুনেছেন “আমি তো প্রেমে পড়িনি, প্রেম আমার উপরে পড়েছে”? ব্যাপারটা এরকমও হতে পারে। মোবাইল ফোন পানিতে পড়ে যাক কিংবা পানি ফোনের উপরে পড়ুক- যেটাই হোক না কেন, সাথে সাথে ফোনটি বন্ধ করে ফেলুন। আর চার্জারে লাগানো থাকলে তো কথাই নেই। সাথে সাথে চার্জার থেকে আলাদা করে ফেলুন। ভেজা অবস্থায় ফোন ভুলেও চার্জে লাগাবেন না।

আপনার ফোনটি যদি পুরনো মডেলের হয় তাহলে হয়তো ব্যাটারি খুলে নেয়ার অপশন থাকবে। সেক্ষেত্রে ব্যটারিটি খুলে ফেলুন।

পানির জন্য ফোনের সবচেয়ে দ্রুত যে ক্ষতিটি হয় তা হল, পানি ফোনের মাদারবোর্ডের সার্কিটগুলোকে শর্ট করে দেয়। মানে “শর্ট সার্কিট” হয় আরকি। আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র হলে শর্ট সার্কিট কী তা অবশ্যই জানেন। অন্য বিভাগের ছাত্র হয়েও শর্ট সার্কিট জিনিসটা সম্পর্কে ধারণা থাকলে সেটা আপনার ক্রেডিট। এটা ঘটে যদি পানিতে ভেজা অবস্থায় আপনার ফোনে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। (আরো অনেক কারণে হতে পারে)। ভেজা ফোনে শর্ট সার্কিট এড়াতে ফোন বন্ধ করে ব্যাটারি খুলে ফেলাই সবচেয়ে উত্তম।

ফোনটি ধুয়ে নিন
শিরোনাম দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। এটা শুধুমাত্র তখনই করবেন যখন আপনার ফোনটি সমুদ্রের জলে কিংবা স্যুপের বাটিতে পড়ে যায়। কারণ সামুদ্রিক লোনা পানিতে অনেক লবণ থাকে যা আপনার ফোনের মাদারবোর্ডের ক্ষতি করতে পারে। তাই তাড়াতাড়ি ফোনটি পরিষ্কার জলের ধারাতে ধুয়ে ফেলুন। তবে অবশ্য সাবধানে। তা না হলে হিতে বিপরীত হতে পারে। আর ভুলেও বাটিতে পানি নিয়ে তাতে ডুবাবেন না।

ফোন নিয়ে ঝাঁকাঝাঁকি নয় একদম
অনেকে ভয় পেয়ে ফোন পানি থেকে তুলেই নড়াচড়া কিংবা ঝাঁকিয়ে ভিতর থেকে পানি বের করতে চান। ভুলেও এই কাজটি করবেন না। উল্টাপাল্টা ঝাঁকাঝাঁকি করলে পানি তো বের হবেই না, বরং ভিতরে আরো গভীরে পানি চলে যেতে পারে।

সিলিকা জেল ব্যবহার করতে পারেন
অনেক সময় ট্যাবলেটের কৌটাতে পাওয়া সিলিকা জেল আমরা ফেলে দিই। ফেলে না দিয়ে সেগুলো জমিয়ে ঘরে রেখে দিলে এরকম বিপদের সময় কাজে লাগতে পারে। সিলিকা জেল খুব চমৎকার একটি ড্রায়িং এজেন্ট এবং এটি দ্রুত আদ্রতা শুষে নেয়। আর ফোন খুলে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করার সময় তোয়ালে কিংবা টিস্যু পেপার এর উপরে রেখে দিতে পারেন।

হেয়ার ড্রায়ার কিংবা ওভেনের দিকে ভুলেও যাবেন না
ফোন শুকানোর জন্য অনেকে হেয়ার ড্রায়ার ব্যবহার করে। কিন্তু আনাড়ি হাতে এটা করতে গেলে হেয়ার ড্রায়ার এর তাপ আপনার ফোনের ক্ষতি করতে পারে। আর ভুলেও বোকার মতো মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ফোন রেখে শুকানোর চেষ্টা করে ফোনকে ডাস্টবিনে ফেলার উপযোগী করবেন না যেন!

শুকানোর জন্য অপেক্ষা করুন
আপনার ফোনটি শুকাতে দিয়ে অপেক্ষা করতে থাকুন। সরাসরি সূর্যের আলোতে না রাখাই সমীচীন। আপনি হার্ডওয়্যার গিক টাইপের হলে আর বাসায় যন্ত্রপাতি থাকলে ফোনটির পার্টস খুলে আলাদা করে শুকাতে দিতে পারেন।

সার্ভিস সেন্টারের দিকে দৌঁড় দিন
আপনি এতকিছু না পারলে বসে না থেকে ফোনটির সুইচ অফ করে, ব্যাটারি খুলে (যদি সম্ভব হয়) সোজা সার্ভিস সেন্টারে কিংবা মোবাইল রিপেয়ার শপের দিকে যান। একটুও সময় নষ্ট করবেন না। খুব বেশি ভাগ্য খারাপ না হলে আপনার ফোনটি আবার আগের মতো চলতে থাকবে।

34
 :)

35
Faculty Sections / Re: যে শহরে যানজট নেই!
« on: July 03, 2019, 03:15:34 PM »
Wow  :)

36
Faculty Sections / Re: Do computers cause eye damage?
« on: July 03, 2019, 03:14:50 PM »
Thanks for sharing  :)

40
অসির চেয়ে মসি বড়—এ কথা অন্যভাবে প্রমাণ করলেন অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। কারণ, ক্যানসার কোষ শনাক্ত করতে কোনো যন্ত্রপাতি নয়, তাঁরা সাহায্য নিয়েছেন কলমের। হ্যাঁ, ঠিকই পড়ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যমে টাইমের খবরে প্রকাশ, টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এমন একটি কলম তৈরি করেছেন, যা মাত্র ১০ সেকেন্ডের মধ্যে ক্যানসার আক্রান্ত কোষকে শনাক্ত করতে সক্ষম।

শুধু শনাক্তই নয়, ক্যানসারের কোষকে পুরোপরি দূর করতে কোন কোষগুলো কাটা উচিত, তা বলে দেবে এই কলম। আর এই জাদুকরি কলমের নাম ‘মাসস্পেক পেন’। যদিও ক্যানসার কোষ শনাক্তকরণে শতভাগ নিশ্চিত হতে পারছে না কলমটি। তবে এটি প্রায় ৯৬ শতাংশ নির্ভুলভাবে ক্যানসার আক্রান্ত কোষ ও সুস্থ কোষের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাসের রসায়নের সহকারী অধ্যাপক লিভিয়া সিচিয়াভিয়ানাতো এবারলিন বলেন, ‘এটি সাধারণ একটি রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এতে উচ্চমাত্রার ক্ষমতা রয়েছে, পাশাপাশি এটি বেশ স্পর্শকাতর। সবচেয়ে বড় কথা, ক্যানসার নির্ণয় বা নিরাময়ে অন্যান্য প্রযুক্তির মতো এটি অত ক্ষতিকারক নয়।’

ক্যানসার কোষ শনাক্ত করার জন্য কোষের একটি নমুনা পরীক্ষাগারে পাঠাতে হয়। পরীক্ষাগারে ফল পেতে অনেক সময় লাগে। তবে শল্যচিকিৎসার সময় কোষ হিমায়িত করেও বিশ্লেষণ করা যায়। এতে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। কিন্তু এই কলমটির উদ্ভাবনের ফলে ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই নির্ণয় করা যাবে ক্যানসার। আর তা হবে প্রায় নির্ভুল। ক্যানসার কোষে সামান্য পরিমাণ পানি যোগ করে এই কলমটির সাহায্যে কর্কট রোগ নির্ণয় করা যাবে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

গবেষণাকাজে ২৫ জন ক্যানসার আক্রান্ত স্তন, ফুসফুস, থাইরয়েড ও ডিম্বাশয়ের কোষের পাশাপাশি ভালো কোষের নমুনা এ কলম দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। মাসস্পেক পেনটি এ ক্ষেত্রে ৯৬ শতাংশ সফল হয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যেই ক্যানসার নির্ণয়ে পুরোদমে এর ব্যবহার চালু করতে চান গবেষকরা।

41
জানার ও কৌতূহলের কোনো শেষ নেই। আচ্ছা, কী হবে যদি এই মুহূর্তে হঠাৎ সূর্যটা গায়েব হয়ে যায়? অনেকে হয়ত ভাববেন এইসব চিন্তা করে সময় নষ্ট করে লাভ কী? কিন্তু কিছু কিছু কৌতূহলী মানুষ সারাক্ষণ এসব নিয়েই চিন্তা করে যাচ্ছেন। আপনারও যদি এই প্রশ্নের উত্তর জানার আগ্রহ সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে চলুন দেখা যাক আসলেই এখন সূর্যটা বিলীন হয়ে গেলে কেমন হবে!

সূর্য পৃথিবী থেকে প্রায় ৩,৩৩,০০০ গুন ভারী আর এটা প্রতি সেকেন্ডে ১০০ বিলিয়ন হাইড্রোজেন বোমার সমান শক্তি তৈরি করে। আর এর প্রবল আকর্ষণ বল দিয়েই এটা পৃথিবী সহ আটটি গ্রহকে তাদের কক্ষপথে ধরে রেখেছে। তাহলে চিন্তা করে দেখুন সূর্য না থাকলে আমাদের কী হবার কথা!
বিজ্ঞানীদের মতে, সূর্য হঠাৎ গায়েব হয় গেলে সৌরজগতের গ্রহগুলো সব ছিটকে মহাশূন্যে হারিয়ে যাবে। পাশাপাশি এদের মাঝে সংঘর্ষ হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়।

সূর্য কিন্তু আমাদের আলোরও প্রধান উৎস। কিন্তু আলোর ব্যাপারটি একটু ভিন্ন। কারণ এত বেশি গতিতে চলার পরেও বিশাল দূরত্ব পাড়ি দিয়ে সূর্য থেকে আলো পৃথিবীতে পৌঁছাতে প্রায় ৮ মিনিট লেগে যায়। তাই মজার ব্যাপার হল ঠিক এই মুহূর্তে সূর্য বিলীন হয়ে গেলে তা আমাদের চোখে দেখে বুঝতে ৮ মিনিট সময় লেগে যাবে। মানে ৮ মিনিট পর বুঝবো যে সূর্য নেই। অবশ্য তার আগেই গ্রহগুলো ছিটকে গিয়ে একটা হুলস্থূল কান্ড ঘটে যাবে।

তবে অন্য কোনো দুর্ঘটনা না ঘটলে শুধুমাত্র আলোর অভাবে আমাদের তৎক্ষণাৎ কোন সমস্যা হবে না। কারণ ইলেকট্রিসিটি থাকবে এবং পাশাপাশি তারাগুলো তখনও কিছুটা আলো দিবে। এমনকি বৃহস্পতি গ্রহকেও প্রায় ১ ঘণ্টার মত দেখা যাবে (কারণ বৃহস্পতি থেকে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে আসতে আসতে কিছুটা সময় নেবে। এই সময়ের পার্থক্যের কারণে সূর্য হারিয়ে গেলেও ঠিক আগের মুহূর্তের আলোটুকু এই পথ ঘুরে আসতে যে সময় দরকার সেই সময়টা বৃহস্পতিকে দেখা যাবে )।

42
Faculty Sections / Re: পেঁপের বীজে এত গুণ!
« on: February 20, 2019, 11:53:10 AM »
 :)

45
informative sharing

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 10