Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Md. Sazzadur Ahamed

Pages: 1 [2] 3 4 ... 11
16
বাংলাদেশের হাইটেক পার্কসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ভারতের সহযোগিতা আরও বাড়ার প্রত্যাশার করছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। তিনি বলেন, দেশে আইসিটি সেক্টরে ভারতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশের ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক স্থাপন প্রকল্পে ভারত সরকার অর্থায়ন করছে।

আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ‘আইসিটিতে বাংলাদেশ-ভারত সহযোগিতা সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক ভার্চ্যুয়াল সভায় জুনাইদ আহমেদ এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন
জুনাইদ আহমেদ বলেন, গত মার্চে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফরের সময় ‘বাংলাদেশ-ভারত ডিজিটাল সার্ভিস অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সেন্টার (বিডিসেট)’ নামে একটি প্রকল্প স্থাপনে ভারতীয় অনুদানের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এই সমঝোতার আওতায় ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও আইসিটি শিল্পের বিকাশে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ২৫ কোটি টাকা ভারতীয় অনুদান দেওয়া হবে। এখান থেকে আগামী দুই বছরে প্রায় আড়াই হাজার প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে। এ ছাড়া ৩০ জনকে ছয় মাসের জন্য ভারতে আইসিটির ওপর উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য পাঠানো হবে। ভবিষ্যতে ভারত ও বাংলাদেশে তাদের সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও প্রসারিত করবে বলে প্রতিমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ়করণ এবং আইসিটি সেক্টরসহ অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারত্ব বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে কাজ করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড কম্পিউটার সফটওয়্যার এক্সপোর্ট প্রোমোশন কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর গুরমিত সিংয়ের সঞ্চালনায় আজকের সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সন্দীপ নারুলা, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকর্ণ কুমার ঘোষ, আইসিটি বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর, বাক্কোর সভাপতি ওয়াহিদ শরিফ, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির সভাপতি শহীদ উল মুনির, উই-এর সভাপতি নাসিমা আক্তার নিশা প্রমুখ।

17
টিকা কারা নিতে পারবেন এবং নিকটস্থ টিকাকেন্দ্র কোথায়, তা এখন ফেসবুকই বলে দেবে। সরকারের সঙ্গে মিলিত হয়ে ফেসবুক চালু করেছে ‘ভ্যাকসিন ফাইন্ডার’।
 আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফেসবুক জানায়, বাংলাদেশের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলিত হয়ে দেশে ভ্যাকসিন ফাইন্ডার চালু করেছে ফেসবুক। নতুন এই টুলের মাধ্যমে বাংলাদেশিরা জানতে পারবেন, কারা টিকা নিতে পারবেন। এ ছাড়া টুলটি নিকটস্থ টিকাদানকেন্দ্র খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। টিকার নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পর্কেও এই টুলের মাধ্যমে জানা যাবে। টুলটি পাওয়া যাবে বাংলা ও ইংরেজিতে।

বিজ্ঞাপন
ফেসবুক বলছে, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, মানুষকে করোনা-সম্পর্কিত তথ্য পেতে সাহায্য করা এবং দেশে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করার জন্য ফেসবুকের এ উদ্যোগ।

ফেসবুকেই জানা যাবে নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রের খোঁজ
ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞপ্তিতে ফেসবুক জানিয়েছে, মহামারি চলাকালে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে এবং মানুষকে সর্বশেষ তথ্যের সঙ্গে সংযুক্ত করতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কাজ করছে ফেসবুক।

18
অ্যান্ড্রয়েড টিভির রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস হিসেবে স্মার্টফোন ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ স্মার্টফোন থেকেই নিয়ন্ত্রণ করা যায় স্মার্টটিভি। অনেক ব্র্যান্ডের স্মার্টফোনে আগে থেকেই এমন সুবিধা থাকে। আর না থাকলে ফোনে ইনস্টল করে নিতে পারেন ‘অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল’ অ্যাপ। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের পাশাপাশি আইফোনেও অ্যাপটি ব্যবহার করা যায়।

যেভাবে অ্যান্ড্রয়েডে রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ সেটআপ করবেন
অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে ফোনে কমপক্ষে অ্যান্ড্রয়েড ৪.৩ সংস্করণ ইনস্টল থাকতে হবে। ফোনের সেটিংস অ্যাপ থেকে ‘অ্যাবাউট ফোন’ বা এ ধরনের অপশনে অ্যান্ড্রয়েডের সংস্করণ নম্বর পাবেন। যেভাবে কাজটি করতে হবে—

প্লে স্টোর থেকে স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ নামিয়ে ইনস্টল করে নিন।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড টিভি এবং স্মার্টফোন একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত করুন।

স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ খুলুন।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড টিভির নাম দেখাবে, তাতে ট্যাপ করুন।

টিভির পর্দায় একটি পিনকোড দেখাবে।

স্মার্টফোনে সেই কোডটি দিয়ে ‘পেয়ার’-এ ট্যাপ করুন।

আরও পড়ুন
আপনার স্মার্টফোন একবার চার্জ করতে কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয়
চলুন দেখি, স্মার্টফোন একবার শূন্য থেকে পূর্ণ চার্জ করতে কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হয়
বিজ্ঞাপন
আইফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ ব্যবহার করবেন যেভাবে
আইফোন এবং আইপ্যাডের বেলায় রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপটি ব্যবহারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৮ বা পরবর্তী সংস্করণের হতে হবে। সেটআপের বাকি প্রক্রিয়া একই। কাজটি যেভাবে করবেন—

অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে আইফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ নামিয়ে ইনস্টল করে নিন।

একই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড টিভি যুক্ত করুন।

স্মার্টফোনে অ্যান্ড্রয়েড টিভি রিমোট কন্ট্রোল অ্যাপ খুলুন।

আপনার অ্যান্ড্রয়েড টিভির নাম দেখালে তাতে ট্যাপ করুন।

টিভির পর্দায় একটি পিনকোড দেখাবে।

আইফোনে পিনকোডটি দিয়ে ‘পেয়ার’ নির্বাচন করুন।

19
করোনাকালের শুরু থেকে ফেসবুকের কর্মীরা ঘরে থেকে কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটির যুক্তরাষ্ট্রের কার্যালয়গুলোর সিংহভাগ কর্মীর জন্য এখনো সে নিয়ম জারি আছে। তবে শিগগির ফেসবুকের কর্মীদের অফিসে ফেরার কথা রয়েছে। দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার টিকা না নিলে যুক্তরাষ্ট্রে কর্মীদের অফিসে আসতে দেবে না ফেসবুক।

ফেসবুকের মানবসম্পদবিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট লরি গোলার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের অফিসগুলো যেহেতু পুনরায় খুলছে, যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের যেকোনো অফিসে যে-ই কাজ করার জন্য আসবে, তাকে টিকা নিয়ে আসতে হবে। আমাদের এই নির্দেশনার বাস্তবায়ন স্থানীয় নীতিমালা ও অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। যারা চিকিৎসাসংক্রান্ত বা অন্য কোনো কারণে টিকা নিতে পারছে না, তাদের জন্য আরেকটি প্রক্রিয়া আছে। অন্যান্য অঞ্চলেও একই নিয়ম কার্যকর করা যায় কি না, তা ভেবে দেখা হচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন
আগামী অক্টোবরে কর্মীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের কার্যালয়গুলো খোলার পরিকল্পনা ফেসবুকের।

ফেসবুকের ঘোষণাটির কয়েক ঘণ্টা আগেই গুগলের সিইও সুন্দর পিচাইও তাঁর কর্মীদের একই ধরনের কথা বলেছেন। গুগলের কার্যালয়ে ফিরতে চাইলে টিকা নিতে হবে। সেপ্টেম্বরে অফিস খোলার কথা থাকলেও সেটি ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিচাই।

যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপলের ২৭০টির বেশি দোকানে কর্মী ও গ্রাহকদের টিকা দেওয়া থাকলেও মাস্ক পরতে হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

20
স্টিভ জবস অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়ান ২০১১ সালের আগস্টে। সে সময় হংকংয়ের ১৯ বছর বয়সী জোনাথান মাক লং অ্যাপলের লোগোর কামড় দেওয়া অংশে বসিয়ে দেন স্টিভ জবসের অবয়ব। অ্যাপলে যে জবসের অভাব পূরণ হওয়ার নয়, তা-ই বুঝিয়েছিলেন তিনি। এর মাস দেড়েকের মধ্যে মারা যান জবস। ছবিটি তখন দ্বিতীয় দফায় ভাইরাল হয়।

জোনাথান মাকের সে ছবির ব্যাখ্যা নাহয় পাওয়া গেল। তবে অ্যাপলের মূল লোগোটি দেখুন। বেশ সাধাসিধে এক আপেল। ডান দিকটাতে যেন কেউ কামড় বসিয়েছে। তবে তাতে তেমন কোনো গূঢ় অর্থ লুকানো নেই। কেবল অন্যান্য ফল থেকে আপেলকে আলাদা করার চেষ্টা ছিল।

হংকংয়ের গ্রাফিক ডিজাইনার জোনাথান মাকের নকশা করা ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটে
হংকংয়ের গ্রাফিক ডিজাইনার জোনাথান মাকের নকশা করা ছবিটি ছড়িয়ে পড়ে ইন্টারনেটেজোনাথান মাক
অ্যাপলের প্রথম লোগোটি ছিল হাতে আঁকা। এক আপেলগাছের নিচে বসে আছেন ইংলিশ বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন। স্টিভ জবস চেয়েছিলেন অ্যাপলের সব কম্পিউটারে প্রতিষ্ঠানটির লোগো যুক্ত থাকবে। আর সে কাজের জন্য সাধাসিধে একটি লোগোর দরকার ছিল তাঁর।

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লোগোর জন্য এক বিজ্ঞাপনী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেন স্টিভ জবস। কাজটির জন্য নিযুক্ত হন রব জ্যানোফ। ১৯৭৭ সালের ঘটনা। নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অ্যাপলের বয়স তখন সবে এক বছরের কাছাকাছি।

বিজ্ঞাপন
১৯৭৬ সালে অ্যাপলের প্রথম লোগোটির নকশা করেন প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত রোনাল্ড ওয়েইন
১৯৭৬ সালে অ্যাপলের প্রথম লোগোটির নকশা করেন প্রতিষ্ঠানটির তৃতীয় সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত রোনাল্ড ওয়েইন
লোগো কেমন হতে হবে, কিসে প্রাধান্য দেওয়া হবে, এসব নিয়ে জ্যানোফকে তেমন কিছু বলেননি স্টিভ জবস। কেবল বলেছিলেন, ‘ডোন্ট মেক ইট কিউট।’ এরপর কাজ শুরু করে দেন জ্যানোফ। তিনি চেয়েছিলেন লেখার বদলে ছবিভিত্তিক লোগো নকশা করতে।

সে সময় এইচপি বা আইবিএমের মতো বড় কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর লোগোতে টাইপোগ্রাফিকে প্রাধান্য দেওয়া হতো। অ্যাপলের ক্ষেত্রে ভিন্ন কিছু চেয়েছিলেন তিনি।

শুরুতেই সাধাসিধে আপেলের কথা মাথায় আসে জ্যানোফের। সঙ্গে থাকবে একটি পাতা। তবে একই আকৃতির অন্যান্য ফলের সঙ্গে লোকে মিলিয়ে ফেলতে পারে বলে মনে হয়েছিল তাঁর। পাশাপাশি অন্য কিছুর ছবি না থাকলে লোগোতে আপেলের আকার দেখে বোঝার উপায়ও থাকবে না। বিশেষ করে চেরির কথা মাথায় ছিল তাঁর। নিজের ওয়েবসাইটে সে কথা নিজেই জানিয়েছেন জ্যানোফ। আর তাঁকে দোষ দেওয়া যায় না। তখন কী আর তিনি ভেবেছিলেন অ্যাপল এত বড় প্রতিষ্ঠান হবে আর লোগোটি এভাবে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়বে!

অ্যাপলের জন্য প্রথম এই লোগোটির নকশা করেন রব জ্যানোফ
অ্যাপলের জন্য প্রথম এই লোগোটির নকশা করেন রব জ্যানোফ
যাহোক, সমস্যার সমাধান করতেই আপেলে ‘কামড়’ যুক্ত করেছিলেন রব জ্যানোফ। এতে যেকেউ লোগোটি প্রথমবার দেখেই বুঝতে পারবে সেটি আপেল, অন্য কোনো ফল নয়। এরপর সেটি স্টিভ জবসের সামনে উপস্থাপন করলে প্রথম দেখায় তিনি নকশাটি অনুমোদন করেন বলে কথিত আছে।

অ্যাপলের লোগোর নকশা করা নিয়ে একটি বই লিখেছেন তিনি
অ্যাপলের লোগোর নকশা করা নিয়ে একটি বই লিখেছেন তিনিরব জ্যানোফের ওয়েবসাইট থেকে
জ্যানোফের নকশা করা সেই লোগোটিই অ্যাপলে এখনো ব্যবহার করা হয়। তবে ভিন্ন সংস্করণে। প্রথম সংস্করণে অ্যাপলের লোগোতে ছয়টি রঙের ডোরা ছিল। সেটা স্টিভ জবসের ইচ্ছায়। তিনি চেয়েছিলেন অ্যাপলের তৈরি কম্পিউটারে যে রঙিন ছবি দেখা যায়, তা লোগোতেও থাকুক। মানুষের মনে প্রভাব ফেলুক। কারণ, সে সময়ের অন্যান্য কম্পিউটারে রঙিন ছবি দেখা যেত না। এরপর বিভিন্ন সময় লোগোতে টুকটাক পরিবর্তন আনা হয়েছে, তবে আকৃতি বদলায়নি।

21
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা পুরোনো স্মার্টফোনগুলোর মালিকদের দুঃসংবাদ দিল গুগল। ওই স্মার্টফোনগুলোতে গুগলে লগইন করা যাবে না, ব্যবহার করা যাবে না গুগলের কোনো অ্যাপ।

তবে পুরোনো মানে পুরোনো। নিত্যদিন নতুন মডেলের স্মার্টফোন বাজারে আসার এ যুগে সেটাকে প্রাচীনও বলা যেতে পারে। গুগলের ঘোষণায় অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৭, অর্থাৎ অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড বা তার আগের অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোনগুলোর জন্য এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বলে জানানো হয়েছে।

অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেডের ঘোষণা গুগল দেয় ২০১০ সালের ডিসেম্বরে। সেটা এক দশকেরও আগে। তবে কোটি কোটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এখন মানুষের হাতে। সঠিক পরিসংখ্যান না জেনেও বলে দেওয়া যায়, অনেকের হাতেই এখনো জিঞ্জারব্রেড বা তার আগের সংস্করণের অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন আছে। সেই পরিমাণও নিশ্চয় নগণ্য নয়।

বিজ্ঞাপন
খবরটি গুগলের পক্ষ থেকেই এসেছে। এক নির্দেশিকায় গুগল বলেছে, ‘ব্যবহারকারীদের নিরাপদ রাখার চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যান্ড্রয়েড ২.৩.৭ কিংবা আগের সংস্করণগুলোতে চলা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে লগইন করতে দেবে না গুগল। আপনি যদি ২৭ সেপ্টেম্বরের পর আপনার ডিভাইসে জি–মেইল, ইউটিউব ও ম্যাপসের মতো গুগলের সেবায় লগইন করার চেষ্টা করেন, তবে ইউজারনেম কিংবা পাসওয়ার্ড ভুল দেখাতে পারে।’

আর গুগলের সেবা ব্যবহারের সুযোগ না থাকলে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারের পূর্ণ সুবিধাও পাওয়া যাবে না। অনেকের কাছেই সেটা অকেজো মনে হবে। একমাত্র আশা হলো, পুরোনো স্মার্টফোনটির অপারেটিং সিস্টেম যদি অ্যান্ড্রয়েড ৩.০ বা নতুন সংস্করণগুলোতে হালনাগাদ করার সুযোগ থাকে, তবে দ্রুত হালনাগাদ করে নেওয়া।

22
টেসলা বানায় গাড়ি, স্পেসএক্স বানায় রকেট। মস্তিষ্ক থেকে সরাসরি কম্পিউটার পরিচালনার জন্য কাজ করছে নিউরালিংক। আর একই সঙ্গে এসব ভিন্নধর্মী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক। এর বাইরে আরও অনেক প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়েছেন তিনি, পরিচালনায়ও অংশ নিচ্ছেন। তবু তিনি বলেছেন, ‘আমি কোনো কিছুর সিইও হতে চাই না।’

ইলন মাস্কের এই বক্তব্যের ব্যাখ্যায় যাওয়ার আগে পেছনের ঘটনা জেনে রাখা ভালো। তাঁকে নিয়ে নতুন একটি বই প্রকাশিত হওয়ার কথা আছে আগামী পরশু। সেখানে একটি গল্প এমন—২০১৬ সালে টেসলার দুঃসময় চলছিল। ইলন মাস্ক তখন অ্যাপলের সিইও টিম কুকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। অ্যাপল হয়তো টেসলা কিনবে, এমন আশা করেছিলেন মাস্ক। তবে চুক্তির অংশ হিসেবে শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন, মাস্ক হবেন অ্যাপলের নতুন সিইও।

আসন্ন বইয়ে লেখা ঘটনাটি সত্য কি না, তা জানতে টুইটারে মাস্কের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বিবিসির উত্তর আমেরিকার প্রযুক্তি প্রতিবেদক জেমস ক্লেটন। উত্তরে টিম কুকের সঙ্গে তাঁর কখনো কথা হয়নি বলে জানিয়েছেন মাস্ক। চিঠি বা ই-মেইলেও যোগাযোগ হয়নি।


বিজ্ঞাপন
আমাকে করতে হচ্ছে, নয়তো সত্যি বলতে, টেসলা নিঃশেষ হয়ে যাবে।
ইলন মাস্ক
তবে যোগ করেছেন, ‘একসময় ছিল, যখন অ্যাপলের টেসলা কেনার ব্যাপারে আলোচনা করতে কুকের সঙ্গে যোগাযোগের অনুরোধ করেছিলাম আমি। তবে অধিগ্রহণের ব্যাপারে কোনো শর্তের প্রস্তাব ছিল না সেখানে। তিনি (কুক) দেখা করতে চাননি। টেসলার বাজারমূল্য তখন বর্তমানের ছয় শতাংশ ছিল।’

আরেক টুইটার ব্যবহারকারী সে বিষয়ে মন্তব্য করেছেন, অ্যাপলের অনেক ভালো সিইও হতে পারতেন ইলন। আর সে টুইটের উত্তরেই মাস্ক বলেছেন, ‘আমি কোনো কিছুর সিইও হতে চাই না।’


গত মাসে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন তিনি। টেসলায় তাঁর সিইওর ভূমিকা নিয়ে বলেছিলেন, ‘আমি বরং এটা ঘৃণা করি। এর চেয়ে নকশা এবং প্রকৌশলে আমার সময় ব্যয় করতে চাই।’

তবু কেন টেসলা-প্রধানের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাঁকে? সে উত্তরও দিয়েছেন। বলেছেন, ‘আমাকে করতে হচ্ছে, নয়তো সত্যি বলতে, টেসলা নিঃশেষ হয়ে যাবে।’

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে একবার টিম কুক এবং ইলন মাস্ককে একই ফ্রেমে দেখা গিয়েছিল। তবে তাঁরা কথা বলেছিলেন কি না, তা জানা যায়নি।

ইলন মাস্ক বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ঠিকই, তবু ইচ্ছেমতো কিছু করার স্বাধীনতা নেই বলে মনে হয় তাঁর
ইলন মাস্ককে ভালো লাগুক বা না লাগুক, বিনিয়োগকারীরা তাঁকে ছাড়তে চাইবেন বলে মনে হয় না। তাঁর নেতৃত্বেই টেসলা এখন বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান গাড়ি তৈরির প্রতিষ্ঠান।

মাস্ক আসলে কোনো প্রতিষ্ঠানের শুরুর দিকটা নিয়ে বেশি আগ্রহী। আইডিয়া, উদ্ভাবন, প্রকৌশল—এসব। তবে স্টার্টআপ থেকে যখন বড় প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়, তখন সিইওর ভূমিকা অনেকখানি বদলে যায়।

বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপলের স্টিভ জবস, গুগলের ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন কিংবা মাইক্রোসফটের বিল গেটস দূরদর্শী ছিলেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান সিইওরা তাঁদের চেয়ে অনেক আলাদা। নেতা হিসেবে অ্যাপলের টিম কুক, গুগলের সুন্দর পিচাই এবং মাইক্রোসফটের সত্য নাদেলা চমৎকার, অত্যন্ত যোগ্যও। তবে তাঁদের কেউ বিপ্লবী বলবে না, বৈপ্লবিক কোনো পরিবর্তন আনেননি তাঁরা।

অন্যদিকে ইলন মাস্ক অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় উদ্যোক্তা। চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রতিষ্ঠান দাঁড় করাতে চান। তবে প্রতিষ্ঠান পরিচালনার প্রশাসনিক কাজগুলোয় তাঁর আগ্রহ কম। ব্লুমবার্গের তালিকায় ইলন মাস্ক বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ঠিকই, তবু ইচ্ছেমতো কিছু করার স্বাধীনতা নেই বলে মনে হয় তাঁর।

23
বছরের বেশ কিছু সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) তাপমাত্রা অসহনীয় বোধ হতে পারে। বিশেষ করে দুবাইয়ে। বিজনেস ইনসাইডার বলছে, ওই সব সময়ে তাপমাত্রা ৪৮-৪৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ওঠা সাধারণ ঘটনা।

বিজ্ঞানীরা এই সমস্যার একটা সমাধান বের করেছেন। উচ্চ তাপমাত্রা মোকাবিলায় কৃত্রিম প্রক্রিয়ায় বৃষ্টি ঝরানোর উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা। সংবাদমাধ্যম ভ্যানগার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুবাইয়ে ড্রোনের সাহায্যে মেঘের মধ্যে বৈদ্যুতিক চার্জ সরবরাহ করা হচ্ছে। আর তাতে জলকণা ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি হয়ে ঝরছে।

কৌশলটির নাম ‘ক্লাউড সিডিং’। কম বৃষ্টিপাতের অঞ্চলগুলোয় প্রয়োগ করা হয়। দুবাইয়ে সেটি কাজে লেগেছে বলতে হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে বার্ষিক বৃষ্টিপাত বাড়ানোর জন্য দেড় কোটি ডলারের প্রকল্প হাতে নিয়েছে দেশটির সরকার। ক্লাউড সিডিং সেটারই অংশ।

24
অন্য স্পাইওয়্যারের সঙ্গে পেগাসাসের পার্থক্য হলো, কোনো লিংকে ক্লিক বা কল রিসিভ না করলেও এটি স্মার্টফোনে প্রবেশ করতে পারে। এরপর তথ্য সংগ্রহ করে পাচার করতে পারে, ভিডিও ধারণ করতে পারে, এমনকি স্ক্রিনশটও নিতে পারে। প্রশ্ন হলো, ক্লিক ছাড়াই, কল রিসিভ করা ছাড়াই কীভাবে সেটি ফোনে প্রবেশ করে? ‘বিবিসি সায়েন্স ফোকাস’ সাময়িকীকে সেসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন কিংস কলেজ লন্ডনের সাইবার সিকিউরিটি রিসার্চ গ্রুপের প্রধান টিম স্টিভেন্স।
পেগাসাসকে এখন পর্যন্ত তৈরি সবচেয়ে শক্তিশালী স্পাইওয়্যার বলা হচ্ছে। সেটা কি ঠিক?
এটা বলা মুশকিল। হয়তো আরও শক্তিশালী কোনো স্পাইওয়্যার থাকতে পারে, যা আমাদের গোচরে আসেনি। তবে আমরা যে স্পাইওয়্যারগুলো সম্পর্কে জানি, পেগাসাসের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা সেসব থেকে আলাদা।

এটি কেন আলাদা?
অতীতে আপনাকে হয়তো কেউ ই-মেইল করে বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা পাঠিয়ে লিংকে ক্লিক করতে বলত। এরপর আপনি ওই লিংকে ক্লিক করলে খুদে একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার আপনার ডিভাইসে প্রবেশ করে কাজ শুরু করত।

বিজ্ঞাপন
তবে পেগাসাস কোনো কিছুতে ক্লিক করা ছাড়াই আপনার সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। এটাকে বলা হয় ‘জিরো-ক্লিক’ ম্যালওয়্যার। কেউ আপনার ডিভাইসে একটি বার্তা পাঠালেই হলো। সেটা খোলারও প্রয়োজন নেই। ওই ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমের ত্রুটির সুযোগ কাজে লাগায় পেগাসাস।

এটাকে বলা হয় ‘জিরো-ডে ভালনারেবিলিটিস’। কারণ, সেটা ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বা গবেষকেরা খুঁজে পাননি। যখন সেটি সবার নজরে এল, তখন ত্রুটি সারানোর জন্য ‘জিরো’ সময় পাওয়া যায়। যে কাজের জন্য সেটি তৈরি করা হয়েছিল, ততক্ষণে তা করা হয়ে গেছে।

অ্যাপলের আইওএস বা গুগলের অ্যান্ড্রয়েডের মতো বড় অপারেটিং সিস্টেম বা অন্য সফটওয়্যারগুলোতে ত্রুটি থাকে। এটা জানা ঘটনা। কোনোটাই নিখুঁত নয়। গবেষকেরা এই ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে প্রতিষ্ঠানগুলোকে সারানোর জন্য বলেন। আবার প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজ উদ্যোগে তা করে থাকে। পেগাসাসের মতো স্পাইওয়্যার এই ত্রুটিগুলো ব্যবহার করে ডিভাইসে ঢোকার সুযোগ পেয়ে থাকে।

এটা অনেকটা বাড়ির মূল দরজা-জানালা বন্ধ করে রান্নাঘরের জানালা রাতভর খোলা রাখার মতো। চোর পুরো বাড়িতে ঠিকঠাক খুঁজলে খোলা জানালার খোঁজ পেয়ে যাবেই, সে বাড়ি যত বড়ই হোক। সফটওয়্যারের ক্ষেত্রেও সেটাই হচ্ছে।

25
গত সপ্তাহে ভিডিও গেম ফোর্টনাইটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এপিক গেমস ইঙ্গিত দিয়েছিল, ফোর্টনাইটের আসন্ন কনসার্টে গান গাইবেন একজন ‘রেকর্ড–ব্রেকিং সুপারস্টার’। সেই শিল্পী হলেন আরিয়ানা গ্রান্ডে। টুইটারে নিজেই তা জানিয়েছেন এই মার্কিন গায়িকা।


দ্য ভার্জের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘রিফ্ট ট্যুর’ নামের সিরিজে মোট পাঁচটি কনসার্টের আয়োজন থাকবে। ৬ আগস্ট শুরু হয়ে চলবে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। কনসার্টগুলো আয়োজন করা হবে ভিডিও গেমের ভার্চ্যুয়ালজগতে। এপিক গেমসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যেকোনো কনসার্টের এক ঘণ্টা আগে থেকেই ফোর্টনাইট গেমারদের প্রস্তুত থাকতে, যেন কনসার্ট শুরু হলে সরাসরি দ্রুত সেখানে যোগ দিতে পারেন তাঁরা। তবে ভিডিও গেমে কনসার্ট হয় কীভাবে?

ফোর্টনাইট গেম খেলতে হয় ভার্চ্যুয়ালজগতে। সেখানে প্রত্যেক খেলোয়াড় তাঁদের আভাটার নিয়ন্ত্রণ করেন। ডানে-বাঁয়ে বা সামনে-পেছনে নিতে পারেন। গেমে ভার্চ্যুয়াল কনসার্টও সেভাবেই অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে আরিয়ানা নিজেও আভাটারের বেশেই যুক্ত হবেন। দর্শকও তা-ই।

ভালচার সাময়িকী লিখেছে, ভিডিও গেমের ভেতর কনসার্টের আয়োজন এই প্রথম নয়, আরিয়ানাও প্রথম শিল্পী নন। ফোর্টনাইটের আগের কনসার্টগুলোকেও সফল বলতেই হয়। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে এক কোটির বেশি মানুষ মার্শমেলোর ভার্চ্যুয়াল কনসার্ট দেখেছেন। ২০২০-এর এপ্রিলে ট্র্যাভিস স্কটের কনসার্টে অংশ নেন ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ।

26
ফ্যাক্ট চেকিং বা তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ। দেশের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা এ স্বীকৃতি পেয়েছে। রিউমার স্ক্যানার বাংলাদেশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পয়েন্টার ইনস্টিটিউট অব জার্নালিজমের অঙ্গসংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট চেকিং নেটওয়ার্ক (আইএফসিএন) গত ২৮ জুলাই তাদের এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বব্যাপী স্বাধীন ও মানসম্মত তথ্য যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে পয়েন্টার ইনস্টিটিউটের অঙ্গসংগঠন আইএফসিএন পাঁচটি মূলনীতির ভিত্তিতে কোনো তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। এগুলো হচ্ছে নিরপেক্ষতা ও ন্যায্যতা, তথ্যের উৎসের গুণগতমান ও স্বচ্ছতা, অর্থায়ন ও সংস্থার স্বচ্ছতা, যাচাইপদ্ধতির মান ও স্বচ্ছতা এবং উন্মুক্ত ও সৎ সংশোধন নীতি। এই ৫টি মূলনীতি ও ৩১টি মানদণ্ড মেনে চললে আইএফসিএন স্বীকৃতি দেয়।

রিউমার স্ক্যানারের প্রতিষ্ঠাতা সুমন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে করোনা মহামারি শুরু হয় গত বছরের মার্চে। তাঁদের যাত্রাও শুরু একই সময়ে। সে সময় দেশে লকডাউন দেওয়ার কারণে মানুষ ঘরে বসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে আরও বেশি সক্রিয় হয়। তাঁর সঙ্গে অনলাইনে ভুয়া তথ্যের প্রচারও ছড়াতে থাকে। শুরু থেকেই তাঁরা তথ্য যাচাইয়ে কাজ করেন। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি কাজকে আরও বেগবান করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রিউমার স্ক্যানার দাবি করছে, প্রতিষ্ঠার দুই মাসের মধ্যেই তারা করোনা নিয়ে ছড়ানো প্রায় ২৫টি গুজব শনাক্ত করেছে। এ ছাড়া এ পর্যন্ত তারা ২০০টি গুজব শনাক্ত করেছে।

27
অগমেন্টেড রিয়েলিটি–ভিত্তিক (এআর) চিকিৎসাসেবা নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান অগমেডিক্স বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলারের (প্রায় ১৬৫ কোটি টাকা) বিনিয়োগ পেয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পান্থপথে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অগমেডিক্স বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদ মুজিব।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সিলিকন ভ্যালির শীর্ষ পর্যায়ের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান রেডমাইল গ্রুপ, ম্যাককেজন ভেঞ্চার, ডিসিএম ভেঞ্চার, ওয়াক্সিয়াং হেলথ কেয়ার ইনভেস্টমেন্টর প্রতিষ্ঠান এই বিনিয়োগ করেছে। রাশেদ মুজিব বলেন, এবারের বিনিয়োগের মাধ্যমে অগমেডিক্সে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।

আগামী এক বছরে প্রতিষ্ঠানের কর্মিসংখ্যা দ্বিগুণ এবং সেবাপরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে ‘কয়েক হাজার’ তরুণের কর্মসংস্থান হবে বলে আশা করেন রাশেদ। তিনি বলেন, দেশীয় বাজারে ‘সিলিকন ভ্যালি’ রীতি প্রচলনের মাধ্যমে কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নে বিনিয়োগের অর্থ ব্যয় হবে বলেও তিনি জানান। অগমেডিক্সে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে ২০২০ সালে দেশব্যাপী কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে এবং কর্মীদের ইংরেজি দক্ষতা উন্নয়ন, ইন্টারনেটনির্ভর অনুশীলন এবং দক্ষতা যাচাইকরণে নানা কর্মসূচি নেওয়া হবে।

সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইয়ান কাজী শাকিল ২০১২ সালে সান ফ্রান্সিসকোতে অগমেডিক্স প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পরে থেকে ছয় বছরের প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগটি ছয় কোটি ডলার বিনিয়োগের তথ্য প্রকাশ করে।

অগমেডিক্সের প্রযুক্তির মাধ্যমে একজন চিকিৎসক গুগল গ্লাস পরে রোগী দেখবেন এবং বাংলাদেশ থেকে দক্ষ শ্রুতলেখকেরা এই কথোপকথন সরাসরি দেখে ও শুনে চিকিৎসকদের গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রনিকস চিকিৎসা তথ্য লিখবেন।

28
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের পুরোনো সংস্করণের ফাইল ফরম্যাট ছিল .doc নামে। এরপর তাদের নতুন সংস্করণের ফরম্যাট হয়ে যায় .docx ফাইল ফরম্যাটের। নতুন এই ফরম্যাটের অনেক সুবিধা আছে। বলতে গেলে একটা ছোট ফাইল চাইলেই যেকোনো মাধ্যমে শেয়ার করা অনেক সহজতর করে দিয়েছে। .doc ফরম্যাটের চেয়ে এটি আরও বেশি সহজতর। পুরোনো .doc ফাইলকে চাইলেই নতুন .docx ফরম্যাটে খুব সহজেই সাধারণ কিছু পদ্ধতিতে রূপান্তর করে নিতে পারেন।

যা করবেন: ওয়ার্ড অ্যাপ কম্পাটিবিলিটি মোড: পুরোনো সংস্করণের .doc ফরম্যাট যুক্ত যেকোনো ফাইলে রাইট ক্লিক করে Open With-এ মাউস পয়েন্টার নিয়ে ক্লিক করুন এবং Word app দিয়ে খুলুন। পুরোনো ফাইলটি ওয়ার্ড অ্যাপ দিয়ে খুলে গেলে ওয়ার্ডের File মেনুতে ক্লিক করুন। এখানের বাঁয়ের মেনুর Info-তে ক্লিক করুন। এরপর convert আইকনের Compatibility mode-এ ক্লিক করুন। এই মোড দিয়ে সহজেই পুরোনো সংস্করণের ফাইল ফরম্যাটকে নতুন সংস্করণের উপযোগী করে তোলা যাবে। সঙ্গে সঙ্গে একটি পপআপে নিশ্চিতকরণের অপশন চলে আসবে, এখানে ওকে চাপলে নতুন সংস্করণে পরিবর্তিত হয়ে যাবে, সঙ্গে ফাইলের সাইজও কমে যাবে।

Save As সুবিধা: আরও সহজে ফাইলের ফরম্যাটকে পরিবর্তন করতে চাইলে পুরোনো ফরম্যাটকে ওয়ার্ড অ্যাপ দিয়ে খুলুন। File মেন্যুতে যান এবং Save As অপশনকে সিলেক্ট করুন। এরপর পপআপ থেকে Word Document (.docx) ফাইল ফরম্যাট সিলেক্ট করে দিয়ে সেভ বাটন চাপুন।

ওয়ার্ড অনলাইন থেকে: আপনার যদি অফিস অ্যাপ ইনস্টল থাকে, তাহলে অনলাইন অফিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করেও আপনি এই কাজ করতে পারেন। এ জন্য office.live.com-এ গিয়ে আপনার মাইক্রোসফট অ্যাকাউন্ট দিয়ে লগ-ইন করবেন। এরপর Upload and open অপশন ব্যবহার করে আপনার পুরোনো সংস্করণের ফাইলকে খুলে নেবেন। ফাইল আপলোড শেষ হলে File মেন্যু থেকে Info তে গিয়ে Previous versions-এ যাবেন এবং Download-এ ক্লিক করবেন। তাহলেই আপনার কম্পিউটারে নতুন সংস্করণের ফাইলটি ডাউনলোড হবে।

29
Faculty Sections / নাম সংকটে টুইটার
« on: December 01, 2019, 08:16:00 PM »
টুইটারে অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে অনেকেই এখন পছন্দসই নাম পান না। কেউ না কেউ পছন্দের নামে অ্যাকাউন্ট খুলে রেখেছেন। তাই টুইটার কর্তৃপক্ষ চাইছিল নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট বাতিল করে কিছু নাম উন্মুক্ত করে দিতে। তবে আপাতত তাদের সে পরিকল্পনা স্থগিত করা হয়েছে।

সম্প্রতি টুইটার কর্তৃপক্ষ জানায়, এ প্ল্যাটফর্মে ছয় মাসের বেশি নিষ্ক্রিয় থাকলে সে অ্যাকাউন্টটি মুছে ফেলা হবে। ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে যদি নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্টগুলোতে অন্তত একবার ঢোকা না হয়, তবে সে অ্যাকাউন্ট পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হবে।

টুইটার কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্ত ব্যবহারকারীরা ভালোভাবে নেয়নি। অনেকেই প্রতিবাদ করে বলেন, যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের অ্যাকাউন্টগুলোর ক্ষেত্রে এ ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত হবে না। গত বুধবার টুইটার কর্তৃপক্ষ তাদের পরিকল্পনা বাতিল করে জানায়, মৃতদের অ্যাকাউন্টগুলোকে স্মরণীয় করে রাখার ভালো কোনো উপায় বের না করা পর্যন্ত কোনো অ্যাকাউন্ট মোছা হবে না।

সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ফেসবুক অবশ্য ২০০৯ সাল থেকেই ফেসবুকের বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের স্মৃতি সংরক্ষণের একটি উপায় দিয়ে রেখেছে ব্যবহারকারীদের। কোনো ব্যবহারকারী মারা গেলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে ডেথ সার্টিফিকেট কিংবা মারা যাওয়ার প্রমাণ দেখালে সে অ্যাকাউন্টটি স্মৃতি হিসেবে রাখা হয়। স্মৃতি সংরক্ষণ নামের একটি বার্তাও থাকে উক্ত অ্যাকাউন্টে।

বুধবার এক টুইটে টুইটার কর্তৃপক্ষ বলেছে, ‘অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার প্রভাব সম্পর্কে আপনাদের কথা শুনেছি। আমাদের দিক থেকে বিষয়টি ভুল হয়েছিল। স্মৃতি সংরক্ষণের উপায় বের না করা পর্যন্ত কোনো অ্যাকাউন্ট সরানো হবে না।’
টাইম ডটকমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টুইটারে ইউজার নেম উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা থেকে নিষ্ক্রিয় অ্যাকাউন্ট সরিয়ে ফেলার পরিকল্পনা করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় ইউজার নেম এমন সব অ্যাকাউন্ট দখল করে রেখেছে, যা দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয় পড়ে রয়েছে। এতে অনেক ব্র্যান্ড ও টুইটার ব্যবহারকারী বিরক্ত হচ্ছেন। জুতসই নাম না পেয়ে অনেকেই নতুন অ্যাকাউন্ট খুলছেন না।

30
ফোরকে প্রযুক্তিসম্পন্ন দুই পর্দার ল্যাপটপ দেশের বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে তাইওয়ানের প্রতিষ্ঠান আসুস। দুই পর্দা দিয়ে একসঙ্গে করা যাবে নানা ধরনের কাজ। কনটেন্ট, গ্রাফিকস, মিউজিক, গেমিংসহ বিশেষ করে যাঁরা মাল্টিটাস্কিং নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের জন্য জেনবুকের নতুন এই সংস্করণ এসেছে বিশাল চমক হয়ে। এ ল্যাপটপের ৫ ফিচার সম্পর্কে জেনে নিন:

ডুয়েল ডিসপ্লে: জেনবুক প্রো ডুয়ো ল্যাপটপটির ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চির মূল পর্দা ফোরকে ও এলইডি প্যানেলসম্পন্ন। ৩৮৪০ x ২১৬০ ফোরকে ইউএইচকে মূল ডিসপ্লের পাশাপাশি এতে রয়েছে ৩৮৪০ x ১১০০ ফোর স্ক্রিন প্যাড প্লাস ফোরকে রেজল্যুশনের পর্দা। এতে ছবি ও ভিডিও সম্পাদনা করা যাবে আরও নিখুঁতভাবে। ‘মাল্টি টাস্ক’ বা একসঙ্গে একাধিক কাজ করার সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারীরা। মূল পর্দায় কোনো ছবি বা ভিডিও সম্পাদনা করার সময় একই সময় স্ক্রিন প্যাড প্লাসে গান চালানো, হিসাব-নিকাশ, ছবি আঁকা চালিয়ে যাওয়া যাবে অনায়াসে। কি-বোর্ডের ওপরে থাকা পর্দাটিতে একসঙ্গে চালানো যাবে একাধিক অ্যাপ, যা বাড়িয়ে দেবে কাজের গতি। ভিডিও এডিটিং, কোডিং এবং আর ডিবাগিং করা যাবে খুব সহজে। গেম ইনফরমেশন, ডিস্কর্ড, চ্যাটবক্স এমন আরও লাইভস্ট্রিমিং অ্যাপস স্ক্রিন প্যাডে রেখে গেম খেলা যাবে এই ল্যাপটপে। যাঁদের কাজে একের বেশি স্ক্রিনের প্রয়োজন হয়, তাঁরা অনায়াসে ব্যবহার করতে পারেন আসুস জেন বুক প্রো ডুয়ো।

সিপিইউ: কোর আই নাইন প্রসেসরসমৃদ্ধ জেনবুক প্রো ডুয়োর ভেতরের আটটি হাইপার-থ্রেডেড কোরের (২.৬ গিগাহার্টজ বেজ স্পিড) গতি আরও বাড়িয়ে দেয়। এই গতি সর্বোচ্চ ৪ দশমিক ৫ গিগাহার্টজ পর্যন্ত যেতে পারে। ইনটেল কোর আই নাইন থেকে শুরু করে কোর আই সেভেন বা কোর আই ফাইভ পর্যন্ত প্রসেসরসহ পাওয়া যাবে ল্যাপটপটি।

র‍্যাম ও স্টোরেজ: আসুস জেনবুক প্রো ডুয়োতে ৩২ জিবি হাইস্পিড ২৬৬৬ মেগাহার্টজ র‍্যাম ব্যবহার করা হয়েছে। যেকোনো সফটওয়্যার সহজে কাজ করবে ল্যাপটপটিতে, কারণ এর এক টেরাবাইট এসএসডি যেকোনো অ্যাপ্লিকেশনকে দ্রুত পরিচালনা করাতে পারদর্শী।

ব্যাটারি: ২.৫ কেজি ওজনের ল্যাপটপটিতে ব্যবহার করা হয়েছে 8-সেল লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি, যা ব্যাকআপ দেবে দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত। আর এর ফাস্ট চার্জিং টেকনোলজির মাধ্যমে মাত্র ১৫ মিনিটে ৫০ শতাংশ চার্জ হয়ে যাবে।

অডিও সিস্টেম: এই ল্যাপটপের স্পিকারে স্মার্ট অডিও অ্যামপ্লিফায়ার রয়েছে। ওয়াইড রেঞ্জ কাভারের পাশাপাশি প্রফেশনাল সাউন্ড রেকর্ডিং আর নয়েজ ফ্রি এডিটিংও করা যাবে।

অন্যান্য: ল্যাপটপের ওয়াইফাই-৬, পাঁচটি পোর্ট, ওয়েবক্যাম, হেডফোন জ্যাক আর অ্যারে মাইক্রোফোন সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইস ও অ্যাপ্লিকেশনকে ধারণ করতে পারে। অ্যালেক্সা ভয়েস-রিকগনিশন করতে পারবে এই নতুন জেনবুকটি। সর্বোচ্চ কনফিগারেশনের আসুস জেনবুক প্রো ডুয়ো ল্যাপটপটি পাওয়া যাবে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকায়। জেনবুক ডুয়ো সিরিজ শুরু ১ লাখ ৫ হাজার টাকা থেকে।

Pages: 1 [2] 3 4 ... 11