Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Zakaria Khan

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 22
46
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা তোমাদের দেহ এবং তোমাদের আকৃতি দেখেন না, বরং তিনি তোমাদের অন্তর ও আমল দেখেন।

[সহীহ মুসলিমঃ৬৭০৭]

47
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

‘‘আমি কি তোমাদেরকে এমন কাজ বলে দেব না, যার দ্বারা আল্লাহ তা‘আলা পাপসমূহকে নিশ্চিহ্ন করে দেন এবং মর্যাদা বর্ধন করেন?’’ সাহাবীগণ বললেন, ‘অবশ্যই বলুন, হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, ‘‘কষ্টের সময় পূর্ণরূপে ওযূ করা, মসজিদের দিকে বেশী বেশী পদক্ষেপ করা (অর্থাৎ দূর থেকে আসা) এবং এক নামাযের পর দ্বিতীয় নামাযের অপেক্ষা করা। সুতরাং এই হল (নেকী ও সওয়াবে) সীমান্ত পাহারা দেওয়ার মত।’’

(রিয়াযুস সলিহীন, হাদিস নং ১৩৩)

48
#ফজরের_নামাজ_পড়ার_১০টি_ফজিলত....

হাদিসের আলোকে আমরা ফজরের নামাজের কয়েকটি ফজিলত লক্ষ করা যায়। চলুন জেনে নেই,

১, ফজরের নামাজ মুনাফিকদের জন্য কঠিন হয় ও ঈমানদারদের জন্য সহজ হয়। তাই ফজরের নামাজে উপস্থিত হওয়াটা ঈমানদারের লক্ষণ।

২, ফজরের নামাজ পড়লে সেই ব্যক্তি সারাটাদিন আল্লাহের হেফাজতে কাটায়, তার সারাদিনের দায়িত্ব আল্লাহ সুবানাওতালা নিজে নেন।

৩, ফজরের নামাজ পড়লে ফেরেশতাগণ আল্লাহের কাছে গিয়ে ওই ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করে, বলে যে অমুক ব্যাক্তি ভালো কাজ করছে, নামাজ আদায় করছে।

৪, ফজরের নামাজ জামায়াতের সাথে পড়লে আল্লাহ তায়ালা তাকে সারারাত নফল নামাজ তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ার সওয়াব দান করেন।

৫, ফজরের নামাজ যে নিয়মিত পরে, আল্লাহ তায়ালা তাকে কিয়ামতের দিন আলোর ব্যাবস্থা করে দিবেন।

৬, নিয়মিত ফজরের নামাজ জামায়াতের সাথে পড়া ব্যাক্তি কিয়ামতের দিন আল্লাহ সুবানাওতালা কে পূর্ণিমার চাঁদের মতো স্পষ্ট দেখতে পাবে, কোনো অসুবিধা হবেনা।

৭, যে ব্যাক্তি ফজরের নামাজ জামায়াতের সাথে আদায় করবে সে জাহান্নাম থেকে মুক্তির ঘোষণা পেয়ে যাবে।
এক হাদিসে এসেছে রাসূলুল্লাহ(স:) বলেছেন, তোমরা ফজর ও আসরের নামাজ জামায়াতের সাথে পড়ার চেষ্টা করো, কারণ তা হলো জাহান্নাম থেকে মুক্তির পথ।

৮, এই ফজরের টাইমে রাসূলুল্লাহ(স:) বরকতের দোয়া করেছেন। তাই কেউ যদি এই ফজরের টাইমে উঠে নামাজ পড়ে, তাহলে বরকতের রাস্তা বের হয়ে যায়।

৯, ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত নামাজ দুনিয়া ও দুনিয়ার মাঝে যা কিছু আছে তার থেকে উত্তম।

১০, ফজরের নামাজ পড়লে মন ভালো থাকে, মন ফ্রেস হয়ে যায়, মনে উত্তেজনা থাকে। তাই ফজরের নামাজ মন ভালো রাখার এক উত্তম উপায়।

👆👆👆ওপরিক্ত ফজিলত গুলি ছাড়াও একটা extra ফজিলত হলো, আপনারা দেখবেন যারা ফজরের নামাজ পড়ে তারা শরীর স্বাস্থ্যের দিক দিয়ে খুব ভালো। তাদের কোনো অসুখ বিশুক কম হয়।।।
আল্লাহ আমাদের ফজরের নামাজের গুরুত্ব বুঝে তা নিয়মিত পালন করার তৌফিক দান করেন। আমিন।।

49
এই উম্মাহর শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম আল্লাহর রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম্মের সঙ্গী সাথী তথা সাহাবায় কিরাম রাদিয়াল্লাহুম আজমাঈন। যাঁদের মধ্যে অনেকে দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ পেয়েছেন। কিন্তু তাই বলে তাঁরা আরামে দিনাতিপাত করেন নাই। নিশ্চিত হয়ে আত্মতৃপ্তিতে ভুগেন নাই, জান্নাত তো আমারই, এত আমলের কী দরকার! এই উম্মাহর শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি-আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু সালাতে দাঁড়িয়ে এত পরিমান কাঁদতেন যে পেছন থেকে শোনা কষ্টকর হত উনি কি পড়ছেন। উনি প্রায় আফসোস করে বলতেনঃ হায়! আমি যদি গাছ পালা, তৃণলতা হতাম, আমি যদি ঘাস হতাম! হায় আমার যদি জন্মই না হতো! অথচ এই উম্মাহর মধ্যে আবু বকরই সর্বপ্রথম জান্নাতে প্রবেশ করবেন, রাদিয়াল্লাহু আনহু।
উসমান রাদিয়াল্লাহু আনহুর মত সাহাবী কবরের কাছে গিয়ে এত পরিমান কাঁদতেন উনার দাড়ি ভিজে যেত চোখের পানিতে।
.
দুনিয়ার সামান্য কোন নিয়ামত পেলে সাহাবীরা ভয়ে শংকিত হতেন। তাঁরা মনে করতেন, দুনিয়াতে যে টুকু ভালো কাজ করেছি দুনিয়াতে তার প্রতিদান দিয়ে দেওয়া হচ্ছে না তো? সাহাবীদের কেউ কেউ প্রশংসা শুনলে কেঁদে ফেলতেন। আল্লাহর কাছে দু'আ করতেন, ইয়া আল্লাহ! আমাকে এরা যা ভাবে তার জন্য তুমি পাকড়াও করোনা'।

50
মঙ্গলের ভূমিকম্পের তথ্য থেকে গ্রহটির অভ্যন্তরের কাঠামো সম্পর্কে ধারণা পেতে চলতি সপ্তাহে নতুন মিশনে নামছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
ট্যাটিক ল্যান্ডার যন্ত্রটি মঙ্গলে নামার পর সেখানকার মাটিতে সিসমোমিটার স্থাপন করবে বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সিসমোমিটারে যুক্তরাজ্যের তৈরি একটি সেন্সরও থাকছে। এই ভূমিকম্প মাপার যন্ত্রই মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মঙ্গলের ভূমিকম্প‘মার্সকোয়াক’ সম্বন্ধে তথ্য দেবে।

পৃথিবীর সঙ্গে তুলনার পর মিলবে মঙ্গলের অভ্যন্তরীণ কাঠামোতে থাকা পাথরের স্তর সংক্রান্ত তথ্যও।

“যখন সিসমিক তরঙ্গ মঙ্গলের চারপাশে প্রবাহিত হবে, তখন (যন্ত্রটি) বিভিন্ন স্তরের পাথরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তরঙ্গগুলোর তথ্য জোগাড় করতে পারবে। সিসমোগ্রাফে এ সংক্রান্ত তথ্য পাওয়ার পরই বিজ্ঞানীরা সেখানকার পাথরের গঠন জানতে পারবেন। বিভিন্ন মার্সকোয়াক থেকে যখন আমরা নানান তথ্য পাবো, সব মিলিয়ে আমরা মঙ্গলের অভ্যন্তরের ত্রিমাত্রিক চিত্রটি নির্মাণ করবে পারবো,” বলেন ইনসাইট মিশনের প্রধান গবেষক ড, ব্রুস বেনার্ডট।

ক্যালিফোর্নিয়ার ভেন্ডেনবার্গ বিমান ঘাঁটি থেকে অ্যাটলাস রকেটের সাহায্যে ইনসাইডের এ ‘ল্যান্ডারটি’ পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিবিসি। শনিবার স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫ মিনিটে অ্যাটলাসের যাত্রা শুরুর কথা, যদিও কুয়াশার কারণে তা বিলম্বিতও হতে পারে।

গত শতকের ৭০ এর দশকেও নাসা বেশ কয়েকটি ভাইকিং ল্যান্ডারে মঙ্গলে সিসমোমিটার পাঠিয়েছিল। যদিও গঠনের কারণে সেগুলো তেমন সফলতা এনে দিতে পারেনি।

ইনসাইটের এবারের ল্যান্ডারটি তিন মাত্রার নিচের ভূমিকম্পও সণাক্ত করে, সে বিষয়ে তথ্য পাঠাতে পারবে। এই যন্ত্র বছরে ঠিক কতগুলো কম্পন সনাক্ত করতে পারবে, তা জানাতে না পারলেও বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের আশা ল্যান্ডারটি থেকে অন্তত কয়েক ডজন ভূমিকম্পের তথ্য পাওয়া যাবে।

মৃদু ভূমিকম্পগুলোর তথ্য থেকেও যে পর্যাপ্ত তথ্য পাওয়া যাবে তা দিয়ে মঙ্গলের গঠন এবং এর গভীরতা নির্ণয় করা যাবে বলেও ধারণা তাদের।

Source- নিউজ ডেস্ক  বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

51
ক্যালসিয়াম নামের খনিজ উপাদানটি আমাদের হাড় ও দাঁত শক্ত করে, ক্ষয় রোধ করে। স্নায়ু, হৃৎস্পন্দন, মাংসপেশির কাজেও লাগে। এর অভাবে হাড় ক্ষয় বা অস্টিওপোরাসিস রোগ হতে পারে। হাড়ের ক্ষয়রোগ প্রধানত প্রবীণদের হয়ে থাকে। হরমোনজনিত কিছু তারতম্যের কারণে প্রবীণ নারীদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি। কিছু অসুখের কারণে অনেক সময় তরুণেরাও এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। কৈশোরে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম-জাতীয় খাবার গ্রহণ করলে পরবর্তী সময়ে ক্যালসিয়ামের ঘাটতিজনিত সমস্যাগুলো কম হবে।

অনেক সময় কিছু কিছু রোগে তরুণেরাও আক্রান্ত হতে পারেন। যেমন কিছু বাতজনিত সমস্যা। কোমরের বাত, আবার অন্ত্রের প্রদাহের কারণে এগুলো ব্যক্তি ঠিকমতো গ্রহণ করতে পারেন না। শরীরের যে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো থাকে যেমন: ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ডি, খনিজ বা মিনারেল—এগুলো ভালোভাবে গ্রহণ করতে না পারলে অনেক আগেই হয়তো শরীরে অস্টিওপোরোসিস হয়ে যায়।

কেউ বললেই ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খাবে?

একটু হাত-পা ব্যথা, জোড় বা জয়েন্টের ব্যথা, শরীর ম্যাজম্যাজ করছে বা বয়স হয়েছে বলেই ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। কেননা, দৈনন্দিন নানা খাবারেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে। প্রতিদিন এ রকম খাবার থেকেই ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করা যায়। অনেকে আবার নিজে নিজেই ওষুধের দোকান থেকে কিনে ক্যালসিয়াম বড়ি খান, যা ঠিক নয়। এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শমতো ওষুধটি সেবন করতে হবে।

শরীরে ভিটামিন ‘ডি’র অভাব থাকলে কিন্তু ক্যালসিয়াম থেকে উপকার পাওয়া যাবে সামান্যই। অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণে কিডনিতে পাথর পর্যন্ত হতে পারে। আবার যাঁদের আগে কখনো কিডনিতে পাথর হয়েছিল, তাঁদের অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণে পুনরায় পাথর হওয়ার আশঙ্কা আরও বেশি। তাই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করার সময় তথ্যটি সবার আগে জানবেন। কারণ ওষুধের মাত্রা ঠিক করতে এবং সমস্যাটির জন্য বাড়তি যেসব সতর্কতা প্রয়োজন তা নির্ধারণে তথ্যটি ভূমিকা পালন করবে।

দৈনন্দিন কতটুকু ক্যালসিয়াম প্রয়োজন?

একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দৈনিক ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৬০০ ইউনিট ভিটামিন ডি হলে চলে। রজর্নিবৃত্তির (মেনোপজ) পর নারীদের এবং সত্তরোর্ধ্ব পুরুষদের ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম দরকার হয়। গর্ভবতী ও বুকের দুধ পান করান যে মায়েরা তাঁদের লাগে একটু বেশি। ভিটামিন ডি-ও খেতে হবে কেননা এটি শরীরে ক্যালসিয়ামকে শোষণ করতে সাহায্য করে। ভিটামিন ডি পাওয়া যায় সূর্যের আলো থেকে এবং দুধজাতীয় খাবার থেকে আসে ক্যালসিয়াম। এ ছাড়া সবুজ শাকসবজি, বাদাম, টফু, কমলা ইত্যাদিতে ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।

ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট ছাড়া কীভাবে সমাধান পেতে পারি?

দুধ, দই, পনির, কাঁচা বাদাম, সয়াবিন, আখরোট, সামুদ্রিক মাছ, কাঁটাযুক্ত ছোট মাছ, কালো ও সবুজ কচুশাক, শজনেপাতা, পুদিনাপাতা, সরিষাশাক, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ, চিংড়ি শুঁটকি, ডুমুর ইত্যাদি হলো উচ্চ ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার। ১০০ গ্রাম দুধে ক্যালসিয়াম আছে ৯৫০ মিলিগ্রাম, একই পরিমাণ পাবদা মাছে ৩১০ মিলিগ্রাম, সামুদ্রিক মাছে ৩৭২ মিলিগ্রাম, শজনেপাতায় ৪৪০ মিলিগ্রাম, ট্যাংরা মাছে ২৭০ মিলিগ্রাম। এক কাপ টকদইয়ে থাকে আরও বেশি ৪০০ মিলিগ্রামের মতো। আধা বাটি রান্না করা সবুজ পাতা আছে এমন শাক খেলে ১০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাওয়া হবে। এক গ্লাস কমলার রসে ১৫০ থেকে ২০০ মিলিগ্রাম।

তবে অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দেয় কিছু জিনিস, যেগুলো ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবারের সঙ্গে না খাওয়াই ভালো। যেমন উচ্চমাত্রার চর্বি ও অক্সালিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার। চকলেট, পালংশাক, কার্বোনেটযুক্ত পানীয় ইত্যাদিও ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা দেয়। কিন্তু ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে ভিটামিন এ, সি এবং ডি। আয়রনও ম্যাগনেশিয়ামযুক্ত খাবারও ক্যালসিয়ামের কাজে সাহায্য করে।

এরপরও প্রয়োজন হলে...

তারপরও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম বড়ি সেবন করা যাবে বটে, তবে এর কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে। সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি। বেশ কিছু ওষুধ অন্ত্রে ক্যালসিয়ামের শোষণ কমিয়ে দেয়, বিশেষ করে যেসব ওষুধ অ্যাসিডিটি কমাতে ব্যবহৃত হয়। একসঙ্গে ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি ক্যালসিয়াম ওষুধ অন্ত্রে শোষিত হয় না, তাই বেশি মাত্রার ওষুধ খেয়ে লাভ হয় না। ক্যালসিয়াম অন্ত্রে শোষণ করতে ভিটামিন ডি লাগে, তাই ভিটামিন ডি কম থাকলে এটিসহ খেতে হবে। সূর্যালোকে আছে প্রচুর ভিটামিন ডি। ডিমের কুসুম, লোনাপানির মাছেও আছে ডি ভিটামিন।

বয়স একটু বেড়ে গেলেই যে ক্যালসিয়ামের ঘাটতির কারণে সমস্যায় পড়তে হয়, তা এড়াতে কৈশোর থেকেই প্রয়োজন সচেতনতা। দুধ ও দুধজাতীয় খাবারের পাশাপাশি খেতে হবে কাঁটাসহ ছোট মাছও। বাড়ন্ত এই বয়সটায় এমন খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুললে একটি মেয়ের শরীরের হাড়ের মূল অংশটা ঠিকমতো তৈরি হবে। এভাবে ভবিষ্যতে হাড়ক্ষয় বা হাড়ে ফুটো হয়ে হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার সমস্যা এড়ানো সম্ভব।

সহকারী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

52
বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে হাসপাতালে ও চিকিৎসকদের কাছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীরা ভিড় করছেন। গত বছর চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও এ বছর তেমনটা নেই বললেই চলে।

বিগত বছরগুলোর মতো এবারও গলাব্যথা বা ডায়রিয়ার মতো পরিচিত কিছু ভিন্নধর্মী লক্ষণ নিয়ে ডেঙ্গু জ্বর দেখা দিচ্ছে। লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রথম দিন থেকে প্রচণ্ড জ্বর, প্রচণ্ড মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, শরীরে ব্যথা, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া এবং কিছু ক্ষেত্রে ত্বকে র‍্যাশ বা দানা দেখা দেওয়া। কারও কারও বমি হতে দেখা যাচ্ছে।

তবে মনে রাখা উচিত, এ সময়ের জ্বর মানেই কেবল ডেঙ্গু নয়। কাছাকাছি ধরনের লক্ষণ নিয়ে অন্যান্য জ্বরও দেখা দিচ্ছে। অন্যান্য ভাইরাস জ্বর ছাড়াও পানিবাহিত টাইফয়েড জ্বরও হচ্ছে। তাই জ্বর হলে লক্ষণ-উপসর্গ মিলিয়ে ও প্রয়োজনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিশ্চিত হয়েই চিকিৎসা নেওয়া ভালো।

এ সময় জ্বর এলেই ভয় পাবেন না। ফ্লু বা ডেঙ্গু—যেকোনো ভাইরাসজনিত রোগ আপনা থেকেই সেরে যাবে। জ্বর এলে পর্যাপ্ত পানি পান করুন, শরীর স্পঞ্জ করুন, বিশ্রাম নিন এবং মাথায় পানি দিন। জ্বর কমাতে প্যারাসিটামল সেবন করতে পারেন। আর কোনো ওষুধের দরকার নেই।

জ্বর প্রথম দিন থেকেই জটিল আকার মনে হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। নয়তো বাড়িতে তিন দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। তিন দিনে জ্বর না কমলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। নিজে দোকান থেকে কিনে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাবেন না, হিতে বিপরীত হতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বরে রক্তের অনুচক্রিকার মাত্রা বিপজ্জনক হারে কমে যেতে দেখা যাচ্ছে এবার। এটি ডেঙ্গু জ্বরের একটি জটিলতা। অনুচক্রিকা কমে গেলে দাঁত, ত্বকের নিচ, নাক ইত্যাদি স্থানে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ে। কখনো আরও মারাত্মক রক্তপাতও হতে পারে। কিন্তু ডেঙ্গু জ্বর হলেই বা অনুচক্রিকা কমে গেলেই রোগীকে রক্ত বা প্লাটিলেট দেওয়ার প্রয়োজন হয়—এমন ধারণার ভিত্তি নেই। ডেঙ্গু হলে হাসপাতালে ভর্তি করে শিরায় স্যালাইন দিতেই হবে—এ ধারণাও ভুল। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন। একেকজনের জন্য চিকিৎসা পদ্ধতি ভিন্ন হতে পারে।

অধ্যাপক খান আবুল কালাম আজাদ

অধ্যক্ষ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, বিভাগীয় প্রধান, মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

53
কাঁচা মরিচের ঝাল অনেকের প্রিয়। সকালের পান্তা ভাতে কিংবা গরম-গরম ভাজা মাছে কাঁচা মরিচে দু-চার কামড় দিয়ে ঝালে উহ্‌-আহ্‌ করার মজাই আলাদা। কাঁচা মরিচ ভিটামিনের এক চমৎকার উৎস। রয়েছে নানা পুষ্টিগুণও। আধা কাপ পরিমাণ কুচি কাঁচা মরিচে প্রায় ৮০০ ইউনিটের বেশি ভিটামিন এ রয়েছে। আর ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তির জন্য ভালো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ভিটামিন কে রয়েছে এতে। সব ধরনের মরিচেই আছে ক্যাপসেইসিন নামের একটি উপাদান।

এই ক্যাপসেইসিন প্রদাহ ও বাতের ব্যথা কমায়, ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। আমেরিকার ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চ বলছে, টাটকা সবুজ কাঁচা মরিচে যে ক্যাপসেইসিন আছে, তা ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রোধ করতে পারে। তাই কাঁচা মরিচে কেবল ঝালই নেই, আছে নানা উপকারও।

গবেষকেরা বলছেন, কাঁচা মরিচের ভিটামিন সি তাপ, অতিরিক্ত আলো ও বাতাসের কারণে একটু একটু করে হারায়। তাই তাজা কাঁচা মরিচ না খেতে পারলে তা ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন। এ জন্য বাজার থেকে আনা তাজা কাঁচা মরিচ জিপার ব্যাগে মুখ আটকে ফ্রিজে রাখুন এবং তিন-চার দিনের মধ্যেই শেষ করতে চেষ্টা করুন।

কাঁচা মরিচের দাম হুটহাট করে বেড়ে যায় বলে অনেকেই ভাবেন, কীভাবে তা বেশি দিন সংরক্ষণ করা যায়। কারণ, কাঁচা মরিচ কিনে বাড়িতে এনে ঠিকমতো রাখা হয় না বলে তা পচে গন্ধ হয়। কিন্তু কাঁচা মরিচ সহজে ও কম খরচে সংরক্ষণ করে রাখার কয়েকটি পদ্ধতি আছে।

কাঁচা মরিচের ঝাল অনেকের প্রিয়। সকালের পান্তা ভাতে কিংবা গরম-গরম ভাজা মাছে কাঁচা মরিচে দু-চার কামড় দিয়ে ঝালে উহ্‌-আহ্‌ করার মজাই আলাদা। কাঁচা মরিচ ভিটামিনের এক চমৎকার উৎস। রয়েছে নানা পুষ্টিগুণও। আধা কাপ পরিমাণ কুচি কাঁচা মরিচে প্রায় ৮০০ ইউনিটের বেশি ভিটামিন এ রয়েছে। আর ভিটামিন এ দৃষ্টিশক্তির জন্য ভালো, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ ছাড়া ভিটামিন কে রয়েছে এতে। সব ধরনের মরিচেই আছে ক্যাপসেইসিন নামের একটি উপাদান।

এই ক্যাপসেইসিন প্রদাহ ও বাতের ব্যথা কমায়, ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। আমেরিকার ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্চ বলছে, টাটকা সবুজ কাঁচা মরিচে যে ক্যাপসেইসিন আছে, তা ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি রোধ করতে পারে। তাই কাঁচা মরিচে কেবল ঝালই নেই, আছে নানা উপকারও।

গবেষকেরা বলছেন, কাঁচা মরিচের ভিটামিন সি তাপ, অতিরিক্ত আলো ও বাতাসের কারণে একটু একটু করে হারায়। তাই তাজা কাঁচা মরিচ না খেতে পারলে তা ঠান্ডা ও অন্ধকার জায়গায় সংরক্ষণ করুন। এ জন্য বাজার থেকে আনা তাজা কাঁচা মরিচ জিপার ব্যাগে মুখ আটকে ফ্রিজে রাখুন এবং তিন-চার দিনের মধ্যেই শেষ করতে চেষ্টা করুন।

কাঁচা মরিচের দাম হুটহাট করে বেড়ে যায় বলে অনেকেই ভাবেন, কীভাবে তা বেশি দিন সংরক্ষণ করা যায়। কারণ, কাঁচা মরিচ কিনে বাড়িতে এনে ঠিকমতো রাখা হয় না বলে তা পচে গন্ধ হয়। কিন্তু কাঁচা মরিচ সহজে ও কম খরচে সংরক্ষণ করে রাখার কয়েকটি পদ্ধতি আছে।

জিপার লক
পচে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই অল্প করে কাঁচা মরিচ কেনেন। যাঁরা এক সপ্তাহ পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করতে চান, তাঁরা জিপ লক ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। কাঁচা মরিচ বেশি দিন সংরক্ষণ করে রাখতে চাইলে বাতাস চলাচল করে না—এমন জিপার লক ব্যাগ দারুণ কার্যকর। তবে এতে মরিচ রাখার আগে অবশ্যই বোঁটা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপর তা জিপার লক ব্যাগে ভরে রাখতে হবে। এরপর সেই ব্যাগ রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনমতো সময়ে বের করে ব্যবহার করতে পারবেন। এভাবে সংরক্ষণ করলে কাঁচা মরিচ এক সপ্তাহের বেশি সতেজ থাকে।

বায়ুরোধী পাত্র
কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন? রেফ্রিজারেটরে রাখা মরিচ পচে যাওয়া ঠেকাতে বায়ুরোধী পাত্র ব্যবহার করতে পারেন। বায়ুরোধী পাত্রের মধ্যে দুই স্তরে কিচেন টাওয়েল (কিচেন টাওয়েল কিছুটা পেপার ন্যাপকিনের মতো, যেটি রোল করা অবস্থায় কিনতে পাওয়া যায়) রাখুন। মরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে এর ভেতর রাখুন। এর ওপরে আরেক স্তরের কিচেন টাওয়েল রাখুন। এরপর ভালো করে পাত্রের মুখ আটকে দিন। মরিচের আর্দ্রতা শুষে নেবে টাওয়েল। এতে মরিচ দীর্ঘদিন সতেজ থাকবে। এভাবে ২০ থেকে ২৫ দিন মরিচ সংরক্ষণ করা যায়।

অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল
কাঁচা মরিচ পচে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে রেফ্রিজারেটরে রাখতে পারেন। একটি প্লেটে কাঁচা মরিচ রাখুন এবং পুরো প্লেট ফয়েল পেপারে মুড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন। ছয় থেকে সাত ঘণ্টা রাখার পর তা বের করে এনে হিমায়িত মরিচগুলো বায়ুরোধী কোনো পাত্রে রেখে দিন। ওই পাত্র রেফ্রিজারেটরে রাখুন। এভাবে মরিচ দুই মাস পর্যন্ত সতেজ রাখতে পারবেন। তথ্যসূত্র: নিউট্রিশন অ্যান্ড ইউ, এনডিটিভি।
জিপার লক
পচে যাওয়ার ভয়ে অনেকেই অল্প করে কাঁচা মরিচ কেনেন। যাঁরা এক সপ্তাহ পর্যন্ত রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করতে চান, তাঁরা জিপ লক ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। কাঁচা মরিচ বেশি দিন সংরক্ষণ করে রাখতে চাইলে বাতাস চলাচল করে না—এমন জিপার লক ব্যাগ দারুণ কার্যকর। তবে এতে মরিচ রাখার আগে অবশ্যই বোঁটা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপর তা জিপার লক ব্যাগে ভরে রাখতে হবে। এরপর সেই ব্যাগ রেফ্রিজারেটরে রাখতে হবে। সেখান থেকে প্রয়োজনমতো সময়ে বের করে ব্যবহার করতে পারবেন। এভাবে সংরক্ষণ করলে কাঁচা মরিচ এক সপ্তাহের বেশি সতেজ থাকে।

বায়ুরোধী পাত্র
কোথাও বেড়াতে যাচ্ছেন? রেফ্রিজারেটরে রাখা মরিচ পচে যাওয়া ঠেকাতে বায়ুরোধী পাত্র ব্যবহার করতে পারেন। বায়ুরোধী পাত্রের মধ্যে দুই স্তরে কিচেন টাওয়েল (কিচেন টাওয়েল কিছুটা পেপার ন্যাপকিনের মতো, যেটি রোল করা অবস্থায় কিনতে পাওয়া যায়) রাখুন। মরিচের বোঁটা ছাড়িয়ে এর ভেতর রাখুন। এর ওপরে আরেক স্তরের কিচেন টাওয়েল রাখুন। এরপর ভালো করে পাত্রের মুখ আটকে দিন। মরিচের আর্দ্রতা শুষে নেবে টাওয়েল। এতে মরিচ দীর্ঘদিন সতেজ থাকবে। এভাবে ২০ থেকে ২৫ দিন মরিচ সংরক্ষণ করা যায়।

অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল
কাঁচা মরিচ পচে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে রেফ্রিজারেটরে রাখতে পারেন। একটি প্লেটে কাঁচা মরিচ রাখুন এবং পুরো প্লেট ফয়েল পেপারে মুড়িয়ে ফ্রিজে রাখুন। ছয় থেকে সাত ঘণ্টা রাখার পর তা বের করে এনে হিমায়িত মরিচগুলো বায়ুরোধী কোনো পাত্রে রেখে দিন। ওই পাত্র রেফ্রিজারেটরে রাখুন। এভাবে মরিচ দুই মাস পর্যন্ত সতেজ রাখতে পারবেন। তথ্যসূত্র: নিউট্রিশন অ্যান্ড ইউ, এনডিটিভি।

54
History / Re: History of Muslim'S
« on: July 07, 2018, 11:00:15 AM »
আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেন ,
অতঃপর তার দ্ধারা যমীনকে তার মৃত্যুর পর পুনরায় জীবিত করেন । এতে ঐ সম্প্রদায়ের জন্য বহু নিদর্শন আছে যারা লক্ষ্য করে শুনে । তোমাদের জন্য গবাদি পশুতে ও অবশ্যই শিক্ষা নিহিত আছে । তোমাদেরকে পান করাই ওদের পেটের গোবর আর রক্তের মাঝ থেকে বিশুদ্ধ দুগ্ধ যা পানকারীদের জন্য খুবই সুস্বাদু । আর
খেজুর ও আঙ্গুর ফল থেকে তোমরা   উত্তম খাদ্য প্রস্তুত কর , জ্ঞানী সম্প্রদায়ের জন্য এতে অবশ্যই বহু নিদর্শন রয়েছে ।

______।। সুরা নাহাল : ৬৫ ,৬৬ , ৬৭ ।। ___

55
History / Re: History of Muslim'S
« on: July 02, 2018, 05:45:49 PM »
1⃣ – বিজ্ঞান আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে জেনেছে চন্দ্র এবং সূর্য কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে বা ভেসে চলে, পবিত্র কোরআনে
সূরা আম্বিয়ার ৩৩ নং আয়াতে এবং সূরা ইয়াসিন এর ৪০ নং আয়াতে এই কথা বলা হয়েছে ১৪০০ বছর আগে।
2⃣ – সম্প্রতি মানুষের ভ্রুন বিকাশের বিভিন্ন পর্যায় ও ধাপ সম্পর্কে
বিজ্ঞান আধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে জেনেছে, আর কোরআনে এই বিষয়ে যথাযথ ও সঠিক বর্ণনা প্রদান করা হয়েছে ১৪০০ বছর আগে।
( ২৩নং সূরা মুমিনুন এর ১২-১৪ নং আয়াত, ৫৩নং সূরা নাজম এর ৪৫-৪৬ নং আয়াত, ৩৯ নং সূরা জুমার ৬ নং আয়াত ) ও আরও অনেক আয়াতে বলা হয়েছে।
3⃣ – বিজ্ঞান সম্প্রতি জেনেছে খাদ্য সংগ্রহ ও মধু তৈরির সাথে স্ত্রী মৌমাছি জড়িত, সূরা নাহল এর (৬৮-৬৯)নং আয়াতে
কোরআনে এই কথা বলা হয়েছে ১৪০০ বছর আগে। এই আয়াতে কুরআন স্ত্রীবাচক ক্রিয়াপদ ব্যবহার করেছে। তাই এর দ্বারা কুরআন ইস্পস্ত ভাবে বর্ণনা দেয় খাদ্য সংগ্রহ ও মধু তৈরির সাথে স্ত্রী মৌমাছি জড়িত।
️4️⃣ – সম্প্রতি বিগ ব্যাং’ থিওরি আবিষ্কার হয় । আর সূরা আম্বিয়ার ৩০ নং আয়াতে কোরআনে এই কথা বলা হয়েছে ১৪০০ বছর আগে।বিস্তারিত ভাবে দেওয়া নিচে দেওয়া বইয়ে রয়েছে।
5️⃣ – বিজ্ঞান জেনেছে চাঁদের নিজস্ব কোন আলো নেই। কোরআনে সূরা ফুরক্বানের ৬১ নং আয়াতে এই কথা বলা হয়েছে ১৪০০ বছর আগে। বিস্তারিত ভাবে নিচে দেওয়া বইয়ে রয়েছে।
⏹️ এখানে মাত্র ৫ টি মুজিজা দেওয়া হল।
কিন্তু কোরআনে শত শত মুজিজা এবং অনেক ভবিষ্যৎবাণী ও রহস্য রয়েছে।
যা আপনি কোরআন নিয়ে লেখা ইসলামিক বই গুলো পড়লে প্রমান সহ এবং বিস্তারিত ভাবে জানতে পারবেন।

কিছু নাস্তিক ও অন্য ধর্মের মানুষ কোরআন এর মুজিজা ঠিক ভাবে না বুজে ভুল কমেন্ট করে তাই ঠিক ভাবে বা বিস্তারিত ভাবে জানতে হলে বই গুলো অবশ্যই পড়বেন।
বই কিনে বা ডাউনলোড করে পড়তে পারেন।
বই গুলোর মধ্যে একটি বই এর নাম হল আল কোরআনের ১৬০ মুজিজা ও রহস্য,লেখক ড.মাজহার কাজি। এই বইটিতে রয়েছে ১৬০ টি মুজিজা।
আমার কাছে এই বইটির pdf ফাইল রয়েছে যাদের লাগবে মেসেজ করে নিতে পারেন ফ্রি।
🌠 কোরআনের অনেক ভবিষ্যৎ বানীর মধ্যে একটি বিস্তারিত ভাবে দেওয়া হল।
ফ্রান্স এর প্রধান মমি সার্জন ছিলেন ডা.মরিস বুকাইলি তাকে ফেরাউন এর মমি পরীক্ষা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তিনি ফেরাউন এর মমি পরীক্ষা করেন। এবং তিনি জানতে পারেন একমাত্র কোরআনে ফেরাউনের লাশ সংরক্ষনের ব্যাপারে ভবিষ্যৎবাণী রয়েছে। (সূরা ১০ আয়াত ৯২)।
তিনি তখন অবাক হয়ে যায় কারন ফেরাউন এর মমি পাওয়া যায় ১৮৮১ সালে আর কোরআন নাজিল হয় ১৪০০ বছর আগে।
এরপর তিনি কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে অনেক সময় ধরে বহু গবেষণা করেন এবং অনেক কিছু জানতে পারেন।
তারপর তিনি একটি বই লিখেন যার নাম বাইবেল কোরআন ও বিজ্ঞান, আর এই বইটিতে তিনি প্রমান করেন কোরআনে একটি শব্দও নেই যা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে মিলে না, এবং বর্তমান বাইবেল এর মধ্যে এমন অনেক কিছু আছে যা বিজ্ঞানের সাথে কোনোভাবেই মিলে না।
এবং জানা যায় মৃত্যুর আগে তিনি ইসলাম গ্রহন করেন।
এই বইটি অনেক ভাষায় অনূদিত হয়েছে। বইটি বাংলা ভাষায় ও রয়েছে।
🚨 মনে রাখবেন ইসলামের দুশমনরা মানুষদের ভুল বুজিয়ে বিভিন্ন ভাবে ধোঁকা দিচ্ছে এবং তারা মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে ।
এমনকি ইসলামের দুশমনরা মুসলিম সেজেও কোরআন ও হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা করে ধোঁকা দিচ্ছে।
আর কোরআন ও হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা ধরা বেশির ভাগ মুসলিমদের পক্ষে সম্ভব নয় কারন এর জন্য ইসলাম সম্পর্কে ভালো ভাবে জানতে হয়।
আর মনে রাখবেন একজন আলেম বহু বছর সময় দিয়ে এত বড় কোরআন বাংলা সহ মুখস্থ করে ও অগনিত সহীহ হাদিস মুখস্ত রাখে,এবং
ইসলাম সম্পর্কে বহু জ্ঞান অর্জন করে।
তাই ইসলাম সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন থাকলে ভালো কোনো আলেম থেকে জেনে নিতে হবে।
আর আলেমদের অবশ্যই ইন্টারনেট সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে ইসলাম সম্পর্কে জানাতে হবে কারন
এর মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষকে ইসলাম সম্পর্কে জানানো সম্ভব।
🌍 পৃথিবীতে ইসলামের দ্রুত প্রসার ঘটছে এবং বেড়ে চলেছে নওমুসলিমদের সংখ্যা।
কিন্তু মুসলিমদের একটি বড় সমস্যা হল তারা ঐক্যবদ্ধ নয় তাই মুসললিমরা এখন নির্যাতিত হচ্ছে।
মনে রাখবেন ইসলামের বিজয় তখনি হবে, যখন ইসলামী শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ হবে,
আর জনগন তখনি শান্তিতে থাকতে পারবে যখন পবিত্র কুরআন এর আইন দ্বারা দেশ চলবে...
কারণ আল্লাহ্‌ হলেন সবথেকে বড় আইন প্রনেতা।
আজকে আমাদের নিজেদের কারনেই মুসললিমরা ঐক্যবদ্ধ নয়। তাই আমাদের নিজ থেকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আল্লাহ্‌ আমাদের কবুল করুক।(আমিন)
🌠 একবার ভেবে দেখুন মহান আল্লাহ্‌ এত কিছু সৃষ্টি করলো কিন্তু আমাদের গুনাহ করা ও নিজের ইচ্ছা মত চলার ক্ষমতা কেন দিল ? তাহলে এই দুনিয়ার জীবন কি একটি পরীক্ষা নয়?
আর আমি আজ যতো মজা করি আর গুনাহ করি না কেন আমি একদিন মারা যাবো, মৃত্যুর পর আমি কি পারবো জাহান্নাম এর কঠিন আজাব সহ্য করতে?

56
History / Re: History of Muslim'S
« on: June 25, 2018, 04:55:54 PM »
ক্বিয়ামতের মাঠে কাফেদের অবস্থা

কাফেদের জন্য ক্বিয়ামতের মাঠ হবে অতীব কঠিন ও জটিল জায়গা। মহান আল্লাহ তা‘আলা কাফেদের অবস্থা সম্পর্কে ইরশাদ করেন, إِنَّ الَّذِيْنَ كَفَرُوْا لَوْ أَنَّ لَهُمْ مَّا فِي الْأَرْضِ جَمِيْعًا وَمِثْلَهُ مَعَهُ لِيَفْتَدُوْا بِهِ مِنْ عَذَابِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ مَا تُقُبِّلَ مِنْهُمْ وَلَهُمْ عَذَابٌ أَلِيْمٌ- ‘নিশ্চয়ই যারা কাফের, যদি তাদের কাছে পৃথিবীর সমুদয় সম্পদ এবং তৎসহ আরও তদনুরূপ সম্পদ থাকে আর এগুলোর বিনিময় দিয়ে ক্বিয়ামতের শাস্তি থেকে পরিত্রাণ পেতে চায়, তবুও তাদের কাছ থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি’ (মায়েদাহ ৩৬)।
মহান আল্লাহ আরও বলেন, تَقُوْمُ السَّاعَةُ يُبْلِسُ الْمُجْرِمُوْنَ- وَلَمْ يَكُنْ لَّهُمْ مِّنْ شُرَكَائِهِمْ شُفَعَاءُ وَكَانُوْا بِشُرَكَائِهِمْ كَافِرِيْنَ- ‘যেদিন ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে, সেদিন অপরাধীরা হতাশ হয়ে যাবে। তাদের দেবতাগুলোর মধ্যে কেউ তাদের জন্য সুপারিশ করবে না এবং তারা তাদের দেবতাকে অস্বীকার করবে’ (রূম ১২-১৩)।
ক্বিয়ামতের মাঠে কাফেদের অবস্থা এতই কঠিন হবে যে, তাদেরকে আল্লাহ পায়ের দ্বারা না হাঁটিয়ে মুখের মাধ্যমে হাঁটাবেন। হাদীছে এসেছে,
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَجُلًا قَالَ يَا نَبِيَّ اللهِ يُحْشَرُ الْكَافِرُ عَلَى وَجْهِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ أَلَيْسَ الَّذِيْ أَمْشَاهُ عَلَى الرِّجْلَيْنِ فِي الدُّنْيَا قَادِرًا عَلَى أَنْ يُمْشِيَهُ عَلَى وَجْهِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ قَالَ قَتَادَةُ بَلَى وَعِزَّةِ رَبِّنَا-
আনাস ইবনু মালেক (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, একদা জনৈক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ)! ক্বিয়ামতের দিন কাফেরদেরকে কিভাবে মুখের মাধ্যমে হাঁটিয়ে একত্রিত করা হবে? নবী করীম (ছাঃ) বললেন, যিনি দুনিয়াতে মানুষকে পায়ের মাধ্যমে চালাতে সক্ষম, তিনি কি ক্বিয়ামতের দিন তাকে মুখের মাধ্যমে চালাতে সক্ষম হবেন না? ক্বাতাদাহ বলেন, আমাদের রবের কসম! তিনি তা করতে সক্ষম’।(১০. বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৫৩০৩।)

ক্বিয়ামতের মাঠে এ এক আশ্চর্য দৃশ্য যে কাফেররা মুখের মাধ্যমে চলাচল করবে।

57
History / Re: History of Muslim'S
« on: June 24, 2018, 04:31:52 PM »
একবার এক ইহুদি রসুলুল্লাহ সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপরে এসে চড়াও হলো। তার জামা আর চাদর টেনে ধরে খুব রুক্ষ ভাবে বলল,
"এই মুহাম্মাদ, আমার ঋণ শোধ করো না কেন?"
এরপরেও আরো কিছু কড়া এবং কটু কথা বলতে থাকল।

দৃশ্যটা উমার রাদিয়াল্লাহু তা'আলা দেখলেন। তিনি ইহুদিকে বললেন, তুমি রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে যে ব্যবহার করলে, আল্লাহর কসম, রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাধা না দিলে তোমার কল্লা নামিয়ে ফেলতাম।

রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শান্তভাবে উমার রাদিয়াল্লাহু আনহুর দিকে তাকিয়ে বললেন, তোমার কাছ থেকে এমন কথা তো আশা করিনি উমার। তুমি আমাকে বলবে ঋণ তাড়াতাড়ি শোধ করে দিতে আর তাকে বলবে ভালো ব্যবহার করতে। যাই হোক, লোকটাকে আমার ঋণ শোধ করে দাও আর অতিরিক্ত বিশ সা’ খেজুর দিয়ে দাও।
উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু তাই করলেন।

ইহুদি জিজ্ঞেস করল, বেশি দিলে কেন উমার?
- রাগের জন্য।
ইহুদি জিজ্ঞেস করল, আমাকে চিনতে পেরেছ?
- না।
- আমি যায়েদ বিন সু’নাহ।
- ওহ, তুমি সেই ইহুদি পাদ্রী?
- হ্যাঁ।
- তুমি আমাদের রসুলের সাথে এত দুর্ব্যবহার করেছিল কেন?
- আমি তাঁর মধ্যে নবুওয়াতের সব আলামত পেয়েছি, খালি দুটি জিনিসের জন্য পরীক্ষা করছিলামঃ

১) তাঁর সহিষ্ণুতা অজ্ঞতার উপর অগ্রগামী কিনা
২) মুর্খতা বশত তাঁর সাথে কেউ অসদাচরণ করলে তার ধৈর্য বাড়ে কিনা।

এ দুটি বিষয় পরীক্ষার জন্যই আমি এ আচরণ করেছি। উমার শোনো, তোমাকে সাক্ষী করে বলছি: আল্লাহ তা‘আলা আমার রব্ব হওয়াতে, ইসলাম আমার দ্বীন হওয়াতে ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নবী হওয়াতে আমি সন্তুষ্ট।
আমি তোমাকে এও সাক্ষী রাখছি যে, আমার অর্ধেক সম্পদ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মতের জন্য দান করে দিলাম।
তারপর যায়েদ রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে গিয়ে বললেন,

" আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন সত্য মাবুদ নেই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রাসূল।"

ভাইয়েরা - এই মানুষটা আমাদের রসুল ছিলেন। আমরা কীভাবে অধৈর্য হব, অসহিষ্ণু হব বলেন?

যারা আমাদের ভুল ধরেন তারা আমাদের ভালোর জন্যই ধরেন, আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ তাদের মাকাম অনেক উন্নত করুন।আমরা যেন তাদের শত্রু মনে না করি। আমরা যেন আমাদের ভুলগুলো সংশোধন করে নিতে সচেষ্ট হই।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা তাওফিক দিন।

58
History / Re: History of Muslim'S
« on: June 21, 2018, 09:32:14 AM »
দৃষ্টি সংযত রাখার মাহাত্ম্য ও মর্যাদা
আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা বলেছেন,
“(হে নবী) আপনি  মু’মিন পুরুষদের বলুন, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের  লজ্জাস্থানের হিফাযত করবে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয়ই তারা যা করে, সে সম্পর্কে আল্লাহ্  সম্যক অবহিত।
(সূরা আন-নূর; ২৪ : ৩০)
অতএব, আল্লাহ্ পবিত্রতা ও আত্মিক উন্নয়নকে দৃষ্টি সংযত রাখার এবং লজ্জাস্থান হিফাযত করার প্রতিদান হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কারণ নিষিদ্ধ বস্তু থেকে নিজের দৃষ্টি সংযত করার ফলে তিনটি উপকার হয় যেগুলো ভীষণভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যন্ত মূল্যবান।
প্রথমত : ঈমানের মধুরতা আস্বাদন করা
দ্বিতীয়ত : আলোকিত হৃদয়, স্বচ্ছ উপলব্ধিবোধ এবং তীক্ষ্ণ অন্তর্দৃষ্টি
তৃতীয়ত : হৃদয় হবে শক্তিশালী, দৃঢ় এবং সাহসী

59
জান্নাতিদের সম্পর্কে এক আয়াতে আল্লাহ-তাআলা বলেনঃ-
সেখানে(জান্নাতে) তোমাদের জন্য আছে যা তোমাদের মন চায় এবং সেখানে তোমাদের জন্যে আছে যা তোমরা দাবী কর।🙂🙂
(সূরা হা-মীম সেজদাহ,আয়াত ৩১)
অন্য এক আয়াতে জাহান্নামীদের সম্পর্কে আল্লাহ-তাআলা বলেনঃ-
অতএব যারা কাফের, তাদের জন্যে আগুনের পোশাক তৈরী করা হয়েছে। তাদের মাথার উপর ফুটন্ত পানি ঢেলে দেয়া হবে।ফলে তাদের পেটে যা আছে, তা এবং চর্ম গলে বের হয়ে যাবে।তাদের জন্যে আছে লোহার হাতুড়ি।তারা যখনই যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে জাহান্নাম থেকে বের হতে চাইবে, তখনই তাদেরকে তাতে ফিরিয়ে দেয়া হবে। বলা হবেঃ দহন শাস্তি আস্বাদন কর।😥😥
(সূরা হাজ্জ্ব,আয়াত ১৯-২২)

60
খাদ্য দিয়ে ফিতরা আদায় করুন, এবং টাকা দিয়ে যাকাত আদায় করুন।

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 22